Ibadah-ইবাদাহ্

Ibadah-ইবাদাহ্ promoting sunnah lifestyle সকল পেশা ও শ্রেণীর মানুষদেরকে হালাল উপার্জনের প্রতি উৎসাহিত করতে আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রয়াস ।
(1)

23/06/2026

আজকাল বিভিন্ন রুকইয়াহ রিলেটেড
পেইজগুলোতে দেখা যায় যেকোনো কিছুকেই রুকইয়াহ রিলেটেড ইস্যু বানিয়ে আতংকিত করা লিখা পোস্ট করা হয়। স্বাভাবিকভাবে রুকইয়াহ এর পেশেন্টরা এমনিতেই আতংকিত থাকে তার উপর এই ধরনের বিষয় তাদের আরো আতংকিত করে তূলে।

রাসূল ﷺ দাওয়াত ও কথা বলার ক্ষেত্রে মানুষকে আশাবাদী করতে বলেছেন।পাশাপাশি সচেতন করতে চাইলে অনেক অনেক পসিটিভ পথ আছে-
এই বিষয়ে সবচেয়ে প্রসিদ্ধ হাদিসটি

📖 (সহিহ বুখারি: ৬৯, সহিহ মুসলিম: ১৭৩২)

“সুসংবাদ দাও, ভীতি সৃষ্টি করো না। সহজ করো, কঠিন করো না।”

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ হাদিস

📖 (সহিহ বুখারি)

“তোমাদের পাঠানো হয়েছে সহজকারী হিসেবে, কঠিনকারী হিসেবে নয়।”

সারকথা--
মানুষকে দ্বীনের দিকে ডাকতে
উপদেশ দিতে
নসিহত করতে এবং সচেতন করতে
— আশার কথা, সুসংবাদ, আল্লাহর রহমতের কথা আগে বলা সুন্নাহ। বেহুদা ভয় দেখানো বাদ দিতে হবে, সচেতনতা তৈরি করার কথাতেও ব্যালান্স রাখা জরুরী।

সত্যি করে বলুনতো আপনি কোন লেভেল পর্যন্ত খান? 🫡
22/06/2026

সত্যি করে বলুনতো আপনি কোন লেভেল পর্যন্ত খান? 🫡

কেন এক্সট্রা ভার্জিন নারিকেল তেল আপনার ত্বকের জন্য ভালো? 🥥সাধারণ নারিকেল তেলের মতো কোনো ধরনের পরিশোধন বা ব্লিচিং এক্সট্র...
21/06/2026

কেন এক্সট্রা ভার্জিন নারিকেল তেল আপনার ত্বকের জন্য ভালো? 🥥

সাধারণ নারিকেল তেলের মতো কোনো ধরনের পরিশোধন বা ব্লিচিং এক্সট্রা ভার্জিন কোকোনাট অয়েল তৈরিতে করা হয় না।
এক্সট্রা ভার্জিন নারিকেল তেল অ্যান্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ও ত্বকের রোগ প্রতিরোধ করে।
ত্বক ও চুলের যত্নে নারিকেল তেলের গুণের কথা লিখে শেষ করা যাবে না। ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে নারিকেল তেল নিয়মিত ব্যবহারে দারুণ উপকার পাওয়া যায়। নারিকেল তেল ত্বকের মৃত কোষ দূর করা থেকে শুরু করে, ব্লাড সার্কুলেশনে সহায়তা করা, ত্বকে ব্যাকটেরিয়াল ও ফাঙ্গাল সংক্রমণ প্রতিরোধ করে ত্বকে পুষ্টি যোগায়।
তবে সাধারণ নারিকেল তেল ও এক্সট্রা ভার্জিন কোকোনাট অয়েলের মধ্যে সুনর্দিষ্ট কিছু পার্থক্য রয়েছে।
এক্সট্রা ভার্জিন কোকোনাট অয়েল কী?
এক্সট্রা ভার্জিন কোকোনাট অয়েল আর নারিকেল তেলের মধ্যে সবচেয়ে বড় পার্থক্য হলো তেল তৈরির প্রক্রিয়ায়। সাধারণত নারিকেল তেল তৈরি হয় নারিকেলের ভিতরের শক্ত মোটা শাঁস থেকে। নারিকেল তেল তৈরির জন্য নারিকেলের শাঁস থেকে তেল নিষ্কাশন করে সেটাকে পরিশোধন করে ব্লিচ করা হয়। তারপর তেলের ভিতরে নারিকেলের গন্ধ দূর করে অন্য কোনো সুগন্ধী ব্যবহার করে তেলটি সাধারণের ব্যবহারযোগ্য করা হয়ে থাকে।

অন্যদিকে এক্সট্রা ভার্জিন কোকোনাট অয়েল তৈরি হয় নারিকেল থেকে কোনরকম বাইরের তাপ ছাড়া। সাধারণ নারিকেল তেলের মতো কোনো ধরনের পরিশোধন বা ব্লিচিং এক্সট্রা ভার্জিন কোকোনাট অয়েল তৈরিতে করা হয় না। এমনকি কোনো ধরনের কেমিক্যালও ব্যবহার করা হয় না। তাই এতে এন্টিঅক্সিডেন্টের পরিমাণ সাধারণ নারিকেল তেলের তুলনায় বেশি থাকে। ভার্জিন কোকোনাট অয়েল ফ্রেশ অ্যারোমা, শক্তিশালী ফ্যাটি এসিড ও প্রয়োজনীয় ভিটামিনের কারণে এর উপযোগিতা অনেক বেশি।

এক্সট্রা ভার্জিন কোকোনাট অয়েল কীভাবে উপকারি:

ত্বকে আর্দ্রতা ও পানির পরিমাণ বজায় রাখে- ভার্জিন কোকোনাট অয়েল পুষ্টিগুণে ভরপুর তাই ত্বকে আর্দ্রতার পরিমাণ বজায় রাখতে কার্যকর ভুমিকা পালন করে। গোসলের পরপরই হাতের তালুতে অল্প পরিমাণ ভার্জিন কোকোনাট অয়েল নিয়ে মুখে ভালো করে মাসাজ করে নিন। এতে করে ত্বকে পানির পরিমাণ বজায় থাকবে।
মাসাজ অয়েল- এক্সট্রা ভার্জিন কোকোনাট অয়েল এন্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ হওয়ায় মাসাজ অয়েল হিসেবে এর উপযোগিতা অসাধারণ। এটি ত্বকে লুব্রিক্যান্ট হিসেবে কাজ করে বলে ত্বকে পানির পরিমাণ বজায় রাখার পাশাপাশি ত্বকের রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে।
ত্বকে একজিমা জাতীয় রোগ প্রতিরোধ করে- ত্বকে একজিমা বা সোরিয়াসিস জাতীয় রোগ প্রতিরোধের ক্ষেত্রেৎ এক্সট্রা ভার্জিন কোকোনাট অয়েল দারুণ কার্যকর। এর এন্টি ব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্যের কারণে ত্বকের লাল লাল ভাব, ফেটে যাওয়ার সমস্যা সহ একজিমা বা সোরিয়াসিস দূর করতে সাহায্য করে। আক্রান্ত স্থান পানি দিয়ে ভিজিয়ে দিনে দুইবার এক্সট্রা ভার্জিন কোকোনাট অয়েল নিয়মিত লাগালে কিছু দিনের মধ্যেই কার্যকর ফলাফল পাওয়া যায়।
ত্বকের যত্নে- এক্সট্রা ভার্জিন কোকোনাট অয়েল বডি স্ক্রাবের বেইজ হিসেবে খুব দারুণ কাজ করে। এর সাথে চিনি বা কফির গুড়া ও ভ্যানিলা এসেন্স মিশিয়ে কেমিক্যালহীন ডি আই ওয়াই বডি স্ক্রাব বানানো খুবই সহজ। তাছাড়া ঠোঁটের ময়েশ্চারাইজার হিসেবেও এটি ব্যবহারযোগ্য। শীতকালে বডি ময়েশ্চারাইজার হিসেবেও ব্যবহার করা যায়। সারাদিনের ক্লান্তির পর আপনি চাইলে মেকাপ রিমুভার হিসেবেও এটি ব্যবহার করতে পারেন।
এক্সট্রা ভার্জিন নারিকেল একদম তাজা নারিকেল থেকে সিঙ্গেল প্রেসে বের করে এরপর গ্রেট করে ঘন্টা দুয়েকের জন্য শুকানো হয় ও ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখা হয়। । এক্সট্রা ভার্জিন নারিকেল তেল মূলত কোল্ড প্রেসড এবং এটা কম তাপমাত্রায় বের করা হয়। কখনো কোল্ড প্রেসড টেকনোলজি প্রাধান্য দেওয়া হয়, কারণ তাপ দিলে পরিমাণে বেশি বের হয়। কোল্ড প্রেসড নারিকেল তেল ঝুনো নারিকেলের গা থেকে বের করে আনা হয়। এতে তেলের পরিমাণ বেশি থাকে। ফলে এটা সাধারণ নারিকেল তেলের চেয়ে বেশি দামি হতে পারে। সেজন্য এই কোল্ড প্রেসড নারিকেল তেল ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়। এটা কম তাপমাত্রায় বের করে আনা হয় বলে পুষ্টিগুণ ঠিক থাকে। সেজ্য স্বাস্ত্যসচেতন লোকদের কাছে এটা বেশি প্রাধান্য পেতে পারে, কারণ রক্ত সঞ্চালন ও কার্ডিও ভাসকুলার রোগে এটার প্রভাব বেশি।

অনেক সেলিব্রিটি বডি ময়েশ্চারাইজার ও মেকআপ রিমুভার হিসেবে এক্সট্রা ভার্জিন কোকোনাট অয়েলের কথা বলেছেন। ডিপ কন্ডিশনার ও ব্রাশ ক্লিনার হিসেবেও এটা কাজে আসে। এক্সট্রা ভার্জিন নারিকেল তেল ত্বকে আর্দ্রতার পরিমাণ ও কোলাজেন উৎপাদন বাড়ায় ও জ্বালাপোড়া কমায়। সেজন্য ত্বক থাকে সতেজ ও কোমল।

এক্সট্রা ভার্জিন গ্রেড কোকোনাট অয়েলে বিশেষ চর্বি রয়েছে যা আপনার জন্য স্বাস্থ্যের জন্য ভাল এবং যা আপনার ওজন কমাতে , আপনার শরীরের খারাপ চর্বি থেকে মুক্তি পেতে সাহায্য করতে পারে।
এক্সট্রা ভার্জিন কোকোনাট অয়েল নিয়মিত গ্রহণে আপনি সুস্থ থাকতে পারবেন ।
এক্সট্রা ভার্জিন কোকোনাট অয়েল আমাদের হার্টের জন্য ভালো কারণ এটি আমাদের শরীরকে একটি বিশেষ ধরনের কোলেস্টেরল তৈরি করতে সাহায্য করে।

এক্সট্রা ভার্জিন নারকেল তেল তার মনোরম সুবাস এর পাশাপাশি এটি স্বাস্থ্যকর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, মাঝারি-চেইন ফ্যাটি অ্যাসিড এবং ভিটামিন সমৃদ্ধ ।

আমাদের কাছে পাচ্ছেন কোল্ড প্রেস এক্সট্রা ভার্জিন কোকোনাট অয়েল।

🇸🇦 সৌদি আরবের একটি শহর থেকে একবার এক ☠️কালো জাদুকরের বাসায় রেইড এলার্ট দিল পুলিশ। বাইরে থেকে দেখলে মনে হবে এলাকার আর ১০...
19/06/2026

🇸🇦 সৌদি আরবের একটি শহর থেকে একবার এক ☠️কালো জাদুকরের বাসায় রেইড এলার্ট দিল পুলিশ। বাইরে থেকে দেখলে মনে হবে এলাকার আর ১০ টা সাধারন বাসার মতোই যেন এই বাসা। কিন্তু দরজা খোলার সাথে সাথেই বুঝা যাবে, এই বাসায় স্বাভাবিক বলে কিছু নেই!

ভেতরে ঢুকতেই পুলিশদের গা গুলিয়ে বমি আসলো ভয়ানক দুর্গন্ধে! পুরো বাসাটা যেন একটা আবর্জনা খানা! তান্ত্রিক টাইপের হাবিজাবি জিনিস দিয়ে বাসা ভর্তি — তাবিজ- কবজ, দড়ি, বোতল, মরা প্রাণীর মৃতদেহের অংশবিশেষ, পায়খানা, রক্ত -- এগুলো জায়গায় জায়গায় ছড়িয়ে আছে! এই বাসায় কোন সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষ থাকতে পারে??

পুলিশ সেই কালো জাদুকর মহিলাকে গ্রেফতার করল এবং তার বাসা থেকে বাজেয়াপ্ত করা জিনিসগুলোর উপর ইনভেস্টিগেশন শুরু করল। কালো জাদুর সাহায্যে এই মহিলা অনেক মানুষের ক্ষতি করেছে। প্রেগনেন্সি নষ্ট করা, স্বামী-স্ত্রীর বিচ্ছেদ থেকে শুরু করে কারো মৃত্যু! কোন কিছুই বাদ নেই।

ইনভেস্টিগেশন করার সময় পুলিশ অদ্ভুত একটা জিনিস আবিষ্কার করল! একজন পার্টিকুলার মহিলার ওপর অসংখ্য অসংখ্য বার কালোজাদুর চেষ্টা করা হয়েছে! বিভিন্ন বোতলের ভেতর কাগজের ওপর তার নাম লেখা, তার ছবির উপর বিভিন্ন রকমের আঁকা-বুকি করা, এতবার এতবার এই এক মহিলার নাম লেখা উপকরণ খুঁজে পেয়েছে যে, বাধ্য হয়ে পুলিশ কালো জাদুকরকে জিজ্ঞেস করে, "কেন এতগুলো উপকরণে একজন মহিলার নাম লেখা?"

কালো জাদুকর মহিলা তখন বলে,
"আমি এই মেয়েটার উপর কালো জাদু করার জন্য দুনিয়ার কোন চেষ্টা করা বাকি রাখিনি! অথচ কিছুতেই আমি কালো জাদু দিয়ে তাকে কাবু করতে পারিনি। এই মেয়েটির আপন খালা/আত্মীয়া তাকে কালো জাদু করার জন্য আমাকে অনেক টাকা দিয়েছে। অথচ আমি যতবার আমার জিন দেরকে তার বাসায় পাঠিয়েছি ক্ষতি করার জন্য, জিনগুলো ফেরত এসে আমাকে বলেছে, "আমরা তো ঐ বাড়িতে কিছুই দেখতে পারি না! ক্ষতি করার মত কোন মানুষকেই দেখতে পাই না!"

সুবহানআল্লাহ!!

যে মেয়েটার উপর কালো জাদুর এত চেষ্টা করা হয়েছে, সে আদৌ নিরাপদে আছে কিনা ? এটা নিশ্চিত হওয়ার জন্য এবার পুলিশ মেয়েটিকে সরাসরি ফোন দিল। মেয়েটাকে সব খুলে বলল পুলিশ। সে তো ভীষণ অপ্রস্তুত সব কিছু শুনে! তাকে জিজ্ঞেস করল, "এই যে এতবার আপনার ক্ষতি করার চেষ্টা করা হয়েছে। আপনি কি কিছু টের পেয়েছিলেন?"

উত্তরে ভদ্রমহিলা যা জবাব দিল শুনে যেন হাত পা ঠান্ডা হয়ে যায়! তিনি বললেন, "জি, মাঝে মাঝে সন্ধ্যার পরে আমাদের মনে হতো ঘরের জানালাগুলোর উপর বাইরে থেকে সজোরে বাতাস দিয়ে কোন আঘাত করা হচ্ছে। আমরা ভেবেছি হয়তো এটা কোন ঝড়ের আলামত অথবা আবহাওয়ার সমস্যা! এবং মাঝে মাঝেই রাতে দেখতাম আমাদের ঘরের লাইট গুলো জ্বলছে এবং নিভছে — আবার নিজে নিজে ঠিক হয়ে যেত। তাই আমরা ভাবতাম হয়তো বিদ্যুৎ লাইনের কোন সমস্যা! এর বেশি তো আমি কিছু চিন্তা করিনি। আল্লাহু আকবার! সকল প্রশংসা আল্লাহর যিনি আমাদেরকে রক্ষা করেছেন!"

তখন পুলিশ অফিসার কৌতূহলী হয়ে তাকে জিজ্ঞেস করলেন, ‌"আচ্ছা বোন, আপনি যদি কিছু মনে না করেন আমাদেরকে একটু বলবেন আপনি কি কি আমল করেন, অথবা দুয়া করেন, যেটার বদৌলেতে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আপনাকে এত বড় ক্ষতি থেকে হেফাজত করেছেন? কালো জাদুকরের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টার বিনিময়ে আল্লাহ আপনাকে সর্বোচ্চ সুরক্ষা দিয়েছেন?"

ভদ্রমহিলার উত্তরটা অন্তর নাড়া দেওয়ার মত রিমাইন্ডার!
তিনি তখন শেয়ার করলেন যে, সে কখনও সকাল এবং সন্ধ্যার জিকির- আযকার গুলো বাদ দেন না — অর্থাৎ আয়াতুল কুরসি, সূরা ফালাক, নাস, ইখলাস থেকে শুরু করে মাসনুন দুয়ার আমল গুলো! সকালে একবার এবং সন্ধ্যায় একবার — তার কখনোই এটা মিস্ যায় না আলহামদুলিল্লাহ। সেই সাথে তিনি সূরা বাকারাহ পাঠ করেন, কুরআনের সাথে পর্যাপ্ত সময় কাটান। এবং আরো কিছু বিশুদ্ধ সুন্নতি দুয়ার লিস্ট তিনি পুলিশ অফিসারকে দেন, যেগুলোর উপর তিনি নিয়মিত আমল করেন!

আল্লাহু আকবার! আল্লাহু আকবার! আল্লাহু আকবার!

এটা বেশ সম্প্রতি ঘটে যাওয়া সত্যি ঘটনা। কোন রূপকথার গল্প নয়। শায়খ মোঃ আল-নাক্বউই তার স্টুডেন্টদের শেখানোর সময় এই গল্পটি উল্লেখ করেন। আমি সরাসরি শায়েখের মুখে বলা গল্পটির ইউটিউব লিংক কমেন্টে দিয়ে দিচ্ছি। আপনারা নিজেরাও শুনে দেখতে পারেন।

শায়খ ক্লাসে শেখানোর সময় সেই ভদ্রমহিলার দেয়া প্রত্যেকটি বিশুদ্ধ এবং মাসনুন দোয়ার লিস্ট তার স্টুডেন্টদের দিয়েছেন।

শুধু কল্পনা করুন একবার!
না জানি কি রকমের অদৃশ্য অশুভ শক্তি থেকে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন প্রতিনিয়ত আমাদেরকে রক্ষা করার ওয়াদা দিয়েছেন, যদি আমরা কয়েক মিনিট ব্যয় করে আল্লাহকে মনে করি, আন্তরিকভাবে আল্লাহর জিকির করি!

দুনিয়াটা বেশ খারাপ। চারপাশে হিংসার ফিতনা। সোশ্যাল মিডিয়ার উসিলায় বদ নজর এবং হিংসার উপকরণ এবং সহজলভ্যতা বেড়ে গিয়েছে বহু গুনে! আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না, কে কোন হিংসা/লোভ/ অযথা রাগের জায়গা থেকে আপনাকে কালো জাদুর মাধ্যমে ক্ষতি করার চেষ্টা করতে পারে।

খুবই দুঃখজনক হলেও সত্য পুলিশ অফিসাররা এটাও বলেছেন যে, ঐ কালো জাদুকর মহিলার ফোনের কন্টাক্ট ঘেঁটে দেখা গিয়েছে, তার বেশিরভাগ ক্লায়েন্টরা নিজেদের আপন পরিবারের সদস্যদের ওপর এই কালো জাদু করার জন্য অনেক টাকা ব্যয় করছে এবং তার সাথে যোগাযোগ করছে। ক্লায়েন্ট লিস্টে আছে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার ,বড় বড় পিএইচডি করা মানুষ — যারা আত্মশুদ্ধির জায়গায় এসে চরমভাবে লুজার! অনেক ডিগ্রি অর্জন করতে পারলেও হিংসা, রাগ এবং লোভ সামলাতে পারেনি। দুনিয়ার পরীক্ষায় ভালো সিজিপিএ পেয়েও আখিরাতের পরীক্ষায় তারা চরমভাবে হেরে গেছে। আল্লাহ তাদেরকে তাওবা করে ভালো মানুষ হওয়ার তৌফিক দান করুন।

17/06/2026

>> পরিবারে মেহমান আসলে, আল্লাহ তাআলা রহমত ও বরকত নাজিল করেন। সে কারণে মেহমান আসলে খুশি হওয়া উচিত। অথচ অনেকেই মেহমান আসলে বিরক্ত মনে করেন। এ ক্ষেত্রে একটা কথা মনে রাখা জরুরি যে, মেহমানে এসে যে খাবার গ্রহণ করে; তা আল্লাহ তাআলা কর্তৃত নির্ধারিত রিজিক। হাদিসে এসেছে-হজরত আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, ‘যে ঘরে মেহমানের আসে না; সে ঘরে ফেরেশতা আসে না।’

মেহমানদারির অন্যতম প্রতিফল হলো- সহজেই মহান আল্লাহর বন্ধু হওয়া যায়। যেভাবে আল্লাহর ঘনিষ্ঠ বন্ধুতে পরিণত হয়েছিলেন হজরত ইবরাহিম আলাইহিস সালাম। হাদিসে এসেছে-হজরত আতিয়্যা আওফি রাদিয়াল্লাহু আনহা বর্ণনা করেন, ‘আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি আল্লাহ তাআলা হজরত ইবরাহিম আলাইহিস সালামকে যে কারণে বন্ধুরূপে গ্রহণ করেছেন; তাহলো-- তিনি মানুষকে (মেহমানদারি) খানা খাওয়াতেন;- বেশি বেশি সালাম দিতেন; আর- মানুষ রাতে ঘুমিয়ে পড়লে তিনি নামাজ আদায় করতেন।’

>> মেহমানের আপ্যায়নমেহমানকে আদর সমাদরের সঙ্গে আপ্যায়ন করা বিশ্বনবির অন্যতম বৈশিষ্ট্য। অতিথিপরায়ন হিসেবে আরবদের মধ্যে তিনি ছিলেন সবার উর্ধ্বে। তাঁর দরবারে কোনো মেহমান আসলে তিনি সমাদর ও মর্যাদারদ সঙ্গে আপ্যায়ন করতেন, খাবার খাওয়াতেন। খাবার খাওয়ার সময় তিনি বার বার বলতেন, আরও খাবার গ্রহণ করুন। মেহমান খাবার খেয়ে তৃপ্ত না হওয়া পর্যন্ত তিনি মেহমানকে খাবার খেতে বলতেন।

একবার বনু গিফার গোত্রের এক লোক রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে এলে তিনি তাঁর মেহমানদারি করেন। অথচ তিনি আগের দিন অভুক্ত ছিলেন। ঘরে ছাগলের দুধ ছাড়া আর কিছুই ছিল না। বিশ্বনবি নিজে অভুক্ত থেকে ঘরে থাকা ছাগলের দুধ দিয়ে মেহমানকে আপ্যায়ন করলেন। তিনি নিজে ক্ষুধার্ত; তা তিনি মেহমানকে বুঝতে দেননি। অনেক সময় মেহমানদারির মর্যাদা অক্ষুন্ন রাখতে গিয়ে বিশ্বনবির পুরো পরিবারকে অভুক্ত থাকতে হতো।

16/06/2026

বাচ্চাদের সব বিষয়ে মানিয়ে নেয়ার ক্ষেত্রে বাবা মা এর ভূমিকা অনেক।
আমরা সাধারনত আমাদের সন্তানদের কস্ট হবে এমন কিছুকে মেনে নেইনা কিংবা
সে কোনটা পছন্দ করে চাইলেই সেটা হুট করে দিয়ে দেই। এই অভ্যাসটার জন্য পরবর্তীতে সন্তান কিছুটা বড় হলেই পড়ে ডিপ্রেশনে কিংবা তার কাছে জীবন অনেক কঠিন মনে হয়। এছাড়া খারাপ কোনো সময় আসার সাথে সাথেই অল্পতে ভেংঙে পড়ে।

আজকে কিছু টিপস দিচ্ছি-

> বাজার সদাই করতে গেলে সন্তানকে সাথে নিয়ে যান

>প্রতি মাসে অন্তত একবার কোনো এতিমখানায় বা লিল্লাহ বোডিং এ নিয়ে যান, তাদের সাথে একবেলা খেতে দিন ( যেনো ইগো তৈরি না হয়)

> দান করার সময় বাচ্চার হাত দিয়ে টাকা দিন

>ধীরে ধীরে ৬/৭ বছর থেকেই ঘর ঝাড়ু দেয়া, গাছের টবে পানি দেয়া ইত্যাদি কাজে লাগিয়ে দিন অল্প করে।

> বাসায় মেহমান আসলে মেহমান দের জুতা গুছিয়ে দরজার পাশে রাখতে শিখান।

খাওয়ার পূর্বের আদবসমূহ:১. হালাল ও পবিত্র জিনিস থোকে তার খাবার ও পানীয়কে পছন্দ করবে, যা হারাম ও সন্দেহযুক্ত বস্তু থেকে সম...
15/06/2026

খাওয়ার পূর্বের আদবসমূহ:

১. হালাল ও পবিত্র জিনিস থোকে তার খাবার ও পানীয়কে পছন্দ করবে, যা হারাম ও সন্দেহযুক্ত বস্তু থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত থাকবে। কারণ, আল্লাহ তা‘আলা বলেন:

“হে মুমিনগণ! তোমাদেরকে আমরা যেসব পবিত্র বস্তু দিয়েছি তা থেকে খাও।” আর পবিত্র মানে হালাল বস্তু, যা ময়লাযুক্ত, দূষিত ও অপবিত্র নয়।
(সুরা বাকারাহ-১৭২)
২. খাবার ও পানীয় গ্রহণ করার দ্বারা নিয়ত থাকবে আল্লাহ তা‘আলার ইবাদত করার জন্য শক্তি অর্জন করা; যাতে সে যা খায় বা পান করে, তার জন্য সে সাওয়াব পেতে পারে; কেননা, অনেক সময় ভালো নিয়তের কারণে ‘মুবাহ’ (বৈধ) বিষয় আনুগত্যে পরিণত হয়, ফলে মুসলিম ব্যক্তিকে তার জন্য সাওয়াব দেয়া হয়।

৩. খাওয়ার আগে দুই হাত ধৌত করা, যদি তাতে ময়লা থাকে অথবা হাত দু’টির পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার ব্যাপারে নিশ্চিত না হয়।

৪. যমীনের উপর কোনো পাত্রে খাবার রাখা, টেবিলের উপর নয়; কেননা, এটা বিনয়-নম্রতার একেবারেই কাছাকাছি পন্থা। কারণ, আনাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন:

“রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম টেবিলের উপর খাননি এবং কোনো থালা বা প্লেটে করেও খাননি।”
(বুখারী-৫০৯৯)

৫. বিনয়ীভাবে দুই হাঁটু গেড়ে দুই পায়ের পাতার উপরে বসা, অথবা ডান পা দাঁড় করিয়ে দিয়ে বাম পায়ের উপরে বসা, যেমনিভাবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বসতেন; তাছাড়া নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন:

“আমি হেলান দিয়ে খাইনা। আমি তো গোলাম; আমি খাই, যেমনিভাবে গোলামে খায়; আর আমি বসি, যেমনিভাবে গোলামে বসে।”

৬. প্রস্তুত করা বিদ্যমান খাদ্যে সন্তুষ্ট থাকা এবং খাদ্যের দোষ-ত্রুটি বর্ণনা না করা; যদি তার কাছে ভালো লাগে খাবে, আর ভালো না লাগলে বর্জন করবে; কেননা, আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু কর্তৃক বর্ণিত হাদিসে এসেছে, তিনি বলেন:

“রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম কখনও খাদ্যের দোষ-ত্রুটি বর্ণনা করতেন না; তাঁর রুচিসম্মত হলে খেতেন; আর রুচিসম্মত না হলে খেতেন না।

৭. একাকি না খেয়ে কোনো মেহমান, অথবা পরিবার, অথবা সন্তান, অথবা খাদেমকে সাথে নিয়ে খাওয়া; কেননা, হাদিসে এসেছে, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন:

“তোমরা সম্মিলিতভাবে তোমাদের খাবার খাও এবং আল্লাহর নামে খাও, দেখবে তোমাদের খাদ্যে বরকত হবে।”

13/06/2026

রুকইয়াহ এবং কবিরাজ চেনার জন্য সবচেয়ে স্পষ্ট একটি তফাত আপনাদের শিখিয়ে দিচ্ছি-

রুকইয়াহ এর ক্ষেত্রে তেলাওয়াত করা হয় জোরে যেখানে আপনি বুঝতে পারবেন যে কুরআনের কোন আয়াত এবং হাদিসের কোন দূয়া তেলোয়াত করা হচ্ছে কিন্তু ফু আস্তে দেয়া হয়।

কবিরাজ এর ক্ষেত্রে তেলাওয়াত যা কিছু করবে মিনমিন করে যেটা আপনি কানে শুনবেন না কিন্তু ফু দেয়ার সময় জোরে ফু দিবে।

11/06/2026

কসম আল্লাহর! ছোট্ট এই বয়ানটি শুনে আমার শরীরের প্রতিটি পশম দাঁড়িয়ে গেছে। এই অল্প সময়ের মাঝে আমি কয়েকবার কেঁপে উঠেছি। হায় কী হবে আমাদের! আমাদের তো মৃত্যুর কথাই স্মরণে আসে না। ইয়া আল্লাহ! আমাদের এই মৃত অন্তরে আপনি প্রাণ দান করুন। আমাদেরকে মুত্তাকী বানিয়ে দিন। আমাদের অন্তরসমূহে আপনার ভয় ঢেলে দিন হে মহান মহিয়ান!

Address

Tushardhara R/A, Saddam Market, Matuail
Dhaka
1362

Opening Hours

Monday 09:00 - 22:00
Tuesday 09:00 - 22:00
Wednesday 09:00 - 22:00
Thursday 09:00 - 22:00
Friday 09:00 - 22:00
Saturday 09:00 - 22:00
Sunday 09:00 - 22:00

Telephone

+8801816050237

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ibadah-ইবাদাহ্ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Ibadah-ইবাদাহ্:

Share