Matritto - মাতৃত্ব

Matritto - মাতৃত্ব A social business solving problems around pregnancy, parenting and motherhood

মাতৃত্ব ডট কম বাংলা ভাষায় মাতৃত্ব, গর্ভধারণ ও শিশুপালন সংক্রান্ত তথ্যভান্ডার ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। আমরা বাংলাভাষী মা-বাবাদের প্রাথমিক তথ্যের উৎসে পরিণত হবার লক্ষ্যে প্রতিদিন এমন সব কন্টেন্ট যোগ করছি, যা মা-বাবাদের প্রতিদিনকার জীবন সংশ্লিষ্ট প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবে।

26/05/2026

আপনারা কি পেইজে প্রেগনেন্সি সংক্রান্ত বিভিন্ন ইনফরমেশন, টিপস এবং ট্রিকস নিয়ে প্রিনাটাল মিনি সিরিজ চান???
কমেন্টে জানান ⬇️⬇️

কুরবানির ঈদ মানেই—গরুর মাংস, কাবাব, রেজালা, কালাভুনা, ঝাল ঝাল রান্না, স্টেক, চাপ আরও কত কি!!! কিন্তু একজন গর্ভবতী মায়ের ...
26/05/2026

কুরবানির ঈদ মানেই—
গরুর মাংস, কাবাব, রেজালা, কালাভুনা, ঝাল ঝাল রান্না, স্টেক, চাপ আরও কত কি!!!

কিন্তু একজন গর্ভবতী মায়ের জন্য কুরবানির ঈদ মানেই শুধু “মাংস খাওয়া” না—

এখন আপনার প্রতিটা খাবার শুধু আপনার না, ছোট্ট আরেকজন মানুষের শরীরও গড়ছে 💛
এই সময়টায় খাবারের ছোট্ট কিছু ভুল থেকেই হতে পারে গ্যাস, অম্বল, ফুড পয়জনিং, এমনকি ব্লাড প্রেসার বা সুগারও বেড়ে যেতে পারে।

বিশেষ করে ঈদের সময় একসাথে অতিরিক্ত লাল মাংস, তেল-মসলা আর অনিয়মিত খাওয়ার কারণে অনেক প্রেগন্যান্ট মা অস্বস্তিতে ভোগেন।

তাই ঈদ উপভোগ করুন, তবে একটু বুঝে 💛

গর্ভবতী মায়েরা কুরবানির ঈদে কী কী খেতে পারবেন, কি পারবেন না, কতটা পরিমাণ খাবেন ইত্যাদি বিষয় গুলো চলেন এক নজরে দেখে নিই ⬇️

✅ ভালোভাবে সিদ্ধ গরু/খাসির মাংসঃ
প্রোটিন, আয়রন ও ভিটামিন B12 এর ভালো উৎস।
এগুলো বাচ্চার গ্রোথ ও মায়ের রক্তস্বল্পতা কমাতে সাহায্য করে।
তবে পরিমাণ গুরুত্বপূর্ণ।

✅ ডাল, সবজি ও সালাদসহ ব্যালান্সড মিলঃ
শুধু মাংস না খেয়ে ফাইবার যোগ করুন।
এতে কোষ্ঠকাঠিন্য ও অম্বল কম হয়।

✅ দই ও পানি
ঈদের ভারী খাবারের পর হজমে সাহায্য করতে পারে।
গর্ভাবস্থায় ডিহাইড্রেশনও কমায়।

✅ ফলমূল
বিশেষ করে ভিটামিন C সমৃদ্ধ ফল আয়রন শোষণে সাহায্য করে।

⚠️ কোন বিষয়গুলোতে সতর্ক থাকবেন?
• একবেলায় অতিরিক্ত মাংস খেলে হজমে সমস্যা হতে পারে
• অতিরিক্ত তেল-মসলাযুক্ত রান্না গ্যাস ও বুকজ্বালাপোড়া বাড়াতে পারে
• গর্ভাবস্থায় হজম প্রক্রিয়া স্বাভাবিকের চেয়ে ধীর হয়—তাই চোখের খিদায় লাগাম টেনে ধরতে হবে।

🚫 যা এড়িয়ে চলা উচিত

❌ কাঁচা বা আধা সিদ্ধ মাংস
এতে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া বা পরজীবী থাকতে পারে, যা মা ও গর্ভস্থ শিশুর জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।

❌ বারবার গরম করা মাংস
ভুলভাবে সংরক্ষণ করা খাবারে ব্যাকটেরিয়া দ্রুত বাড়তে পারে।

❌ অতিরিক্ত কলিজা
কলিজায় ভিটামিন A অনেক বেশি থাকে।
অতিরিক্ত ভিটামিন A গর্ভাবস্থায় ক্ষতিকর হতে পারে। তাই খুব অল্প পরিমাণ খেতে পারেন।

❌ অতিরিক্ত সফট ড্রিংকস ও মিষ্টি
রক্তে সুগার দ্রুত বাড়াতে পারে, বিশেষ করে যাদের গেস্টেশনাল ডায়াবেটিস আছে।

মাংস প্রসেসিংয়ের সময় স্বাস্থ্যবিধি খুব জরুরি
• কাঁচা মাংস ধরার পর সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে নিন
• আলাদা ছুরি/বোর্ড ব্যবহার করা ভালো
• মাংস দ্রুত ফ্রিজে সংরক্ষণ করুন
• দীর্ঘ সময় রোদে বা গরমে ফেলে রাখবেন না

💡 মনে রাখুন,
গর্ভাবস্থায় “দুইজনের পরিমাণ খাওয়া” না, বরং “দুইজনের জন্য পুষ্টিকরভাবে খাওয়া” বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

সব মায়েদের ঈদ হোক আনন্দের, অস্বস্তির না।

26/05/2026

হবু মাম্মিরা, কুরবানির ঈদে আপনার করনীয় বর্জনীয় নিয়ে জানতে চান???

25/05/2026

ছোট থেকেই আমাদের সন্তানদের ইসলামের মৌলিক বিষয় গুলোর সাথে পরিচয় করিয়ে দিতে হবে!
কুরবানির শিক্ষা নিয়ে শিশুর সাথে গল্প করেছেন তো?

আরাফার দিন হচ্ছে দু’আর দিন।দুয়া কবুলের দিন।গর্ভবতী মা কিংবা ছোট বাচ্চার মায়েদের তো দুয়ার প্রয়োজন আরও অনেক বেশি।এমন একটা ...
25/05/2026

আরাফার দিন হচ্ছে দু’আর দিন।

দুয়া কবুলের দিন।

গর্ভবতী মা কিংবা ছোট বাচ্চার মায়েদের তো দুয়ার প্রয়োজন আরও অনেক বেশি।
এমন একটা দুয়া কবুলের গোল্ডেন অপরচুনিটি কি মিস করা চলে?

কিন্তু একজন ক্লান্ত-শ্রান্ত গর্ভবতী মা কিংবা নবজাতকের মায়ের দিনলিপি আর দশজনের মতো নয়।
বিশেষ করে একজন গর্ভবতী মা…
অথবা ছোট বাচ্চার মা…
যার দিন কাটে ক্লান্তি, ভয়, অনিশ্চয়তা, দুশ্চিন্তা, নির্ঘুম রাত আর হাজারটা দায়িত্বের ভেতর দিয়ে— তার কিভাবে আল্লাহর সাথে সবচেয়ে গভীর কথোপকথনের সুযোগ হবে?

তার উপর অনেকেই ভাবেন—
“কি দুয়া করবো?”
“কিভাবে করবো?”
“কিছু তো মাথায় আসে না!”

আসলে এত ভেবে দুয়া করতে হয় না।

আপনার রব তো আপনার হৃদয়ের ভাষাও জানেন। 💗

আরাফার দিনের সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ দুয়াগুলোর একটি হলো—
لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ، وَهُوَ عَلَىٰ كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ
উচ্চারণঃ
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ওয়া হুয়া ‘আলা কুল্লি শাই’ইন ক্বাদীর।
অর্থঃ
“আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই। তিনি এক, তাঁর কোনো শরীক নেই। রাজত্ব তাঁরই, সমস্ত প্রশংসাও তাঁরই। আর তিনি সবকিছুর ওপর ক্ষমতাবান।”

এই দুয়াটি আরাফার দিনে বারবার পড়তে পারেন—
সকাল থেকে মাগরিব পর্যন্ত, বিশেষ করে নিরিবিলি সময়ে।

হাঁটতে হাঁটতে, বিশ্রাম নিতে নিতে, রান্না করতে করতে কিংবা শিশুকে ঘুম পাড়াতেও পড়তে পারেন।

কারণ দুয়া কবুলের জন্য নিখুঁত শব্দ নয়, সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন একটি আন্তরিক হৃদয়। 💗

এরপর মন খুলে নিজের ভাষায় চাইতে থাকুন… 🌿

আপনি কাঁদতে কাঁদতে এভাবেও বলতে পারেন—
“হে আল্লাহ, আমার গর্ভকাল সহজ করে দিন।”
“হে আল্লাহ, আমার সন্তানকে সুস্থভাবে দুনিয়ায় আনুন।”
“হে আল্লাহ, সন্তান জন্মদানের ভয় আমার হৃদয় থেকে দূর করে দিন।”
“হে আল্লাহ, আমার শিশুকে নেককার বানান, দ্বীনের পথে রাখুন।”
“হে আল্লাহ, আমি যেন সন্তানের উত্তম মা হতে পারি।”
“হে আল্লাহ, আমার রাগ, ক্লান্তি আর মানসিক চাপ সহজ করে দিন।”
“হে আল্লাহ, মাতৃত্বের এই কষ্টগুলোকে আমার গুনাহ মাফের মাধ্যম বানিয়ে দিন।”
“হে আল্লাহ, আমার সন্তানকে চোখের শীতলতা বানিয়ে দিন।”
“হে আল্লাহ, আমার ঘরে রহমত, বরকত আর শান্তি দিন।”
“হে আল্লাহ, আমি যে ভয় কাউকে বলতে পারি না— আপনি তা জানেন, আপনি তা সহজ করে দিন।”

আর ছোট বাচ্চার মায়েরা—
আপনারা শুধু সন্তানের জন্য না, নিজের জন্যও দুয়া করবেন।
কারণ অনেক মা আছেন যারা সন্তানকে সময় দিতে দিতে নিজেকেই ভুলে যান।
নিজের ক্লান্তি, নিজের মানসিক অবসাদ, নিজের ভাঙাচোরা হৃদয়— সব চেপে রাখেন।
এই আরাফার দিনে বলুন—
“হে আল্লাহ, আমাকে ধৈর্য দিন।”
“হে আল্লাহ, আমি যেন রাগের সময়ও সন্তানের সাথে কোমল থাকতে পারি।”
“হে আল্লাহ, আমাকে এমন মা বানান, যাকে দেখে আমার সন্তান আপনার দিকে আসতে শেখে।”
“হে আল্লাহ, আমার সন্তানদের অন্তরে ছোটবেলা থেকেই ঈমানের ভালোবাসা বসিয়ে দিন।”
আর একটা কথা—
দুয়া মানেই শুধু বড় বড় আরবি দুয়া না।
আপনি নিজের ভাষায় চাইবেন।
যে ভাষায় আপনার কান্না আসে।
যে ভাষায় আপনার ভয়গুলো বের হয়ে আসে।
যে ভাষায় আপনি সবচেয়ে সত্য।
মনে যা আসে তাই চাইবেন।
এক জিনিস বারবার চাইবেন।
আল্লাহ বিরক্ত হন না।
বরং বান্দার বারবার চাওয়াকেই ভালোবাসেন। 🤍

তাই এ দিনে মন খুলে বলুন—
“হে আল্লাহ, আপনি কবুল করে নিন…”
“হে আল্লাহ, আমাকে ফেলে দেবেন না…”
“হে আল্লাহ, আমার সন্তানদের হেফাজত করুন…”
“হে আল্লাহ, আমাকে আপনার প্রিয় বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত করুন…”
নিরাপদ পৃথিবীর জন্য খুব করে দুয়া করবেন।
আর অবশ্যই—
নিজের এবং নিজের সন্তানের জন্য যেমন দুয়া করবেন, পৃথিবীর সব মায়েদের এবং সন্তানদের জন্যও দুয়া করবেন।

গর্ভকালীন অস্থিরতা, মনের না বলা কথা কিংবা অনাগত সন্তান নিয়ে দুশ্চিন্তা—মা হওয়ার যাত্রায় এই অনুভূতিগুলো বড্ড স্বাভাবিক। ক...
25/05/2026

গর্ভকালীন অস্থিরতা, মনের না বলা কথা কিংবা অনাগত সন্তান নিয়ে দুশ্চিন্তা—মা হওয়ার যাত্রায় এই অনুভূতিগুলো বড্ড স্বাভাবিক। কিন্তু এই নাজুক সময়ে কার কাছে মেলে পূর্ণ প্রশান্তি?
​আমাদের একাকী মুহূর্তের সেই একান্ত কথোপকথন, অর্থাৎ 'দু'আ' হতে পারে মানসিক শক্তির অনন্য উৎস। যাকারিয়া (আঃ)-এর জীবনের দৃষ্টান্ত থেকে কীভাবে শিখব স্রষ্টার সাথে সেই নিভৃত সংযোগ স্থাপন করতে? দু'আ করার আদব বা শৈলীই বা কেমন হওয়া উচিত?
​গর্ভাবস্থার এই বিশেষ সময়ে মনের ভার হালকা করতে এবং স্রষ্টার সান্নিধ্য খুঁজে পেতে বিস্তারিত পড়ুন এই আর্টিকেলে।
​🔗 লিংক নিচে কমেন্টে দেওয়া হলো।

নবজাতক ঘরে এসেছে? চোখের পলক যেন পড়ছেই না, তাই না? কিন্তু এই ছোট্ট মানুষটির দুনিয়াটা বড়ই অদ্ভুত আর মজার।​কখনও কি ভেবে দেখ...
24/05/2026

নবজাতক ঘরে এসেছে? চোখের পলক যেন পড়ছেই না, তাই না? কিন্তু এই ছোট্ট মানুষটির দুনিয়াটা বড়ই অদ্ভুত আর মজার।

​কখনও কি ভেবে দেখেছেন, কেন সে সব সময় আপনার কণ্ঠ শুনলে শান্ত হয়ে যায়? অথবা কেনই বা প্রথম কয়েক মাস তার চোখে কোনো জল আসে না? ছোট্ট এই মানুষটির শরীরে এমন সব বিষয় ঘটে চলেছে, যা সত্যিই বিস্ময়কর।

​আমাদের হাতের কাছেই আছে এমনই ১০টি মজার তথ্য, যা জানলে আপনার সন্তানের সাথে আপনার বোঝাপড়াটা আরেকটু গভীর হতে পারে।
​বিস্তারিত জানতে পুরো আর্টিকেলটি পড়ে নিতে পারেন কমেন্টে দেওয়া লিংকে ⬇️
​নবজাতকের বেড়ে ওঠার এই জার্নিতে আপনার কোনো অদ্ভুত অভিজ্ঞতা হয়েছে কি? জানাতে পারেন কমেন্টে!

আপনি স্বাভাবিক খাবার খাচ্ছেন অন্যদের মতো। সত্য বলতে অন্যদের থেকে কমই খাচ্ছেন। কিন্তু ওজন বাড়ছে।অপ্রত্যাশিত ওজন। আপনি শুয়...
23/05/2026

আপনি স্বাভাবিক খাবার খাচ্ছেন অন্যদের মতো। সত্য বলতে অন্যদের থেকে কমই খাচ্ছেন। কিন্তু ওজন বাড়ছে।অপ্রত্যাশিত ওজন। আপনি শুয়ে থাকলেও ওজন বাড়ে। বাতাস খেলেও ওজন বাড়ে।
সত্য বলতে এই প্রবলেমে আপনি একা না। বাংলাদেশের তথা পৃথিবীর কোটি কোটি মানুষ। কিন্তু কারণ কি হতে পারে?
সাধারণত Normal Diet এ এই অপ্রত্যাশিত ওজন বাড়ার কারণ Metabolic বা Hormonal.
যদি Common কারণ খুজতে চাই তবে এর কারণ বড় দাগে তিনটি।
১) Hypothyroidism ( এটাই সবচেয়ে কমন কারণ)
২) PCOS
৩) Cushing Syndrome
এখন ক্লিনিকালি এই তিনটা কে Differentiate করা যায়।
যেমন Hypothyroidism এর রোগী খুব Slow হয়ে যাবে। অতিরিক্ত ঘুমাবে। পড়াশোনা তে খারাপ করা শুরু করবে। কন্ঠ হঠাৎ ফ্যাসফ্যসে হয়ে যাবে। রোগী একটু পর পর গলা খাকারি দিবে। pulse কমে ৬০ এর ঘরে চলে আসবে। সাথে থাকতে পারে Constipation.

PCOS এর রোগীদের থাকবে Irregular menstruation.
অনেক সময় Uncontrolled Diabetes . মুখে Acne আর অবাঞ্চিত লোম দেখা যাবে। যেটা কে Hirsuitism বলি আমরা।

ওদিকে Cushing এর রোগীর সাধারণত থাকবে Steroid ব্যবহারের History. বিশেষ করে এই রোগী রা Asthma , Arthritis বা Skin এর প্রবলেমে দীর্ঘদিন ধরে Steroid খেয়ে আসে। এর সাথে রোগীর Hypertension থাকবে। শরীরের Fat গুলো বেশির ভাগ জমা হবে পেটে আর বুকে। হাত পা আবার থাকবে চিকন। এর সাথে এদের Skin এ Bruise বা Bleeding spot দেখা যাবে। Fungal infection মাথা চাড়া দিবে। Peptic ulcer দেখা দিবে। কারো কারো পেটে লম্বা লম্বি Pink colour এর Striae দেখতে পাওয়া যাবে।

এরপর Relevant investigation করে আমরা আমাদের Diagnosis এ পৌছাবো। মনে রাখবেন এই তিনটা রোগই Weight gain এর প্রধান কারণ। এবং তিনটা রোগেরই চিকিৎসা করলে আরোগ্য সম্ভব। অর্থাৎ Treatment নিলে ওজন কমা শুরু হবে।
তাই অপ্রত্যাশিত ওজন বাড়লে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে দ্রুত চিকিৎসা নিন।

#ডাঃসওগাত_এহসান

হবু মাম্মিরা, কুরবানির ঈদের ধকল সামলে স্বস্তিতে আনন্দ উদযাপনের জন্য প্রস্তুতি নিয়েছেন তো???  কুরবানির ঈদ মানেই ঘরভর্তি ব...
23/05/2026

হবু মাম্মিরা, কুরবানির ঈদের ধকল সামলে স্বস্তিতে আনন্দ উদযাপনের জন্য প্রস্তুতি নিয়েছেন তো???

কুরবানির ঈদ মানেই ঘরভর্তি ব্যস্ততা, অতিথি আপ্যায়ন আর রান্নাবান্নার ধুম।
তবে একজন প্রেগন্যান্ট মায়ের জন্য এই উৎসবের খুশিতে থাকা চাই একটু বাড়তি সতর্কতা।
কারণ আপনার শরীর এখন শুধু আপনার নয়, ছোট্ট আরেকটি প্রাণের নিরাপদ আশ্রয়। 🤍
​ঈদ সুন্দর হবে তখনই, যখন আপনি থাকবেন সুস্থ ও স্বস্তিতে। আপনার ঈদ নিরাপদ করতে একটি সহজ ও ধারাবাহিক চেকলিস্ট নিচে দেওয়া হলো:

​✔️ কেনাকাটা আগেই সারুন: শেষ মুহূর্তের ভিড় ও অতিরিক্ত হাঁটাচলা এড়াতে ঈদের প্রয়োজনীয় কেনাকাটা যতটা সম্ভব আগেই শেষ করে ফেলুন।

✔️ ভ্রমণে বাড়তি সতর্কতা: ঈদে যারা গ্রামের বাড়ি যাবেন, পথে ঝাঁকুনি এড়াতে সাবধানতা অবলম্বন করুন। একটানা অনেকক্ষণ বসে না থেকে দীর্ঘ জার্নিতে মাঝে মাঝে বিরতি নিন। এই ভীড়ে বাস যাত্রা এড়িয়ে প্রাইভেট কার এর ব্যবস্থা করতে পারলে ভালো হয়।

✔️ ভ্রমণের জরুরি কিট: যাত্রার সময় সাথে অবশ্যই পর্যাপ্ত পানি, হালকা শুকনো খাবার, প্রয়োজনীয় সব ওষুধ এবং আপনার লেটেস্ট প্রেগন্যান্সি রিপোর্ট রাখুন।

✔️ বিশুদ্ধ খাবার ও পানি: গ্রামে বা নতুন পরিবেশে গেলে সেখানকার বিশুদ্ধ পানি ও স্বাস্থ্যকর খাবারের ব্যাপারে একটু বেশি সতর্ক থাকুন।

✔️ কাজের দায়িত্ব ভাগ করুন: মাংস গোছানো, কাটা বা বিলি করার মতো ভারী কাজে নিজে সরাসরি না জড়িয়ে পরিবারের অন্যদের দায়িত্ব দিন।

✔️ ওষুধ ও জরুরি নম্বর: ঈদের ছুটির আগেই নিয়মিত ওষুধ পর্যাপ্ত কিনে রাখুন এবং আপনার গাইনিকোলজিস্টের নম্বরটি হাতের কাছে রাখুন।

✔️ টানা দাঁড়িয়ে থাকবেন না: রান্নাঘরে একটানা দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে কাজ করবেন না; ক্লান্তি এড়াতে পাশে একটি চেয়ার রাখুন যেন মাঝে মাঝে বসতে পারেন।

✔️ ভারী বস্তু বহন নিষেধ: মাংসের বড় গামলা, পানির বালতি বা কোনো ভারী আসবাবপত্র নিজে একা একদমই তুলতে যাবেন না।

✔️ গ্লাভস ব্যবহার করুন: কাঁচা মাংসের জীবাণু প্রেগন্যান্সিতে ঝুঁকির কারণ হতে পারে, তাই মাংস কাটাকাটি বা ধোয়ার সময় গ্লাভস ব্যবহার করুন।

✔️ গন্ধ ও কোলাহল বর্জন: কুরবানির জায়গার রক্ত, কাঁচা মাংসের তীব্র গন্ধ বা কড়া মশলার ঝাঁজে বমি ভাব হলে তৎক্ষণাৎ খোলা বাতাসে চলে যান।

✔️ মাংস পুরোপুরি সেদ্ধ করুন: আধাসেদ্ধ মাংস খাওয়া থেকে সম্পূর্ণ বিরত থাকুন; ব্যাকটেরিয়ার ঝুঁকি এড়াতে মাংস যেন খুব ভালোভাবে রান্না করা (Well-cooked) হয়।

✔️ চর্বি ও মশলা পরিহার: অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত লাল মাংস এবং বেশি তেল-মশলার পদ এড়িয়ে চলুন, যা বুক জ্বালাপোড়া বা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা বাড়াতে পারে।

✔️ খাবারের মেন্যুতে ভারসাম্য: শুধু মাংস না খেয়ে হজমের সুবিধার জন্য খাবারের তালিকায় পর্যাপ্ত আঁশযুক্ত সবজি, ফল, ডাল ও সালাদ রাখুন।

✔️ মিষ্টি খাবারে নিয়ন্ত্রণ: সেমাই বা পায়েসের মতো মিষ্টি খাবার সীমিত পরিমাণে খান, বিশেষ করে আপনার গর্ভাবস্থাকালীন ডায়াবেটিস থাকলে।

✔️ পর্যাপ্ত পানি পান: ডিহাইড্রেশন ও দুর্বলতা এড়াতে ঈদের ব্যস্ততার মাঝেও সারাদিনে অন্তত ৮-১০ গ্লাস পানি পান নিশ্চিত করুন।

✔️ কোমল পানীয় বর্জন: অতিরিক্ত চিনিযুক্ত কোল্ড ড্রিংকস বা ক্যানজাত জুস না খেয়ে ডাবের পানি বা ঘরে তৈরি তাজা লেবুর শরবত বেছে নিন।

✔️ আরামদায়ক পোশাক ও জুতো: সারাদিন স্বস্তিতে থাকতে খুব টাইট বা ভারী পোশাকের বদলে সুতি ঢিলেঢালা কাপড় এবং নরম ফ্ল্যাট স্যান্ডেল ব্যবহার করুন।

✔️ বিশ্রাম ও একান্ত সময়: অতিথি সামলানোর সব দায়িত্ব একা নেবেন না; দুপুরের বিশ্রাম ও রাতের ঘুম ঠিক রাখুন এবং মাঝে মাঝে নিজের রুমে গিয়ে জিরিয়ে নিন।

✔️ জরুরি লক্ষণগুলোতে নজর: তীব্র পেট ব্যথা, রক্তক্ষরণ, হঠাৎ হাত-পা ফুলে যাওয়া, তীব্র মাথা ঘোরা বা বাচ্চার নড়াচড়া কম মনে হলে সাথে সাথে ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন।

মনে রাখবেন, এই ঈদে “সবকিছু পারফেক্ট করা” আপনার দায়িত্ব না। আপনার সুস্থতা, স্বস্তি আর মানসিক শান্তিই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ একজন শান্ত, সুস্থ মা মানেই একটি নিরাপদ ছোট্ট পৃথিবী। আপনাদের সবার ঈদ কাটুক নিরাপদে!

নেক সন্তান আল্লাহর দেওয়া অন্যতম সেরা উপহার। কিন্তু এই উপহারের যত্ন নিতে এবং তাদের দ্বীনের পথে টিকিয়ে রাখতে মা-বাবার দোয়া...
23/05/2026

নেক সন্তান আল্লাহর দেওয়া অন্যতম সেরা উপহার।

কিন্তু এই উপহারের যত্ন নিতে এবং তাদের দ্বীনের পথে টিকিয়ে রাখতে মা-বাবার দোয়ার কোনো বিকল্প নেই।

আমাদের প্রতিটি সন্তানের আত্মিক শান্তি, শারীরিক সুস্থতা এবং সামাজিক সুরক্ষার জন্য এই দোয়াগুলো যেন এক একটি ঢাল।
পবিত্র কুরআন ও হাদিসের আলোতে সন্তান লাভের এবং তাদের নিরাপত্তার কিছু চিরন্তন দোয়া নিয়ে আমাদের আজকের আর্টিকেল।
লিংক কমেন্টে পেয়ে যাবেন। পড়ে দেখার আমন্ত্রণ রইল।

"ডেলিভারির ডেট তো পার হয়ে যাচ্ছে, এখনো ব্যথা উঠছে না কেন?""আচ্ছা, এই সময়ে সহবাস করলে কি আসলেই লেবার পেইন তাড়াতাড়ি শুরু হ...
22/05/2026

"ডেলিভারির ডেট তো পার হয়ে যাচ্ছে, এখনো ব্যথা উঠছে না কেন?"

"আচ্ছা, এই সময়ে সহবাস করলে কি আসলেই লেবার পেইন তাড়াতাড়ি শুরু হয়?"

"অনেকে বলছে ঝাল খাবার খেলে নাকি নরমাল ডেলিভারি সহজ হয়, কথাটা কি সত্যি?"

​গর্ভাবস্থার শেষ দিনগুলোতে এই প্রশ্নগুলো প্রায় প্রতিটা হবু মায়ের মনে আর ঘরের আলোচনায় ঘুরপাক খায়।

ডেট যত কাছে আসে, অপেক্ষা আর উৎকণ্ঠা যেন তত বাড়ে। আর তখনই চারপাশ থেকে ভেসে আসে নানা রকমের ঘরোয়া পরামর্শ।
কেউ বলেন নির্দিষ্ট কিছু খাবারের কথা, কেউবা দেন বিশেষ কিছু অভ্যাসের হদিস।

​কিন্তু সত্যি বলতে, এগুলোর পেছনে কি আসলেই কোনো সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা বিজ্ঞান রয়েছে?

​বিশেষজ্ঞরা বলেন, ঘরে বসে প্রসব বেদনা শুরু করার কোনো জাদুকরী বা শতভাগ নিশ্চিত প্রাকৃতিক উপায় নেই। পাকস্থলীর সাথে জরায়ুর কোনো সরাসরি সংযোগ নেই, তাই নির্দিষ্ট কোনো খাবার জরায়ুর সংকোচন তৈরি করতে পারে না।
আবার যেকোনো প্রচলিত পদ্ধতি চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া হুট করে চেষ্টা করতে গেলে হিতে বিপরীত হওয়ার ঝুঁকিই বেশি থাকে।
এই সংবেদনশীল সময়ে শরীরকে অতিরিক্ত ক্লান্ত না করে, সঠিক উপায়ে প্রস্তুত করা এবং মানসিক শক্তি ধরে রাখাই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।

​আর ঠিক এজন্যই প্রয়োজন একজন অভিজ্ঞ মেন্টরের সঠিক নির্দেশনার।
​গর্ভকালীন, প্রসবকালীন এবং প্রসব পরবর্তী সময়ের সব দ্বিধাদ্বন্দ্ব আর মানসিক চাপ দূর করতে আছে আমাদের বিশেষ 'প্রিনাটাল কোর্স'।

​আমাদের এই আয়োজনে প্রসব নিয়ে মনের ভেতরে লুকিয়ে থাকা অজানা ভয় দূর করে কীভাবে আত্মবিশ্বাস বাড়ানো যায়, সেই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। হবু মায়েদের মানসিক শক্তি জোগাতে এটি দারুণ সাহায্য করে।
​কোর্সে অভিজ্ঞ ট্রেনারের তত্ত্বাবধানে স্কোয়াটিং, কেগেল বা বাটারফ্লাই পোজের মতো নিরাপদ ব্যায়ামগুলোর সঠিক নিয়ম শেখানো হয়। এই মুভমেন্টগুলো প্রসবের সময় শরীরকে সচল ও প্রস্তুত রাখতে ভূমিকা রাখে।

​প্রসবের আসল মুহূর্তটির জন্য শরীরে শক্তি ধরে রাখা ভীষণ জরুরি। তাই অযথা ক্লান্ত না হয়ে কীভাবে পর্যাপ্ত বিশ্রামের মাধ্যমে নিজেকে শান্ত রাখা যায় এবং শক্তি সঞ্চয় করা যায়, সেই কৌশলগুলো এখানে দেখানো হয়।

​চারপাশের নানা মুনির নানা মত আর ইন্টারনেটের বিভ্রান্তিকর তথ্যে কান না দিয়ে বিজ্ঞানের ওপর ভরসা রাখা জরুরি। এই কোর্সের মাধ্যমে আপনারা বিভিন্ন প্রচলিত কিন্তু ঝুঁকিপূর্ণ ধারণাগুলোর পেছনের সত্যতা জানতে পারবেন, যা মা ও শিশু দুজনকেই নিরাপদ রাখবে।

​গর্ভাবস্থার এই শেষ দিনগুলোতে কোনো রকম এক্সপেরিমেন্ট না করে ভরসা রাখুন সঠিক গাইডলাইনের ওপর। আপনার মাতৃত্বের জার্নিটা হোক নিরাপদ, সচেতন এবং আনন্দময়।

বিস্তারিত ইনবক্সে ⬇️

Address

Shopnodanga Housing
Dhaka
1211

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Matritto - মাতৃত্ব posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Matritto - মাতৃত্ব:

Share