18/10/2025
★★★ #কলোনীতে_ফিঞ্চ_পালন ★★★
লেখাটি দুই অংশে বিভক্ত। প্রথম অংশে আছে কলোনীর সু্বিধা এবং অসুবিধা গুলির কথা। এখান থেকে আপনি সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন কলোনী করবেন নাকি করবেন না। যদি করার সিদ্ধান্ত নিয়েই ফেলেন সেক্ষেত্রে করণীয় কি সেটা দ্বিতীয় অংশে আছে।
ংশ
#কলোনীর_সুবিধা :
১। কলোনীর সবচাইতে বড় সুবিধা হল অজস্র সময় বেঁচে যাওয়া। যদি আপনার ১০ জোড়া পাখি আলাদা আলাদা খাঁচায় থাকে, তাহলে ১০ টা জায়গায় প্রতিদিন খাবার-পানি দিতে, ট্রে পরিষ্কার করতে যে সময় লাগবে সেই তুলনায় কলোনীতে এক জায়গায় কাজ করতে সময় অনেক কম লাগে।
২। কলোনীর সবচেয়ে বড় উপকারিতা হল বড় জায়গা হওয়ায় পাখি প্রচুর পরিমাণে ওড়াউড়ি করতে পারে আর পাখির সুস্বাস্থ্যের ওপর পর্যাপ্ত ওড়াউড়ির প্রভাব অপরিসীম। কলোনীতে ডানা মেলে মন ভরে পাখিকে উড়তে দেখে যে শান্তিটা পাবেন তা ছোট ছোট খাঁচায় পাখি রেখে কখনও পাওয়া সম্ভব না।
৩। আলাদা আলাদা খাঁচার তুলনায় জায়গা অনেক কম লাগে। প্রত্যেকটা পাখিই সমপরিমাণে আলো-বাতাস পায়।
৪। একটু কম বয়স্ক এক ঝাঁক পাখি একসাথে ছাড়লে পাখিরা তাদের পছন্দমত সঙ্গী বেছে নিতে পারে, ফলে বন্ডিং টা বেশি দৃঢ় হয়। পেয়ারিং এর রেজাল্ট ভাল আসে।
৫। আলাদা খাঁচার সেটাপের তুলনায় খরচ কম।
৬। ঠিকমত সাজাতে পারলে দেখতেও কেজ সেটাপের থেকে অনেক অনেক বেশি সুন্দর লাগে।
#কলোনীর_অসুবিধা :
১। কলোনীর সবচেয়ে বড় সমস্যা হল মারামারি। বিশেষ করে মেয়ে পাখিদের মধ্যে ঝগড়া বেশি লাগে এবং একবার মারামারি বাঁধলে একজন মারা না যাওয়া পর্যন্ত থামতেই চায় না। প্যারাকিট গোত্রের পাখিরা এই সমস্যাটা বেশি করে। ফিঞ্চের ক্ষেত্রে প্রজাতি ভেদে এমন আচরণ দেখা যায়।
২। ব্রিডিং এর রেজাল্ট অনেকক্ষেত্রে আশানুরূপ আসেনা বিভিন্ন রকমের সমস্যার জন্য, যেমন - একজনের ঘরে অন্যজন ঢুকে ডিম ভেঙ্গে ফেলতে পারে, বাচ্চাকে আক্রমন করতে পারে, বাচ্চা নিচে ফেলে দিতে পারে। ব্রিডিং এর সময় কিছু পাখির অতিরিক্ত এ্যাগ্রেসন, নিজের একটা এলাকা তৈরীর প্রচেষ্টা বেশি সমস্যার সৃষ্টি করে।
আমরা অনেকে মনে করি কলোনীতে ছাড়লেই পাখির ডিমের সংখ্যা কমে যায় বা বাচ্চা ফোটেনা ঠিকমত, এটা ভুল ধারণা। ব্রিডিং রেজাল্ট খারাপ আসে মূলত ঐসব কারণেই।
৩। মিউটেশন মেনটেইন করে পেয়ার করা সম্ভব হয় না। যারা নির্দিষ্ট মিউটেশন নিয়ে কাজ করতে আগ্রহী তাদের জন্য কলোনী নয়।
৪। কলোনীতে পাখি খুব বেশি হলে অসুস্থ পাখি সহজে শনাক্ত করা যায় না। ফলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থার অভাবে পাখি মারাও যেতে পারে।
৫। কোনো পাখির বাড়তি যত্ন নেওয়া সম্ভব হয়না, বিশেষ করে যেসব পাখি ব্রিডিং এ আছে তাদের ক্ষেত্রে। সফ্ট ফুড বা স্পেশাল কোনো খাবার দিলে অন্যরাই প্রায় সবটা খেয়ে ফেলে। বাচ্চার কোনো সমস্যা হচ্ছে কিনা, প্যারেন্টস ঠিকমত নিজেদের কাজ করছে কিনা তা নিয়মিত মনিটরিং করা সম্ভব হয়না।
তাই বলে কি কলোনী করবেন না? অবশ্যই করবেন, কিন্ত কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় স্টেপ বাই স্টেপ ফলো করে। যাতে করে এই অসুবিধা গুলি যথাসম্ভব কমিয়ে আনা যায়। কি সেগুলি?
★★ ংশ ★★
যদি আপনি ফিঞ্চের কলোনী করার সিদ্ধান্ত নিয়েই ফেলেন, সেক্ষেত্রে করণীয় কি?
একটি আদর্শ ফিঞ্চ কলোনী তৈরী করার জন্য সবার প্রথমে যেটা করতে হবে সেটা হল :
#সঠিক_জাতের_ফিঞ্চ_নির্বাচন :
ফিঞ্চের বহু প্রজাতি আছে এবং বৈশিষ্টের দিক থেকেও এরা একে অপরের থেকে আলাদা। সব ফিঞ্চ কলোনীতে রাখার জন্য সুইটেবল না। আবার সব প্রজাতির ডিমান্ড গুলিও এক নয়।
আলোচনার সুবিধার্থে আমরা ফিঞ্চের মোটামুটি কমন প্রজাতিগুলিকে চারটি গ্রুপে ভাগ করি :
:
★ Gouldian Finch
★ Star Finch
★ Owl Finch
★ Cordon Bleu Finch
★ Masked Grass Finch
★ Red Throated Parrot Finch
★ Pin Tailed Parrot Finch
★ Blue Faced Parrot Finch
★ Orange Chicked Waxbill
★ ST Helena Waxbill
★ Society Finch
★ Painted Finch
★ Canary
এরা নিজেদের মত থাকতে পছন্দ করে, অন্যদের ব্যাপারে তেমন একটা মাথা ঘামায় না। এজন্য কলোনীতে রাখার জন্য ফিঞ্চের প্রজাতিগুলির মধ্যে সবচেয়ে বেশি সুইটেবল।
:
★ Longtail Finch
★ European Gold Finch
★ Lavender Waxbill
★ Purple Grenadier
★ Pin tailed Wydah
★ Paradise Wydah
এরা অন্যদের ব্যাপারে টুকটাক মাথা ঘামায়, কলোনীতে পালার জন্য মোটামুটি বলা চলে।
আগের গুলা যদি ১০ এ ১০ হয়, এরা পাবে ১০ এ ৭।
:
★ Diamond Firetail Finch
★ Cut Throat Finch
★ Melba Finch
★ Saffron Finch
★ Bishop Finch
★ Java Sparrow
কলোনীতে পালাটা বেশ রিস্কি, বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা এবং খুব বড় এলাকা জুড়ে কলোনী নির্মাণ আবশ্যক । বিশেষ করে ব্রিডিং টাইমে খুব এ্যাগ্রেসিভ হয়ে যায়। ১০ এ ৩ দেওয়া যায়।
★ জেব্রা ফিঞ্চকে কেউ Group B তে রাখেন, কেউ কেউ Group C তে, দুই গ্রুপের মাঝামাঝিও ধরে নিতে পারেন।
:
★ Crimson Finch
★ Parson Finch
★ Cuban Finch
★ Bluebill Finch
★ Peter's Twinspot
★ Seed Cracker
★ Violet Eared Waxbill ইত্যাদি।
এদেরকে কলোনীতে পালার জন্য কনসিডারই করা হয়না। ব্রিডিং এর সময় সীমাছাড়া এ্যাগ্রেসিভ হয়ে যায়, এমনকি মারামারি করতে করতে একজন আরেকজনকে মেরেও ফেলে।
এবার কিছু লক্ষণীয় বিষয় যেগুলির ওপর আপনার কলোনীর সফলতা অনেকাংশেই নির্ভর করবে :
★ কলোনী ইনডোর (বাড়ির ভিতরে) বা আউটডোর (বাড়ির বাইরে) দুইরকমই হতে পারে। পাখির সুরক্ষা, পর্যাপ্ত স্পেস, দিনে যেন অন্তত ১ ঘন্টা রোদ আসে, সহজে পরিষ্কার করা যায়, নিয়মিত পর্যবেক্ষণে রাখতে পারেন ইত্যাদি বিষয় গুলো বিবেচনায় নিয়ে জায়গা নির্বাচন করবেন।
★ কলোনী যেখানেই বানান, প্রতিজোড়া পাখির জন্য ফ্লোরের মিনিমাম ৩ বর্গফুট জায়গা ধরে রাখতে হবে। কি অবাক লাগছে? এইটুকু এইটুকু পাখি এত জায়গা দিয়ে কি করবে তাই না? এই মেন্টালিটিই আমাদের কলোনীতে ব্যর্থ হওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ। পাখি ছোট হোক বা বড়, একটা পার্সোনাল স্পেস, একটা নিজস্ব এলাকা বা বিচরণক্ষেত্র তারা সবাই চায়। যখন সেটা পায়না, খাঁচার জনসংখ্যা অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং তারা ডিসকমফোর্ট ফিল করতে শুরু করে। মারামারির সমস্যা কলোনীতে বেশি হওয়ার প্রধান কারণ এটাই।
★ কলোনীতে গাছাপালার গুরুত্ব অপরিসীম। এটা পাখিকে প্রাকৃতিক পরিবেশের ছোঁয়া যেমন এনে দেয় তেমনি কলোনীর সৌন্দর্য বাড়িয়ে দেয় কয়েকগুণ। তাছাড়া গাছাপালা থাকা মানেই লুকানোর মোক্ষম জায়গা, ফলে পাখি নিজেকে অনেক সুরক্ষিত মনে করে এবং এ্যাগ্রেসনের পরিমাণও অনেকটা কমে আসে। সর্বোপরি পাখি মানসিক ভাবে অনেক সন্তষ্ট থাকে। যদি নিয়মিত পানি দেওয়া এবং সঠিক পরিচর্যা সম্ভব হয় তাহলে তো অবশ্যই আসল গাছই বেস্ট অপশন। যদি সম্ভব না হয়, বিশেষ করে ইনডোর এ্যাভিয়ারি আর্টিফিশিয়াল প্লান্ট দিয়েই অনেক সুন্দর করে সাজানো যায়।
★ বসার ডাল অবশ্যই সলিড কাঠের হতে হবে এবং সংখ্যায় অনেক হতে হবে। পাখিদের টার্গেট সবসময় সর্বোচ্চ পার্চে থাকে এজন্য সবচেয়ে বেশি উচ্চতায় একই লেভেলে অধিক সংখ্যক পার্চ দিতে হবে যেন সবচেয়ে উঁচু জায়গাটা নিয়ে প্রতিযোগিতা না হয়।
★ একাধিক খাবার এবং পানির পাত্র থাকতে হবে, সবসময় পর্যাপ্ত খাবারের সরবরাহ থাকতে হবে যেন খাবার নিয়ে প্রতিযোগিতার প্রয়োজন না পড়ে।
★ সফ্ট ফুড প্রচুর পরিমাণে দিতে হবে যেন সবাই খেতে পারে এবং যারা ব্রিডিং এ আছে তারা বঞ্চিত না হয়।
★ কলোনীতে ঢুকে খাবার দেওয়া, পরিষ্কার করা, নেস্ট বক্স চেক করা এসব কাজ প্রতিদিন একটা নির্দিষ্ট সময়ে করতে হবে। এতে করে পাখি আপনার দৈনন্দিন এ্যাকটিভিটির সাথে অভ্যস্ত হয়ে যাবে, ভয় পাবে না।
★★★ কলোনীতে আপনি কতটুকু সফল হবেন তার অনেকটাই নির্ভর করে আপনি পাখির এ্যাগ্রেসন কতটা নিয়ন্ত্রণ করতে পারছেন তার ওপর। পাখির এ্যাগ্রেসন নিয়ন্ত্রণে কিছু টিপ্স :
- কোনোমতেই খাঁচায় যেন জনসংখ্যা অতিরিক্ত না হয়
- পাখি লুকানোর জন্য পর্যাপ্ত জায়গা পায়
- সর্বোচ্চ উচ্চতায় পার্চ যেন সংখ্যায় অনেক এবং একই লেভেলে থাকে
- বিভিন্ন জায়গায় পর্যাপ্ত সংখ্যক খাবার ও পানির পাত্র থাকতে হবে
- মিনিমাম ৬ টা ফিঞ্চ নিয়ে কলোনী করা ভাল
- ব্রিডিং এর সময় নেস্ট বক্স প্রয়োজনের তুলনায় কয়েকটা বেশি দিতে হবে এবং অবশ্যই বিপুল পরিমাণ নেস্টিং ম্যাটেরিয়ালের সরবরাহ রাখতে হবে। বক্স গুলি একটা আরেকটা থেকে যথাসম্ভব দূরে সেট করতে হবে
- বিনা কারণে খাঁচায় নেস্ট বক্স বা নেস্টিং ম্যাটেরিয়াল টাইপের কিছু দিয়ে রাখবেন না, এটা মারামারিকে উদ্বুদ্ধ করে।
- অনেক সময় দেখা যায় একটা পাখিই সবার পিছনে লেগে কলোনীর পরিবেশ নষ্ট করছে। এমন পাখি শনাক্ত করে আলাদা করে ফেলতে হবে। দুর্বল বা অসুস্থ পাখি সরিয়ে ফেলতে হবে।
- বিভিন্ন জায়গা থেকে কালেক্ট না করে একই এ্যাভিয়ারি থেকে কমবয়সী পাখি সংগ্রহ করলে ভাল হয়। চেষ্টা করতে হবে ছেলে ও মেয়ে পাখির সংখ্যা সমান রাখার। সবাইকে একসাথে কলোনীতে ছাড়তে হবে এবং এরপরে আর কোনো পাখি যোগ/বিয়োগ করা যাবেনা। একান্তই যদি করতে হয় আগে সব পাখিকে খাঁচা থেকে সরাতে হবে, খাঁচার পার্চগুলি এবং অন্যান্য বিষয়বস্তু রিএ্যারেন্জ করে সাজাতে হবে। যেন সেটাপ টা নতুন/ভিন্ন মনে হয়। এরপর পুরানো ও নতুন পাখিসহ সবাইকে একসাথে সেই নতুন সেটাপে ছাড়তে হবে। তারপরও খেয়াল রাখতে হবে পুরানো পাখিরা নতুনদের একসেপ্ট করছে কি না।
★★ এছাড়া পাখি সিলেকশনের সময় কয়েকটা বিষয় লক্ষ্য রাখবেন :
- গোল্ডিয়ান ফিঞ্চের কলোনীতে শুধুমাত্র গোল্ডিয়ান রাখাই ভাল কারণ এরা সাইজে অন্য অনেক ফিঞ্চের তুলনায় একটু বড়। অন্য জাতের ফিঞ্চের ওপর অনেক সময় প্রভাব খাটাতে চায়, পানি খাবার বা অন্য কোনো কিছুর ভাগ দিতে চায় না।
- স্টার ফিঞ্চের কলোনীতেও শুধুমাত্র স্টার ফিঞ্চ রাখা বেটার। এদের অন্যের নেস্ট বক্স থেকে নেস্টিং ম্যাটেরিয়াল চুরি করার স্বভাব আছে এবং গোল্ডিয়ানের মতই অন্য প্রজাতিকে ডমিনেট করতে চায় মাঝে মাঝে।
- সোসাইটি ফিঞ্চ কলোনীতে ব্রিড করানো অনেক ঝামেলা হয়ে যায় অনেক সময় কারণ এরা এতটাই সামাজিক যে সবাই মিলে এক নেস্ট বক্সের মধ্যে ঢুকে বসে থাকে। বাচ্চা পেলেই খাওয়াতে যায় সেটা যার বাচ্চাই হোক। আসল প্যারেন্টস এইটা দেখলে অনেক সময় নিজেরা খাওয়ানো বন্ধ করে দেয়। আবার ওদিকে সোসাইটিও সব বাচ্চার দায়িত্ব নিতে গিয়ে আসল প্যারেন্টসের মত নিয়ম করে খাওয়াতে পারেনা। ফলে বাচ্চা মারা যায়। এজন্য সোসাইটি নিয়ে ব্রিডিং এর সময় অনেক রকম সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। দরকার হলে ব্রিডিং এর সময় আলাদা আলাদা কেজে রেখে ব্রিডিং শেষ হলে আবার কলোনীতে ছাড়তে পারেন।
- কয়েক প্রজাতির ফিঞ্চ নিয়ে মিক্সড এ্যাভিয়ারি বানাতে চাইলে চেষ্টা করবেন এমন প্রজাতি গুলি সিলেক্ট করার যাদের সাইজ খুব কাছাকাছি। যাদেরকে দশে দশ দেওয়া হয়েছে তারাই মিক্সড এ্যাভিয়ারির জন্য বেস্ট, এরপর পর্যায়ক্রমে আসে বাকিরা।
- ফিঞ্চ ছাড়াও প্যারাকিট গোত্রের কোনো পাখি যদি ফিঞ্চের সাথে রাখতে চান সেটা হল নিওফেমা গোত্রের প্যারাকিট যেমন টারকুইজিন, বুরকিজ, স্কারলেট চেস্টেড প্যারাকিট ইত্যাদি। এছাড়া ডায়মন্ড ডাভ সহ প্রায় যেকোনো ধরণের ডাভই রাখা যায় কারণ ঘুঘু খুবই শান্ত স্বভাবের একটা পাখি।
- জেব্রা ফিঞ্চ এবং জাভা এই দুইটার কলোনী করতে চাইলে বড় জায়গার ব্যাপার টা খুব স্ট্রিক্টলি ফলো করতে হবে।
- ক্যানারি খুবই ঠান্ডা একটা পাখি, এজন্য এদের নিয়ে মিক্সড কলোনী করতে চাইলে স্টার ফিঞ্চ, সোসাইটি ফিঞ্চের মত ঠান্ডা প্রজাতির সাথে করতে হবে। জায়গা বড় হলে গোল্ডিয়ান, আউল, প্যারোট ফিঞ্চের ব্যাপারে ভাবা যেতে পারে। এরা এমনকি বাজেরিগারের সাথেও বেশ ভাল মানিয়ে নিতে পারে।
- যেসব ফিঞ্চ একসাথে রাখলে নিজেদের মধ্যে ক্রস করে হাইব্রিড উৎপন্ন করার সম্ভাবনা আছে সেগুলি একসাথে না রাখাই ভাল। যেমন - Red Throated Parrot Finch এবং Blue Faced Parrot Finch.
আবার লংটেইলের সাথে পারসন ফিঞ্চ বা Masked Grass Finch রাখলেও Hybridization হতে পারে। এজন্য এদেরকে আলাদা আলাদা কলোনীতে রাখাই বেটার।
পোস্ট টা বিশাল বড় হয়ে গেছিলো, আপনাদের সুবিধার্থে যথাসম্ভব ছোট রাখার চেষ্টা করেছি। যদি কারোর মনে হয় কোনো টপিক নিয়ে বিস্তারিত পোস্ট হওয়া প্রয়োজন, কমেন্ট বক্সে জানান, অবশ্যই করা হবে। এই পোস্ট সম্পর্কে আপনাদের কোনো মতামত থাকলেও নির্দ্বিধায় জানাতে পারেন কমেন্ট বক্সে।
আশা করি এখন থেকে আমরা নিয়ম মেনে, সঠিক পদ্ধতিতে কলোনী নির্মাণ করতে সমর্থ হবো এবং কলোনী মানেই যে নেগেটিভ কিছু এই বদ্ধমূল ধারণা সকলের মাথা থেকে দূর করতে পারবো।
সহযোগিতায় : Dinar Abdul Hannan ভাই।
❤️❤️
Shanjid Islam Sharod,
The Finch Society of Bangladesh
www.TheFSBD.com