Warriors of July

Warriors of July জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত সম্মুখ যোদ্ধাদের সংগঠন Warriors of July এর অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজ।

13/06/2026

ফ্যাসিবাদ বা স্বৈরাচার সব সময় ভয়কে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে। তারা মনে করে, শরীর বা জীবন কেড়ে নিলেই বিদ্রোহ স্তব্ধ হয়ে যাবে। কিন্তু যখন একজন বিপ্লবী এক হাত নিয়েই রাজপথে নামার ঘোষণা দেন, তখন ফ্যাসিবাদের সেই ‘ভয়ের অস্ত্র’ অকেজো হয়ে পড়ে। এটি তাদের জানিয়ে দেয় যে, শারীরিক সীমাবদ্ধতা মানুষের আদর্শকে পরাস্ত করতে পারে না, বরং এটি লড়াইয়ের জেদকে বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।

মোঃ সালমান হোসেন
সভাপতি ,ওরিয়রস অব জুলাই

গত রাতে ক্রিকেটার নাঈম হাসানের সাথে যা ঘটেছে, তা শুনলে শিউরে উঠতে হয়।চট্টগ্রামে নিজের বাড়িতে ফেরার পথে তাকে ডিবি পরিচয...
13/06/2026

গত রাতে ক্রিকেটার নাঈম হাসানের সাথে যা ঘটেছে, তা শুনলে শিউরে উঠতে হয়।

চট্টগ্রামে নিজের বাড়িতে ফেরার পথে তাকে ডিবি পরিচয়ে আ'টক করা হয়, মা'রধর করা হয়, গলা চে'পে ধরা হয় এবং কোনো মামলা না থাকার পরও একপর্যায়ে পুলিশের গাড়িতে নয়, একটি সাধারণ প্রাইভেটকারে তুলে নেওয়া হয় খুলশী থানায়। এমনকি কাউকে জানতেও দেওয়া হয় নি। তুলে নেবার সময় কোনো কথা বা চিৎকার করতে যেনো না করে- তার জন্য হুমকিও দেয়।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি নিজের পরিচয় দিয়েছেন, জাতীয় দলের পরিচয়পত্র দেখিয়েছেন, কিন্তু তাতেও কোনো রেহাই পাননি৷

ভাবুন একবার, একজন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার, যিনি দেশের জার্সি গায়ে মাঠে নামেন, তিনি যদি জনসমক্ষে চিৎকার করে নিজের নিরাপত্তার জন্য মানুষের সাহায্য চান, তাহলে একজন সাধারণ নাগরিকের অসহায়ত্ব কতটা ভয়াবহ হতে পারে!

আরও ভয়ঙ্কর হলো, নাঈমের অ'ভিযোগ অনুযায়ী তিনি আশঙ্কা করেছিলেন তাকে গু'ম করা হতে পারে। তার চিৎকার শুনে স্থানীয় মানুষ এগিয়ে না এলে কী ঘটত, সেই প্রশ্নের উত্তর কেউ জানে না।

একজন ক্রিকেটারের চোখের সেই আ'তঙ্ক শুধু ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার গল্প নয়, এটি আমাদের রাষ্ট্র, আইনশৃঙ্খলা ও নাগরিক নিরাপত্তা নিয়ে বড় একটি প্রশ্নচিহ্ন।
আজ নাঈম হাসান ছিলেন। কাল কে?

-ফারজানা ববি
ক্রিড়া সাংবাদিক

কতিপয় পুলিশ নামক হিংস্র প্রাণীদের আগে মানুষ হতে হবে! সংশ্লিষ্ট হিংস্রদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

কথায় কোনো ভেজাল ছিলো ?
12/06/2026

কথায় কোনো ভেজাল ছিলো ?

11/06/2026

গতকাল রাতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র রওশনকে অপহরণ করে এভাবে নির্যাতন করেছে নিষিদ্ধ সন্ত্রাসী সংগঠন ছাত্রলীগ। রওশন এর অপরাধ সে জুলাই আন্দোলনে সম্পৃক্ত ছিলো এবং হাসিনার বিরোধী ছিলো।

ভিডিওটা দেখেন একবার। সন্ত্রাসীগুলো ফিরতে পারে নাই, তাতেই এরকম সন্ত্রাসের নমুনা। একবার ভাবেন, এরা ফিরলে কী করবে!

মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে আর কিছু বলতেও ইচ্ছা হয় না। মনে হয় রুচিতে বাঁধা উচিৎ৷ কিন্তু কী করবো? আমার দেশের জনগণের নিরাপত্তাটা দেবে কে?

10/06/2026

আপনি গুলি করলে আমি বসে থাকবো?

- ভারতীয় বিএসএফকে বিজিবির সরাসরি বার্তা।

জানা গেছে, সারা দেশে মোট মুক্তিযোদ্ধা রয়েছেন এক লাখ ৯৮ হাজার ৩৭ জন। গাণিতিক নিয়ম অনুযায়ী বছর পার হবে, দেশে মুক্তিযোদ্ধার...
10/06/2026

জানা গেছে, সারা দেশে মোট মুক্তিযোদ্ধা রয়েছেন এক লাখ ৯৮ হাজার ৩৭ জন। গাণিতিক নিয়ম অনুযায়ী বছর পার হবে, দেশে মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা কমবে। কারণ বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধা মারা যাওয়ার পর এই সংখ্যা কমার কথা। কিন্তু বাংলাদেশে উল্টো চিত্র দেখা গেছে। দিন যতই গেছে, দেশে তালিকাভুক্ত মুক্তিযোদ্ধা বেড়েছে।

জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) সূত্রে জানা গেছে, গত সাত মাসে আরো প্রায় দেড় হাজার আবেদন জমা পড়েছে। সেগুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। এই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ও পড়েছে বেকায়দায়।

সূত্র জানায়, স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের ডিসেম্বরে ৭৮ হাজার ৯৫ জন মুক্তিযোদ্ধাকে প্রাথমিক তালিকাভুক্ত করা হয়। তবে মুক্তিযোদ্ধার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রথম তালিকা প্রকাশ করা হয় ১৯৮৬ সালে। ওই সময় জাতীয় কমিটি এক লাখ দুই হাজার ৪৫৮ জন বীর মুক্তিযোদ্ধার নামের তালিকা প্রকাশ করে। এ পর্যন্ত আটবার তালিকা প্রণয়ন করা হয়েছে।

আর জামুকা প্রতিষ্ঠার পর ছয় হাজার ৪৭৬ ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার সনদ বাতিল করা হয়। তবে এখন পর্যন্ত ৭৯ হাজার ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার বিষয়ে তদন্ত শেষ হয়নি। জামুকায় আবেদন করা অধিকাংশই শরণার্থী মুক্তিযোদ্ধা দাবি করেছেন। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে মুক্তিযোদ্ধা বেড়েছে সবচেয়ে বেশি।

এ বিষয়ে জামুকার পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) উপ-সচিব মোহাম্মদ উল্যাহ আমার দেশকে বলেন, ‘যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে শুনানি হচ্ছে। যাচাই-বাছাই করেই বাদ দেওয়া হয়।’এ বিষয়ে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খানের সঙ্গে যোগাযোগ করেও তাকে পাওয়া যায়নি। ফোনে মেসেজ দিলেও উত্তর দেননি।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ১৯৮৮ সালে মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট্রের করা তালিকায় মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ছিল ৭০ হাজার ৮৯২ জন। এর মধ্যে বেসামরিক বীর মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ৫১ হাজার ৫২৬ এবং বিশেষ তালিকায় ছিলেন ১৯ হাজার ৩৬৬ জন। পরে ১৯৯৪ সালে বিএনপি সরকারের সময় আরো ৮৬ হাজার বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। ১৯৯৬-২০০১ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ এক লাখ ৮৬ হাজার ৭৯০ জনের নামের তালিকা প্রকাশ করে। ২০০১-২০০৬ সালে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট সরকার দুই লাখ ১০ হাজার ৫৮১ জনকে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে। পরে চূড়ান্ত পর্যায়ে এক লাখ ৯৮ হাজার ৮৮৯ জনের নাম গেজেট আকারে প্রকাশ করে। ২০১১ সালে তালিকা সংশোধনসহ নতুন করে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্বীকৃতি দিতে আবেদন গ্রহণ করে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার। এ সময় আরো এক লাখ ৩৯ হাজার আবেদন জমা পড়ে।

সূত্র জানায়, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ৭৯ হাজার ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা রয়েছেন বলে অভিযোগ আসে জামুকায়। এ নিয়ে ২০২৪ সালে মাঠপর্যায়ে শুনানি শুরু হয়। ২০২৪ সালের ২৪ ডিসেম্বর জালিয়াতি ও ভুয়া তথ্যের ভিত্তিতে মুক্তিযোদ্ধা সনদ গ্রহণ করায় ৭১ জনের গেজেট বাতিল করে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে অপরাধ স্বীকার করে স্বেচ্ছায় বাতিলের আবেদন করেন ১২ ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা। এর আগে নির্ধারিত বয়সের (১২ বছর ৬ মাস) কম হওয়ায় দুই হাজার ১১১ মুক্তিযোদ্ধার সনদ বাতিল করা হয়েছে। জামুকা প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ পর্যন্ত ছয় হাজার ৪৭৬ জনের নাম বাতিল করা হয়েছে।

পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, স্বাধীনতার পর ৭৮ হাজার ৯৫ জনকে মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে সরকার লিপিবদ্ধ করে। স্বৈরশাসক এরশাদের সময় ১৯৮৮ সালে মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের করা তালিকায় এ সংখ্যা ছিল ৭০ হাজার ৮৯২। ১৯৯১ সালে বিএনপি সরকারের আমলে এক লাখ ৯৮ হাজার ৮৮৯ জনের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়। আবার ১৯৯৬-২০০১ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ এক লাখ ৮৬ হাজার ৭৯০ জনের তালিকা প্রকাশ করে। ২০০১ থেকে ২০০৬ সালে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট সরকার দুই লাখ ১০ হাজার ৫৮১ জনকে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে। ২০০৯-২০২৪ পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে এক লাখ ৩৯ হাজার নতুন আবেদন জমা পড়ে। হিসাবে দেখা গেছে, দিন যত গেছে, মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা বেড়েছে এবং আবেদনও পড়েছে।

সূত্র জানায়, রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা, মাসিক ভাতাসহ এলাকায় প্রভাব রাখার জন্য মুক্তিযোদ্ধা হওয়ার আবেদন পড়ছে। আওয়ামী লীগ সরকার যখনই ক্ষমতায় এসেছে, তখনই নতুন নতুন মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা বেড়েছে। হিসাবে দেখা গেছে, দেশে ৫৩ বছরে মুক্তিযোদ্ধা বেড়েছে এক লাখ ১৭ হাজার ৯৩৯ জন।

সূত্র জানায়, ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে যে সব অভিযোগ এসেছে, সেসব অভিযোগ তদন্ত করে জামুকা। অনেকেই নিজেকে শরণার্থী মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে আবেদন করেছেন। ওই আবেদনের সঙ্গে ভুয়া ছবিও যুক্ত করার অভিযোগ রয়েছে।

জামুকা জানায়, সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় নিয়োগপ্রাপ্তের সংখ্যা ৮৯ হাজার ২৩৫ জন। গেজেট বাতিল, মুক্তিযোদ্ধা বয়সসীমা নির্ধারণসহ প্রায় ১৪ ক্যাটাগরিতে মোট মামলার সংখ্যা দুই হাজার ৭১৯টি। ইতোমধ্যে নির্ধারিত বয়স (১২ বছর ৬ মাস) কম হওয়ায় দুই হাজার ১১১ জনসহ মোট ছয় হাজার ৪৭৬ মুক্তিযোদ্ধার সনদ বাতিল করা হয়েছে।

সূত্র জানায়, বর্তমান সরকার ৭৯ হাজার ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার বিষয়ে তদন্ত শেষ করার উদ্যোগ নিয়েছে। তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতায় আসার পর বিষয়টি অগ্রাধিকার হিসাবে নিয়েছে বলে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে। যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে, তাদের বিষয়ে দ্রুত গণশুনানির আয়োজন করা হবে। আর যারা আদালতে মামলা দায়ের করেছেন, তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত শুনানি করা হবে।

সূত্র জানায়, ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা বাদ দিতে গিয়ে আসল মুক্তিযোদ্ধা যাতে বাদ না যায়, সেদিকে সতর্ক আছে সরকার। কারণ বয়স, রাজনৈতিক বিবেচনায় বা আগ্রহ না থাকায় অনেক মুক্তিযোদ্ধা সরকারের কাছে নিজেদের মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে আবেদন করেননি। সেক্ষেত্রে যারা সত্যিকারের মুক্তিযোদ্ধা, তারা যাতে কোনোভাবে বাদ না পড়ে, সেদিকেও জামুকা সতর্ক বলে জানা গেছে

তুমি মানুষকে বলবা যে, আমার মেয়ে শহীদ হয়েছে। - শহীদ নাঈমা সুলতানা
10/06/2026

তুমি মানুষকে বলবা যে, আমার মেয়ে শহীদ হয়েছে।

- শহীদ নাঈমা সুলতানা

১৯ জুলাই শহীদ জাহিদ দৌড়ে চলে যায় মহাখালী ফ্লাইওভারের নিচে। বন্ধুরা নিষেধ করলে জাহিদ শেষ বলেঃ ‘আমি শহীদ হমু, তোরা যা গা।’...
10/06/2026

১৯ জুলাই শহীদ জাহিদ দৌড়ে চলে যায় মহাখালী ফ্লাইওভারের নিচে।

বন্ধুরা নিষেধ করলে জাহিদ শেষ বলেঃ ‘আমি শহীদ হমু, তোরা যা গা।’ পুলিশ তখন উপর থেকে ছাত্র-জনতাকে লক্ষ্য করে বৃষ্টির মতো গু**লি ছুঁড়তেছিল।

ছাত্র-জনতা গু**লির বিপরীতে ইটপাটকেল ছুঁড়ে প্রতিরোধ চালিয়ে যাচ্ছিলো। পুলিশের সাথে ছিল ছাত্রলীগ-যুবলীগের সন্ত্রা-সীরা।

জাহিদ ফ্লাইওভারের নিচ থেকে পাশে ফুটওভারের দিকে যেতে নিলে গু*লি এসে লাগে তার মাথায়। পড়ে যায় জাহিদ।

তখন পুলিশের সাথে থাকা সন্ত্রা-সী ছাত্রলীগ দৌড়ে এসে গু*লিবিদ্ধ জাহিদকে এলোপাথাড়ি পিটাতে থাকে। মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার আগ পর্যন্ত ছাত্রলীগের সন্ত্রা-সীরা পেটায় জাহিদকে।

পিটিয়ে তার সারা শরীর থেঁতলে ফেলে। জাহিদকে মেরে পিছে চলে আসে ছাত্রলীগ।

একজন পুলিশ সামনে এসে লাথি মে*রে উল্টিয়ে দেখে এখনও বেঁচে আছে কি না। মৃত্যু নিশ্চিত হলে সরে যায় তারা। ২০০৬ সালের আজকের এই দিনে ৯ জুন জন্ম গ্রহণ করেছিলো শহীদ জাহিদ।

বেঁচে থাকলে আজ ২০ বছরে পা দিতো জাহিদ।

-- আকিফ আব্দুল্লাহ

জীবনের শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত, রক্তের শেষ ফোঁটা পর্যন্ত বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও মর্যাদা রক্ষার অঙ্গীকার আমাদের...
08/06/2026

জীবনের শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত, রক্তের শেষ ফোঁটা পর্যন্ত বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও মর্যাদা রক্ষার অঙ্গীকার আমাদের। 🇧🇩
এই লাল-সবুজের পতাকা কোনো আগ্রাসনের সামনে মাথা নত করবে না।
দেশের সম্মান, মাটির মর্যাদা আর মানুষের অধিকার—সবকিছুর জন্য আমরা একসাথে দাঁড়িয়ে আছি।

আশিকুর রহমান আশিক

#বাংলাদেশ #সার্বভৌমত্ব
#লালসবুজ 🇧🇩

Address

Katabon
Dhaka
1205

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Warriors of July posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share