শিক্ষা সভা

শিক্ষা সভা শিক্ষা বিষয়ক স্বেচ্ছাসেবী ও অবাণিজ্যিক উদ্যোগ

বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান চর্চার সূচনায় রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদীর অবদান অবিস্মরণীয়। উনিশ শতকে বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান চর্চার ক্ষেত...
20/08/2026

বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান চর্চার সূচনায় রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদীর অবদান অবিস্মরণীয়।

উনিশ শতকে বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান চর্চার ক্ষেত্রে অন্যতম প্রধান সমস্যা ছিল বৈজ্ঞানিক পরিভাষার অভাব। রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদীকে বলা হয় 'বাংলা পরিভাষার আদি স্থপতি'। তিনিই বাংলা ভাষায় পরিভাষা রচনার রীতি নিয়ে প্রথম আলোচনা করেন ও বেশ কিছু পারিভাষিক শব্দ রচনা করেন। তাছাড়া মাতৃভাষায় সহজ-সরলভাবে বৈজ্ঞানিক বিষয়গুলোকে উপস্থাপনের ক্ষেত্রে ও বাংলা ভাষায় বৈজ্ঞানিক সাহিত্য সৃষ্টিতে তাঁর ভূমিকা রয়েছে।

১৮৬৪ সালের আজকের দিনে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। এদিনে আমরা তাঁকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি। তাঁকে নিয়ে বিস্তারিত একটি লেখার লিংক রয়েছে কমেন্টে।

দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী তাসফিয়া তাসনিম মাদিহা শিক্ষা সভা গ্রন্থাগারের একজন নিয়মিত সদস্য। বই পড়তে খুব ভালো লাগে তার। গ্রন্...
20/08/2026

দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী তাসফিয়া তাসনিম মাদিহা শিক্ষা সভা গ্রন্থাগারের একজন নিয়মিত সদস্য। বই পড়তে খুব ভালো লাগে তার। গ্রন্থাগার থেকে নিয়মিত বেছে বেছে পছন্দের বই নিয়ে যায় সে। পড়ার পাশাপাশি ছবি আঁকাতেও তার বিপুল আগ্রহ। আর, তাই তার প্রিয় গ্রন্থাগারের জন্য রঙিন কাগজ দিয়ে ছবিটি তৈরি করে পাঠিয়েছে সে।

শুভকামনা রইল তার জন্য।

১৯৭০ সাল। মুক্তি পেলো একটি চলচ্চিত্র, নাম – “জীবন থেকে নেয়া”। পরিচালক জহির রায়হান।ছবির পোস্টারের স্লোগান ছিল – “একটি দেশ...
19/08/2026

১৯৭০ সাল। মুক্তি পেলো একটি চলচ্চিত্র, নাম – “জীবন থেকে নেয়া”। পরিচালক জহির রায়হান।

ছবির পোস্টারের স্লোগান ছিল – “একটি দেশ, একটি সংসার, একটি চাবীর গোছা, একটি আন্দোলন।” নান্দনিক এই পোস্টারের স্লোগান পড়ে মনে হতে পারে একটি চাবির গোছা নিয়ে এক আটপৌরে বাঙালি পরিবারের সাংসারিক গল্প। কিন্তু সেটি ছিল আসলে রূপক অর্থে মুক্তিযুদ্ধের পটভূমির গল্প। এর সাথে জড়িয়ে আছে ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান, ১১ দফা, শহিদ আসাদের আত্মদান। এটিই ছিল ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন ও একুশে ফেব্রুয়ারি নিয়ে নির্মিত প্রথম চলচ্চিত্র।

মুক্তির পর প্রথম দিনেই নিষিদ্ধ হয় এর প্রদর্শনী।

চলচ্চিত্রটির পরিচালক জহির রায়হান ১৯৩৫ সালের আজকের দিনে ফেনী জেলার মজুপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। এ দিনে আমরা তাঁর এ সাহসী ও যুগোপযোগী সৃষ্টিকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি।

[চলচ্চিত্রটি নিয়ে আরো বিস্তারিত লেখার লিংক রয়েছে কমেন্টে।]

ছবিটি দেখে ভিনসেন্ট ভ্যান গগের বিখ্যাত ‘দ্য স্টারি নাইট’-এর কথা কি মনে পড়ে? দেখতে খুব সাধারণ মনে হলেও ছবিটি নিঃসন্দেহে অ...
19/08/2026

ছবিটি দেখে ভিনসেন্ট ভ্যান গগের বিখ্যাত ‘দ্য স্টারি নাইট’-এর কথা কি মনে পড়ে? দেখতে খুব সাধারণ মনে হলেও ছবিটি নিঃসন্দেহে অসাধারণ।
কারণ, এখন পর্যন্ত সূর্যের দৃশ্যমান পৃষ্ঠের তোলা ছবিগুলোর মধ্যে এটিই সর্বোচ্চ রেজোলিউশনের ছবি! জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা হাওয়াইতে অবস্থিত একটি সৌর টেলিস্কোপ ব্যবহার করে এই ছবি তুলতে সক্ষম হন। ৫ই আগস্ট, ২০২৬ তারিখে ছবিটি প্রকাশিত হয়।

সূর্যের প্রচণ্ড উত্তপ্ত গ্যাসসমূহ ভিন্ন-ভিন্ন গতিতে চলাচল করার কারণে সেখানে এমন ঘূর্ণির সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘূর্ণিগুলো ‘কেলভিন-হেলমহোল্টজ অস্থিতিশীলতা’ নামে পরিচিত একটি প্রক্রিয়ার ফল।

এই আবিষ্কার বিজ্ঞানীদের কিছু বিষয় বুঝতে সাহায্য করতে পারে। যেমন: কীভাবে সূর্য এমন শক্তিশালী অগ্ন্যুৎপাত তৈরি করে, যা স্যাটেলাইট, জিপিএস, যোগাযোগব্যবস্থা এবং পৃথিবীর বৈদ্যুতিক গ্রিডে প্রভাব ফেলতে পারে।

তথ্যসূত্র: রয়টার্স

ওটেন সাহেবের মুখোমুখি কলেজে পড়াকালীন সময়ের একটি ঘটনা সুভাষচন্দ্রের জীবনের গতি পালটে দিল। ঔপনিবেশিক ভারতবর্ষে ইংরেজদের ...
18/08/2026

ওটেন সাহেবের মুখোমুখি

কলেজে পড়াকালীন সময়ের একটি ঘটনা সুভাষচন্দ্রের জীবনের গতি পালটে দিল। ঔপনিবেশিক ভারতবর্ষে ইংরেজদের বর্ণবাদী আর বৈষম্যমূলক ব্যবহারে এদেশের মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল। এই ধরনের মনোভাব ছিল কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজের অধ্যাপক এডোয়ার্ড ফার্লে ওটেন সাহেবের। সব সময়েই ভারতীয় ছাত্রদের নিয়ে ব্যঙ্গ বিদ্রূপ করতেন তিনি। একদিনের ঘটনা, ১৯১৬ সালের ১০ই জানুয়ারি। ক্লাস নিচ্ছিলেন অধ্যাপক ওটেন। বাইরের বারান্দায় জনাকয়েক ছাত্রের কথার হই-হট্টগোলে বিরক্ত হয়ে বেরিয়ে এলেন তিনি। ছাত্রদের একচোট বকুনি দিয়ে ক্লাসে ফিরে এলেন। তারপরই জাত তুলে গালাগাল শুরু করলেন ভারতীয়দের। ক্লাসের প্রতিনিধি সুভাষচন্দ্র এর তীব্র প্রতিবাদ জানান। এমনকি কলেজের প্রিন্সিপাল হেনরি জেমসকেও জানানো হল এই দুর্ব্যবহার সম্পর্কে। কিন্তু কোনো ফল হল না। ছাত্রদের সঙ্গে বৈঠকে বসেও কোনো সুরাহা হল না। তারপরই ঘটল সেই ঘটনা। ওটেন সাহেব ক্লাস নিচ্ছিলেন। বারান্দায় আবার ছাত্রদের ভীষণ হৈচৈ শুরু হল। রাগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে ওটেন সাহেব ক্লাস থেকে বের হয়ে এক ছাত্রের গায়ে হাত তুললেন। সেদিন বিকেলেই সুযোগ বুঝে ছাত্ররা তাঁকে ঘিরে ধরলো। কী ঘটেছিল তা পরিষ্কার জানা যায় নি। তবে সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল, অধ্যাপক ওটেনকে ভীষণ মারধর করেছে ছাত্ররা। তবে মনে রাখার মত ব্যাপার হল, সুভাষকে অধ্যাপক ওটেন ক্ষমা করে দিয়েছিলেন, এমনকি পরবর্তীকালে তিনি তাঁর এ মৃত্যুঞ্জয়ী ছাত্রকে উদ্দেশ্য করে ইংরেজিতে একটি কবিতাও লিখেছিলেন।

এই ঘটনায় সুভাষকে কলেজ থেকে বহিষ্কার করা হয়। এমনকি তিনি যেন অন্য কোথাও পড়াশোনা করতে না পারেন তার ব্যবস্থাও করেছিল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। পরে ভাইস চ্যান্সেলর আশুতোষ মুখোপাধ্যায়ের সহযোগিতায় স্কটিশ চার্চ কলেজে ভর্তি হন তিনি।

নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু আজকের এই দিনে বিমান দুর্ঘটনায় নিখোঁজ হন।

তাঁর কৈশোর ও তারুণ্যের সময়কার কিছু গল্প রয়েছে কমেন্টে।

অনেক অভিভাবক ভাবছেন, মোবাইল ফোনের মাধ্যমেই তাদের সন্তানেরা অনেক কিছু শিখছে। কিন্তু, দিন দিন বিভিন্ন জাতীয় পরীক্ষার ফলাফল...
17/08/2026

অনেক অভিভাবক ভাবছেন, মোবাইল ফোনের মাধ্যমেই তাদের সন্তানেরা অনেক কিছু শিখছে। কিন্তু, দিন দিন বিভিন্ন জাতীয় পরীক্ষার ফলাফল ও জাতীয় পর্যায়ে করা জরিপে তার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না। স্মার্টফোনের অতিব্যবহারের ফলে অনেক শিশুরই জ্ঞান হচ্ছে ভাসাভাসা, কমে যাচ্ছে ধৈর্য, আগ্রহ, মাথা খাটানোর ইচ্ছে, কল্পনা করার শক্তি। সে সাথে দানা বাঁধছে শারীরিক ও মানসিক নানা সমস্যা। সামাজিক মেলামেশার ক্ষেত্রে তারা হয়ে পড়ছে অক্ষম।

এ সব তথ্য দেশ-বিদেশের নানা গবেষণায় বহুবার এসেছে এবং আরো নতুনভাবে আসছে। নানা দেশে এ নিয়ে তোলপাড় শুরু হলেও, আমাদের দেশে এখনো এ বিষয়ে আলোচনা বেশ প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। দেশে বিপুল পরিমাণ নতুন নাগরিক তৈরি হচ্ছে, যারা মানসিকভাবে অস্থির, অমনোযোগী, জটিল ত দূরের কথা, সরল-সাধারণ চিন্তা করতে অক্ষম, সৃজনশীল ভাবনা ভাবতে অনিচ্ছুক, মানুষের দুঃখ-কষ্ট বুঝতেই অপারগ।

তবে, কেবল নবীনদের দোষীর কাঠগড়ায় দাঁড় করানো সমীচীন নয়। কেন তাদের স্বপ্নগুলো এমন হল? কেন এই ক্ষতিকর বস্তুটি এত সহজলভ্য হল? কেন তাদের শৈশব চুরি হয়ে গেল? কেন এমন কিম্ভূতকিমাকার মানুষ তৈরির কল চলছে? - সে সব প্রশ্ন তোলা আরো বেশি জরুরি।

সম্পূর্ণ লেখাটি পড়া যাবে কমেন্টে।

আজ কিশোর কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের শততম জন্মবার্ষিকী। জন্মশতবার্ষিকীতে কবিকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি। আগামীসুকান্ত ভট্টা...
15/08/2026

আজ কিশোর কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের শততম জন্মবার্ষিকী। জন্মশতবার্ষিকীতে কবিকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি।

আগামী
সুকান্ত ভট্টাচার্য

জড় নই, মৃত নই, নই অন্ধকারের খনিজ,
আমি তো জীবন্ত প্রাণ, আমি এক অঙ্কুরিত বীজ;
মাটিতে লালিত, ভীরু, শুধু আজ আকাশের ডাকে
মেলেছি সন্দিগ্ধ চোখ, স্বপ্ন ঘিরে রয়েছে আমাকে।
যদিও নগণ্য আমি, তুচ্ছ বটবৃক্ষের সমাজে
তবু ক্ষুদ্র এ শরীরে গোপনে মর্মরধ্বনি বাজে,
বিদীর্ণ করেছি মাটি, দেখেছি আলোর আনাগোনা
শিকড়ে আমার তাই অরণ্যের বিশাল চেতনা।
আজ শুধু অঙ্কুরিত, জানি কাল ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পাতা
উদ্দাম হাওয়ার তালে তাল রেখে নেড়ে যাবে মাথা:
তারপর দৃপ্ত শাখা মেলে দেব সবার সম্মুখে,
ফোটাব বিস্মিত ফুল প্রতিবেশী গাছেদের মুখে।
সংহত কঠিন ঝড়ে দৃঢ়প্রাণ প্রত্যেক শিকড়:
শাখায় শাখায় বাধা, প্রত্যাহত হবে জানি ঝড়;
অঙ্কুরিত বন্ধু যত মাথা তুলে আমারই আহ্বানে
জানি তারা মুখরিত হবে নব অরণ্যের গানে।
আগামী বসন্তে জেনো মিশে যাব বৃহতের দলে;
জয়ধ্বনি কিশলয়ে: সম্বর্ধনা জানাবে সকলে।
ক্ষুদ্র আমি তুচ্ছ নই- জানি আমি ভাবী বনস্পতি,
বৃষ্টির, মাটির রসে পাই আমি তারি তো সম্মতি।
সেদিন ছায়ায় এসো: হানো যদি কঠিন কুঠারে
তবুও তোমায় আমি হাতছানি দেব বারে বারে;
ফল দেব, ফুল দেব, দেব আমি পাখিরও কূজন
একই মাটিতে পুষ্ট তোমাদের আপনার জন॥

[প্রগতিশীল এই কবির জীবনের কিছু কথা নিয়ে একটি লেখা পড়া যাবে কমেন্টের লিংকে।]

শিশু সুরক্ষার এক মামলায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের মালিক কম্পানি মেটাকে আরও ৫৬ কোটি ৭০ লক্ষ ডলার জরিমানা করেছে যুক...
13/08/2026

শিশু সুরক্ষার এক মামলায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের মালিক কম্পানি মেটাকে আরও ৫৬ কোটি ৭০ লক্ষ ডলার জরিমানা করেছে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ মেক্সিকো অঙ্গরাজ্যের এক আদালত।

শিশুদের জন্য তাদের প্লাটফর্মগুলোর ঝুঁকি সম্পর্কে জনসাধারণকে সচেতন করতে ব্যর্থতার দায়ে এ জরিমানা করা হয়েছে। শিশুদের সুরক্ষার প্রশ্নে এখন পর্যন্ত মেটার সর্বোচ্চ অংকের অর্থদণ্ড এটি।

রায়ে বিচারক ব্রায়ান বিডশাইড বলেন, এই সোশ্যাল মিডিয়া বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এমন ‘উপদ্রব’, যা বায়ু দূষণের মত ক্ষতি করে। তিনি আরও বলেন, “একটি কারখানা থেকে নির্গত বিষাক্ত দূষণ যেমন মানুষের নির্মল বাতাস পাওয়ার অধিকারকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে; তেমনি শিশুদের ওপর মেটা প্লাটফর্মের ক্ষতিকর প্রভাব কেবল ঐ প্লাটফর্মেই সীমাবদ্ধ থাকে না, বরং তা পুরো ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়ে এবং সম্ভবত সব চেয়ে উদ্বেগজনকভাবে বাস্তব জীবনেও প্রভাব ফেলে।
“এর ফলে ক্ষতিগ্রস্ত শিশু, তাদের পরিবার, স্কুল, হাসপাতাল এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার ওপর সামাজিকভাবে একটি সাধারণ বোঝা তৈরি হয়, ক্ষতি হয়।”

বিবিসি লিখেছে, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে একই ধরনের অভিযোগে মেটার বিরুদ্ধে হাজারের উপর মামলা বিচারাধীন।

বিস্তারিত কমেন্টে।

মেদিনীপুর কলেজিয়েট স্কুলে পড়ার সময়েই দেশের মুক্তিসংগ্রামে আত্মোৎসর্গের জন্য প্রস্তুতি নিতে শুরু করেন ক্ষুদিরাম। আর এ কাজ...
11/08/2026

মেদিনীপুর কলেজিয়েট স্কুলে পড়ার সময়েই দেশের মুক্তিসংগ্রামে আত্মোৎসর্গের জন্য প্রস্তুতি নিতে শুরু করেন ক্ষুদিরাম। আর এ কাজের উপযোগী দেহমন গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে তিনি নিয়মিত শরীরচর্চা করতেন। ইতিমধ্যেই মেদিনীপুরে ‘গুপ্ত সমিতি’ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। জ্ঞানেন্দ্রনাথ বসু, সত্যেন বসু এবং হেমচন্ত্র কানুনগো এই গুপ্ত বিপ্লবী কর্মযজ্ঞের পুরোধা। জ্ঞানেন্দ্রনাথ ও হেমচন্দ্র ছিলেন স্কুলের শিক্ষক, আর সত্যেন বসু ছিলেন কালেক্টরেট অফিসের কর্মচারী। সত্যেন্দ্রনাথই তখন প্রত্যক্ষভাবে ব্যায়ামাগার, পাঠাগার ইত্যাদি গড়ে তোলার কাজ করতেন।

মেদিনীপুর কলেজিয়েট স্কুল তখন জেলার অন্যতম সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। সেখানে পড়তে আসতো উচ্চবিত্ত ও মেধাবী ছেলেরা। তাঁদের সাথে পাল্লা দেবার ইচ্ছা কখনোই ক্ষুদিরামের হয় নি। যে শিক্ষা মানুষকে দেশের কথা ভুলিয়ে দিয়ে সমাজ সম্পর্কে উদাসীন করে তুলে, যে শিক্ষা কেবল ব্যক্তিগত স্বার্থসিদ্ধির পথে মানুষকে টেনে নিয়ে যায়, তার প্রতি তাঁর কোনো আসক্তি ছিল না। দৃঢ় মনোবল, দেশপ্রেম, আদর্শ, আর নিষ্ঠার কারণে মাত্র ১৪ বছর বয়সেই তিনি সত্যেন বসুর প্রিয়পাত্র হয়ে উঠেন। তাঁদের দলে ঢোকার আহ্বানে উজ্জ্বল হয়ে উঠেছিল ক্ষুদিরামের মুখ।

শুরু হল ক্ষুদিরামের জীবনের নতুন অধ্যায়।

বিস্তারিত পড়া যাবে কমেন্টের লিংকে।

মাছিমদিয়া গ্রামের পাশ ঘেঁষে চলে গেছে চিত্রা নদী। সবুজে ঘেরা চিত্রার পাড়। শেষ বিকেলে এখানে কোমল সোনালী রোদ লুকোচুরি খেল...
10/08/2026

মাছিমদিয়া গ্রামের পাশ ঘেঁষে চলে গেছে চিত্রা নদী। সবুজে ঘেরা চিত্রার পাড়। শেষ বিকেলে এখানে কোমল সোনালী রোদ লুকোচুরি খেলে গাছের ডালে। পাখির কিচিরমিচির ডাক শান্ত এ পরিবেশে যেন শান্তির আবহ তৈরি করে। এই চিত্রার পাড়েই শৈশব কেটেছে বিশ্ববরেণ্য শিল্পী এস এম সুলতানের। ১৯২৩ সালের ১০ই আগস্ট নড়াইল জেলার মাছিমদিয়ার এক দরিদ্র কৃষক পরিবারে তাঁর জন্ম। বর্তমানে এখানেই রয়েছে শিল্পী এস এম সুলতানের বসতভিটা ও সমাধি। এই বসতভিটা ও সমাধিকে কেন্দ্র করে ২৭ একর জায়গা জুড়ে গড়ে তোলা হয়েছে ‘এস এম সুলতান স্মৃতি সংগ্রহশালা’। স্থানীয় বাসিন্দারা এই সংগ্রহশালাকে ‘সুলতানের বাড়ি’ বলে চেনেন।

বিস্তারিত কমেন্টে।

Address

মিরপুর
Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when শিক্ষা সভা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to শিক্ষা সভা:

Shortcuts

Share