Bangladesh Men's Rights Foundation-BMRF

Bangladesh Men's Rights Foundation-BMRF "বাংলাদেশ মেন'স এন্ড চাইল্ড রাইটস ফাউন্ডেশন" একটি মানবাধিকার সংস্থা।

18/04/2026

শিক্ষনীয় ক্যাপশনঃ-🗳️
শুধু সন্তানের কথা চিন্তা করে,অসভ্য বেয়াদব নারীর সাথে এখনো সংসার করে যাচ্ছে,
------------------------◾------------------------
◼️এভাবে পার্সেন্ট পুরুষ সংসার করছে বেশিরভাগ মানুষই মনে করে, সংসার ভাঙে শুধু পুরুষের ভুলে। কিন্তু সত্যিটা কি এতটাই সহজ?
আজকের সমাজে এমন অসংখ্য পুরুষ আছে, যারা নিজের সুখ, নিজের সম্মান, নিজের মানসিক শান্তি সবকিছু বিসর্জন দিয়ে শুধু একটা কারণে সংসার করে যাচ্ছে,তার সন্তানের ভবিষ্যৎ!

◼️হ্যাঁ, অনেক পুরুষ এমন নারীর সাথে সংসার করছে-যেখানে নেই সম্মান, নেই বোঝাপড়া, বরং আছে অবহেলা, তর্ক, অপমান আর মানসিক চাপ,তবুও সে সংসার ছাড়ে না,কারণ সে জানে-"আমি চলে গেলে, আমার সন্তানের কী হবে?"
একটা শিশু যেন ভাঙা পরিবারে বড় না হয়, মা-বাবার আলাদা হওয়ার কষ্ট যেন তাকে না পেতে হয়-

◼️এই চিন্তাই একজন বাবাকে আটকে রাখে হাজার কষ্টের মাঝে ও!
তাহলে প্রশ্ন হলো-এভাবে কত শতাংশ পুরুষ সংসার করছে?
★কেউ বলবে ১০%
★কেউ বলবে ২৫%
★আবার অনেকেই বলবে ৯৫%!
সংখ্যাটা যাই হোক, বাস্তবতা হলো-অনেক পুরুষই নীরবে কষ্ট সহ্য করে যাচ্ছে, কারণ তারা দায়িত্ব থেকে পালাতে জানে না!

◼️পুরুষ কাঁদে না-এটা একটা মিথ্যা ধারণা,সে কাঁদে.কিন্তু একা কাঁদে, নীরবে কাঁদে, কারও সামনে নয়,সে ভাবে-"আমার কষ্টের চেয়ে আমার সন্তানের হাসি বেশি গুরুত্বপূর্ণ।"
তাই সে সহ্য করে,তাই সে চুপ থাকে,তাই সে সংসার ভাঙতে চায় না!

শেষ কথা---🎁
সব নারী খারাপ নয়, সব পুরুষও নিখুঁত নয়,কিন্তু একটা বিষয় সত্য-
সংসার টিকিয়ে রাখতে দু'জনেরই সম্মান, বোঝাপড়া আর ভালোবাসা দরকার-||🌿💓

14/04/2026

যে স্বামী পহেলা বৈশাখের দিন ও ঘুরতে নিয়ে যায় না তার অবশ্যই অন্য কোথাও রিলেশন আছে। এই বিষয়টি আপনি একমত?

পুরুষ নির্যাতন আর কতদিন? সূএ: Find My Advocate
18/03/2026

পুরুষ নির্যাতন আর কতদিন?

সূএ: Find My Advocate

17/03/2026

পুরুষের জন্য নারীর যা কখনোই করা উচিত নয়

06/03/2026

🌼 স্ত্রীর নিকটে স্বামীর হকঃ

স্বামীর উপরে স্ত্রীর যেমন হক আছে, তেমনি স্ত্রীর উপরেও স্বামীর হক আছে। স্ত্রী এসব হক বা অধিকার যথাযথভাবে আদায় করলে সংসার সুখের হবে। তাদের মাঝে কখনো কোন অশান্তি বাসা বাঁধতে পারবে না। নিম্নে কয়েকটি হক উল্লেখ করা হ’ল।-

১. স্বামীর অপসন্দনীয় কাউকে বাড়ীতে প্রবেশ করতে না দেওয়া :

স্বামী অপসন্দ করে এমন কোন লোককে বাড়ীতে বা নিজের কাছে প্রবেশ করতে দেওয়া স্ত্রীর জন্য উচিত নয়। রাসূল (ছাঃ) বলেন,وَلَكُمْ عَلَيْهِنَّ أَنْ لاَ يُوْطِئْنَ فُرُشَكُمْ أَحَدًا تَكْرَهُوْنَهُ– ‘তাদের প্রতি তোমাদের অধিকার এই যে, তোমরা যাদেরকে পসন্দ কর না তারা যেন সেসব লোককে দিয়ে তোমাদের বিছানা না মাড়ায়’।[2] অন্যত্র তিনি বলেন, وَلاَ تَأْذَنَ فِى بَيْتِهِ إِلاَّ بِإِذْنِهِ، ‘স্বামীর অনুমতি ব্যতীত অন্য কাউকে তার গৃহে প্রবেশ করতে দেবে না’।[1]

২. স্বামীর অনুমতি ব্যতীত নফল ছিয়াম না রাখা :

স্বামী উপস্থিত থাকাবস্থায় তার অনুমতি ব্যতীত নফল ছিয়াম রাখা স্ত্রীর জন্য বৈধ নয়। রাসূল (ছাঃ) বলেন,لاَ يَحِلُّ لِلْمَرْأَةِ أَنْ تَصُومَ وَزَوْجُهَا شَاهِدٌ إِلاَّ بِإِذْنِهِ، ‘যখন স্বামী উপস্থিত থাকবে, তখন স্বামীর অনুমতি ব্যতীত মহিলার জন্য (নফল) ছিয়াম পালন করা বৈধ নয়’।[3]

৩. স্বামীর অনুমতি ব্যতীত বাড়ীর বাইরে না যাওয়া :

নারীর কাজ বাড়ীর ভিতরে। তাই বাড়ীর অভ্যন্তরে অবস্থান করা তার কর্তব্য। আল্লাহ বলেন,وَقَرْنَ فِيْ بُيُوْتِكُنَّ وَلاَ تَبَرَّجْنَ تَبَرُّجَ الْجَاهِلِيَّةِ الْأُولَى ‘আর তোমরা নিজ গৃহে অবস্থান করবে। প্রাচীন জাহেলী যুগের ন্যায় সৌন্দর্য প্রদর্শন করে বেড়িয়ো না’ (আহযাব ৩৩/৩৩)। কোন যরূরী প্রয়োজনে তাকে বাড়ীর বাইরে যেতে হ’লে স্বামীর অনুমতি নিয়ে যেতে হবে এবং শারঈ পর্দা বজায় রেখে যেতে হবে। আল্লাহ বলেন, ‘আর তুমি মুমিন নারীদের বলে দাও, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে নত রাখে এবং তাদের লজ্জাস্থান সমূহের হেফাযত করে। আর তারা যেন তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে। তবে যেটুকু স্বাভাবিকভাবে প্রকাশ পায় সেটুকু ব্যতীত। আর তারা যেন তাদের মাথার কাপড় বক্ষদেশের উপর রাখে’ (নূর ২৪/৩১)। রাসূল (ছাঃ) বলেন, إِنَّهُ قَدْ أُذِنَ لَكُنَّ أَنْ تَخْرُجْنَ لِحَاجَتِكُنَّ ‘আল্লাহ প্রয়োজনে তোমাদেরকে বাইরে যাবার অনুমতি দিয়েছেন’।[4]

স্বামীর বিনা অনুমতিতে বাড়ীর বাইরে, পিতার বাড়ী, বোনের বাড়ী, মার্কেট বা অন্য কোথাও না যাওয়া পতিভক্তির পরিচায়ক। এমনকি ছালাত আদায়ের জন্য মসজিদে গেলেও স্বামীর অনুমতি নিতে হবে। মায়ের কোল ছেড়ে বাইরে গেলে যেমন শিশু ঝড়-বৃষ্টি, শীত-গ্রীষ্ম প্রভৃতি দুর্যোগে নিজেকে বিপদে ফেলে, মুরগীর কোল ছেড়ে বাচ্চারা দূরে গেলে যেমন বিভিন্ন হিংস্র প্রাণীর হামলার শিকার হয়, ঠিক তেমনি নারীও স্বামীর নির্দেশ উপেক্ষা করে একাকী বাইরে গেলে নানাবিধ দুর্ঘটনার শিকার হওয়ার আশংকা থাকে।

ধর্ম-কর্ম ও নৈতিকতাকে কবর দিয়ে অনেক উচ্চশিক্ষিতা মহিলা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকুরী করে মোটা অংকের টাকা উপার্জন করে। স্বামীর তোয়াক্কা না করে পার্থিব সুখ ভোগ করা বস্ত্তবাদী ও পরকালে অবিশ্বাসীদের বৈশিষ্ট্য। পক্ষান্তরে ধর্মীয় নির্দেশ পালন ও নীতি-নৈতিকতা বজায় রেখে পার্থিব কর্তব্য পালন করা পরকালে বিশ্বাসী মুসলিম নারীর একমাত্র বৈশিষ্ট্য। কারণ মুসলমানের মূল লক্ষ্য হ’ল পরকালীন মুক্তি। মুসলিম দু’দিনের সুখস্বপ্নে বিভোর হয়ে পরকাল হারাতে রাযী নয়। সে চায় চিরস্থায়ী আবাস ও অনন্ত সুখের ঠিকানা জান্নাত। এজন্যই নবী করীম (ছাঃ) দো‘আ করতেন,وَلاَ تَجْعَل الدُّنْيَا أَكْبَرَ هَمِّنَا وَلاَ مَبْلَغَ عِلْمِنَا ‘দুনিয়াকে আমাদের বৃহত্তম চিন্তার বিষয় ও আমাদের জ্ঞানের শেষ সীমা (মূল লক্ষ্য) করে দিও না’।[5]

৪. স্বামীকে সম্মান করা ও তার অনুগত থাকা :

স্ত্রীর কাছে স্বামী অতি সম্মান ও মর্যাদার পাত্র। তার সম্মানের কথা হাদীছে এভাবে উল্লিখিত হয়েছে,لَوْ كُنْتُ آمِرًا أَحَدًا أَنْ يَسْجُدَ لِغَيْرِ اللهِ لأَمَرْتُ الْمَرْأَةَ أَنْ تَسْجُدَ لِزَوْجِهَا وَالَّذِى نَفْسُ مُحَمَّدٍ بِيَدِهِ لاَ تُؤَدِّى الْمَرْأَةُ حَقَّ رَبِّهَا حَتَّى تُؤَدِّىَ حَقَّ زَوْجِهَا وَلَوْ سَأَلَهَا نَفْسَهَا وَهِىَ عَلَى قَتَبٍ لَمْ تَمْنَعْهُ- ‘যদি আমি কাউকে নির্দেশ দিতাম আল্লাহ ব্যতীত অন্যকে সিজদা করার, তাহ’লে স্ত্রীকে নির্দেশ দিতাম তার স্বামীকে সিজদা করার জন্য। যাঁর হাতে মুহাম্মাদের প্রাণ তাঁর কসম! কোন নারী তার প্রতিপালকের হক ততক্ষণ পর্যন্ত আদায় করতে পারবে না যতক্ষণ না সে তার স্বামীর হক আদায় করেছে। সওয়ারীর পিঠে থাকলেও স্বামী যদি তার মিলন চায়, তবে সে বাধা দিতে পারবে না’।[6] অন্যত্র তিনি বলেন,حَقُّ الزَّوْجِ عَلَى زَوْجَتِهِ، أَنْ لَوْ كَانَتْ قَرْحَةٌ فَلَحَسَتْهَا مَا أَدَّتْ حَقَّهُ ‘স্ত্রীর কাছে স্বামীর এরূপ হক আছে যে, স্ত্রী যদি স্বামীর দেহের ঘা চেটেও থাকে তবুও সে তার যথার্থ হক আদায় করতে পারবে না’।[7]

তাই স্বামীর শরী‘আত সম্মত সকল কাজে সহযোগিতা করা এবং তার বৈধ নির্দেশ মেনে নেওয়া স্ত্রীর জন্য আবশ্যক। আল্লাহ বলেন,فَالصَّالِحَاتُ قَانِتَاتٌ حَافِظَاتٌ لِلْغَيْبِ بِمَا حَفِظَ اللهُ– ‘অতএব সতী-সাধ্বী স্ত্রীরা হয় অনুগত এবং আল্লাহ যা হেফাযত করেছেন, আড়ালেও (সেই গুপ্তাঙ্গের) হেফাযত করে’ (নিসা ৪/৩৪)। আর স্বামীর আনুগত্যে অশেষ ছওয়াব রয়েছে। রাসূল (ছাঃ) বলেন,الْمَرْأَةُ إِذَا صَلَّتْ خَمْسَهَا وَصَامَتْ شَهْرَهَا وَأَحْصَنَتْ فَرْجَهَا وَأَطَاعَتْ زَوْجَهَا فَلْتَدْخُلْ مِنْ أَيِّ أَبْوَابِ الْجَنَّةِ شَاءَتْ– ‘মহিলা তার পাঁচ ওয়াক্তের ছালাত আদায় করলে, রামাযানের ছিয়াম পালন করলে, লজ্জাস্থানের হিফাযত করলে ও স্বামীর আনুগত্য করলে জান্নাতের যে কোন দরজা দিয়ে ইচ্ছা প্রবেশ করতে পারবে’।[8]

[1]. মুসলিম হা/১২১৮; ইবনু মাজাহ হা/১৮৫১; মিশকাত হা/২৫৫৫।
[2]. বুখারী হা/৫১৯৫; মুসলিম হা/১০২৬; মিশকাত হা/২০৩১।
[3]. বুখারী হা/৫১৯৫; মুসলিম হা/১০২৬; মিশকাত হা/২০৩১।
[4]. বুখারী হা/৪৭৯৫; মুসলিম হা/২১৭০।
[5]. তিরমিযী হা/৩৫০২; মিশকাত হা/২৪৯২, সনদ হাসান।
[6]. ইবনু মাজাহ হা/১৮৫৩; ছহীহাহ হা/১২০৩।
[7]. ছহীহুল জামে‘ হা/৩১৪৮; আত-তালীকুল হাসান, হা/৪১৫২।
[8]. মিশকাত হা/৩২৫৪, সনদ ছহীহ।

প্রবন্ধটি পড়া হলে, শেয়ার করতে ভুলবেন না।

26/02/2026
31/01/2026

সন্তান জন্মদানে অক্ষম পুরুষ ভাই দের ডিভোর্স এর পর কিভাবে জীবনযাপন করেন?
কি ধরনের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা থাকে?

05/01/2026

সংসারে পুরুষ যখন আয় করে তখন বলা হয় এটা তার দ্বায়িত্ব আর নারী যখন আয় করে তখন তাকে বলা হয় অর্জন! এটাই বাস্তবতা।

এই “বাস্তবতা” হতে পারে তোমার চারপাশে। কিন্তু এটাকে নিয়ম বা ন্যায্যতা হিসেবে তুলে ধরলে তুমি একটা বড় ভুল করছো।
১) এটা বাস্তবতা না, এটা সমাজের ডাবল স্ট্যান্ডার্ড
যদি পুরুষের আয়কে “দায়িত্ব” বলা হয়, আর নারীর আয়কে “অর্জন” বলা হয়, তাহলে এখানে দুইটা ক্ষতি হয়:
পুরুষকে ATM বানিয়ে ফেলা হয়। তার ক্লান্তি, মানসিক চাপ, স্বপ্ন, সীমাবদ্ধতা এগুলোকে গুরুত্ব দেওয়া হয় না।
নারীর কাজকে অপশনাল বানিয়ে ফেলা হয়। সে আয় করলেও পরিবার মনে করে “ভালো লাগলে দেবে”, না দিলে সমস্যা নেই। এতে নারীর অর্থনৈতিক অবদানকে কম মূল্যায়ন করা হয়।
এটা দুই দিক থেকেই অন্যায়।
২) “সংসার চলছে” মানেই ঠিক চলছে না
অনেক সংসার “চলে”, কিন্তু ভিতরে থাকে:
পুরুষের চাপা ক্ষোভ
নারীর উপেক্ষিত অবদান
টাকা নিয়ে ক্ষমতার রাজনীতি
ভবিষ্যতের অনিশ্চয়তা
তাই শুধু “চলছে” বলে এটাকে বৈধ করে দিলে তুমি নিজের ও অন্যের ক্ষতি নরমালাইজ করছো।
৩) সত্য কথা: দায়িত্ব = পরিবারের, লিঙ্গের না
সংসার একটা দলগত প্রকল্প।
টাকা, সময়, মানসিক সাপোর্ট, সন্তান লালন, ঘরের কাজ সব মিলিয়ে সংসার দাঁড়ায়।
যদি একজন শুধু “দায়িত্ব” নেয় আর আরেকজন শুধু “অর্জন” নেয়, তাহলে ওই সংসারে ভারসাম্য থাকে না।
সঠিক ফ্রেমটা হবে:
“আমাদের পরিবারের খরচ কত?”
“আমাদের আয়ের উৎস কত?”
“কে কীভাবে কন্ট্রিবিউট করবে?”
“কে কী দায়িত্ব নেবে?”
এখানে পুরুষ-নারী না, ক্ষমতা, সময়, সামর্থ্য, বাস্তব চাহিদা কাজ করবে।
৪) এই চিন্তা চালু থাকলে ভবিষ্যতে যা হবে (যেটা মানুষ বলতে চায় না)
পুরুষ একসময় বার্নআউট হবে বা রাগ জমবে
নারী মনে করবে তাকে সিরিয়াসলি নেওয়া হয় না
টাকা নিয়েই সিদ্ধান্তের ক্ষমতা কার থাকবে সেটাই ঝগড়ার মূল হবে
যেদিন পুরুষের আয় কমে যাবে, সেদিন সংসার কাঁপবে
অর্থাৎ, এই ধারণা পরিবারকে “স্থিতিশীল” নয়, বরং ঝুঁকিপূর্ণ করে।

21/11/2025

ভূমিকম্পের পর শরীরে পোস্ট-শক ওয়েভ অনুভব হয়—মানে বাস্তবে না কাঁপলেও মনে হয় কাঁপছে।

https://www.facebook.com/share/p/1METPA9rGz/
19/11/2025

https://www.facebook.com/share/p/1METPA9rGz/

আমি খুব ভালো লিখতে পারি না, তাই প্রথমেই ক্ষমা প্রার্থী। আজ বিশ্ব পুরুষ দিবস। এই দিবস উপলক্ষে বন্ধু তালিকায় থাকা না থাকা অনেকের টাইমলাইনে, অনেক গ্রুপে কিংবা পোস্ট দেখেছি। নাহয় জানতামই না এমন একটা দিবস আছে। কারণ, নারী দিবস এ একটা আয়োজন থাকে, দিবসের এক সপ্তাহ আগে থেকে নানা ঢাকঢোল পিটিয়ে আয়োজন করে দিবসটি উদযাপন করে।
পৃথিবীতে যা কিছু মহান সৃষ্টি চির কল্যাণকর, অর্ধেক তার করিয়াছে নারী অর্ধেক তার নর’ -নারী ও পুরুষকে এভাবেই দেখেছেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম। কিন্তু আমরা কি নারী কে যেভাবে দেখছি, পুরুষদেরও কি সেভাবে দেখেছি? কই পত্রিকা গুলোতে ত কোন বিশেষ আয়োজন ছিলো না, টেলিভিশনের কোন বিশেষ অনুষ্ঠান কিং সরকারি -বেসরকারি তেমন কোন আয়োজন ত নজরে আসলো না।
তার মানে পৃথিবীর কল্যাণকর কাজগুলোর জন্য নারীকে ক্রেডিট দেওয়া যাবে, কিন্তু পুরুষদের না। কারণ, তারা নিজেরা নিজেদের অধিকারের কথা বলতে পারে তাই?
আচ্ছা, কারা যেন বলে নারী পুরুষ সমান সমান অধিকার, আজ তারা কই, আসেন না, পুরুষদের অধিকার নিয়ে একটু কথা বলেন না। বলেন না পুরুষ অধিকার আইন নিয়ে, কথা বলেন পুরুষ নির্যাতন আইন নিয়ে। নারীর গর্ভকালীন সময়ে তার অফিস ছুটি দেয়, সেই সময়ে নারী তার সওয়ামীকে পাশে চায়। আর পুরুষ, সারাদিন অফিস শেষ করে রাতে গিয়ে স্ত্রীকে সময় দিতে পারে না কারণ, শারিরীক ক্লান্তি। আর এটাই সমাজ বলে কই তুমি ত তোমার বউ কে সময় দেও না। আরে ভাই এইটা না বলে বলেন না, এইদেশেও পিতৃত্বকালীন ছুটি জারি করতে।
নাহ, এসব সময়ে আপনাদের মুখ খুলবেন না। মুখ খুলবেন শুধু পুরুষের লেবাসধারী কিছু হায়েনা যখন বাসে কোন নারীকে উত্যক্ত করবে, নারী নির্যাতনকারী কিংবা রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে পুরুষ যখন প্রসাব করছে তাদের নিয়ে।
আজ সমাজ শুধু পুরুষদের খারাপ দিকগুলো নিয়েই কথা বলে, কিন্তু সবাই ভুলে যায় এই পুরুষের অস্তিত্ব নিয়েই নারীর জন্ম। আদম (আ) এর জন্য মা হাওয়ার জন্ম। এমনকি এখনও ইংরেজীতে কিংবা শব্দগুলোকে লিখতেও দরকার পুরুষের পূর্ণ সমর্থন। কারণ, এবং ছাড়া নারীবাদীরাও এই শব্দদুটো ব্যবহার করতে পারবে না। বাবা, ভাই, স্বামী, সন্তান সব যায়গায় নারীর ওষ্ঠেপৃষ্ঠে পুরুষ জড়িত, যারা নারীদের সম্মান রক্ষায় কাজ করছেন। গুটি কয়েক পুরুষের জন্য সমাজের সকল পুরুষের ঘাড়েই নিন্দার ভার। অথচ এমন কিছু কাজ নারী জাতিরাও করেছে বা করছে। সেগুলো নিয়ে কারোই মাথাব্যথাও নেই। এই সমাজ নারী অধিকার নিয়ে কথা বলে, নারী নির্যাতন আইন নিয়ে কথা বলে, নারীকে স্বাবলম্বী করে গড়ে তুলতে কাজ করে। অথচ আমরা ভুলে যাই একাজ করতে যায় সমাজের অধিকাংশ পুরুষরাই।
পৃথিবীর সকল অবহেলিত, নিপীড়ত, মেয়েদের সুরক্ষা দিতে গিয়ে আহত-নিহত সকল পুরুষদের পক্ষ থেকে আপনাদের সকলকে জানাই পুরুষ দিবসের শুভেচ্ছা। 😁

(আমি মোটেই তর্কাতর্কির জন্য পোষ্ট করিনি, তাই ব্যক্তিগত ভাবে নিয়ে তর্ক না করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি)

লেখাটা- ২০১৯ সালের

#আরকেজ্যান

03/11/2025

নারী ভূল জায়গায় গিয়ে ঠকে,
আর সঠিক জায়গায় গিয়ে ঠকায়।

24/10/2025

আমি মনে করি বিয়ের পর পর নবদম্পতির আলাদা বাসায় শিফট হওয়া উচিত যদি সামর্থ্য থাকে।

সামর্থ্য না থাকলেও চেষ্টা করা উচিত আলাদা থাকার ব্যবস্থা করার।
কারণ, বিয়ের পরের সময়টাই আসল সময় নিজেদেরকে ভালো ভাবে জানার বুঝার, আর এই জানাবুঝার জন্য একান্ত সময়ের প্রয়োজন। যে সময়টা পরিবারের সাথে থাকলে পাওয়া সম্ভব না। এখানে কিন্তু পরিবার আলাদা সময় দিবেনা, ব্যাপার টা এমন না।

পরিবার নবদম্পতিকে আলাদা সময় দিতে চাইলেও সেটা তাঁরা ব্যবহার করতে পারেনা অনেক কারণে।

ছোটখাটো কয়েকটি উদাহরণ দেই-
রাতভর গল্প করে সকালে দেরিতে উঠলে কেউ কিছু না বললেও নিজের কাছেই গিল্টি ফিল হয়, একই সাথে লজ্জাও লাগে এই ভেবে যে কে কি মনে করলো!

দুপুরের ভাত ঘুমের পর হয়তো একে অপরকে জড়িয়ে ধরে শুয়ে গল্প করছে, অমনি কেউ ডাক দিবে, গেস্ট এসেছে নতুন বউকে দেখতে!
সন্ধ্যায় কিংবা মধ্যরাতে বারান্দায় অপরকে বাহুতে জড়িয়ে ধরে বসতে পারা যায়না, কে কখন ডাক দিবে!

দুজনে চা/কফি কিংবা ডিনারে যেতে চাইলে একটা দ্বিধা কাজ করে, পরিবারকে ছাড়া যাওয়াটা কেমন লাগে...ছোট ভাইবোন থাকলে আরও খারাপ লাগে তাদেরকে রেখে যেতে।
৩/৪ দিনের ছুটি পেলে কোথাও ট্যুরে যাওয়ার ইচ্ছে করতে পারে, কিন্তু সেখানেও দ্বিধা, এভাবে হুটহাট যাবো বাসায় কি বলা যায়...তাদেরকে রেখে যাওয়াটা কেমন দেখায়!
যেমন ইচ্ছে তেমন পোশাক পরা যায়না, যা ইচ্ছে তা বলা যায়না, যখন তখন রোমান্স করা যায়না...!!!

সবসময় মাথায় রাখা লাগে সবার মধ্যে আছি!
সময় মতো না উঠলে কে কি ভাবে, এই পোশাক টা পরলে কে কি ভাববে, এই সময় ইন্টিমেট হইলে কেউ যদি বুঝে কেমন লাগবে, এই অবেলায় গোসল করা যায় কি বাহানায়...
কেউ কিছু ভাবুক আর না ভাবুক, ভাবতে পারে বলতে পারে বুঝতে পারে এই ভাবনাতেই নিজেদের জীবনের সবচেয়ে সুন্দর সময়টা সুন্দর ভাবে কাটানো সম্ভব হয়না!
শুনতে এসব খুব সাধারণ মনে হলেও ঘরে ঘরে এইসব নিয়ে অনেক অশান্তি হতে দেখেছি শুনেছি।

কেউ স্বীকার করুক আর না করুক, এটাই সত্য যে বিয়ের পর প্রথম কয়েকবছর যে পরিমাণ আগ্রহ একে অপরকে মানসিক শারীরিক ভাবে চেনার জানার কাছে পাওয়ার থাকে তা একেবারেই অন্য লেভেলের!
সময়ের সাথে সাথে এক্সাইটমেন্ট টা পরিবর্তন হয়ে যায়, তখন জীবন রুটিনের মধ্যে চলে আসে। ভবিষ্যৎ প্ল্যানিং, ফ্যামিলি প্ল্যানিং, ক্যারিয়ার ইত্যাদি ইত্যাদির মধ্যে নিজেদের একান্ত চাওয়া পাওয়া গুলা কিছুটা হলেও কমে যায়...

ভালবাসা কমার কথা বলছিনা কিন্তু!
ভালবাসা থাকলে আজীবন ই থাকে।
বলছি ভালবাসার ধরণ পাল্টানোর কথা।
একটা বাচ্চা হয়ে গেলে তখন জীবনসঙ্গী শুধু জীবনসঙ্গী থাকেনা, বাচ্চার বাবা/মা হয়ে যায়। তখন নিজেদের একান্ত সময়ের ভাগ বাচ্চাকে দেয়া লাগে...বাচ্চাকে নিয়ে নানান ব্যস্ততা চলে আসে।

তাই বাচ্চা হবার আগে যতটা সম্ভব নিজেদের সম্পর্কে সময় দেয়া উচিত, বন্ডিং টা শক্তপোক্ত করা উচিত, নিজেদের অভ্যাসের সাথে পরিচিত হওয়া উচিত। বিয়ে/জীবনসঙ্গী নিয়ে নিজেদের স্বপ্ন/ফ্যান্টাসি গুলা পূরণ করে ফেলা উচিত।
আর এইটার জন্য প্রয়োজন আলাদা থাকার। শুধুমাত্র দুজনা থাকলে একে অপরের ওপর নির্ভরশীলতা বাড়ে, মায়া বাড়ে, ভালবাসার প্রকাশ বাড়ে, সম্পর্ক মজবুত হয়।

কিন্তু যেখানে ছেলের বিয়ে দিলেই মনে করা হয় পুত্রবধূ এবার ছেলেকে বশ করে নিবে/নিচ্ছে...
সেখানে আলাদা থাকার কথা বললেই তো হাওকাও বেঁধে যাবে!
যেহেতু বিয়ের পর ছেলের পরিবারের সাথেই থাকা হয়, আপত্তিও তাই ছেলের পরিবার থেকেই আসে/আসবে।
এক্ষেত্রে ছেলের দায়িত্ব এই আপত্তি যেন না আসে সেই ব্যবস্থা করা, সবাইকে বুঝানো এই সিদ্ধান্ত নেয়া হচ্ছে কেন।

অবশ্য বাঙালি ছেলেরা মুখে প্রগতিশীলতার কথা বললেও নিজের ঘরে সেই আদিমকালের মতো ব্যবহার করতে চায়!
মনে করে বিয়ে করলে সেই বউয়ের দায়িত্ব তার পরিবারের দেখাশোনা করা! অথচ এইটা খুবই অহেতুক চাহিদা!
পুত্রবধূ যদি পরিবারের দেখাশোনা করে, খোজ রাখে, ভালবাসে এইটা তার ভালো মানুষী, ভদ্রতা, মানবিকতা।

কিন্তু এইসব করতে সে বাধ্য না, আর তাকে বাধ্য করা উচিতও না।
এদিকে, অনেক ছেলে বিয়েই করে মা বাবার জন্য কাজের মেয়ে পাবার আশায়! অনেকে তো আরও একধাপ এগিয়ে, বিয়ে করে বউকে বাপ মায়ের কাছে রেখে সে চলে যায় দূরে কোথাও!
এইটা কেমন আচরণ আমি আসলেই বুঝিনা!
একটা মেয়ে অনেক স্বপ্ন নিয়ে বিয়ে করে। আর যাই হোক স্বামী ছাড়া শ্বশুরবাড়িতে থাকার স্বপ্ন দেখেনা মোটেও!

কিন্তু তাকে বাধ্য করা হয় এমন জীবন যাপন করতে.....!!!
এই পর্যন্ত পড়ে অনেকেই মনে করতে পারেন এই মেয়ে দেখি ছেলেকে তার পরিবার থেকে দূর হবার কথা বলছে!
ভুল বুঝেছেন।
পরিবারের সাথে দূরত্ব তৈরি করা আমার উদ্দেশ্য না, আমি সে কথা বলছিও না।

পরিবারের সাথে অবশ্যই যোগাযোগ থাকবে, কথা হবে, দেখা করতে যাওয়া হবে, সময় সুযোগ সামর্থ্য মিললে একসাথে ঘুরতে যাওয়াও হবে...
সবই হবে...

শুধু থাকাটা হবে আলাদা ফ্ল্যাটে, কিংবা আলাদা বাসায়।
ভাবতে পারেন যেমনটা বিয়ের পর একটা মেয়ে তার পরিবারের থেকে আলাদা থাকে, তেমনটা।

এতে কিন্তু সম্পর্ক নষ্ট হবার কোনো চান্স নাই।
একসাথে থাকলে বরং নানান সময় নানান রকমের সমস্যা হবে, সেই সমস্যায় না পারবেন স্ত্রীর সাইড নিতে আর না পারবেন পরিবারের সাইড নিতে..মাঝামাঝি পিষবেন।

বলতে পারেন ব্যালেন্স করে চলা যায়।

তা যায়, কিন্তু এই ব্যালেন্স করা টা খুবই কঠিন...!!
অন্যদিকে, দূরে থেকেও ব্যালেন্স করে চলা যায়।

Address

রুম #০৩, লিফট-৫, খাজা মন্জিল, জজকোর্ট, ঢাকা।
Dhaka
1100

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bangladesh Men's Rights Foundation-BMRF posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Bangladesh Men's Rights Foundation-BMRF:

Share