Entrepreneur School

Call Directions Website

Entrepreneur School উদ্যোক্তা স্কুল - Entrepreneur School

তরুণদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে নতুন অর্থায়ন কর্মসূচি চালু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ‘উদ্যোগ: উপজেলাভিত্তিক তরুণ উদ্যোক্...
17/09/2026

তরুণদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে নতুন অর্থায়ন কর্মসূচি চালু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ‘উদ্যোগ: উপজেলাভিত্তিক তরুণ উদ্যোক্তা অনুসন্ধান, চিহ্নিতকরণ ও অর্থায়ন কর্মসূচি’র আওতায় নির্বাচিত উদ্যোক্তারা সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত বিনা জামানতে অর্থায়ন পাবেন।

অর্থায়নের ৫০ শতাংশ থাকবে ব্যাংকঋণ এবং বাকি ৫০ শতাংশ অনুদান হিসেবে।

আবেদনের ক্ষেত্রে বয়স হতে হবে সর্বোচ্চ ২৮ বছর। সংশ্লিষ্ট উপজেলার স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে এবং ঋণখেলাপি হলে আবেদন করা যাবে না।

কৃষি, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, কারিগরি স্টার্টআপ, হালকা প্রকৌশল, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, হস্তশিল্পসহ বিভিন্ন বৈধ ব্যবসায়িক উদ্যোগ এই কর্মসূচির আওতায় আসবে।

তরুণদের নতুন ব্যবসা শুরু এবং স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থান তৈরিতে এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ তৈরি করতে পারে।

14/09/2026

৭৫ লাখ রুপির চাকরি ছেড়ে স্টার্টআপ, ৩০ দিনের মধ্যেই সব গ্রাহক হারালেন। 😒...
পুনের প্রযুক্তি উদ্যোক্তা খ্যাতি ঠাকুর বছরে ৭৫ লাখ রুপির চাকরি ছেড়ে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে নিজের AI স্টার্টআপ Fridayy শুরু করেন। লক্ষ্য ছিল ছোট ব্যবসাগুলোকে AI ব্যবহার করে অনলাইনে ব্যবসা পরিচালনায় সাহায্য করা।

তাঁদের প্রথম পণ্য ছিল এমন একটি AI ভিত্তিক সমাধান, যা ছোট ব্যবসার জন্য পণ্যের ক্যাটালগ, ছবি এবং মার্কেটিং কনটেন্ট তৈরির মতো কাজ সহজ করত। কিন্তু স্টার্টআপটি বাজারে আসার মাত্র ৩০ দিনের মধ্যেই বড় ধাক্কা খায়।

ChatGPT এবং Google এর AI প্রযুক্তি দ্রুত উন্নত হতে থাকে। পণ্যের ছবি তৈরি, ছবি সম্পাদনা, পণ্যের বর্ণনা লেখা, বিজ্ঞাপনের কনটেন্ট তৈরি, ছবি বিশ্লেষণ, গবেষণা এবং তথ্য বিশ্লেষণের মতো অনেক কাজ সরাসরি AI দিয়েই করা সম্ভব হয়ে যায়।

ফলে Fridayy যে সমস্যার সমাধান করছিল, বড় AI প্ল্যাটফর্মগুলো নিজেরাই সেই কাজ করতে শুরু করে। মাত্র ৩০ দিনের মধ্যে Fridayy তাদের সব গ্রাহক হারায়।

তবে খ্যাতি ও তাঁর দল হাল ছাড়েননি। নতুন ব্যবসায়িক দিক খুঁজে পেতে তাঁদের ৭ মাস সময় লাগে। এরপর নতুন পণ্য তৈরি করতে আরও ৯ মাস সময় ব্যয় করেন। অর্থাৎ প্রথম ধাক্কার পর প্রায় ১৬ মাস ধরে তাঁরা নিজেদের ব্যবসাকে নতুনভাবে গড়ে তোলার চেষ্টা করেছেন।

বর্তমানে Fridayy ছোট ব্যবসাগুলোকে AI ব্যবহার করে অনলাইন স্টোর তৈরি, পণ্যের ক্যাটালগ ও ছবি তৈরি, মার্কেটিং কনটেন্ট এবং Instagram Reels তৈরিসহ বিভিন্ন কাজে সাহায্য করছে। প্রতিষ্ঠানটি নিজেকে ভারতের একটি Personal E Commerce Assistant হিসেবে তুলে ধরছে।

তবে সংগ্রাম এখনও শেষ হয়নি। ১৬ মাসের এই যাত্রার পর তাদের অর্থের জোগান বা রানওয়ে প্রায় শেষের দিকে। অন্যদিকে B2B গ্রাহক পেতে এবং বিক্রয় সম্পন্ন করতে প্রায় ৩ থেকে ৪ মাস সময় লাগতে পারে।

এই গল্পটি শুধু একজন উদ্যোক্তার ব্যর্থতার গল্প নয়। এটি AI যুগের একটি গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবতা দেখায়।

আজ যে AI প্রযুক্তি দিয়ে আপনি একটি ব্যবসা তৈরি করছেন, আগামীকাল আরও শক্তিশালী AI সেই ব্যবসার প্রয়োজনীয়তাই শেষ করে দিতে পারে।

Fridayy এর ক্ষেত্রে ঠিক সেটিই ঘটেছে। কিন্তু তারা থেমে না গিয়ে নিজেদের নতুন করে তৈরি করার চেষ্টা করছে। আর খ্যাতির কাছে এই যাত্রার সবচেয়ে বড় অর্জন হলো শিক্ষা। তাঁর মতে, চাকরি ছেড়ে উদ্যোক্তা হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে তাঁর কোনো আফসোস নেই। কারণ এই অভিজ্ঞতা তাঁকে এমন অনেক কিছু শিখিয়েছে, যা কোনো চাকরি হয়তো তাঁকে শেখাতে পারত না।

জুতা  যেটা নিয়ে প্রথমে সবাই হাসাহাসি করতো, এখন সেটাই বিলিয়ন ডলারের ব্যবসা।গল্পটা শুরু ২০০২ সালে। তিনজন উদ্যোক্তা একটা ব...
25/08/2026

জুতা যেটা নিয়ে প্রথমে সবাই হাসাহাসি করতো, এখন সেটাই বিলিয়ন ডলারের ব্যবসা।

গল্পটা শুরু ২০০২ সালে। তিনজন উদ্যোক্তা একটা বিশেষ ধরনের ফোম দিয়ে জুতা বানালেন হালকা, পানি-প্রতিরোধী, আর অস্বাভাবিক রকমের আরামদায়ক। উদ্দেশ্য ছিল বোটিং আর আউটডোর অ্যাক্টিভিটির জন্য। কিন্তু আসল চমক এলো যখন হাসপাতালের নার্স আর ডাক্তাররা এটা পরা শুরু করলেন কারণ যারা সারাদিন দাঁড়িয়ে কাজ করে, তাদের জন্য এই জুতা ছিল আশীর্বাদের মতো।

দেখতে? সেটা নিয়ে কারো কোনো সন্দেহ ছিল না বেশিরভাগ মানুষ এটাকে কুৎসিত বলতোই। ফ্যাশন ম্যাগাজিনগুলো নিয়মিত Crocs-কে বাজে ডিজাইনের তালিকায় রাখতো। কিন্তু কোম্পানিটা সৌন্দর্য নিয়ে মাথা ঘামায়নি, তারা ফোকাস করেছিল কার্যকারিতায়।

তারপর একটা পরিবর্তন আসে ২০০০-এর দশকের শেষদিকে আর ২০১০-এর শুরুতে। কোম্পানি Jibbitz নামে ছোট ছোট চার্ম বাজারে আনে, যেগুলো জুতার ফুটোয় লাগানো যায়। হঠাৎ করে জুতাটা শুধু আরামদায়ক থাকলো না, ব্যক্তিগত করার একটা মাধ্যম হয়ে উঠলো। মানুষ নিজের পছন্দমতো ডিজাইন করতে পারতো।

সবচেয়ে বড় টার্নিং পয়েন্ট আসে যখন বড় বড় ফ্যাশন হাউজ আর সেলিব্রিটিরা এর সাথে যুক্ত হতে শুরু করে। Balenciaga ২০১৭ সালে একটা প্ল্যাটফর্ম ভার্সন বের করে যেটা কয়েকশ ডলারে বিক্রি হয়। এরপর একে একে অনেক ডিজাইনার আর সেলিব্রিটি Post Malone, Justin Bieber, Bad Bunny নিজস্ব কোলাবরেশন লাইন আনতে শুরু করেন।

মহামারীর সময়টাও একটা বড় ভূমিকা রাখে। মানুষ যখন ঘরে ছিল, আরাম হয়ে ওঠে সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার। ফ্যাশন-ফরওয়ার্ড জুতার চেয়ে মানুষ এমন কিছু চাইছিলো যেটা পরে সারাদিন কাজ করা যায়। Crocs সেই জায়গাটা পূরণ করে।

এখন সংখ্যার দিকে তাকালে বোঝা যায় এটা কতটা বড় হয়ে গেছে বছরে কোটি কোটি জোড়া বিক্রি হয়, বিশ্বজুড়ে শতাধিক দেশে পাওয়া যায়। যে জিনিসটা একসময় ফ্যাশন ডিজাস্টার বলা হতো, সেটাই এখন পপ কালচারের একটা অংশ।

আসলে এই গল্পটা থেকে একটা জিনিস শেখা যায় পণ্যের সাফল্য সবসময় প্রচলিত সৌন্দর্যের মানদণ্ডের উপর নির্ভর করে না। কার্যকারিতা, সময়োপযোগী মার্কেটিং সিদ্ধান্ত, আর সাংস্কৃতিক মুহূর্তের সমন্বয় এই তিনটা মিলেই একটা কুৎসিত জুতাকে বিশ্ব-বিখ্যাত ব্র্যান্ডে পরিণত করেছে।মজার কথা বলি আমিও এই জুতাটা কুৎসিত বলে ইগনোর করেছি গতকাল আমি এই জুতা কিনলাম!

প্রিয় উদ্যোক্তাগণ সবাই নিবন্ধনটি করে ফেলেন। বিস্তারিত কমেন্টে
19/08/2026

প্রিয় উদ্যোক্তাগণ সবাই নিবন্ধনটি করে ফেলেন। বিস্তারিত কমেন্টে

টিকটকে ১৩ লাখ ফলোয়ার; যার একটি স্পর্শে নিমেষেই ভেসে আসত কোটি কোটি ভিউ। দেশের প্রায় সবার কাছে পরিচিত হওয়া স্বত্তেও শেষ মু...
19/08/2026

টিকটকে ১৩ লাখ ফলোয়ার; যার একটি স্পর্শে নিমেষেই ভেসে আসত কোটি কোটি ভিউ। দেশের প্রায় সবার কাছে পরিচিত হওয়া স্বত্তেও শেষ মুহূর্তে কেউই ছুটে আসেনি।

পাকিস্তানের অতি পরিচিত টিকটকার আয়েশা গিলমানের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ১৩ লক্ষের বেশি অনুসারী থাকার পরও এই কন্টেন্ট ক্রিয়েটরের শেষযাত্রায় দেখা গেল এক করুণ চিত্র—জানাজায় হাজির ছিলেন হাতে গোনা মাত্র কয়েকজন মানুষ!

অনলাইন দুনিয়ার তথাকথিত জনপ্রিয়তার অসারতা এবং বাস্তব জীবনের কঠিন সত্যকে আবারও নির্মমভাবে উন্মোচিত করল এই ঘটনা।

জীবিত অবস্থায় আয়েশার প্রতিটি কন্টেন্ট সামাজিক মাধ্যমে আলোড়ন সৃষ্টি করত। অনুসারীদের ডিজিটাল হাততালি আর ভার্চুয়াল ভালোবাসায় সবসময় ঘেরা থাকতেন তিনি। অথচ জীবনের চরম সত্যি অর্থাৎ শেষযাত্রায় সেই ১৩ লাখ ফলোয়ারের একজনকেও খুঁজে পাওয়া যায়নি লাশ বহনের কাঁধ দিতে কিংবা একফোঁটা চোখের জল ফেলতে। পরিবার ও গুটিকয়েক নিকটাত্মীয় ছাড়া আর কেউ ছিলেন না তাঁর চিরবিদায়ের ক্ষণে।

সমাজ বিশেষজ্ঞদের মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অনুসারীরা মূলত ক্ষণিকের বিনোদন ও কৌতুহলের খোরাক খোঁজে। স্ক্রিনের ওপারে থাকা মানুষের অনুভূতি যে কতটা যান্ত্রিক এবং লাইক-কমেন্টের হিসাব যে কতটা শূন্য, আয়েশার এই নিঃসঙ্গ বিদায় সেই সত্যকেই আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল।

বর্তমানে সস্তা পরিচিতি আর রাতারাতি ভাইরাল হওয়ার মোহে তরুণ প্রজন্মের অনেকেই বুঁদ হয়ে থাকছেন। সামাজিক মাধ্যমের লাইক ও ফলোয়ারের সংখ্যাকে সফলতার মাপকাঠি বানিয়ে অনেকেই জীবনের আসল মূল্যবোধ ও চারপাশের মানুষগুলোকে অবহেলা করেন।

তবে আয়েশার দাফনের এই দৃশ্য পুরো সমাজকে এক বড় প্রশ্নের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দিয়েছে—যে 'লাইক' বা 'ফলোয়ার' কঠিন বাস্তবে কিংবা চিরবিদায়ের সময়ে এতটুকু সহানুভূতি দিতে পারে না, তার পেছনে ছুটে চলা কতটা যৌক্তিক?

"সোশ্যাল মিডিয়ার লাইক বা কমেন্ট কেবল স্ক্রিনের ওপারেই সীমাবদ্ধ থাকে; কিন্তু চরম বাস্তবতায় এবং জীবনের শেষমুহূর্তে প্রয়োজন হয় সত্যিকারের মানুষ ও আত্মিক বন্ধনের।"

আয়েশা গিলমানের এই পরিণতি কেবল একটি সংবাদ নয়, বরং ডিজিটাল দুনিয়ার মেকি মোহে অন্ধ হয়ে থাকা কোটি কোটি মানুষের চোখ খুলে দেওয়ার মতো এক করুণ ও নির্মম বার্তা।

(সংগ্রহীত ও ঈষৎ পরিমার্জিত)

19/08/2026

কলকাতায় আ"গুনে পু"ড়ে নি"হত সকলের রুহের মাগফেরাত কামনা করি।

ম্যাকডোনাল্ডস ফাস্ট ফুড নাকি রিয়েল এস্টেট কোম্পানি?ম্যাকডোনাল্ডসের গল্পটা স্রেফ বার্গার বিক্রির চেয়ে অনেক বেশি গভীর এবং...
29/03/2026

ম্যাকডোনাল্ডস ফাস্ট ফুড নাকি রিয়েল এস্টেট কোম্পানি?

ম্যাকডোনাল্ডসের গল্পটা স্রেফ বার্গার বিক্রির চেয়ে অনেক বেশি গভীর এবং ধূর্ত। একে বলা যায় ইতিহাসের অন্যতম সেরা বিজনেস ম্যানিপুলেশন। সাধারণ মানুষের চোখে ম্যাকডোনাল্ডস একটা ফাস্ট ফুড চেইন হলেও কর্পোরেট দুনিয়ায় তারা মূলত একটা ল্যান্ড লর্ড বা জমিদার কোম্পানি। এই পুরো সিস্টেমটা দাঁড়িয়ে আছে হ্যারি সোনবোর্নের মস্তিষ্কপ্রসূত একটা ফর্মুলার ওপর। সে রে লরক-কে বুঝিয়েছিল যে, বার্গার বেঁচে বড়জোর কোটিপতি হওয়া যায়, কিন্তু বিলিয়নিয়ার হতে হলে জমির মালিকানা হাতে রাখতে হবে।

ম্যাকডোনাল্ডস যখন কোনো এলাকায় ব্যবসা করার সিদ্ধান্ত নেয়, তারা প্রথমেই সেই এলাকার সবচেয়ে দামি আর স্ট্র্যাটেজিক জমিটা কিনে নেয়। তারা জানে যে, ভালো লোকেশন মানেই সেখানে কাস্টমার আসবেই। এরপর তারা ওই জমিটা একজন ফ্র্যাঞ্চাইজিকে লিজ দেয়। এই লিজের চুক্তিটা এমনভাবে করা হয় যে, ফ্র্যাঞ্চাইজিকে প্রতি মাসে একটা নির্দিষ্ট মোটা অঙ্কের ভাড়া দিতেই হয়, আর তার ওপর বার্গার বিক্রির লাভের একটা পার্সেন্টেজও ম্যাকডোনাল্ডসকে দিতে হয়। অর্থাৎ, বার্গার বিক্রি হোক বা না হোক, জমিওয়ালা হিসেবে ম্যাকডোনাল্ডসের পকেটে টাকা আসা কেউ আটকাতে পারে না। অনেক সময় দেখা যায় বার্গার বিক্রি করে একজন ফ্র্যাঞ্চাইজি যা আয় করছে, তার চেয়ে বেশি আয় করছে ম্যাকডোনাল্ডস কেবল ওই জায়গার ভাড়া থেকে।

রিয়েল এস্টেট ব্যবসায় এমন কিছু লিগ্যাল লুপহোল আছে যা অন্য কোনো ব্যবসায় নেই। ম্যাকডোনাল্ডস তাদের হাজার হাজার আউটলেটের বিল্ডিং আর সাজসজ্জার ওপর 'ডেপ্রিসিয়েশন' দাবি করে। আইনের ভাষায় তারা দেখায় যে, প্রতি বছর তাদের বিল্ডিংগুলোর মান কমছে বা পুরনো হচ্ছে, তাই সেই পরিমাণ টাকা তারা তাদের মোট লাভ থেকে মাইনাস করে দেয়। এই টাকাটা কিন্তু তাদের পকেট থেকে খরচ হচ্ছে না, এটা স্রেফ কাগজের হিসাব। এর ফলে তারা বিশাল অংকের প্রফিট করার পরেও সরকারকে দেখাতে পারে যে, তাদের লাভ অনেক কম হয়েছে। ফলে কয়েকশ কোটি টাকার ট্যাক্স তারা স্রেফ এই একটা চালেই বাঁচিয়ে ফেলে!
তার ওপর রয়েছে লোনের চক্কর। ম্যাকডোনাল্ডস যখন কোনো নতুন জমি কেনে, তারা সেটা নগদ টাকায় না কিনে ব্যাংকের লোনে কেনে। এই বিশাল লোনের যে সুদ তারা ব্যাংকে দেয়, সেটাকে তারা ব্যবসায়িক 'এক্সপেন্স' বা খরচ হিসেবে দেখায়। এতে করে তাদের ট্যাক্স দেওয়ার মতো আয়ের পরিমাণ আরও কমে যায়। অথচ তাদের কেনা ওই জমির দাম দশ বছরে দশ গুণ বেড়ে যায়। যখন তারা ওই জমি অনেক বছর পর বিক্রি করে বা পুনর্মূল্যায়ন করে, তখন তারা '১০৩১ এক্সচেঞ্জ' এর মতো আইন ব্যবহার করে সেই ট্যাক্সটাও অনির্দিষ্টকালের জন্য পিছিয়ে দেয়।

সহজ কথায়, তারা এক হাতে জাংক ফুড দিয়ে মানুষের পকেট কাটছে, আর অন্য হাতে জমির মালিক হয়ে সরকারের ট্যাক্স ফাইল নিয়ে খেলছে। এই ডাবল গেমের কারণেই আজ তারা দুনিয়ার অন্যতম সেরা বিজনেস জায়ান্ট।

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Entrepreneur School posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share