We empower students & community members through education, service & leadership initiatives. We aim to create a society without discrimination and societal barriers. ''আলোর খোঁজে “ একটি ব্যতিক্রম ধর্মী প্রতিস্থানের নাম । এটা কোন পরিপূর্ণ স্কুল না, কিন্তু এখানে যারা আসে তারা সবাই কোন না কোন স্কুলে পরে। এখানে যারা পড়ে তাদের বেশির ভাগের বাবা রিকশা চালক আর মা মানুষের বাসায় কাজ করে। এদের বাবা মা অনেক ক
ষ্ট করে তাদের স্কুলে পড়ায়, কিন্তু স্কুলে তারা যা পড়ে সেটা ভালো ভাবে বুঝানোর মত কেউ নাই তাদের, এক কথায় বলতে প্রাইভেট টিচার । আমারা বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র / ছাত্রী দ্বারা তাদের স্কুলে পড়ানো পড়া গুলো খুব ভালো ভাবে পড়িয়ে দেই ।
সর্বমোট ৬০ জন বাচ্চা আছে যারা বিভিন্ন শ্রেণিতে পড়ে। ১ম শ্রেণী থেকে শুরু করে ৬ষ্ঠ শ্রেণী পর্যন্ত। মোট ৩ টা ভাগে আমারা তাদের পড়িয়ে থাকি। স্কুলের দৈনিক কার্যক্রম শুরু হয় (শুক্রবার ব্যতীত) ঠিক দুপুর ৩ টায়, এই সময় ৩-৪ বছরের বাচ্চারা প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহন করে, যেমন কোন স্কুলে শিশু শ্রেণিতে ভর্তি হতে হলে যা যা জানা থাকতে হয় । ৪ টা থেকে শুরু হয় বড়দের পড়া এখানে ভাগে ভাগে ১ম শ্রেণী থেকে ৬ষ্ঠ শ্রেণী পর্যন্ত বাচ্চারা পড়ে থাকে । যতক্ষণ পর্যন্ত না তাদের পড়া শেষ হয় ততক্ষণ পর্যন্ত চলে তাদের পড়া। ঠিক সন্ধ্যার পর শুরু হয় বয়স্কদের শিক্ষা । আমারা ১২ থেকে ১৪ জন মহিলা ও পুরুষ কে প্রাথমিক শিক্ষা দিয়ে থাকি ।
বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট ১২ জন শিক্ষার্থী তাদের সুবিধা মত প্রতিদিন ৩-৪ জন উপস্থিত থাকে ।
মোট ১২ জন সেচ্ছাসেবী প্রতিমাসে ২০০ টাকা করে দেয়, এবং ২ জন প্রতিস্থাতা ২০০০ করে টাকা দেয় । এতে আমাদের মাসিক ভাড়া উঠে আসে। আর যে বাকি খরচ আছে যেমন ; খাতা, বই, পেন্সিল,কলম,রাবার,রঙ, পেন্সিল স্কেল ইত্যাদি অনেক হৃদয়বান মানুষ দিয়ে থাকে।
আলোর খোঁজের সেচ্ছাসেবীদের সহযোগিতায় প্রতিটি উৎসব পালন করা হয় । দুটি ঈদে বাচ্চাদের দেয়া হয় নতুন জামা । ইদের আগে বাচ্চাদের দেয়া হয় ঈদ সামগ্রী যার মধ্যে থাকে সয়াবিন তেল, সেমাই, দুধ, চিনি, এক কেজি পোলাউ এর চাল ইত্যাদি। কোরবানির ইদের আগে তাদের প্রদান করা হয় দাতের ব্রাশ, পেস্ট, চিরনি, নেল কাটার, ইত্যাদি।
এছারা প্রতিটি ও উৎসব যেমন পহেলা বৈশাখ, পহেলা ফাল্গুন।
বিজয় দিবস, স্বাধীনতা দিবস, ২১শে ফেব্রুয়ারি এই দিবস গুলোতে বাচ্চাদের নিয়ে করা হয় রচনা প্রতিযোগিতা, কবিতা আবৃত্তি চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা ।
বর্তমান সরকারের শিক্ষা খাতে বিশাল অগ্রগতি । প্রায় প্রতিটা এলাকায় এখন সরকারি স্কুল আছে , আমাদের লক্ষ সেই সকল বাচ্চা যারা সব রকম সুবিধা পায় না । সেই সুবিধা গুলো তাদের প্রদান করা যেটা তারা পায় না ।