Sabuj Bangla সবুজ বাংলা

Sabuj Bangla সবুজ বাংলা ''Hridoy-E- Palashir Pranttor'' He drove Siraj’s army out early in January 1757. He found a candidate in a discontented elderly general named Mir Jafar.

Though it was more of a skirmish than a battle, the British victory under Robert Clive at Plassey in Bengal was a crucial event in the history of India. The young Nawab of Bengal, Siraj-ad-daula, had taken Calcutta from the East India Company with a huge army in June 1756, when the notorious ‘Black Hole’ episode occurred. It was not until August that the news reached the Company in Madras and not

until October that Clive, now thirty-two years-old, left for Calcutta at the head of a mixed European-Indian force of some 2,500 men. Clive decided that the best way to secure the Company’s interests in Bengal was to replace Siraj with a new and more pliant nawab. After complicated conspiratorial discussions and the promise of enormous bribes to all concerned, a secret agreement was smuggled into the women’s quarters of Mir Jafar’s house, which was being watched by Siraj’s spies, and Mir Jafar signed it. Siraj knew or suspected there was a conspiracy against him, despite Clive’s earnest protestations to the contrary, and moved south to Plassey . On June 13th, Clive moved north with some 2,000 Indian sepoys and 600 British infantry of the Thirty-Ninth of Foot plus close to 200 artillerymen with ten field pieces and two small howitzers. Ambiguous messages were coming in from Mir Jafar and Clive was moving into a dangerous situation against heavy odds. He seems to have had a crisis of confidence and summoned his officers to a council of war on June 21st. The majority, including Clive, voted against action. At that point, according to his friend Robert Orme, Clive retired into a grove of trees where he stayed for an hour in meditation. On his return he gave orders for the army to move on to Plassey. The confrontation came on a cloudy morning north of the village of Plassey on the bank of the Hughli river. Clive’s army was drawn up in three divisions, as was the Nawab’s army of perhaps 40,000 men with its war-elephants and more than 50 cannon. One division was commanded by Mir Jafar. After an opening cannonade, a crash of thunder at noon heralded a torrential downpour of rain that lasted half an hour. The British artillerymen quickly covered their cannon and ammunition with tarpaulins, but the enemy failed to do the same and their artillery was put out of action, so that when the Nawab’s army moved forward, assuming that Clive’s cannon were also out of action, it was met with a withering storm of fire. The enemy withdrew and Siraj, who distrusted his generals and had already been warned of impending defeat by his astrologer (who had possibly been bribed), lost his nerve when Mir Jafar advised retreat. When Clive’s army attacked again, Siraj fled on a fast camel. His demoralized army followed suit and when the British entered the enemy camp at about 5pm, they found it abandoned. According to Clive, he lost eighteen men killed, while he estimated the nawab’s dead as around 500. Siraj-ad-daula was killed by his own people and Mir Jafar replaced him. Clive, who was now effectively master of Bengal, skilfully bolstered Mir Jafar’s apparent authority while keeping him on leading strings. The skirmish at Plassey was critical to the East India Company’s triumph over its French rivals and, in the longer term, to the establishment of British rule in India.

30/10/2025
বাংলার রাজনৈতিক যাত্রা: ১২০৪ থেকে ১৯৭১ পর্যন্ত১২০৪: মুসলিম শাসনের সূচনাবাংলার ইতিহাসে ১২০৪ সাল এক গুরুত্বপূর্ণ মোড়। দিল্...
14/08/2025

বাংলার রাজনৈতিক যাত্রা: ১২০৪ থেকে ১৯৭১ পর্যন্ত
১২০৪: মুসলিম শাসনের সূচনা
বাংলার ইতিহাসে ১২০৪ সাল এক গুরুত্বপূর্ণ মোড়। দিল্লি সালতানাতের সেনাপতি মহম্মদ বখতিয়ার খিলজি অল্প সৈন্য নিয়ে নওগাঁর দিকে প্রবেশ করে নদীয়া জয় করেন এবং লক্ষণ সেনকে পরাজিত করেন। এর মাধ্যমে বাংলায় মুসলিম শাসনের সূচনা হয়, যা প্রায় পাঁচশ বছর ধরে স্থায়ী ছিল। এই শাসন শুধু রাজনৈতিক পরিবর্তন নয়, সামাজিক ও অর্থনৈতিক রূপান্তরের সূচনা ঘটায়। কৃষি, সেচব্যবস্থা, শহরায়ন, স্থাপত্য, এবং ইসলামী শিক্ষা বাংলায় গভীর প্রভাব ফেলে।
সুলতানি যুগ (১২০৪–১৫৭৬)
সুলতানি আমলে বাংলা ধীরে ধীরে দিল্লির কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ থেকে মুক্ত হয়ে স্বাধীন সুলতানদের অধীনে চলে আসে। গৌড়, পাণ্ডুয়া ও ঢাকা রাজনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে বিকশিত হয়। মুদ্রা প্রচলন, কৃষি সম্প্রসারণ, এবং নদীপথের উন্নতি বাণিজ্যকে ত্বরান্বিত করে। একইসঙ্গে গ্রামীণ মুসলিম জনপদ গড়ে ওঠে, যা পরবর্তীতে পাকিস্তান আন্দোলনের সামাজিক ভিত্তি হয়ে দাঁড়ায়।
মুঘল আমল (১৫৭৬–১৭৫৭)
১৫৭৬ সালে মুঘল সাম্রাজ্যের অধীনে বাংলা আসে। ঢাকাকে সুবা বাংলার রাজধানী করা হয়, পরে রাজধানী মুর্শিদাবাদে স্থানান্তরিত হয়। মুঘল যুগে বাংলা উপমহাদেশের সমৃদ্ধতম প্রদেশে পরিণত হয়—ধান, রেশম, তুলা, মসলিন, নীল, ও নৌবাণিজ্যে সমৃদ্ধ ছিল। তবে রাজনৈতিক ক্ষমতা দিল্লি-আগ্রার অধীনে থাকায় কেন্দ্রীয় শোষণও বেড়ে যায়।
নবাবি আমল ও পতন (১৭১৭–১৭৫৭)
১৭১৭ সালে মুর্শিদ কুলি খান বাংলার নবাব হন। বাংলার রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক শক্তি তখন শিখরে পৌঁছেছিল। নবাব আলিবর্দী খান ও পরে নবাব সিরাজ-উদ-দৌলার সময় এ সমৃদ্ধি অব্যাহত ছিল। কিন্তু ১৭৫৭ সালের প্লাসি যুদ্ধে নবাব সিরাজ ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ষড়যন্ত্র ও দেশীয় বিশ্বাসঘাতকতার ফলে পরাজিত হন। এর মাধ্যমে বাংলার স্বাধীন রাজনৈতিক সত্তা বিলুপ্ত হয় এবং ব্রিটিশ শাসনের সূচনা ঘটে।
ব্রিটিশ উপনিবেশিক যুগ (১৭৫৭–১৯৪৭)
ইংরেজ শাসন বাংলার অর্থনীতি ধ্বংস করে দেয়। নীলচাষের জুলুম, জমিদারি প্রথা, কৃষক শোষণ, দুর্ভিক্ষ (১৭৭০ সালের মহাদুর্ভিক্ষ), এবং প্রশাসনে বৈষম্য মুসলিম জনপদকে আরো পিছিয়ে দেয়। এই সময়ে মুসলিম শিক্ষিত সমাজ প্রায় বিলুপ্ত হয়, যখন হিন্দু মধ্যবিত্ত শ্রেণি ইংরেজি শিক্ষায় এগিয়ে যায়।
মুসলিম পুনর্জাগরণ ও রাজনৈতিক উত্থান
উনিশ শতকে সির সাইয়েদ আহমদ খান-এর নেতৃত্বে আলিগড় আন্দোলন মুসলমানদের শিক্ষায় জাগিয়ে তোলে। ১৯০৬ সালে ঢাকায় মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠা হয়, যা পরবর্তীতে মুসলিম রাজনৈতিক স্বার্থ রক্ষার প্রধান প্ল্যাটফর্ম হয়ে ওঠে।
বঙ্গভঙ্গ (১৯০৫–১৯১১)
১৯০৫ সালে লর্ড কার্জন প্রশাসনিক কারণে বাংলা বিভক্ত করেন—পূর্ববঙ্গে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠতা সৃষ্টি হয়, যা মুসলিমদের মধ্যে রাজনৈতিক আত্মবিশ্বাস জাগায়। কিন্তু ১৯১১ সালে তীব্র হিন্দু আন্দোলনের মুখে বঙ্গভঙ্গ রদ হয়, যা মুসলিম রাজনীতিতে আস্থার সংকট তৈরি করে।
লাহোর প্রস্তাব ও পাকিস্তান আন্দোলন (১৯৪০–১৯৪৭)
১৯৪০ সালের ২৩ মার্চ লাহোরে মুসলিম লীগের প্রস্তাবে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলগুলো নিয়ে আলাদা রাষ্ট্রের কথা বলা হয়। বাংলা, পাঞ্জাব, সিন্ধু, বেলুচিস্তান ও উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশ এই প্রস্তাবের আওতায় আসে। দীর্ঘ রাজনৈতিক আন্দোলন, নির্বাচন, এবং ব্রিটিশদের সঙ্গে আলোচনা শেষে ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট পাকিস্তানের জন্ম হয়—বাংলা বিভক্ত হয়ে পূর্ববাংলা (পূর্ব পাকিস্তান) পাকিস্তানের অংশ হয়।
পূর্ব পাকিস্তান যুগ (১৯৪৭–১৯৭১)
স্বপ্নের পাকিস্তান বাস্তবায়িত হলেও শাসন কাঠামোয় বৈষম্য স্পষ্ট হয়ে ওঠে। পশ্চিম পাকিস্তান অর্থনীতি, প্রশাসন ও সেনাবাহিনীতে প্রাধান্য নেয়; পূর্ব পাকিস্তান শোষিত হয়।
• ১৯৫২: ভাষা আন্দোলন—বাংলা রাষ্ট্রভাষা প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম।
• ১৯৬৬: বঙ্গবন্ধুর ৬ দফা আন্দোলন—অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক স্বায়ত্তশাসনের দাবি।
• ১৯৭০: সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিজয়, কিন্তু ক্ষমতা হস্তান্তরে গড়িমসি।
• ১৯৭১: ২৫ মার্চের গণহত্যা ও মুক্তিযুদ্ধ—৯ মাসের রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের পর স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা।
সাতচল্লিশ ও একাত্তরের অবিচ্ছেদ্য সম্পর্ক
১৯৪৭ ছাড়া ১৯৭১-এর অস্তিত্ব কল্পনা করা যায় না। সাতচল্লিশ আমাদের কাশ্মীর বা হায়দ্রাবাদের মতো পরিস্থিতি থেকে রক্ষা করেছিল। আবার ১৯৭১ পাকিস্তান কাঠামোর ভেতরের বৈষম্যের বিরুদ্ধে মুক্তির লড়াইয়ের ফল।
ইতিহাস বিকৃতির চেষ্টা
দুঃখজনকভাবে, অনেক ভারতীয় আধিপত্যবাদী প্রচারমাধ্যম ১৯৭১-এর পূর্বে পূর্ববাংলার স্বাধীন রাজনৈতিক সত্তার ইতিহাস আড়াল করে। কিন্তু আমাদের জানা দরকার—এই ভূখণ্ডের ইতিহাস হাজার বছরের; রাজনৈতিক সীমানা পাল্টেছে বহুবার, কিন্তু জনপদের স্মৃতি ও স্বপ্ন রয়ে গেছে।

রাষ্ট্রের সীমানা চিরস্থায়ী নয়—এ সত্য ইতিহাসের পাতায় অগণিত উদাহরণে প্রমাণিত। সময়, রাজনীতি, অর্থনীতি, জনসংখ্যার পরিবর্তন...
14/08/2025

রাষ্ট্রের সীমানা চিরস্থায়ী নয়—এ সত্য ইতিহাসের পাতায় অগণিত উদাহরণে প্রমাণিত। সময়, রাজনীতি, অর্থনীতি, জনসংখ্যার পরিবর্তন, এবং ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থের টানাপোড়েনের ফলেই রাষ্ট্রভূখণ্ডের মানচিত্র বদলাতে থাকে। একসময় নবাব সিরাজ-উদ-দৌলার অধীনে বাংলা, বিহার, ওড়িষ্যা মিলিয়ে একটি সুবিশাল প্রদেশ ছিল। এ অঞ্চল শুধু ধান-গমের ক্ষেতেই সমৃদ্ধ ছিল না; মসলিন, নীলচাষ, রেশম, নৌপথ, এবং সাংস্কৃতিক জৌলুসে ভারতীয় উপমহাদেশের এক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ছিল। কিন্তু ১৭৫৭ সালের প্লাসি যুদ্ধের পর থেকে রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ ধীরে ধীরে চলে যায় ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির হাতে। শুরু হয় দীর্ঘ উপনিবেশিক শাসন।
বাংলার মুসলিম কৃষক ও শ্রমজীবী শ্রেণি ধীরে ধীরে অর্থনৈতিক ও সামাজিকভাবে পিছিয়ে পড়ে। জমিদারি প্রথা, নীলচাষের জুলুম, এবং শিক্ষা-সংস্কৃতির সুযোগ থেকে বঞ্চিত হওয়া—সব মিলিয়ে গ্রামীণ দরিদ্র মুসলিম জনপদের জন্য জীবন ছিল অবহেলার আর দুর্দশার। এর বিপরীতে কলকাতা কেন্দ্রিক শিক্ষিত হিন্দু মধ্যবিত্ত শ্রেণি ইংরেজ প্রশাসনিক কাঠামোতে অগ্রগামী হয়ে যায়, যা রাজনৈতিক প্রভাবেও প্রতিফলিত হয়।
এ প্রেক্ষাপটে উনিশ শতকের শেষ থেকে বিশ শতকের শুরু পর্যন্ত মুসলিম সমাজে পুনর্জাগরণের চেষ্টায় আলীগড় আন্দোলন, মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠা (১৯০৬), এবং ১৯৪০ সালের লাহোর প্রস্তাব—সবই এক নতুন রাজনৈতিক স্বপ্নের দিকে পথ দেখায়: মুসলিম অধ্যুষিত অঞ্চলের জন্য আলাদা রাষ্ট্র।
দীর্ঘ লড়াই, রাজনীতি, আন্দোলন, এবং অসংখ্য ত্যাগ-তিতিক্ষার পর ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট, এই জনপদ আজাদি লাভ করে পাকিস্তানের অংশ হিসেবে, যার নাম হয় “পূর্ব পাকিস্তান”। যে মানচিত্র তখন আঁকা হয়েছিল, সেটিই পরে স্বাধীন বাংলাদেশ হয়ে দাঁড়ায়।
যে পিতা—রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে—দীর্ঘ সংগ্রাম করে স্বপ্নের পাকিস্তান গড়ে তুলেছিলেন, হয়তো তাঁরই সন্তান পরে জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করেছে পাকিস্তান ভেঙে বাংলাদেশ গড়ার জন্য, নতুন এক স্বপ্ন, নতুন সুখের প্রত্যাশায়। এই উত্থান-পতন, স্বপ্ন-ভঙ্গ ও নতুন স্বপ্নের পুনর্গঠন—সবই এই জনপদের ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ।
ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় ১৯৪৭ ছাড়া ১৯৭১ এর অস্তিত্ব কল্পনাও করা যায় না। তেমনি ১৯৭১ ছাড়া ২০২৪ এর পথও খোলা থাকত না। ১৯৪৭ না হলে এ ভূখণ্ডের ভাগ্য হয়তো হতো কাশ্মীর, সিকিম কিংবা হায়দ্রাবাদের মতো—যেখানে জনগণ আজও আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার থেকে বঞ্চিত, সংঘাত ও নিপীড়নের শিকার।
কিন্তু দুঃখজনক বিষয় হলো, অনেক সময় ভারতীয় আধিপত্যবাদী (ইন্ডিয়ান হেজিমনি) প্রচারমাধ্যম ও রাজনৈতিক বক্তব্য এমনভাবে মানুষের মানসিকতায় প্রভাব ফেলে যে মনে হয়—১৯৭১-এর পূর্বে এই জনপদের কোনো ইতিহাসই ছিল না। অথচ সত্য হলো, এ ভূমির ইতিহাস হাজার বছরের; মৌর্য-গুপ্ত সাম্রাজ্য, পাল ও সেন যুগ, সুলতানি শাসন, মুঘল প্রশাসন, নবাবি আমল, ব্রিটিশ উপনিবেশ—সব মিলিয়ে আমরা বারবার রাজনৈতিক রূপান্তরের মধ্য দিয়ে গিয়েছি।
এ ইতিহাস বোঝা জরুরি—কারণ ইতিহাসকে খণ্ডিত করে দেখা মানে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ উভয়কেই দুর্বল করা। আমাদের জানা উচিত, সাতচল্লিশের স্বাধীনতা যেমন একাত্তরের ভিত্তি, তেমনি একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ সাতচল্লিশের স্বপ্নের পুনর্নির্মাণ ও সংশোধন। ইতিহাসকে সঠিক প্রেক্ষাপটে দেখাই আমাদের স্বাধীন চেতনার পরিপূর্ণতা।

ঐতিহাসিক ৩৬ জুলাই।খু*নি হাসিনার মসনদ উড়ে তছনছ | বাংলার মাটিতে আর কোন স্বৈ*রাচারের জন্ম হতে দেওয়া হবেনা |
05/08/2025

ঐতিহাসিক ৩৬ জুলাই।খু*নি হাসিনার মসনদ উড়ে তছনছ | বাংলার মাটিতে আর কোন স্বৈ*রাচারের জন্ম হতে দেওয়া হবেনা |

এই সাইন্স টা অধিকাংশ আবেগী বাঙালী কোনদিন বুঝতেই পারেনি। ই'জরাইলের একমাত্র লোক দেখানো শত্রু রাষ্ট্র ইরান।
20/03/2025

এই সাইন্স টা অধিকাংশ আবেগী বাঙালী কোনদিন বুঝতেই পারেনি। ই'জরাইলের একমাত্র লোক দেখানো শত্রু রাষ্ট্র ইরান।

05/02/2025

ছাত্ররা যে নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করছে সে ব্যপারে আপনার পরামর্শ জানাতে নিচের ফর্মটি পূরণ করুন:

আজকের একটা অনাকাঙ্খিত ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুনরায় বিতর্কিত "আদিবাসী" শব্দ সামনে আনছে বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব ব...
15/01/2025

আজকের একটা অনাকাঙ্খিত ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুনরায় বিতর্কিত "আদিবাসী" শব্দ সামনে আনছে বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব বিরোধীরা। এরা আজকের ঘটনার চিহ্নিত হা'ম'লাকারীদের বিচারের চেয়েও বেশি সোচ্চার এই ঘটনাকে উস্কিয়ে দিয়ে এমন বিতর্কিত শব্দগুলোকে প্রতিষ্টিত করতে। এরা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবেই এই শব্দ সামনে এনে আমাদের এই জাতির মধ্যে বিভাজনের বীজ বপন করতে চায়। এরা পাহাড় থেকে সেনাবাহিনী সরানোর পেছনে দীর্ঘদিন ধরেই ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। যে দাবির পক্ষে গতকাল তারা বিক্ষোভ সমাবেশও করেছিল ঢাকায়।
এমনিতেই আমাদের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বকে বিপন্ন করতে পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্র পাহাড় নিয়ে বিভিন্ন উস্কানিমূলক বিভ্রান্তি ছড়ায় তার মাঝে এমন জাতিগত বিদ্বেষমূলক শব্দের ব্যবহার সেটাকে আরো উস্কে দিবে। আমরা বিভেদ নয় শান্তি চাই। আমাদের এই রাষ্ট্রের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রতি কোনরূপ হুমকি ন্যূনতম বরদাশত করা হবেনা।
আমরা সবাই বাংলাদেশী। আমাদের পরিচিতি ও স্বীকৃত জাতিসত্তা আমরা বাংলাদেশী। এখানে অন্য কোন পরিচয় সামনে এনে বিভাজনের রাজনীতি আর খেলতে দেওয়া হবেনা আ.লীগের মতো।

🔴 মেজর ডালিমের সাক্ষাৎকার থেকে যা জানা গেল:-🔹১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধে নিহতের সংখ্যা ৩০ লাখ নয় বরং ৩ লাখ। ৩ লাখ ইংরেজিতে বলত...
06/01/2025

🔴 মেজর ডালিমের সাক্ষাৎকার থেকে যা জানা গেল:-
🔹১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধে নিহতের সংখ্যা ৩০ লাখ নয় বরং ৩ লাখ। ৩ লাখ ইংরেজিতে বলতে গিয়ে ভুল করে ৩ মিলিয়ন বলে ফেলে শেখ মুজিব।
🔹 মুক্তিযুদ্ধের সময় কতজন নারী ধর্ষিত হয়েছেন এ সম্পর্কে বলতে গিয়ে তিনি বলেন এমন ২ জন নারীকে তিনি পেয়েছেন যাদেরকে তিনিই সাহায্য সহযোগিতা করেছেন। ২ জন নারীকে যে পাকিস্তানীরাই ধর্ষণ করেছেন তা তিনি সিওর না। মুক্তিযুদ্ধে ২ লক্ষ মা বোন সম্ভ্রমহানি হয়েছিলো এইটা একটা মিথ্যা প্রচারণা।
🔹ভারত তৎকালীন ১৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ বাংলাদেশ থেকে লুট করে নিয়ে যায়, এতে বাঁধা দিলে মুজিব মেজর জলিলকে গ্রেপ্তার করে।
🔹 বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে তিনি বলেন বুদ্ধিজীবীদের পাকিস্তানীরা মেরে তাদের লাভটা কি? বুদ্ধিজীবীদের কি মারছে এটা বুঝতে রকেট সাইন্স লাগে না। (অর্থাৎ তার মতে, বুদ্ধিজীবীদের হ**ত্যা করেছিলো ভারতীয় বাহিনী)
🔹মুজিব স্বয়ং পাকিস্তানীদের কাছে ধরা দেন এবং তাদের সাথে একটা বন্দোবস্ত করে আর্মিদের কাছে তার পরিবারের ভরণপোষণের দায়িত্ব তুলে দিয়ে পাকিস্তানে পালিয়ে যান। তখন সাধারণ মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়ে কি করবে? কোথায় যাবে? সেই সময় চিটাগাং থেকে স্বাধীনতার ডাক দেন মেজর জিয়াউর রহমান। জিয়া নিজেকে সরকার প্রধান ঘোষণা করে যুদ্ধের ঘোষণা দেন কিন্তু ভারতের চাপে মুজিবকে প্রধান করে আবার ঘোষণা দিতে বাধ্য হন।
🔹 অনেকে বলে মুজিব মারা গেল কেন? তিনি তো মারা যায়নি, নিহত হয়েছেন সেনা অভ্যুত্থান ঘটাকালে। দু'পক্ষের মধ্যেই গোলাগুলি হয়। বাকশালের পতনের পর লাখো লাখো মানুষ রাস্তাঘাটে অন্দরে বন্দরে আনন্দ মিছিল বের করেছিলো। তাদেরকে আমরা ডেকে আনি নাই সবাই স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নিয়েছিলো। এভাবেই জনস্বীকৃতি পেয়েছিলো ধানমন্ডি বত্রিশের সামররিক অভ্যুত্থান।
🔹সো কলড মুক্তিযুদ্ধের আড়ালে এটা ছিল আওয়ামী লীগের দেশকে ভারতের কাছে বেঁচে দেবার একটা প্রজেক্ট।
🔹 ভারতের অপছন্দের ব্যক্তি হওয়ায় একাত্তরে জিয়াকে যুদ্ধ থেকে সরিয়ে ইন্ডিয়াতে স্টেশন করে রাখা হয়; কেউ তার কাছে ভিড়তে সাহস করতো না।
🔹 প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবের ছেলে শেখ কামাল, লেফঃ কর্নেল (পূর্ববর্তী মেজর) ডালিমের স্ত্রী নিম্মিকে অপহরন করেনাই, করেছিলেন তৎকালীন আওয়ামী লীগ সভাপতি গোলাম মোস্তফা। তার স্ত্রী নিম্মির ক্যান্সার ছিলো। তাকে হাউজ অ্যারেস্ট করে রাখা হয় ১৯৯৬ থেকে। এমনকি খালেদা জিয়াও তাকে পাসপোর্ট দেন নাই , ফলে ক্যান্সারেই ২০০৫ সালে তার স্ত্রী মারা যায়।
🔹 মুজিব ইংরেজি ভাষাকে এমনভাবে বিকৃত করে যে ডেভিড ফ্রস্ট তা শুনে কেঁদে ফেলেন।
🔹উইথড্রন অবস্থায় বাংলাদেশ সেনা পরিষদের সাথে কোরআন শরীফ ছুয়ে করা শপথ রাষ্ট্রপতি হয়ে ভঙ্গ করেছিলেন জেনারেল জিয়াউর রহমান। তিনি ক্ষমতা সুসংহত করতে ৪০০০ মানুষকে মৃত্যু'দন্ড দিয়েছিলেন।
🔹জহির রায়হান ও শহিদুল্লাহ কায়াসারকে হ**ত্যা করেছিলো মুজিব। বিপ্লবী সিরাজ সিকদারকে পরিকল্পনা করে হ**ত্যা করে মুজিব।
🔹জেনারেল জিয়াউর রহমান পুরো মুক্তিযুদ্ধে থাকতে পারেননি, তিনি একটা বড় সময় কলকাতার কল্যাণীতে যুদ্ধ থেকে উইথড্রন অবস্থায় ছিলেন।জিয়াউর রহমান বাংলা পড়তে কিংবা লিখতে পারতেন না, কেবল বলতে পারতেন।
🔹জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে ভারতীয় রবীন্দ্রনাথের গান বাংলাদেশের উপর ভারতের আধিপত্য। কাজী নজরুল ইসলামের মতো এমন প্রতিভাবান কবি থাকতে কীভাবে একজন ভারতীয় নাগরিকের গানকে আমাদের উপর চাপিয়ে দেয়া হলো, যা পুরো বিশ্বে নজিরবিহীন।
🔹মুজিবের কথা ও কাজে কোনো মিল নেই।
🔹দেশের প্রয়োজনে আমরা আবার যেকোনো ধরনের সহায়তা করতে প্রস্তুত। নিজের জন্য কিছুই করিনি। আমি তরুনদের বলতে চাই , তোমাদের যেকোনো প্রয়োজনে আমরা পিছপা হবো না।

Address

Badda
Dhaka
1212

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sabuj Bangla সবুজ বাংলা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Sabuj Bangla সবুজ বাংলা:

Share