International Youth Change Maker - IYCM

International Youth Change Maker - IYCM Empowering people,Make to Children&Youth Friendly World. Campaign&Monitoring for the SDGs since 2012. Wheat leaves represent the green and forested world.
(6)

The International Youth Change Maker(IYCM )Organization was established in 2012 in 14 February with the aim of working in the service of public welfare or humanity in Kotwali Police Station of Barisal Sadar Upazila of Barisal District of Barisal Division. Article 1

Naming and slogan of the organization

This organization is called in Bengali as 'International Youth Change Maker' - in English as

'International Youth Change Maker' which is abbreviated as IYCM. The slogan of the organization - Bangla slogan - 'I will change myself, I will change the world'. In English - 'Change Yourself, Change the World'

Article 2

Types and characteristics of the organization:

International Youth Change Maker Organization - a completely non-sectarian, non-political, non-profit, voluntary, social, democratic and welfare oriented social organization. This organization will not have any affiliates or this organization will not act as an affiliate of any other organization. In the near future, the Department of Social Services will be registered as a voluntary organization and institution under the Voluntary Social Welfare Organization (Registration and Control) Ordinance, 1981 and related rules, 1982 and all the rules adopted by the Government of the People's Republic of Bangladesh will be strictly followed. Article 3

Office of the organization:

According to the decision of the executive council, the head office of the organization will be set up on a temporary basis at Segunbagicha in Dhaka. Subsequently, the permanent office of the organization will be set up in its own or rented building at any convenient place subject to consideration of the financial condition of the organization. However, at least two-thirds of the members of the executive council must agree. Otherwise, the decision of the majority members of the advisory council will be final. Article 4
Work area:

The scope of work of this organization will be 64 districts. Subsequently, the scope of work will be expanded based on the views of two-thirds of the members of the Executive Council and the Advisory Council. Article 5
Description of organization logo / monogram

There will be a logo for use in the official work of the organization. Logo design:
The logo will be a world map surrounded by wheat leaves and inside the diagram will be two shapes aimed at young people and below it will be written INTERNATIONAL YOUTH CHANGE MAKER. Meaning of logo:
The world map is a symbol of unity and solidarity, with youth embodying youth. Article 6

Aims and Objectives:

1. To co-operate in creating an environment for the development of the present potential of the present students and to play a role in developing them as good citizens by awakening their moral values, patriotism and sense of social responsibility.

2. Organizing various workshops in schools and colleges such as debates, quizzes, sports, cultural programs, free information services and awareness programs for the creation of creative, social people and good citizens.

3. To establish all the rights of the children of Bangladesh in accordance with the National Youth Policy and the UN Convention on the Rights of the Child and to implement the youth policy and to build Bangladesh as a youth and child friendly country. Achieving the SDG goal. And networking with young people around the world.

4. National Youth Policy and Child Rights Charter are being implemented to some extent and its progress (grassroots, local and national level) should be closely monitored and monitored.

5. Proper implementation of youth rights should be closely monitored and monitored

6. Create opportunities for non-discriminatory participation of youth and children at all levels. Ensure participation of children in various activities with adults on issues related to the interests of youth and children and take initiative to change the policy.

7. To inform the responsible and responsible persons at the local and national level about the situation of youth and child rights for the implementation of youth and child rights.

8. Promoting and implementing SDG goals along with the government.

9. To highlight the success and achievements of the youth of Bangladesh to the youth of the world.

10. Working with street children.

11. Ensuring quality education for disadvantaged children.

12. The organization currently operates nationally and internationally. It can even operate on a wider range at the international level, depending on organizational strength.We, the youth Change maker have total 40,000 Thousand
young volunteer among must are in grassroots
area from villages and they will have equal rights
equal love and they will grow up having equal
respect. If should be mandatory to allocate places for
young generation in governmental and
international regulatory committee and to
practice proper politics. We also believe that all
the young people in the world will get equal love. No young shall ever be hungry. All the young persons of International Youth
Change Maker will create a new world.
“We for Every Children & Youth.”

কণ্ঠস্বরেই বাঁচার পথ: ইথিওপিয়ার তরুণদের জলবায়ু লড়াইইথিওপিয়ার দক্ষিণাঞ্চলের ছোট্ট শহর লেকু। পাহাড়ঘেরা এই জনপদে বর্ষা মানে...
14/06/2026

কণ্ঠস্বরেই বাঁচার পথ: ইথিওপিয়ার তরুণদের জলবায়ু লড়াই

ইথিওপিয়ার দক্ষিণাঞ্চলের ছোট্ট শহর লেকু। পাহাড়ঘেরা এই জনপদে বর্ষা মানেই আতঙ্ক। হঠাৎ ভূমিধস, ভেঙে যাওয়া ঘরবাড়ি, ফসলহানি প্রকৃতির রুদ্ররূপ এখানে মানুষের জীবনের অংশ হয়ে গেছে বহু আগেই। কিন্তু সবচেয়ে বড় সংকট ছিল অন্য জায়গায় সতর্কবার্তা পৌঁছাত না সবার কাছে।

কারণ, আধুনিক জলবায়ু তথ্যব্যবস্থা তৈরি হয়েছে মূলত শিক্ষিত মানুষের জন্য। মোবাইল অ্যাপ, ওয়েবসাইট, অনলাইন সতর্কতা সবই লেখা নির্ভর। অথচ ইথিওপিয়ার লাখো গ্রামীণ মানুষ পড়তে বা লিখতে পারেন না। বিশেষ করে বয়স্ক কৃষক কিংবা প্রত্যন্ত অঞ্চলের নারীরা প্রযুক্তির এই দুনিয়ায় কার্যত অদৃশ্য।

এই বাস্তবতা বদলাতে এগিয়ে এসেছেন ২৫ জন তরুণ।
উপলক্ষে লেকুতে আয়োজিত হয় চার ঘণ্টার এক ব্যতিক্রমী কৌশলগত পরামর্শসভা। উদ্দেশ্য ছিল একটাই জলবায়ু প্রযুক্তিকে সবার জন্য সহজলভ্য করা। শুধু শিক্ষিতদের জন্য নয়, বরং সেই মানুষদের জন্যও, যাঁরা কোনো লেখা পড়তে পারেন না; কিন্তু বিপদের শব্দ খুব ভালো করেই বুঝতে পারেন।

এই তরুণেরা সিদ্ধান্ত নেন, তাঁদের “Amharic Eco-Oracle AI” অ্যাপকে সম্পূর্ণ ভয়েস–ভিত্তিক করে তোলা হবে। ব্যবহারকারী লিখবেন না কথা বলবেন। আর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) স্থানীয় আমহারিক ভাষায় কণ্ঠস্বরের মাধ্যমে জানিয়ে দেবে আবহাওয়া, ভূমিধসের ঝুঁকি কিংবা জরুরি সতর্কতা।

একজন অংশগ্রহণকারী বলছিলেন,
“আমাদের গ্রামের বৃদ্ধ মানুষগুলো ফোনে শুধু কল করতে পারেন। কিন্তু যদি ফোন নিজেই কথা বলে সতর্ক করে দেয়, তাহলে তাঁরাও জীবন বাঁচানোর তথ্য পাবেন।”

সভাটির সবচেয়ে বড় অর্জন ছিল শুধু প্রযুক্তিগত পরিকল্পনা নয়; বরং মানসিক এক বিপ্লব। অনেক তরুণই আগে ভাবতেন, আন্তর্জাতিক জলবায়ু উদ্যোগ কিংবা AI প্রযুক্তি শুধু শহুরে বা অভিজাতদের জন্য। কিন্তু এই উদ্যোগ তাঁদের বিশ্বাস বদলে দিয়েছে।

তাঁরা এখন একটি স্থায়ী “Climate Tech Taskforce” গঠন করেছেন। প্রতি সপ্তাহে নিয়মিত গবেষণা ও উন্নয়ন (R&D) সেশন হবে। লক্ষ্য আগামী বছরের মধ্যেই ইথিওপিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে এই ভয়েস সক্ষম জলবায়ু সতর্কতা ব্যবস্থা ছড়িয়ে দেওয়া।

যেখানে পৃথিবীর অনেক উন্নত প্রযুক্তি এখনো ভাষা ও শিক্ষাগত বৈষম্য তৈরি করছে, সেখানে লেকুর এই তরুণেরা প্রযুক্তিকে মানবিক করার লড়াই শুরু করেছেন।

তাঁদের স্বপ্ন খুব বড় নয় কিন্তু গভীর।

কোনো কৃষক যেন শুধু পড়তে না জানার কারণে প্রাণ না হারান।কোনো বৃদ্ধা যেন সতর্কবার্তা বুঝতে না পেরে ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা না পড়েন।
আর প্রযুক্তি যেন সত্যিই সবার হয়।

লেকুর ছোট্ট একটি কক্ষ থেকে তাই শুরু হয়েছে বড় এক পরিবর্তনের গল্প যেখানে AI শুধু প্রযুক্তি নয়, মানুষের কণ্ঠস্বর হয়ে ওঠার পথে।

বিজ্ঞানচর্চা থেকে স্বপ্নের উদ্যোক্তাচুনারুঘাটে তরুণদের উদ্ভাবনী ভাবনার উৎসবহবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলা যেন একদিনের জন্য হ...
13/06/2026

বিজ্ঞানচর্চা থেকে স্বপ্নের উদ্যোক্তা

চুনারুঘাটে তরুণদের উদ্ভাবনী ভাবনার উৎসব

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলা যেন একদিনের জন্য হয়ে উঠেছিল তরুণ উদ্ভাবকদের মিলনমেলা। বিজ্ঞান, প্রযুক্তি আর উদ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্নে বিভোর শতাধিক শিক্ষার্থীর প্রাণচাঞ্চল্যে মুখর ছিল “Startup Science Project & Innovation Idea Showcasing Program”।

এডুকেশনাল এক্সিলেন্স সাপোর্ট স্কিম (EESS), এসইডিপি ও মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, বাংলাদেশের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ প্রতিযোগিতায় উপজেলার ১১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়। তাদের চোখে ছিল নতুন কিছু করার স্বপ্ন, আর হাতে ছিল বিজ্ঞানভিত্তিক নানা উদ্ভাবনী প্রকল্প।

কেউ তৈরি করেছে প্রযুক্তিনির্ভর সমাধান, কেউ দেখিয়েছে পরিবেশবান্ধব নতুন ধারণা, আবার কেউ উপস্থাপন করেছে ভবিষ্যৎ উদ্যোক্তা হওয়ার মতো স্টার্টআপ পরিকল্পনা। Science Project, Innovation Idea ও Startup—এই তিনটি ক্যাটাগরিতে শিক্ষার্থীরা নিজেদের সৃজনশীলতা তুলে ধরে উপস্থিত অতিথি ও বিচারকদের মুগ্ধ করে।

প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করে দক্ষিণাচরণ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়। দ্বিতীয় হয় চুনারুঘাট পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এবং তৃতীয় স্থান অর্জন করে শাকির মোহাম্মদ উচ্চ বিদ্যালয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব গালিব চৌধুরী। উপস্থিত ছিলেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দ লিয়াকত হাসানসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান, শিক্ষক, সাংবাদিক ও অভিভাবকেরা।

শুধু প্রতিযোগিতা নয়, পুরো আয়োজনটি ছিল তরুণদের স্বপ্ন দেখার একটি মঞ্চ। শিক্ষার্থীদের পাশে থেকে স্বেচ্ছাসেবী সহায়তা প্রদান করেন International Youth Change Maker (IYCM)-এর চেঞ্জ মেকার মোঃ খালিদ হাসান। এছাড়াও চুনারুঘাট পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের স্টার্টআপ প্রকল্পের সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবেও কাজ করেছে IYCM।

অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া এক শিক্ষার্থী বলছিল, “বইয়ের পড়াশোনার বাইরে আমাদের ভাবনাগুলোও যে মূল্য পেতে পারে, এই আয়োজন সেটা বুঝিয়েছে।”

বর্তমান সময়ে শুধু ভালো ফলাফল নয়, প্রয়োজন সৃজনশীল চিন্তা ও সমস্যা সমাধানের দক্ষতা। এমন আয়োজন শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানমনস্ক করে তুলছে, পাশাপাশি তাদের মধ্যে উদ্যোক্তা হওয়ার সাহসও তৈরি করছে। ছোট ছোট উদ্ভাবনী চিন্তাই একদিন বড় পরিবর্তনের পথ দেখাতে পারে—চুনারুঘাটের এই তরুণরাই যেন সেই সম্ভাবনার নতুন প্রতিচ্ছবি।

গ্রামের শিক্ষার্থীদের মেধা ও উদ্ভাবনী শক্তিকে সামনে আনার এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত হবে—এমন প্রত্যাশা সবার।

জলবায়ু বদলের বিরুদ্ধে ছোটদের বড় পদক্ষেপ“পৃথিবীকে রক্ষা করতে হলে আজ থেকেই শুরু করতে হবে” এই বার্তাই ছড়িয়ে দিল জিম্বাবুয়ের...
10/06/2026

জলবায়ু বদলের বিরুদ্ধে ছোটদের বড় পদক্ষেপ

“পৃথিবীকে রক্ষা করতে হলে আজ থেকেই শুরু করতে হবে” এই বার্তাই ছড়িয়ে দিল জিম্বাবুয়ের বুলাওয়েও শহরের একদল তরুণ পরিবেশসচেতন মানুষ।

গত ৯ জুন, ২০২৬। জিম্বাবুয়ের বুলাওয়েও শহরের একটি বিদ্যালয়ে আয়োজন করা হয় ব্যতিক্রমধর্মী এক সচেতনতামূলক কর্মসূচি— “Climate Action Starts With Me: Empowering Young Environmental Stewards”। বৈশ্বিক উদ্যোগ Global Day of Action (GDA)–এর অংশ হিসেবে আয়োজিত এই দুই ঘণ্টার কর্মশালায় অংশ নেয় পঞ্চম, ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা।

আজকের পৃথিবীতে জলবায়ু পরিবর্তন শুধু একটি আন্তর্জাতিক আলোচনা নয়; এটি আমাদের প্রতিদিনের বাস্তবতা। অতিরিক্ত গরম, অনিয়মিত বৃষ্টি, খরা কিংবা পরিবেশদূষণের মতো সমস্যাগুলো শিশুদের ভবিষ্যৎকে হুমকির মুখে ফেলছে। অথচ অনেক শিশুই জানে না—জলবায়ু পরিবর্তনের কারণ কী, এর প্রভাব কতটা ভয়াবহ, কিংবা তারা নিজেরা কীভাবে পরিবর্তনের অংশ হতে পারে।

এই বাস্তবতা থেকেই আয়োজন করা হয় সচেতনতামূলক এই কার্যক্রম। সেখানে শিক্ষার্থীদের সহজ ভাষায় বোঝানো হয় পরিবেশদূষণের কারণ, প্লাস্টিক ব্যবহারের ক্ষতি, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব এবং দৈনন্দিন জীবনে ছোট ছোট পরিবেশবান্ধব অভ্যাস গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা।

শুধু বক্তৃতা নয়, পুরো আয়োজনজুড়ে ছিল শিক্ষার্থীদের সরব অংশগ্রহণ। কেউ বলেছে গাছ লাগানোর কথা, কেউ বলেছে প্লাস্টিক বর্জনের কথা, আবার কেউ প্রতিজ্ঞা করেছে বিদ্যালয় ও বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার রাখবে। শিশুদের উৎসাহ ও আগ্রহ প্রমাণ করেছে—সুযোগ পেলে তারাও পরিবেশ রক্ষার যোদ্ধা হয়ে উঠতে পারে।

আলোচনায় সক্রিয় অংশগ্রহণকারী কয়েকজন শিক্ষার্থীকে পুরস্কার হিসেবে দেওয়া হয় পুনর্ব্যবহারযোগ্য ব্যাগ। বিদ্যালয়কে উপহার দেওয়া হয় ডাস্টপ্যান, যাতে শিক্ষার্থীরা নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অংশ নিতে উৎসাহ পায়।

আয়োজকদের মতে, পরিবেশ রক্ষার শিক্ষা ছোটবেলা থেকেই শুরু হওয়া উচিত। কারণ আজকের শিশুরাই আগামী দিনের নেতৃত্ব দেবে। তারা যদি এখন থেকেই সচেতন হয়, তাহলে ভবিষ্যতে আরও দায়িত্বশীল সমাজ গড়ে উঠবে।

এই উদ্যোগ এখানেই থেমে থাকছে না। ভবিষ্যতে পরিবেশ ক্লাব গঠন, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, পুনর্ব্যবহার প্রকল্প এবং স্থানীয় সংগঠনের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগ নেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে তারা যেন নিজেদের শেখা বিষয় পরিবার ও বন্ধুদের মাঝেও ছড়িয়ে দেয়।

একটি ছোট্ট সচেতনতামূলক আয়োজন হয়তো পৃথিবী বদলে দিতে পারে না। কিন্তু পরিবর্তনের শুরু তো এমন ছোট ছোট পদক্ষেপ থেকেই হয়। আর সেই পথেই এগিয়ে যাচ্ছে বুলাওয়েওর ছোট্ট পরিবেশযোদ্ধারা।

গল্পে গল্পে জলবায়ু সচেতনতা: লাহোরের তরুণদের ব্যতিক্রমী উদ্যোগজলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত এখন আর দূরের কোনো বিষয় নয়। বাড়তি ত...
10/06/2026

গল্পে গল্পে জলবায়ু সচেতনতা: লাহোরের তরুণদের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ

জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত এখন আর দূরের কোনো বিষয় নয়। বাড়তি তাপমাত্রা, দূষিত বাতাস, পানির সংকট কিংবা পরিবেশের অবক্ষয়—এসবের প্রভাব প্রতিদিন অনুভব করছে বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ। তবে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে আছে আজকের শিশু ও তরুণেরা। অথচ পরিবেশ ও জলবায়ু নিয়ে তাদের শেখার, ভাবার কিংবা মত প্রকাশের সুযোগ খুবই সীমিত। সেই জায়গা থেকেই পাকিস্তানের লাহোরে আয়োজন করা হয় ব্যতিক্রমধর্মী একটি উদ্যোগ—“Minds for the Planet: Youth Climate Storytelling Lab”।

গত ৭ জুন, ২০২৬, গ্লোবাল ডে অব অ্যাকশন (GDA) উপলক্ষে আয়োজিত এই দুই ঘণ্টার কর্মশালায় অংশ নেয় স্থানীয় বিভিন্ন সুবিধাবঞ্চিত শিশু ও তরুণ। আয়োজনটির মূল উদ্দেশ্য ছিল গল্প বলা, অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি এবং আলোচনার মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তনকে তাদের জীবনের বাস্তবতার সঙ্গে যুক্ত করা।

কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীরা নিজেদের এলাকার পরিবেশগত সমস্যার কথা তুলে ধরে। কেউ বলেছে তীব্র গরমে স্কুলে যেতে কষ্ট হওয়ার অভিজ্ঞতা, কেউ বলেছে দূষণের কারণে শ্বাসকষ্টের কথা। আবার কেউ শেয়ার করেছে কিভাবে আশপাশের গাছ কমে যাওয়ায় বদলে যাচ্ছে তাদের ছোটবেলার পরিচিত পরিবেশ।

শুধু সমস্যার কথাই নয়, তরুণেরা আলোচনা করেছে সম্ভাব্য সমাধান নিয়েও। ছোট ছোট দৈনন্দিন অভ্যাস—যেমন প্লাস্টিক কম ব্যবহার, পানি অপচয় রোধ, গাছ লাগানো কিংবা পরিবার ও বন্ধুদের সচেতন করা—এসব নিয়েও তারা পরিকল্পনা করেছে। গল্প বলার এই পদ্ধতি অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সহমর্মিতা, আত্মবিশ্বাস ও সামাজিক দায়িত্ববোধ তৈরি করেছে।

উদ্যো র অন্যতম শক্তি ছিল এর সহজ ও টেকসই মডেল। স্কুল, কমিউনিটি সেন্টার কিংবা তরুণ সংগঠনের মাধ্যমে খুব সহজেই এ ধরনের আয়োজন ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব। Climate Institute Pakistan, LAI Student Chapter এবং Eye on Ivy–এর সহযোগিতায় ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে এ ধরনের কর্মশালা আয়োজনের পরিকল্পনাও রয়েছে।

আয়োজকদের বিশ্বাস, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াই শুধু নীতিনির্ধারকদের কাজ নয়; বরং সচেতন ও দায়িত্বশীল নতুন প্রজন্ম গড়ে তোলাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। আর সেই পরিবর্তনের শুরু হতে পারে একটি গল্প থেকে, একটি আলোচনা থেকে, কিংবা একজন তরুণের ছোট্ট উদ্যোগ থেকেও।

এই আয়োজন যেন সেটিই মনে করিয়ে দিল—পৃথিবীকে বদলানোর শক্তি তরুণদের হাতেই আছে, প্রয়োজন শুধু তাদের কথা বলার একটি মঞ্চ।

বন থেকে ভেসে আসা বার্তা: প্রতিশ্রুতি নয়, এখন প্রয়োজন জলবায়ু পদক্ষেপজার্মানির শান্ত শহর বন। রাইন নদীর তীর ঘেঁষে বিশ্বের ব...
09/06/2026

বন থেকে ভেসে আসা বার্তা: প্রতিশ্রুতি নয়, এখন প্রয়োজন জলবায়ু পদক্ষেপ

জার্মানির শান্ত শহর বন। রাইন নদীর তীর ঘেঁষে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা জড়ো হয়েছেন জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক জুন বৈঠক—এসবি৬৪–তে। সম্মেলনকক্ষের ভেতরে চলছে আলোচনা, দর–কষাকষি, নীতিনির্ধারণের প্রস্তুতি। কিন্তু সম্মেলনকক্ষের বাইরের বাস্তবতা আরও কঠিন। কোথাও বন্যায় ভেসে যাচ্ছে ঘরবাড়ি, কোথাও খরায় ফেটে যাচ্ছে জমি, কোথাও সমুদ্রের লবণাক্ত পানি গ্রাস করছে কৃষিজমি ও জীবনজীবিকা।

এই বাস্তবতার প্রতিনিধিত্ব করেই বিশ্বের ৪৪টি স্বল্পোন্নত দেশের জোট—এলডিসি (লিস্ট ডেভেলপড কান্ট্রিজ) গ্রুপ—বনে জড়ো হওয়া বিশ্বনেতাদের সামনে একটি স্পষ্ট বার্তা তুলে ধরেছে: জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় আর প্রতিশ্রুতি নয়, এখন প্রয়োজন কার্যকর পদক্ষেপ।

একশ কোটিরও বেশি মানুষের প্রতিনিধিত্বকারী এই জোট বলছে, জলবায়ু পরিবর্তন তাদের জন্য ভবিষ্যতের কোনো ঝুঁকি নয়; এটি বর্তমানের বাস্তবতা। প্রতিটি বন্যা, প্রতিটি ঘূর্ণিঝড়, প্রতিটি খরা তাদের উন্নয়নকে পিছিয়ে দিচ্ছে। দারিদ্র্য, খাদ্যসংকট ও বাস্তুচ্যুতির মতো সমস্যাগুলো আরও জটিল হয়ে উঠছে।

বাংলাদেশও এই বাস্তবতার অংশ। উপকূলীয় অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের আঘাত, নদীভাঙন, লবণাক্ততা বৃদ্ধি এবং অনিয়মিত বৃষ্টিপাত মানুষের জীবনকে ক্রমেই অনিশ্চিত করে তুলছে। অথচ বৈশ্বিক গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণে বাংলাদেশের অবদান অত্যন্ত সামান্য।

এ কারণেই বন বৈঠকে অভিযোজন বা ‘অ্যাডাপটেশন’ অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে। উন্নয়নশীল দেশগুলোর অভিযোগ, জলবায়ু অর্থায়নের বড় অংশ এখনো নির্গমন কমানোর প্রকল্পে ব্যয় হচ্ছে, অথচ ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীকে অভিযোজনের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ ও প্রযুক্তি পর্যাপ্তভাবে দেওয়া হচ্ছে না।

জলবায়ু অর্থায়ন নিয়েও প্রশ্ন বাড়ছে। বহু প্রতিশ্রুত তহবিলের ঘোষণা থাকলেও বাস্তবে সেই অর্থ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছাতে দেরি হচ্ছে। জটিল প্রক্রিয়া, সীমিত সক্ষমতা এবং প্রশাসনিক বাধার কারণে অনেক দেশ প্রয়োজনীয় সহায়তা পাচ্ছে না। ফলে জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলার প্রস্তুতিও দুর্বল থেকে যাচ্ছে।

এলডিসি গ্রুপের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি হলো ‘লস অ্যা
ড্যামেজ’ বা জলবায়ুজনিত ক্ষয়ক্ষতির জন্য কার্যকর সহায়তা নিশ্চিত করা। কারণ এমন অনেক ক্ষতি আছে, যা অভিযোজনের মাধ্যমেও এড়ানো সম্ভব নয়। হারিয়ে যাওয়া ঘরবাড়ি, বিলীন হয়ে যাওয়া কৃষিজমি কিংবা বাস্তুচ্যুত মানুষের জীবনের মূল্য কোনো পরিসংখ্যান দিয়ে পুরোপুরি প্রকাশ করা যায় না।

তবে বন থেকে আসা বার্তায় হতাশার পাশাপাশি আশার সুরও রয়েছে। প্রযুক্তি হস্তান্তর, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং জলবায়ু শিক্ষা ও সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে এখনও পরিবর্তনের সুযোগ রয়েছে। বিশ্বের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলো বলছে, প্রয়োজন শুধু রাজনৈতিক সদিচ্ছা এবং প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের সাহস।

প্যারিস চুক্তির লক্ষ্য অর্জনের সময় দ্রুত ফুরিয়ে আসছে। বিজ্ঞানীরা বহু বছর ধরেই সতর্ক করে আসছেন, বৈশ্বিক উষ্ণতা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে আর বেশি সময় নেই। সেই প্রেক্ষাপটে বন বৈঠক কেবল আরেকটি আন্তর্জাতিক সভা নয়; এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষাও।

রাইন নদীর তীরে চলা আলোচনা শেষ হবে কয়েক দিনের মধ্যেই। কিন্তু এর প্রভাব পৌঁছাবে বাংলাদেশের উপকূল, আফ্রিকার খরাপীড়িত অঞ্চল কিংবা প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্রগুলোর মানুষের জীবনে। তাই বন থেকে উচ্চারিত আহ্বানটি আজ শুধু স্বল্পোন্নত দেশগুলোর নয়, সমগ্র বিশ্বের জন্য—জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় কথার সময় শেষ, এখন কাজের সময়।



স্কুলে গড়ে উঠছে ‘খাদ্য বন’: জলবায়ু শিক্ষা, পুষ্টি ও শীতল পরিবেশের অনন্য উদ্যোগস্কুল প্রাঙ্গণে সারি সারি ফলদ গাছ। ছায়াঘের...
09/06/2026

স্কুলে গড়ে উঠছে ‘খাদ্য বন’: জলবায়ু শিক্ষা, পুষ্টি ও শীতল পরিবেশের অনন্য উদ্যোগ

স্কুল প্রাঙ্গণে সারি সারি ফলদ গাছ। ছায়াঘেরা সবুজ পরিবেশে ক্লাসে যাচ্ছে শিক্ষার্থীরা। টিফিনের সময় কেউ আম পাড়ছে, কেউ আবার গাছের পরিচর্যা করছে। এটি কোনো স্বপ্নের গল্প নয়; নাইজেরিয়ার ইকোনো এলাকায় বাস্তবায়িত হয়েছে ‘এডিবল গ্রিন ক্যানোপি প্রজেক্ট’—একটি উদ্যোগ, যা একসঙ্গে জলবায়ু শিক্ষা, খাদ্য নিরাপত্তা ও পরিবেশ সংরক্ষণের বার্তা ছড়িয়ে দিচ্ছে।

বিশ্বজুড়ে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব নিয়ে আলোচনা বাড়লেও অনেক শিক্ষার্থী এখনো বুঝতে পারে না, এর প্রভাব তাদের নিজস্ব জীবনে কীভাবে পড়ছে। এই বাস্তবতা থেকেই শুরু হয় প্রকল্পটি। এর লক্ষ্য ছিল শিক্ষার্থীদের শুধু জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কে জানানো নয়, বরং তাদেরকে সমাধানের অংশীদার হিসেবে গড়ে তোলা।

প্রকল্পের অংশ হিসেবে স্কুলে বিভিন্ন ফলদ ও ছায়াদানকারী গাছ রোপণ করা হয়। এসব গাছ একদিকে যেমন শিক্ষার্থীদের জন্য পুষ্টিকর খাদ্যের উৎস, অন্যদিকে স্কুলের তাপমাত্রা কমিয়ে একটি আরামদায়ক পরিবেশ তৈরি করছে।

উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত শিক্ষকরা জানান, আগে স্কুল প্রাঙ্গণে পর্যাপ্ত গাছ না থাকায় শিক্ষার্থীরা প্রচণ্ড গরমে অস্বস্তি বোধ করত। এখন গাছের ছায়া পরিবেশকে অনেকটা শীতল করেছে। একই সঙ্গে গাছের পাতাগুলো বাতাসের ধুলাবালি ছেঁকে বায়ুর মান উন্নত করতে সহায়তা করছে।

শিক্ষার্থীদের জন্য এর আরেকটি বড় সুফল হলো পুষ্টি। ফলদ গাছ থেকে পাওয়া ফল ভিটামিন ও খনিজের গুরুত্বপূর্ণ উৎস হিসেবে কাজ করবে। অনেক পরিবারের জন্য পুষ্টিকর খাদ্য নিশ্চিত করা চ্যালেঞ্জের বিষয়; সেখানে স্কুলভিত্তিক এই উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের খাদ্য নিরাপত্তায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে।

জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় গাছের গুরুত্বও শিক্ষার্থীরা হাতে-কলমে শিখছে। গাছ বায়ুমণ্ডল থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করে এবং বৈশ্বিক উষ্ণতা কমাতে ভূমিকা রাখে। ফলে পাঠ্যবইয়ের তথ্য বাস্তব অভিজ্ঞতার সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে।

প্রকল্পের দীর্ঘমেয়াদি স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতেও নেওয়া হয়েছে নানা পরিকল্পনা। স্কুলে একটি ‘গ্রিন ক্লাব’ গঠন করা হবে, যার সদস্যরা নিয়মিত গাছের পরিচর্যা ও পর্যবেক্ষণ করবে। পাশাপাশি স্থানীয় সরকারের সঙ্গে কাজ করে জলবায়ু শিক্ষাকে স্কুলের পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

উদ্যোক্তাদের পরিকল্পনা আরও দূরদর্শী। ভবিষ্যতে গাছে ফল ধরলে তার একটি অংশ বিক্রি করে নতুন চারা কেনা হবে। সেই চারা অন্য স্কুলেও রোপণ করা হবে। শুধু তা-ই নয়, কিছু ফল দিয়ে জুস ও চিপস তৈরি করে বিক্রির মাধ্যমে প্রকল্পের অর্থায়ন নিশ্চিত করার চিন্তাও রয়েছে।

বিশ্ব যখন জলবায়ু সংকট ও খাদ্য নিরাপত্তার দ্বৈত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে, তখন ইকোনোর এই ছোট্ট উদ্যোগ দেখিয়ে দিচ্ছে—একটি গাছ শুধু ছায়া দেয় না, এটি হতে পারে শিক্ষা, পুষ্টি, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আশার প্রতীক।

সবুজের এই পাঠশালা তাই প্রমাণ করে, জলবায়ু পরিবর্তনের সমাধান কখনো কখনো শুরু হতে পারে একটি স্কুল আঙিনা আর একটি চারাগাছ থেকেই।

Inspired by Nature. For Climate. For Our Future."
07/06/2026

Inspired by Nature. For Climate. For Our Future."


শিশু নিরাপত্তা ও নারীর মর্যাদা রক্ষায় আইওয়াইসিএমের মানববন্ধন ও সচেতনতামূলক প্রচারণাসহিংসতামুক্ত সমাজ গঠনে তরুণদের শপথশিশ...
06/06/2026

শিশু নিরাপত্তা ও নারীর মর্যাদা রক্ষায় আইওয়াইসিএমের মানববন্ধন ও সচেতনতামূলক প্রচারণা

সহিংসতামুক্ত সমাজ গঠনে তরুণদের শপথ

শিশু ও নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং নিরাপদ সমাজ গঠনের প্রত্যয়ে মানববন্ধন ও সচেতনতামূলক প্রচারণার আয়োজন করেছে যুব সংগঠন International Youth Change Makers (IYCM)। কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া তরুণ-তরুণীরা শিশু নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, নারীর মর্যাদা রক্ষা এবং সব ধরনের সহিংসতার বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে আইওয়াইসিএমের সদস্যদের পাশাপাশি শিক্ষার্থী, অভিভাবক, সমাজসেবক ও স্থানীয় বাসিন্দারা অংশ নেন। মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন সচেতনতামূলক প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার প্রদর্শন করেন এবং শিশু ও নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে জনমত গঠনের বার্তা ছড়িয়ে দেন।

কর্মসূচির অন্যতম আকর্ষণ ছিল সম্মিলিত শপথ গ্রহণ। উপস্থিত সবাই একসঙ্গে ঘোষণা করেন—

“আমি শপথ করছি, শিশু নির্যাতন, নারী নির্যাতন ও যেকোনো ধরনের সহিংসতার বিরুদ্ধে সচেতন থাকবো, প্রতিবাদ করবো এবং একটি নিরাপদ সমাজ গঠনে কাজ করবো।”

আইওয়াইসিএমের নেতৃবৃন্দ বলেন, শিশু ও নারী নির্যাতন একটি জাতীয় সমস্যা, যার সমাধানে শুধু আইন প্রয়োগই যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন সামাজিক সচেতনতা, মানবিক মূল্যবোধ এবং তরুণ সমাজের সক্রিয় অংশগ্রহণ। তারা উল্লেখ করেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও সহিংসতামুক্ত পরিবেশ গড়ে তুলতে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

মানববন্ধনে বিভিন্ন স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে পুরো আয়োজন। অংশগ্রহণকারীরা উচ্চারণ করেন—

* “শিশুর নিরাপত্তা, আমাদের অঙ্গীকার”
* “নারীর মর্যাদা রক্ষায়, আমরা সবাই একসাথে”
* “ধর্ষণ ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে, সোচ্চার হোক সমাজ”
* “নিরাপদ শিশু, নিরাপদ বাংলাদেশ”

বক্তারা বলেন, সমাজ পরিবর্তনের অন্যতম শক্তি তরুণ প্রজন্ম। তাই শিশু ও নারী অধিকার সুরক্ষায় যুবসমাজকে আরও বেশি সম্পৃক্ত করতে আইওয়াইসিএম ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সংগঠনটি বিশ্বাস করে, সচেতনতা ও সামাজিক সম্পৃক্ততার মাধ্যমে নির্যাতন ও সহিংসতার বিরুদ্ধে শক্তিশালী জনমত গড়ে তোলা সম্ভব।

অনুষ্ঠানের শেষে আয়োজকেরা জানান, শিশু সুরক্ষা, নারী অধিকার, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আইওয়াইসিএম ভবিষ্যতেও বিভিন্ন সচেতনতামূলক কর্মসূচি পরিচালনা করবে।

তরুণদের এই উদ্যোগ অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। তাদের প্রত্যাশা, সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে উঠবে, যেখানে প্রতিটি শিশু নিরাপদ থাকবে এবং প্রতিটি নারী পাবে মর্যাদা, সম্মান ও সমঅধিকার।

বিশ্ব পরিবেশ দিবসে টাঙ্গাইলে তরুণদের ব্যতিক্রমী উদ্যোগসচেতনতার নতুন দিগন্ত উন্মোচনবিশ্ব পরিবেশ দিবসকে কেন্দ্র করে টাঙ্গা...
06/06/2026

বিশ্ব পরিবেশ দিবসে টাঙ্গাইলে তরুণদের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ

সচেতনতার নতুন দিগন্ত উন্মোচন

বিশ্ব পরিবেশ দিবসকে কেন্দ্র করে টাঙ্গাইলে তরুণদের নেতৃত্বে গড়ে উঠেছে এক ব্যতিক্রমী পরিবেশ সচেতনতা উদ্যোগ। জলবায়ু পরিবর্তনের ক্রমবর্ধমান ঝুঁকির মধ্যে স্থানীয় পর্যায়ে তরুণদের এই সক্রিয় অংশগ্রহণ পরিবেশ রক্ষার আন্দোলনে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।

উদ্যোগটির মাধ্যমে তরুণরা শুধু পরিবেশ সংরক্ষণের বার্তা প্রচারেই সীমাবদ্ধ থাকছেন না; বরং বিভিন্ন বাস্তবভিত্তিক কর্মসূচির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করছেন। বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, পরিবেশ সংরক্ষণবিষয়ক আলোচনা সভা, পরিচ্ছন্নতা অভিযান এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি টেকসই পৃথিবী গড়ে তোলার অঙ্গীকার—সব মিলিয়ে এটি ধীরে ধীরে একটি সামাজিক আন্দোলনের রূপ নিচ্ছে।

আয়োজকদের ভাষ্য, পরিবেশ রক্ষার দায়িত্ব শুধু সরকার বা কোনো প্রতিষ্ঠানের নয়; বরং সমাজের প্রতিটি মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই একটি সবুজ ও বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তোলা সম্ভব। সেই লক্ষ্যেই তারা তরুণদের সম্পৃক্ত করে দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছেন।

পরিবেশ ও জলবায়ু বিশেষজ্ঞদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে তরুণ প্রজন্মই সবচেয়ে বড় শক্তি। তাদের উদ্ভাবনী চিন্তা, স্বেচ্ছাসেবী মনোভাব এবং সামাজিক দায়বদ্ধতা ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। টাঙ্গাইলে শুরু হওয়া এই উদ্যোগ সেই সম্ভাবনারই বাস্তব প্রতিফলন।

উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এ কার্যক্রম কেবল বিশ্ব পরিবেশ দিবস উদ্‌যাপনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। বরং পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধি এবং কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের লক্ষ্যে এটি একটি ধারাবাহিক প্রচেষ্টা হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে। এরই মধ্যে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যেও ইতিবাচক সাড়া দেখা গেছে।

উদ্যোগটির সঙ্গে যুক্ত তরুণদের প্রত্যয়, “আজকের একটি পদক্ষেপই হতে পারে আগামীর একটি নিরাপদ পৃথিবীর ভিত্তি।” সেই বিশ্বাসকে ধারণ করেই তারা পরিবেশ রক্ষার বার্তা ছড়িয়ে দিচ্ছেন সমাজের বিভিন্ন স্তরে।

বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে টাঙ্গাইলে তরুণদের এমন উদ্যোগ প্রমাণ করে, সঠিক দিকনির্দেশনা, সচেতনতা ও আন্তরিক প্রচেষ্টা থাকলে তরুণরাই হতে পারে পরিবেশ রক্ষার সবচেয়ে শক্তিশালী দূত।



Address

615 Bismillah Plaza (Building On The East Side Of The Old A. K. School), Donia
Dhaka
1236

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when International Youth Change Maker - IYCM posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to International Youth Change Maker - IYCM:

Share