Arpan Foundation, Bangladesh

Arpan Foundation, Bangladesh একটি সম্পূর্ণ অলাভজনক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।

রক্তে অর্জিত বাংলার মাটি,
মানব সেবায় করবো খাঁটি।

“অর্পণ ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ” একটি স্বেচ্ছাসেবী অলাভজনক সমাজসেবামূলক সংগঠন।

দেশের উন্নয়ন, মানুষের সচেতনতা সৃষ্টি ও বিভিন্নমুখী সেবামূলক কাজ করার লক্ষ্যে এ সংগঠনটির জন্ম।
যার প্রতিষ্ঠাতা স্বেচ্ছাসেবক “ইমন চৌধুরী”, “মুজাহিদ রায়হান” এবং”মাহমুদ নোমান”। ইমন, নোমান এবং রায়হানের হাত ধরে এ সংগঠনটির জন্ম। ৮ই নভেম্বর ২০১৫ তারিখে “অর্পণ ব্লাড ফাউন্ডেশন” নামকরণের মাধ্যমে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনটির কার্যক্রম প্রথম

ে অনলাইনে শুরু হয়। পরে তা নানামুখী কার্যক্রমের লক্ষ্য নিয়ে “অর্পণ ফাউন্ডেশন” নামে কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্য স্থির করে।

উল্লেখ্য যে, অর্পণ নামের অর্থ “দান করা” অথবা “বিলিয়ে দেয়া”। নিজেদের মানুষের সেবায় বিলিয়ে দেয়ার ব্রত এবং একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নিয়ে এ সংগঠনটি কাজ শুরু করে।

যার মূল প্রতিপাদ্য : “রক্তে অর্জিত বাংলার মাটি, মানব সেবায় করবো খাঁটি”

আমাদের দেশে এখনও অনেক জায়গায় রক্ত সংরক্ষণের জন্য Domestic বা Coca-Cola টাইপের রেফ্রিজারেটর ব্যবহার করা হয়। কিন্তু এসব ফ্...
21/09/2025

আমাদের দেশে এখনও অনেক জায়গায় রক্ত সংরক্ষণের জন্য Domestic বা Coca-Cola টাইপের রেফ্রিজারেটর ব্যবহার করা হয়। কিন্তু এসব ফ্রিজে যে সেন্সর থাকে তা মূলত cooling coil-এর কাছে বসানো থাকে। ফলে এগুলো আসলে ফ্রিজের ভেতরের বাতাসের তাপমাত্রা প্রদর্শন করে, ব্লাড ব্যাগের আসল তাপমাত্রা নয়।

আবার এই তাপমাত্রা cooling coil-এর কাছে এক রকম হলেও দরজার কাছে অন্য রকম হয়। কারণ দরজা খোলা মাত্রই বাইরের তাপমাত্রার সাথে ফ্রিজের ভেতরের তাপমাত্রা মিশে যায়। তাই ফ্রিজ ৪ ডিগ্রি দেখালেও, দরজার কাছে রাখা ব্যাগের তাপমাত্রা ভিন্ন হতে পারে—এটি একেবারেই স্বাভাবিক ঘটনা।

এসব ফ্রিজে যখন ব্লাড ব্যাগ সংরক্ষণ করা হয় তখন cooling coil-এর কাছে রাখা ব্যাগ ও দরজার কাছে রাখা ব্যাগের তাপমাত্রার মধ্যে পার্থক্য থেকে যায়। এর কারণ হলো—ব্লাড ব্যাগকে নতুন তাপমাত্রার সাথে মানিয়ে নিতে ১৫–২০ মিনিট সময় লাগে। আর এই সময়টাই ব্যাগের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ব্লাড ব্যাগে যে CPDA-1 থাকে, তার মধ্যে—

Citrate ক্যালসিয়ামকে bind করে coagulation cascade বন্ধ রাখে।

Phosphate buffer হিসেবে কাজ করে এবং pH স্বাভাবিক রাখে।

Dextrose RBC-কে শক্তি জোগায়।

আর Adenine RBC-তে ATP বজায় রাখে।

কিন্তু যদি দরজার কাছে রাখা ব্যাগের তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির ওপরে উঠে যায় (যেমন—ব্যাগ খুঁজতে সময় নেওয়া বা বারবার দরজা খোলা-বন্ধ করার কারণে), তখন platelets metabolically active হয়ে glucose খরচ করতে থাকে এবং ধীরে ধীরে pH কমে যায়। এর ফলে coagulation factors সক্রিয় হয়ে fibrinogen থেকে fibrin-এ রূপান্তরিত হয়। তখন ব্যাগের ভেতরে fibrin strands বা clumps দেখা দেয়।

সমস্যাটা কোথায়? একবার fibrin তৈরি হলে তা জীবাণুর জন্য আদর্শ পরিবেশ তৈরি করে। চার ঘণ্টার বেশি সময় ধরে এমন রক্ত দেওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে, কারণ রোগীর জটিলতা দেখা দিতে পারে। আবার clumps তৈরি হলে transfusion-এর সময় রোগীর শরীরে DIC-এর মতো লক্ষণ দেখা দিতে পারে—যেটি ট্রান্সফিউশনের কারণে হয়েছে তা বোঝার উপায় থাকে না। এ কারণেই এমন রক্ত ব্যবহার না করার নিয়ম রয়েছে।

যারা রোগীর পাশে কাজ করেন, বিশেষ করে ওয়ার্ডে, তাদের জন্য খুব জরুরি বিষয় হলো—ব্লাড ব্যাগ হাতে পাওয়ার পর একবার প্লাজমার দিকে ভালো করে তাকানো। যদি সাদা সুতোর মতো fibrin strand বা জমাট বাঁধার কোনো চিহ্ন দেখা যায়, তবে অবশ্যই ব্লাড ব্যাংকের সহযোগিতা নিতে হবে।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে—আমাদের দেশে অনেক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে blood bank refrigerator কিনতে পারে না। কারণ এগুলো দেশের বাইরে থেকে আনতে হয়। যদি দেশে উৎপাদন করা যেত, তবে সহজলভ্য হতো। তবুও সমাধান সম্ভব—এসব সংগঠন চাইলে সরকারি ব্লাড ব্যাংকের ফ্রিজ ব্যবহার করতে পারে একটি পৃথক ডাটাবেজের মাধ্যমে।

আমার অভিজ্ঞতায় দেখেছি—সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেলের ইমারজেন্সি এবং রুটিন কাজের জন্য ব্যবহৃত রক্তের একটি বড় অংশ আসে এই স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোর মাধ্যমে। তাই সরকার চাইলে তাদের জন্য সরকারি ব্লাড ব্যাংকের ফ্রিজ ব্যবহারের ব্যবস্থা করে দিতে পারে। রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে আবেদন করার সুযোগ থাকলে এবং দেশের যে প্রতিষ্ঠানগুলো এ ধরনের ফ্রিজ তৈরি করতে সক্ষম, তাদের সম্পৃক্ত করলে ভবিষ্যতে দেশেই নিরাপদ রক্ত সংরক্ষণের প্রযুক্তি তৈরি করা সম্ভব হবে।

© ডা: আশরাফুল হক

আজ ২রা নভেম্বর জাতীয় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস।_____________________________________★★★★★★★★★★★★★★★★★আজ আপনাদের ...
02/11/2024

আজ ২রা নভেম্বর জাতীয় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস।
_____________________________________
★★★★★★★★★★★★★★★★★
আজ আপনাদের জানাবো মানবদেহে সর্ব প্রথম কবে রক্ত পরিসঞ্চালন করা হয়েছিল এবং বাংলাদেশে কে সর্ব প্রথম সেচ্ছায় রক্তদান করেছিলেন সেসব ইতিহাস সহ আরো অনেক কিছু।

মানবদেহে প্রথম রক্তদানের সফল প্রয়োগ ঘটানো হয়েছিল ভেড়ার রক্ত দিয়ে। আর তা করেছিলেন ফরাসি বিজ্ঞানী ডাঃ জ্যঁ ব্যাপ্তিস্তে ডেনিস। ১৬৬৭সালে তিনি এক আহত কিশোরের দেহে ১২ আউন্স ভেড়ার রক্ত দিয়ে রক্তদানের সফল সূচনা ঘটান।
এ সালেই ফ্রান্সে মানবদেহে প্রাণীর রক্ত প্রয়োগের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।

পরে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী অস্ট্রিয়ান জীববিজ্ঞানী ও চিকিৎসক কার্ল ল্যান্ডস্টেনার রক্তের গ্রুপ আবিষ্কার করার পর ১৯০২ সালে রক্তদান নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য বলে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। অবশ্য রক্ত নিয়ে বিজ্ঞানিদের চিন্তাভাবনা শুরু আরো অনেক আগে। ১৬১৬ সালে ইংরেজ চিকিৎসক ডা. উইলিয়াম হার্ভের গবেষণার মাধ্যমে মানুষ প্রথম জানতে পারে যে,
মানবদেহের অভ্যন্তরে রক্ত প্রবাহিত হয়। ১৬৫৭ সালে উইলিয়াম হার্ভে আবিষ্কৃত যন্ত্র ব্যবহার করে জন্তুর দেহে ইনজেকশনের মাধ্যমে তরল পদার্থ প্রবেশ করান স্যার ক্রিস্টোফার রেন।

১৬৬৬ সালে ডা. রিচার্ড লোয়ার সফলভাবে প্রথমবারের মতো একটি কুকুরের দেহ থেকে আরেকটি কুকুরের দেহে রক্ত সঞ্চালনের পরীক্ষা চালান। অবশ্য এর পরে পশুর দেহ থেকে মানবদেহে রক্ত পরিসঞ্চালন করতে গিয়ে চিকিৎসকদের হাতে প্রাণ হারান অনেক মানুষ।
১৬৭৮ সালে রক্ত পরিসঞ্চালনের ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা দেন পোপ।

১৮১৮ সালে ডা. জেমস ব্লান্ডেল নামে একজন ইংরেজ ধাত্রীবিদ্যাবিশারদ রক্ত পরিসঞ্চালনের জন্যে একটি যন্ত্র আবিষ্কার করেন যা দিয়ে সফলভাবে একজন সুস্থ মানুষের দেহ থেকে আরেকজন মৃত্যুপথযাত্রী মানুষের দেহে রক্ত পরিসঞ্চালন করে তাকে বাঁচিয়ে তোলা হয়। তিনিই প্রথম বলেন যে, একজন মানুষের শরীরে কেবল আরেকজন মানুষের রক্তই দেয়া যাবে।

১৯০১ সালে ডা. কার্ল ল্যান্ডস্টেনার দেখান, মানুষের রক্তের প্রধানত ৪ টি গ্রুপ রয়েছে, A, B, AB এবং O. প্রথমবারের মতো মানুষ বুঝলো যে, এতোদিন ধরে তাদের ভুলটা ঠিক কোথায় হচ্ছিলো। এরপর ১৯০২ সালে রক্তদান নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য বলে স্বীকৃতি দেওয়া হয় ১৯১৪-১৯১৮ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের এ সময়টায় যুদ্ধাহত হাজার হাজার মানুষকে বাঁচাতে অনেক রক্তের প্রয়োজন হয়েছিলো। আর তখনই মানুষ আবিষ্কার করলো দুটো বিষয়।

এক.
রক্তদাতার শরীর থেকে বের করে নেওয়ার পর ঐ রক্তকে জমাট বাঁধার হাত থেকে রক্ষা করা যায় যদি তাতে সোডিয়াম সাইট্রেট মেশানো হয়।

দুই.
অন্য আরও অনেক জিনিসের মতো রক্তকেও ফ্রিজে রেখে সংরক্ষণ করা যায়। ১৯১৬ সালে প্রথমবারের মতো সফলভাবে সংরক্ষিত রক্তকে আরেকজনের দেহে প্রবেশ করানো হয়। এই ধারণা থেকেই ফ্রান্সে বিশ্বের প্রথম ব্লাড ব্যাংকের সূচনা করেন একজন আমেরিকান সেনা কর্মকর্তা ও মেডিকেল গবেষক অসওয়াল্ড হোপ রবার্টসন।

১৯২১ সালে লন্ডনের কিংস কলেজ হাসপাতালে বৃটিশ রেডক্রসের সদস্যরা সবাই একযোগে রক্ত দেন। সূচিত হয় বিশ্বের প্রথম স্বেচ্ছা রক্তদানের দৃষ্টান্ত। ১৯২৫ সালে রক্ত পরিসঞ্চালন নিয়ে গবেষণার জন্যে মস্কোতে ড. আলেক্সান্ডার বগদানভের নেতৃত্বে একটি ইনস্টিটিউশন প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৩৭ সালে আমেরিকার শিকাগোর কুক কাউন্টি হাসপাতালে বিশ্বের প্রথম ব্লাড ব্যাংক স্থাপিত হয়।

বাংলাদেশে স্বেচ্ছায় রক্তদানের ইতিহাস শুরু হয় ১৯৭২ সালে। দেশের প্রবীণ রক্তসঞ্চালনবিদ প্রফেসর ডা. মুজিবুর রহমানের তত্ত্বাবধানে ১৯৭২ সালের ১০ জুন জাতীয় অধ্যাপক ডা. নুরুল ইসলাম নিজ রক্তদানের মাধ্যমে বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বেচ্ছা রক্তদান কার্যক্রমের সূচনা করেন। ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ রেডক্রস (পরবর্তীতে ১৯৮১ সালে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি) শুরু করে তার ব্লাড ব্যাংক কার্যক্রম।

25/10/2024

"ঢাকার রাজারবাগে" এক ভাইয়ের পায়ের অপারেশনের জন্য আগামীকাল (২৫-১০-২৪) দুপুর ১ টার মধ্যে ২ ব্যাগ "বি পজেটিভ" [B+] রক্তের প্রয়োজন।
আল-বারাকা জেনারেল হসপিটাল, কেবিন- ৫০৫, ফোন- 01819688058 (রোগীর ভাই)

আলহামদুলিল্লাহ। একটা ভালো কাজের অর্ধশতক এর মাইলফলক অতিক্রম করলাম। আজ ১৭/০৯/২৪ ইং তারিখে ফরাজী হাসপাতাল লিমিটেডে একজন ডেঙ...
17/09/2024

আলহামদুলিল্লাহ।
একটা ভালো কাজের অর্ধশতক এর মাইলফলক অতিক্রম করলাম।
আজ ১৭/০৯/২৪ ইং তারিখে ফরাজী হাসপাতাল লিমিটেডে একজন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীকে এপেরেসিস প্লাটিলেট ডোনেট করার মাধ্যমে ৫০ তম রক্তদান সম্পন্ন করলাম (হোলব্লাড-১৭ ও প্লাটিলেট-৩৩)।

এটা আমার Farazy Hospital Ltd. এর ৯ম তম এপেরেসিস ডোনেশন।

মহান আল্লাহ সুস্থ রাখলে ইনশাআল্লাহ খুব দ্রুতই শততম এর দিকে এগিয়ে যাবো। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন আল্লাহ যেনো আমাকে সুস্থ রাখে পরোপকারে সব সময় নিজেকে কাজে লাগাতে পারি।

05/09/2024

"ঢাকার ধানমন্ডি-সংকরে" একজন রক্তস্বল্পতা মায়ের জন্য আজ(০৫-০৯-২৪) রাত ৮ টার মধ্যে ১ ব্যাগ "বি পজেটিভ" [B+] রক্তের প্রয়োজন।
আহম্মেদ মেডিকেল, কেবিন- ৪১৬, ফোন- 01897928140(রোগীর ছেলে)

18/07/2024

সবাই নিচের লেখাটা কপি করে টুইটার এবং ফেসবুকে পোস্ট প্লিজ 🙏😭😭😭😭😭😭

The autocratic government of Bangladesh has shut down the internet. We urgently need to stay connected and safe. 🌐

জীবন বড় বেরং....আমার ছবিতে পাশের যে মানুষটিকে দেখা যাচ্ছে তার এক ছেলে,এক মেয়ে ও স্ত্রীকে নিয়ে সুখের সংসার।কিন্ত হটাৎই তা...
22/11/2023

জীবন বড় বেরং....
আমার ছবিতে পাশের যে মানুষটিকে দেখা যাচ্ছে তার এক ছেলে,এক মেয়ে ও স্ত্রীকে নিয়ে সুখের সংসার।কিন্ত হটাৎই তাদের এ সুখের সংসার ঝড় হাওয়ার বাতাসে দুলছে।কারন মানুষটির গত ১সপ্তাহ হলো ক্যান্সার ধরা পরেছে।রক্তে প্লাটিলেট কমে ৬০০০ নেমে এসেছে।তাকে রক্ত দিয়ে আসলাম।আমরা জন্য নয় এই মানুষটির মত যারা আছেন তাদের জন্য আশির্বাদ/দোয়া করবেন।কারন তারা কারো সন্তান,কারো বাবা,কারো ভাই,কারো স্বামী।তারা যেন সুস্থ হয়ে তাদের পরিবারের কাছে ফিরে যেতে পারে প্রদীপ হয়ে।
#শব্দ_শূন্য

Address

Institute Of Health Technology, Mohakhali
Dhaka
1213

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Arpan Foundation, Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Arpan Foundation, Bangladesh:

Share