21/09/2025
**** বিশেষ সুবর্ণ সুযোগ,,,,,,
#লিও_ক্লাবের_সদস্য_আহ্বান_করা_হচ্ছে !!!
আপনি কি জাতিসংঘ অন্তর্ভুক্ত লায়ন্স ইন্টারন্যাশনাল আন্তর্জাতিক সংগঠন লিও সদস্য হতে চান।থাকছে আপনার জন্য সরাসরি ইন্টারন্যাশনাল গ্লোবাল কাজের সুযোগ,বিদেশে উচ্চ শিক্ষার জন্য স্কলারশিপ গুরুত্বপূর্ণ,ইন্টারন্যাশনাল সার্টিফিকেট, ইন্টারন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড, প্রদান করা হয় প্রত্যেক সদস্যকে কাজের উপর ভিত্তি করে।
Join LEO Club
development.child cancer.career development. Diabetes.
ক
বাংলাদেশের সেরা লায়ন্স ক্লাব -
#লায়ন্স_ক্লাব_অফ_ঢাকা_বুড়িগঙ্গা ৩১৫ বি২ বাংলাদেশ এর ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট লিও ক্লাব অফ Dhaka Buriganga II Leo Club এর নতুন লিও সদস্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ছাত্র-ছাত্রী যারা সহজে লিও ক্লাব সদস্য হতে আগ্রহী যোগাযোগ করুন ক্লাব প্রেসিডেন্ট Leo Maksudur Rahaman Ha-mim এর সাথে।
✅ #লিও ক্লাব কি ?
লিও ক্লাব একটা আন্তর্জাতিক যুব সংগঠন। এটা "Lions Clubs International" এর একটা অঙ্গ সংগঠন। Leo শব্দটা Lion থেকে এসেছে। ক্লাবের প্রত্যেক সদস্য সম্মান বা উপাধি হিসেবে তাদের নামের আগে "লিও" শব্দটি ব্যবহার করেন। তাই এর মাধ্যমে কোন বংশের পরিচয় বুঝায় না, বরং এটা আন্তর্জাতিক যুব সংগঠন "লিও" ক্লাবের "সদস্য" বুঝায়। LEO শব্দটার একটা elaboration বা, motto আছে। যেখানে L= Leadership, E= Experience, O= Opportunity কে বুঝায়। এর প্রধান অফিস মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
🔅 #লায়ন্স_ক্লাব_কি ?
লায়ন্স ক্লাব হচ্ছে বিশ্বের মানবসেবা প্রিয় ব্যক্তিদের একটা সংগঠন। যারা সমাজে অবহেলিত এবং বঞ্চিত মানুষের সেবায় ব্যয় করে (বিল গেটস্, মার্ক জাকার্বাগ, মুকেশ আম্বানি, এমনকি আমাদের সুনামধন্য ব্যক্তিবর্গ যেমন এমপি, মন্ত্রী, আমলাতন্ত্র, সচিব, ডক্টর, ইঞ্জিনিয়ার, ব্যবসায়ী, আইনজীবী,লায়ন্স ক্লাবের সদস্য)। যেমন বাংলাদেশে লায়ন্স ক্লাব স্বাস্থ্য সেবা, বিশেষ করে চক্ষু সেবা এবং ভিটামিন টিকা দেওয়ার কাজ করে। বাংলাদেশে বর্তমানে লায়ন্স ক্লাবের নামে আগারগাঁওয়ে "লায়ন্স আই ইনস্টিটিউট এন্ড হসপিটাল" নামে একটা স্বতন্ত্র হাসপাতাল আছে। লায়ন্স ক্লাব মূলত চক্ষু সেবা নিয়ে কাজ করে, এ ছাড়াও বর্তমানে বিশ্বব্যাপী ডায়বেটিস, হাঙ্গর প্রোগ্রাম, এনভারমেন্ট, চাইল্ডহুড ক্যান্সার ও যুব সমাজের উন্নয়নে লিও ক্লাব প্রতিষ্ঠাসহ অনেক ধরনের কাজ করছে। লায়ন্স ক্লাব ১৯১৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিষ্ঠিত হয় ও সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
✅ #লিও প্রতিষ্ঠিত হয় কখন কিভাবে?
আজ থেকে প্রায় ৫৯ বছর পূর্বে ১৯৫৭ সালে আমেরিকার পেলসেলভিনিয়া অঙ্গরাজ্যের মাল্টিপল জেলা-১৪ এর অন্তর্গত সাব-ডিসট্রিক্ট-১৪ এর অধীনে এভিংটন স্কুলের বাস্কেটবল টিমকে নিয়ে "এভিংটন স্কুল লিও ক্লাব" নামে লায়ন জিম গ্রাভারের মাধ্যমে বিশ্বের প্রথম লিও ক্লাব প্রতিষ্ঠা করা হয়। যার অভিভাবক লায়ন্স ক্লাব হিসেবে ছিল "গ্লেন-সাইড লায়ন্স ক্লাব"।
💥 বাংলাদেশে লিও ক্লাবের যাত্রা শুরু হয় ১৯৭৩ সালে "কমলাপুর লিও ক্লাব" প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে।
প্রত্যেকটা লিও ক্লাবেরই একটা স্পন্সরড লায়ন্স ক্লাব থাকে। যেমন " লিও ক্লাব অব ঢাকা বুড়িগঙ্গা এর স্পন্সরড লায়ন্স ক্লাব হচ্ছে লায়ন্স ক্লাব অব ঢাকা বুড়িগঙ্গা।" যেটি মানব সেবা কার্যক্রমের দিক দিয়ে বাংলাদেশের সেরা লায়ন্স ক্লাব। বর্তমানে বিশ্বে প্রায় ৬,০০০ টি লিও ক্লাব রয়েছে, এবং প্রায় ২,০০,০০০ জন লিও, লায়ন্স ক্লাবের সাথে বিশ্বের প্রায় ২১০ টি দেশে কাজ করছে। লিও ক্লাবের সংখ্যায় বাংলাদেশ বিশ্বে সপ্তম স্থানে আছে।
✅ #লিও_ক্লাবের কাজ কী ?
লায়ন্স ক্লাবের সদস্যরা সাধারনত সব সময় সরাসরি মাঠে কাজ করতে পারে না। তাই তারা তাদের কাজে যুব সমাজকে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য লিও ক্লাব প্রতিষ্ঠা করে। সেদিক থেকে লিও ক্লাব গুলো লায়ন্স ক্লাবের সহযোগী হিসেবে বিভিন্ন রকম সমাজ সেবা মূলক কাজ করে থাকে। ফলে লায়ন্স ক্লাব গুলোর বাহিরেও লিও ক্লাব গুলো কিছু কাজ করে থাকে। যেমন - বৃক্ষ রোপণ, রক্তদান, ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ( দাঁত পরীক্ষা, ডায়াবেটিক, রক্তের গ্রুপ পরীক্ষা, সাধারণ রোগী দেখা, রোগের চিকিৎসা ইত্যাদি), স্কুলে বাচ্চাদের স্বাস্থ্য সচেতন করার জন্য ক্যাম্পেইন করা। পথ শিশুদের জন্য কাজ করা ( যেমন পড়ানো, কাপড় দেওয়া, খাবার ব্যবস্থা, কাজের ব্যবস্থা করা) টীকা খাওয়ানো (ভিটামিন, কৃমিনাশক), সন্ত্রাস ও মাদক বিরুধী সভা - সেমিনার। প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় ত্রাণ সহায়তা সহ অন্যান্য সাহায্য সহযোগিতা করা। এছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কাজ লিও ক্লাব করে থাকে। এবং এগুলোর অধিকাংশই লায়ন্স ক্লাব গুলো স্পন্সর করে থাকে।
✅ #আমি লিও ক্লাবে কিভাবে উপকৃত হব ?
প্রথমেই যে কথাটা বলা উচিত সেটা হল, লায়ন্স ক্লাব প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল মূলত তাদের সম্পদের একটা অংশ দিয়ে সমাজের অবহেলিত মানুষের সেবা করার জন্য। আর লিও ক্লাব গুলোও এই একই আদর্শে গড়া। আমরা সমাজের শিক্ষিত এবং সচেতন যুবক। আমরা সমাজের অধিকাংশের তুলনায় মোটামুটি সুবিধাজনক একটা অবস্থায় আছি। আর এরকম একটা অবস্থায় থেকে সমাজের জন্য ভাবা এবং ভাল কিছু করা আমাদের কর্তব্য। আর সব সময় লাভের চিন্তা করে অন্য কিছু হলেও অন্ততপক্ষে সমাজ সেবা হবে না। তাছাড়া সমাজের জন্য সেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করার ক্ষেত্রে নিজের লাভের কথা চিন্তা না করাই ভাল।
তবে, এখানে আপনার কিছুটা হলেও লাভ আছে।
1️⃣ #প্রথমত, আপনি সমাজের জন্য যে কাজটা করতেন তা লিও ক্লাবের সদস্য হিসেবে করলে একটা আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাবেন।
2️⃣ #দ্বিতীয়ত, আপনার নেতৃত্বগুণ, অন্যের সাথে কথা বলা, যোগাযোগ করার গুণাগুণ গুলো অর্জন করতে পারবেন।
3️⃣ #তৃতীয়ত, দেশের সবচেয়ে সেবা প্রাণ মানুষগুলি এবং গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সাথে আপনার সরাসরি যোগাযোগ বৃদ্ধি। (যেমন আমাদেরদেশের আমলাতন্ত্র , অনেক মন্ত্রী, এমপি, দেশের স্বনামধন্য ডক্টর, ইঞ্জিনিয়ার, আইনজীবী, ব্যবসায়ী, উদ্যোক্তা ও প্রফেশনাল সহ অনেকে লায়ন্স ক্লাবের সদস্য)
4️⃣ #চতুর্থত, আপনি বাংলাদেশ লায়ন্স ক্লাব এবং ইন্টারন্যাশনাল লায়ন্স ক্লাব থেকে সদস্য সনদ পাবেন। সেখানে সারাবিশ্বে আপনার একটা স্বতন্ত্র লিও কোড নাম্বার থাকবে।
5️⃣ #পঞ্চমত, আপনি বিদেশে পড়াশোনা করতে গেলেও আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্য হিসেবে আপনার প্রোফাইলকে সমৃদ্ধ করবে (Extra Curriculum Activities) কারন, বিশ্বে লায়ন্স ক্লাব এবং লিও ক্লাবের গুরুত্ব এবং সম্মান অনেক বেশি (এলিট এবং মানব সেবামূলক ক্লাব হিসেবে বিশ্ব বিশ্বব্যাপী স্বনামে পরিচিত) সর্বোপরি, সমাজের সাথে আপনার যোগাযোগ বৃদ্ধি পাবে।
5️৬ #ষষ্ঠত, কাজের এক্টিভিটসের উপর ভিত্তি করে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক সম্মাননা(অ্যাওয়ার্ড)।
৭ #সপ্তমত, দেশী ও আন্তর্জাতিক কনভেনশন, কনফারেন্স, মিটিং ইত্যাদি তে অংশ গ্রহণের সুযোগ।
৮ #অষ্টমত, ২-৩ দিন ব্যাপী ইয়ুথ ক্যাম্পে অংশ গ্রহণের সুযোগ।
৯ #নবমত, বছরে একাধিক পিকনিকে অংশ গ্রহণের সুযোগ।
✅ #লিও_সদস্য কিভাবে হতে হয়?
লিওদের দুইটা ক্যাটাগরি আছে ওমেগা আর আলফা। আলফা বলা হয় যাদের বয়স ১২ থেকে ১৮ বছর। আর বয়স ১৮ থেকে ৩০ বছর বলা হয় ওমেগা লিও।
✅ আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুসারে লিও ক্লাবের সদস্য হতে হয়। তবে সেটা কিছুটা কঠিন এবং ব্যয়বহুল হওয়ায় লায়ন্স ক্লাব এর স্পনসরিং এ সদস্য করা হয়। তবে এক্ষেত্রে সদস্য সনদ পেতে কমপক্ষে ৩-৬ মাস সময় লাগে।
✅ তাই আমরা যাদের লিও ক্লাবে সদস্য করে থাকি, প্রত্যেকটা ক্ষেত্রেই একজন সদস্য আন্তর্জাতিক সদস্য সনদ, লিও কোট পিন ও নিজ ব্যক্তিত্ব বিকাশের সুযোগ, আন্তর্জাতিক সেমিনারে অংশগ্রহণের সুযোগ এবং জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও সনদ অর্জন করার সুযোগ রয়েছে।
🌹 যোগাযোগঃ 🌹
মাকসুদুর হামীম, ক্লাব প্রেসিডেন্ট
+880 1708-929775 (WhatsApp )
ঢাকা বুড়িগঙ্গা লিও ক্লাব
স্পন্সরড বাইঃ লায়ন্স ক্লাব অব ঢাকা বুড়িগঙ্গা
জেলা ৩১৫ বি২ বাংলাদেশ।
লায়ন্স ক্লাবস ইন্টারন্যাশনাল।