Ahead Foundation

Call Directions Contact the organization

Ahead Foundation It's a non-government, non-profitable and non-political Voluntary and charitable origination. 1.Ahead Mohila Yeatimkhana
2. Ahead Nurani kindergarten

Ahead Nurani Mohila Hafezia Madrasa
3.

11/07/2026

|| মুমিনের ঘরের ১৩ বৈশিষ্ট্য ||
====================

বাসা-বাড়িতে বসবাস আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। আল্লাহ তাআলা বলেন,

وَاللّهُ جَعَلَ لَكُم مِّن بُيُوتِكُمْ سَكَنًا

‘আল্লাহ করে দিয়েছেন তোমাদের গৃহকে অবস্থানের জায়গা।’ (সূরা আন নাহল : ৮০)

যাপিত জীবনে আমরা হয়ত বাসা-বাড়িতে থাকি কিংবা ব্যবসা-বাণিজ্য, চাকুরিসহ জীবনের বিভিন্ন প্রয়োজনে বাড়ির বাইরে অবস্থান করি। প্রশ্ন হল, একজন মুমিন হিসেবে আমাদের বাসা-বাড়ি কেমন হওয়া উচিত? কী কী ফ্যাসিলিটি থাকা উচিত? কেমন হলে আমাদের বাসা কিংবা বাড়িটা দৃশ্যমান এবং অদৃশ্যমান শ-/ত্রু তথা জিন ও শয়-/তান থেকে নিরাপদ থাকবে এবং বিপরীতে আল্লাহ তাআলার রহমত আকর্ষণ করতে সক্ষম হবে? এ নিয়ে কিঞ্চিত আলোচনা আপনাদের জন্য পেশ করা হল –

০১.

একজন মুমিনের বাসা-বাড়িতে ইবাদত, জিকির-আজকার, তেলাওয়াত এক কথায় আল্লাহর বিধান পালনের আদর্শ-পরিবেশ বিদ্যমান থাকবে। কেননা, হাদিস শরিফে জিকির থেকে বিমুখ বাসা-বাড়িকে মৃত ব্যক্তির সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে। রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,

مَثَلُ البيتِ الذي يُذكَرُ اللهُ فيه والبيتِ الذي لا يُذكَرُ اللهُ فيه مَثَلُ الحيِّ والميِّتِ

‘যে ঘরে আল্লাহর জিকির হয় এবং যে ঘরে আল্লাহর আল্লাহর জিকির হয় না; তাদের দৃষ্টান্ত - জীবিত ও মৃতের ন্যায়।’ (বুখারী : ৬৪০৭)

০২.

বিশেষ করে নামাজের পরিবেশ বিদ্যমান থাকবে। কেননা, আল্লাহ তাআলা বলেন,

وَأَقِمِ الصَّلَاةَ لِذِكْرِي

আমার স্মরণার্থে নামায কায়েম কর। (সুরা ত্বা-হা : ১৪ )

মু‘আয বিন আব্দুল্লাহ বিন হাবীব আল-জুহানী সূত্রে হিশাম বিন সা‘দ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,

دَخَلْنَا عَلَيْهِ ، فَقَالَ لاِمْرَأَتِهِ: مَتَى يُصَلِّي الصَّبِيُّ؟ فَقَالَتْ: كَانَ رَجُلٌ مِنَّا يَذْكُرُ عَنْ رَسُولِ اللهِ ﷺ أَنَّهُ سُئِلَ عَنْ ذَلِكَ، فَقَالَ: إِذَا عَرَفَ يَمِينَهُ مِنْ شِمَالِهِ، فَمُرُوهُ بِالصَّلاَةِ

‘আমরা হিশামের কাছে গেলাম। তিনি তার স্ত্রীকে জিজ্ঞেস করলেন, শিশু কখন সালাত আদায় করবে? তিনি বললেন, আমাদের এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ ﷺ সম্পর্কে বলতেন তাঁকে এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল। এর উত্তরে তিনি বলেন, ‘যখন সে তার ডানকে বাম থেকে আলাদা করতে পারবে, তখন তাকে সালাতের নির্দেশ দাও।’ (আবূ দাউদ : ৪৯৭ বাইহাকী, সুনান আল-কুবরা : ৫২৯৬)

০৩.

একজন মুমিনের ঘরে পর্দা ও লজ্জাশীলতার পরিবেশ থাকবে। উমর রাযি. নবীজী ﷺ-এর কাছে নিবেদন করলেন,

يَا رَسُوْلَ اللهِ ﷺ اِنَّ نِسَآءَكَ يَدْخُلُ عَلَيْهِنَّ الْبِرُّ وَ الْفَاجِرُ فَلَوْ حَجَبْتَهُنَّ فَاَنْزَلَ اللهُ ايَةَ الْحِجَابِ

‘ওগো আল্লাহর রাসূলাল্লাহ! আপনার স্ত্রীদের কাছে ভালো-মন্দ সব ধরনের লোক আসে। যদি তাদেরকে পর্দার বিধান দিতেন! এ পরিপ্রেক্ষিতে আল্লাহতাআলা পর্দার আয়াত নাযিল করেন।’ (বুখারী, মুসলিম)

মুফতি শফী রহ. মাআরিফুল কুরআনে লিখেছেন, পর্দা সম্পর্কে কুরআনে সাতটি আয়াত এবং রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর সত্তরটি হাদীস রয়েছে। পর্দা পালনের দ্বারা উদ্দেশ্য হল, নারীরা যথাসম্ভব ঘরে থাকবে। বিশেষ প্রয়োজনে বের হতে হলে শরীর ও সৌন্দর্য বোরকা ও ওড়না দ্বারা এমনভাবে ঢেকে রাখবে যাতে কোনোভাবেই পরপুরুষের সামনে প্রকাশ না পায়।

০৪.

একজন মুমিনের বাড়িতে দীনি তা’লিমের তথা কুরআন, সুন্নাহ, সীরাত ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় শিক্ষা দানের আদর্শ পরিবেশ বিদ্যমান থাকবে। আলী রাযি. থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন,

أَدِّبُوا أَوْلاَدَكُمْ عَلَى خِصَالٍ ثَلاَثٍ : عَلَى حُبِّ نَبِيِّكُمْ ، وَحُبِّ أَهْلِ بَيْتِهِ ، وَعَلَى قِرَاءَةِ الْقُرْآنِ ، فَإِنَّ حَمَلَةَ الْقُرْآنِ فِي ظِلِّ اللهِ يَوْمَ لاَ ظِلَّ إِلاَّ ظِلُّهُ مَعَ أَنْبِيَائِهِ وَأَصْفِيَائِهِ

‘তোমরা তোমাদের সন্তানদেরকে তিনটি বিষয়ে শিক্ষা দাও। (ক) তোমাদের নবীর প্রতি ভালোবাসা (খ) তাঁর পবিত্র আহলে বাইতের প্রতি ভালোবাসা এবং (গ) কুরআন তিলাওয়াত। কুরআনের ধারকরা নবী-রাসুল ও আল্লাহর প্রিয় বান্দাদের সাথে আল্লাহর আরশের ছায়াতলে থাকবে, যখন তাঁর ছায়া ছাড়া অন্য কোনো ছায়া থাকবে না।’ (বুখারী, কিতাবুল আদব : ৫৯৯৭)

সা‘দ ইবন আবী ওয়াক্কাস রাযি. বলেন, আমরা আমাদের সন্তানদের রাসূলের যু-/দ্ধে-র ইতিহাস শিক্ষা দিতাম, যেমনিভাবে তাদেরকে আমরা কুরআনের সূরা শিক্ষা দিতাম। (তারবিয়াতুল আওলাদ ফিল ইসলাম : ৩১৮)

০৫.

একজন প্রকৃত মুমিনের বাড়িতে মেহমানদারির ব্যবস্থা থাকে এবং তার দ্বারা তার প্রতিবেশিরা কষ্ট পায় না। কেননা, রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,

مَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ فَلاَ يُؤْذِ جَارَهُ، وَمَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ فَلْيُكْرِمْ ضَيْفَهُ

‘যে ব্যক্তি আল্লাহ ও আখিরাতের প্রতি ঈমান রাখে, সে যেন প্রতিবেশীকে কষ্ট না দেয়। যে আল্লাহ ও আখিরাতের প্রতি ঈমান রাখে, সে যেন মেহমানের সম্মান করে।’ (বুখারী : ৬০১৮)

০৬.

একজন মুমিন পর্দার পরিবেশ, ইবাদতের পরিবেশ ও মেহমানদারির ব্যবস্থা সুন্দর রাখার লক্ষ্যে সামর্থানুপাতে বসবাসের ঘর প্রশস্ত ও বড়সড় রাখার চেষ্টা করবে। কেননা, রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,

طُوبَى لِمَنْ مَلَكَ لِسَانَهُ، وَوَسِعَهُ بَيْتُهُ، وَبَكَى عَلَى خَطِيئَتِهِ

‘সুসংবাদ ওই ব্যক্তির জন্য, যে তার জিবকে সংযত করতে সক্ষম হয়েছে, বাড়িকে প্রশস্ত করেছে এবং নিজের পাপের জন্য ক্রন্দন করেছে।’ (সহিহ আত-তারগিব : ২৮৫৫)

০৭.

একজন মুমিনের বৈশিষ্ট্য হল, বাড়িতে প্রবেশের সময় ‘বিসমিল্লাহ’ বলবে। কেননা, রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেন,

إِذَا دَخَلَ الرَّجُلُ بَيْتَهُ فَذَكَرَ اللَّهَ عِنْدَ دُخُولِهِ وَعِنْدَ طَعَامِهِ قَالَ الشَّيْطَانُ لاَ مَبِيتَ لَكُمْ وَلاَ عَشَاءَ. وَإِذَا دَخَلَ فَلَمْ يَذْكُرِ اللَّهَ عِنْدَ دُخُولِهِ قَالَ الشَّيْطَانُ أَدْرَكْتُمُ الْمَبِيتَ. وَإِذَا لَمْ يَذْكُرِ اللَّهَ عِنْدَ طَعَامِهِ قَالَ أَدْرَكْتُمُ الْمَبِيتَ وَالْعَشَاءَ

‘কোনো ব্যক্তি তার ঘরে প্রবেশকালে ও খাবার গ্রহণকালে আল্লাহর নাম স্মরণ করলে শয়-/তান (তার সঙ্গীদের) বলে, তোমাদের রাত্রি যাপন ও রাতের আহারের কোনো ব্যবস্থা (এ ঘরে) হলো না; কিন্তু কোনো ব্যক্তি তার ঘরে প্রবেশকালে আল্লাহকে স্মরণ না করলে শয়-/তান বলে, তোমরা রাত্রি যাপনের জায়গা পেয়ে গেলে। আহারের সময় আল্লাহকে স্মরণ না করলে শয়-/তান বলে, তোমাদের রাতের আহার ও শয্যা গ্রহণের ব্যবস্থা হয়ে গেল।’ (মুসলিম : ২০১৮, আবু দাউদ : ৩৭৬৫)

০৮.

অনুরূপভাবে ঘর থেকে বের হওয়ার সময়ও ‘বিসমিল্লাহ’ বলবে। কেননা, রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেন,

إِذَا خَرَجَ الرَّجُلُ مِنْ بَيْتِهِ فَقَالَ بِسْمِ اللَّهِ تَوَكَّلْتُ عَلَى اللَّهِ لاَ حَوْلَ وَلاَ قُوَّةَ إِلاَّ بِاللَّهِ ‏”‏ ‏.‏ قَالَ ‏”‏ يُقَالُ حِينَئِذٍ هُدِيتَ وَكُفِيتَ وَوُقِيتَ فَتَتَنَحَّى لَهُ الشَّيَاطِينُ

যদি কেউ ঘর থেকে বের হওয়ার সময় বলে, ‘বিসমিল্লাহি তাওয়াক্কালতু আলাল্লাহ, লা-হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ’, তবে তাকে বলা হয় – তুমি হেদায়াতপ্রাপ্ত হয়েছ, (আল্লাহ তাআলাই) তোমার জন্য যথেষ্ট, তুমি হেফাজত অবলম্বন করেছ (অনিষ্ট থেকে)। তাতে শয়-/তান তার থেকে দূরে সরে যায়। (তিরমিজি : ৩৪২৬)

০৯.

একজন মুমিন ঘরে প্রবেশকালে সালাম দিবে। কেননা, সালাম দেওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত। আল্লাহ তাআলা বলেন,

فَإِذَا دَخَلْتُم بُيُوتًا فَسَلِّمُوا عَلَى أَنفُسِكُمْ تَحِيَّةً مِّنْ عِندِ اللَّهِ مُبَارَكَةً طَيِّبَةً

‘যখন তোমরা গৃহে প্রবেশ করবে, তখন সশব্দে সালাম করবে। এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রাপ্ত বরকতময় ও পবিত্র অভিবাদন।’ (সুরা নূর : ৬১)

১০.

একজন মুমিন শয্যা গ্রহণের সময় দরজা বন্ধ করবে, আগুন (চুলা) নিভিয়ে নিবে ও খাবার পাত্র ঢেকে রাখবে : ঘুমানোর আগে রাসুল ﷺ এজাতীয় কিছু কাজ করতে বলেছেন, প্রত্যেক পরিবারের জন্য তা মেনে চলা জরুরি। কেননা এতে বহু উপকারিতা রয়েছে। রাসুল ﷺ বলেন, ‘যখন সন্ধ্যা হয়, তখন তোমাদের সন্তানদের ঘরে আটকে রাখো। কেননা এ সময় শয়-/তানরা ছড়িয়ে পড়ে। তবে রাতের কিছু অংশ অতিক্রম করলে তখন তাদের ছেড়ে দিতে পারো। আর ঘরের দরজা বন্ধ করবে। কেননা শয়-/তান বন্ধ দরজা খুলতে পারে না। আর তোমরা আল্লাহর নাম নিয়ে তোমাদের মশকের মুখ বন্ধ করবে এবং আল্লাহর নাম নিয়ে তোমাদের পাত্রগুলোকে ঢেকে রাখবে, কমপক্ষে পাত্রগুলোর ওপর কোনো বস্ত্র আড়াআড়ি করে রেখে দিয়ো। আর (শয্যা গ্রহণের সময়) তোমরা তোমাদের প্রদীপগুলো নিভিয়ে দেবে।’ (বুখারি : ৫৬২৩, মুসলিম : ২০১২)

১১.

একজন মুমিনের ঘর বা বাড়িতে ছবি বা মূ-★র্তি থাকতে পারে না। কেননা, সে জানে যে, ছবি-মূ-★র্তি ইসলামে নিষিদ্ধ। তাই এসব থেকে বাড়ি-ঘর মুক্ত রাখা মুমিনের অন্যতম কর্তব্য। হাদিস শরিফে রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,

لاَ تَدْخُلُ الْمَلاَئِكَةُ بَيْتًا فِيهِ كَلْبٌ وَلاَ صُورَةٌ

‘যে ঘরে কু-কুর ও ছবি থাকে, সে ঘরে (রহমত ও বরকতের) ফেরেশতা প্রবেশ করে না।’ (বুখারি : ৩২২৫, ৩৩২২; মুসলিম : ২১০৬)

১২.

অনুরূপভাবে একজন মুমিনের ঘরে বাদ্যযন্ত্র থাকতে পারে না। কেননা, রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,

بَعَثَنِي اللهُ رَحْمَةً وَهَدًى لِلْعَالَمِينَ وَبَعَثَنِي لِمَحْقِ الْمَعَازِفِ وَالْمَزَامِيرِ، وَأَمْرِ الْجَاهِلِيَّةِ

আল্লাহ তাআলা আমাকে মুমিনদের জন্য হিদায়াত ও রহমত স্বরূপ প্রেরণ করেছেন এবং বাদ্যযন্ত্র, ক্রু-★/শ ও জাহে-লি প্রথা বিলোপসাধনের নির্দেশ দিয়েছেন। (শুয়া’বুল ঈমান, বাইহাকি : ৬০২৭)

১৩.

একজন মুমিনের বাড়িতে অপচয়-অপব্যয় থাকতে পারে না : কেননা, আল্লাহ বলেন,

كُلُواْ وَاشْرَبُواْ وَلاَ تُسْرِفُواْ إِنَّهُ لاَ يُحِبُّ الْمُسْرِفِينَ

‘তোমরা খাও এবং পান করো; কিন্তু অপচয় কোরো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ অপচয়কারীদের ভালোবাসেন না।’ (সুরা আ’রাফ : ৩১)

মহান আল্লাহ আমাদের আমল করার তাওফিক দান করুন।

~ শায়েখ উমায়ের কোব্বাদী!

10/07/2026

সবচেয়ে ভয়ঙ্কর চক্রান্তকারী কে জানেন? যে নিজেই নিজের ফাঁদে আটকা পড়ে — অথচ বুঝতেও পারে না।

ফেরাউনকে দিয়েই শুরু করি।
সে একটা পরিকল্পনা করেছিল মূসা (আঃ)-কে চিরতরে শেষ করে দেওয়ার। শেষ পর্যন্ত সেই পরিকল্পনাই তাকে ডুবিয়ে মেরেছিল নীল নদের পানিতে। যে ফাঁদ সে অন্যের জন্য পেতেছিল, সেই ফাঁদেই সে নিজে আটকা পড়লো।
এটা কাকতালীয় কোনো ঘটনা নয়। এটা আল্লাহর একটা চিরন্তন নিয়ম।
আল্লাহ তাআলা বলেছেন —

"চক্রান্ত শেষ পর্যন্ত চক্রান্তকারীকেই ঘিরে ফেলে, ষড়যন্ত্র শেষ পর্যন্ত ষড়যন্ত্রকারীরই সর্বনাশ করে।" (সূরা ফাতির, আয়াত ৪৩)

একবার ভাবো — মক্কার কাফেররা নবীজি ﷺ-কে হত্যার পরিকল্পনা করেছিল। সেই রাতেই আল্লাহ তাঁকে নিরাপদে বের করে নিয়ে গেলেন, আর তাদের পরিকল্পনা নিজেদের জন্যই লজ্জা আর পরাজয় ডেকে আনলো।
আবু জাহল, আবু লাহাব — যারা সারাজীবন ইসলামের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করেছে, আজ তাদের নামই ঘৃণা আর অভিশাপের প্রতীক হয়ে আছে।

তাই যখন কেউ তোমার বিরুদ্ধে চক্রান্ত করে, তোমার পিঠ পিছে মিথ্যা বলে, তোমাকে ছোট করার চেষ্টা করে — ভয় পেয়ো না। প্রতিশোধ নেওয়ার চিন্তাও করো না।

কারণ আল্লাহ নিজেই বলে দিয়েছেন —

"তারা পরিকল্পনা করে, আল্লাহও পরিকল্পনা করেন, আর আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ পরিকল্পনাকারী।" (সূরা আনফাল, আয়াত ৩০)

নবীজি ﷺ বলেছেন, "যে ব্যক্তি মানুষের সাথে চালাকি করে, আল্লাহ তার সাথে চালাকি করেন।" (মুসনাদ আহমাদ)

তোমার কাজ শুধু একটাই — সবর করা, তাওয়াক্কুল করা, আর নিজের ঈমানকে মজবুত রাখা। বাকিটা আল্লাহর হাতে ছেড়ে দাও। তিনি অন্যায়কারীকে কখনো ছাড় দেন না — সময় লাগতে পারে, কিন্তু ফলাফল অবধারিত।

09/07/2026

যখন হযরত ইব্রাহীম (আ.)-কে অগ্নিকুণ্ডের কাছে আনা হলো, তাঁর গায়ের কাপড় খুলে ফেলা হলো এবং তাঁর হাত-পা শক্ত করে বেঁধে মিনজানিক (পাথর বা মানুষ ছুঁড়ে মারার প্রাচীন যন্ত্র)-এ রাখা হলো, তখন এই ভয়াবহ দৃশ্য দেখে পুরো সৃষ্টিজগত এবং ফেরেশতাগণ কেঁদে উঠল!

সবাই আল্লাহর দরবারে আকুল হয়ে বলতে লাগল, "হে আমাদের প্রতিপালক! আপনার একনিষ্ঠ বান্দাকে আগুনে পুড়িয়ে মারা হচ্ছে, দয়া করে আমাদের অনুমতি দিন যেন আমরা তাকে সাহায্য করতে পারি।"

এমনকি স্বয়ং আগুনও কেঁদে উঠে বলল, "হে রব! আপনি আমাকে মানুষের অধীন করেছেন, আর আজ আপনারই প্রিয় বান্দাকে আমার ভেতরে পুড়িয়ে মারা হচ্ছে!"

তখন আল্লাহ তা’আলা সবার উদ্দেশ্যে বললেন,

"নিশ্চয়ই আমার এই বান্দা কেবল আমারই ইবাদত করেছে এবং আমার পথেই সে আজ এত কষ্ট ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। সে যদি আমার কাছে সাহায্য চায়, আমি নিজেই তার ডাকে সাড়া দেব। আর সে যদি তোমাদের কাছে সাহায্য চায়, তবেই কেবল তোমরা তাকে সাহায্য করো।"

এরপর যখন হযরত ইব্রাহীম (আ.)-কে মিনজানিক থেকে আগুনের দিকে ছুঁড়ে দেওয়া হলো, তখন মিনজানিক ও আগুনের মাঝখানের শূন্যস্থানে স্বয়ং প্রধান ফেরেশতা হযরত জিবরাইল (আ.) তাঁর সামনে হাজির হলেন।

জিবরাইল (আ.) বললেন, "আপনার ওপর শান্তি বর্ষিত হোক, হে ইব্রাহীম! আমি জিবরাইল। আপনার কি কোনো সাহায্য লাগবে? আপনার কি কোনো প্রয়োজন আছে?"

ইব্রাহীম (আ.) অত্যন্ত দৃঢ় কণ্ঠে উত্তর দিলেন,

"তোমার কাছে? না, তোমার কাছে আমার কোনো প্রয়োজন নেই! আমার যা কিছু প্রয়োজন, তা কেবল আমার রবের কাছেই।"

সুবহানাল্লাহ!

আমাদের জীবনে সামান্য কোনো বিপদ-আপদ বা সংকট আসলে আমরা আল্লাহর কথা ভুলে গিয়ে দুনিয়ার মানুষের পেছনে ছুটি।

একটু টাকা-পয়সার সমস্যা হলে, চাকরি চলে গেলে বা কোনো বিপদে পড়লে আমরা ভাবি অমুক নেতা, অমুক বন্ধু বা অমুক আত্মীয় বুঝি আমাদের বাঁচিয়ে দেবে।

অথচ ইব্রাহীম (আ.)-এর ঈমান দেখুন — সামনে লেলিহান আগুন, হাত-পা বাঁধা, আর সাহায্য করতে এসেছেন স্বয়ং ফেরেশতাদের সর্দার জিবরাইল (আ.), যার এক ডানার ঝাপটায় পুরো নমরুদের রাজত্ব ধ্বংস হয়ে যেতে পারত! কিন্তু ইব্রাহীম (আ.) সৃষ্টির সাহায্য চাননি, তিনি চেয়েছেন সরাসরি স্রষ্টার সাহায্য।

আমরা মনে করি, সব উপায়-উপকরণ ঠিক থাকলে বুঝি বিপদ কেটে যাবে। কিন্তু উপায় যার হাতে, সেই আল্লাহর ওপর যদি ভরসা ১০০% খাঁটি হয়, তবে দুনিয়ার কোনো শক্তি আপনার ক্ষতি করতে পারবে না।

ইব্রাহীম (আ.) যখন জিবরাইল (আ.)-কেও ফিরিয়ে দিয়ে আল্লাহর ওপর পুরো ফয়সালা ছেড়ে দিলেন, তখন আল্লাহ আগুনকে নির্দেশ দিলেন,

"ইয়া নারু কূনী বারদান ওয়া সালামান আলা ইব্রাহীম"

হে আগুন! তুমি ইব্রাহীমের জন্য ঠাণ্ডা ও শান্তিদায়ক হয়ে যাও। (সূূরা আম্বিয়া)

আগুন তার পোড়ানোর ক্ষমতা হারিয়ে ইব্রাহীম (আ.)-এর জন্য আরামদায়ক বাগান হয়ে গেল।

আল্লাহ তা’আলা আমাদের অন্তরে হযরত ইব্রাহীম (আ.)-এর মতো খাঁটি ঈমান ও তাওয়াক্কুলের নেয়ামত নসিব করুন। জীবনের প্রতিটি কঠিন মুহূর্তে দুনিয়ার সমস্ত সৃষ্টির মায়া ছেড়ে কেবল আল্লাহর ওপর ভরসা রাখার তাওফিক দান করুন। আমীন ইয়া রাব্বাল আলামীন।

© Salman Farsi
তথ্যসূত্র: الرقة والبكاء لابن قدامة

19/06/2026

চারটি কুরআনি যিকির: মুমিনের নিরাপত্তার চারটি শক্তিশালী ঢাল

আল্লাহ তাআলা তাঁর বান্দাদের জন্য কুরআনে এমন কিছু দোয়া ও যিকির শিক্ষা দিয়েছেন, যা শুধু মুখের উচ্চারণ নয়; বরং ঈমান, তাওয়াক্কুল ও আল্লাহর প্রতি পূর্ণ নির্ভরতার প্রকাশ। এসব যিকির মানুষের জীবনকে নানাবিধ বিপদ, দুশ্চিন্তা ও অনিষ্ট থেকে রক্ষা করার অন্যতম মাধ্যম।

কুরআনের চারটি ছোট কিন্তু অত্যন্ত শক্তিশালী বাক্য রয়েছে, যেগুলোকে মুমিনের নিরাপত্তার চারটি ঢাল বলা যায়। এগুলোর প্রতিটির সঙ্গে জড়িয়ে আছে আল্লাহর বিশেষ হেফাজত, সাহায্য ও রহমতের আশা।

১. কুদৃষ্টি ও হিংসা থেকে সুরক্ষা

مَا شَاءَ اللَّهُ لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ

মা শা-আল্লাহ, লা হাওলা ওয়া লা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ

আল্লাহ যা চান তাই হয়; আল্লাহ ছাড়া কোনো শক্তি ও সামর্থ্য নেই।

কোনো নিয়ামত, সৌন্দর্য, সম্পদ বা সফলতা দেখে এই বাক্য উচ্চারণ করলে মানুষ নিজের কৃতিত্বের অহংকার থেকে বাঁচে এবং সবকিছুকে আল্লাহর দান বলে স্বীকার করে। এতে কুদৃষ্টি ও হিংসার অনিষ্ট থেকে আল্লাহর হেফাজতের আশা করা যায়।

২. শয়তানের চক্রান্ত থেকে রক্ষা

حَسْبُنَا اللَّهُ وَنِعْمَ الْوَكِيلُ

হাসবুনাল্লাহু ওয়া নি‘মাল ওয়াকীল।

আমাদের জন্য আল্লাহই যথেষ্ট, আর তিনিই সর্বোত্তম কর্মবিধায়ক।

যখন মানুষ ভয়, অনিশ্চয়তা বা ষড়যন্ত্রের মুখোমুখি হয়, তখন এই যিকির তাকে স্মরণ করিয়ে দেয় যে প্রকৃত আশ্রয়দাতা একমাত্র আল্লাহ। শয়তান মানুষের অন্তরে ভয় ও দুর্বলতা সৃষ্টি করতে চায়, আর এই বাক্য সেই ভয়কে ভেঙে আল্লাহর ওপর ভরসা দৃঢ় করে।

৩. শত্রুর ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করার দোয়া

وَأُفَوِّضُ أَمْرِي إِلَى اللَّهِ

ওয়া উফাওয়্যিদু আমরী ইলাল্লাহ।

আমি আমার সব বিষয় আল্লাহর হাতে সোপর্দ করলাম।

এটি মুমিনের পূর্ণ তাওয়াক্কুলের ঘোষণা। যখন মানুষ অন্যায়ের শিকার হয়, অপবাদে আক্রান্ত হয় বা শত্রুর চক্রান্তে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে, তখন সে তার সমস্ত বিষয় আল্লাহর কাছে সমর্পণ করে। কারণ তিনি সবকিছু দেখেন, জানেন এবং সবচেয়ে উত্তম ফয়সালাকারী।

৪. দুশ্চিন্তা, সংকট ও মানসিক কষ্ট দূর করার যিকির

لَا إِلَٰهَ إِلَّا أَنْتَ سُبْحَانَكَ إِنِّي كُنْتُ مِنَ الظَّالِمِينَ

লা ইলাহা ইল্লা আন্তা, সুবহানাকা ইন্নী কুনতু মিনায-যালিমীন।

আপনি ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই; আপনি পবিত্র। নিশ্চয়ই আমি নিজের ওপর জুলুম করেছি।

এটি ইউনুস (আ.)-এর দোয়া। যখন তিনি মাছের পেটের অন্ধকারে বন্দী ছিলেন, তখন এই দোয়ার মাধ্যমে আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করেছিলেন। কষ্ট, হতাশা, মানসিক চাপ ও সংকটের সময়ে এই দোয়া বান্দাকে আল্লাহর রহমতের দিকে ফিরিয়ে নেয় এবং হৃদয়ে প্রশান্তি এনে দেয়।

এই চারটি যিকিরের শিক্ষা

এই চারটি বাক্যের মধ্যে রয়েছে ঈমান, বিনয়, তাওয়াক্কুল, আত্মসমর্পণ এবং তাওবার গভীর শিক্ষা। এগুলো শুধু মুখে পড়ার জন্য নয়; বরং অন্তরে বিশ্বাস ও নির্ভরতার সাথে উচ্চারণ করার জন্য।

- প্রথমটি শেখায়—সব নিয়ামত আল্লাহর দান।
- দ্বিতীয়টি শেখায়—আল্লাহই যথেষ্ট।
- তৃতীয়টি শেখায়—সব বিষয় আল্লাহর হাতে সোপর্দ করতে।
- চতুর্থটি শেখায়—কষ্টের সময় আল্লাহর দিকে ফিরে যেতে এবং নিজের ভুল স্বীকার করতে।

তাফসিরবিদগণ উল্লেখ করেছেন যে, এসব যিকির বান্দার জন্য আল্লাহর বিশেষ সাহায্য, নিরাপত্তা ও রহমত লাভের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। তাই একজন মুমিনের উচিত প্রতিদিনের জীবনে এগুলোকে নিজের জিহ্বা ও হৃদয়ের সঙ্গী বানিয়ে নেওয়া।

08/05/2026

পরিবেশ সংরক্ষণে আমরা দৈনন্দিন জীবনে প্লাস্টিকের ব্যবহার কমিয়ে, বিদ্যুৎ ও পানি সাশ্রয় করে, এবং বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে ভূমিকা রাখতে পারি।

04/05/2026

একজন চেয়ারম্যানের হাতে যেসকল বরাদ্দ সেবা থাকে -

আসুন তা জেনে নেই-

১. বয়স্ক ভাতা

২. বিধবা ভাতা

৩. প্রতিবন্ধী ভাতা

৪. মাতৃত্বকালীন ভাতা

৫. দুস্থ মহিলা ভাতা

৬. ভিজিডি (VGD)

৭. ভিজিএফ (VGF)

৮. কর্মক্ষম দরিদ্র সহায়তা

৯. হতদরিদ্র ভাতা

১০. মুক্তিযোদ্ধা ভাতা

১১. অনগ্রসর জনগোষ্ঠী সহায়তা

১২. শিশু সহায়তা কর্মসূচি

১৩. কাবিখা (কাজের বিনিময়ে খাদ্য)

১৪. কাবিটা (কাজের বিনিময়ে টাকা)

১৫. ১০০ দিনের কর্মসূচি

১৬. টিআর (TR) কর্মসূচি

১৭. খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি

১৮. দরিদ্রদের কর্মসংস্থান প্রকল্প

১৯. মৌসুমি কর্মসংস্থান

২০. গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ

২১. শ্রমিক নিয়োগ প্রকল্প

২২. যুব কর্মসংস্থান সহায়তা

২৩. গ্রামীণ রাস্তা নির্মাণ

২৪. রাস্তা সংস্কার

২৫. ব্রিজ নির্মাণ

২৬. কালভার্ট নির্মাণ

২৭. ড্রেন নির্মাণ

২৮. বাজার উন্নয়ন

২৯. হাট উন্নয়ন

৩০. ঘাট নির্মাণ

৩১. খাল খনন

৩২. পুকুর খনন

৩৩. বাঁধ নির্মাণ

৩৪. পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা

৩৫. গ্রামীণ বিদ্যুৎ সহায়তা

৩৬. টিউবওয়েল স্থাপন

৩৭. গভীর নলকূপ

৩৮. স্যানিটারি ল্যাট্রিন বিতরণ

৩৯. পাবলিক টয়লেট

৪০. নিরাপদ পানি প্রকল্প

৪১. পানি সংরক্ষণ

৪২. ড্রেনেজ উন্নয়ন

৪৩. স্বাস্থ্য সচেতনতা

৪৪. বর্জ্য ব্যবস্থাপনা

৪৫. পরিচ্ছন্নতা অভিযান

৪৬. স্কুল মেরামত

৪৭. শিক্ষা সহায়তা

৪৮. উপবৃত্তি সহযোগিতা

৪৯. বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ

৫০. নারী ক্ষমতায়ন

৫১. মাদকবিরোধী কার্যক্রম

৫২. সচেতনতা সভা

৫৩. যুব উন্নয়ন

৫৪. সাংস্কৃতিক কার্যক্রম

৫৫. ক্রীড়া উন্নয়ন

৫৬. টিকাদান কর্মসূচি

৫৭. মা ও শিশু স্বাস্থ্য

৫৮. পরিবার পরিকল্পনা

৫৯. স্বাস্থ্য ক্যাম্প

৬০. পুষ্টি কর্মসূচি

৬১. কমিউনিটি ক্লিনিক সহায়তা

৬২. স্যানিটেশন সচেতনতা

৬৩. রোগ প্রতিরোধ কার্যক্রম

৬৪. কৃষি প্রশিক্ষণ

৬৫. বীজ বিতরণ

৬৬. সার সহায়তা

৬৭. সেচ সুবিধা

৬৮. গাছ লাগানো

৬৯. বনায়ন

৭০. মৎস্য চাষ সহায়তা

৭১. প্রাণিসম্পদ সহায়তা

৭২. পরিবেশ সংরক্ষণ

৭৩. ত্রাণ বিতরণ

৭৪. বন্যা সহায়তা

৭৫. ঘূর্ণিঝড় সহায়তা

৭৬. আশ্রয়কেন্দ্র পরিচালনা

৭৭. পুনর্বাসন প্রকল্প

৭৮. দুর্যোগ প্রস্তুতি প্রশিক্ষণ

৭৯. ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার

৮০. জন্ম নিবন্ধন

৮১. মৃত্যু নিবন্ধন

৮২. নাগরিক সনদ প্রদান

৮৩. অনলাইন সেবা।

সংগৃহীত

01/05/2026

অধ্যক্ষর শেষ ঠিকানা বৃদ্ধাশ্রম

23/04/2026

আমি এখন নিয়ম করে সবকিছু আল্লাহকে বলার অভ্যাস করে নিয়েছি।

এই অভ্যাসটি আমার জীবনের সবচেয়ে সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ পরিবর্তন। আগে যেখানে মনের ভার বুকে চেপে রাখতাম, মানুষকে বলতে গিয়ে ভুল বোঝাবুঝি হতো, অথবা নিজেই নিজেকে গুটিয়ে রাখতাম—সেখান থেকে এখন সম্পূর্ণ মুক্ত। প্রতিদিন, প্রতি মুহূর্তে, আমি আল্লাহর সামনে আমার সবকিছু খুলে বলি। কোনো কিছু লুকাই না, ছোট-বড় কোনো বিষয় বাদ দিই না। এটা আমার কাছে আর শুধু “দোয়া” নয়, এটা আমার সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্ব, আমার নিরাপদ আশ্রয় এবং সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য সম্পর্ক।

✅ কেন এই অভ্যাস করলাম?

জীবন যত এগিয়েছে, তত বুঝেছি—মানুষের কাছে সব বলা যায় না। কখনো সময় নেই, কখনো বোঝে না, কখনো বিচার করে। আর আল্লাহ? তিনি তো সব জানেনই, তবু আমাকে বলার সুযোগ দিয়েছেন। তিনি আমার সৃষ্টিকর্তা, আমার রব। তাঁর কাছে লজ্জা নেই, ভয় নেই, ছোট হওয়ারও ভয় নেই। আমি যখন বলি, তখন আমার মন হালকা হয়, হৃদয় শান্ত হয়। এটা আমার জন্য একটা নিয়মিত “থেরাপি” হয়ে গেছে—কিন্তু এর চেয়েও বেশি, এটা ইবাদত।

✅ আমি কীভাবে এটা করি?

এটা কোনো কঠিন নিয়ম নয়, বরং খুব সহজ ও স্বাভাবিক। আমি যেভাবে করি:

▪️সকালে উঠেই: চোখ খুলে প্রথমেই বলি, “ইয়া আল্লাহ, আজকের দিনটা তোমার হাতে। আমার মনের যা আছে, সব তোমাকে বলছি।”

▪️প্রতিটি ছোট-বড় ঘটনায়: বাসে উঠে, অফিসে কাজ করতে করতে, বন্ধুর সাথে কথা বলার পর, এমনকি খাবার খাওয়ার সময়ও। যদি কোনো চিন্তা মাথায় আসে, তৎক্ষণাৎ বলে দিই। “ইয়া আল্লাহ, এটা নিয়ে আমার মনে ভয় হচ্ছে”, “এটা নিয়ে খুব আনন্দ হচ্ছে”, “এই সিদ্ধান্তটা নেব কি না বুঝতে পারছি না”।

▪️রাতে ঘুমানোর আগে: দিনের সব ঘটনা একে একে বলি। সুখ, দুঃখ, ভুল, সফলতা—সবকিছু। তারপর বলি, “ইয়া আল্লাহ, যা ভালো তা দাও, যা খারাপ তা দূর করে দাও।”

▪️নামাজের মধ্যে: প্রত্যেক নামাজের পর বিশেষ করে দোয়া করি। সেজদায় গিয়ে মাথা রেখে অনেক সময় শুধু কাঁদি আর বলি।

আমি কোনো ফর্মাল ভাষা ব্যবহার করি না। যেভাবে মনে আসে, ঠিক সেভাবে—বাংলায়, সরাসরি, যেন আমার সবচেয়ে কাছের বন্ধুর সাথে কথা বলছি।

✅ এই অভ্যাসের উপকারিতা কী কী দেখছি?

১. মানসিক শান্তি: আগে চিন্তায় ঘুমাতাম না। এখন সব বলে দিয়ে হালকা হয়ে ঘুমাই।
২. আল্লাহর সাথে সম্পর্ক গভীর হয়েছে: তিনি যে সবসময় আছেন, এটা আর শুধু কথার কথা নয়—অনুভব করি।
৩. ভয় ও দুশ্চিন্তা কমেছে: কারণ আমি জানি, যিনি সব শুনছেন, তিনি সব ঠিক করে দেবেন।
৪. সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হয়েছে: ইস্তিখারা করি, তারপর আল্লাহর কাছে বলি—উত্তর আসে।
৫. কৃতজ্ঞতা বেড়েছে: সুখের মুহূর্তেও বলি, তাই আল্লাহর নেয়ামত আরও বেশি অনুভব করি।

এই অভ্যাসটা আমাকে শিখিয়েছে—আমি একা নই। আমার প্রতিটি কথা, প্রতিটি অনুভূতি আল্লাহর কাছে গুরুত্বপূর্ণ। তিনি কখনো বিরক্ত হন না, কখনো ঘুমিয়ে পড়েন না, কখনো বিচার করেন না। তিনি শুধু শোনেন আর ভালোবাসেন।

আজকাল যখন কেউ জিজ্ঞাসা করে, “কেমন আছিস?” তখন আমি মনে মনে হাসি। কারণ আমার আসল কথা তো আল্লাহর কাছে বলা হয়ে গেছে। আর সেটাই যথেষ্ট।

যদি তুমিও এই অভ্যাস শুরু করতে চাও, শুরু করে দাও। একদিনের জন্য। দেখবে, জীবনটা কত সহজ ও সুন্দর হয়ে যায়। আল্লাহ তো আমাদের জন্যই অপেক্ষায় আছেন। শুধু বলো। সব বলো।

11/04/2026

এটা একটা নমুনা মাত্র সমগ্র দেশ এখন চাঁদাবাজদের স্বর্গ রাজ্যে পরিণত হয়েছে।

10/04/2026

সূরা আম্বিয়া—৫ জন নবীর ৫টা দোয়া, ৫টা সমস্যার সমাধান

একটা সূরায় ৫ জন নবী। ৫টা ভিন্ন সংকট। ৫টা ভিন্ন দোয়া। আর ৫ বারই আল্লাহ সাড়া দিয়েছেন।

কখনো ভেবে দেখেছেন — আল্লাহ কেন এত নবীর দোয়া একটা সূরায় একসাথে রেখেছেন?

কারণ আমাদের জীবনেও এই ৫টা সংকট আসে। রোগ আসে। অন্ধকার আসে। একাকীত্ব আসে। বিপদ আসে। জুলুম আসে।

আর আল্লাহ চান — আপনি যখন এই সংকটে পড়বেন, তখন যেন জানেন ঠিক কোন দোয়া পড়তে হবে।

সূরা আম্বিয়া মক্কী সূরা। আয়াত সংখ্যা ১১২। এই সূরায় আল্লাহ ১৬ জনের বেশি নবীর কথা বলেছেন। কিন্তু ৫ জনের দোয়া আলাদাভাবে উল্লেখ করেছেন — আর প্রতিটার পর বলেছেন "ফাস্তাজাবনা" — "আমি সাড়া দিয়েছি।"

আজকের পোস্টে সেই ৫টা দোয়া — ৫টা সমস্যার সমাধান।

দোয়া ১: আইয়ুব (আ.) — যখন রোগে শরীর শেষ, আর সহ্য হচ্ছে না

আইয়ুব (আ.) ১৮ বছর অসুস্থ ছিলেন। শরীরে এমন রোগ যে মানুষ কাছে আসতো না। সম্পদ গেছে। সন্তান গেছে। সবাই ছেড়ে গেছে। শুধু স্ত্রী পাশে ছিলেন।

১৮ বছর। একদিন না, একমাস না — ১৮ বছর।

কিন্তু তিনি একটিবারও বলেননি — "আল্লাহ আমার সাথে অন্যায় করেছেন।"

তিনি শুধু বলেছেন —

أَنِّي مَسَّنِيَ الضُّرُّ وَأَنتَ أَرْحَمُ الرَّاحِمِينَ
উচ্চারণ: আন্নি মাস্সানিয়াদ দুররু ওয়া আনতা আরহামুর রাহিমীন

"আমাকে কষ্ট স্পর্শ করেছে, আর আপনি সর্বশ্রেষ্ঠ দয়ালু।"
(সূরা আম্বিয়া: ৮৩)

খেয়াল করুন — তিনি বলেননি "আমাকে সুস্থ করুন।" তিনি শুধু কষ্টের কথা জানিয়েছেন আর আল্লাহর দয়ার কথা স্মরণ করেছেন। অভিযোগ নেই। দাবি নেই। শুধু আল্লাহর রহমতের ওপর ভরসা।

আল্লাহ বলেন — "ফাস্তাজাবনা লাহু" — আমি তাঁর ডাকে সাড়া দিলাম। তাঁর রোগ দূর করলাম। পরিবার ফিরিয়ে দিলাম। দ্বিগুণ করে দিলাম।

কখন পড়বেন? যখন দীর্ঘদিন অসুস্থ। যখন ওষুধে কাজ হচ্ছে না। যখন শরীর আর সায় দিচ্ছে না।

দোয়া ২: ইউনুস (আ.) — যখন চারদিক থেকে অন্ধকার, কোনো পথ নেই

ইউনুস (আ.) মাছের পেটে। সমুদ্রের গভীরে। রাতের অন্ধকার। পানির অন্ধকার। মাছের পেটের অন্ধকার। তিন স্তরের অন্ধকার।

কোনো মানুষ জানে না তিনি কোথায়। কেউ সাহায্য করার নেই। কোনো উপায় নেই। শুধু আল্লাহ।

সেখান থেকে তিনি ডাকলেন —

لَّا إِلَـٰهَ إِلَّا أَنتَ سُبْحَانَكَ إِنِّي كُنتُ مِنَ الظَّالِمِينَ
উচ্চারণ: লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নি কুনতু মিনায যালিমীন

"আপনি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই। আপনি পবিত্র। নিশ্চয়ই আমি জালিমদের অন্তর্ভুক্ত ছিলাম।"
(সূরা আম্বিয়া: ৮৭)

আল্লাহ বলেন — "ফাস্তাজাবনা লাহু ওয়া নাজ্জাইনাহু মিনাল গাম্ম" — আমি তাঁর ডাকে সাড়া দিলাম এবং দুশ্চিন্তা থেকে মুক্ত করলাম।

তারপর আল্লাহ একটা অসাধারণ কথা বললেন — "ওয়া কাযালিকা নুনজিল মুমিনীন" — আমি এভাবেই মুমিনদের উদ্ধার করি।

মানে এই দোয়া শুধু ইউনুস (আ.)-এর জন্য না — প্রতিটা মুমিনের জন্য।

নবীজি ﷺ বলেছেন — "যুন-নুনের দোয়া — যেকোনো মুসলিম যেকোনো বিষয়ে এই দোয়া করলে আল্লাহ তার ডাকে সাড়া দেন।" (জামে তিরমিযী: ৩৫০৫)

কখন পড়বেন? যখন চারদিক থেকে অন্ধকার। চাকরি নেই, টাকা নেই, সাহায্যকারী নেই। যখন মনে হয় কোনো পথ নেই।

দোয়া ৩: যাকারিয়া (আ.) — যখন কিছু চান কিন্তু পাচ্ছেন না, বছরের পর বছর

যাকারিয়া (আ.) সন্তান চাইছিলেন। কিন্তু স্ত্রী বন্ধ্যা। নিজে বৃদ্ধ। চুল সাদা। হাড় দুর্বল। সব হিসাব বলছে — অসম্ভব।

কিন্তু তিনি আল্লাহর কাছে বললেন —

رَبِّ لَا تَذَرْنِي فَرْدًا وَأَنتَ خَيْرُ الْوَارِثِينَ
উচ্চারণ: রাব্বি লা তাযারনি ফারদান ওয়া আনতা খাইরুল ওয়ারিসীন

"হে আমার রব, আমাকে একা রাখবেন না। আর আপনি তো সর্বোত্তম উত্তরাধিকারী।"
(সূরা আম্বিয়া: ৮৯)

আল্লাহ বলেন — "ফাস্তাজাবনা লাহু ওয়া ওয়াহাবনা লাহু ইয়াহইয়া" — আমি তাঁর ডাকে সাড়া দিলাম এবং তাঁকে ইয়াহইয়া দান করলাম।

বৃদ্ধ বয়সে। বন্ধ্যা স্ত্রীর গর্ভে। যা চিকিৎসাবিজ্ঞানে অসম্ভব — আল্লাহর কাছে সম্ভব।

কখন পড়বেন? যখন সন্তান হচ্ছে না। যখন কোনো কিছু চাইছেন কিন্তু বছরের পর বছর পাচ্ছেন না। যখন সব হিসাব বলছে "অসম্ভব" — কিন্তু আপনি আল্লাহর কাছে সম্ভব বিশ্বাস করেন।

দোয়া ৪: ইবরাহীম (আ.) — যখন মানুষ আপনার বিরুদ্ধে, সত্যের পথে একা

ইবরাহীম (আ.) একা। পুরো জাতি তাঁর বিরুদ্ধে। তাঁকে আগুনে ফেলা হলো। বিশাল আগুন। এত বড় যে কাছে যাওয়া যায় না — তাই পাথর নিক্ষেপক দিয়ে ছুড়ে ফেলা হলো।

সেই মুহূর্তে জিবরীল (আ.) এসে বললেন — "কোনো সাহায্য দরকার?"

ইবরাহীম (আ.) বললেন — "আপনার কাছে না। আল্লাহর কাছে।"

আর আল্লাহ বললেন —

قُلْنَا يَا نَارُ كُونِي بَرْدًا وَسَلَامًا عَلَىٰ إِبْرَاهِيمَ
উচ্চারণ: কুলনা ইয়া নারু কুনি বারদান ওয়া সালামান আলা ইবরাহীম

"আমি বললাম — হে আগুন, ইবরাহীমের জন্য শীতল ও শান্তিময় হয়ে যাও।"
(সূরা আম্বিয়া: ৬৯)

আগুন তাঁকে পোড়ায়নি। আল্লাহ আগুনকেই বদলে দিয়েছেন।

আর এই সূরায় আল্লাহ ইবরাহীম (আ.) সম্পর্কে বলেছেন — "ওয়া নাজ্জাইনাহু" — আমি তাঁকে উদ্ধার করেছি।

কখন পড়বেন? যখন সত্যের পথে একা। মানুষ বিরুদ্ধে। পরিবার বিরুদ্ধে। সমাজ বিরুদ্ধে। যখন দ্বীন মানতে গিয়ে "আগুনে" পড়েছেন — চাকরির আগুন, সামাজিক চাপের আগুন, পরিবারের বিরোধিতার আগুন। আল্লাহ সেই আগুনকেও শীতল করতে পারেন।

দোয়া ৫: লুত (আ.) — যখন জুলুমের বিরুদ্ধে সাহায্য দরকার

লুত (আ.)-এর জাতি ছিল ইতিহাসের সবচেয়ে নোংরা জাতিগুলোর একটা। তাদের পাপ এত ছড়িয়ে গেছিল যে লুত (আ.) একা কিছুই করতে পারছিলেন না।

তিনি আল্লাহর কাছে বললেন —

رَبِّ انصُرْنِي عَلَى الْقَوْمِ الْمُفْسِدِينَ
উচ্চারণ: রাব্বিনসুরনি আলাল কাওমিল মুফসিদীন

"হে আমার রব, ফাসাদকারী সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে আমাকে সাহায্য করুন।"
(সূরা আম্বিয়া: ৭৭, সূরা আনকাবুত: ৩০)

আল্লাহ সাড়া দিলেন। লুত (আ.) ও তাঁর পরিবারকে বাঁচালেন। আর ফাসাদকারীদের ধ্বংস করলেন।

কখন পড়বেন? যখন জালিমের জুলুম সহ্য হচ্ছে না। যখন চারপাশে অন্যায় দেখছেন কিন্তু কিছু করতে পারছেন না। যখন সমাজের পচন আপনাকে কষ্ট দিচ্ছে।

৫টা দোয়া — এক নজরে

আইয়ুব (আ.) — রোগে পড়লে পড়ুন:
"আন্নি মাস্সানিয়াদ দুররু ওয়া আনতা আরহামুর রাহিমীন"

ইউনুস (আ.) — অন্ধকারে পড়লে পড়ুন:
"লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নি কুনতু মিনায যালিমীন"

যাকারিয়া (আ.) — কিছু চেয়ে পাচ্ছেন না পড়ুন:
"রাব্বি লা তাযারনি ফারদান ওয়া আনতা খাইরুল ওয়ারিসীন"

ইবরাহীম (আ.) — সত্যের পথে একা পড়লে বলুন:
"হাসবুনাল্লাহু ওয়া নিমাল ওয়াকীল"

লুত (আ.) — জুলুমের বিরুদ্ধে পড়ুন:
"রাব্বিনসুরনি আলাল কাওমিল মুফসিদিন"

আর প্রতিটার পর আল্লাহর উত্তর একই — "ফাস্তাজাবনা" — আমি সাড়া দিয়েছি।

একটা কথা মনে রাখুন — এই ৫টা দোয়া শুধু ৫ জন নবীর জন্য ছিল না। আল্লাহ এগুলো কুরআনে রেখেছেন আমাদের জন্য। ইউনুস (আ.)-এর দোয়ার পর আল্লাহ নিজেই বলেছেন — "ওয়া কাযালিকা নুনজিল মুমিনীন" — এভাবেই আমি মুমিনদের উদ্ধার করি। মানে এই দোয়াগুলো আমার, আপনার — সবার জন্য।

কিন্তু শুধু সূরা আম্বিয়া না — কুরআনের পাতায় পাতায় এরকম শত শত দোয়া ছড়িয়ে আছে। রিজিকের দোয়া, শিফার দোয়া, সন্তানের দোয়া, ক্ষমার দোয়া, জান্নাতের দোয়া — প্রতিটা সমস্যার জন্য আল্লাহ নিজেই শিখিয়ে দিয়েছেন কী বলতে হবে।

কোন নবী কোন মুহূর্তে কী দোয়া করেছিলেন, কীভাবে আমল করবেন — এসব আরও বিস্তারিতভাবে, গুছিয়ে, হাতে রাখার মতোভাবে জানতে চাইলে “কুরআনের বরকতময় দোয়া” বইটি আপনার উপকারে আসতে পারে। সেখানে ১২৭টিরও বেশি কুরআনি দোয়া আরবি, বাংলা উচ্চারণ ও অর্থসহ সাজানো আছে।

—সংগ্রহ করতে WhatsApp করুন 01984-563362 নম্বরে, লিখুন "দোয়ার বই চাই"

আর যারা শুধু একটি বিষয় না, বরং সূরা, দোয়া, রিজিক, সন্তান, শিফা ও আমল—সবকিছু একসাথে গুছিয়ে রাখতে চান, তাদের জন্য আমরা সাজিয়েছি “গ্রান্ড মেগা কম্বো” — ৬টি বই একসাথে, পুরো পরিবারের আমল–লাইফের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ প্যাকেজ।

✔️ কুরআনের সূরার আমল ও ফজিলত
✔️ রিজিকে বরকতের আমল ও ওয়াজিফা
✔️ কুরআনের বরকতময় দোয়া
✔️ সন্তান যেন নেক ও সালেহ হয়
✔️ আল্লাহর ৯৯ নামের আমল ও ওয়াজিফা
✔️ আয়াতে শিফা: রোগ ও চিকিৎসার আমল

সংগ্রহ করতে—
📩 Inbox বা WhatsApp: 01984563362
📝 মেসেজ দিন: “গ্রান্ড মেগা কম্বো চাই”

অথবা বইগুলোর রিভিউ ও বিস্তারিত পড়ে অর্ডার করতে চাইলে
🔗 কমেন্টে দেওয়া লিংকে ক্লিক করুন।

মনে রাখবেন!

৫ জন নবী। ৫টা ভিন্ন সংকট। কিন্তু একটা কমন জিনিস — তাঁরা সবাই আল্লাহর কাছে ফিরেছেন। মানুষের কাছে না। ক্ষমতার কাছে না। টাকার কাছে না। শুধু আল্লাহর কাছে।

আর আল্লাহ প্রতিবার সাড়া দিয়েছেন। একবারও "না" বলেননি।

আপনার জীবনে এখন কোন সংকট চলছে?

রোগ? আইয়ুব (আ.)-এর দোয়া পড়ুন।
অন্ধকার? ইউনুস (আ.)-এর দোয়া পড়ুন।
কিছু পাচ্ছেন না? যাকারিয়া (আ.)-এর দোয়া পড়ুন।
একা আছেন? ইবরাহীম (আ.)-এর ভরসা রাখুন।
জুলুম সহ্য হচ্ছে না? লুত (আ.)-এর দোয়া পড়ুন।

আল্লাহ "ফাস্তাজাবনা" বলেছেন — আমি সাড়া দিয়েছি। তিনি আপনার ডাকেও সাড়া দেবেন। শুধু ডাকুন।

আল্লাহ তাআলা আমাদের প্রতিটা সংকটে নবীদের দোয়া পড়ার তাওফিক দিন। আমাদের ডাকে সাড়া দিন। বিপদ দূর করুন। আর "ফাস্তাজাবনা"-র বরকত আমাদের জীবনে নাযিল করুন। আমিন।

আপনার জীবনে এখন কোন সংকট চলছে? ৫টার মধ্যে কোন দোয়াটা আপনার সবচেয়ে বেশি দরকার?
কমেন্টে লিখুন — দোয়ার নম্বরটা।

রেফারেন্স:
— সূরা আম্বিয়া: ৬৯, ৭৭, ৮৩-৮৪, ৮৭-৮৮, ৮৯-৯০
— সূরা আনকাবুত: ৩০
— জামে তিরমিযী: ৩৫০৫
— তাফসীরে ইবনে কাসীর

Address

Poltan
Dhaka

Telephone

+8801715000792

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ahead Foundation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Ahead Foundation:

Shortcuts

Share