সুন্দর, সুস্থ জীবন বিধান ইসলাম

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • সুন্দর, সুস্থ জীবন বিধান ইসলাম

সুন্দর, সুস্থ জীবন বিধান ইসলাম কুরআন হাদিস এর আলোকে ইসলামের জ্ঞান অর্জন।

🔲 যিলহজের প্রথম ১০ দিনের ইবাদত আল্লাহর রাস্তায় জিহাদের থেকে উত্তম। وَ  لَیَالٍ عَشۡرٍ ۙ﴿۲﴾ ✪ শপথ দশ রাতের (সূরা আল-ফাজর ...
20/05/2026

🔲 যিলহজের প্রথম ১০ দিনের ইবাদত আল্লাহর রাস্তায় জিহাদের থেকে উত্তম।

وَ لَیَالٍ عَشۡرٍ ۙ﴿۲﴾
✪ শপথ দশ রাতের (সূরা আল-ফাজর -৮৯/২)
◑ শপথের দ্বিতীয় বিষয় হচ্ছে দশ রাত্রি। ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু, কাতাদা ও মুজাহিদ প্রমুখ তাফসীরবিদদের মতে এতে যিলহজের দশ দিন বোঝানো হয়েছে। [ইবন কাসীর]

✪ আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, “এই দিনগুলির (অর্থাৎ, যুল হিজ্জার প্রথম দশ দিনের) তুলনায় এমন কোন দিন নেই, যাতে কোন সৎকাজ আল্লাহর নিকট অধিক প্রিয়।” লোকেরা বলল, ‘আল্লাহর পথে জিহাদও নয় কি?’ তিনি বললেন, “আল্লাহর পথে জিহাদও নয়। তবে কোন (মুজাহিদ) ব্যক্তি যদি তার জান মালসহ বের হয়ে যায় এবং তার কোন কিছুই নিয়ে আর ফিরে না আসে।” (অর্থাৎ, শাহাদত বরণ করে, তাহলে হয়তো তার সমান হতে পারে।)

(◑ সহীহুল বুখারী ৯৬৯, তিরমিযী ৭৫৭, আবূ দাউদ ২৪৩৮, ইবনু মাজাহ ১৭২৭,আহমাদ ১৯৬৯, ৩১২৯, ৩২১৮,দারেমী ১৭৭৩, রিয়াদুস সলেহিন-১২৫৭,হাদিসের মান: সহিহ হাদিস।)

✪ আব্দুল্লাহ ইবনে উমার (রা.) থেকে বর্ণিত নবী কারিম (ﷺস.) বলেছেন: এ দশ দিনে নেক আমল করার চেয়ে আল্লাহ রাববুল আলামিনের কাছে প্রিয় ও মহান কোন আমল নেই। তোমরা এ সময়ে তাহলীল (লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ) তাকবির (আল্লাহু আকবার) তাহমীদ (আল-হামদুলিল্লাহ) বেশি করে আদায়কর।

(◑ মুসনাদে আহমাদ ১৩২ , তাবারানি ফিল মুজামিল কাবীর)

✪ নবী কারিম (ﷺ)এ দিনগুলোতে বেশি বেশি করে তাহলীল ও তাকবির পাঠ করতে নির্দেশ দিয়েছেন। যেমন উপরে ইবনে আব্বাসের হাদিসে আলোচিত হয়েছে। আল্লাহ রাববুল আলামিন বলেন:

لِيَشْهَدُوا مَنَافِعَ لَهُمْ وَيَذْكُرُوا اسْمَ اللَّهِ فِي أَيَّامٍ مَعْلُومَاتٍ عَلَى مَا رَزَقَهُمْ مِنْ بَهِيمَةِ الْأَنْعَامِ.

‘‘যাতে তারা তাদের কল্যাণময় স্থানগুলোতে উপস্থিত হতে পারে এবং তিনি তাদেরকে চতুষ্পদ জন্তু হতে যা রিজিক হিসেবে দান করেছেন তার উপর নির্দিষ্ট দিনসমূহে আল্লাহর নাম স্মরণ করতে পারে।’’(সূরা হজ্জ -২৮)

☞ সিয়াম পালন করা সুন্নাহ :
✪ আহমদ ইব্‌ন ইয়াহইয়া (রহঃ)
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কোন স্ত্রী থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যিলহজ্জ মাসের নয় দিন, আশুরার দিন এবং প্রত্যেক মাসের তিন দিন সাওম (রোযা) পালন করতেন-মাসের সোমবার এবং দুই বৃহস্পতিবার।

◑ সুনানে আন-নাসায়ী-২৪১৭,মান:সহিহ হাদিস)
☞ আরাফার দিনের সিয়ামে ১ বছর পূর্বের ও পরের পাপ ক্ষমা হয়।

✪ আবূ কাতাদাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে আরাফার দিনে রোযা রাখা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে উত্তরে তিনি বললেন, “তার পূর্বের এক বছর ও পরের এক বছরের গোনাহ মোচন করে দেয়।”

◑মুসলিম ১১৬২ (হাদীস একাডমি২৬৩৭), রিয়াদুস সলেহিন-১২৫৮,হাদিসের মান:
(সহিহ হাদিস।)

☞ আরাফার দিবসের দোয়া পড়া।
✪ ‘আমর ইবনু শুআইব (রহঃ) কর্তৃক পর্যায়ক্রমে তার বাবা ও তার দাদা

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আরাফাতের দিনের দু’আই উত্তম দু’আ। আমি ও আমার আগের নাবীগণ যা বলেছিলেন তার মধ্যে সর্বোত্তম কথাঃ

“আল্লাহ ছাড়া কোন মাবূদ নেই। তিনি এক, তাঁর কোন অংশীদার নেই, সার্বভৌমত্ব তারই এবং সমস্ত কিছুর উপর তিনি সর্বশক্তিমান”।

لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ ‏

(হাসানঃ মিশকাত (২৫৯৮), তা’লীকুর রাগীব (২/২৪২), সহীহাহ (১৫০৩) জামে' আত-তিরমিজি- ৩৫৮৫)

আরও কিছু আমল যা এই ১০ দিন গুরুত্বের সাথে আদায় করা নিচে শুধু আমলগুলো বর্ণনা করছি।

✪ তাওবা ও এস্তেগফার করা।
✪ ফরয ও নফল সালাতগুলো গুরুত্বের সাথে আদায় করা:

✪ হজ ও ওমরা করা:
✪ আল্লাহর যিকির করা:
✪তাসবিহ, তাকবীর, তাহলীল ও তাহমীদ পাঠ:
✪ কুরবানি করা:

◑ আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা আমাদের সবাই কে জিলহজের দশদিন নেক আমল করার মাধ্যমে উক্ত মর্যাদা পাওয়ার তৌফিক দান করুন (আমিন)। রাজিব রেজা।

=============✪✪✪✪✪============
(⊕) কপি ও শেয়ার করুনঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, ‘‘যে ব্যক্তি ভাল কাজের পথ দেখাবে, সে তার প্রতি আমলকারীর সমান নেকী পাবে।’’ ( সহীহ মুসলিম ৪৭৯৩, তিরমিযী ২৬৭১, আবূ দাউদ ৫১২৯ মান: সহীহ)

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যে লোক সঠিক পথের দিকে ডাকে তার জন্য সে পথের। অনুসারীদের প্রতিদানের সমান প্রতিদান রয়েছে। এতে তাদের প্রতিদান হতে সামান্য ঘাটতি হবে না। (সহীহ মুসলিম--৬৬৯৭,তিরমিযী ২৬৭৪, আবূ দাঊদ ৪৬০৯, দারিমী ৫১৩, ইবনে মাজাহ-২০৬ মান: সহীহ) (কপিকৃত)।

🔲 জান্নাতের বিশাল বিশাল নিয়ামতের সংক্ষিপ্ত কিছু বর্ণনা। ✪ জান্নাতের একশতটি স্তর রয়েছে। প্রতি দুই স্তরের মাঝে আসমান-যমীনে...
12/05/2026

🔲 জান্নাতের বিশাল বিশাল নিয়ামতের সংক্ষিপ্ত কিছু বর্ণনা।

✪ জান্নাতের একশতটি স্তর রয়েছে। প্রতি দুই স্তরের মাঝে আসমান-যমীনের সমান ব্যবধান বর্তমান। ফিরদাউস হচ্ছে সবচেয়ে উঁচু স্তরের জান্নাত, সেখান থেকেই জান্নাতের চারটি ঝর্ণা প্রবাহিত হয় এবং এর উপরেই (আল্লাহ্‌ তা'আলার) আরশ স্থাপিত। তোমরা আল্লাহ্‌ তা'আলার নিকট প্রার্থনা করার সময় ফিরদাউসের প্রার্থনা করবে।( তিরমিজি-২৫৩১-সহীহ)

✪ জান্নাতের তাঁবুগুলো মণি-মুক্তার তৈরি হবে। এর দৈর্ঘ্য হবে ঊর্ধাকাশের দিকে ষাট মাইল। এর প্রত্যেক কোণে মু’মিনদের সহধর্মিণীগণ থাকবে। তবে পরস্পর একে অপরকে দেখতে পাবে না। ( মুসলিম-৭০৫২-সহীহ)

✪ যে দলটি কিয়ামাত দিবসে সর্বপ্রথম জান্নাতে প্রবেশ করবে, তাদের মুখমণ্ডল হবে পূর্ণিমার রাতের চাঁদের মতো উজ্জ্বল, আর দ্বিতীয় দলের মুখমণ্ডল হবে আকাশে মুক্তার ন্যায় ঝলমলে তারকার মতো উজ্জ্বল। তাদের মধ্যে প্রত্যেক পুরুষের জন্য দু’জন করে স্ত্রী (হুর) থাকবে এবং প্রত্যেক স্ত্রীর সত্তরজোড়া জামা থাকবে। এই জামার ভিতর দিয়েও তার পায়ের জংঘার অস্থিমজ্জা দেখা যাবে। (জামে' আত-তিরমিজি-২৫৩৫)

✪ জান্নাতবাসীগণ জান্নাতের সুউচ্চ বালাখানাসমূহ দেখতে পাবে, তোমরা যেমন আকাশের তারকারাজি দেখে থাকো।(মুসলিম-৭০৩৩-সহীহ)

✪ জান্নাতে এমন একটি বৃক্ষ আছে, যার ছায়ায় একজন আরোহী একশ’ বছর পর্যন্ত সফর করতে থাকবে। (মুসলিম-৭০২৮-সহীহ)

✪ জান্নাতের প্রতিটি গাছের কাণ্ডই স্বর্ণ দ্বারা নির্মিত। (তিরমিজি-২৫২৫-সহীহ)

✪ জান্নাতবাসীগণ জান্নাতে পানাহার করবে। তবে থু-থু ফেলবে না, প্রস্রাব-পায়খানা করবে না এবং নাকও ঝাড়বে না। এ কথা শুনে সহাবাগণ বললেন, তবে ভক্ষিত খানা যাবে কোথায়? উত্তরে তিনি বললেন, এক ঢেকুরে শেষ হয়ে যাবে। তাদের শরীরের ঘাম মিশ্কের মতো সুঘ্রাণযুক্ত হবে। আল্লাহর পবিত্রতা এবং প্রশংসা তাদের অন্তঃকরণে এভাবে দেয়া হবে যেভাবে শ্বাস-প্রশ্বাস দেয়া হয়।(মুসলিম-৭০৪৪-সহীহ)

✪ জান্নাতের মধ্যে পানি, মধু, দুধ ও মদের সমুদ্র আছে। এগুলো থেকে আরো ঝর্ণা বা নদীসমূহ প্রবাহিত হবে।(তিরমিজি-২৫৭১- সহীহ)

✪ পর্দা খুলে যাবে (এবং আল্লাহ্‌ তা‘আলার সাক্ষাৎ সংঘটিত হবে)। তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র কসম! তিনি মানুষকে তাঁর সাক্ষাতের চেয়ে বেশি পছন্দনীয় ও আকাঙ্ক্ষিত কোন জিনিসই প্রদান করেননি। (তিরমিজি -২৫৫২ সহীহ)

সংকলক
রাজিব রেজা। মাস্টার্স অধ্যয়নরত

নেত্রকোনা সরকারি কলেজ, নেত্রকোনা।
==========✪✪✪✪✪=============

(⊕) কপি ও শেয়ার করুনঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, ‘‘যে ব্যক্তি ভাল কাজের পথ দেখাবে, সে তার প্রতি আমলকারীর সমান নেকী পাবে।’’ ( সহীহ মুসলিম ৪৭৯৩, তিরমিযী ২৬৭১, আবূ দাউদ ৫১২৯ মান: সহীহ)

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যে লোক সঠিক পথের দিকে ডাকে তার জন্য সে পথের অনুসারীদের প্রতিদানের সমান প্রতিদান রয়েছে। এতে তাদের প্রতিদান হতে সামান্য ঘাটতি হবে না। (সহীহ মুসলিম--৬৬৯৭,তিরমিযী ২৬৭৪, আবূ দাঊদ ৪৬০৯, দারিমী ৫১৩, ইবনে মাজাহ-২০৬ মান: সহীহ) (কপিকৃত)

দ্বীন ইসলামের কোন বিষয় নিয়ে ঠাট্টা মশকরা করাও ঈমান ভংগের কারণ 💔দলিলঃযখন তারা মু’মিনদের সংস্পর্শে আসে তখন বলে, ‘আমরা ঈমান...
12/05/2026

দ্বীন ইসলামের কোন বিষয় নিয়ে ঠাট্টা মশকরা করাও ঈমান ভংগের কারণ 💔

দলিলঃযখন তারা মু’মিনদের সংস্পর্শে আসে তখন বলে, ‘আমরা ঈমান এনেছি’; আর যখন তারা নিভৃতে তাদের শয়ত্বানদের (সর্দারদের) সঙ্গে মিলিত হয় তখন বলে, ‘আমরা তোমাদের সাথেই আছি, আমরা শুধু তাদের সঙ্গে ঠাট্টা-তামাশা করি মাত্র’।📗 2 বাকারাহঃ 14,

আল্লাহ কীরূপে সেই সম্প্রদায়কে সুপথ দেখাবেন যারা ঈমান আনার পর, এ রসূলকে সত্য বলে স্বীকার করার পর এবং তাদের নিকট সুস্পষ্ট দলীল আসার পর কুফরী করে?
বস্তুতঃ আল্লাহ যালিম কওমকে পথ দেখান না।
📗3 আলে ইমরানঃ 86,

কিতাবে তোমাদের নিকট তিনি নাযিল করেছেন যে, যখন তোমরা শুনবে আল্লাহর আয়াতের প্রতি কুফরী হচ্ছে এবং তার প্রতি ঠাট্টা করা হচ্ছে, তখন তাদের নিকট বসো না যে পর্যন্ত তারা অন্য আলোচনায় লিপ্ত না হয়, নচেৎ তোমরাও তাদের মত হয়ে যাবে, নিশ্চয় আল্লাহ মুনাফিক ও কাফিরদের সকলকেই জাহান্নামে একত্রিত করবেন।📗 4 নিসাঃ 140,

হে ঈমানদারগণ! তোমাদের পূর্বে যাদেরকে কিতাব দেয়া হয়েছিল তাদের মধ্যে যারা তোমাদের দ্বীনকে হাসি-তামাসা ও খেলার বস্তু হিসেবে গ্রহণ করে তাদেরকে এবং কাফিরদেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না আর আল্লাহকে ভয় কর যদি তোমরা মু’মিন হও।

তোমরা যখন সলাতের জন্য আহবান জানাও তখন তারা সেটিকে তামাশা ও খেলার বস্তু হিসেবে গ্রহণ করে। এটা এজন্য যে, তারা হল নির্বোধ সম্প্রদায়।📗আল মায়িদাহঃ 57, 58,

তাদেরকে জিজ্ঞেস করলে তারা জোর দিয়েই বলবে, ‘আমরা হাস্য রস আর খেল-তামাশা করছিলাম।’ বল, ‘আল্লাহ, তাঁর আয়াত ও তাঁর রসূলকে নিয়ে তোমরা বিদ্রূপ করছিলে?’

ওযর পেশের চেষ্টা করো না, ঈমান আনার পর তোমরা কুফরী করেছ। তোমাদের মধ্যেকার কোন দলকে ক্ষমা করলেও অন্যদেরকে শাস্তি দেব, কারণ তারা অপরাধী।

মুনাফিক পুরুষ আর মুনাফিক নারী সব এক রকম, তারা অন্যায় কাজের নির্দেশ দেয় আর সৎ কাজ করতে নিষেধ করে, (আল্লাহর পথে ব্যয় করার ব্যাপারে) হাত গুটিয়ে রাখে, তারা আল্লাহকে ভুলে গেছে, তাই তিনিও তাদেরকে ভুলে গেছেন। মুনাফিকরাই তো ফাসিক।

আল্লাহ মুনাফিক পুরুষ, মুনাফিক নারী ও কাফিরদের জন্য জাহান্নামের আগুনের ওয়া‘দা দিয়েছেন, তাতে তারা চিরদিন থাকবে, তা-ই তাদের জন্য যথেষ্ট। তাদের উপর আছে আল্লাহর অভিশাপ,আর আছে তাদের জন্য স্থায়ী ‘আযাব।📗 তাওবাহঃ 65, 66, 67, 68

প্রিয় নবী মুহাম্মদ সাঃ বলেছেনঃ
সুতরাং যারা আমার সুন্নাতের প্রতি বিরাগ পোষণ করবে🚦
তারা আমার দলভুক্ত নয় 🔥
বুখারীঃ ৫০৬৩,আল লুলু ওয়াল মারজানঃ ৮৮৫

মহান আল্লাহ তাআলা আরও বলেনঃ
তারা যে সব মন্দ কাজ করত সেগুলো তাদের কাছে প্রকাশ হয়ে পড়বে আর তারা যা নিয়ে ঠাট্টা বিদ্রূপ করত তা তাদেরকে ঘিরে ফেলবে।
📗 45 আল জাসিয়াঃ 33 (কপিকৃত)

প্রিয় নবী মুহাম্মদ (ﷺ) কে হাজির নাজির মনে করা কুফরি এবং স্পষ্ট শিরক ✅রাসুলুল্লাহ (ﷺ) কে আল্লাহ ইহকালে সম্মানিত করেছেন, আ...
07/05/2026

প্রিয় নবী মুহাম্মদ (ﷺ) কে হাজির নাজির মনে করা কুফরি এবং স্পষ্ট শিরক ✅
রাসুলুল্লাহ (ﷺ) কে আল্লাহ ইহকালে সম্মানিত করেছেন, আত্মার জগতে সম্মানিত করেছেন, কিয়ামত দিবসে সম্মানিত করবেন এবং ইন শা আল্লাহ জান্নাতের সর্বোচ্চ স্থান দান করবেন।
কিন্তু তুমি যদি বলো রাসুলুল্লাহ ﷺ মরেন নাই, তিনি জিন্দা‼️
তাহলে আল্লাহ যে একমাত্র চিরঞ্জীব এই কথা তুমি অস্বীকার করছো 💥

এই উম্মতের শ্রেষ্ঠ মানুষ, প্রথম খলিফা, রাসুলুল্লাহ (ﷺ) এর সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ সহচর, সাহাবী ও শ্বশুর আবু বক্কর রাঃ বলে ছিলেনঃ

❝তোমাদের মাঝে যারা মুহাম্মাদ (ﷺ) -এর ইবাদত করতে, মুহাম্মাদ (ﷺ) সত্যই মারা গেছেন।
আর যারা মহান আল্লাহর ইবাদত করতে, নিশ্চয় আল্লাহ্‌ চিরঞ্জীব, অমর।❞

সহিহ বুখারীঃ ১২৪১, ১২৪২, ৩৬৬৮, ৪৪৫৪
ইবনে মাজাহঃ ১৬২৭
হাদিসের মান: সহিহ হাদিস

মহান আল্লাহ তাআলা বলেনঃ
আল্লাহ, তিনি ছাড়া সত্যিকারের কোন উপাস্য নেই, তিনি চিরঞ্জীব, সর্বদা রক্ষণাবেক্ষণকারী।
তাঁকে তন্দ্রা ও নিদ্রা স্পর্শ করে না। আকাশমন্ডলে ও ভূমন্ডলে যা কিছু আছে, তাঁরই। কে সেই ব্যক্তি যে তাঁর অনুমতি ছাড়া তাঁর নিকট সুপারিশ করে? তিনি লোকদের সমুদয় প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য অবস্থা জানেন। পক্ষান্তরে মানুষ তাঁর জ্ঞানের কোনকিছুই আয়ত্ত করতে সক্ষম নয়, তিনি যে পরিমাণ ইচ্ছে করেন সেটুকু ছাড়া। তাঁর কুরসী আকাশ ও পৃথিবী পরিবেষ্টন করে আছে এবং এ দু’য়ের রক্ষণাবেক্ষণ তাঁকে ক্লান্ত করে না, তিনি উচ্চ মর্যাদাশীল, মহান।
📗 Al-Baqara: Ayah No. 255

আল্লাহ, তিনি ছাড়া সত্যিকারের কোন ইলাহ নেই, তিনি চিরঞ্জীব সকলের রক্ষণাবেক্ষণকারী।
📗 Aal-i-Imraan: Ayah No. 2

চিরঞ্জীব চিরস্থায়ীর সম্মুখে সকলেই হবে অধোমুখী, আর সে ব্যর্থ হবে যে যুলমের (পাপের) ভার বহন করবে।
📗 Taa-Haa: Ayah No. 111

আর তুমি নির্ভর কর সেই চিরঞ্জীবের উপর যিনি মরবেন না। আর তাঁর প্রশংসা ও পবিত্রতা ঘোষণা কর। তিনি তাঁর বান্দাহদের গুনাহর খবর রাখার ব্যাপারে যথেষ্ট।
📗 Al-Furqaan: Ayah No. 58

চিরঞ্জীব তিনি, তিনি ছাড়া সত্যিকারের কোন ইলাহ নেই। কাজেই তাঁকে ডাক আনুগত্যকে একমাত্র তাঁরই জন্য বিশুদ্ধ করে। যাবতীয় প্রশংসা বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহরই জন্য।📗 Al-Ghaafir: Ayah No. 65

রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলতেনঃ হে আল্লাহ!
আমি আপনার কাছেই আত্মসমর্পণ করেছি, আপনার প্রতিই বিশ্বাস স্থাপন করেছি, আপনার উপরই ভরসা করেছি, আপনার দিকেই ফিরে যাচ্ছি এবং আপনার সহযোগিতায়ই শত্রুদের বিপক্ষে যুদ্ধ করেছি।
হে আল্লাহ! আপনার সম্মানের নিকট আশ্রয় চাচ্ছি। আপনি ছাড়া কোন মুা‘বূদ নেই। আপনি আমাকে বিভ্রান্তির পথ থেকে বাঁচান।
❝ আপনি চিরঞ্জীব সত্তা, যার মৃত্যু নেই। আর জিন্ জাতি ও মানব জাতি মারা যাবে।❞

সহিহ মুসলিমঃ ৬৭৯২, বুখারীঃ ৭৩৮৩
রিয়াদুস সলেহিনঃ ৭৬,হাদিস সম্ভারঃ ১৯৭
মিশকাতঃ ২৪৬৩, হাদিসের মান: সহিহ হাদিস

রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন:
❝নিশ্চয় তোমাদের রব্ব চিরঞ্জীব ও মহান দাতা।❞
বান্দাহ দু’ হাত তুলে তাঁর নিকট চাইলে তিনি খালি হাত ফেরত দিতে লজ্জাবোধ করেন।

সুনানে আবু দাউদঃ ১৪৮৮
ইবনে মাজাহঃ ৩৮৬৫
বুলুগুল মারামঃ ১৫৫২
হাদিসের মান: সহিহ হাদিস

পরিশেষে আবারও আল্লাহর বাণীঃ
তোমাদের ইলাহ হলেন এক ইলাহ।
কাজেই যারা আখেরাতে বিশ্বাস করে না, তাদের অন্তর সত্য-অস্বীকারকারী আর তারা অহংকারী।
আল্লাহ বললেন, ‘তোমরা দু’ ইলাহ গ্রহণ করো না, তিনি তো এক ইলাহ;
কাজেই আমাকে- কেবল আমাকেই ভয় কর।’
📗 16 আন নাহলঃ 22 ও 51

জীবনের শেষ মুহূর্তে এসেও যদি দেখেন আপনি শিরিক-বিদআতের অন্তর্ভুক্ত হয়ে আছেন, নিজেকে মুসলমান দাবি করলে জানার সাথে সাথে শিরিক-বিদআত থেকে ফিরে আসতে হবে। (কপিরাইট)

🔲 মুহাম্মাদ (ﷺ) এর উপর দরূদ পাঠের ১০ টি বিস্ময়কর ফজিলত। রাসূল (ﷺ)-এর প্রতি সলাত (দরূদ) ও সালাম পেশ করা সম্পর্কে আল্লাহ ন...
26/04/2026

🔲 মুহাম্মাদ (ﷺ) এর উপর দরূদ পাঠের ১০ টি বিস্ময়কর ফজিলত।

রাসূল (ﷺ)-এর প্রতি সলাত (দরূদ) ও সালাম পেশ করা সম্পর্কে আল্লাহ নির্দেশ দিয়ে বলেন,

إِنَّ اللهَ وَمَلَائِكَتَهُ يُصَلُّوْنَ عَلَى النَّبِيِّ يَا أَيُّهَا الَّذِيْنَ آمَنُوْا صَلُّوْا عَلَيْهِ وَسَلِّمُوْا تَسْلِيْماً، ‘

নিশ্চয়ই আল্লাহ ও তার ফেরেশতাগণ নবীর প্রতি সলাত প্রেরণ করেন। (অতএব) হে মুমিনগণ! তোমরা তার প্রতি সালাত (দরূদ) ও সালাম প্রেরণ কর’। (আহযাব ৩৩/৫৬)।

১. আল্লাহর পক্ষ থেকে রহমত, গুনাহ মাফ ও মর্যাদা লাভ হয়:

আনাস ইব্‌ন মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি আমার উপর একবার দরূদ পাঠ করবে আল্লাহ তা’আলা তাঁর উপর দশবার রহমত নাযিল করবেন, তাঁর দশটি গুনাহ মিটিয়ে দেওয়া হবে এবং তাঁর জন্য দশটি মর্যাদা উন্নীত করা হবে।
✪ সুনানে আন-নাসায়ী-১২৯৭
✔ হাদিসের মান: সহিহ হাদিস।

রাসূল (ছাঃ)-এর প্রতি দরূদ পাঠের সাথে যদি সালাম প্রদান করা হয় তাহ’লে আল্লাহর পক্ষ থেকে দশটি শান্তি অবতীর্ণ হয়।[মিশকাত হা/৯২৮।] এটা আল্লাহ তা‘আলার পক্ষ থেকে বান্দাদের জন্য রহমত। তিনি বান্দার সকল ভাল কাজকেই ১০গুণ করে বৃদ্ধি করেন (আন‘আম ৬/১৬০)।

২. জিব্রাইল (আঃ) সহ ফেরেশতারা তার জন্য দোয়া করে :

আব্দুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, যে ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর উপর একবার সালাত (দরূদ) পড়ে, আল্লাহর ফেরেশতাগণ ঐ বান্দার জন্য ৭০ বার (কল্যাণের) দোআ করেন। অতএব কোনো বান্দার ইচ্ছা-সে রাসূলের উপর সালাত কম পাঠ করবে অথবা বেশি পাঠ করবে।

✪ মুসনাদ আহমাদ,হা ৬৬০৫(মাকতাবাশামেলা)
✔ ইমাম হাফেয মুনযিরী, হাফেয হায়সামী, সাখাওয়ী ও আহমাদ শাকের হাদীসটিকে হাসান বলেছেন।

আব্দুল্লাহ বিন আমের বিন রাবিয়া তার পিতা (আমের) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেছেন, আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে মিম্বারে বক্তব্য দিতে গিয়ে দাঁড়িয়ে বলতে শুনেছি, "যে ব্যক্তি আমার প্রতি দরুদ পেশ করবে ফেরেশতা মণ্ডলী তার জন্য দুয়া করবে। তারা ততক্ষণ পর্যন্ত দুয়া করতে থাকবে যতক্ষণ সে দরুদ পেশ করতে থাকে। সুতরাং কম হোক বেশী হোক যা ইচ্ছা সে দরুদ পেশ করতে পারে।"
✪ মুসনাদ তায়ালুসী, হাদিস নং ১২২৫,
✪ সহীহুল জামে হাদিস নং ৫৭৪৪
✔ হাদীসের মানঃ হাসান, আলবানী।

আবূ তালহা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একদিন (আমাদের কাছে) আগমন করলেন। তখন তাঁর চেহারায় প্রফুল্লতা দৃষ্টিগোচর হচ্ছিল। তিনি বললেন, জিবরাঈল (আঃ) আমার কাছে এসে বলল, “ইয়া মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আপনাকে কি এই সংবাদ খুশি করে না যে, আপনার উম্মতের মধ্য থেকে যদি কোন ব্যক্তি আপনার উপর একবার দরূদ পাঠ করে আমি তাঁর দশবার মাগফিরাত চাইব, আর কেউ যদি আপনাকে একবার সালাম পাঠায় আমি তার প্রতি দশবার সালাম পাঠাব।”
✪ সুনানে আন-নাসায়ী-১২৯৫
✔ হাদিসের মান: হাসান হাদিস।

৩. মুহাম্মাদ (ﷺ) এর শাফা‘আত লাভ করবে :
আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর ইবনুল ‘আস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন : তোমরা মুয়ায্‌যিনের আযান শুনলে উত্তরে সে শব্দগুলোরই পুনরাবৃত্তি করবে। আযান শেষে আমার উপর দরূদ পাঠ করবে। কারণ যে ব্যক্তি আমার উপর একবার দরূদ পাঠ করবে (এর পরিবর্তে) আল্লাহ তার উপর দশবার রাহমাত বর্ষণ করবেন। এরপর আমার জন্য আল্লাহর কাছে ‘ওয়াসীলা’ প্রার্থনা করবে। ‘ওয়াসীলা’ হল জান্নাতের সর্বোচ্চ সম্মানিত স্থান, যা আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে শুধু একজন পাবেন। আর আমার আশা এ বান্দা আমিই হব। তাই যে ব্যক্তি আমার জন্য ‘ওয়াসীলা’র দু’আ করবে, ক্বিয়ামাতের দিন তার জন্য সুপারিশ করা আমার জন ওয়াজিব হয়ে পড়বে।

ফুটনোট: সহীহ :মুসলিম ৩৮৪, আবূ দাঊদ ৫২৩, নাসায়ী ৬৭৮,তিরমিযী ৩৬১৪,সহীহ ইবনু হিব্বান ১৬৯০,ইরওয়া ২৪২,সহীহ আল জামি‘ ৬১৩।

✪ মিশকাতুল মাসাবিহ, হাদিস নং ৬৫৭
✔ হাদিসের মান: সহিহ হাদিস।

৪.মুহাম্মাদ (ﷺ) এর নিকটবর্তী হবেন।
রাসূল (ছাঃ) বলেন,
فَمَنْ كاَنَ أَكْثَرُهُمْ عَلَيَّ صَلَاةً كَانَ أَقْرَبُهُمْ مِنِّي مَنْزِلَةً،
যে ব্যক্তি যত বেশী আমার প্রতি দরূদ পাঠ করবে, সে ব্যক্তি (জান্নাতে) মর্যাদায় তত বেশী আমার নিকটবর্তী হবে’।
✪ বায়হাক্বী; আস-সুনানুল কুবরা ৩/২৪৯;
✪ ছহীহ তারগীব হা/১৬৭৩।

৫.ফেরেশতারা রাসূল (ﷺ) এর কাছে দরূদ পৌঁছান :

আব্দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আল্লাহ তা’আলার কতক ফেরেশতা এমনো রয়েছেন, যাঁরা পৃথিবীতে বিচরণ করে বেড়ায়, তাঁরা আমার উম্মতের সালাম আমার কাছে পৌঁছিয়ে থাকেন।

✪ সুনানে আন-নাসায়ী-১২৮২
✔ হাদিসের মান: সহিহ হাদিস।

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু, আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছিঃ তোমরা তোমাদের ঘরকে কবরস্থান বানিও না, আর আমার কবরকেও উৎসবস্থলে পরিণত কর না। আমার প্রতি তোমরা দরূদ পাঠ করবে। তোমাদের দরূদ নিশ্চয়ই আমার কাছে পৌছে, তোমরা যেখানেই থাক না কেন।

✪ আবূ দাঊদ ২০৪২,
✪ সহীহ আল জামি‘ ৭২২৬।
✪ মিশকাতুল মাসাবিহ- ৯২৬
✔ হাদিসের মান: সহিহ লিগাইরিহি।

৬. রাসূল (ﷺ) কর্তৃক সালামের জবাব দান :
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কেউ আমার উপর সালাম পেশ করলে আল্লাহ আমার ‘রূহ’ ফিরিয়ে দেন এবং আমি তার সালামের জবাব দেই।

✪ সুনানে আবু দাউদ- ২০৪১
হাদিসের মান: হাসান হাদিস।

৭. দরূদ পাঠের মাধ্যমে চিন্তা দূর হয় :
উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু, আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে গিয়ে আরয করলাম, হে আল্লাহর রসূল! আমি আপনার উপর অনেক বেশী দরূদ পাঠ করি। আপনি আমাকে বলে দিন আমি (দুআর জন্য যতটুকু সময় বরাদ্দ করে রেখেছি তার) কতটুকু সময় আপনার উপর দরূদ পাঠাবার জন্য নির্দিষ্ট করব? উত্তরে নাবী (সাল্লাল্লাহু, আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমার মন যা চায়। আমি আরয করলাম, যদি এক তৃতীয়াংশ করি? নাবী (সাল্লাল্লাহু, আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমার মন যা চায়, যদি আরো বেশী কর তাহলে তা তোমার জন্য কল্যাণকর। আমি আরয করলাম, যদি অর্ধেক সময় নির্ধারণ করি? নাবী (সাল্লাল্লাহু, আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, তোমার মন যতটুকু চায় কর। যদি আরো বেশী নির্ধারণ কর তাহলে তোমার জন্যই ভাল। আমি বললাম, যদি দুই-তৃতীয়াংশ করি। নাবী (সাল্লাল্লাহু, আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমার মন যা চায়। যদি আরো বেশি নির্ধারণ কর তোমার জন্যই কল্যাণকর। আমি আরয করলাম, তাহলে (আমি আমার দুআর সবটুকু সবসময়ই আপনার উপর দরূদ পড়ার কাজে নির্দিষ্ট করে দেব)। নাবী (সাল্লাল্লাহু, আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তবে এটাই তোমার জন্য যথেষ্ট হবে, তোমার দীন-দুনিয়ার মকসুদ পূর্ণ হবে এবং তোমার গুনাহ মাফ হয়ে যাবে।

✪ তিরমিযী ২৪৫৭,
✪ সহীহ আত্ তারগীব ১৬৭০।
✪ মিশকাতুল মাসাবিহ, হাদিস নং ৯২৯
✔ হাদিসের মান: সহিহ হাদিস।

৮. দরূদ পাঠের দ্বারা অন্তর পবিত্র ও পরিচ্ছন্ন হয় :

রাসূল (ছাঃ)-এর উপরে দরূদ পাঠ করলে অন্তর পাপ-পঙ্কিলতা থেকে পবিত্র হবে। রাসূল (ছাঃ) বলেন,
صَلُّوا عَلَيَّ، فَإِنَّ صَلاَتَكُمْ عَلَيَّ زَكَاةٌ لَكُمْ، وَسَلُوا اللهَ لِي الْوَسِيْلَةَ
তোমরা আমার প্রতি দরূদ পাঠ কর। নিশ্চয়ই আমার উপর তোমাদের দরূদ তোমাদের (অন্তরের) পবিত্রতা। আর তোমরা আমার জন্য আল্লাহর নিকট ‘ওয়াসীলা’ চাও’।
✪ সিলসিলা ছহীহা হা/৩২৬৮।

৯. দরুদ পাঠের মাধ্যমে দো‘আ কবুল হয় :
✪ ‎ফুযালাহ্ ইবনু ‘উবায়দ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, একদা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু, আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উপবিষ্ট ছিলেন। তখন একজন লোক এলেন। তিনি সলাত পড়লেন এবং এই দুআ পড়লেন “আল্লাহুম্মাগফিরলী ওয়ারহামনী” (অর্থাৎ হে আল্লাহ! তুমি আমাকে ক্ষমা কর ও আমার উপর রহম কর)। এ কথা শুনে নাবী (সাল্লাল্লাহু, আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হে সলাত আদায়কারী! তুমি তো নিয়ম ভঙ্গ করে বড্ড তাড়াহুড়া করলে। তারপর তিনি বললেন, তুমি সালাম শেষ করে দুআর জন্য বসবে। আল্লাহর যথাযোগ্য প্রশংসা করবে। আমার উপর দরূদ পড়। তারপর তুমি যা চাও আল্লাহর কাছে দুআ করবে। ফুযালাহ (রাঃ) বলেন, এরপর আর এক ব্যক্তি এলো সলাত আদায় করলো। সে সলাত শেষে আল্লাহর প্রশংসা করল, নাবী করীমের উপর দরূদ পাঠ করল। নাবী (সাল্লাল্লাহু, আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হে সলাত আদায়কারী! আল্লাহর কাছে দুআও কর। দুআ কবূল করা হবে।

✪ তিরমিযী ৩৪৭৬,
✪ সহীহ আত্ তারগীব ১৬৪৩,
✪ নাসায়ী ১/১৮৯,
✪ আহমাদ ৬/১৮।
✪ মিশকাতুল মাসাবিহ-৯৩০
হাদিসের মান: সহিহ হাদিস।

আবদুল্লাহ ইবনু মাস্‘ঊদ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি সলাত আদায় করছিলাম। নাবী (সাল্লাল্লাহু, আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও উপস্থিত ছিলেন। তাঁর কাছে ছিলেন আবূ বাকর ও উমার (রাঃ)। সলাত শেষে আমি যখন বসলাম আল্লাহ তা’আলার প্রশংসা করলাম, এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু, আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর উপর দরূদ পাঠ করলাম। তারপর আমি আমার নিজের জন্য দুআ করতে লাগলাম। নাবী (সাল্লাল্লাহু, আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, চাও, তোমাকে দেয়া হবে। চাও, তোমাকে দেয়া হবে। [১]

✪ তিরমিযী ৫৯৩।
✪ মিশকাতুল মাসাবিহ, হাদিস নং ৯৩১
হাদিসের মান: হাসান সহিহ।

১০. বিপদগ্রস্ত ও আশাহত হওয়া থেকে রক্ষা :
আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যে সমস্ত লোক কোন দরবারে বসেছে অথচ তারা আল্লাহ তা‘আলার যিক্‌র করেনি এবং তাদের নাবীর প্রতি দরূদও পড়েনি, তারা বিপদগ্রস্ত ও আশাহত হবে। আল্লাহ তা‘আলা চাইলে তাদেরকে শাস্তিও দিতে পারেন কিংবা মাফও করতে পারেন।

✪ সহীহাহ্‌ (হাঃ ৭৪)
✪ জামে' আত-তিরমিজি-৩৩৮০
হাদিসের মান: সহিহ হাদিস।

✍️ রাজিব রেজা।
🧾 মাস্টার্স অধ্যয়নরত, নেত্রকোনা সরকারি কলেজ,নেত্রকোনা।
===========✪✪✪✪✪==============
(⊕) কপি ও শেয়ার করুনঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, ‘‘যে ব্যক্তি ভাল কাজের পথ দেখাবে, সে তার প্রতি আমলকারীর সমান নেকী পাবে।’’ ( সহীহ মুসলিম ৪৭৯৩, তিরমিযী ২৬৭১, আবূ দাউদ ৫১২৯ মান: সহীহ)

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যে লোক সঠিক পথের দিকে ডাকে তার জন্য সে পথের অনুসারীদের প্রতিদানের সমান প্রতিদান রয়েছে। এতে তাদের প্রতিদান হতে সামান্য ঘাটতি হবে না। (সহীহ মুসলিম--৬৬৯৭,তিরমিযী ২৬৭৪, আবূ দাঊদ ৪৬০৯, দারিমী ৫১৩,
ইবনে মাজাহ-২০৬ মান: সহীহ) (কপিরাইট)।

22/04/2026

📝 হানাফী মাজহাবীদের কাপড়ে যদি পায়খানা লেগে যায় তা খেতেই হবে🤪 খেতে বাধ্য নইলে কাফের হয়ে যাবে । এটা আবার কেমন আক্বিদা বিশ্বাস! মুকাল্লিদদের কি হবে⁉️😭

"ইমাম আবু হানিফা রহঃ এর ইজমা ও কিয়াসকে যারা হক না মনে করবে তারা কাফের"।
📕 পৃষ্ঠা ইরফানে শরীয়ত ১ম খন্ড পৃষ্ঠা ১১২, সওয়াল ২১। কপিকৃত

যে ১৭ জন সাহাবী (রাঃ) রাফউল ইয়াদাইন (হাত উত্তোলন) সম্পর্কে হাদিস বর্ণনা করেছেন। ইমাম বুখারী (রহিঃ) এর রাফউল ইয়াদাইন সম্প...
22/04/2026

যে ১৭ জন সাহাবী (রাঃ) রাফউল ইয়াদাইন (হাত উত্তোলন) সম্পর্কে হাদিস বর্ণনা করেছেন।

ইমাম বুখারী (রহিঃ) এর রাফউল ইয়াদাইন সম্পর্কে মতামত ও গ্রন্থ রচনা।

১. আলী ইবনু আবী তালিব (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

যখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফরয নামাযে দাঁড়াতেন তখন তাঁর হাত দুইখানি তাঁর কাঁধ বরাবর উঠাতেন। যখন তিনি কিরাআত সমাপ্ত করতেন (রূকুতে যাওয়ার ইচ্ছা করতেন), তখনও পুনরায় একই রকম করতেন (দুই হাত কাঁধ বরাবর উঠাতেন), আবার যখন রুকূ‘ হতে মাথা উঠাতেন তখনও একই রকম করতেন। কিন্তু বসা অবস্থায় তাঁর নামাযে কোথাও তিনি তাঁর দু’হাত উঠাতেন না। তারপর তিনি দুই সাজদাহ সেরে (দুই রাক‘আত শেষে) যখন উঠে দাঁড়াতেন তখনও তাকবীর পাঠ করে তাঁর দুই হাত তুলতেন।[১]

[১]. ইমাম বুখারীর "জুযউ রফইল ইয়াদাইন ফিস সলাত" হাদীস নং-১।

২. ইমাম বুখারী বলেনঃ এভাবে নাবী (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর ১৭ জন সাহাবী থেকে হাদীস বিবৃত হয়েছে যারা রুকুর সময় রফ্উল ইয়াদাইন করতেন।তারা হলেন,

১. আবু কাতাদাহ আল আনসারী (রাঃ)
২. আবু উসাইদ আস সায়িদী আল বাদরী (রাঃ)
৩. মুহাম্মাদ বিন মাসলামা আল বাদরী (রাঃ)
৪. সাহল বিন সাদ আস সায়দী (রাঃ)

৫. আবদুল্লাহ বিন উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)
৬. আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ)
৭. রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর খাদেম আনাস বিন মালিক (রাঃ)

৮. আবু হুরায়রা (রাঃ)
৯. আবদুল্লাহ ইবনু আমর ইবনুল আস (রাঃ)
১০. আবদুল্লাহ ইবনুয যুবায়র (রাঃ)

১১. ওয়ায়িল বিন হুজর আল হাযরামী (রাঃ)
১২. মালিক ইবনুল হুওয়াইরিস (রাঃ)
১৩. আবু মূসা আল আশআরী (রাঃ)
১৪. আবূ হুমাইদ আস সায়িদী আল আনসারী (রাঃ)

১৫. উমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)
১৬. আলী বিন আবূ ত্বালিব (রাঃ)
১৭. উম্মুদ দারদা (রাঃ)

আল হাসান ও হুমাইদ বিন হিলাল বলেন, আল্লাহর রাসূলের (সাঃ) সাহাবী গন সালাতে তাদের দুই হাত উত্তোলন করতেন। আল্লাহর নবীর কোন সাহাবীর সঙ্গে কোন সাহাবি পার্থক্য করেননি,

আলিমগনের নিকট কোন একজন সাহাবী থেকে একথা প্রমাণিত নয় যে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাফউল ইয়াদাইন করতেন না।

উপরোক্ত বিষয়টি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর বহু সাহাবী থেকে বর্ণিত হয়েছে। অনুরূপভাবে মক্কার বেশ কিছু আলেমের নিকট থেকে বর্ণিত হয়েছে।[২]

[২]. ইমাম বুখারীর "জুযউ রফইল ইয়াদাইন ফিস সলাত" পৃষ্টাঃ ১৫/১৬। ( হাদীস নং-১ এর টীকা)

ফুটনোটঃ একটি সুন্নত এর প্রমাণ দেওয়ার জন্য ইমাম বুখারী (রহিঃ) একটি গ্রন্থ রচনা করেছেন। আপনিত সুন্নত কে ভালোবাসেন বইটির অন্তত পিডিএফ পড়ুন। লিংকের জন্য কমেন্ট করুন জাজাকাল্লাহ খাইরান । শেষ করব একটি হাদীস দিয়ে -

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি আমার সুন্নত থেকে বিমুখ হল, সে আমার (উম্মতের) অন্তর্ভুক্ত নয়।”

(মুসলিম হাদীছটি বর্ণনা করেছেন) শায়খ আলবানী বলেন, হাদীছটি আরো বর্ণনা করেছেন বুখারী ও নাসাঈ

📗সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব-৫৮
✅হাদিসের মান: সহিহ হাদিস।
🌎 কপি ও শেয়ার করুনঃ

🕋রসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ যে লোক সঠিক পথের দিকে ডাকে তার জন্য সে পথের অনুসারীদের প্রতিদানের সমান প্রতিদান রয়েছে। এতে তাদের প্রতিদান হতে সামান্য ঘাটতি হবে না---।
📗মুসলিম-৬৬৯৭ (সহীহ) কপিকৃত।

সৌদি আরবকে ভালোবাসার কারণ‼️সৌদি আরব 🇸🇦 একমাত্র মুসলিম দেশ, যে এখন পর্যন্ত ইসর|য়েল রাস্ট্রকে স্বীকৃতি দেয় নি.সৌদি আরব এমন...
08/03/2026

সৌদি আরবকে ভালোবাসার কারণ‼️
সৌদি আরব 🇸🇦 একমাত্র মুসলিম দেশ, যে এখন পর্যন্ত ইসর|য়েল রাস্ট্রকে স্বীকৃতি দেয় নি.
সৌদি আরব এমন একটি দেশ, যে ইসর|য়েলের সাথে সব ধরনের সম্পর্ক ছিন্ন রাখছে..✅
সৌদি আরব তাদের পাসপোর্ট থেকে ইসর|য়েল রাস্ট্র টিকে বাদ দিয়ে দিয়েছে অর্থাৎ সৌদি আরব এর পাসপোর্ট দিয়ে কখনো ইসর|য়েলে যাওয়া যাবে না.☑️

সৌদি আরব এখন পর্যন্ত ফিলিস্তিনিদের জন্য- ৫৩০০ মিলিয়ন ডলার-বাংলাদেশের প্রায় (৬লক্ষ্য ৪৮হাজার) কোটি টাকার.. বেশি সহায়তা দিয়েছে, যেটা মোট ২৮৯টি প্রকল্পে ব্যয় হয়েছে‼️ যা বাংলাদেশ সরকারের একবছরের বাজেট পাশ করা যায়।
সৌদি আরব তাদের অফিশিয়াল মানচিত্র থেকে ইসর|য়েলকে বাদ দিয়ে তারপর মানচিত্র করেছে
সৌদি আরব কাবা ঘরে আগে ৪ মাজহাবের লোকজন ১ ওয়াক্তের সালাত ৪ বার পড়তো মানে হানাফিদের সময় আসলে হানাফি ইমামের পিছনে হানাফিরা পড়তো-
তারপর যখন শাফেঈদের সময় আসতো শাফেঈরা পড়তো-
সৌদি রাজপরিবার এসে এইসব মতানৈক্য ভেঙ্গে দিয়েছে এখন একজন সালাফি আলেমের পিছনে সবাই সালাত আদায় করেন. 💞
তারা এসে সমস্ত মাজার গুলো ভেঙে ঘুরিয়ে দিয়েছে ✊
সৌদি আরবকে শ্রেষ্ঠ সালাফি রাস্ট্র... হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করেছে..💚

-এমন কত দেশ আছে যেখানে সুন্নাহ পন্থী আলেমরা আজ নির্যাতিত, সেখানে আল্লাহর রহমতে সৌদিতে আহলুস সুন্নাহর আলেমরা আজ কত সম্মানিত, আলহামদুলিল্লাহ.

সৌদি শাসক'রা হয়তো কিছু গুনাহ করে হয়তো কবিরা গুনাহ..আর কবিরা গুনাহগার ব্যাক্তিরা কাফের হয় না.. তারা মানুষ ভুলের উর্ধ্বে না!

রাসূল (ﷺ) বলেছেন,
প্রত্যেক আদম সন্তানই গুনাহগার।
আর গুনাহগারদের মধ্যে তওবাকারীগণ উত্তম।

সুনানে ইবনে মাজাহঃ ৪২৫১
তিরমিযীঃ ২৪৯৯, আহমদঃ ১২৬৩৭।
মিশকাতঃ ২৩৪১, দারিমীঃ ২৭৬৯,
মুসতাদারাক লিল হাকিমঃ ৭৬১৭

জিবরীল (আঃ) আমার নিকট এসে সুসংবাদ দিলেন যে,
আপনার উম্মাতের যে কেউ শিরক না করে মারা যাবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।
আমি (আবূ যার) বললাম, যদিও সে ব্যভিচার করে এবং যদিও সে চুরি করে। তিনি বললেন, যদিও সে ব্যভিচার করে ও চুরি করে।

বুখারীঃ ১২৩৭, ৩২২২, ৫৮২৭, ৬২৬৮, ৬৪৪৩, ৬৪৪৪, মুসলিমঃ ১৭৩, ২১৯৫
জামে' আত-তিরমিজিঃ ২৬৪৪
আল লুলু ওয়াল মারজানঃ ৫৯, ৫৭৮
হাদিসের মান: সহিহ হাদিস।

ঈমান মদীনাতে ফিরে আসবে যেমন সাপ তার গর্তে ফিরে আসে।
সহিহ বুখারীঃ ১৮৭৬, মুসলিমঃ ২৬৮
ইবনে মাজাহঃ ৩১১১
আল লুলু ওয়াল মারজানঃ ৮৯
হাদিসের মান: সহিহ হাদিস

❝হে আল্লাহর রসুল!
সে মাসজিদ কোনটি যার ভিত্তি তাক্বওয়ার উপর প্রতিষ্ঠিত হয়েছে❞❓
রাবী (আবু সাঈদ) বলেন, তিনি একমুষ্টি কাঁকর তুলে তা জমিনের বুকে নিক্ষেপ করলেন, অতঃপর বললেন, “তা তোমাদের এ মাসজিদ মদীনার মাসজিদ।”

সহিহ মুসলিমঃ ৩২৭৮
তিরমিজিঃ ৩২৩
হাদিসের মান: সহিহ হাদিস

عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ سَمِعْتُ سَعْدًا ـ رضى الله عنه ـ قَالَ سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ "‏
لاَ يَكِيدُ أَهْلَ الْمَدِينَةِ أَحَدٌ إِلاَّ انْمَاعَ كَمَا يَنْمَاعُ الْمِلْحُ فِي الْمَاءِ ‏"‏‏.‏

সা‘দ (রাঃ) বলেন,আমি নবী (ﷺ) কে বলতে শুনেছিঃ
'যে কেউ মদীনাবাসীর সাথে ষড়যন্ত্র করবে বা প্রতারণা করবে, সে লবণ যেভাবে পানিতে গলে যায়, সেভাবে গলে যাবে'।

বুখারীঃ ১৮৭৭, মুসলিমঃ ৩২৪৯, - ৩২৫৪
ইবনে মাজাহঃ ৩১১৪
আল লুলু ওয়াল মারজানঃ ৮৭৫
মিশকাতঃ ২৭৪৩

তুমি যদি কোন ব্যক্তিকে শাসকের বিরুদ্ধে বদ দু’আ করতে দেখ তাহলে নিশ্চিত জেনে নাও যে সে অজ্ঞ-বিদআতি আর যদি কোন ব্যক্তিকে মুসলিম শাসকদের কল্যাণে দু’আ করতে দেখ তাহলে নিশ্চিত জেনে নাও যে,সে আহলুস সুন্নাহর অনুসারী "ইনশাআল্লাহ"

ইমাম মুহাম্মাদ আল-হাসান ইবনে আলী আল বারবাহারী, গ্রন্থ- ‘শারহুস সুন্নাহ’।
তাহকীক আবু ইয়াসির খালিদ আর-রদাদী, পৃষ্টা: ১১৬.

তাছাড়া মুসলিম শাসকদের প্রকাশ্যে সমালোচনা জায়েজ নেই-
রাসূল (ﷺ( বলেছেন-
"যে কেউ যদি শাসককে উপদেশ দিতে চায়, সে যেন তা প্রকাশ্যে না করে; বরং তার হাত ধরে নির্জনে তাকে উপদেশ দেয়. যদি সে তার উপদেশ মেনে নেয়, তাহলে ভাল; আর যদি না মেনে চলে, তবে সে তার দায়িত্ব পালন করছে"।
মুসনাদ আহমাদঃ ১৫৩৯১
হাদিসের মান:- সহিহ হাদিস।

আপনারা যারা সৌদির বিরোধিতা করেন তাদেরকে বলবো
সৌদি আরব দুইটা পবিত্র স্থানের নিরাপত্তা দিচ্ছে আল্লাহর রহমতে আপনারা কেন একটি মসজিদ মসজিদুল আকসা নিরাপত্তা দিতে পারছেন না.⁉️ বাঙ্গুশিয়া। (কপিকৃত)।

“হাদিস না লেখার হাদিস” !আহলে কোরআন সম্প্রদায়ের দাওয়াতী ময়দানে সবচাইতে বেশি প্রচারিত বিষয় হলো- “হাদিস মানি না”, “হাদিস গ্...
11/01/2026

“হাদিস না লেখার হাদিস” !
আহলে কোরআন সম্প্রদায়ের দাওয়াতী ময়দানে সবচাইতে বেশি প্রচারিত বিষয় হলো- “হাদিস মানি না”, “হাদিস গ্রহণযোগ্য নয়”। কারণ রসূল (ﷺ) এর যুগে “হাদিস লেখা হারাম ছিল”!

কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো এই কথাগুলো প্রমাণ করতে তারা দলিল দিয়ে থাকে হাদিসের কিতাব থেকেই! মানে, হাদিস অগ্রহণযোগ্য কিন্তু হাদিস থেকে প্রমাণ আনলে গ্রহণযোগ্য। কেমন হাস্যকর যুক্তি, তাই না?

যারা এমন দাবী করে যে, রাসূল (ﷺ) (নাকি) বলেছেন, “হাদিস লিখো না।” তাহলে প্রশ্ন হলো, আপনারা কথাটা কীভাবে জানলেন? জানি একটাই উত্তর দিবেন, “হাদিসের বর্ণনা থেকে।” অর্থাৎ হাদিস এতটাই নির্ভরযোগ্য যে, হাদিস বাতিল করার জন্যও হাদিস-ই লাগে! এটা তো এমন এক ঘোষনা যে, এক কাঠুরিয়া বলছে, “এই করাতটা বাতিল!” অথচ সে ঐ মুহুর্তে করাত দিয়েই কাঠ কাটছে!

একটু গভীরে চিন্তা করলেই আমরা বুঝতে পারি যে, যদি রাসূল (ﷺ) সত্যিই স্থায়ীভাবে হাদিস লেখা নিষিদ্ধ করতেন, তাহলে সাহাবায়ে কেরাম কেন হাদিস লিখলেন? আবু হুরাইরা (রাঃ), ইবনে আমর (রাঃ) কেন সহস্র হাদিস বর্ণনা করলেন? উম্মাহ কেন শতাব্দীর পর শতাব্দী হাদিস সংরক্ষণ করল?

নাকি সাহাবারা সবাই ভুলের উপর ছিলো। আর ১৪০০ বছর পর এসে আহলে কোরআনই সঠিক বুঝে গেল? আসল সত্যটা কী?

হ্যা, হাদিস না লেখার নির্দেশ ছিল। তবে সেটা ছিল একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য। কোরআনের সাথে মিশে যাওয়ার আশঙ্কায়। পরে রাসূল (ﷺ) নিজেই হাদিস লিখতে অনুমতি দিয়েছেন। আর এই কথারও প্রমাণ পাওয়া যায় হাদিস থেকেই, সাহাবিদের আমল থেকেই, সমগ্র উম্মাহর ইজমা থেকেই।

কোরআন মানতে হলে রাসূল (ﷺ) কে মানতে হবে। রাসূল (ﷺ) কে মানতে হলে তাঁর ব্যাখ্যা (হাদিস) মানতেই হবে। এর বাইরে ইসলাম নেই। আছে শুধু নিজের বানানো “কোরআন-ভার্সন ইসলাম”।

হাদিস অস্বীকার করার জন্য আবার হাদিসেরই শরণ নেওয়া—এটা যেন হাদিসের ওপর দাঁড়িয়ে হাদিসে আগুন দেওয়া। এটা কোনো যুক্তি নয়; এটা সরাসরি বুদ্ধিবৃত্তিক আত্মহনন।

কিন্তূ আহলে কোরআনের সমস্যা হলো তারা পুরো হাদিস নেয় না, শুধু নিজেদের মতের সাথে মিললে কপি-পেস্ট করে। এটা কি Selective Faith নাকি Convenient Islam?

যে ব্যক্তি বলে “হাদিস মানি না”, কিন্তু সেই কথার প্রমাণে হাদিসই হাজির করে—সে আসলে নিজের অবস্থান নিজেই ধ্বংস করছে। কারণ, যদি হাদিস গ্রহণযোগ্য হয় প্রমাণ হিসেবে, তাহলে তা বাতিলের অধিকার সে পেল কোথা থেকে?

তথাকথিত “হাদিস না লেখার হাদিস” আসলে কোনো দলিল নয়; এটা আহলে কোরআনদের বুদ্ধিবৃত্তিক সার্কাস—যুক্তির নামে অ্যাক্রোব্যাটিক্স। এখানে চিন্তা নেই, আছে কেবল আত্মবিরোধিতা।

হাদিস মানলে সবটাই মানতে হয়, না মানলে একটি শব্দও উদ্ধৃত করার নৈতিক অধিকার থাকে না। মাঝখানে দাঁড়িয়ে এই দ্বিচারিতা কোনো চিন্তাধারা নয়—এটা বিভ্রান্তির ঘোষণাপত্র।

প্রশ্নঃ হাদীস লিপিবদ্ধ করা শুরু হয় কখন থেকে❓
উত্তরঃ সাহাবীদের যুগ থেকেই হাদীস লিখে রাখা শুরু হয়‼️

এক নাম্বার দলীল 📣
❝ আবূ হুরাইরাহ (রা.) বলেনঃ
নাবী (ﷺ)এর সাহাবীগণের মধ্যে আবদুল্লাহ্ ইবনু 'আমর (রা.) ব্যতীত আর কারো নিকট আমার চেয়ে বেশী হাদীস নেই। কারণ তিনি লিখতেন, আর আমি লিখতাম না।❞

সহীহ বুখারীঃ (তাওহীদ পাবঃ ১১৩, আধুনিক প্রকাশনীঃ ১১১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১১)
আদ দারেমীঃ ৫০০,তিরমিজিঃ ২৬৬৮, ৩৮৪১

দুই নাম্বার দলীল 📣
আব্দুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) বলেন,
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর নিকট যা কিছু শুনতাম তাই লিখে রাখতাম।
মনে রাখার জন্যই আমি এরূপ করতাম। কুরাইশরা আমাকে সবকিছু লিখতে বারণ করলেন এবং বললেন, তুমি কি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) -এর নিকট থেকে শোনা সবকিছুকেই লিখে রাখো?
তিনি তো একজন মানুষ, রাগ ও শান্ত উভয় অবস্থায় কথা বলে থাকেন। সুতরাং আমি লেখা স্থগিত রাখলাম। আমি এটা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর নিকট উল্লেখ করলাম।
রাসূল (ﷺ) আঙ্গুল দিয়ে তাঁর মুখের দিকে ইশারা করে বললেনঃ
❝তুমি লিখে রাখো, সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে আমার প্রাণ, এ মুখ থেকে সর্বাবস্থায় সত্য ব্যতীত অন্য কিছু বের হয় না।❞
📚 সুনানে আবু দাউদঃ ৩৬৪৬

তিন নাম্বার দলিল 📣
আবু রাশেদ আল-হিবরানী (র) থেকে বর্ণিতঃ
আমি আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রাঃ)-র নিকট উপস্থিত হয়ে তাকে বললাম,
আপনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর নিকট যা শুনেছেন তা আমাকে বর্ণনা করে শুনান।
❝তিনি আমার সামনে একটি ক্ষুদ্র পুস্তিকা পেশ করে বলেন, এটা নবী (ﷺ) আমাকে লিখিয়ে দিয়েছেন।❞
আমি তাতে চোখ বুলিয়ে দেখতে পেলাম যে, আবু বাকর সিদ্দীক (রাঃ) নবী (ﷺ) -এর নিকট জিজ্ঞাসার সুরে বলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! সকাল-সন্ধ্যায় আমার বলার জন্য আমাকে কিছু শিখিয়ে দিন। তিনি বলেনঃ
হে আবু বাকর! তুমি বলো, “হে আল্লাহ আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর স্রষ্টা, দৃশ্য ও অদৃশ্যের জ্ঞাতাবারানী, প্রতিটি জিনিসের প্রতিপালক ও মালিক! আমি তোমার আশ্রয় প্রার্থনা করি আমার প্রবৃত্তির ক্ষতি থেকে, শয়তানের অনিষ্ট ও তার অংশীবাদিতা থেকে, আমার নিজের অনিষ্ট করা থেকে এবং কোন মুসলমানের ক্ষতি করা থেকে”।-(তিরমিযী, হাকিম, ইবনে হিব্বান)

আদাবুল মুফরাদঃ ১২১৬
হাদিসের মান: সহিহ হাদিস

চার নাম্বার দলিল 📣
আবূ জুহাইফা (রাঃ) থেকে বলেনঃ
❝ আমি ‘আলী (রাঃ)-কে বললাম, আপনাদের নিকট কি কিছু লিপিবদ্ধ আছে?
তিনি বললেনঃ ‘না, শুধুমাত্র আল্লাহর কিতাব রয়েছে, আর একজন মুসলিমকে যে জ্ঞান দান করা হয় সেই বুদ্ধি ও বিবেক। এছাড়া কিছু এ সহীফাতে লিপিবদ্ধ রয়েছে।❞
তিনি [আবূ জুহাইফা (রাঃ)] বলেন, আমি বললাম, এ সহীফাটিতে কী আছে?
তিনি বললেন, ‘ক্ষতিপূরণ ও বন্দী মুক্তির বিধান, আর এ বিধানটিও যে, ‘মুসলিমকে কাফির হত্যার বিনিময়ে হত্যা করা যাবে না।’

সহিহ বুখারীঃ ১১১, ১৮৭০, ৩০৪৭, ৩১৭২, ৩১৭৯, ৬৭৫৫, ৬৯০৩, ৬৯১৫, ৭৩০০
আল লুলু ওয়াল মারজানঃ ৮৬৮, ৯৬৩
বুলুগুল মারামঃ ১১৬৩
হাদিসের মান: সহিহ হাদিস

পাচ নাম্বার দলিল 📣
সহীহ বুখারী (তাওহীদ)
অধ্যায়ঃ ৩/ আল-ইলম (ধর্মীয় জ্ঞান)
(كتاب العلم) হাদিস নম্বরঃ ১০০

৩/৩৪ কীভাবে (দ্বীনী) জ্ঞান তুলে নেয়া হবে।

‘উমার ইবনু আবদুল ‘আযীয (রহ.) আবূ বাকর ইবনু হাযম (রহ.)-এর নিকট এক চিঠিতে লিখেনঃ
❝অনুসন্ধান কর, আল্লাহর রাসূল (ﷺ) -এর যে হাদীস পাও তা লিপিবদ্ধ করে নাও।❞
আমি ধর্মীয় জ্ঞান লোপ পাওয়ার এবং আলিমদের বিদায় নেয়ার ভয় করছি এবং জেনে রাখ, নাবী (ﷺ) -এর হাদীস ব্যতীত অন্য কিছুই গ্রহণ করা হবে না এবং প্রত্যেকের উচিত ধর্মীয় জ্ঞানের প্রচার-প্রসার ঘটানো আর তারা যেন একসাথে বসে (ধর্মীয় জ্ঞানের চর্চা করে), যাতে যে না জানে সে শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে। কারণ জ্ঞান গোপন না হওয়া পর্যন্ত বিলুপ্ত হবে না।

১০০. ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর ইবনুল ‘আস (রাযি.) হতে বর্ণিত তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রাসূল (ﷺ) -কে বলতে শুনেছি,
আল্লাহ তাঁর বান্দাদের অন্তর থেকে ‘‘ইলম উঠিয়ে নেন না, কিন্তু দ্বীনের আলিমদের উঠিয়ে নেয়ার ভয় করি। যখন কোন আলিম অবশিষ্ট থাকবে না তখন লোকেরা মূর্খদেরকেই নেতা বানিয়ে নিবে। তাদের জিজ্ঞেস করা হলে না জানলেও ফাতাওয়া প্রদান করবে। ফলে তারা নিজেরাও পথভ্রষ্ট হবে, এবং অন্যকেও পথভ্রষ্ট করবে।

ফিরাবরী বলেন, ........ জরীর হিশামের নিকট হতে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (৭৩০৭; মুসলিম ৪৭/৪, হাঃ ২৬৭৩, আহমাদ ৬৫২১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১০১)

ছয় নাম্বার দলিল 📣
‘আমর ইবনু ইয়াহ্‌ইয়া (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
উহায়ব (রহঃ) বর্ণনা করেছেন যে, ‘আমর ইবনু ইয়াহ্‌ইয়া (রাঃ) থেকে পূর্ব বর্ণিত সানাদের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে এ হাদীসে রাবী বলেন যে,
তিনি তিন আঁজলা পানি দ্বারা কুলি করেছেন এবং নাকে পানি দিয়ে নাক ঝেড়েছেন। তিনি আরও বলেছেন যে, তিনি একবার মাত্র মাসাহ্‌ করেছেন তবে হাতগুলো মাথার সম্মুখের দিক থেকে পেছনে টেনে নিয়েছেন।
❝বাহয বলেছেন, উহায়ব এ হাদীসটি আমাকে লিপিবদ্ধ করে দিয়েছেন
আর উহায়ব বলেছেনঃ এ হাদীসটি ‘আমর ইবনু ইয়াহ্‌ইয়া আমাকে দু’বার লিখিয়েছেন।❞

সহিহ মুসলিমঃ ৪৪৬
(ই.ফা. ৪৪৯, ই.সে. ৪৬৫)
হাদিসের মান: সহিহ হাদিস
▬▬▬▬ ◈◉◈ ▬▬▬▬
নোটঃ আব্দুল্লাহ ইবনু আমর ইবনুল আস (রাঃ) এর লেখা হাদীসের কিতাবটি
(صحيفة عبد الله بن عمرو)
এবং (صحيفة الصادقة) নামে পরিচিত। কপি।

Address

Dhaka
1215

Telephone

+8801677440103

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when সুন্দর, সুস্থ জীবন বিধান ইসলাম posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to সুন্দর, সুস্থ জীবন বিধান ইসলাম:

Share