18/07/2025
নিষিদ্ধ ঘোষিত রাজনৈতিক সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-এর তিতাস উপজেলা শাখার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক, কুমিল্লার এমপি মোঃ আব্দুস সবুরের ব্যক্তিগত কর্মী এবং খুনি হাসিনা ও তাপসের ঘনিষ্ঠ সহযোগী মজিবুল হক শিপলু, জুলাই-আগস্ট ছাত্র-জনতা আন্দোলনের সময় ঢাকা, কুমিল্লা এবং কুষ্টিয়া জেলায় সংঘটিত গণহত্যা ও ছাত্র নির্যাতনের অন্যতম সমন্বয়কারী।
মাত্র ছয় হাজার টাকার বেসরকারি চাকরি দিয়ে শুরু করা এই ব্যক্তির সম্পদের পরিমাণ বর্তমানে ৪০০-৫০০ কোটি টাকা। যার পিতা ছিলেন একজন স্কুল অফিস সহায়ক।
পূর্ববর্তী আওয়ামী সরকারের ক্ষমতা ব্যবহার করে শিপলু গরিব, নিরীহ ও রাজনৈতিকভাবে ভিন্নমতাবলম্বী মানুষের জমি, বাড়ি, ফ্ল্যাট অবৈধভাবে দখল করেছে। প্রবাসী ভাই রোমানের সহায়তায় দেশে-বিদেশে অবৈধ মাদক ও অস্ত্র ব্যবসা, অর্থপাচার, নির্বাচনী কারচুপি, অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে এবং মিথ্যা মামলার হুমকি দিয়ে দেশব্যাপী চাঁদাবাজি চালিয়ে গেছে। তার রয়েছে একাধিক বাড়ি, গাড়ি এবং দেশে-বিদেশে অবৈধভাবে উপার্জিত সম্পদ। বিভিন্ন জেলায় একাধিক স্ত্রী এবং নারী সঙ্গী রয়েছে। মদ, জুয়া, ড্রাগস ও অস্ত্র ছিল তার প্রতিদিনের সঙ্গী।
আওয়ামী লীগের কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ হওয়ার রাতে, সে পরিকল্পিতভাবে অরাজকতা না ছড়ায়—এই কৌশলে জিগাতলা দারোগা মার্কেটস্থ আওয়ামী লীগ অফিস থেকে বিস্ফোরক বিস্ফোরণ ঘটায়, যাতে সাধারণ মানুষ আতঙ্কগ্রস্ত হয়। এরপর থেকেই সে পলাতক। পুলিশ ও প্রশাসন অনেক খোঁজ করেও তাকে ধরতে পারেনি।
বর্তমানে, সে অন্য রাজনৈতিক সংগঠনের ছত্রছায়ায় ঢোকার জন্য কোটি কোটি টাকা খরচ করে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
এই গণহত্যা পরিকল্পনাকারী, ছাত্র নির্যাতনের হোতা, দেশের অর্থপাচারকারী, মাদক ও অস্ত্র ব্যবসায়ী মজিবুল হক শিপলু–কে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে। তার বিরুদ্ধে উপযুক্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। প্রমাণাদি সংযুক্ত।
পুলিশ প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।