Ahead Foundation

Ahead Foundation It's a non-government, non-profitable and non-political Voluntary and charitable origination. 1.Ahead Mohila Yeatimkhana
2. Ahead Nurani kindergarten

Ahead Nurani Mohila Hafezia Madrasa
3.

08/05/2026

পরিবেশ সংরক্ষণে আমরা দৈনন্দিন জীবনে প্লাস্টিকের ব্যবহার কমিয়ে, বিদ্যুৎ ও পানি সাশ্রয় করে, এবং বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে ভূমিকা রাখতে পারি।

04/05/2026

একজন চেয়ারম্যানের হাতে যেসকল বরাদ্দ সেবা থাকে -

আসুন তা জেনে নেই-

১. বয়স্ক ভাতা

২. বিধবা ভাতা

৩. প্রতিবন্ধী ভাতা

৪. মাতৃত্বকালীন ভাতা

৫. দুস্থ মহিলা ভাতা

৬. ভিজিডি (VGD)

৭. ভিজিএফ (VGF)

৮. কর্মক্ষম দরিদ্র সহায়তা

৯. হতদরিদ্র ভাতা

১০. মুক্তিযোদ্ধা ভাতা

১১. অনগ্রসর জনগোষ্ঠী সহায়তা

১২. শিশু সহায়তা কর্মসূচি

১৩. কাবিখা (কাজের বিনিময়ে খাদ্য)

১৪. কাবিটা (কাজের বিনিময়ে টাকা)

১৫. ১০০ দিনের কর্মসূচি

১৬. টিআর (TR) কর্মসূচি

১৭. খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি

১৮. দরিদ্রদের কর্মসংস্থান প্রকল্প

১৯. মৌসুমি কর্মসংস্থান

২০. গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ

২১. শ্রমিক নিয়োগ প্রকল্প

২২. যুব কর্মসংস্থান সহায়তা

২৩. গ্রামীণ রাস্তা নির্মাণ

২৪. রাস্তা সংস্কার

২৫. ব্রিজ নির্মাণ

২৬. কালভার্ট নির্মাণ

২৭. ড্রেন নির্মাণ

২৮. বাজার উন্নয়ন

২৯. হাট উন্নয়ন

৩০. ঘাট নির্মাণ

৩১. খাল খনন

৩২. পুকুর খনন

৩৩. বাঁধ নির্মাণ

৩৪. পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা

৩৫. গ্রামীণ বিদ্যুৎ সহায়তা

৩৬. টিউবওয়েল স্থাপন

৩৭. গভীর নলকূপ

৩৮. স্যানিটারি ল্যাট্রিন বিতরণ

৩৯. পাবলিক টয়লেট

৪০. নিরাপদ পানি প্রকল্প

৪১. পানি সংরক্ষণ

৪২. ড্রেনেজ উন্নয়ন

৪৩. স্বাস্থ্য সচেতনতা

৪৪. বর্জ্য ব্যবস্থাপনা

৪৫. পরিচ্ছন্নতা অভিযান

৪৬. স্কুল মেরামত

৪৭. শিক্ষা সহায়তা

৪৮. উপবৃত্তি সহযোগিতা

৪৯. বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ

৫০. নারী ক্ষমতায়ন

৫১. মাদকবিরোধী কার্যক্রম

৫২. সচেতনতা সভা

৫৩. যুব উন্নয়ন

৫৪. সাংস্কৃতিক কার্যক্রম

৫৫. ক্রীড়া উন্নয়ন

৫৬. টিকাদান কর্মসূচি

৫৭. মা ও শিশু স্বাস্থ্য

৫৮. পরিবার পরিকল্পনা

৫৯. স্বাস্থ্য ক্যাম্প

৬০. পুষ্টি কর্মসূচি

৬১. কমিউনিটি ক্লিনিক সহায়তা

৬২. স্যানিটেশন সচেতনতা

৬৩. রোগ প্রতিরোধ কার্যক্রম

৬৪. কৃষি প্রশিক্ষণ

৬৫. বীজ বিতরণ

৬৬. সার সহায়তা

৬৭. সেচ সুবিধা

৬৮. গাছ লাগানো

৬৯. বনায়ন

৭০. মৎস্য চাষ সহায়তা

৭১. প্রাণিসম্পদ সহায়তা

৭২. পরিবেশ সংরক্ষণ

৭৩. ত্রাণ বিতরণ

৭৪. বন্যা সহায়তা

৭৫. ঘূর্ণিঝড় সহায়তা

৭৬. আশ্রয়কেন্দ্র পরিচালনা

৭৭. পুনর্বাসন প্রকল্প

৭৮. দুর্যোগ প্রস্তুতি প্রশিক্ষণ

৭৯. ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার

৮০. জন্ম নিবন্ধন

৮১. মৃত্যু নিবন্ধন

৮২. নাগরিক সনদ প্রদান

৮৩. অনলাইন সেবা।

সংগৃহীত

01/05/2026

অধ্যক্ষর শেষ ঠিকানা বৃদ্ধাশ্রম

23/04/2026

আমি এখন নিয়ম করে সবকিছু আল্লাহকে বলার অভ্যাস করে নিয়েছি।

এই অভ্যাসটি আমার জীবনের সবচেয়ে সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ পরিবর্তন। আগে যেখানে মনের ভার বুকে চেপে রাখতাম, মানুষকে বলতে গিয়ে ভুল বোঝাবুঝি হতো, অথবা নিজেই নিজেকে গুটিয়ে রাখতাম—সেখান থেকে এখন সম্পূর্ণ মুক্ত। প্রতিদিন, প্রতি মুহূর্তে, আমি আল্লাহর সামনে আমার সবকিছু খুলে বলি। কোনো কিছু লুকাই না, ছোট-বড় কোনো বিষয় বাদ দিই না। এটা আমার কাছে আর শুধু “দোয়া” নয়, এটা আমার সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্ব, আমার নিরাপদ আশ্রয় এবং সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য সম্পর্ক।

✅ কেন এই অভ্যাস করলাম?

জীবন যত এগিয়েছে, তত বুঝেছি—মানুষের কাছে সব বলা যায় না। কখনো সময় নেই, কখনো বোঝে না, কখনো বিচার করে। আর আল্লাহ? তিনি তো সব জানেনই, তবু আমাকে বলার সুযোগ দিয়েছেন। তিনি আমার সৃষ্টিকর্তা, আমার রব। তাঁর কাছে লজ্জা নেই, ভয় নেই, ছোট হওয়ারও ভয় নেই। আমি যখন বলি, তখন আমার মন হালকা হয়, হৃদয় শান্ত হয়। এটা আমার জন্য একটা নিয়মিত “থেরাপি” হয়ে গেছে—কিন্তু এর চেয়েও বেশি, এটা ইবাদত।

✅ আমি কীভাবে এটা করি?

এটা কোনো কঠিন নিয়ম নয়, বরং খুব সহজ ও স্বাভাবিক। আমি যেভাবে করি:

▪️সকালে উঠেই: চোখ খুলে প্রথমেই বলি, “ইয়া আল্লাহ, আজকের দিনটা তোমার হাতে। আমার মনের যা আছে, সব তোমাকে বলছি।”

▪️প্রতিটি ছোট-বড় ঘটনায়: বাসে উঠে, অফিসে কাজ করতে করতে, বন্ধুর সাথে কথা বলার পর, এমনকি খাবার খাওয়ার সময়ও। যদি কোনো চিন্তা মাথায় আসে, তৎক্ষণাৎ বলে দিই। “ইয়া আল্লাহ, এটা নিয়ে আমার মনে ভয় হচ্ছে”, “এটা নিয়ে খুব আনন্দ হচ্ছে”, “এই সিদ্ধান্তটা নেব কি না বুঝতে পারছি না”।

▪️রাতে ঘুমানোর আগে: দিনের সব ঘটনা একে একে বলি। সুখ, দুঃখ, ভুল, সফলতা—সবকিছু। তারপর বলি, “ইয়া আল্লাহ, যা ভালো তা দাও, যা খারাপ তা দূর করে দাও।”

▪️নামাজের মধ্যে: প্রত্যেক নামাজের পর বিশেষ করে দোয়া করি। সেজদায় গিয়ে মাথা রেখে অনেক সময় শুধু কাঁদি আর বলি।

আমি কোনো ফর্মাল ভাষা ব্যবহার করি না। যেভাবে মনে আসে, ঠিক সেভাবে—বাংলায়, সরাসরি, যেন আমার সবচেয়ে কাছের বন্ধুর সাথে কথা বলছি।

✅ এই অভ্যাসের উপকারিতা কী কী দেখছি?

১. মানসিক শান্তি: আগে চিন্তায় ঘুমাতাম না। এখন সব বলে দিয়ে হালকা হয়ে ঘুমাই।
২. আল্লাহর সাথে সম্পর্ক গভীর হয়েছে: তিনি যে সবসময় আছেন, এটা আর শুধু কথার কথা নয়—অনুভব করি।
৩. ভয় ও দুশ্চিন্তা কমেছে: কারণ আমি জানি, যিনি সব শুনছেন, তিনি সব ঠিক করে দেবেন।
৪. সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হয়েছে: ইস্তিখারা করি, তারপর আল্লাহর কাছে বলি—উত্তর আসে।
৫. কৃতজ্ঞতা বেড়েছে: সুখের মুহূর্তেও বলি, তাই আল্লাহর নেয়ামত আরও বেশি অনুভব করি।

এই অভ্যাসটা আমাকে শিখিয়েছে—আমি একা নই। আমার প্রতিটি কথা, প্রতিটি অনুভূতি আল্লাহর কাছে গুরুত্বপূর্ণ। তিনি কখনো বিরক্ত হন না, কখনো ঘুমিয়ে পড়েন না, কখনো বিচার করেন না। তিনি শুধু শোনেন আর ভালোবাসেন।

আজকাল যখন কেউ জিজ্ঞাসা করে, “কেমন আছিস?” তখন আমি মনে মনে হাসি। কারণ আমার আসল কথা তো আল্লাহর কাছে বলা হয়ে গেছে। আর সেটাই যথেষ্ট।

যদি তুমিও এই অভ্যাস শুরু করতে চাও, শুরু করে দাও। একদিনের জন্য। দেখবে, জীবনটা কত সহজ ও সুন্দর হয়ে যায়। আল্লাহ তো আমাদের জন্যই অপেক্ষায় আছেন। শুধু বলো। সব বলো।

11/04/2026

এটা একটা নমুনা মাত্র সমগ্র দেশ এখন চাঁদাবাজদের স্বর্গ রাজ্যে পরিণত হয়েছে।

10/04/2026

সূরা আম্বিয়া—৫ জন নবীর ৫টা দোয়া, ৫টা সমস্যার সমাধান

একটা সূরায় ৫ জন নবী। ৫টা ভিন্ন সংকট। ৫টা ভিন্ন দোয়া। আর ৫ বারই আল্লাহ সাড়া দিয়েছেন।

কখনো ভেবে দেখেছেন — আল্লাহ কেন এত নবীর দোয়া একটা সূরায় একসাথে রেখেছেন?

কারণ আমাদের জীবনেও এই ৫টা সংকট আসে। রোগ আসে। অন্ধকার আসে। একাকীত্ব আসে। বিপদ আসে। জুলুম আসে।

আর আল্লাহ চান — আপনি যখন এই সংকটে পড়বেন, তখন যেন জানেন ঠিক কোন দোয়া পড়তে হবে।

সূরা আম্বিয়া মক্কী সূরা। আয়াত সংখ্যা ১১২। এই সূরায় আল্লাহ ১৬ জনের বেশি নবীর কথা বলেছেন। কিন্তু ৫ জনের দোয়া আলাদাভাবে উল্লেখ করেছেন — আর প্রতিটার পর বলেছেন "ফাস্তাজাবনা" — "আমি সাড়া দিয়েছি।"

আজকের পোস্টে সেই ৫টা দোয়া — ৫টা সমস্যার সমাধান।

দোয়া ১: আইয়ুব (আ.) — যখন রোগে শরীর শেষ, আর সহ্য হচ্ছে না

আইয়ুব (আ.) ১৮ বছর অসুস্থ ছিলেন। শরীরে এমন রোগ যে মানুষ কাছে আসতো না। সম্পদ গেছে। সন্তান গেছে। সবাই ছেড়ে গেছে। শুধু স্ত্রী পাশে ছিলেন।

১৮ বছর। একদিন না, একমাস না — ১৮ বছর।

কিন্তু তিনি একটিবারও বলেননি — "আল্লাহ আমার সাথে অন্যায় করেছেন।"

তিনি শুধু বলেছেন —

أَنِّي مَسَّنِيَ الضُّرُّ وَأَنتَ أَرْحَمُ الرَّاحِمِينَ
উচ্চারণ: আন্নি মাস্সানিয়াদ দুররু ওয়া আনতা আরহামুর রাহিমীন

"আমাকে কষ্ট স্পর্শ করেছে, আর আপনি সর্বশ্রেষ্ঠ দয়ালু।"
(সূরা আম্বিয়া: ৮৩)

খেয়াল করুন — তিনি বলেননি "আমাকে সুস্থ করুন।" তিনি শুধু কষ্টের কথা জানিয়েছেন আর আল্লাহর দয়ার কথা স্মরণ করেছেন। অভিযোগ নেই। দাবি নেই। শুধু আল্লাহর রহমতের ওপর ভরসা।

আল্লাহ বলেন — "ফাস্তাজাবনা লাহু" — আমি তাঁর ডাকে সাড়া দিলাম। তাঁর রোগ দূর করলাম। পরিবার ফিরিয়ে দিলাম। দ্বিগুণ করে দিলাম।

কখন পড়বেন? যখন দীর্ঘদিন অসুস্থ। যখন ওষুধে কাজ হচ্ছে না। যখন শরীর আর সায় দিচ্ছে না।

দোয়া ২: ইউনুস (আ.) — যখন চারদিক থেকে অন্ধকার, কোনো পথ নেই

ইউনুস (আ.) মাছের পেটে। সমুদ্রের গভীরে। রাতের অন্ধকার। পানির অন্ধকার। মাছের পেটের অন্ধকার। তিন স্তরের অন্ধকার।

কোনো মানুষ জানে না তিনি কোথায়। কেউ সাহায্য করার নেই। কোনো উপায় নেই। শুধু আল্লাহ।

সেখান থেকে তিনি ডাকলেন —

لَّا إِلَـٰهَ إِلَّا أَنتَ سُبْحَانَكَ إِنِّي كُنتُ مِنَ الظَّالِمِينَ
উচ্চারণ: লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নি কুনতু মিনায যালিমীন

"আপনি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই। আপনি পবিত্র। নিশ্চয়ই আমি জালিমদের অন্তর্ভুক্ত ছিলাম।"
(সূরা আম্বিয়া: ৮৭)

আল্লাহ বলেন — "ফাস্তাজাবনা লাহু ওয়া নাজ্জাইনাহু মিনাল গাম্ম" — আমি তাঁর ডাকে সাড়া দিলাম এবং দুশ্চিন্তা থেকে মুক্ত করলাম।

তারপর আল্লাহ একটা অসাধারণ কথা বললেন — "ওয়া কাযালিকা নুনজিল মুমিনীন" — আমি এভাবেই মুমিনদের উদ্ধার করি।

মানে এই দোয়া শুধু ইউনুস (আ.)-এর জন্য না — প্রতিটা মুমিনের জন্য।

নবীজি ﷺ বলেছেন — "যুন-নুনের দোয়া — যেকোনো মুসলিম যেকোনো বিষয়ে এই দোয়া করলে আল্লাহ তার ডাকে সাড়া দেন।" (জামে তিরমিযী: ৩৫০৫)

কখন পড়বেন? যখন চারদিক থেকে অন্ধকার। চাকরি নেই, টাকা নেই, সাহায্যকারী নেই। যখন মনে হয় কোনো পথ নেই।

দোয়া ৩: যাকারিয়া (আ.) — যখন কিছু চান কিন্তু পাচ্ছেন না, বছরের পর বছর

যাকারিয়া (আ.) সন্তান চাইছিলেন। কিন্তু স্ত্রী বন্ধ্যা। নিজে বৃদ্ধ। চুল সাদা। হাড় দুর্বল। সব হিসাব বলছে — অসম্ভব।

কিন্তু তিনি আল্লাহর কাছে বললেন —

رَبِّ لَا تَذَرْنِي فَرْدًا وَأَنتَ خَيْرُ الْوَارِثِينَ
উচ্চারণ: রাব্বি লা তাযারনি ফারদান ওয়া আনতা খাইরুল ওয়ারিসীন

"হে আমার রব, আমাকে একা রাখবেন না। আর আপনি তো সর্বোত্তম উত্তরাধিকারী।"
(সূরা আম্বিয়া: ৮৯)

আল্লাহ বলেন — "ফাস্তাজাবনা লাহু ওয়া ওয়াহাবনা লাহু ইয়াহইয়া" — আমি তাঁর ডাকে সাড়া দিলাম এবং তাঁকে ইয়াহইয়া দান করলাম।

বৃদ্ধ বয়সে। বন্ধ্যা স্ত্রীর গর্ভে। যা চিকিৎসাবিজ্ঞানে অসম্ভব — আল্লাহর কাছে সম্ভব।

কখন পড়বেন? যখন সন্তান হচ্ছে না। যখন কোনো কিছু চাইছেন কিন্তু বছরের পর বছর পাচ্ছেন না। যখন সব হিসাব বলছে "অসম্ভব" — কিন্তু আপনি আল্লাহর কাছে সম্ভব বিশ্বাস করেন।

দোয়া ৪: ইবরাহীম (আ.) — যখন মানুষ আপনার বিরুদ্ধে, সত্যের পথে একা

ইবরাহীম (আ.) একা। পুরো জাতি তাঁর বিরুদ্ধে। তাঁকে আগুনে ফেলা হলো। বিশাল আগুন। এত বড় যে কাছে যাওয়া যায় না — তাই পাথর নিক্ষেপক দিয়ে ছুড়ে ফেলা হলো।

সেই মুহূর্তে জিবরীল (আ.) এসে বললেন — "কোনো সাহায্য দরকার?"

ইবরাহীম (আ.) বললেন — "আপনার কাছে না। আল্লাহর কাছে।"

আর আল্লাহ বললেন —

قُلْنَا يَا نَارُ كُونِي بَرْدًا وَسَلَامًا عَلَىٰ إِبْرَاهِيمَ
উচ্চারণ: কুলনা ইয়া নারু কুনি বারদান ওয়া সালামান আলা ইবরাহীম

"আমি বললাম — হে আগুন, ইবরাহীমের জন্য শীতল ও শান্তিময় হয়ে যাও।"
(সূরা আম্বিয়া: ৬৯)

আগুন তাঁকে পোড়ায়নি। আল্লাহ আগুনকেই বদলে দিয়েছেন।

আর এই সূরায় আল্লাহ ইবরাহীম (আ.) সম্পর্কে বলেছেন — "ওয়া নাজ্জাইনাহু" — আমি তাঁকে উদ্ধার করেছি।

কখন পড়বেন? যখন সত্যের পথে একা। মানুষ বিরুদ্ধে। পরিবার বিরুদ্ধে। সমাজ বিরুদ্ধে। যখন দ্বীন মানতে গিয়ে "আগুনে" পড়েছেন — চাকরির আগুন, সামাজিক চাপের আগুন, পরিবারের বিরোধিতার আগুন। আল্লাহ সেই আগুনকেও শীতল করতে পারেন।

দোয়া ৫: লুত (আ.) — যখন জুলুমের বিরুদ্ধে সাহায্য দরকার

লুত (আ.)-এর জাতি ছিল ইতিহাসের সবচেয়ে নোংরা জাতিগুলোর একটা। তাদের পাপ এত ছড়িয়ে গেছিল যে লুত (আ.) একা কিছুই করতে পারছিলেন না।

তিনি আল্লাহর কাছে বললেন —

رَبِّ انصُرْنِي عَلَى الْقَوْمِ الْمُفْسِدِينَ
উচ্চারণ: রাব্বিনসুরনি আলাল কাওমিল মুফসিদীন

"হে আমার রব, ফাসাদকারী সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে আমাকে সাহায্য করুন।"
(সূরা আম্বিয়া: ৭৭, সূরা আনকাবুত: ৩০)

আল্লাহ সাড়া দিলেন। লুত (আ.) ও তাঁর পরিবারকে বাঁচালেন। আর ফাসাদকারীদের ধ্বংস করলেন।

কখন পড়বেন? যখন জালিমের জুলুম সহ্য হচ্ছে না। যখন চারপাশে অন্যায় দেখছেন কিন্তু কিছু করতে পারছেন না। যখন সমাজের পচন আপনাকে কষ্ট দিচ্ছে।

৫টা দোয়া — এক নজরে

আইয়ুব (আ.) — রোগে পড়লে পড়ুন:
"আন্নি মাস্সানিয়াদ দুররু ওয়া আনতা আরহামুর রাহিমীন"

ইউনুস (আ.) — অন্ধকারে পড়লে পড়ুন:
"লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নি কুনতু মিনায যালিমীন"

যাকারিয়া (আ.) — কিছু চেয়ে পাচ্ছেন না পড়ুন:
"রাব্বি লা তাযারনি ফারদান ওয়া আনতা খাইরুল ওয়ারিসীন"

ইবরাহীম (আ.) — সত্যের পথে একা পড়লে বলুন:
"হাসবুনাল্লাহু ওয়া নিমাল ওয়াকীল"

লুত (আ.) — জুলুমের বিরুদ্ধে পড়ুন:
"রাব্বিনসুরনি আলাল কাওমিল মুফসিদিন"

আর প্রতিটার পর আল্লাহর উত্তর একই — "ফাস্তাজাবনা" — আমি সাড়া দিয়েছি।

একটা কথা মনে রাখুন — এই ৫টা দোয়া শুধু ৫ জন নবীর জন্য ছিল না। আল্লাহ এগুলো কুরআনে রেখেছেন আমাদের জন্য। ইউনুস (আ.)-এর দোয়ার পর আল্লাহ নিজেই বলেছেন — "ওয়া কাযালিকা নুনজিল মুমিনীন" — এভাবেই আমি মুমিনদের উদ্ধার করি। মানে এই দোয়াগুলো আমার, আপনার — সবার জন্য।

কিন্তু শুধু সূরা আম্বিয়া না — কুরআনের পাতায় পাতায় এরকম শত শত দোয়া ছড়িয়ে আছে। রিজিকের দোয়া, শিফার দোয়া, সন্তানের দোয়া, ক্ষমার দোয়া, জান্নাতের দোয়া — প্রতিটা সমস্যার জন্য আল্লাহ নিজেই শিখিয়ে দিয়েছেন কী বলতে হবে।

কোন নবী কোন মুহূর্তে কী দোয়া করেছিলেন, কীভাবে আমল করবেন — এসব আরও বিস্তারিতভাবে, গুছিয়ে, হাতে রাখার মতোভাবে জানতে চাইলে “কুরআনের বরকতময় দোয়া” বইটি আপনার উপকারে আসতে পারে। সেখানে ১২৭টিরও বেশি কুরআনি দোয়া আরবি, বাংলা উচ্চারণ ও অর্থসহ সাজানো আছে।

—সংগ্রহ করতে WhatsApp করুন 01984-563362 নম্বরে, লিখুন "দোয়ার বই চাই"

আর যারা শুধু একটি বিষয় না, বরং সূরা, দোয়া, রিজিক, সন্তান, শিফা ও আমল—সবকিছু একসাথে গুছিয়ে রাখতে চান, তাদের জন্য আমরা সাজিয়েছি “গ্রান্ড মেগা কম্বো” — ৬টি বই একসাথে, পুরো পরিবারের আমল–লাইফের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ প্যাকেজ।

✔️ কুরআনের সূরার আমল ও ফজিলত
✔️ রিজিকে বরকতের আমল ও ওয়াজিফা
✔️ কুরআনের বরকতময় দোয়া
✔️ সন্তান যেন নেক ও সালেহ হয়
✔️ আল্লাহর ৯৯ নামের আমল ও ওয়াজিফা
✔️ আয়াতে শিফা: রোগ ও চিকিৎসার আমল

সংগ্রহ করতে—
📩 Inbox বা WhatsApp: 01984563362
📝 মেসেজ দিন: “গ্রান্ড মেগা কম্বো চাই”

অথবা বইগুলোর রিভিউ ও বিস্তারিত পড়ে অর্ডার করতে চাইলে
🔗 কমেন্টে দেওয়া লিংকে ক্লিক করুন।

মনে রাখবেন!

৫ জন নবী। ৫টা ভিন্ন সংকট। কিন্তু একটা কমন জিনিস — তাঁরা সবাই আল্লাহর কাছে ফিরেছেন। মানুষের কাছে না। ক্ষমতার কাছে না। টাকার কাছে না। শুধু আল্লাহর কাছে।

আর আল্লাহ প্রতিবার সাড়া দিয়েছেন। একবারও "না" বলেননি।

আপনার জীবনে এখন কোন সংকট চলছে?

রোগ? আইয়ুব (আ.)-এর দোয়া পড়ুন।
অন্ধকার? ইউনুস (আ.)-এর দোয়া পড়ুন।
কিছু পাচ্ছেন না? যাকারিয়া (আ.)-এর দোয়া পড়ুন।
একা আছেন? ইবরাহীম (আ.)-এর ভরসা রাখুন।
জুলুম সহ্য হচ্ছে না? লুত (আ.)-এর দোয়া পড়ুন।

আল্লাহ "ফাস্তাজাবনা" বলেছেন — আমি সাড়া দিয়েছি। তিনি আপনার ডাকেও সাড়া দেবেন। শুধু ডাকুন।

আল্লাহ তাআলা আমাদের প্রতিটা সংকটে নবীদের দোয়া পড়ার তাওফিক দিন। আমাদের ডাকে সাড়া দিন। বিপদ দূর করুন। আর "ফাস্তাজাবনা"-র বরকত আমাদের জীবনে নাযিল করুন। আমিন।

আপনার জীবনে এখন কোন সংকট চলছে? ৫টার মধ্যে কোন দোয়াটা আপনার সবচেয়ে বেশি দরকার?
কমেন্টে লিখুন — দোয়ার নম্বরটা।

রেফারেন্স:
— সূরা আম্বিয়া: ৬৯, ৭৭, ৮৩-৮৪, ৮৭-৮৮, ৮৯-৯০
— সূরা আনকাবুত: ৩০
— জামে তিরমিযী: ৩৫০৫
— তাফসীরে ইবনে কাসীর

20/03/2026
আসসালামু আলাইকুম। শুধুমাত্র সাংবাদিকদের জন্য প্রযোজ্য।
17/03/2026

আসসালামু আলাইকুম।
শুধুমাত্র সাংবাদিকদের জন্য প্রযোজ্য।

24/02/2026

হযরত ইউনুস (আ.) যখন তাঁর জাতির ঈমান আনার ব্যাপারে নিরাশ হয়ে গেলেন, তখন তিনি আল্লাহর কাছে দুআ করলেন— "হে রব! আমার জাতি কুফরি ছাড়া আর কিছুই গ্রহণ করছে না। আপনি তাদের ওপর আপনার শাস্তি অবতীর্ণ করুন।" আল্লাহ তাআলা তাঁর দুআ কবুল করলেন এবং ওহী পাঠালেন যে, শীঘ্রই তাদের ওপর আযাব আসবে।

ইউনুস (আ.) তাঁর জাতিকে তিন দিন পর আযাব আসার কথা জানিয়ে দিলেন এবং তিনি নিজে তাঁর ছোট দুই সন্তান ও পরিবার নিয়ে শহর ছেড়ে এক পাহাড়ে আশ্রয় নিলেন। তিনি সেখান থেকে অপেক্ষা করছিলেন কখন নিনেভা শহরের ওপর আযাব নেমে আসে।

আল্লাহর নির্দেশে হযরত জিবরাঈল (আ.) জাহান্নামের আগুন থেকে একটি বার্লি (যব) দানার সমপরিমাণ উত্তাপ নিয়ে এলেন এবং তা নিনেভা শহরের (বর্তমানে ইরাকের আধুনিক শহর মাশুল) ওপর ছড়িয়ে দিলেন। হঠাৎ আকাশ নিকষ কালো অন্ধকারের মতো হয়ে গেল এবং আযাব মেঘের মতো তাদের মাথার ওপর ঘুরপাক খেতে লাগল। প্রচণ্ড তাপদাহে মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়ল।

নিনেভাবাসী যখন বুঝতে পারল যে ইউনুস (আ.) সত্য বলেছেন এবং আযাব চলে এসেছে, তখন তারা তাঁকে খুঁজতে শুরু করল। কিন্তু ইউনুস (আ.)-কে কোথাও পাওয়া গেল না। তখন তারা সিদ্ধান্ত নিল যে, তারা সবাই মিলে আল্লাহর কাছে তওবা করবে। তারা শহরের বাইরে ‘তালআল-রামাদ’ (ছাইয়ের পাহাড়) নামক একটি স্থানে সমবেত হলো।

হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বর্ণনা করেন, তাদের তওবা ছিল অত্যন্ত মর্মস্পর্শী। তারা পুরুষ, নারী, শিশু এমনকি তাদের পশুপাখিগুলোকেও সাথে নিয়ে এল।

তারা দুগ্ধপোষ্য শিশুদের মায়েদের থেকে আলাদা করে দিল এবং পশুদের বাছুরগুলোকেও তাদের মায়েদের থেকে আলাদা করে দিল। এতে চারদিকে শিশু ও পশুদের কান্নার এক হৃদয়বিদারক রোল পড়ে গেল।

তারা সবাই নিজেদের মাথায় ছাই মেখে নিল, পায়ের নিচে কাঁটা বিছিয়ে দিল এবং খসখসে পশমের পোশাক পরে কান্নায় ভেঙে পড়ল।

মানুষ ও প্রাণীদের এই করুণ আর্তনাদ দেখে ফেরেশতারাও আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করলেন— "হে রব! আপনার রহমত তো সবকিছুর ঊর্ধ্বে। এই অবুঝ শিশু আর পশুদের ওপর দয়া করুন।" আল্লাহ তাআলা তাদের তওবা কবুল করলেন এবং জিবরাঈল (আ.)-কে নির্দেশ দিলেন আযাব তুলে নিতে।

পবিত্র কুরআনে আল্লাহ বলেন:

"ইউনুসের জাতি ছাড়া এমন কোনো জনপদ নেই যারা আযাব দেখার পর ঈমান এনেছে এবং তাদের ঈমান তাদের উপকারে এসেছে। তারা যখন ঈমান আনল, আমি তাদের ওপর থেকে দুনিয়ার লাঞ্ছনাদায়ক আযাব তুলে নিলাম।" (সূরা ইউনুস: ৯৮)

হযরত ইউনুস (আ.)-এর জাতির তওবা ছিল ইতিহাসের এক অনন্য উদাহরণ। তারা আযাব আসার শেষ মুহূর্তে নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে এমনভাবে কাকুতি-মিনতি করেছিল যে, আল্লাহ তাঁর কঠিন আযাবও ফিরিয়ে নিয়েছিলেন। এটি আমাদের শেখায় , তওবা যদি একনিষ্ঠ হয়, তবে আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হওয়ার কিছু নেই।

সূত্র: আত তাউওয়াবীন (ইবনে কুদামা আল-মাকদিসী রহ.)
© Salman Farsi

Address

Poltan
Dhaka

Telephone

+8801715000792

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ahead Foundation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Ahead Foundation:

Share