Al Sazidul Islam Dulal

Al Sazidul Islam Dulal Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Al Sazidul Islam Dulal, Community Organization, Dhaka.

বিভিন্ন মিডিয়াতে।
19/04/2025

বিভিন্ন মিডিয়াতে।

19/04/2025

এক কবরস্থানের দেয়ালে লেখা ছিল গন্তব্য তোমার এটাই ছিল, পৌঁছাতে সারাজীবন লেগে গেল, কি পেলে দুনিয়াতে?

কেউ কি ডেড হর্স থিওরি সম্পর্কে শুনেছেন? এটি এমন একটি ব্যাঙ্গাত্মক রূপক যা ব্যাখ্যা করে কীভাবে কিছু মানুষ, প্রতিষ্ঠান বা ...
16/04/2025

কেউ কি ডেড হর্স থিওরি সম্পর্কে শুনেছেন? এটি এমন একটি ব্যাঙ্গাত্মক রূপক যা ব্যাখ্যা করে কীভাবে কিছু মানুষ, প্রতিষ্ঠান বা জাতি এক একটি উদ্ভট সমস্যা নিয়ে কাজ করে, যদিও তারা জানে যে এর কোনো সমাধান নেই। কিন্তু সত্য মেনে নেওয়ার পরিবর্তে তারা তা অস্বীকার করে এবং এর ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করে যেতে থাকে।

যদি আপনি জানতে পারেন যে, আপনি একটি মরা ঘোড়ার পিঠে চড়ে আছেন, তাহলে আপনার কাজ হলো ঘোড়াটির পিঠ থেকে নেমে যাওয়া।

কিন্তু তা না করে তারা আসলে যেটা করে সেটা হলো :

১. তারা নতুন স্যাডল (ঘোড়ার পিঠে বসার সিট) কিনে আনে।
২. তারা ঘোড়ার জন্য খাবার নিয়ে আসে।
৩. তারা রাইডার পরিবর্তন করে।
৪. তারা ঘোড়ার যত্ন নেওয়া কর্মীকে বদল করে এবং তার পরিবর্তে নতুন কর্মী নিয়োগ করে।
৫. তারা ঘোড়ার গতি বাড়ানোর জন্য নানা রকমের সভার আয়োজন করে এবং বিদেশ থেকে প্রশিক্ষণ নেয়ার ব্যবস্থা করে।
৬. তারা মরা ঘোড়াটি নিয়ে গবেষণা করার জন্য কমিটি গঠন করে। এই কমিটি মাসব্যাপী কাজ করে এবং তারপর মরা ঘোড়ার সমস্যা সমাধানের জন্য প্রতিবেদন তৈরি করে।
৭. অর্থ লোপাট করার উদ্দেশ্যে তারা নতুন বাজেট নিয়ে আসে।
৮. শেষমেশ তারা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছায় যে, শুরু থেকেই তাদের জানা ছিল "ঘোড়াটি আসলে মরা"।
৯. তবে সমস্ত প্রচেষ্টা, সম্পদ আর সময় নষ্ট হয়ে যাওয়ার পর তারা মরা ঘোড়াটিকে এবার অন্য আরেকটি মরা ঘোড়ার সঙ্গে তুলনা করে। কেউ বলে এই ঘোড়াটি ভালো ছিল, কেউ বলে ওই ঘোড়াটি ভালো ছিল।
১০. কোনটি ভালো ছিলো আর কোনটা খারাপ ছিল এই নিয়ে টকশোতে দুই দল বাকবিতণ্ডা করে আর সাধারণ মানুষ তা নিয়ে মাতামাতি করে।
১১. অবশেষে তারা "মরা" শব্দটিকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করে, যাতে সবাইকেৎবোঝাতে পারে যে, ঘোড়াটি এখনও জীবিত।

এই তত্ত্ব থেকে প্রাপ্ত শিক্ষা হলো, কিছু মানুষ বাস্তবতা জেনেও তা অস্বীকার করে এবং নিজস্ব স্বার্থ সিদ্ধির জন্য লোকজনকে বিভ্রান্ত করে তাদের অর্থ ও শক্তি নষ্ট করে।

একজন ভদ্রমহিলা একটি বৃহৎ মাংস সরবরাহ কারখানায় চাকরি করতেন। একদিন তিনি তার কাজ শেষে  মাংস সংরক্ষণ হিমাগারে কোন  একটি  বিষ...
16/04/2025

একজন ভদ্রমহিলা একটি বৃহৎ মাংস সরবরাহ কারখানায় চাকরি করতেন। একদিন তিনি তার কাজ শেষে মাংস সংরক্ষণ হিমাগারে কোন একটি বিষয় পরীক্ষা করার জন্য ঢুকলেন। দুর্ভাগ্যবশত কোন কারনে আকস্মিক ভাবে হিমাগারের দরজা বন্ধ হয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তালাবদ্ধ হয়ে ভদ্রমহিলা ভিতরে আটকে পড়লেন।

মহিলা সেখান থেকে বের হওয়ার কোন উপায় খুঁজে না পেয়ে ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে দরজায় ধাক্কা ধাক্কি করে সাহায্যের জন্য চিৎকার শুরু করলেন কিন্তু তার চিৎকারের শব্দ হিমাগারের বাইরে কারো কানে পৌঁছালো না।

এদিকে সন্ধ্যা হয়ে আসার পর একে একে অফিসের সবাই বেরিয়ে গেল। মহিলা একাকী অন্ধকার হিমাগারে আটকা পড়ে থাকলেন।

ঘন্টা পাঁচেক পার হয়ে গেল এবং মহিলা যখন ঠান্ডায় মৃতপ্রায় অবস্থায় উপনীত ঠিক তখনই ফ্যাক্টরির নিরাপত্তা প্রহরী হিমাগারের দরজা খুললেন। বলা যায় সে রাতে ভদ্রমহিলা প্রায় অলৌকিক ভাবে বেচে গিয়েছিলেন।

কিছুক্ষণ বাইরে উষ্ণ পরিবেশে অপেক্ষার পর তিনি যখন স্বাভাবিক অবস্থায় আসলেন তখন তিনি নিরাপত্তা প্রহরীকে জিজ্ঞেস করলেন ওই সময়ে তিনি হিমাগারের দরজা খুলতে গেলেন কেন। সেটি তো তার নিয়মিত কাজের রুটিন ছিলনা।
তখন নিরাপত্তা প্রহরী বললো :

" আমি এই কারখানায় বিগত ৩৫ বছর যাবত কারখানার প্রবেশ দ্বারে নিরাপত্তা প্রহরী হিসেবে কর্মরত আছি। প্রতিদিন শত শত লোক এই কারখানায় কাজে আসে কাজ শেষে সন্ধ্যায় বেরিয়ে যায়। এত বছরে এত লোকের মধ্যে একমাত্র আপনি প্রতিদিন সকালে কারখানায় প্রবেশ কালে আমাকে হাত তুলে ' হ্যালো' বলেন এবং সন্ধ্যার পর কাজ শেষ হাসি মুখে আমাকে ' গুড-বাই , আবার কাল দেখা হবে " বলে বেরিয়ে যান । অন্য সবাইকে দেখে মনে হয় আমি বোধ হয় কোন অদৃশ্য বস্তু। কেউ আমাকে কোন দিন দেখতেই পায়না।

আজও রোজকার মতো সকালে আপনি আমাকে ' হ্যালো ' বলে প্রবেশ করলেন । সন্ধ্যার পর একে একে সবাই কাজ শেষে বেরিয়ে গেল । ভাবলাম গেট বন্ধ করে তালা লাগিয়ে বিশ্রাম নেব । হঠাৎ মনে হলো কি ব্যাপার যে ভদ্রমহিলা আমাকে ' বাই , আবার কাল দেখা হবে ' বলে বেরিয়ে যায় তাকে তো বের হতে দেখলামনা।

প্রথমে ভাবলাম হয়তো কোন কাজে আপনার বিলম্ব হচ্ছে তাই গেট বন্ধ না করে প্রায় ঘন্টা খানেক অপেক্ষা করলাম। তারপরেও যখন আপনাকে বের হতে দেখলাম না তখন কৌতূহলবশত সারা কারখানার আনাচে কানাচে প্রতিটি জায়গায় খুঁজে কোথাও না পেয়ে কেমন একট ভয় মিশ্রিত সন্দেহ হলো।

তখনই আমি হিমাগারের দরজা খুলে আপনাকে মেঝের উপর পড়ে থাকতে দেখলাম।

সত্যি বলতে কি আমি প্রতিদিন মনে মনে সকালে ' হ্যালো ' সন্ধ্যায় ' বাই ' এই শব্দ দুটো শোনার অপেক্ষায় থাকি। কেননা ওই শব্দ দুটিই আমাকে মনে করিয়ে দেয় যে 'আমিও একজন মানুষ।"

অস্থির এক সময় আমরা পার করছি,,,কেউ জানে না আগামীকাল তার জন্য কি অপেক্ষা করছে,,, প্রতিদিন যাদের সাথে তোমার দেখা হয়, তাদের জীবনে ইতিবাচক প্রভাব রাখার চেষ্টা করো।🙂

সব কিছু জেনে ফেলাই জ্ঞান নয়, জ্ঞান হলো কী কী বিষয়ে এড়িয়ে যেতে হবে বা বর্জন করতে হবে তা জানা।
16/04/2025

সব কিছু জেনে ফেলাই জ্ঞান নয়, জ্ঞান হলো কী কী বিষয়ে এড়িয়ে যেতে হবে বা বর্জন করতে হবে তা জানা।

 #একটি_শিক্ষণীয়_পোস্ট ✅✅একটি শিক্ষণীয় গল্প✅✅*️⃣একটি সময়ের কথা, এক গ্রামে এক গরীব দিনমজুর বাস করত। তার জীবিকা ছিল প্রতি...
16/04/2025

#একটি_শিক্ষণীয়_পোস্ট
✅✅একটি শিক্ষণীয় গল্প✅✅

*️⃣একটি সময়ের কথা, এক গ্রামে এক গরীব দিনমজুর বাস করত। তার জীবিকা ছিল প্রতিদিন খেটে খাওয়া। প্রতিদিন সকালে সে মাটি খুঁড়ে গাধার পিঠে তুলে বিক্রি করত এবং তাতেই তার সংসার চলত।

একদিন সে যখন মাটি খুঁড়ছিল, হঠাৎ করেই তার কোদালের আঘাতে এক চকচকে পাথর বেরিয়ে এল। পাথরটি দেখতে ছিল অসাধারণ সুন্দর ও দীপ্তিময়। কিন্তু দিনমজুর জানত না এটি কী। সে ভেবেছিল এটা বুঝি একটা সুন্দর পাথরখণ্ড, তাই সে সেটিকে একটা দড়িতে বেঁধে তার গাধার গলায় ঝুলিয়ে দিল এবং প্রতিদিনের মতো রওনা দিল বাজারে।

সেই গ্রামেই একটি ছোট মুদির দোকান ছিল, যার মালিক ছিল এক ব্যবসায়ী। সে যখন গাধার গলায় ঝুলে থাকা উজ্জ্বল পাথরটি দেখল, অবাক হয়ে গেল। সে দিনমজুরকে জিজ্ঞেস করল,

“এই ঝকমকে পাথরটা কোথা থেকে পেলে?”

দিনমজুর সরলভাবে উত্তর দিল,
“আমি মাটি খুঁড়তে গিয়ে পেয়েছি, সুন্দর লাগছিল তাই গাধার গলায় ঝুলিয়ে দিয়েছি।”

ব্যবসায়ীর পাথরটি ভালো লেগে গেল। সে দিনমজুরের কাছ থেকে পঞ্চাশ টাকায় পাথরটি কিনে তার দোকানে ওজন মাপার পাল্লার পাশে সাজিয়ে রাখল। এরপর থেকে দোকানে আসা সব ক্রেতাই পাথরটি দেখে মুগ্ধ হতো।

কয়েকদিন পর এক গয়নাব্যবসায়ী দোকানে এল। চোখ পড়তেই সে বুঝতে পারল, এটি কোনো সাধারণ পাথর নয় – এটি একটি অমূল্য হীরা।

সে সাথে সাথে দোকানদারকে জিজ্ঞেস করল,
“এই হীরার মতো পাথরটা কোথা থেকে পেলেন?”

দোকানদার হেসে উত্তর দিল,
“এক দিনমজুরের কাছ থেকে পঞ্চাশ টাকায় কিনেছি। সাজানোর জন্য ভালো লাগছিল।”

গয়নাব্যবসায়ী বলল,
“আপনি কি এটা বিক্রি করবেন?”

দোকানদার বলল,
“হ্যাঁ, চাইলে এক হাজার টাকা দিলেই নিতে পারেন।”

কিন্তু গয়নাব্যবসায়ী কিপটেমি করে বলল,
“আমি আটশো টাকা দিতে পারি। তাতে রাজি থাকলে বলুন, নইলে যাচ্ছি।”

দোকানদার হেসে বলল,
“এক হাজার টাকার কমে নয়।”

গয়নাব্যবসায়ী ভাবল, কাল আবার এসে হয়তো নয়শো টাকায় কিনে নেবে। তাই সে চলে গেল।

সন্ধ্যার দিকে এক অন্য গয়নাব্যবসায়ীর গাড়ি গ্রামের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় খারাপ হয়ে পড়ল। সে সেই মুদির দোকানে এসে দাঁড়াল। তার চোখ যখন পাথরটির ওপর পড়ল, তখন সে এক মুহূর্তও সময় নষ্ট না করে সাথে সাথে এক হাজার টাকা বের করে পাথরটি কিনে ফেলল।

পরদিন সকালে আগের গয়নাব্যবসায়ী ফিরে এসে দেখল, পাথরটি আর নেই। সে দ্রুত জিজ্ঞেস করল,
“হীরাটা কোথায় গেল?”

দোকানদার হেসে বলল,
“গত সন্ধ্যায় আরেকজন এসেছিল, সে এক হাজার টাকা দিয়ে নিয়ে গেছে।”

এ কথা শুনে গয়নাব্যবসায়ীর মুখ রাগে লাল হয়ে গেল। সে চিৎকার করে বলল,
“তুমি জানো না তুমি কত বড় ভুল করেছ! ওটা একটা অমূল্য হীরা ছিল!”

দোকানদার শান্তভাবে উত্তর দিল,
“আমি সত্যিই জানতাম না এটি কী। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো, আপনি তো জানতেন! তবুও মাত্র দুইশো টাকা বাঁচাতে গিয়ে আপনি হীরাটিকে হাতছাড়া করলেন। তাহলে বলুন তো, আসল বোকা কে?”

💥💥এই গল্প থেকে আমরা তিনটি মূল্যবান শিক্ষা নিতে পারি:⤵️

১. অকারণে কিপটেমি নয়:
সব সময় টাকা বাঁচাতে গিয়ে যদি মূল্যের জিনিস হারিয়ে ফেলি, তাহলে সে বাঁচানো অর্থই পরে আফসোসের কারণ হয়।

২. সুযোগ চিনতে শিখুন:
অনেক সময় আমরা নিজেদের খুব জ্ঞানী ভাবি, আর সেই অহংকারের মধ্যে দিয়ে সোনার সুযোগ হাতছাড়া করে ফেলি।

৩. সময়মতো সিদ্ধান্ত নিন:
বহুবার শোনা কথা – “আগামীকালের কাজ আজ করো, আর আজকের কাজ এখনই করো।” কারণ সঠিক সময় কখনো অপেক্ষা করে না।

চমৎকার এক পরিবেশে অনুষ্ঠিত হলো ৬৪ জেলার জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত, যুব সংগঠক এবং উদ্যোক্তাদের যুব মত বিনিময়, চৈত্র সংক্রান...
14/04/2025

চমৎকার এক পরিবেশে অনুষ্ঠিত হলো ৬৪ জেলার জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত, যুব সংগঠক এবং উদ্যোক্তাদের যুব মত বিনিময়, চৈত্র সংক্রান্তি ও পহেলা বৈশাখ উদযাপন।

যুবসমাজ দেশের মূল্যবান সম্পদ। জাতীয় উন্নয়ন ও অগ্রগতি যুব সমাজের সক্রিয় অংশগ্রহণের উপর অনেকাংশেই নির্ভরশীল। যুবসমাজের মেধ...
12/04/2025

যুবসমাজ দেশের মূল্যবান সম্পদ।
জাতীয় উন্নয়ন ও অগ্রগতি যুব সমাজের সক্রিয় অংশগ্রহণের উপর অনেকাংশেই নির্ভরশীল। যুবসমাজের মেধা, সৃজনশীলতা, সাহস ও প্রতিভাকে কেন্দ্র করেই গড়ে উঠে একটি জাতির অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক পরিমন্ডল।

দেশের উন্নয়নের জন্য যুবদের সম্পৃক্ততা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশের জনসংখ্যার সম্ভাবনাময়, আত্মপ্রত্যয়ী, সৃজনশীল ও উৎপাদনক্ষম এ অংশকে জাতীয় উন্নয়নের মূল ধারায় অবদান রাখার জন্য তাদের মাঝে গঠনমূলক মানসিকতা ও দায়িত্ববোধ জাগ্রত করে। সুশৃংখল কর্মীবাহিনী হিসেবে দেশের আর্থ-সামাজিক কর্মকান্ডে নিয়োজিত করার অনুকূল ক্ষেত্র তৈরীর উদ্দেশ্যে প্রতিক্ষণ যুব ফাউন্ডেশন / Protekhon Youth Foundation বিশেষ ভূমিকা পালন করছে।

ভবিষ্যতের আশার আলো সামনে রেখে সকলের সু-স্বাস্থ্য ও মঙ্গল কামনা করছি।

আল সাজিদুল ইসলাম (দুলাল)
প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি
প্রতিক্ষণ যুব ফাউন্ডেশন

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Al Sazidul Islam Dulal posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share