Bangladesh School Psychology Society

Directions Website Contact the organization

Bangladesh School Psychology Society SCHOOL PSYCHOLOGY FOR QUALITY CITIZEN.

15/10/2026

কেউ যখন নিজের কষ্টের কথা বলেন, তখন হয়তো তিনি সব সময় সমাধান খোঁজেন না; কখনো শুধু চান, কেউ তাঁর কথা মন দিয়ে শুনুক, অনুভূতিগুলো বুঝুক।
তাই, পরামর্শ দেওয়ার আগে শুনুন, সমাধান দেওয়ার আগে অনুভূতিকে গুরুত্ব দিন। আর প্রয়োজনে জিজ্ঞেস করুন— “তুমি কি আমার পরামর্শ চাও, নাকি শুধু চাও আমি তোমার কথা শুনি?”

মনে রাখবেন, সব সমস্যার তাৎক্ষণিক সমাধান না থাকলেও, আন্তরিকভাবে পাশে থাকা অনেক বড় সহায়তা হতে পারে।

Lamaya Akther Mow
Senior Technical Officer, Psychologist & Safeguarding Champion, BRAC-HCMP


10/10/2026

বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস ২০২৬
“অভিজ্ঞতার কথা শুনি, বাস্তব কণ্ঠে আসুক বাস্তব পরিবর্তন।”
মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে প্রতিটি মানুষের অভিজ্ঞতা, অনুভূতি ও সংগ্রাম আলাদা। কারও অভিজ্ঞতা শোনা, তাঁর অনুভূতিকে গুরুত্ব দেওয়া এবং বিচার না করে পাশে দাঁড়ানোই পারে পরিবর্তনের সূচনা করতে।

আসুন, মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নীরবতা ভাঙি, অভিজ্ঞতার গল্পগুলো মন দিয়ে শুনি এবং সহমর্মিতা ও সচেতনতার মাধ্যমে গড়ে তুলি এমন এক সমাজ, যেখানে প্রতিটি কণ্ঠস্বর মূল্য পায়।

Shahrin Akhter
Counselor
International Hope School Bangladesh

10/10/2026

অক্টোবর ১০, ২০২৬ খ্রি. | বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস
“Lived experiences heard: Real voices, Real change”
(জীবনের অভিজ্ঞতা শুনি: সত্যিকারের কথা, সত্যিকারের পরিবর্তন।)

মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে আমরা অনেক কথা বলি। কিন্তু একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অনেক সময় ভুলে যাই-যে মানুষটি মানসিক কষ্টের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন, তার নিজের অভিজ্ঞতাটিও গুরুত্বপূর্ণ।

একজন মানুষ anxiety, depression, trauma, loneliness, stigma কিংবা অন্য কোনো মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার মধ্য দিয়ে গেলে তার অভিজ্ঞতা শুধু একটি ব্যক্তিগত গল্প নয়। সেই অভিজ্ঞতার মধ্যে থাকে এমন অনেক বাস্তব জ্ঞান, যা বই, গবেষণা বা পরিসংখ্যানের পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্যসেবাকে আরও মানবিক ও কার্যকর করতে সাহায্য করতে পারে।

এই বিষয়টিকেই সামনে রেখে World Health Organization (WHO) ২০২৬ সালের World Mental Health Day-এর theme করেছে: “Lived experiences heard: Real voices, Real change.” অর্থাৎ, শুধু মানুষের কথা শোনা নয়, তাদের অভিজ্ঞতা থেকে শেখা এবং সেই অভিজ্ঞতাকে বাস্তব পরিবর্তনের অংশ করা।

WHO Mental Health Atlas 2024-এর তথ্য অনুযায়ী, গবেষণায় অংশগ্রহণকারী দেশসমূহের মধ্যে—
* ৪৫% দেশে মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে যাদের নিজস্ব বাস্তব অভিজ্ঞতা রয়েছে তারা পরিবার বা সেবাদানকারীদের নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে নিয়মিতভাবে সহযোগিতা করে থাকেন।
* ৫৯% দেশে মানসিক স্বাস্থ্যসংক্রান্ত আইন প্রণয়নের সময় মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার নিজস্ব অভিজ্ঞতা রয়েছে এমন ব্যক্তিদের মতামত নেওয়া হয়।
* ৮০% দেশে মানসিক স্বাস্থ্যসংক্রান্ত নীতি বা পরিকল্পনা তৈরির সময় এমন ব্যক্তিদের মতামত নেওয়া হয়, যাদের মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে নিজস্ব বাস্তব অভিজ্ঞতা রয়েছে।
* তবে মাত্র ৩৭% দেশে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীদের মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে (যেমন: PFA অথবা সংশ্লিষ্ট প্রশিক্ষণ) মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

এই তথ্যগুলো আমাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বুঝতে সাহায্য করে: মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে শুধু “কী সমস্যা?” তা জানা যথেষ্ট নয়। “মানুষটি কী অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন?” সেটিও জানা প্রয়োজন।

কারও মানসিক কষ্টকে ছোট করে দেখা, “এটা কিছুই না” বলা বা দ্রুত বিচার করে ফেলা তার জন্য পরিস্থিতি আরও কঠিন করে তুলতে পারে। কখনো কখনো একজন মানুষের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন হয় এমন একজন মানুষকে, যিনি তাকে থামিয়ে না দিয়ে শুনবেন। শোনা মানে সব সমস্যার সমাধান করা, সব কথার সঙ্গে একমত হওয়া নয়। এর মানে হলে, মানুষটির অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ব দেওয়া।

আর এখান থেকেই শুরু হতে পারে পরিবর্তন-একটি পরিবারে, বন্ধুত্বে, স্কুলে, কর্মক্ষেত্রে, healthcare setting-এ, এমনকি আমাদের নিজেদের আচরণেও।

তাই এই বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবসে আমাদের উচিত একটি সহজ অভ্যাস তৈরি করা। কেউ যখন তার মানসিক কষ্টের কথা বলে, সঙ্গে সঙ্গে বিচার না করে একটু শুনি। “এত চিন্তা করছ কেন?” না বলে বলি, “তোমার জন্য বিষয়টা কঠিন মনে হচ্ছে। চাইলে আমাকে বলতে পারো।” “এগুলো নিয়ে ভাবার কী আছে?” না বলে বলি, “আমি হয়তো পুরোপুরি বুঝতে পারছি না, কিন্তু তোমার কথাটা শুনতে চাই।” কারণ কখনো কখনো একটি নিরাপদ কথোপকথনই সাহায্য চাওয়ার প্রথম ধাপ হতে পারে।

মানসিক স্বাস্থ্য শুধু মানসিক স্বাস্থ্যসেবার বিষয় নয়। এটি আমাদের পরিবার, সম্পর্ক, শিক্ষা, কর্মক্ষেত্র এবং সমাজেরও বিষয়।

শুনি। বুঝি। সম্মান করি। পরিবর্তন আনি।
Real Voices. Real Experiences. Real Change.

তথ্যসূত্র: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ওয়েবসাইট

আবরার শাহরিয়ার
সাইকোলজিস্ট, সিএস কেয়ার লিমিটেড
এমএস (স্কুল সাইকোলজি), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সংস্থার সংবিধান অনুযায়ী, স্বাস্থ্য বলতে শুধুমাত্র বিশেষ ধরণের রোগ বা শারীরিক অক্ষমতার অনুপস্থিতিকে...
07/10/2026

আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সংস্থার সংবিধান অনুযায়ী, স্বাস্থ্য বলতে শুধুমাত্র বিশেষ ধরণের রোগ বা শারীরিক অক্ষমতার অনুপস্থিতিকেই বুঝায়না বরং স্বাস্থ্য হলো একটি পরিপূর্ণ শারীরিক, মানসিক এবং সামাজিক অবস্থার সুস্থ সমন্বয়। বাংলাদেশে মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতনতা ধীরে ধীরে বাড়লেও মানসিক স্বাস্থ্যজনিত কুসংস্কার/stigma/নেতিবাচক ধারণা এখনও বেশিরভাগ মানুষের জন্য সহায়তা নেওয়ার পথে বড় বাধা। অনেক পরিবারে মানসিক সমস্যাকে এখনো মাথার সমস্যা, দুর্বলতা, পাগল, যাদু-টোনা, পাপের শাস্তি ,বেশি চিন্তা করা, বা ইচ্ছাশক্তির অভাব হিসেবে দেখা হয়। বাংলাদেশের National Mental Health Survey 2019 অনুযায়ী, প্রতি পাঁচজন/৫ জন প্রাপ্তবয়স্কদের প্রায় একজন কোন না কোন মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত; কিন্তু আক্রান্তদের প্রায় ৯২% প্রয়োজনীয় মানসিক স্বাস্থ্যসেবা গ্রহন করেন না। বিশেষ করে গ্রামীণ এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে অসচেতনতা এবং নেতিবাচক ধারণা এই সেবা নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রধান বাধা হিসাবে ভূমিকা পালন করে।

এই stigma/নেতিবাচক ধারনার পিছনে আছে, মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে ভুল ধারণা, সচেতনতার অভাব, মানসিক অসুস্থতা সম্পর্কে বৈজ্ঞানিক জ্ঞানের ঘাটতি, সামাজিক বিচারভীতি/মানহানির ভয়। কখনো কখনো মানসিক সমস্যাকে জ্বীন-ভূত, আধ্যাত্মিক সমস্যা বা ব্যক্তির চরিত্রের দুর্বলতার সঙ্গে যুক্ত করা হয়। পাশাপাশি বিয়ে, চাকরি বা সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা হারানোর ভয়েও অনেকে নিজের মানসিক সমস্যার কথা প্রকাশ করতে চাননা যার ফলশ্রুতিতে সমস্যাটি পরবর্তীতে আরও গুরুতর এবং জটিল হয়ে ওঠে। পরিবারের সদস্যরাও কখনো কখনো সহায়তা এবং সহমর্মিতার পরিবর্তে দোষারোপ বা সমালোচনা করেন। বিশেষ করে নারী, কিশোর-কিশোরী, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি এবং সহিংসতার শিকার মানুষের ক্ষেত্রে এই নেতিবাচক ধারনার প্রভাব আরও বেশি হতে পারে।

এই পরিস্থিতি পরিবর্তনের জন্য শুধু “সচেতনতা” নয়, প্রয়োজন সহজ ভাষায় সঠিক তথ্য, সহানুভূতিশীল আচরণ এবং সহজলভ্য মানসিক স্বাস্থ্যসেবা। স্কুল, কলেজ, কর্মক্ষেত্র, কমিউনিটি ক্লিনিক ও প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে মানসিক স্বাস্থ্যকে যুক্ত করা জরুরি।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা কোনো লজ্জার বিষয় নয় এবং সাহায্য চাওয়া দুর্বলতার পরিচয় নয়। শারীরিক অসুস্থতার মতো মানসিক সমস্যারও চিকিৎসা ও সহায়তা প্রয়োজন। বিচার না করে শুনতে শেখা, গোপনীয়তা রক্ষা করা এবং প্রয়োজনের সময় সঠিক সেবার সঙ্গে যুক্ত করাই হতে পারে stigma/নেতিবাচক ধারণা কমানোর সবচেয়ে কার্যকর পথ।

Jebin Sultana Fatema
Senior officer, Mental health
BRAC

প্রতিটি শিশুর জন্য তৈরি হোক এমন একটি স্কুল পরিবেশ, যেখানে তারা নিরাপদ, মূল্যবান ও স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। 💙- Shahrin Akhter...
06/10/2026

প্রতিটি শিশুর জন্য তৈরি হোক এমন একটি স্কুল পরিবেশ, যেখানে তারা নিরাপদ, মূল্যবান ও স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। 💙

- Shahrin Akhter
Counselor
International Hope School Bangladesh

Home বা ঘর আমাদের কাছে কি ইট-পাথরের তৈরি একটি ইমারত মাত্র? নাকি তার চেয়েও বেশি কিছু?আমাদের কাছে ঘর সবচেয়ে নিরাপদ ও আবেগম...
05/10/2026

Home বা ঘর আমাদের কাছে কি ইট-পাথরের তৈরি একটি ইমারত মাত্র? নাকি তার চেয়েও বেশি কিছু?

আমাদের কাছে ঘর সবচেয়ে নিরাপদ ও আবেগময় একটি জায়গা, যেখানে আমরা মানসিক ও শারীরিক শান্তির খোঁজ করি। সারাদিনের ক্লান্তি, ব্যস্ততা, চাপ কিংবা নানা ধরনের অভিজ্ঞতার পর আমরা শেষ পর্যন্ত যে জায়গাটিতে ফিরে আসি, সেটি আমাদের ঘর। আর সেই ঘরকে অর্থপূর্ণ করে তোলে সেখানে থাকা মানুষগুলো।

আমরা প্রতিদিনের জীবনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কর্মস্থল, বন্ধুমহল কিংবা পাড়া-প্রতিবেশীদের সঙ্গে আমাদের আচরণ ও সম্পর্ক নিয়ে অনেক ভাবি। কিন্তু খুব কমই ভেবে দেখি, আমাদের ঘরের পরিবেশটা কেমন? সেখানে থাকা মানুষগুলো একে অপরের সঙ্গে কেমন করে কথা বলে? একজন শিশু তার নিজের বাড়িতে কতটা স্বস্তি নিয়ে নিজের কথা বলতে পারে?

একজন শিশুর জন্য পরিবারই তার প্রথম সামাজিক পরিবেশ। সে এখানেই প্রথম শেখে, তার কথা শোনা হবে কি না, ভুল করলে কী হবে, কষ্ট পেলে কার কাছে যাবে, কিংবা নিজের অনুভূতিগুলো প্রকাশ করা নিরাপদ কি না।

অনেক সময় আমরা সন্তানের ভালো চাইতে গিয়ে অজান্তেই তার ওপর অনেক চাপ তৈরি করি। পড়াশোনা কেমন হচ্ছে, পরীক্ষায় কত পেল, অন্যদের তুলনায় কোথায় দাঁড়িয়ে আছে, এসব নিয়ে আমরা খুব সহজেই প্রশ্ন করি। কিন্তু হয়তো খুব কম সময়ই থেমে জিজ্ঞেস করি, “তোমার কেমন লাগছে?”

একটি শিশু খারাপ ফলাফল নিয়ে বাড়ি ফিরলে তার প্রথম প্রয়োজন হয়তো আরেকটি উপদেশ নয়। হতে পারে, তার প্রয়োজন এমন একজন মানুষ, যার কাছে সে বলতে পারবে, "আমি চেষ্টা করেছিলাম, কিন্তু পারিনি।"

বাড়ি এমন একটি জায়গা হওয়া দরকার, যেখানে সবসময় সবকিছু ঠিকঠাক থাকবে—এমন নয়। রাগ হবে, মতের অমিল হবে, ভুল হবে, মন খারাপও হবে। কিন্তু দিনের শেষে যেন কথা বলার জায়গাটা থাকে। যেন একটি শিশু জানে, "আমি ভুল করলেও আমার পরিবার আমার পাশে থাকবে।"

আমরা হয়তো আমাদের সন্তানদের জন্য অনেক কিছু করতে পারি না। কিন্তু তাদের কথা একটু মন দিয়ে শোনা, অন্য কারও সঙ্গে তুলনা না করা, তাদের অনুভূতিকে ছোট না করা কিংবা শুধু কিছুটা সময় পাশে বসে থাকা—এসব খুব সাধারণ মনে হলেও একজন শিশুর কাছে এর গুরুত্ব অনেক বেশি হতে পারে।

কারণ একটি শিশুর মানসিক স্বাস্থ্য শুধু তার স্কুল, ফলাফল বা একাডেমিক পারফরম্যান্সের মধ্যেই তৈরি হয় না। তার প্রতিদিনের ঘরের অভিজ্ঞতা, পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক এবং সে সেখানে কতটা নিরাপদ ও গ্রহণযোগ্য বোধ করছে—সেটিও তার বেড়ে ওঠার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

তাই এই Mental Health Day-তে হয়তো আমরা নিজেদের কাছে একটি ছোট প্রশ্ন রাখতে পারি—

“আমার সন্তান যখন আমার কাছে আসে, সে কি শুধু তার সাফল্যের কথা বলতে আসে, নাকি তার কষ্টের কথাও বলতে পারে?”

কারণ একটি ভালো বাড়ি শুধু যেখানে আমরা থাকি তা নয়।
একটি ভালো বাড়ি হলো যেখানে আমরা নিজের মতো করে থাকতে পারি।

Konika Akter
Student Counselor
St. Gregory's High School and College

আবেগ নিয়ন্ত্রণ মানে আবেগকে দমন করা নয়; বরং নিজের আবেগকে বুঝে, কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানাব—তা সচেতনভাবে বেছে নেওয়া। 🌿একটু থা...
04/10/2026

আবেগ নিয়ন্ত্রণ মানে আবেগকে দমন করা নয়; বরং নিজের আবেগকে বুঝে, কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানাব—তা সচেতনভাবে বেছে নেওয়া। 🌿

একটু থামুন, শ্বাস নিন, আবেগকে চিনুন এবং সচেতনভাবে প্রতিক্রিয়া জানান।
সুস্থ মানসিকতার পথে এটি হতে পারে একটি ছোট কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

- Abrar Shahriar
Psychologist, CS Care

নিজের প্রয়োজনকে গুরুত্ব দিন, প্রয়োজনে “না” বলুন, এবং অন্যের সীমারেখাকেও সম্মান করুন।কারণ নিজেকে সম্মান করাও মানসিক সুস্থ...
03/10/2026

নিজের প্রয়োজনকে গুরুত্ব দিন, প্রয়োজনে “না” বলুন, এবং অন্যের সীমারেখাকেও সম্মান করুন।
কারণ নিজেকে সম্মান করাও মানসিক সুস্থতার অংশ। 💚

- Most. Sharmin Akter Tuli
Psychosocial Counselor, Department of Social Service

Address

Nilkhet Road, Room No. 3033, Arts Faculty Building, University Of Dhaka
Dhaka
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bangladesh School Psychology Society posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Bangladesh School Psychology Society:

Shortcuts

Share