30/09/2026
আমি যখন অভুক্ত কুকুরদের খাওয়াতে বের হই, প্রায় কিছু ইসলামী লেবাসধারী লোক আমাকে বিভিন্ন ভাবে বাঁধা দেয়। আমাকে জিজ্ঞেস করে আমি মুসলিম কি না? বলে আল্লাহ কুকুর বিড়ালদের খাবারের ব্যবস্থা করে, তাই আমি খাবার দিয়ে গুনাহ করছি।
এরা ইসলামী লেবাস ধারন করলেও এদের ভিতরটা শয়তানের আস্তানা। শয়তানি করতে যেন সুবিধা হয় তাই তারা লেবাস ধারণ করে। আর এদের কারণেই ধর্মের নাম খারাপ হয়।
আল্লাহ কখনোই কোন প্রাণীকে অত্যাচার করতে বলেনি বা খাবার দিতে বারণ করেনি বরং উৎসাহিত করেছে। এমনও হাদীস আছে যে একটা তৃষ্ণার্ত কুকুরকে পানি পান করানোয় একজন পাপীকে জান্নাত দেয়া হয়েছিল।
তারপরও এই লেবাসধারী শয়তানগুলো হাদীস বিকৃত করে মানুষকে প্রাণী বিদ্বেষী করে তোলে। আল্লাহ সরাসরি আকাশ থেকে কাউকে খাবার পাঠায় না। তিনি মানুষকে শ্রেষ্ঠ জীব হিসেবে তৈরি করেছে। মানুষের দায়িত্ব তাদের আশেপাশে থাকা অভুক্তদের খাবার দিয়ে সাহায্য করা। এমনকি মাংস খাওয়ার পর হাড্ডিগুলা বাইরে কোন পরিষ্কার জায়গায় রাখতে বলা হয়েছে যেন জ্বীন বা কোন প্রাণী তাদের ক্ষুধা নিবারণ করতে পারে। কিন্তু বেশিরভাগ মানুষ নিজেদের বাইরে আর কিছু চিন্তাই করতে পারে না। এই জন্যই এইসব পথ প্রাণীগুলো অভুক্ত থাকে।