.................................................................................................................................................................................................................................................................................................
ভূমিকাঃ আসসালামু আলাইকুম, প্রথমে স্বাগতম জানাচ্ছি, এই পেজটি ভিজিট করার জন্য। আশা করি সবাই ভালো আছেন..? আমাদের এই অরগানাইজেশানটি স্টুডেন্ট ভিত্তিক একটি অরগানাইজেশানটি। অরগানাইজেশানটি খোলার একটাই উদ্দেশ্য, আর তা হলো আমাদের আশেপাশের হত দরিদ্র মানুষদের সাহায্য করা। তাদের কারো প্রয়োজন শিক্ষার, কারো প্রয়োজন পোশাক ও খাদ্যের। যা দারিদ্রতার কারণে তারা পায় না। এগুলো তাদের মৌলিক চাহিদা। আমরা চাই স্বার্থহীনভাবে ও অসম্প্রদায়িক মনভাব নিয়ে তাদের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে। আর এই কাজ একা সম্ভব নয়। দরকার সবার সহায়তার। সবার সহায়তা পেলে এই সকল মানুষদের মুখে আমরা হাসি আনতে সক্ষম হবো। আমরা "আলোর ধারা সোসাইট" থেকে শপথ গ্রহণ করেছি এর ভুবনকে করবো সুন্দর, এই ভুবনের সবাই পাবে ৩ বেলা আহার, পাবে কাপড়, পাবে শিক্ষার সুযোগ। পশুপাখি পাবে তাদের অধিকার। এই শপথে আলোর পথ চলা শুরু ০৮ নভেম্বর ২০১৩। আমরা এগিয়ে যাচ্ছি, যাবো।
................................................................................................................................................
অগ্রযাত্রাঃ ২০১৩ সালের ০৮ নভেম্বর জন্ম হয় বা যাত্রা শুরু করে আলোর ধারা সোসাইটি। তবে তা শুধু একজনকে নিয়ে যিনি ছিলেন প্রতিষ্ঠাতা। এর পর ১/২ বছর তেমন কাজ হয়নি। ২৫ ডিসেম্বার ২০১৫ প্রথম ৩০০ টাকা দিয়ে প্রোজেক্ট শুরু হয়। এর পর আবার কাজ কিছুদিন বন্ধ থাকে। পরে ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে আবার কাজ শুরু হয়। এ সময় বেশ কিছু প্রোজেক্ট হয়, প্রায় ৬ টি। তবে ২০১৭ এর নভেম্বরে আবার কাজ বন্ধ হয়। তবে আমাদের কাজ ফাইনালি ভালোভাবে শুরু হয় ২০১৯ সালের ১১ এপ্রিল। এর পর থেকে কাজ নিয়মিত চলছে। মাঝে কোভিড-১৯ এর জন্য কাজে কিছুটা বিঘ্ন ঘটলেও কাজ থেকে থাকেনি। আমাদের কাজ চলছে। এখন পর্যন্ত আমরা ৫২ টি প্রোজেক্ট করি যাতে আমরা মোট প্রায় ৪ লক্ষ টাকা ব্যবহার করেছি।
................................................................................................................................................
মহামারিতে কাজঃ ২০২০ সালের মার্চ মাসে বাংলাদেশে শুরু হয় কোভিড-১৯ এর আক্রোমণ। সংক্রামিত হতে থাকে অনেক মানুষ, প্রাণ হারায় অনেকে। তবে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয় নিন্ম-বিত্ত ও মধ্য-বিত্তরা। কোভিড-১৯ এও আমরা অনেক প্রোজেক্ট করি। করোনা ভাইরাস কে মোকাবেলা করে আমাদের ভলেন্টিয়াররা মাঠে কাজ করেছে, মাস্ক দিয়েছে, যেসব পরিবার টাকার অভাবে না খেয়ে ছিলো তাদের খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আরো অনেক ভিন্ন ভিন্ন প্রোজেক্ট করা হয়েছে।
................................................................................................................................................
আমাদের ব্রাঞ্চসমূহ:
বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্রাঞ্চসমূহঃ
১। ন্যাশনাল হোম ইকোনোমিক্স (এনসিএইচি)
২। ব্রাক বিশ্ববিদ্যালয় (ব্রাকিউ)
৩। নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় (এনএসইউ)
৪। ঈস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয় (ইইউ) ইত্যাদি।
বিভাগীয় ব্রাঞ্চসমূহঃ
১। সেন্ট্রাল (ঢাকা সিটি সম্পূর্ণ)
২। ঢাকা উত্তর
৩। ঢাকা দক্ষিণ ইত্যাদি।
জোন ভিত্তিক ব্রাঞ্চসমূহঃ
ক। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেসনঃ
১। মিরপুর ১/২/৬/১০/১১/১২/১৩/১৪
২। বসুন্ধরা রেসিডেন্স এরিয়া
৩। ধানমন্ডি
................................................................................................................................................
আমাদের কাজসমূহঃ
যা যা করছি এবং ভবিষ্যতে করতে চাইঃ
১। হতদরিদ্র শিশুদের খাবার আর পোশাকের পাশাপাশি শিক্ষার ব্যবস্থা করতে চাই।
২। যারা কাজ করতে চায়, কিন্তু টাকার অভাব তাদের অর্থ দিয়ে সাবলম্বি করতে চাই।
৩। শিশু শিক্ষা ১০০ ভাগে আনতে চাই, যা দেশকে একধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে।
৪। নারী অধিকারায়ন ও তাদের সাবলম্বী ও ন্যায্য বিচারের জন্য কাজ করতে চাই।
৫। বয়স্ক মানুষদের পাশে দাড়াতে চাই।
৬। কাজ করার ক্ষমতা নেই এমন মানুষদের জন্য কিছু করতে চাই।
৭। হতদরিদ্র নারী-পুরুষদের করম সংস্থান তৈরী করতে চাই।
৮। এতিম, অসহায় শিশুদের জন্য খাবার, পোশাক আর নিরাপদ বাসস্থান করতে চাই।
৯। পরিবেশ রক্ষায় গাছ রোপন, মানুষকে সচেতন করা এবং পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা মূলক কারযক্রম করতে চাই।
১০। পশু পাখিরাও আমদের জীবনের একাংশ, তাই তাদের নিরাপদ জীবন, খাদ্য আর বাসস্থান এর ব্যবস্থা করার ইচ্ছা।
১১। বাংকিং সেবা চালু করতে চাই, ইউথ ডেভোলোপমেন্ট করতে চাই, ইন্ট্রোপ্রিনিয়র তৈরি করতে চাই।
................................................................................................................................................
আমাদের ডিপার্টমেন্ট সমূহঃ
১। রেড ড্রপস (RED DROPS)ঃ রক্তদানের জন্য কাজ করা হয়।
২। আলোর পাঠশালা ()ঃ দেশে ১০০ ভাগ শিক্ষার জন্য কাজ করা হয়।
৩। সেভিং ক্রিয়েচারস ()ঃ পশুপাখিদের জন্য কাজ করা হয়।
৪। এডওয়ার্ড হিয়েভেন ()ঃ বৃদ্ধাশ্রম করতে চাই।
৫। পিচ ইন প্লানেট ()ঃ হিউম্যান রাইটসের জন্য কাজ করতে চাই।
................................................................................................................................................
সদস্যপদ গ্রহণ:
সদস্য হতে করণীয়:
১। জেনারেল মেম্বারঃ প্রতি মাসে সরবনিন্ম ১০০ টাকা (এর উপরে যে যত দেয়, ততই ভালো) করে দিলেই সদস্য হওয়া যাবে। আপনার সেক্ষেত্রে মাঠে কাজ না করলেও চলবে। তবে চাইলে করতে পারবেন।
২। জেনারেল ভলেন্টিয়ারঃ প্রতি মাসে সরবনিন্ম ১০০ টাকা (এর উপরে যে যত দেয়, ততই ভালো) করে দিলেই সদস্য হওয়া যাবে। তবে সমস্যা বিবেচনায় ভলেন্টিয়ারের মাসিক ডোনেশন না দিলেও চলবে। ভলেন্টিয়ার ডোনেশন দিক বা না দিক মাঠে কাজ করা বাধ্যতামূলক। অর্থাৎ আমরা যখন কোন স্থানে যাবো, বস্ত্র বা অন্য কিছু দিতে, তখন সাথে যেতে হবে। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নিতে হবে। এছাড়াও আরো কিছু কাজ করতে হবে। সবাই জানি, নিজ হাতে এমন কাজ করাটা অনেকটা শান্তির।
৩। সাপরটিভ মেম্বারঃ শুধু মাত্র প্রজেক্টের সময় ডোনেট করলেই হবে। আর মাঠে কাজ করা তার ইচ্ছা।
৪। সাপরটিভ ভলেন্টিয়ারঃ প্রজেক্টের সময় মাঠে কাজ থাকলে তা করতে হবে। আর চাইলে ডোনেট করতে পারেন এটা আপনার ইচ্ছা।
৫। স্পেশাল মেম্বারঃ তারা সব সময় আমাদের বিভিন্ন এডভাইজিং করবেন আর রেগুলার বা প্রজেক্টে ডোনেট করবেন। চাইলে প্রজেক্ট এও জয়েন করতে পারেন।
৬। স্পেশাল ভলেন্টিয়ারঃ আমাদের এডভাইজিং করবেন এবং বিশেষ কিছু প্রজেক্ট এ আমাদের সাথে থাকবেন। চাইলে ডোনেটও করতে পারেন।
................................................................................................................................................
ইতিকথাঃ আচ্ছা..? আমরা তো সামাজিক জীব তাই না..? সমাজ সংসারে আমাদের সবার তো কিছু দায়িত্ব আছে ঠিক..?
আমরা যদি সবাই এই দায়িত্ব ঠিকভাবে পালন করি তাহলে এই ভুবন অনেক সুন্দর হয়ে উঠবে। আমাদের আশেপাশে যে অনেক হতদরিদ্র মানুষ বাস করে। তাদের কারো প্রয়োজন শিক্ষার, কারো প্রয়োজন পোশাক ও খাদ্যের। যা দারিদ্রের কারণে তারা পায় না। আবার আমদের আশেপাশের অনেক পশুপাখি আছে যাদের আমাদের সাহায্যের দরকার। আবার এই ভুবনের পরিবেশকেও সুন্দর রাখা জরুরী।
আমরা চাই স্বার্থহীনভাবে ও অসম্প্রদায়িক মনভাব নিয়ে তাদের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে। তাই এইকাজ একা সম্ভব নয়। সবার সহায়তা পেলে এই সকল মানুষদের মুখে আমরা হাসি আনতে সক্ষম হবো। শুধু দরকার আপানাদের আর্থিক সাহায্য এবং মানসিক সাপোর্ট। আপনার টাকা আমরা পৌছে দিবো হতদরিদ্র এই মানুষদের নিকট। যে টাকায় হয়তো তাদের কারো লেখাপড়া হবে, নাহোয় একটা কাপড় হবে, অন্যথায় একবেলা খাবার জুটবে কপালে।
তাই, আসুন আমরা আমাদের যথাসাধ্য সামর্থ্য দিয়ে কিছু অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাই। আর এই হোক আমাদের প্রতিজ্ঞা। আশা করি, আমরা আপনাদের সকল সাহায্য পাবো। এগিয়ে যাবে আলো, গড়বে সুন্দর ভুবন, ফুটবে সবার মুখে হাসি।
(ধন্যবাদ)
................................................................................................................................................................................................................................................................................................
যোগাযোগের ঠিকানাঃ
আলোর ধারা সোসাইটি (আধাসো)
ঠিকানাঃ ৬০ ফিট, মনিপুর, মিরপুর, ঢাকা - ১২১৬
ইমেইলঃ [email protected]
ফোনঃ ০১৯৮০৩০১২৮৫
সহায়তা পাঠানঃ
বিকাশঃ ০১৯৮০৩০১২৮৫ (আধাসো)
রকেটঃ ০১৯৮০৩০১২৮৫০ (আধাসো)
................................................................................................................................................................................................................................................................................................