Tusar

Tusar Just to share views, feelings and experiences

23/12/2025

দুনিয়ার কষ্ট ঈমানের
পরীক্ষা,
পাপের শাস্তি নয়।
ইমাম গাজ্জালী (রহঃ)

16/08/2025

আপনার থালা আর হাসপাতালের বিল—একই কর্পোরেটের হাতে

আপনি কি জানেন, আজ আপনার প্লেটে যে খাবার আছে, তার পেছনে হয়তো একই কর্পোরেটের হাত রয়েছে, যে হাসপাতালের বিল আপনার হাতে ধরাবে?

হ্যাঁ, এটাই আধুনিক ফুড-ফার্মা কমপ্লেক্স।

বাজারে সস্তায় পাওয়া যায়—

• রিফাইন্ড ভোজ্য তেল
• পলিশড চাল
• ময়দা
• রিফাইন্ড চিনি
• অতিপ্রক্রিয়াজাত স্ন্যাকস
• জিএমও ভুট্টা ও সয়াবিন পণ্য

এগুলো Mass Production হয়—সংরক্ষণ সহজ, পরিবহন খরচ কম, আর সরকারী নীতিতে অনেক সময় কর বা ভর্তুকি সুবিধা পায়। ফলে এগুলো দামে কম, সহজলভ্য, আর বিপণনেও আক্রমণাত্মক।

এর ফলাফল কী?
আপনি প্রতিদিন এমন খাবার খাচ্ছেন, যেগুলোতে—

• প্রয়োজনীয় ভিটামিন-মিনারেল প্রায় নেই,
• আছে বেশি পরিমাণ Trans Fat, Refined Carb, Added Sugar,
• ফাইবার কম, গ্লাইসেমিক ইনডেক্স বেশি।

দীর্ঘমেয়াদে এগুলো তৈরি করে—

• টাইপ ২ ডায়াবেটিস
• স্থূলতা
• হাইপারটেনশন
• হার্ট ডিজিজ
• হরমোনাল ডিসঅর্ডার
• গ্যাস্ট্রিক ও পেটের নানা সমস্যা

এরপর শুরু হয় দ্বিতীয় ধাপ—হেলথকেয়ার প্রফিট
যখন আপনি অসুস্থ হন, তখন খেলায় নামে কর্পোরেটের আরেক ডিপার্টমেন্ট—ফার্মা ও হেলথকেয়ার।

• আজীবন ওষুধ (ইনসুলিন, ব্লাড প্রেসার ট্যাবলেট, কোলেস্টেরল লোয়ারার)
• নিয়মিত ল্যাব টেস্ট
• হাসপাতালে ভর্তি, সার্জারি, ফলোআপ

বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই রোগ নিরাময় নয়, রোগ ম্যানেজমেন্ট হয়। যাতে রোগী দীর্ঘদিন কর্পোরেটের কাস্টমার থেকে যায়।

একই শিকড়ে দুই ব্যবসা
বাংলাদেশেই অনেক বড় কর্পোরেট ফুড, ফার্মা, এমনকি হাসপাতাল—তিন ক্ষেত্রেই বিনিয়োগ করেছে।

আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যেমন Nestlé, PepsiCo-র শীর্ষ শেয়ারহোল্ডারদের মধ্যে একই ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড আছে যারা Pfizer, Johnson & Johnson-এও বিনিয়োগ করেছে।

খাদ্য দিয়ে রোগ তৈরি, ওষুধ দিয়ে রোগ ম্যানেজ—একই চক্রে লাভ দ্বিগুণ।

ভোক্তার অজ্ঞানতা = কর্পোরেটের লাভ
গরিব, নিম্ন-মধ্যবিত্ত ও অজ্ঞান ভোক্তারা ভাবেন—
“সস্তায় কিনে টাকা বাঁচালাম।”

কিন্তু আসলে—

• সস্তা খাবার খেয়ে শরীরের ক্ষতি হয়,
• চিকিৎসা খরচে ভবিষ্যতে আরও বেশি টাকা যায়,
• আয়ু কমে, জীবনের মান নষ্ট হয়।

কীভাবে বাঁচবেন এই ফাঁদ থেকে?

• যতটা সম্ভব স্থানীয়, মৌসুমি, অপ্রক্রিয়াজাত খাবার খান।
• লাল চাল, আটা, ঘানির তেল, দেশি শাকসবজি, গুড়, বাদাম, ডাল—এগুলোতে ফিরুন।
• শিশুদের চিনি, প্যাকেট স্ন্যাকস, সোডা—একেবারেই সীমিত করুন।
• লেবেল পড়ার অভ্যাস করুন—উপাদান যত বেশি অচেনা, খাবার তত বেশি অস্বাস্থ্যকর।

আপনার প্রতিটি বাজারের সিদ্ধান্তই ভবিষ্যতের হাসপাতালের বিল কমাতে পারে।

আজ আপনি সস্তা, অস্বাস্থ্যকর খাবারের প্রলোভনে না পড়লে, কাল হয়তো হাসপাতালে আপনার জায়গা লাগবে না।

এটাই কর্পোরেট প্রফিট সাইকেলের বাইরে বেরিয়ে আসার প্রথম ধাপ।

(Collected)

30/04/2025

একটুখানি প্রশংসা
এক দম্পতি। সারাক্ষণই ঝগড়া করেন। দাম্পত্য জীবন দোজখের চেয়েও জঘন্য।
একদিন তারা মন:স্থির করলেন, যাবেন সাইক্লোজিষ্টের কাছে।
সাইক্লোজিষ্ট জিজ্ঞেস করলেন, বলুন আপনাদের প্রবলেমটি কি?
স্বামী স্ত্রী একই সঙ্গে একে অন্যের দোষারোপ করা শুরু করলেন। দুজনের ঝগড়া যখন উত্তুঙ্গে , সাইক্লোজিষ্ট বললেন:
-থামুন, থামুন এবার আপনারা চুপ করুন।
প্রত্যেককে এক ফালি কাগজ আর কলম দিলেন তিনি।
স্ত্রীকে বললেন, আপনার স্বামীর যদি কোন গুণ থাকে এখানে লিখবেন। স্বামীকেও বললেন একই কথা।
এবার স্বামী-স্ত্রী চুপচাপ বসে আছেন। কেউ কিছু লিখছেন না।
সাইক্লোজিষ্ট দুজনের দিকে তাকিয়ে রইলেন অসীম ধৈর্য ধরে।
হঠাৎ স্বামী লিখা শুরু করলেন। তাকে দেখে স্ত্রীও হাতে কলম তুলে নিলেন। দু’মিনিট পর স্বামী কয়েকলাইন লিখে সাইক্লোজিষ্টের হাতে দিলেন।
সাইক্লোজিষ্ট সেটা ফিরিয়ে দিয়ে বললেন :
-আপনি নিজে এটা আপনার বউয়ের হাতে দিন।
বউ লিখাটি পড়া শুরু করলেন।
দু’চোখ দিয়ে কান্না বেরুচ্ছে। এটা কি সত্য যা স্বামী তার সম্বন্ধে লিখেছেন?
এবার বউয়ের লিখা পড়ে স্বামী রুমাল দিয়ে চোখ মুছলেন।
দুজনে একজন আরেকজনকে জড়িয়ে ধরলেন। আস্তে আস্তে ঘর থেকে বের হয়ে গেলেন।
তারা আর কোনদিনও সাইক্লোজিষ্টদের কাছে ফেরেননি।
পাঠক, অন্যের প্রশংসা করবেন। ছোট্ট একটু প্রশংসা যেন হৃদয়ের ক্ষতে মলমের প্রলেপ।
কাউকে যদি প্রশংসা করেন, দেখবেন সে আপনাকে হাজার গুনে ফেরত দিয়েছে।

প্রাচীন মিশরে পাতলা কোমরের মেয়েরদের খুব কদর ছিল। যে মেয়ে যত স্লিম, তাকে তত বেশি আকর্ষণীয় ধরা হত।কিন্তু এসব পাতলা কোমরের ...
29/04/2025

প্রাচীন মিশরে পাতলা কোমরের মেয়েরদের খুব কদর ছিল। যে মেয়ে যত স্লিম, তাকে তত বেশি আকর্ষণীয় ধরা হত।

কিন্তু এসব পাতলা কোমরের মেয়েরা যখন বিয়ে করতো, তখন তারা বেছে বেছে মোটা ভুঁড়িওয়ালা পুরুষদেরই বিয়ে করতো। কারণ সেসময়ে ভাবা হত, ধনীরা গরীবদের চেয়ে ভাল মন্দ খায় । তাই মোটা লোকরা আর্থিকভাবে সচ্ছল ও ধনবান হয়। আবার মাথায় টাকওয়ালা পুরুষদের ভাবা হত মহাজ্ঞানী । তাদেরও বেশ কদর ছিল। তখন দেখা যেত, অনেক পুরুষই কৃত্রিমভাবে মোটা হওয়ার চেষ্টা করত।

কিন্তু মধ্যযুগে এসে চিকন মেয়েদের চেয়ে মোটা মেয়েদের কদর খুব বেড়ে যায়। কারণ মোটা মেয়েদের ধনী-অভিজাত পরিবারের ভাবা হত। একগাদা দা'সী থাকার কারণে তাদের কোন কাজই করতে হত না। ফলে কাজ না করার জন্য মোটা হয়ে যেত, সেটাই ছিল আভিজাত্যের প্রতীক।

আসলে সৌন্দর্যের সংজ্ঞা যুগ ভেদে একেক রকম।

আজ সারা বিশ্বে প্রচার করা হচ্ছে মেয়েদের জন্য ফর্সা মানেই সুন্দর, জিরো ফিগার মানেই আকর্ষণীয়। এই জন্য দু'বেলা হাফ প্লেট ভাত খেয়ে দুর্বল শরীর নিয়ে হলেও ফিগার জিরো মেইনটেইন করায় ব্যস্ত সবাই।

অথচ আগের যুগে জিরো ফিগারের মেয়ে দেখলে লোকে নির্ঘাত ভাবতো, মেয়েটা নিশ্চয় কা'ঙ্গাল পরিবারের। না খেতে পেয়ে এমন শুকিয়ে গেছে।

এগুলো আসলে কিছুই না। সবই কর্পোরেট ব্যবসা। মোটা বা চিকন, কালো বা ফর্সা- কোনটা ফ্যাশন এটা নির্ধারণ করে কর্পোরেট ব্যবসায়ীরা। তারাই তাদের প্রয়োজনে বিভিন্ন সময়ে সৌন্দর্যের বিভিন্ন সংজ্ঞা দেয়, আর আমরা সেই অনুযায়ী সুন্দর হওয়ার জন্য ঝাঁপিয়ে পড়ি। আমাদের শরীর নিয়ে হীনমন্যতায় ভুগতে শেখায় তাড়া। যেন তাদের পণ্য আমরা ব্যাবহার করি।

ফোর্বস ম্যগাজিন অনুযায়ী বিশ্বে প্রতিবছর কসমেটিক ব্যবসা হয় প্রায় ২৭০ বিলিয়ন ডলার।

সৌন্দর্যের বিষয় নিয়ে মাথা ঘামায় সাধারণত দুই ধরনের মানুষ।

১. কর্পোরেট ব্যবসায়ীরা, ব্যবসায়িক স্বার্থে।

২. যাদের নিজস্ব কোন যোগ্যতা নেই, তাই সৌন্দর্যকেই এরা যোগ্যতা মনে করে।

তবে, আমার কাছে যদি সৌন্দর্যের সংজ্ঞা চাওয়া হয়, তবে আমি বলব "যোগ্যতাই মানুষের আসল সৌন্দর্য"।

এরপরেও যারা নিজেদের সুন্দর ভাবে না, নিজেকে নিয়ে যারা হতাশ। তারা নিজের সৌন্দর্য বাড়ানোর চেষ্টা বাদ দিয়ে যোগ্যতা বাড়ানোর চেষ্টা করা উচিত। যোগ্য মানুষ দেখতে যেমনি হোক না কেন, তাদের দেখতে কিন্তু সুন্দরই লাগে।

মনে রাখবেন, সৌন্দর্য কোন যোগ্যতা নয় বরং যোগ্যতাই সৌন্দর্য!

ওপেনিং ডে গুলোতে সকালে আমি আগে গোসলে যাই, তারপর যান "উনি" মানে আমার কর্তা আজ হঠাৎ বাথরুমের দরজা দিয়ে উঁকি মেরে জিজ্ঞেস ক...
22/04/2025

ওপেনিং ডে গুলোতে সকালে আমি আগে গোসলে যাই, তারপর যান "উনি" মানে আমার কর্তা আজ হঠাৎ বাথরুমের দরজা দিয়ে উঁকি মেরে জিজ্ঞেস করলেন,

"তুমি কোনওদিন সাবান মাখো না?"

আমি অবাক হয়ে -- 'মানে?'

উনি -- না, কোনোদিন সাবানটা ভিজা থাকে না, তাই...

আমি -- ঐ সাবানটা মাখি না। ওই গোলাপী মতো বোতল'টা আছে, ওইটা মাখি।

উনি আশ্চর্যান্বিত গলায় -- "ওটা শ্যাম্পু নয়?"

আমি -- 'না, ওটা বডিওয়াশ। তুমি কি শ্যাম্পু ভেবে মেখেছো?'

উনি কিঞ্চিৎ চিন্তিত হয়ে -- "ঠিক খেয়াল পড়ছে না, সাদা বোতল'টা শ্যাম্পু আর লাল'টা?"

আমি -- 'ওটা কণ্ডিশনার।'

কৌতুহলী উনি -"আর সবুজ, জেলি জেলি মতো, ওটা??"

আমি উত্তরে বলি -- 'ওটা ফেসওয়াশ।'

উনি আরও বেশি কৌতুহলী -- "তাহলে দানা দানা, খসখসে মতোটা, ওটা কি??"

আমি বিরক্ত হয়ে -- 'ওটা ফেস স্ক্রাবার।'

আমার উনি জবাব দেন -- "স্ক্রাবার তো টিউবের মতো'টায় লেখা।"

আমি হতাশ হয়ে -- 'ওটা বডি স্ক্রাবার!'

উনি কৈফিয়ত তলব করার ভঙ্গিতে -- "আর চ্যাপ্টা মত কৌটোটায়??"

আমি -- 'ওটা হেয়ার প্যাক।'

স্বামী জেরা করার সুরে -- "তাহলে এইটা (বাথরুমের দরজা দিয়ে হাত বাইরে বের করে)??"

আমি হাঁপিয়ে ওঠা গলায় -- 'হেয়ার সিরাম!'

অবাক উনি -- "কি রাম??"

আমি চেঁচিয়ে -- 'রাম নয় রে বাবা.....সিরাম, সিরআআআআম!!'

এবার উনি ঠাণ্ডা গলায় প্রশ্ন করেন -- "আর অয়েল-ইন-ক্রিম লেখা'টা কোথায় মাখো?"

এবার ধৈর্য্যের বাঁধ ভাঙা আমি চিৎকার করে উঠি --
'আমার যেখানে খুশি মাখি, রান্না করি ঐ তেল দিয়ে, হয়েছে? লাগবে তোমার?? গাড়িতে ঢালবে?? অ্যাঁ??
সক্কাল সক্কাল বাথরুমটা লণ্ডভণ্ড করছে লোকটা....আমি এবার পাগল হয়ে যাবো.....!!'

এবারে আমাকে উনি আস্বস্ত করার ভঙ্গিতে -- "আচ্ছা, আচ্ছা, বাদ দাও, আমারও মাথা গুলিয়ে গেছে।
বলছি, তাহলে সাবান'টা দিয়ে কিছুই করো না?
মানে কিছুই করো না আর কি??"

এরপর যদি এই জলের মতো সরল, ফুলের মতো কোমল মেয়েটা রেগে যায়.....তাহলে আমায় দোষ দিও না...
😏
#𝑪𝒐𝒍𝒍𝒆𝒄𝒕𝒆𝒅

পুলিশে চাকুরির ইন্টারভিউ হচ্ছে। গম্ভীর মুখে বসে অপেক্ষা করছেন তিন পরীক্ষক। প্রথম যে ব্যক্তি এলেন তাকে সহজ একটি প্রশ্ন কর...
22/04/2025

পুলিশে চাকুরির ইন্টারভিউ হচ্ছে। গম্ভীর মুখে বসে অপেক্ষা করছেন তিন পরীক্ষক। প্রথম যে ব্যক্তি এলেন তাকে সহজ একটি প্রশ্ন করে সাক্ষাৎকার শুরু করতে চাইলেন প্রথম অফিসারঃ ধরো, তুমি বাজারে গেলে আপেল কিনতে। এক কেজি আপেলের দাম একশো টাকা হলে তুমি একশ গ্রাম আপেলের দাম কত দেবে..?

শুনে সহাস্য ভঙ্গিতে চাকরিপ্রার্থী বললো,স্যার একশ গ্রাম আপেল যদি টাকা দিয়ে কিনতে হয় তাহলে পুলিশের চাকরি করবো কি করতে..?

অফিসার মজা পেলেন উত্তর শুনে। এবার দ্বিতীয় অফিসার বললেন, যদি তোমার বাবা কিনতে যান..?

- আমার বাবার দাঁত নেই। শুধু কলা খেতে পারেন, আপেল দিয়ে কি করবেন..?

এবার তৃতীয় অফিসার জিজ্ঞাসা করলেন, আচ্ছা যদি তোমার ভাই কিনতে যায়..?

- স্যার, আমার ভাই যদি ১০০ গ্রাম আপেল কেনে তাহলে অযথা ১ কেজির দাম জিজ্ঞেস করবে কেন..? ১০০ গ্রাম-এরই দাম জিজ্ঞেস করবে।

মরিয়া হয়ে ওই অফিসার জানতে চাইলেন - যদি সাধারণ কেউ কেনে..?

- স্যার, সাধারণ মানুষের কি আপেল কেনার সাধ্য আছে..? কিনলে পয়সাওয়ালা কেউ কিনবে।

এবার দ্বিতীয় অফিসার জিজ্ঞাসা করলেন,আচ্ছা যদি পয়সাওয়ালা কেউ কেনে..? তাহলে..?

- স্যার, পয়সাওয়ালা কেউ যদি কেনে সে কি আর একশো গ্রাম কিনবে..? সে কম করে হলেও দুই কেজি কিনবে।

এবার বেশ বিরক্ত হয়ে প্রথম অফিসার জিজ্ঞেস করলেন,

সামান্য আপেল নিয়ে তুমি এত কথা কেন বলছ..?

এবার প্রার্থী উত্তেজিত হয়ে বললো –

- স্যার ! আপেল মোটেই সামান্য কোনো ফল নয়। চারটে আপেল পৃথিবী বিখ্যাত। প্রথমত একটা আপেল আদম খেয়েছে বলে আমাদের এই দুনিয়ায় আসতে হয়েছে। নইলে আমরা থাকতাম বেহেশতে ।

দ্বিতীয় আপেল হলো, নিউটনের আপেল। সেদিন নিউটনের মাথায় আপেল না পড়লে এই মহাকর্ষতত্ত্ব- অভিকর্ষতত্ত্ব পড়ে ব্রেইন নষ্ট করতে হতো না।

তৃতীয় আপেল হলো, স্টিভ জোবসের কামড়ানো আপেল। আইফোন,আইপ্যাড এইসব যন্ত্রনা ওই আপেলেরই জন্য।

আর চতুর্থ আপেল হলো,আজকের আপেল যা আমার চাকুরি হওয়া বা না হওয়ার কারণ। এরপরও কি আপনারা আপেলকে সামান্য ফল বলবেন..?

তিন অফিসার (সমস্বরে) – না,না..! সামান্য নয়,অসামান্য..! তবে তোমার চাকুরি পাঁক্কা। তুমি নিশ্চিন্তে যাও।

10/04/2025

জীবনে দুটো অভ্যাস গড়ে তুলুন!
অন্যকে সাহায্য করা,
কারো ক্ষতি না করা.!

08/04/2025

*উচ্চ শিক্ষিত অবিবাহিত নারী ভয়ংকর:——
৭৫% উচ্চ শিক্ষিত মেয়ে ২৭ থেকে ৩০ বয়সেও বিয়েহীন। ক্যারিয়ার গড়তে গিয়ে এরা এমন এক সংকট তৈরী করেছে যে আগামী ৫ বছরে লাখ লাখ মেয়ে বিয়েহীন থাকবে৷

আর মানানসই পাত্রস্থ করতে না পেরে, ক্যারিয়ার গড়তে না পেরে এদের অধিকাংশ দাম্পত্য জীবনে বিষাক্ত থেকে যাবে।

তাদের যৌবনের চাহিদা, আবেগ,ভালোবাসা হারানোর ফলে স্বামীর মন জয় করার পরিবর্তে স্বামীর প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েই সংসারে দরকষাকষি করবে৷ আর স্বামীও তাদের মাঝে আনুগত্য, কোমলত্ব,নারীত্ব না পেয়ে অসহ্য হয়ে উঠবে। তখন এই সংসার টিকানো অসম্ভব। কারণ তার স্ত্রী টা ৩০ টা বছর পুরুষের ফিতরাতে টেক্কা দিয়ে সে নিজেই পুরুষে বিবর্তিত হয়ে গেছে। তার আস্ত দেহটাই নারীর বৈশিষ্ট্য হলেও সে মানসিক ভাবে পুরুষ।

স্বামী তাকে দৈহিক ভাবে নারী পেলেও সে মেন্টাল ভাবে পুরুষ। আর পুরুষের মতই তার স্ত্রী অনুভূতিহীন। সে স্বামীকে প্রেমের জগতে নয় ভোগবাদের জগতেই দেখতে চায়।

সামনে এমন একটা দিন আসতে যাচ্ছে যেখানে মেয়েরা আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে যৌবন থেকে যেমন বঞ্চিত হবে। বঞ্চিত হবে সংসার থেকেও। বঞ্চিত হবে আখিরাতের মুক্তি থেকেও।

এরা একটা পর্যায়ে কট্টর নারীবাদী হয়েই দুনিয়া ত্যাগ করবে। আর এই পুঁজিবাদী সমাজের আড়ালেই দা''জ্জা'''ল তার সিংহভাগ নারী অনুসারী তৈরী করতে সক্ষম হয়েছে।

এই ভোগান্তি অভিভাবক দুনিয়াতে যেমন পাবে। আখিরাতেও লাঞ্চিত হয়ে জা''হা''ন্না''মে যাবে৷

এটাই শেষ জামানার ভয়াবহ অন্ধকারের ফি'''তনা ।।।

08/04/2025

প্রাচীন কথা নতুন ক’রে এই পৃথিবীর অনন্ত বোনভায়ে
ভাবছে একা-একা ব’সে
যুদ্ধ রক্ত রিরংসা ভয় কলরোলের ফাঁকেঃ
আমাদের এই আকাশ সাগর আঁধার আলোয় আজ
যে-দোর কঠিন; নেই মনে হয়; সে-দ্বার খুলে দিয়ে
যেতে হবে আবার আলোয় অসার আলোর ব্যসন ছাড়িয়ে।

08/04/2025

" অস্কার ওয়াইল্ড লিখেছিলেন- ম্যারেজ ইজ এ পারমানেন্ট ডিসএগ্রিমেন্ট,,,,মানে স্থায়ী একটা মতের অমিল।

স্বামী আর স্ত্রীর মতের মিল হলে, বিবাহিত জীবনের সমস্ত স্বাদই চলে গেল।
সেই দাম্পত্য জীবন আলুনি তরকারির মতো। চিনি আর দুধ ছাড়া চায়ের মতো। লেজ- কাটা বেড়ালের মতো। গোঁফ - কামানো বাঘের মতো। শব্দহীন ঝরনার মতো। নিঃশব্দ হাটের মতো। ফ্যাঁস আর ফোঁস এই হল দাম্পত্য জীবন।
আমি ফ্যাঁস করব, তিনি ফোঁস করবেন। লাগাতার খিচিমিচিরের নাম বিয়ে। কি বড়, কি ছোট জীবনের যে- কোন ব্যাপারে দুজনের দুরকম মত।
কোন বিশ্বসংস্থার ক্ষমতা নেই সেখানে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার। "

‌------সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

একদা, এক দরিদ্র কিন্তু জ্ঞানী কৃষক তার পুত্রকে সঙ্গে নিয়ে কঠোর পরিশ্রম করে জমি চাষ করত। একদিন তার পুত্র দুঃখের সঙ্গে বল...
08/04/2025

একদা, এক দরিদ্র কিন্তু জ্ঞানী কৃষক তার পুত্রকে সঙ্গে নিয়ে কঠোর পরিশ্রম করে জমি চাষ করত। একদিন তার পুত্র দুঃখের সঙ্গে বলল,
"বাবা, কী দুর্ভাগ্য! আমাদের ঘোড়াটি পালিয়ে গেছে!"

বৃদ্ধ বাবা মৃদু হেসে বললেন,
"তুমি একে দুর্ভাগ্য বলছ কেন? সময়ের অপেক্ষা করো, দেখো ভবিষ্যতে কী ঘটে!"

কয়েক দিন পর, পালিয়ে যাওয়া ঘোড়াটি ফিরে এলো, আর তার সঙ্গে একটি নতুন ঘোড়াও এল। ছেলেটি আনন্দে উৎফুল্ল হয়ে বলল,
"বাবা, কী ভাগ্য! আমাদের ঘোড়া একটি নতুন ঘোড়া নিয়ে এসেছে!"

কিন্তু জ্ঞানী বৃদ্ধ শান্তভাবে বললেন,
"তুমি একে সৌভাগ্য বলছ কেন? সময়ের অপেক্ষা করো, দেখো ভবিষ্যতে কী ঘটে!"

কয়েক দিন পর, ছেলেটি নতুন ঘোড়ায় চড়তে গিয়ে পড়ে গেল। ঘোড়াটি তখনও অভ্যস্ত ছিল না, ফলে সে রেগে গিয়ে ছেলেটিকে ছুঁড়ে ফেলে দিল। এতে ছেলেটির পা ভেঙে গেল। ব্যথায় কাতর হয়ে সে বলল,
"বাবা, কী দুর্ভাগ্য! আমার পা ভেঙে গেছে!"

বৃদ্ধ এবারও শান্তভাবে বললেন,
"তুমি একে দুর্ভাগ্য বলছ কেন? সময়ের অপেক্ষা করো, দেখো ভবিষ্যতে কী ঘটে!"

ছেলেটি বাবার এই কথায় খুব একটা আশ্বস্ত হতে পারল না। সে ব্যথায় শয্যাশায়ী হয়ে কেবল অভিযোগ করতে লাগল।

কয়েক দিন পর, রাজ্যের সেনারা গ্রামে এলো। তারা তরুণ যুবকদের জোরপূর্বক যুদ্ধের জন্য সৈন্য হিসাবে নিয়ে যাচ্ছিল। তারা যখন বৃদ্ধ কৃষকের ঘরে এল, তখন ছেলেটির ভাঙা পা দেখে তাকে ছেড়ে চলে গেল।

এবার ছেলেটি বুঝতে পারল, জীবনের কোনো ঘটনাকে তৎক্ষণাৎ ভালো বা খারাপ বলে ধরে নেওয়া উচিত নয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে যা দুর্ভাগ্য মনে হয়, তা সৌভাগ্যে পরিণত হতে পারে, আবার যা সৌভাগ্য মনে হয়, তা দুর্ভাগ্যও হতে পারে।

উপদেশ:
ভাগ্য বা দুর্ভাগ্য বলতে কিছুই নেই, সময়ই ঠিক করে দেয়

07/04/2025

প্রতিবাদের নামে ভাংচু*র কিংবা লু*টপাট কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ব*য়কটের প্রকৃত অর্থ হলো— আমরা তাদের পন্য কেনা ও সেবা গ্রহণ করা থেকে পুরোপুরি বিরত থাকবো।

আবার অনেককে দেখা যাচ্ছে— তাদের পণ্য কিনে নষ্ট করছে। এটাও সঠিক পদ্ধতি নয়। এতেও তো তাদের পণ্য কেনা হচ্ছে, তাদের বিক্রি ঠিকই হচ্ছে। এবং এভাবে পণ্য কিনে নষ্ট করা, এটা অপচয়।

এছাড়া কিছু লোককে দেখছি— যারা ব*য়কট লিস্টে থাকা কিছু কোম্পানিকে ই*সরায়েলি বলতে নারাজ। আপনাদের ক্লিয়ার করে একটা কথা বলছি— ব*য়কট লিস্টে থাকা সকল কোম্পানি ই*সরায়েলি মালিকানাধীন কোম্পানি নয়, তবুও (Boycott, Divestment and Sanctions - BDS) ব*য়কট লিস্টে এসব কোম্পানিকে রাখার কারণ হলো– এসব কোম্পানি ই*সরায়েলি সেনাবাহিনীকে অর্থায়ন ও সহযোগিতা করে।

সবমিলিয়ে সবাইকে আহবান করবো— আমাদের দেশীয় কোম্পানির পণ্য কিনুন, এতে আমাদের দেশেরই লাভ।

যেহেতু আমরা সরাসরি ফি*লিস্তিনি মাজলুম মুসলমানদের পাশে দাঁড়াতে পারছি না, তাই অন্তত ই*সরায়েলি পণ্য ব*য়কট করে হলেও তাদের পাশে দাঁড়াই।

লেখা : মাহমুদুল হাছান

Address

Motijheel
Dhaka
1000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tusar posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share