আলোর ধারা সোসাইটি - Alor Dhara Society

আলোর ধারা সোসাইটি - Alor Dhara Society This is a Non-Profit Organization (NGO) from Bangladesh.

.................................................................................................................................................................................................................................................................................................

ভূমিকাঃ আসসালামু আলাইকুম, প্রথমে স্বাগতম জানাচ্ছি, এই পেজটি ভিজিট করার জন্য। আশা করি সবাই ভালো আছেন..? আমাদ

ের এই অরগানাইজেশানটি স্টুডেন্ট ভিত্তিক একটি অরগানাইজেশানটি। অরগানাইজেশানটি খোলার একটাই উদ্দেশ্য, আর তা হলো আমাদের আশেপাশের হত দরিদ্র মানুষদের সাহায্য করা। তাদের কারো প্রয়োজন শিক্ষার, কারো প্রয়োজন পোশাক ও খাদ্যের। যা দারিদ্রতার কারণে তারা পায় না। এগুলো তাদের মৌলিক চাহিদা। আমরা চাই স্বার্থহীনভাবে ও অসম্প্রদায়িক মনভাব নিয়ে তাদের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে। আর এই কাজ একা সম্ভব নয়। দরকার সবার সহায়তার। সবার সহায়তা পেলে এই সকল মানুষদের মুখে আমরা হাসি আনতে সক্ষম হবো। আমরা "আলোর ধারা সোসাইট" থেকে শপথ গ্রহণ করেছি এর ভুবনকে করবো সুন্দর, এই ভুবনের সবাই পাবে ৩ বেলা আহার, পাবে কাপড়, পাবে শিক্ষার সুযোগ। পশুপাখি পাবে তাদের অধিকার। এই শপথে আলোর পথ চলা শুরু ০৮ নভেম্বর ২০১৩। আমরা এগিয়ে যাচ্ছি, যাবো।
................................................................................................................................................

অগ্রযাত্রাঃ ২০১৩ সালের ০৮ নভেম্বর জন্ম হয় বা যাত্রা শুরু করে আলোর ধারা সোসাইটি। তবে তা শুধু একজনকে নিয়ে যিনি ছিলেন প্রতিষ্ঠাতা। এর পর ১/২ বছর তেমন কাজ হয়নি। ২৫ ডিসেম্বার ২০১৫ প্রথম ৩০০ টাকা দিয়ে প্রোজেক্ট শুরু হয়। এর পর আবার কাজ কিছুদিন বন্ধ থাকে। পরে ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে আবার কাজ শুরু হয়। এ সময় বেশ কিছু প্রোজেক্ট হয়, প্রায় ৬ টি। তবে ২০১৭ এর নভেম্বরে আবার কাজ বন্ধ হয়। তবে আমাদের কাজ ফাইনালি ভালোভাবে শুরু হয় ২০১৯ সালের ১১ এপ্রিল। এর পর থেকে কাজ নিয়মিত চলছে। মাঝে কোভিড-১৯ এর জন্য কাজে কিছুটা বিঘ্ন ঘটলেও কাজ থেকে থাকেনি। আমাদের কাজ চলছে। এখন পর্যন্ত আমরা ৫২ টি প্রোজেক্ট করি যাতে আমরা মোট প্রায় ৪ লক্ষ টাকা ব্যবহার করেছি।
................................................................................................................................................

মহামারিতে কাজঃ ২০২০ সালের মার্চ মাসে বাংলাদেশে শুরু হয় কোভিড-১৯ এর আক্রোমণ। সংক্রামিত হতে থাকে অনেক মানুষ, প্রাণ হারায় অনেকে। তবে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয় নিন্ম-বিত্ত ও মধ্য-বিত্তরা। কোভিড-১৯ এও আমরা অনেক প্রোজেক্ট করি। করোনা ভাইরাস কে মোকাবেলা করে আমাদের ভলেন্টিয়াররা মাঠে কাজ করেছে, মাস্ক দিয়েছে, যেসব পরিবার টাকার অভাবে না খেয়ে ছিলো তাদের খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আরো অনেক ভিন্ন ভিন্ন প্রোজেক্ট করা হয়েছে।
................................................................................................................................................

আমাদের ব্রাঞ্চসমূহ:

বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্রাঞ্চসমূহঃ

১। ন্যাশনাল হোম ইকোনোমিক্স (এনসিএইচি)
২। ব্রাক বিশ্ববিদ্যালয় (ব্রাকিউ)
৩। নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় (এনএসইউ)
৪। ঈস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয় (ইইউ) ইত্যাদি।


বিভাগীয় ব্রাঞ্চসমূহঃ

১। সেন্ট্রাল (ঢাকা সিটি সম্পূর্ণ)
২। ঢাকা উত্তর
৩। ঢাকা দক্ষিণ ইত্যাদি।


জোন ভিত্তিক ব্রাঞ্চসমূহঃ

ক। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেসনঃ

১। মিরপুর ১/২/৬/১০/১১/১২/১৩/১৪
২। বসুন্ধরা রেসিডেন্স এরিয়া
৩। ধানমন্ডি
................................................................................................................................................

আমাদের কাজসমূহঃ

যা যা করছি এবং ভবিষ্যতে করতে চাইঃ

১। হতদরিদ্র শিশুদের খাবার আর পোশাকের পাশাপাশি শিক্ষার ব্যবস্থা করতে চাই।
২। যারা কাজ করতে চায়, কিন্তু টাকার অভাব তাদের অর্থ দিয়ে সাবলম্বি করতে চাই।
৩। শিশু শিক্ষা ১০০ ভাগে আনতে চাই, যা দেশকে একধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে।
৪। নারী অধিকারায়ন ও তাদের সাবলম্বী ও ন্যায্য বিচারের জন্য কাজ করতে চাই।
৫। বয়স্ক মানুষদের পাশে দাড়াতে চাই।
৬। কাজ করার ক্ষমতা নেই এমন মানুষদের জন্য কিছু করতে চাই।
৭। হতদরিদ্র নারী-পুরুষদের করম সংস্থান তৈরী করতে চাই।
৮। এতিম, অসহায় শিশুদের জন্য খাবার, পোশাক আর নিরাপদ বাসস্থান করতে চাই।
৯। পরিবেশ রক্ষায় গাছ রোপন, মানুষকে সচেতন করা এবং পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা মূলক কারযক্রম করতে চাই।
১০। পশু পাখিরাও আমদের জীবনের একাংশ, তাই তাদের নিরাপদ জীবন, খাদ্য আর বাসস্থান এর ব্যবস্থা করার ইচ্ছা।
১১। বাংকিং সেবা চালু করতে চাই, ইউথ ডেভোলোপমেন্ট করতে চাই, ইন্ট্রোপ্রিনিয়র তৈরি করতে চাই।
................................................................................................................................................

আমাদের ডিপার্টমেন্ট সমূহঃ

১। রেড ড্রপস (RED DROPS)ঃ রক্তদানের জন্য কাজ করা হয়।
২। আলোর পাঠশালা ()ঃ দেশে ১০০ ভাগ শিক্ষার জন্য কাজ করা হয়।
৩। সেভিং ক্রিয়েচারস ()ঃ পশুপাখিদের জন্য কাজ করা হয়।
৪। এডওয়ার্ড হিয়েভেন ()ঃ বৃদ্ধাশ্রম করতে চাই।
৫। পিচ ইন প্লানেট ()ঃ হিউম্যান রাইটসের জন্য কাজ করতে চাই।
................................................................................................................................................

সদস্যপদ গ্রহণ:

সদস্য হতে করণীয়:

১। জেনারেল মেম্বারঃ প্রতি মাসে সরবনিন্ম ১০০ টাকা (এর উপরে যে যত দেয়, ততই ভালো) করে দিলেই সদস্য হওয়া যাবে। আপনার সেক্ষেত্রে মাঠে কাজ না করলেও চলবে। তবে চাইলে করতে পারবেন।

২। জেনারেল ভলেন্টিয়ারঃ প্রতি মাসে সরবনিন্ম ১০০ টাকা (এর উপরে যে যত দেয়, ততই ভালো) করে দিলেই সদস্য হওয়া যাবে। তবে সমস্যা বিবেচনায় ভলেন্টিয়ারের মাসিক ডোনেশন না দিলেও চলবে। ভলেন্টিয়ার ডোনেশন দিক বা না দিক মাঠে কাজ করা বাধ্যতামূলক। অর্থাৎ আমরা যখন কোন স্থানে যাবো, বস্ত্র বা অন্য কিছু দিতে, তখন সাথে যেতে হবে। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নিতে হবে। এছাড়াও আরো কিছু কাজ করতে হবে। সবাই জানি, নিজ হাতে এমন কাজ করাটা অনেকটা শান্তির।

৩। সাপরটিভ মেম্বারঃ শুধু মাত্র প্রজেক্টের সময় ডোনেট করলেই হবে। আর মাঠে কাজ করা তার ইচ্ছা।

৪। সাপরটিভ ভলেন্টিয়ারঃ প্রজেক্টের সময় মাঠে কাজ থাকলে তা করতে হবে। আর চাইলে ডোনেট করতে পারেন এটা আপনার ইচ্ছা।

৫। স্পেশাল মেম্বারঃ তারা সব সময় আমাদের বিভিন্ন এডভাইজিং করবেন আর রেগুলার বা প্রজেক্টে ডোনেট করবেন। চাইলে প্রজেক্ট এও জয়েন করতে পারেন।

৬। স্পেশাল ভলেন্টিয়ারঃ আমাদের এডভাইজিং করবেন এবং বিশেষ কিছু প্রজেক্ট এ আমাদের সাথে থাকবেন। চাইলে ডোনেটও করতে পারেন।
................................................................................................................................................

ইতিকথাঃ আচ্ছা..? আমরা তো সামাজিক জীব তাই না..? সমাজ সংসারে আমাদের সবার তো কিছু দায়িত্ব আছে ঠিক..?

আমরা যদি সবাই এই দায়িত্ব ঠিকভাবে পালন করি তাহলে এই ভুবন অনেক সুন্দর হয়ে উঠবে। আমাদের আশেপাশে যে অনেক হতদরিদ্র মানুষ বাস করে। তাদের কারো প্রয়োজন শিক্ষার, কারো প্রয়োজন পোশাক ও খাদ্যের। যা দারিদ্রের কারণে তারা পায় না। আবার আমদের আশেপাশের অনেক পশুপাখি আছে যাদের আমাদের সাহায্যের দরকার। আবার এই ভুবনের পরিবেশকেও সুন্দর রাখা জরুরী।

আমরা চাই স্বার্থহীনভাবে ও অসম্প্রদায়িক মনভাব নিয়ে তাদের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে। তাই এইকাজ একা সম্ভব নয়। সবার সহায়তা পেলে এই সকল মানুষদের মুখে আমরা হাসি আনতে সক্ষম হবো। শুধু দরকার আপানাদের আর্থিক সাহায্য এবং মানসিক সাপোর্ট। আপনার টাকা আমরা পৌছে দিবো হতদরিদ্র এই মানুষদের নিকট। যে টাকায় হয়তো তাদের কারো লেখাপড়া হবে, নাহোয় একটা কাপড় হবে, অন্যথায় একবেলা খাবার জুটবে কপালে।

তাই, আসুন আমরা আমাদের যথাসাধ্য সামর্থ্য দিয়ে কিছু অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাই। আর এই হোক আমাদের প্রতিজ্ঞা। আশা করি, আমরা আপনাদের সকল সাহায্য পাবো। এগিয়ে যাবে আলো, গড়বে সুন্দর ভুবন, ফুটবে সবার মুখে হাসি।

(ধন্যবাদ)
................................................................................................................................................................................................................................................................................................

যোগাযোগের ঠিকানাঃ

আলোর ধারা সোসাইটি (আধাসো)

ঠিকানাঃ ৬০ ফিট, মনিপুর, মিরপুর, ঢাকা - ১২১৬
ইমেইলঃ [email protected]
ফোনঃ ০১৯৮০৩০১২৮৫

সহায়তা পাঠানঃ

বিকাশঃ ০১৯৮০৩০১২৮৫ (আধাসো)
রকেটঃ ০১৯৮০৩০১২৮৫০ (আধাসো)
................................................................................................................................................................................................................................................................................................

আসসালামু আলাইকুম।আশা করি সবাই ভালো ও সুস্থ আছেন।আপনারা সবাই অবগত আছেন যে, আমরা আমাদের "আলোর ধারা সোসাইটি (আধাসো)" থেকে প...
22/02/2026

আসসালামু আলাইকুম।

আশা করি সবাই ভালো ও সুস্থ আছেন।

আপনারা সবাই অবগত আছেন যে, আমরা আমাদের "আলোর ধারা সোসাইটি (আধাসো)" থেকে প্রতি বছর রোজায় এবং ঈদে গরিব, অসহায় মানুষদের জন্য নানা রকমের প্রজেক্ট করে থাকি। এই বরকতময় মাসে সবার মুখে সামান্য হাসি ফুটিয়ে তুলতে এই প্রচেষ্টা আমরা করে থাকি।

আপনি যদি একবার চিন্তা করেন, তাহলে বুঝতে পারবেন আপনি আপনার পরিবার নিয়ে ইফতার করছেন অথচ এমন অনেক মানুষ আছেন যারা ইফতার দূরে থাক ভাতটাও ঠিক মতো পায় না। শেখানে ঈদের কাপড়, সেহেরী তো আরো অনেক দূরের কথা।
"আলোর ধারা সোসাইটি (আধাসো)" বিগত কয়েক বছর (২০১৭ থেকে) যাবত প্রতি ঈদে কিছু নির্দিষ্ট প্রোজেক্ট করে আসছে, তারই ধারাবাহিকতায় ইনশাআল্লাহ এ বছরও, সেই প্রোজেক্টগুলো হবে।

--------------------------------------------------------------------------

এই বছর যে প্রোজেক্ট গুলো হবেঃ

--------------------------------------------------------------------------

(০১) ইফতার ফর অল ২০২৬:

কিছু পরিবারকে ইফতারের বাজার (ছোলা, খেজুর, ডাল ইত্যাদি) কিনে দেওয়া হবে।

--------------------------------------------------------------------------

(০২) ফ্রাইডে উইথ হ্যাপিনেস ২০২৬:

রমজানের শেষ বা মধ্যম কোনো শুক্রবার কমপক্ষে ৫০ জনকে ইফতার দেওয়া হবে। কিছু গরিব, অসহায় মানুষ, কিছু পথ শিশুদের ইফতার দেওয়া হবে। যাতে সারাদিন রোজা রেখে অন্তত এক শুক্রবার ভালো ইফতার খেতে পারে।

--------------------------------------------------------------------------

(০৩) সেয়ারিং ইফতার ২০২৬:

নিজ হাতে একদিন বা একাধিক দিন ইফতার বানিয়ে ডোনেট করতে হবে, এটা যে কেউ করতে পারবে। কিছু নিয়ম মেনে সবাই এটায় অংশ নিতে পারবেন। এটার উদ্দেশ্য আপনার পাশের বাড়ির বা এলাকার কেউ যেনো বিনা ইফতারে না থাকে।

আমাদের আশে পাশে এমন অনেক মানুষ আছে যারা ঠিকমতো ইফতার করতে পারেনা। তাই একজন ভলেন্টিয়ার কমপক্ষে ৫ জনকে ইফতার করাবে। এর মূল উদ্দ্যেশ্য আপনাকে ইফতার দিতে দেখে আরেকজন আগ্রহী হলে, এভাবে এক সময় সবাই ইফতার খেতে পারবে, কেউ ইফতারে না খেয়ে থাকবেনা।

এই প্রোজেক্টের রুলস:

১. অন্তত ৫ জনকে দিতে হবে, যত বেশি সংখ্যক দিতে চান কোনো সমস্যা নেই।
২. আপনি কত টাকা দিয়ে ইফতার দিবেন তা আপনার উপর বা বাসায় ইফতার বানিয়ে দিতে পারেন।
৩. ইফতার বানানোর বা দেওয়ার সময়ের ছবি বা ভিডিও করে তা আমদের দিতে হবে।
৪. নিজের কাছের বন্ধুদের উৎসাহিত করবেন, প্রয়োজনে সোসাল মিডিয়ায় পোস্ট করে আমাদের অরগানাইজেশান ও আপনার কাছের বন্ধুদের মেনশন বা ট্যাগ করতে পারেন।

--------------------------------------------------------------------------

(০৪) সেয়ারিং সেহেরি ২০২৬:

নিজ হাতে একদিন বা একাধিক দিন সেহেরী বানিয়ে ডোনেট করতে হবে, এটা যে কেউ করতে পারবে। কিছু নিয়ম মেনে সবাই এটায় অংশ নিতে পারবেন। এটার উদ্দেশ্য আপনার পাশের বাড়ির বা এলাকার সবাই যেনো সেহেরী রোজা খেয়ে থাকে।

আমাদের আশে পাশে এমন অনেক মানুষ আছে যারা ঠিকমতো সেহেরী করতে পারেনা। তাই একজন ভলেন্টিয়ার কমপক্ষে ১ জনকে সেহেরী করাবে। এর মূল উদ্দ্যেশ্য আপনাকে সেহেরী দিতে দেখে আরেকজন আগ্রহী হলে, এভাবে এক সময় সবাই সেহেরী খেতে পারবে, কেউ সেহেরী না খেয়ে থাকবেনা।

এই প্রোজেক্টের রুলস:

১. অন্তত ১ জনকে দিতে হবে, যত বেশি সংখ্যক দিতে চান কোনো সমস্যা নেই।
২. আপনি কত টাকা দিয়ে সেহেরী দিবেন তা আপনার উপর বা বাসায় সেহেরী বানিয়ে দিতে পারেন।
৩. সেহেরী বানানোর বা দেওয়ার সময়ের ছবি বা ভিডিও করে তা আমদের দিতে হবে।
৪. নিজের কাছের বন্ধুদের উৎসাহিত করবেন, প্রয়োজনে সোসাল মিডিয়ায় পোস্ট করে আমাদের অরগানাইজেশান ও আপনার কাছের বন্ধুদের মেনশন বা ট্যাগ করতে পারেন।

--------------------------------------------------------------------------

(০৫) ক্রিয়েটিং ইস্মাইলস ২০২৬:

কিছু মানুষকে ঈদের জামা শাড়ী কিনে দেওয়া হবে, যেনো নতুন পোশাকে ঈদ কাটাতে পারে। ঈদের আগে সবার ইচ্ছে হয় নতুন কাপড়ের, তাই দরিদ্রদের মাঝে নতুন কাপড় দেওয়া হবে। যাতে আর সকল মানুষের মতো তারাও ঈদে নতুন কাপড় পড়তে পারে।

--------------------------------------------------------------------------

(০৬) উচ্ছ্বাস ২০২৬:

ঈদের আগে শিশুদের আনন্দের শেষ থাকেনা, সেই আনন্দ নতুন কাপড় ছাড়া অপূর্ণ। আর পথশিশুদের জন্য নতুন কাপড় অনেকটা অসম্ভব ব্যাপার। তাই তাদের নতুন কাপড় দেওয়া হবে।

--------------------------------------------------------------------------

(০৭) ঈদ ফর অল ২০২৬:

ঈদ হবে আর বাসায় ঈদের রান্না হবে না তা তো হয়না তাইনা? সে হোক ধনী বা গরীব। তাই কিছু পরিবারকে ঈদের বাজার যেমনঃ চাল, তেল, দুধ, সেমাই ইত্যাদি দেওয়া হবে। ঈদ সবার, তাই ওইদিন ভালো খাবারের অধিকারও সবার।

--------------------------------------------------------------------------

(০৮) মেহেদি উৎসব ২০২৬:

ঈদ আনন্দ সবচেয়ে বেশি দেখা যায় শিশুদের মধ্যে। আর মেহেদী দেওয়ার মাধ্যমে শিশুদের ঈদ আনন্দ পূর্ণ হয়। পথশিশুদের জন্য মেহেদির ব্যবস্থা করা হয়, ঈদে বাচ্চাদের মুল আনন্দ মেহেদি দেওয়াতে, তা থেকে যেন কেউ বনঞ্চিত না হয় তাই আমাদের এই আয়োজনে। তাই টিএসসিতে কিছু পথ শিশুদের ঈদের আগে মেহেদি দিয়ে দেওয়া হবে।

--------------------------------------------------------------------------

(০৯) ইচ্ছে পূরণ ২০২৬:

যেকোনো ২ টি শিশুর মনের ইচ্ছা পূরন করা হবে। সেটা হতে পারে নতুন কাপড়, খেলনা যেকোনো কিছু।

--------------------------------------------------------------------------

(১০) ঈদ উল ফিতর ২০২৬:

ঈদের দিন সবার ভালো খাবার খাওয়ার সামর্থ্য থাকে না। তাই কিছু মানুষকে (পথশিশুদের) পোলাও আর মাংস খাওয়ানো হবে। অথবা অন্য আরো ভালো কিছু খাওয়ানো হবে।

--------------------------------------------------------------------------

(১১) ঈদ আনন্দ ২০২৬:

কথায় আছে, ঈদের আনন্দ থাকে সাতদিন। তাই ঈদের ঠিক পরের শুক্রবারে পথশিশুদের ও গরীব কিছু মানুষদের ভালো কিছু খাবার (পোলাও মাংস) খাওয়ানো হবে।

--------------------------------------------------------------------------

আরো কিছু প্রোজেক্ট: (যাকাত এর উপর নির্ভর)

--------------------------------------------------------------------------

(১২) যাকাত ২০২৬:

যাকাতের টাকা কালেক্ট করা হবে, তারপর সেটা দিয়ে কিছু ফ্যামিলি এর জন্য পারমানেন্ট বা লং টাইম সাপোর্ট এর ব্যাবস্থা করা হবে। অথবা এতিমখানায় দেওয়া হবে। আবার গুড়ুতর অসুস্থ ব্যক্তির চিকিৎসার ব্যাবস্থা করা হতে পারে।

--------------------------------------------------------------------------

(*১) হাসিমুখ ২০২৬:

এই প্রোজেক্টে আমরা একটি এতিম খানা নির্বাচন করি, যেখানে এতিম বাচ্চারা বিগত কয়েক বছর নতুন কাপড় পায়নি। তাদের ঈদের নতুন পোশাকের মানে পাঞ্জাবি পায়জামার ব্যবস্থা করা হয়। এটি করা হয় যাকাতের টাকা দিয়ে এবং ডোনেশনের টাকা মিলিয়ে।

--------------------------------------------------------------------------

(*২) আলোর দিশারী ২০২৬:

এই প্রোজেক্টে এতিম বাচ্চাদের প্রয়োজনীয় জিনিস যেমন: বই, কোরআন শরীফ অথবা চাল-ডাল অথবা ফল দেওয়া হয়।

--------------------------------------------------------------------------

(*৩) খুশির মেলা ২০২৬:

এতিম বাচ্চাদের একদিন ইফতার করানো হয় বা একবেলা ভালো খাবারের ব্যবস্থা করা হয়।

--------------------------------------------------------------------------

উপরের প্রজেক্টগুলো করার জন্য আমাদের প্রায় অনেক টাকার প্রয়োজন। এ বছর আমাদের টার্গেট ২ লক্ষ টাকা। যেহেতু আমাদের অরগানাইজেশনটি একটি স্টুডেন্ট বেজ, তাই এতো বিপুল টাকা তাদের একার সংগ্রহ করা সম্ভব না। আপনাদের একটুখানি সহযোগিতায় আমাদের এই প্রজেক্টগুলো সফলভাবে হতে পারে এবং এর ফলে কিছু মানুষ পারবে ঈদটা সুন্দর ও আনন্দের সাথে কাটাতে পারবে।

--------------------------------------------------------------------------

আলোর ধারা সোসাইটি (আধাসো)
Let's make smiles

৬০ ফিট, মনিপুর, মিরপুর,
ঢাকা ১২১৬।

--------------------------------------------------------------------------

ডোনেশন দেওয়ার মাধ্যমঃ

বিকাশঃ
01980301285 (Official)

--------------------------------------------------------------------------

সোসাল মিডিয়াঃ

X:
https://twitter.com/adhaso_org

Discord:
https://discord.com/alordharasociety

Linkedin:
https://www.linkedin.com/in/alordharasociety/

Linkedin profile:
https://www.linkedin.com/company/alordharasociety/

page:
https://www.facebook.com/alordharasociety/

Facebook group:
https://www.facebook.com/groups/alordharasociety/

Instagram:
https://www.instagram.com/alordharasociety

Whatsapp:
+8801980301285

Youtube:
https://www.youtube.com/

Github:
https://github.com/AlorDharaSociety

--------------------------------------------------------------------------

Website:
www.alordharasociety.org

Email:
[email protected]

--------------------------------------------------------------------------

"Sponsor" হতে চাইলে ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করুন!!!

--------------------------------------------------------------------------


















আসসালামু আলাইকুম, সবাইকে।আমরা আগামী ১১ নভেম্বর ২০২৫ থেকে ১০ ডিসেম্বর ২০২৫ শীতকালীন প্রোজেক্ট রান করবো।এই প্রোজেক্টে ক্যা...
12/11/2025

আসসালামু আলাইকুম, সবাইকে।

আমরা আগামী ১১ নভেম্বর ২০২৫ থেকে ১০ ডিসেম্বর ২০২৫ শীতকালীন প্রোজেক্ট রান করবো।

এই প্রোজেক্টে ক্যাশ টাকার পাশাপাশি, আপনাদের ব্যবহারিত পুরানো তবে ছেড়া ফাটা নয় এমন কাপড়ও সংগ্রহ করা হবে।

এলাকা ভিত্তিক ভলেন্টিয়ারও নিয়োগ করা হবে।

08/11/2025

Happy Birthday to Alor Dhara Society (ADHASO)

A mother is fighting to see the world again. She needs our help for an eye operation. Your small support can bring back ...
01/10/2025

A mother is fighting to see the world again. She needs our help for an eye operation. Your small support can bring back her hope. Every mother deserves the light of life.

Let’s stand beside her in this tough time.

📲 Donate: 01980301285

A father’s leg is at risk after a terrible burn. He needs urgent surgery. Together, we can save him from losing his leg....
01/10/2025

A father’s leg is at risk after a terrible burn. He needs urgent surgery. Together, we can save him from losing his leg. He is the strength of his family, now he needs ours.

Let’s join hands to protect his future.

📲 Donate: 01980301285

Its an immediate project call, his situation is not so good. We will try our best to help him out.Donate: 01980301285
01/10/2025

Its an immediate project call, his situation is not so good. We will try our best to help him out.

Donate: 01980301285

যারা ব্লাড দিতে পারবেন অতিদ্রুত নিম্নোক্ত হাসপাতালগুলোতে চলে যান- ১. ঢাকা মেডিক্যাল বার্ন ইউনিট২. কুর্মিটোলা জেনারেল হাস...
21/07/2025

যারা ব্লাড দিতে পারবেন অতিদ্রুত নিম্নোক্ত হাসপাতালগুলোতে চলে যান-

১. ঢাকা মেডিক্যাল বার্ন ইউনিট
২. কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল
৩. উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজ
৪. কুয়েত মৈত্রী হাসপাতাল
৫. উত্তরা উইমেন্স মেডিক্যাল কলেজ
৭. মনসুরআলী মেডিকেল কলেজ
৮. উত্তরা বাংলাদেশ মেডিক্যাল
৯. ক্রিসেন্ট হাসপাতাল

05/05/2025

খাবারের রিভিউ

05/05/2025

2 খুদে হুজুরের রিভিউ

হাসিমুখ ২০২৫ছিলিমপুর মাদরাসা ও এতিমখানা।ছিলিমপুর, দেলদুয়ার, টাংগাইল।মোট ৪০ থেকে ৫০ জনের জন্য বিরিয়ানির আয়োজন করা হয়েছিলো...
05/05/2025

হাসিমুখ ২০২৫

ছিলিমপুর মাদরাসা ও এতিমখানা।
ছিলিমপুর, দেলদুয়ার, টাংগাইল।

মোট ৪০ থেকে ৫০ জনের জন্য বিরিয়ানির আয়োজন করা হয়েছিলো। এই প্রোজেক্টের ডোনেশন ছিলো যাকাতের টাকা। ছোট বাচ্চাদের মুখে হাসি ফোটাতে পেরে, আমদের প্রোজেক্টের নাম সফল হয়েছে।

এমন অনেক বাচ্চা ছিলো, যারা প্রথম বিরিয়ানি খেয়েছে। খাওয়ার পর, হাত ধোয়ার সময় কানে আসলো, এক পিচ্চি আরেক পিচ্চিকে বলতেছে, "এই খাওন আজকে প্রথম খাইলাম, আগে বিরিয়ানি খাই নাই"।

আর বাচ্চাদের যেদিন বাজার করে দিলাম, সেদিন ওদের আগ্রহের শেষ ছিলো না। আমরা আগেই বলে দিয়েছিলাম, " বিরিয়ানি বা খিচুরি যেটা ইচ্ছে, তোমরা কাকিকে বইলো, উনি রান্না করে দিবেন" ।
অন্যদিকে কাকিকেও বলা ছিলো, " বাচ্চারা যা চায়, তাই রান্না কইরেন, আপনাকে আমরা খুশি করবো "।

সবচেয়ে বড় কথা, বাচ্চাদের খাবার ভালো লেগেছে। বাচ্চারা খুশি ছিলো, আমাদের প্রোজেক্ট স্বার্থক।

১১ নাম্বার সেক্টর জমজমের মোড়ের আশেপাশে যারা থাকেন বা জমজমের মোড় দিয়ে যারা সকালবেলা অফিসে যাতায়াত করেন, তাদের কাছে সবি...
12/04/2025

১১ নাম্বার সেক্টর জমজমের মোড়ের আশেপাশে যারা থাকেন বা জমজমের মোড় দিয়ে যারা সকালবেলা অফিসে যাতায়াত করেন, তাদের কাছে সবিনয় অনুরোধ করছি। কম টাকায় হোমমেড নাস্তা করতে চাইলে এখানে চলে আসবেন। একজন ভদ্রমহিলা এখানে নাস্তা বিক্রি শুরু করেছেন। এই ভদ্রমহিলা হয়তো অভাবগ্রস্ত হয়ে ক্ষুদ্র মূলধন নিয়ে রাস্তায় ব্যাবসা করতে নেমেছেন। আপনাদের সহযোগিতায় ওনার জন্য আগামী দিনের পথ চলা সহজ করে দিবে....ইনশা আল্লাহ....

Address

Dhaka
1216

Opening Hours

Monday 10:00 - 00:00
Tuesday 10:00 - 00:00
Wednesday 10:00 - 00:00
Thursday 10:00 - 00:00
Friday 10:00 - 00:00
Saturday 10:00 - 00:00
Sunday 10:00 - 00:00

Telephone

+8801980301285

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আলোর ধারা সোসাইটি - Alor Dhara Society posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to আলোর ধারা সোসাইটি - Alor Dhara Society:

Share