22/02/2026
আসসালামু আলাইকুম।
আশা করি সবাই ভালো ও সুস্থ আছেন।
আপনারা সবাই অবগত আছেন যে, আমরা আমাদের "আলোর ধারা সোসাইটি (আধাসো)" থেকে প্রতি বছর রোজায় এবং ঈদে গরিব, অসহায় মানুষদের জন্য নানা রকমের প্রজেক্ট করে থাকি। এই বরকতময় মাসে সবার মুখে সামান্য হাসি ফুটিয়ে তুলতে এই প্রচেষ্টা আমরা করে থাকি।
আপনি যদি একবার চিন্তা করেন, তাহলে বুঝতে পারবেন আপনি আপনার পরিবার নিয়ে ইফতার করছেন অথচ এমন অনেক মানুষ আছেন যারা ইফতার দূরে থাক ভাতটাও ঠিক মতো পায় না। শেখানে ঈদের কাপড়, সেহেরী তো আরো অনেক দূরের কথা।
"আলোর ধারা সোসাইটি (আধাসো)" বিগত কয়েক বছর (২০১৭ থেকে) যাবত প্রতি ঈদে কিছু নির্দিষ্ট প্রোজেক্ট করে আসছে, তারই ধারাবাহিকতায় ইনশাআল্লাহ এ বছরও, সেই প্রোজেক্টগুলো হবে।
--------------------------------------------------------------------------
এই বছর যে প্রোজেক্ট গুলো হবেঃ
--------------------------------------------------------------------------
(০১) ইফতার ফর অল ২০২৬:
কিছু পরিবারকে ইফতারের বাজার (ছোলা, খেজুর, ডাল ইত্যাদি) কিনে দেওয়া হবে।
--------------------------------------------------------------------------
(০২) ফ্রাইডে উইথ হ্যাপিনেস ২০২৬:
রমজানের শেষ বা মধ্যম কোনো শুক্রবার কমপক্ষে ৫০ জনকে ইফতার দেওয়া হবে। কিছু গরিব, অসহায় মানুষ, কিছু পথ শিশুদের ইফতার দেওয়া হবে। যাতে সারাদিন রোজা রেখে অন্তত এক শুক্রবার ভালো ইফতার খেতে পারে।
--------------------------------------------------------------------------
(০৩) সেয়ারিং ইফতার ২০২৬:
নিজ হাতে একদিন বা একাধিক দিন ইফতার বানিয়ে ডোনেট করতে হবে, এটা যে কেউ করতে পারবে। কিছু নিয়ম মেনে সবাই এটায় অংশ নিতে পারবেন। এটার উদ্দেশ্য আপনার পাশের বাড়ির বা এলাকার কেউ যেনো বিনা ইফতারে না থাকে।
আমাদের আশে পাশে এমন অনেক মানুষ আছে যারা ঠিকমতো ইফতার করতে পারেনা। তাই একজন ভলেন্টিয়ার কমপক্ষে ৫ জনকে ইফতার করাবে। এর মূল উদ্দ্যেশ্য আপনাকে ইফতার দিতে দেখে আরেকজন আগ্রহী হলে, এভাবে এক সময় সবাই ইফতার খেতে পারবে, কেউ ইফতারে না খেয়ে থাকবেনা।
এই প্রোজেক্টের রুলস:
১. অন্তত ৫ জনকে দিতে হবে, যত বেশি সংখ্যক দিতে চান কোনো সমস্যা নেই।
২. আপনি কত টাকা দিয়ে ইফতার দিবেন তা আপনার উপর বা বাসায় ইফতার বানিয়ে দিতে পারেন।
৩. ইফতার বানানোর বা দেওয়ার সময়ের ছবি বা ভিডিও করে তা আমদের দিতে হবে।
৪. নিজের কাছের বন্ধুদের উৎসাহিত করবেন, প্রয়োজনে সোসাল মিডিয়ায় পোস্ট করে আমাদের অরগানাইজেশান ও আপনার কাছের বন্ধুদের মেনশন বা ট্যাগ করতে পারেন।
--------------------------------------------------------------------------
(০৪) সেয়ারিং সেহেরি ২০২৬:
নিজ হাতে একদিন বা একাধিক দিন সেহেরী বানিয়ে ডোনেট করতে হবে, এটা যে কেউ করতে পারবে। কিছু নিয়ম মেনে সবাই এটায় অংশ নিতে পারবেন। এটার উদ্দেশ্য আপনার পাশের বাড়ির বা এলাকার সবাই যেনো সেহেরী রোজা খেয়ে থাকে।
আমাদের আশে পাশে এমন অনেক মানুষ আছে যারা ঠিকমতো সেহেরী করতে পারেনা। তাই একজন ভলেন্টিয়ার কমপক্ষে ১ জনকে সেহেরী করাবে। এর মূল উদ্দ্যেশ্য আপনাকে সেহেরী দিতে দেখে আরেকজন আগ্রহী হলে, এভাবে এক সময় সবাই সেহেরী খেতে পারবে, কেউ সেহেরী না খেয়ে থাকবেনা।
এই প্রোজেক্টের রুলস:
১. অন্তত ১ জনকে দিতে হবে, যত বেশি সংখ্যক দিতে চান কোনো সমস্যা নেই।
২. আপনি কত টাকা দিয়ে সেহেরী দিবেন তা আপনার উপর বা বাসায় সেহেরী বানিয়ে দিতে পারেন।
৩. সেহেরী বানানোর বা দেওয়ার সময়ের ছবি বা ভিডিও করে তা আমদের দিতে হবে।
৪. নিজের কাছের বন্ধুদের উৎসাহিত করবেন, প্রয়োজনে সোসাল মিডিয়ায় পোস্ট করে আমাদের অরগানাইজেশান ও আপনার কাছের বন্ধুদের মেনশন বা ট্যাগ করতে পারেন।
--------------------------------------------------------------------------
(০৫) ক্রিয়েটিং ইস্মাইলস ২০২৬:
কিছু মানুষকে ঈদের জামা শাড়ী কিনে দেওয়া হবে, যেনো নতুন পোশাকে ঈদ কাটাতে পারে। ঈদের আগে সবার ইচ্ছে হয় নতুন কাপড়ের, তাই দরিদ্রদের মাঝে নতুন কাপড় দেওয়া হবে। যাতে আর সকল মানুষের মতো তারাও ঈদে নতুন কাপড় পড়তে পারে।
--------------------------------------------------------------------------
(০৬) উচ্ছ্বাস ২০২৬:
ঈদের আগে শিশুদের আনন্দের শেষ থাকেনা, সেই আনন্দ নতুন কাপড় ছাড়া অপূর্ণ। আর পথশিশুদের জন্য নতুন কাপড় অনেকটা অসম্ভব ব্যাপার। তাই তাদের নতুন কাপড় দেওয়া হবে।
--------------------------------------------------------------------------
(০৭) ঈদ ফর অল ২০২৬:
ঈদ হবে আর বাসায় ঈদের রান্না হবে না তা তো হয়না তাইনা? সে হোক ধনী বা গরীব। তাই কিছু পরিবারকে ঈদের বাজার যেমনঃ চাল, তেল, দুধ, সেমাই ইত্যাদি দেওয়া হবে। ঈদ সবার, তাই ওইদিন ভালো খাবারের অধিকারও সবার।
--------------------------------------------------------------------------
(০৮) মেহেদি উৎসব ২০২৬:
ঈদ আনন্দ সবচেয়ে বেশি দেখা যায় শিশুদের মধ্যে। আর মেহেদী দেওয়ার মাধ্যমে শিশুদের ঈদ আনন্দ পূর্ণ হয়। পথশিশুদের জন্য মেহেদির ব্যবস্থা করা হয়, ঈদে বাচ্চাদের মুল আনন্দ মেহেদি দেওয়াতে, তা থেকে যেন কেউ বনঞ্চিত না হয় তাই আমাদের এই আয়োজনে। তাই টিএসসিতে কিছু পথ শিশুদের ঈদের আগে মেহেদি দিয়ে দেওয়া হবে।
--------------------------------------------------------------------------
(০৯) ইচ্ছে পূরণ ২০২৬:
যেকোনো ২ টি শিশুর মনের ইচ্ছা পূরন করা হবে। সেটা হতে পারে নতুন কাপড়, খেলনা যেকোনো কিছু।
--------------------------------------------------------------------------
(১০) ঈদ উল ফিতর ২০২৬:
ঈদের দিন সবার ভালো খাবার খাওয়ার সামর্থ্য থাকে না। তাই কিছু মানুষকে (পথশিশুদের) পোলাও আর মাংস খাওয়ানো হবে। অথবা অন্য আরো ভালো কিছু খাওয়ানো হবে।
--------------------------------------------------------------------------
(১১) ঈদ আনন্দ ২০২৬:
কথায় আছে, ঈদের আনন্দ থাকে সাতদিন। তাই ঈদের ঠিক পরের শুক্রবারে পথশিশুদের ও গরীব কিছু মানুষদের ভালো কিছু খাবার (পোলাও মাংস) খাওয়ানো হবে।
--------------------------------------------------------------------------
আরো কিছু প্রোজেক্ট: (যাকাত এর উপর নির্ভর)
--------------------------------------------------------------------------
(১২) যাকাত ২০২৬:
যাকাতের টাকা কালেক্ট করা হবে, তারপর সেটা দিয়ে কিছু ফ্যামিলি এর জন্য পারমানেন্ট বা লং টাইম সাপোর্ট এর ব্যাবস্থা করা হবে। অথবা এতিমখানায় দেওয়া হবে। আবার গুড়ুতর অসুস্থ ব্যক্তির চিকিৎসার ব্যাবস্থা করা হতে পারে।
--------------------------------------------------------------------------
(*১) হাসিমুখ ২০২৬:
এই প্রোজেক্টে আমরা একটি এতিম খানা নির্বাচন করি, যেখানে এতিম বাচ্চারা বিগত কয়েক বছর নতুন কাপড় পায়নি। তাদের ঈদের নতুন পোশাকের মানে পাঞ্জাবি পায়জামার ব্যবস্থা করা হয়। এটি করা হয় যাকাতের টাকা দিয়ে এবং ডোনেশনের টাকা মিলিয়ে।
--------------------------------------------------------------------------
(*২) আলোর দিশারী ২০২৬:
এই প্রোজেক্টে এতিম বাচ্চাদের প্রয়োজনীয় জিনিস যেমন: বই, কোরআন শরীফ অথবা চাল-ডাল অথবা ফল দেওয়া হয়।
--------------------------------------------------------------------------
(*৩) খুশির মেলা ২০২৬:
এতিম বাচ্চাদের একদিন ইফতার করানো হয় বা একবেলা ভালো খাবারের ব্যবস্থা করা হয়।
--------------------------------------------------------------------------
উপরের প্রজেক্টগুলো করার জন্য আমাদের প্রায় অনেক টাকার প্রয়োজন। এ বছর আমাদের টার্গেট ২ লক্ষ টাকা। যেহেতু আমাদের অরগানাইজেশনটি একটি স্টুডেন্ট বেজ, তাই এতো বিপুল টাকা তাদের একার সংগ্রহ করা সম্ভব না। আপনাদের একটুখানি সহযোগিতায় আমাদের এই প্রজেক্টগুলো সফলভাবে হতে পারে এবং এর ফলে কিছু মানুষ পারবে ঈদটা সুন্দর ও আনন্দের সাথে কাটাতে পারবে।
--------------------------------------------------------------------------
আলোর ধারা সোসাইটি (আধাসো)
Let's make smiles
৬০ ফিট, মনিপুর, মিরপুর,
ঢাকা ১২১৬।
--------------------------------------------------------------------------
ডোনেশন দেওয়ার মাধ্যমঃ
বিকাশঃ
01980301285 (Official)
--------------------------------------------------------------------------
সোসাল মিডিয়াঃ
X:
https://twitter.com/adhaso_org
Discord:
https://discord.com/alordharasociety
Linkedin:
https://www.linkedin.com/in/alordharasociety/
Linkedin profile:
https://www.linkedin.com/company/alordharasociety/
page:
https://www.facebook.com/alordharasociety/
Facebook group:
https://www.facebook.com/groups/alordharasociety/
Instagram:
https://www.instagram.com/alordharasociety
Whatsapp:
+8801980301285
Youtube:
https://www.youtube.com/
Github:
https://github.com/AlorDharaSociety
--------------------------------------------------------------------------
Website:
www.alordharasociety.org
Email:
[email protected]
--------------------------------------------------------------------------
"Sponsor" হতে চাইলে ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করুন!!!
--------------------------------------------------------------------------