Chairman Ferao Bahadurpur

Call Directions

Chairman Ferao Bahadurpur Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Chairman Ferao Bahadurpur, Community Organization, Mohsin Hall, University of Dhaka, Dhaka.

17/08/2026
স্বাধীনতার পর বাহাদুরপুর ইউনিয়নের দীর্ঘকালীন চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করা আব্দুল মান্নান খান তথা "মানা চেয়ারম্যান"এর মে...
26/07/2026

স্বাধীনতার পর বাহাদুরপুর ইউনিয়নের দীর্ঘকালীন চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করা আব্দুল মান্নান খান তথা "মানা চেয়ারম্যান"এর মেয়াদকালে তার চেষ্টায় ঘটা বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কাজের ধারাবাহিক বিবরণে ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি মহল ভুয়া প্রপাগাণ্ডা পেজ ও আই ডি খুলে তার বিরুদ্ধে "অন্য চেয়ারম্যানদের" সময় ঘটা সুনির্দিষ্ট কোন উন্নয়ন কাজের বর্ননা না দিয়ে; মিথ্যা ও মানহানিকর বক্তব্য প্রচারে নেমেছে।

কিন্তু তাতেও তারা অবেচতন মনে তার সময়ে ঘটা উন্নয়নকে স্বীকার করেছে! তবে হাস্যকরভাবে তাতে চেয়ারম্যান হিসাবে তার নাকি কোন ভূমিকাই নাই! তিনি কেবল কাগজ পাতি সই করেছেন! এমন নির্জলা মিথ্যাচার করা অর্বাচীনদের ঈর্ষাকাতরতা আরও বাড়াতে আজ থাকছে তার মেয়াদকালে অনুমোদন পাওয়া ও ভূমি অধিগ্রহণ সহ গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পন্ন হওয়া বাহাদুরপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র তথা পুলিশ ফাড়ি প্রতিষ্ঠার ইতিহাস!

১৯৮৩ সালে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েই আব্দুল মান্নান খান; এলাকার সার্বিক শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষায় বাহাদুপুর ইউনিয়নে একটি পুলিশ ফাড়ির প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন। বিষয়টি তিনি চেয়ারম্যান হবার পরপরই তাঁর পরম শ্রদ্ধেয় বড় ভাই মোহাম্মদ আবু হেনার সাথে আলোচনা করেন।

পরবর্তীতে ১৯৮৫ সালে রাজবাড়ী সার্কিট হাউজে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভা ও সভাশেষে অনুষ্ঠিত মধ্যাহ্ন ভোজে সেসময়ের রাজবাড়ীর এস পি শমশের আলমের উপস্থিতিতে সদ্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ আবু হেনা; মাছপাড়া, বাহাদুরপুর, যশাই, হাবাসপুর এই চার ইউনিয়নের আয়তন, জনসংখ্যা, সামগ্রিক অপরাধের পরিসংখ্যান সহ এখানে একটি পুলিশ ফাড়ি স্থাপনের বিস্তৃত আবেদন পুলিশ সুপার মারফত জেলা প্রশাসকের নিকট দিতে আব্দুল মান্নান খানকে নির্দেশনা দেন।

সেই নির্দেশনা অনুযায়ী তিনি প্রয়োজনীয় তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করে অত্যন্ত দ্রুততম সময়ে সংশ্লিষ্ট আবেদনটি রাজবাড়ীতে জমা দেন। পরে ডিসি সেটা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ফরওয়ার্ড করে। চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান খানকে বিষয়টি যাতে দ্রুততম সময়ে বাস্তবায়িত হয়; সেজন্য অনেকবার ঢাকা সচিবালয়ে খোজখবরের জন্য যান। পরবর্তীতে তার প্রথম চেয়ারম্যানীর শেষ দিকে বাহাদুরপুরে পুলিশ ফাড়ি অনুমোদিত হয়।

১৯৯২ সালে মরহুম মনিরুল ইসলাম জিলু চেয়ারম্যান হবার পর ফাড়ি স্থাপনের জন্য ভূমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত প্রদান সহ আনুষঙ্গিক অনেক কাজ তার তত্বাবধায়নে সম্পন্ন হয়। তিনি এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। তবে জমি অধিগ্রহনের অবশিষ্ট কাজ ও বাহাদুরপুর পুলিশ ফাড়ির নামে নাম জারির সহ প্রয়োজনীয় কার্যাদি সম্পন্ন হয় ২০০০ সালে যখন আব্দুল মান্নান খান দ্বিতীয় বার চেয়ারম্যান।

পরবর্তীতে ২০০৪ সালে ফাড়িতে যাবার সংযোগ সড়ক নির্মানের জন্য আলোচনা শুরু হলে মোহাম্মদ আবু হেনা ও সেসময়ের চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী খানের উপস্থিতিতে এক সভায়; সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান খান রাস্তা নির্মানের স্বার্থে রাস্তার উত্তর ও দক্ষিন দুই পাশে থাকা তাদের পরিবারের মালিকানাধীন জমি নিঃশর্তে দান করার ঘোষণা দেন। পরে রাস্তার জন্য বাহাদুরপুরের হামিদ শেখ, ইউসুফ মোল্লা, ডাঙ্গিপাড়ার মোসলেম শেখ, কাজীপাড়ার কাজী ইউসুফ হোসেন রাঙা, বনিক কাজী ও জমিদানের প্রতিশ্রুতি দেয়। তবে রাস্তা নির্মানের বেশিরভাগ জমি আব্দুল মান্নান খানের পরিবার দান করে।

২০০৬ সালে সংযোগ সড়কসহ বর্তমান আধুনিক দ্বিতল ভবনে বাহাদুরপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র চালু হয়।

এলাকার কৃষকদের চাষাবাদে ঋণ সহায়তা, নিরাপদ ও সহজে আর্থিক লেনদেন বৃদ্ধির চিন্তা থেকে চেয়ারম্যান হবার পর আব্দুল মান্নান খান...
09/07/2026

এলাকার কৃষকদের চাষাবাদে ঋণ সহায়তা, নিরাপদ ও সহজে আর্থিক লেনদেন বৃদ্ধির চিন্তা থেকে চেয়ারম্যান হবার পর আব্দুল মান্নান খানের মাথায় ঘুরছিল; কিভাবে বাহাদুপুর ইউনিয়নে কোন একটি ব্যাংকের কার্যক্রম চালু করা যায়?

সেই ভাবনার অংশ হিসাবে তিনি ১৯৮৩ সালে চেয়ারম্যান হবার পর থেকেই নানাভাবে তার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখেন। কিন্তু এর মধ্যে আগে থেকেই সরকারি সিদ্ধান্তে হাবাসপুর-বাহাদুরপুর ও যশাই ইউনিয়নের কেন্দ্র হিসাবে হাবাসপুরে কৃষি ব্যাংকের একটি শাখা প্রতিষ্ঠিত হবার খবর; এই প্রচেষ্টায় বাধা তৈরী করে। রাজবাড়ী আর এম অফিসে যোগাযোগ করলে তিনি জানতে পারেন একই এলাকায় ইতিমধ্যেই ব্যাংকের একটি শাখা অনুমোদিত হবার কারনে দ্রুত বাহাদুরপুর শাখা দেবার পরিকল্পনা নেই।

কিন্তু তিনি ত নাছোড়বান্দা! বাহাদুরপুর ব্যাংকের শাখা যে করেই হোক লাগবেই! বিশেষ করে হাবাসপুর-বাহাদুরপুর এক ধরনের মনস্তাত্ত্বিক শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই থেকেও বিষয়টি বাহাদুরপুরের জন্য সম্মানের প্রশ্ন। এমন ভাবতেই তার সাথে রাজবাড়ীতে দেখা হয়; আর এম অফিসে চাকুরীরত কাজীপাড়ার কেদার কাজীর ছেলে কাজী নান্টুর সাথে; তিনি তাকে পরমর্শ দেন; আবু হেনা সাহেবের সুপারিশ সহ (সে সময় সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) আর এম অফিসে আবেদন জমা দিতে।

চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান খান, মোহাম্মদ আবু হেনা স্যারের সাথে ঢাকায় দেখা করে সব কাগজ পত্র সংগ্রহ করে আর এম অফিসে আবেদন জমা দেন। সে সময় কৃষি ব্যাংকের রাজবাড়ীর আর এম আব্দুল মোতালেব সরকার; এক পর্যায়ে বাহাদুরপুরেও একটি শাখা বিশেষ বিবেচনায় খোলা হবে বলে প্রতিশ্রুতি দেন।

তবে তিনি শর্ত দেন পাংশা কৃষি ব্যাংকের শাখায় থাকা বাহাদুরপুর এলাকার কৃষকদের অন্তত ১ লক্ষ টাকার লোন শোধ করতে হবে এবং ব্যাংক কার্যক্রম চালাতে উপযুক্ত ভবন দিতে হবে।

চেয়ারম্যান দুই শর্তই মেনে নেন। এলাকায় ফিরে বিভিন্ন সভা ও মিটিং করে কৃষকদের লোন পরিশোধ করতে তাগাদা দেন। এক্ষেত্রে নিজে এবং ইউনিয়ন পরিষদ থেকেও আর্থিক সহায়তা করেন। ফলে ১ লাখ ২০ হাজার টাকার লোন পরিশোধ হয়। সাথে পুরাতন ইউপি ভবনের নিচ তলা ভাড়া দেবার ব্যবস্থা করেন। উল্লেখ্য এর আগে তিনি চেয়ারম্যান হয়েই অর্ধ শতকের পুরোনো ইউপি ভবন দ্বিতল করেন।

১৯৮৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর ব্যাপক উৎসাহ উদ্দিপনা ও ব্যান্ড পার্টি বাজিয়ে এক আনন্দঘন আয়োজনে মরহুম; মোসলেম উদ্দিন মৃধা, আমানত আলী মল্লিক, আব্দুল জলিল মৃধা, নাদের হোসেন মন্ডল, কেতাব উদ্দিন খান সহ ইউনিয়নের মুরব্বিদের উপস্থিতিতে পুরাতন ইউপি ভবনের নিচ তলায় বাহাদুরপুর কৃষি ব্যাংকের কার্যক্রম উদ্ভোদন করা হয়। উদ্ভোদনী অনুষ্ঠানে শ্রদ্ধেয় মৌলবী আমানত আলী মল্লিক বাহাদুরপুরের উন্নয়নে আর কি কি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা দরকার সে বিষয়ে জ্ঞানগর্ভ বক্তব্য প্রদান করেন।

07/07/2026

বিস্তারিত কমেন্টে

চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান খানের সময় বাহাদুরপুর ইউনিয়নের নানা উন্নয়ন কর্মকান্ডের; আজ থাকছে বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন বসানোর নে...
03/07/2026

চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান খানের সময় বাহাদুরপুর ইউনিয়নের নানা উন্নয়ন কর্মকান্ডের; আজ থাকছে বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন বসানোর নেপথ্যের গল্প।

সাল ১৯৮৫! সারাদেশে বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন বসছে! বিশেষ করে শহর এলাকায়। বাহাদুরপুরের নতুন চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান খানের খুব ইচ্ছা তার এলাকা বিদ্যুতের ঝলকানিতে আলোকিত হোক। কিন্তু তখন সাধারণত গ্রাম এলাকায় বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন দেয় না সরকার। কারন সেখানে আপাতত বিদ্যুতায়নের পরিকল্পনা নেই সরকারের। কারন বাহাদুরপুর তখন বলতে গেলে এক অজপাড়া গ্রাম! সুদূর ভবিষ্যতে সেখানে বিদ্যুৎ সংযোগ স্থাপনের সুযোগ নেই।

কিন্তু তার মনে হল; সঞ্চালন লাইন থাকলে অন্তত অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সবার আগে বাহাদুরপুরে একদিন বিদ্যুৎ আসবে। তাই গেলেন ঢাকায়, এলাকার বড় ভাই আবু হেনার কাছে; তিনি তখন অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ ( ই আর ডি) এর সচিব। আবদার করলেন যে করেই হোক বাহাদুরপুরে সঞ্চালন লাইন স্থাপনের। সব শুনে তিনি বললেন, সঞ্চালন লাইন স্থাপন করে ত এখনই বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে না! তিনি তাঁকে বোঝালেন; বিদ্যুৎ সংযোগ না আসুক অন্তত সঞ্চালন লাইন থাক! এতে যখনই সরকার গ্রামে বিদ্যুৎ দিবে তখন বাহাদুরপুরে আগে বিদ্যুৎ আসবে!

বড় ভাই, তার কথায় যুক্তি খুঁজে পেলেন। সব কাগজপত্র দ্রুত জমা দিতে বললেন। পরবর্তীতে সংযোগ স্থাপনের অফিসিয়াল খরচ ও কর্দমাক্ত কাচা রাস্তায় খুটি পরিবহন বাবদ প্রায় ১৮০০ টাকার প্রয়োজন! তিনি ভাবলেন; তার নাতি প্রতিবেশী হাবাসপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান লতিফ খানকে অর্ধেক খরচ শেয়ারের প্রস্তাব দিলে কেমন হয়! এতে এত খরচের দিকটি সাশ্রয় হবে।

বিষয়টি লতিফ খানকে শেয়ার করলেন। কিন্তু লতিফ খান ভাবল; "নানা ত হাবাসপুর দিয়েই লাইন টানবেন; সুতরাং খরচ দিব কেন?" কিন্তু নানাও কম সেয়ানা না! নাতির ধুরন্ধরতা বুঝতে পেরে লাইন টানলেন যশাই-হাবাসপুরের মাঝামাঝি জিয়েলগাড়ী-পারভেল্লাবাড়ীর জনবিরল মাঠের মধ্য দিয়ে বাহাদুরপুর অবধি!

পরবর্তীতে এই প্রচেষ্টার ধারাবাহিকতায় ১৯৯৫ সালে পাংশা উপজেলার মধ্যে ইউনিয়ন তথা গ্রাম পর্যায়ে প্রথম বাহাদুরপুরে বিদ্যুৎ সংযোগ স্থাপিত হয়। হাবাসপুরে বিদ্যুৎ আসে আরও অনেক পরে।

আজ থেকে ধারাবাহিকভাবে স্বাধীনতার পর বাহাদুরপুর ইউনিয়নের সবচেয়ে বেশি সময় চেয়ারম্যান থাকা আব্দুল মান্নান খানের সময় হওয়া বি...
29/06/2026

আজ থেকে ধারাবাহিকভাবে স্বাধীনতার পর বাহাদুরপুর ইউনিয়নের সবচেয়ে বেশি সময় চেয়ারম্যান থাকা আব্দুল মান্নান খানের সময় হওয়া বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের বিবরণ তুলে ধরা হবে। নিজের ঐকান্তিক চেষ্টা ও এলাকার সর্বজন শ্রদ্ধেয় বড় ভাই হিসাবে সাবেক সচিব, রাষ্ট্রদূত ও সব শেষ বাংলাদেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনার রুপে মোহাম্মদ আবু হেনার সার্বিক সহযোগিতায় তিনি এসব উন্নয়ন কাজ করতে সমর্থ হন। আজ থাকছে সেনগ্রাম উপস্বাস্থ্যকেন্দ্র তথা বাহাদুরপুর হাসপাতালের কথা।

১৯৮৩ সালের নির্বাচনের আগে তার মরহুম পিতা এলাকার বিশিষ্ট মক্কেল, জোতদার ও দানবীর কেতাব উদ্দিন খান বাগমারা স্কুলে এক নির্বাচনী সভায় জনগণের কাছে প্রতিশ্রুতি দেন; তার পুত্রকে এলাকাবাসী চেয়ারম্যান নির্বাচিত করলে তিনি এলাকার মানুষের চিকিৎসাসেবা বাড়াতে তার নিজেরর জমি নিঃস্বার্থভাবে দান করে তাতে একটি হাসপাতাল গড়ে তুলতে সহায়তা করবেন। পরবর্তীতে আব্দুল মান্নান খান জনগণের ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে তিনি তার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেন। তাঁর দান করা জমির উপর গড়ে ওঠে বাহাদুরপুর হাসপাতাল। কিন্তু দুঃখজনক হল; পরবর্তীতে অনেক চেয়ারম্যান দায়িত্ব পালন করার পরও সেই অর্থে এই হাসপাতালের চিকিৎসা সুবিধা কেউই বাড়াতে পারে নি।

Address

Mohsin Hall, University Of Dhaka
Dhaka
1000

Telephone

01735211209

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Chairman Ferao Bahadurpur posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share