MusliMan Hijama & Ruqyah Center

MusliMan Hijama & Ruqyah Center "Raising Sunnah in Your Lifestyle"

16/09/2025

✅স্বামী-স্ত্রীর বিচ্ছেদের যাদু থেকে বাঁচতে এবং প্রতিরোধে কিছু জরুরি সাবধানতা ও আত্মরক্ষা পদ্ধতি অবলম্বন করা আবশ্যক। নিচে তা ধারাবাহিকভাবে দেওয়া হলো:

স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক—আল্লাহর পক্ষ থেকে দেয়া এক অমূল্য নিয়ামত। বিশেষত, স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ককে আল্লাহ কুরআনে "মাওয়াদ্দাহ ও রহমাহ" (ভালোবাসা ও দয়ায় পূর্ণ) বলে আখ্যায়িত করেছেন। কিন্তু যখন সেই ভালোবাসা হঠাৎ ঘৃণায় রূপ নেয়, সন্দেহ দানা বাঁধে, আর শান্তির ঘর রূপ নেয় কলহের অগ্নিকুণ্ডে—তখন একে নিছক মানসিক সমস্যা বা "মেজাজের মিল না হওয়া" বলে এড়িয়ে যাওয়া উচিত নয়।

কারণ, এই বিচ্ছেদ বহু সময়েই ঘটে "সিহরুত তাফরীক" বা বিচ্ছেদের যাদুর মাধ্যমে।

শুধু জ্বিন নয়, মানুষও হয় যাদুর উৎস

অনেকে ধারণা করে থাকেন, যাদু মানেই অদৃশ্য জ্বিনেরা এসে সব করে যায়। হ্যাঁ, জ্বিনরা এই কাজে জড়িত হয় ঠিকই, কিন্তু অধিকাংশ সময়েই মানুষই হয় যাদুর উদ্যোক্তা ও চালক।

কিভাবে?

হিংসুক আত্মীয়, শত্রুতাপরায়ণ বন্ধু, স্বার্থান্ধ প্রতিবেশী বা বঞ্চিত প্রেমিক—এমন কেউ হয়তো নিজের ঈর্ষা মেটাতে, প্রতিশোধ নিতে বা কারো সুখের সংসার ভাঙতে গিয়ে আশ্রয় নেয় যাদুকর বা কবিরাজের কাছে।

তখন যাদুকর বা তান্ত্রিক সেই মানুষটির দেওয়া তথ্য (যেমন: নাম, মায়ের নাম, ছবি, চুল, কাপড়ের টুকরা) অথবা চুপিচুপি আনা কিছু ব্যক্তিগত বস্তু সংগ্রহ করে এবং এগুলো ব্যবহার করে জ্বিনদের দিয়ে যাদুর কাজ করিয়ে থাকে।

তারা যাদু করতে পারে—

তাবিজ বানিয়ে

খাদ্যে বা পানীয়তে যাদু প্রয়োগ করে

যাতায়াতের পথে যাদুকৃত বস্তু পুঁতে বা পানি ছিটিয়ে

কাপড়ে বা বিছানায় যাদুর বস্তু লুকিয়ে বা ছিটিয়ে দেওয়া হয়ে থাকে

এভাবেই একজন মানুষ অন্য একজন মানুষকে ধ্বংস করে দিতে পারে—সে জিনের সাহায্যে হোক, কিংবা তার নিজ হাতে যাদুবিদ্যার চর্চা করে।

কুরআনের ভাষায় এই চিত্র কেমন?

"তারা শিখত এমন কিছু, যার মাধ্যমে তারা স্বামী ও স্ত্রীর মাঝে বিচ্ছেদ ঘটায়..."
(সূরা বাকারা: ১০২)

বিচ্ছেদের এই যাদু শুধু একটা পরিবার নয়, পুরো সমাজের ভিত নাড়িয়ে দেয়।

✅স্বামী-স্ত্রীর বিচ্ছেদ যাদুর লক্ষণসমূহ:

১. হঠাৎ করে ভালবাসা থেকে ঘৃণায় পরিণত হওয়া
আগে গভীর ভালোবাসা থাকলেও হঠাৎ একে অপরকে সহ্য না করতে পারা।

২. অকারণে সন্দেহ ও অবিশ্বাস
পারস্পরিক বিশ্বাস ভেঙে পড়া, একে অপরকে সন্দেহ করা—যদিও তার কোনো ভিত্তি নেই।

৩. অকারণে ঝগড়া ও মনোমালিন্য
ছোট ছোট বিষয়ে বড় ধরনের ঝগড়া হওয়া, যা আগে কখনো হতো না।

৪. সুন্দর মুহূর্তগুলোতেও রাগ বা বিরক্তি কাজ করা
আনন্দদায়ক পরিবেশেও একজনের মুখ, কথা বা আচরণ অন্যজনের অসহ্য লাগা।

৫. শরীরিক দূরত্ব ও ইন্টিমেটের প্রতি বিতৃষ্ণা
আগ্রহ থাকা সত্ত্বেও ইন্টিমেট হওয়ার সময় মনের মধ্যে ঘৃণা বা বিরক্তি কাজ করা।
শরীর ঠিক থাকলেও কাছে যেতে না চাওয়া।

৬. স্পর্শে অস্বস্তি বা ব্যথা অনুভব করা
একে অপরের ছোঁয়ায় জ্বালাপোড়া, মাথা ঘোরা বা রাগ উঠে যাওয়া।

৭. একসাথে থাকতে না চাওয়া
একে অপরের উপস্থিতিতে সংকোচ, মাথা ভার হওয়া বা গুমোট লাগা।
বরং আলাদা থাকতে স্বস্তি বোধ করা।

৮. দোষ খোঁজা ও মানসিকভাবে বিরক্ত হওয়া
অপর পক্ষ সামান্য ভুল করলেও বড় করে দেখা, অথচ অন্য কেউ করলে সহ্য করা।

৯. একে অপরকে ভুলভাবে দেখা ও কথা বোঝা
স্বামী যা বলছে স্ত্রীর কাছে উল্টো মনে হওয়া, কিংবা স্ত্রী যা বোঝাতে চাচ্ছে তা স্বামী ভুল বুঝছে।

১০. স্বপ্নে ঝগড়া, বিচ্ছেদ বা জ্বিন-সাপ-অন্ধকার দেখা
এই ধরনের দুঃস্বপ্ন দেখা যাদুর সাধারণ উপসর্গ।

এছাড়াও অনেক সময় একপক্ষ আক্রান্ত হলেও এর প্রভাব পুরো সম্পর্কে পড়ে, তাই নিচের দিকগুলোও খেয়াল রাখতে হবে:

অপরপক্ষকে নিয়ে অহেতুক নেতিবাচক চিন্তা আসা।

পূর্বে করা প্রতিশ্রুতি ও ভালোবাসার কথা ভুলে যাওয়া।

পরিবার বা আত্মীয়স্বজনের কাছে বারবার নালিশ করা।

মনে হতে থাকা “এই সম্পর্ক আর টিকবে না”, “আমি থাকতে পারছি না” ইত্যাদি।

নোট:
এই লক্ষণগুলোর মধ্যে ৪–৫টি বা তার বেশি যদি একসাথে দেখা দেয় এবং দীর্ঘস্থায়ী হয়, তবে অভিজ্ঞ রাকি দিয়ে অন্তত একটি ডায়াগনোসিস রুকইয়াহর মাধ্যমে পরীক্ষা করা ও চিকিৎসা নেয়া প্রয়োজন।

✅স্বামী-স্ত্রীর বিচ্ছেদের যাদু থেকে বাঁচতে এবং প্রতিরোধে কিছু জরুরি সাবধানতা ও আত্মরক্ষা পদ্ধতি অবলম্বন করা আবশ্যক। নিচে তা ধারাবাহিকভাবে দেওয়া হলো:

স্বামী-স্ত্রীর বিচ্ছেদের যাদুতে করণীয় ও সাবধানতা:

১. ঈমান ও তাকওয়া দৃঢ় রাখা
যাদুতে মূল লক্ষ্য হলো আপনার মধ্যে সন্দেহ, রাগ, দূরত্ব তৈরি করে ঈমান দুর্বল করে ফেলা।
আল্লাহর প্রতি পূর্ণ ভরসা, নামায, যিকর, ও তাওবা নিয়মিত করলে যাদুর অনেক প্রভাব দুর্বল হয়ে যায়।

২. পারস্পরিক যোগাযোগ ও বোঝাপড়া বজায় রাখা
যাদুর প্রভাবে অহেতুক সন্দেহ, ভুল বোঝাবুঝি হয়। এ সময় একে অপরের পাশে থাকা ও খোলামেলা কথা বলা জরুরি।
মনের কষ্ট বা সন্দেহ যেন পুষে রাখা না হয়।

৩. তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ থেকে সতর্ক থাকা
আত্মীয়, বান্ধবী বা বন্ধুদের পরামর্শে সম্পর্কের বিষয়ে বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া বিপজ্জনক হতে পারে।
যাদুকর বা হিংসুকরা অনেক সময় পরিচিতজনদের মাধ্যমেই সংসারে ঢুকে পড়ে।

৪. ঘরে তাবিজ, নাম-না-জানা কাগজ, অদ্ভুত গন্ধযুক্ত কিছু পাওয়া গেলে সতর্ক হওয়া
গোপনে যাদুর বস্তু বাসস্থানে রেখে বিচ্ছেদের যাদু প্রয়োগ করা হয়।
সন্দেহজনক কিছু পেলে পড়া পানি দিয়ে পুড়িয়ে বা নষ্ট করে দিবেন

৫. একে অপরের প্রতি দোয়া করা ও রুকইয়াহ করা
দাম্পত্য সম্পর্ককে রক্ষা করতে হলে পরস্পরের জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করতে হবে।
নিয়মিত রুকইয়াহ আয়াত পড়ে পানি ফুঁ দিয়ে খাওয়ানো, তেলে ফুঁ দিয়ে মালিশ করা ও গোসল করানো যেতে পারে।

৬. এসময়ে ইন্টিমেসি বজায় রাখা জরুরি
যাদুর একটা বড় প্রভাব হলো, স্বামী-স্ত্রী শারীরিক দূরত্ব তৈরি করে দেওয়া।
ইচ্ছা না থাকলেও ভালোবাসার ভিত্তিতে সম্পর্ক ধরে রাখা যাদুর প্রভাব কাটাতে সাহায্য করে।

৭. হিংসুক আত্মীয় ও ব্যক্তিদের থেকে দূরত্ব
যারা সংসার বিষয়ে প্রশ্ন করে, গোপন তথ্য জানতে চায়, সংসার ভাঙাতে উসকানি দেয়, তাদের থেকে দুরত্ব বজায় রাখা উচিত।
মনে রাখতে হবে, যাদু অনেক সময় “স্নেহের মুখোশ পরা” শত্রুর মাধ্যমেই হয়।

৮. নিয়মিত আমল ও রুকইয়াহ সুরা পাঠ

৯. আল্লাহর উপর পূর্ণ ভরসা ও ধৈর্য ধরা

বিচ্ছেদের যাদু দীর্ঘমেয়াদি হতে পারে, তাই ধৈর্য হারালে সহজেই যাদুর ফাঁদে পড়া যায়।
রেগে যাওয়া, আলাদা হয়ে যাওয়া বা “সময় চাই” বলা অনেক সময় যাদুর সফলতা নিশ্চিত করে।

সর্বশেষ করণীয়

সম্পর্কের প্রতিটি সমস্যা প্রথমে আল্লাহর কাছে তুলে ধরুন, তারপর পারস্পরিক আলোচনায় সমাধান খুঁজুন।

প্রয়োজনে অভিজ্ঞ, শরঈ রাক্বির সাহায্য নিন।

আল্লাহ আমাদের সবাইকে হিংসুক মানুষের চক্রান্ত, যাদু এবং জ্বিনের আক্রমণ থেকে হেফাযত করুন। আমীন।
রাক্কি আহমদ আবদুল্লাহ।

04/09/2025
03/09/2025
শিশুরা বদনজরে আক্রান্ত হওয়ার লক্ষ্মণসমূহ-১. হঠাৎ করেই বাচ্চা মায়ের বুকের দুধ খেতে না চাওয়া।২. রাতে না ঘুমানো, ঘুমালেও...
22/02/2025

শিশুরা বদনজরে আক্রান্ত হওয়ার লক্ষ্মণসমূহ-

১. হঠাৎ করেই বাচ্চা মায়ের বুকের দুধ খেতে না চাওয়া।
২. রাতে না ঘুমানো, ঘুমালেও খুব সামান্য।
৩. অস্বাভাবিক অতিরিক্ত কান্নাকাটি করা
৪. হঠাৎ করে গায়ের রঙ পরিবর্তন হয়ে যাওয়া।
৫. মায়ের কোলে গেলেই কান্না করা।
৬. সুস্থ থাকলেও হঠাৎ করে অসুস্থ হয়ে যাওয়া।
৭. একেরপর এক বিভিন্ন অসুখ বিসুখ লেগেই থাকা।
৮. খাবার খেতে না চাওয়া, হঠাৎ করে খাওয়া দাওয়া ছেড়ে দেওয়া।
৯. বয়সের তুলনায় কথা বলতে না পারা।
১০. আগে ভালোভাবে কথা বললেও এখন তোতলায়।
১১. অকারণে ভয় পাওয়া, দুঃস্বপ্ন দেখা।
১২. ঘরের কোনো দিকে বা দেয়ালের কোনো দিকে বা জানালার দিকে তাকিয়ে থাকা।
১৩. একা একা কথা বলা, হাসা, খেলাধুলা করা।
১৪. রেগে গেলে শরীরে অস্বাভাবিক শক্তি চলে আসে।
১৫. মাঝেমাঝে বড়দের মত কন্ঠে কথা বলে
১৬. শিশু তার সমবয়সী বা কারো সাথে খেলতে না চাওয়া।
১৭. রাগ-জেদ বেড়ে যাওয়া বা অতিরিক্ত রাগ করা।
১৮. মাত্রাতিরিক্ত দুষ্টামি করা। দিন দিন দুষ্টুমির পরিমান বেড়ে যাওয়া।
১৯. অটিজমে আক্রান্ত হওয়া।
২০. হুট করেই বা অকারণে স্বাস্থ্যহানি হওয়া, দূর্বল হয়ে যাওয়া।
২১. লেখাপড়াতে আগ্রহ না থাকা, লেখাপড়া করতে না চাওয়া।

এই সমস্যা গুলোই সাধারণত বাচ্চাদের বেশিরভাগ হয়ে থাকে। বাচ্চাদের এই সমস্যা গুলো শারীরিক কারণেও হতে পারে আবার বদনজর, জ্বীন ও জাদুর কারণেও হতে পারে। শারীরিক সমস্যা হলে অভিজ্ঞ শিশুবিশেষজ্ঞ ডাক্তার দেখাবেন বা মেডিক্যাল চিকিৎসা নিবেন। আর যদি বদনজর, হাসাদ, জ্বীনের আছর বা জাদুর সমস্যা থাকে তাহলে রুকইয়াহ করাবেন। প্রয়োজনে ভাল কোন অভিজ্ঞ রাক্বীর সরণাপন্ন হবেন।

মেডিকেল টেস্টে কোন রোগ ধরা পরছেনা???আমাদের কাছে অনেকেই বিভিন্ন শারীরিক ভাবে ভীষণ অসুস্থ রোগীর ফোন দেয়।তারা জানায় তারা ...
09/02/2025

মেডিকেল টেস্টে কোন রোগ ধরা পরছেনা???

আমাদের কাছে অনেকেই বিভিন্ন শারীরিক ভাবে ভীষণ অসুস্থ রোগীর ফোন দেয়।তারা জানায় তারা শারীরিক ভাবে প্রচন্ড অসুস্থ বিভিন্ন ডাক্তার মেডিকেল টেস্ট করার পরেও কোন রোগ নির্ণয় হচ্ছেনা।তখন আমরা বলি রুকইয়াহ করে দেখতে পারেন।রুকইয়াহ রিলেটেড সমস্যা থাকলে অধিকাংশ সময় মেডিকেল টেস্ট রিপোর্টে রোগ ধরা পড়েনা কিন্তু শারীরিক ভাবে মনে হবে আপনি ভীষণ অসুস্থ।আর যদি মেডিকেল টেস্ট এ কিছু ধরা পড়ে তবে আমরা আগে ডাক্তার এর পরামর্শ অনুযায়ী ঔষধ সেবন এবং চিকিৎসা নিতে বলি। পাশাপাশি প্যারানরমাল কোন সমস্যা থাকলে রুকইয়াহ করতে বলি।

জ্বীন আক্রান্ত হওয়ার কিছু লক্ষণ -১। নিদ্রাহীনতা: যার জন্য সারারাত শুধু বিশ্রাম নেয়াই হয়, ঘুম হয়না২। উদ্বিগ্নতা: যেজন্য ...
03/02/2025

জ্বীন আক্রান্ত হওয়ার কিছু লক্ষণ -

১। নিদ্রাহীনতা: যার জন্য সারারাত শুধু বিশ্রাম নেয়াই হয়, ঘুম হয়না
২। উদ্বিগ্নতা: যেজন্য রাতে বার বার ঘুম ভেঙে যাওয়া।
৩। বোবায়ধরা: ঘুমের সময় কেউ চেপে ধরেছে, নড়াচড়া করতে পারছে না। প্রায়ই এমন হওয়া
৪। ঘুমের মাঝে প্রায়শই চিৎকার করা, গোঙানো, হাসি-কান্না করা
৫। ঘুমন্ত অবস্থায় হাটাহাটি করা (Sleepwalking)
৬। স্বপ্নে কোনো প্রাণিকে আক্রমণ করতে বা ধাওয়া করতে দেখা। বিশেষতঃ কুকুর, বিড়াল, ইঁদুর, উট, সিংহ, শিয়াল, সাপ (*)
৭। স্বপ্নে নিজেকে অনেক উঁচু কোনো যায়গা থেকে পড়ে যেতে দেখা
৮। কোনো গোরস্থান বা পরিত্যক্ত যায়গা, অথবা কোনো মরুভূমির সড়কে হাটাচলা করতে দেখা
৯। বিশেষ আকৃতির মানুষ দেখা। যেমন: অনেক লম্বা, খুবই খাটো, খুব কালো কুচকুচে
১০। জ্বিন-ভুত দেখা

দ্রষ্টব্যঃ যদি স্বপ্নে সবসময় দুইটা বা তিনটা প্রাণী আক্রমণ করতে আসছে দেখে, তাহলে বুঝতে হবে সাথে দুইটা বা তিনটা জ্বিন আছে।

ঘুম ব্যতীত অন্য সময়ের লক্ষণ

১। দীর্ঘ মাথাব্যথা (চোখ, কান, দাত ইত্যাদি সমস্যার কারণে নয়, এমনিই)
২। ইবাদত বিমুখতা: নামাজ, তিলাওয়াত, যিকির আযকারে আগ্রহ উঠে যাওয়া। মোটকথা, দিনদিন আল্লাহর থেকে দূরে সরে যাওয়া
৩। মেজাজ বিক্ষিপ্ত হয়ে থাকা, কিছুতেই মন না বসা..
৪। ব্যাপক অলসতা; সবসময় অবসন্নতা ঘিরে রাখা
৫। মৃগীরোগ
৬। শরীরের কোনো অংঙ্গে ব্যাথা কিংবা বিকল হয়ে যাওয়া। ডাক্তাররা যেখানে সমস্যা খুজে পেতে বা চিকিৎসা করতে অপারগ হচ্ছে।

আবারও মনে করিয়ে দেই, শারীরিক রোগের কারণেও এসব হয়ে থাকে। তবে যখন দীর্ঘদিন যাবত যখন এসব লক্ষণ দেখা যাবে, তখন ভাববেন কোনো সমস্যা আছে।

 # **রুকইয়াহ কী?**উত্তরঃ ব্যবহারিক অর্থে রুকইয়াহ শারইয়াহ বলতে ‘ইসলামসম্মত ঝাড়ফুঁক’ বুঝায়। রুকইয়ার পারিভাষিক অর্থ হ...
29/01/2025

# **রুকইয়াহ কী?**
উত্তরঃ ব্যবহারিক অর্থে রুকইয়াহ শারইয়াহ বলতে ‘ইসলামসম্মত ঝাড়ফুঁক’ বুঝায়। রুকইয়ার পারিভাষিক অর্থ হল, “কোরআনের আয়াত, আল্লাহর নামের যিকর, হাদিসে রাসূল ﷺ অথবা সালাফে সালেহীন থেকে বর্ণিত দোয়া পাঠ করার মাধ্যমে আল্লাহর কাছে কোন বিপদ থেকে মুক্তি চাওয়া কিংবা রোগ থেকে আরোগ্য কামনা করা।” একদম সহজে বললে, রুকইয়াহ হলো বদনজর, জ্বীন, যাদু ইত্যাদি প্যারানরমাল সমস্যার পাশাপাশি কিছু শারিরীক-মানসিক রোগের জন্য ইসলাম সম্মত ঝাড়ফুক। এই চিকিৎসায় সাধারণত কুরআনের আয়াত ও হাদীসে বর্ণিত দুয়া পড়ে সরাসরি ঝাড়ফুঁক করা হয়, অথবা পানি, মধু, তেল ইত্যাদিতে ফুঁ দিয়ে ব্যবহার করতে বলা হয়।

হাদীসটি খেয়াল করুন :-

একদিন জিবরীল আ. রাসূল সা.-এর কাছে এসে বললেন, ‘হে মুহাম্মাদ, আপনি কি (আল্লাহর কাছে আপনার সমস্যার ব্যাপারে) অভিযোগ করেছিলেন?’ তিনি বললেন, ‘হ্যাঁ।’ জিবরীল আ. বললেন, ‘আমি আপনাকে আল্লাহর নামে রুকইয়াহ করছি, সেই সব জিনিস থেকে—যা আপনাকে কষ্ট দিচ্ছে। সকল প্রাণের অনিষ্ট কিংবা হিংসুকের বদনজর থেকে আল্লাহ আপনাকে আরোগ্য দান করুক; আমি আল্লাহর নামে রুকইয়াহ করছি।’ (সহিহ মুসলিম)

# **বিশুদ্ধ আক্বিদাঃ**

উলামায়ে কিরামের মতে রুকইয়াহ করার পূর্বে এই আক্বিদা স্পষ্ট হওয়া জরুরি, ‘রুকইয়াহ বা ঝাড়ফুঁকের নিজস্ব কোনো ক্ষমতা নেই, সব ক্ষমতা আল্লাহ তা’আলার, আল্লাহ চাইলে সুস্থ হবে, নইলে নয়।’

# **রুকইয়ার প্রকারভেদঃ**

বিভিন্ন ভাবে রুকইয়া করা হয়, যেমনঃ দোয়া বা আয়াত পড়ে ফুঁ দেয়া হয়, মাথায় বা আক্রান্ত স্থানে হাত রেখে দোয়া/আয়াত পড়া হয়। এছাড়া পানি, তেল, খাদ্য বা অন্য কিছুতে দোয়া অথবা আয়াত পড়ে ফুঁ দিয়ে খাওয়া ও ব্যাবহার করা হয়।

# **পূর্বশর্তঃ**

রুকইয়াহ করে উপকার পেতে তিনটি জিনিসের প্রয়োজন।
* নিয়্যাত (কেন রুকইয়া করছেন, সেজন্য নির্দিষ্টভাবে নিয়াত করা)
* ইয়াক্বিন (এব্যাপারে ইয়াকিন রাখা যে, আল্লাহর কালামে শিফা আছে)
* মেহনত (অনেক কষ্ট হলেও, সুস্থ হওয়া পর্যন্ত ধৈর্য ধরে রুকইয়া চালিয়ে যাওয়া)।

**লক্ষণীয়ঃ **রুকইয়ার ফায়দা ঠিকমতো পাওয়ার জন্য দৈনন্দিনের ফরজ অবশ্যই পালন করতে হবে, পাশাপাশি সুন্নাতের প্রতিও যত্নবান হতে হবে। যথাসম্ভব গুনাহ থেকে বাঁচতে হবে। (মেয়েদের জন্য পর্দার বিধানও ফরজ) ঘরে কোনো প্রাণীর ছবি / ভাস্কর্য রাখা যাবেনা। আর সুরক্ষার জন্য সকাল-সন্ধ্যার মাসনুন আমলগুলো অবশ্যই করতে হবে। আর ইতিমধ্যে শারীরিক ক্ষতি হয়ে গেলে, সেটা রিকোভার করার জন্য রুকইয়ার পাশাপাশি ডাক্তারের চিকিৎসাও চালিয়ে যেতে হবে।

স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সম্পর্ক নষ্টের  যাদুতে আক্রান্ত হলে সচরাচর কিছু লক্ষণ দেখা যায়-১. স্বামী বাহিরে থাকলে স্ত্রী ভালো থ...
29/01/2025

স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সম্পর্ক নষ্টের যাদুতে আক্রান্ত হলে সচরাচর কিছু লক্ষণ দেখা যায়-

১. স্বামী বাহিরে থাকলে স্ত্রী ভালো থাকে, বাড়িতে আসলেই মন-মেজাজ খারাপ হয়ে যায়

২. দুজনের কেউ খুব বেশি সন্দেহপ্রবন হয়ে যায়

৩. ছোটছোট বিষয়ে ছাড় দিতে চায়না, ঝগড়া বেধে যায়

৪. স্ত্রী দেখতে যেমনই হোক, স্বামীর কাছে খারাপ লাগে, ভালো আচরণ করলেও ভালো লাগেনা।

৫. স্বামী একটা জায়গায় বসেছে, বা একটা জিনিশ ব্যবহার করেছে ওই জিনিশটাও স্ত্রী অপছন্দ করে।
যেমনঃ স্বামী গৃহের বাইরে খুব ভাল করে ঘরে প্রবেশ করলেই অন্তরে অতিসংকীর্ণতা বোধ করে। ইবনে কাসীর (রাহেমাহুল্লাহ) বলেনঃ স্বামী-স্ত্রীর বিচ্ছন্নতার যাদুর ফলে যাদুগ্ৰস্ত অপরজনকে কুদৃষ্টিতে দেখবে বা সন্দেহের দৃষ্টিতে দেখবে বা এ ধরনের অন্যান্য বিচ্ছেদ সৃষ্টিকারী বিষয়ে পতিত হবে। (তাফসীর ইবনে কাসীরঃ ১/১৪৪)

৬. অন্যদের সাথে আচরণ স্বাভাবিক, কিন্তু স্বামী-স্ত্রী কথা বার্তা বলতে গেলেই উলটাপালটা শুরু হয়ে যায়।

এরকম ঘটনা যদি সচরাচর ঘটতেই থাকে, তবে বুঝতে হবে কোনো একটা ঘাপলা আছে। আর কথা হচ্ছে, প্রত্যেকের ক্ষেত্রেই সব লক্ষণ মিলবে তেমন না! তবে সমস্যা থাকলে অন্তত ২-৩টা মিলে যাওয়ার কথা।

সম্পর্কে বিচ্ছেদ ঘটানোর জন্য যাদু করলে দেখা যায়- সব ভালোই ছিল, হঠাৎ একজন অপরজনকে সহ্য করতে পারছেনা। এই যাদু যেমন স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কে ফাটল ধরাতে করে, তেমন পরিবারের অন্যান্য সদস্য যেমন পিতা-মাতা-ভাই-বোন এসব সম্পর্কে ফাটল ধরাতেও করা হয়। দুই বন্ধু, ব্যবসার পার্টনারদের মাঝে ঝামেলা বাধাতেও করা হয়। আর কখনো এমন হয়, বিয়ের আগে কেউ যাদু করে রেখেছে, বিয়ের পর স্বামীস্ত্রীর কোনোভাবেই মিলছে না। তো যাইহোক এই যাদুর পরিধি যেমন ব্যাপক, এর প্রাচীনকাল থেকে চর্চাও অনেক বেশি। এমনকি এই যাদুর কথা স্বয়ং আল্লাহ তা’আলা কোরআনে বলেছেন- “..অতঃপর তাদের কাছে তারা এমন জাদু শিখত, যা দ্বারা স্বামী-স্ত্রীর মাঝে বিচ্ছেদ ঘটে…।” [বাকারা:১০২]

📌হিজামা কী?হিজামা অন্যতম একটি সুন্নাহ চিকিৎসা যা বিজ্ঞান সম্মত। যাতে মানুষের সকল প্রকার শারীরিক, মানসিক ও আধ্যাত্মিক সুস...
26/01/2025

📌হিজামা কী?

হিজামা অন্যতম একটি সুন্নাহ চিকিৎসা যা বিজ্ঞান সম্মত। যাতে মানুষের সকল প্রকার শারীরিক, মানসিক ও আধ্যাত্মিক সুস্থতা বিদ্যামান রয়েছে।

ইউনানী ও আয়ুর্বেদ চিকিৎসারও অন্তর্ভুক্ত। যাকে বাংলায় শিঙ্গা এবং ইংরেজিতে Cupping Therapy ও বলা হয়। ইউনানীতে হাজামাৎ আর আয়ুর্বেদিকে রক্তমোক্ষণ নামে বেশ পরিচিত।

📌হিজামা পদ্ধতি?

এই চিকিৎসা ব্যবস্থা বহু প্রাচীণ। আগে বাঁশ কিংবা প্রাণীর শিং ব্যবহার করে এই চিকিৎসা করা হত। কিন্তু বর্তমানে শরীরের নির্দিষ্ট কিছু অংশ থেকে সাধারণত গ্লাস কিংবা প্লাস্টিক কাপের সাহায্যে রক্ত বের করে ফেলে দেয়া হয়। এর দ্বারা ভেতরের দূষিত রক্ত দূর হয়ে যায়। যার ফলে মানুষ প্রশান্তি অনুভব করে।

📌কেন হিজামা করাবেন?
সুস্থ লোকেরাও হিজামা করাতে পারেন। এতে সুস্থতার সাথে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ে। আপনার রোগ হলে যেমন ডাক্তারের কাছে যান। তারপর প্রয়োজন পড়লে অস্ত্রপোচারও করান। তেমনি আপনার শারিরীক রোগ যাদু/সিহরের সমস্যার জন্য হিজামা করাবেন। তাহলে ফায়দা স্বরূপ রোগ থেকে মুক্তি পাবেন এবং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর একটি সুন্নাতের উপরও আমল করা হবে ইনশাআল্লাহ।

রাসুলুল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন যাদু দ্বারা পীড়িত হন তখন তিনি মাথায় সিঙ্গা লাগান এবং এটাই সবচেয়ে উত্তম ঔষধ যদি সঠিকভাবে করা হয়। (যাদ আল মাআদঃ ৪/১২৫-১২৬)

📌হিজামা কিভাবে কাজ করে?

বদ-রক্ত, রোগের জন্য দায়ী জীবাণু প্লাজমা বা ফ্লুইডের সাথে বের করে নিয়ে আসা হয়। যা শরীর থেকে রোগের জন্য দায়ী জীবাণু সরিয়ে ফেলে। এর মাধ্যমে বর্তমানে সংক্রামক সকল রোগের চিকিৎসা করা হচ্ছে। এছাড়া অসংক্রামক অনেক রোগও ভালো হয় নিয়মিত হিজামা করালে। এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে ও রক্ত পরিষ্কার রাখে, শরীর থেকে টক্সিন বা বিষাক্ত জৈব-রাসায়নিক বর্জ্য নিষ্কাশন করে।

হিজামা একটি চিকিৎসা যাতে অন্যান্য মেডিক্যাল ড্রাগসের মত কোন সাইড ইফেক্ট নেই। কেবল নিরাময় আছে (সুবহানাল্লাহ)। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর নিজের জন্য এ চিকিৎসাটি করিয়েছিলেন।

📌হিজামাতে যে সকল সমস্যায় উপকার হয়:
(১) রক্তদূষণ, উচ্চরক্তচাপ, (২) ঘুমের ব্যাঘাত, স্মৃতিভ্রষ্টতা, মানসিক সমস্যা, (৩) মাইগ্রেন জনিত দীর্ঘমেয়াদী মাথা ব্যাথা, অস্থি সন্ধির ব্যাথা, পিঠে ব্যাথা, হাঁটু ব্যাথা, দীর্ঘমেয়াদী সাধারণ মাথা ব্যাথা, ঘাড়ে ব্যাথা, কোমর ব্যাথা, পায়ে ব্যাথা, মাংসপেশীর ব্যাথা, দীর্ঘমেয়াদী পেট ব্যথা, হাড়ের স্থানচ্যুতি জনিত ব্যাথা।
(৪) সাইনুসাইটিস (৫) ব্রণ (৬) কোলেস্টেরল (৭) হাঁপানি (৮) গ্যাস্ট্রিক পেইন, গ্যাস্ট্রিক আলসার (৯) বিষক্রিয়া (১০) দীর্ঘমেয়াদী চর্মরোগ (১১) ত্বকের নিম্নস্থিত বর্জ্য নিষ্কাশন (১২) ফোঁড়া-পাঁচড়া (১৩) চুল পড়া (১৪) স্পোর্টস ইঞ্জুরি (১৫) হরমোনাল সমস্যা (১৬) ইরেক্টিল ডিসফাংশন [ই.ডি], (১৭) মাদকাসক্ত এবং আরও অনেক সমস্যার জন্য হিজামা কার্যকরী ইন শা আল্লাহ।

📌 শিঙা নিয়ে সতর্কতাঃ
আমাদের দেশে পূর্ব থেকে এই শিঙা লাগানোর একটা প্রথা প্রচলিত আছে, যা কিনা বেদে সম্প্রদায়ের মানুষজন করে থাকে, বিশেষ করে বেদে মহিলারা। এরা শিঙা লাগানোর কথা বলে বাড়ি বাড়ি মহল্লায় ডাকাডাকি করে বেরায়। শিঙা লাগানোর পাশাপাশি কৌশলে পরিবারের সার্বিক অবস্থা জেনে নানারকম কথার চাতুরতায় আপনাকে ধোকাবাজি করে:- নগদ অর্থ, স্বর্ণ অলংকার এবং ঘরের চাল, ডাল,তেল, ফ্রিজে থাকা সংরক্ষিত মাছ গোস্তও এমনি কাপড় চোপড়ও হাতিয়ে নিতে বেশ পটু। এরা শিঙা লাগানোর সময়ে ও আগে-পরে কিছু বাক্য উচ্চারণ/মন্ত্র পড়ে থাকে। অর্থাৎ যাদুর মন্ত্র পড়ে শয়তানের সাহায্য নিয়ে সে রোগিকে সাময়িকভাবে উপকার করে। সুতরাং এদের কাছে না যাওয়া, তাদের কাছ থেকে শিঙা না লাগানো জন্য সর্বোচ্চ সতর্ক থাকা তথা ঈমান হেফাজত করা।

বিঃদ্রঃ হিজামা করানোর জন্য নিজ দায়িত্বে জেনে বুঝে যথেষ্ট অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ডাক্তার/হাজ্বম (যিনি হিজামা করায়)/থেরাপিস্ট/স্পেশালিস্ট/এক্সপার্ট এর নিকট হিজামা গ্রহণ করতে পারেন, এতে দুনিয়া ও আখিরাতের জন্য কল্যানকর হবে ইনশাআল্লাহ। আর এটাও স্বরণ রাখা জরুরী যে, হারিয়ে যাওয়া গুরত্বপূর্ণ একটি সুন্নাহ কে পুনর্জাগরণ আপনিও একজন অংশীদার।

আমাদের কাছ থেকে চাইলে অভিজ্ঞ হিজামা স্পেশালিস্ট দ্বারা হিজামা সেবা নিতে পারবেন-

Address

Tushardhara R/A, Kadamtali
Dhaka
1362

Telephone

+8801688066746

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when MusliMan Hijama & Ruqyah Center posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to MusliMan Hijama & Ruqyah Center:

Share