One Tawheed

One Tawheed Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from One Tawheed, Community Organization, Dhaka.

একটি সুন্নাহ খাবার কিভাবে বিশ্বজুড়ে আলোড়ন তৈরি  করতে পারে তার সবচেয়ে উত্তম উদাহরণ হচ্ছে এপেল সিডার ভিনেগার।  সারা দুনিয়া...
12/04/2026

একটি সুন্নাহ খাবার কিভাবে বিশ্বজুড়ে আলোড়ন তৈরি করতে পারে তার সবচেয়ে উত্তম উদাহরণ হচ্ছে এপেল সিডার ভিনেগার।
সারা দুনিয়ায় এখন প্রাকৃতিক চিকিৎসাশাস্ত্রে ভিনেগার একটি মোস্ট ওয়ান্টেড খাদ্য হয়ে উঠছে। এবং এর চাহিদাও দিন দিন বেড়েই চলছে।

Apple cider vinegar কেন খাবেন?

ওজন কমানোর জন্য, চর্বি গলানোর জন্য আমরা এপল সিডার ভিনেগার খেতে বলি। এর উপকারিতাগুলোঃ

১. রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ কমায়। একটা স্টাডিতে দেখা গেছে এটি প্রায় ৫৫% মত রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ কমাতে পারে।

২. ইনসুলিনের লেভেল কমায়। আমরা যারা মেদ কমাতে চাচ্ছি বা ডায়াবেটিস থেকে ভালো হতে চাচ্ছি তাদের লক্ষ্য থাকে যেন ইনসুলিনের লেভেল কম থাকে। এটি ইনসুলিনের লেভেল কমাতে বেশ কার্যকর।

৩. Fasting Blood Sugar কমায়। একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে এটি প্রায় ৫০% পর্যন্ত Fasting Blood Sugar কমাতে পারে।

৪. খিদা কমায়৷ যাদের শরীরে অতিরিক্ত মেদ আছে তাদের একটি লক্ষ্য হলো যেন ক্ষুধা না লাগে। একটি এক্সপেরিমেন্টে দেখা গেছে যারা এপল সিডার ভিনেগার খেয়েছে তারা প্রায় ২৬০-২৭৫ ক্যালরি খাবার কম খেয়েছে।

৫. ইনসুলিন সেনসিটিভিটি বাড়ায়

৬.ওজন কমাতে খুবই সহায়ক সাপ্লিমেন্ট হিসেবে কাজ করে।

আমাদের কাছে আছে কারকুমা ব্রান্ডের এপেল সিডার ভিনেগার।
অর্ডার করুন দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে
📞 01571425148

জুমুয়াবারে দুরুদমুমিনের হৃদয়ে জুমুয়াবার হলো প্রশান্তির এক বিশেষ দিন। এটি মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে আমাদের জন্য এক অনন্য উপহ...
09/04/2026

জুমুয়াবারে দুরুদ

মুমিনের হৃদয়ে জুমুয়াবার হলো প্রশান্তির এক বিশেষ দিন। এটি মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে আমাদের জন্য এক অনন্য উপহার। জুমুয়াবারকে কেন্দ্র করে নবীজি (সা.) আমাদের বরকতময় কিছু সুন্নাহ শিখিয়ে গেছেন। আর এই দিনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ আমল হলো— প্রিয় নবীজির প্রতি ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে বেশি বেশি দুরুদ পাঠ করা। এটি যেন সময়ের সেরা ক্ষণে হৃদয়ের শ্রেষ্ঠতম এক নিবেদন।

হজরত আউস বিন আউস (রা.) থেকে বর্ণিত, আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন:
দিনগুলোর মধ্যে জুমুয়াবারই সর্বোৎকৃষ্ট। এই দিনেই আদম (আ.)-কে সৃষ্টি করা হয়েছে এবং এই দিনেই তাঁর ইন্তেকাল হয়েছে। এই দিনেই শিঙায় ফুঁ দেওয়া হবে এবং কিয়ামতের মহাপ্রলয় ঘটবে। অতএব, এই দিনে তোমরা আমার ওপর বেশি বেশি দুরুদ পাঠ করো। কারণ, তোমাদের দুরুদ আমার কাছে পেশ করা হয়।”
সাহাবায়ে কেরাম কৌতূহলী হয়ে প্রশ্ন করলেন, “হে আল্লাহর রাসুল! আপনার ইন্তেকালের পর যখন শরীর মাটির সাথে মিশে যাবে, তখন আমাদের দুরুদ আপনার কাছে কীভাবে পেশ করা হবে?” নবীজি পরম নিশ্চয়তায় উত্তর দিলেন:
“নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ নবীদের দেহ মাটির জন্য হারাম করে দিয়েছেন। কবরের মাটি নবীদের দেহকে স্পর্শও করতে পারে না।” (সুনানে আবু দাউদ)

দুরুদ পাঠের উত্তম সময় : অনেকেই মনে করেন দুরুদ শুধু শুক্রবার দিনেই পড়তে হয়। কিন্তু মনে রাখা জরুরি, জুমুয়াবার শুরু হয় বৃহস্পতিবার সূর্যাস্তের (মাগরিব) পর থেকেই। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত থেকে শুরু করে শুক্রবার সূর্যাস্ত পর্যন্ত পুরো সময়টাই রহমতের এই ধারায় সিক্ত হওয়ার সুযোগ।

হজরত আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন:
“জুমুয়াবারে এবং জুমুয়াবার রাতে (বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত) তোমরা আমার ওপর বেশি বেশি দুরুদ পাঠ করো। যে ব্যক্তি এই সময়ে আমার ওপর দুরুদ পাঠ করবে, কিয়ামতের কঠিন দিনে আমি স্বয়ং তার জন্য সুপারিশকারী হব।(বায়হাকি)

সংক্ষেপে দুরুদ: সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ দুরুদ হলো ‘দুরুদে ইবরাহিমি’, যা আমরা নামাজে পড়ি। তবে হাতে সময় কম থাকলে বা চলতে-ফিরতে আমরা নিচের সংক্ষিপ্ত দুরুদগুলোও পড়তে পারি:

১.সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
২.আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মদ
৩.আল্লাহুম্মা সাল্লি ওয়া সাল্লিম ওয়া বা-রিক আলা মুহাম্মদ।
৪.আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদ ওয়া আলা আ-লিহি ওয়া সাহবিহি ওয়া সাল্লিম।

দুরুদ কতবার পড়ব: আমি আমার প্রিয় নবীজিকে ঠিক কতটা ভালোবাসি? আমাদের দুরুদ পাঠের সংখ্যাই বলে দেবে নবীজির প্রতি আমাদের মহব্বতের গভীরতা। একটু সচেতন হলেই সারা দিনের ব্যস্ততার ফাঁকে আমরা অগণিতবার দুরুদ পড়তে পারি। আসুন না, সপ্তাহের এই একটা দিন নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ভালোবাসায় ডুব দিয়ে কাটাই। উঠতে-বসতে, চলতে-ফিরতে সারাক্ষণ মুখে থাকুক দুরুদের গুঞ্জন।
রব্বে কারীম আমাদের সবাইকে নবীপ্রেমের এই অমীয় সুধা পান করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

তথ্যসূত্র:
সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং: ১০৪৭
সহিহ মুসলিম, হাদিস নং: ৮৭৭
সুনানে বায়হাকী, ৩/১১০

কিছুদিন আগে কয়েকজন মিলে কক্সবাজার গিয়েছিলাম। হোটেলের রুমে এসির সুবিধা থাকলেও ঠান্ডা হচ্ছিল একটু কম। ফোমের বিছানা, এটাচড ...
04/04/2026

কিছুদিন আগে কয়েকজন মিলে কক্সবাজার গিয়েছিলাম। হোটেলের রুমে এসির সুবিধা থাকলেও ঠান্ডা হচ্ছিল একটু কম। ফোমের বিছানা, এটাচড বাথ, বারান্দাসহ অন্যান্য সব ফ্যাসিলিটি থাকা সত্বেও বাধ্য করা হল রুম চেইন্জ করে দেয়ার জন্য। এত টাকা দিয়ে রুম ভাড়া নেয়ার পর এসি ঠান্ডা হবে না কেন?

২)
গতকাল রাত ১০টা। এক বন্ধুর সাথে উত্তরার একটি রোডে হাটছিলাম। গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি পড়ছিল তখন। হঠাৎ ঠিক সামনে পড়লো মানুষটি।

ফুটপাথে শুয়ে আছেন। কাঁধ পর্যন্ত ছেড়া চাদরে ঢাকা। পাশে রাখা ভর করে হাটার জন্য নিজের দুটো স্ক্র্যাচ।

পঙ্গু মানুষটির চোখে মুখে বিরক্তির লেশমাত্র নেই।গভীর ঘুমে ঘুমন্ত মানুষটির মনে হয়তো এই অভিযোগ আসেই না- কেন তার বিছানাটা এত শক্ত! বৃষ্টির ফোটা কেন গায়ে লাগছে! কেনই বা এখানে এত মশা!

————
বাকি পথটুকু আসতে আসতে ভাবছিলাম, যা আমি পেয়েছি, না চাইতেই যা দেয়া হয়েছে আমাকে, এসব কি আমার পাওনা ছিল? কার কাছে? কেন?
collected

03/04/2026

-শুক্রবার দুরুদ পাঠের দিন!🌸
আল্লাহুম্মা সাল্লি ওয়া'সাল্লিম আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ' ﷺ
[সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম]🖤

তাহাজ্জুদের নামায ছাড়তে ছাড়তে আমাদের অভ্যাস এমন হয়েছে—ঘুমাই-ই এই নিয়তে, উঠে ফজর পড়ব। তাহাজ্জুদের কোনো এরাদা-ই থাকে না।অথ...
23/02/2026

তাহাজ্জুদের নামায ছাড়তে ছাড়তে আমাদের অভ্যাস এমন হয়েছে—ঘুমাই-ই এই নিয়তে, উঠে ফজর পড়ব। তাহাজ্জুদের কোনো এরাদা-ই থাকে না।

অথচ নবী কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি বিছানায় এসে এই নিয়ত করে যে, সে রাত্রে উঠে (তাহাজ্জুদের) নামায পড়বে, অতপর নিদ্রা তার ওপর প্রভাব বিস্তার করে ফেলে—এমনকি ভোর হয়ে যায়; তার জন্য তার নিয়ত পরিমাণ পুণ্য লিখে দেওয়া হয়। আর তার ঘুম হয় রাব্বের পক্ষ থেকে পুরস্কার।”[১]

খেয়াল করেছেন—নিয়তের কারণেই সওয়াব দেওয়া হচ্ছে। আর আমরা নিয়ত করতেই রাজি না।

চলুন আজ থেকে তাহাজ্জুদের নিয়ত করে ঘুমাই। নিয়তের বাস্তবায়নের জন্য তাহাজ্জুদের টাইম ধরে এলার্ম সেট করি। এরপর না পারলে আল্লাহপাক সওয়াব দিবেন অবশ্যই।

মনে রাখবেন, ফরয সালাতের পর সবচেয়ে ফযিলতপূর্ণ সালাত তাহাজ্জুদ।
.....
[১] সুনানুন নাসাঈ, হাদিস–১৭৮৮

(নিজের জন্য রিমাইন্ডার আপনাদের আগে)

অন্তরে আল্লাহর মহব্বত সৃষ্টিকারী দশটি আমল-আল্লামা ফিরোজাবাদি রহিমাহুল্লাহ বলেন, অন্তরে আল্লাহর মহব্বত সৃষ্টিকারী আমল দশট...
30/01/2026

অন্তরে আল্লাহর মহব্বত সৃষ্টিকারী দশটি আমল-

আল্লামা ফিরোজাবাদি রহিমাহুল্লাহ বলেন, অন্তরে আল্লাহর মহব্বত সৃষ্টিকারী আমল দশটি। যথা

১. কুরআনের আয়াতের অর্থ ও উদ্দেশ্য বুঝে গভীর চিন্তা-ফিকিরের সঙ্গে কুরআন তেলাওয়াত করা।

২. ফরযসমূহ আদায়ের পর নফলের মাধ্যমে আল্লাহ তায়ালার নৈকট্য হাসিল করা। কারণ, নফল আমলসমূহ বান্দার অন্তরে শুধু আল্লাহ তায়ালার মহব্বতই সৃষ্টি করে না। বান্দাকে আল্লাহ তায়ালার কাছে প্রিয় করে তোলে।

৩. সর্বাবস্থায় আল্লাহ তায়ালার যিকির করা। চাই তা সশব্দে হোক কিংবা মনে মনে। কেননা মানুষ প্রিয় সত্তার যিকির যত করে, অন্তরে তার প্রতি মহব্বতও তত বৃদ্ধি পেতে থাকে।

৪. প্রবৃত্তির প্রবল তাড়নার সময় নিজের ইচ্ছার উপর আল্লাহ তায়ালার ইচ্ছাকে প্রাধান্য দেওয়া।

৫. মনে মনে আল্লাহ তায়ালার নাম ও গুণাবলিসমূহ নিয়ে গভীর চিন্তা-ফিকির করা এবং অন্তর্চক্ষু দিয়ে তা প্রত্যক্ষ করা। সর্বদা তার মারেফাত ও পরিচয় লাভের চেষ্টা করা। যে আল্লাহ তায়ালার নাম, গুণাবলি ও কর্মের মাধ্যমে তাঁর পরিচয় লাভ করল, সে অবশ্যই আল্লাহকে ভালোবাসবে। তাঁর প্রেমে পড়বে।

৬. আল্লাহ তায়ালার ইহসান-অনুগ্রহ, তাঁর প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য যাবতীয় নেয়ামত প্রত্যক্ষ করার চেষ্টা করা।

৭. ভগ্ন হৃদয়ে আল্লাহর সামনে নিজের হীনতা ও দীনতা প্রকাশ করা। মহব্বত লাভের সবচেয়ে চমৎকার উপায় এটি।

৮. শেষ রাত্রে আল্লাহর বিশেষ তাজাল্লি নাযিলের সময় নির্জনে তাঁকে ডাকা, কুরআন তেলাওয়াত করা, একনিষ্ঠমনে নামাজে দণ্ডায়মান হওয়া। দু হাত তুলে দোয়া কান্নাকাটি করা এবং সবশেষে তওবা ইস্তেগফারের মাধ্যমে নির্জনবাস সমাপ্ত করা।

৯. আল্লাহর প্রকৃত আশেকদের নিকট বসে তাঁর কুদরত ও সিফাতের কথা শোনা। তাদের উত্তম কথাগুলো সংগ্রহ করা। বিশেষ কোনো কল্যাণ না থাকলে কোনো কথা না বলা এবং এটা মনে করা যে, এর মাঝেই অন্তরের বিশেষ অবস্থার উন্নতি আছে।

১০. বান্দা ও আল্লাহর মাঝে অন্তরাল সৃষ্টিকারী যাবতীয় বিষয় থেকে দূরে থাকা। আর অন্তরে আল্লাহ তায়ালার মহব্বত্ত সৃষ্টি করে, এমন কাজগুলো করা।

রিসালাতুল মুসতারশিদিন
ইমাম হারেস মুহাসেবি রহ. (১৬৫-২৪৩হি:)

তাহকিক: শায়খ আবদুল ফাত্তাহ আবু গুদ্দাহ রহ.

হযরত আব্দুল্লাহ ইবনু আববাস (রাঃ) বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,আদম সন্তানকে ধন-সম্পদে পরিপূর্ণ দু’ট...
22/01/2026

হযরত আব্দুল্লাহ ইবনু আববাস (রাঃ) বলেন,
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
আদম সন্তানকে ধন-সম্পদে পরিপূর্ণ দু’টি উপত্যকাও যদি দেওয়া হয়, সে তৃতীয়টির আকাংখা করবে। আদম সন্তানের পেট মাটি ব্যতীত অন্য কিছু পূর্ণ করতে পারবে না’
(বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/৫২৭৩)।

মর্যাদার মাপকাঠি একমাত্র তাক্বওয়া....একটি হসপিটালের দৃশ্য এটি। ইমাম হিসেবে যিনি নামাজ পড়াচ্ছেন তিনি সেখানকার ক্লিনার। তা...
20/01/2026

মর্যাদার মাপকাঠি একমাত্র তাক্বওয়া....

একটি হসপিটালের দৃশ্য এটি। ইমাম হিসেবে যিনি নামাজ পড়াচ্ছেন তিনি সেখানকার ক্লিনার। তার পেছনে মুক্তাদি হিসেবে দুজন ডাক্তার, একজন অফিসার।

কী অদ্ভুত সুন্দর এ ধর্ম....

আপনি যখন একটা বাচ্চাকে শূণ্যে নিক্ষেপ করেনসে তখন হাসে,কারণ সে নিশ্চিত আপনি তাকে ফেলে দিবেন না।আপনার কষ্ট যেমনই হোক না কে...
19/01/2026

আপনি যখন একটা বাচ্চাকে শূণ্যে নিক্ষেপ করেন
সে তখন হাসে,
কারণ সে নিশ্চিত আপনি তাকে ফেলে দিবেন না।

আপনার কষ্ট যেমনই হোক না কেন, অপেক্ষা করুন
নিশ্চিতভাবে আল্লাহর রহমত আপনার কাছে পৌছাবে।

🎙️শাইখ আহমাদ মুসা জিবরিল

রিযিক নিয়ে   বিভ্রান্তি!!  হতাশা!!!আমাদের দেশের অধিকাংশ মানুষ রিযিক বলতে খাওয়াদাওয়া, টাকাপয়সা এই ২টি জিনিসকেই বুঝে।অথচ র...
18/01/2026

রিযিক নিয়ে বিভ্রান্তি!! হতাশা!!!

আমাদের দেশের অধিকাংশ মানুষ রিযিক বলতে খাওয়াদাওয়া, টাকাপয়সা এই ২টি জিনিসকেই বুঝে।

অথচ রিযিক এর অসংখ্য পার্ট এর মধ্যে এই ২ টি খুবই সামান্য স্থান দখল করে আছে।
এবং রিযিক এর বিষয়টি এমন যে এটি মানুষের নিজের ক্ষমতার অধিনে থাকেনা।

তারমানে রিযিক হচ্ছে যা কিছু আল্লাহ আমার আপনার জন্য বরাদ্ধ রেখেছেন তা সবই রিযিক এর অন্তর্ভুক্ত।
যেমনঃ আপনার সন্তান আপনার জন্য রিযিক, আপনার সুস্থতা আপনার জন্য রিযিক, আপনার স্ত্রী আপনার জন্য রিযক, আপনার সম্পত্তিও আপনার জন্য রিযক ইত্যাদি।
এসব প্রাপ্তির ক্ষেত্রে আপনার কোনো ভূমিকা নেই। এগুলো না পেলেও আপনি কেয়ামতে জিজ্ঞাসিত হবেননা যে, কেনো এগুলো পাননি।

সমস্যা বাধে তখনই যখন রিযিকের সংজ্ঞাকে খাওয়াদাওয়া বা টাকাপয়সা পর্যন্ত সীমাবদ্ধ করে রাখা হয়।

সন্তানহীন কোনো ধনী বয়স্ক ব্যাক্তিকে যদি জিজ্ঞাসা করেন আপনার কিসের অভাব, সে অনায়াসেই উত্তর দিবে আমার কোটি টাকার বিনিময়ে হলেও সন্তান লাগবে। অর্থাৎ তার কাছে তখন তার সম্পদের মূল্য নেই বরং তার কাছে সন্তানের রিযিক প্রাপ্তিটাই মূখ্য।

আবার একজন ব্যধি /রোগাক্রান্ত ব্যাক্তির কাছে জিজ্ঞাসা করলে দেখবেন সে বলবে টাকা পয়সা কিছুই চাইনা, শুধু সুস্থ থাকতে পারলেই শুকরিয়া।

সুখ প্রাপ্তির ক্ষেত্রে অর্থসম্পদের ভূমিকা আদৌ কতটুকু তা ভেবে দেখে দুনিয়ার জীবন পার করা উচিৎ।

রিযিকের সর্বনিম্ন স্তর হচ্ছেঃ টাকা, পয়সা, অর্থ এবং সম্পদ।রিযিক এর সর্বোচ্চ স্তর হচ্ছেঃ শারীরিক এবং মানসিক সুস্থতা।রিযিকে...
17/01/2026

রিযিকের সর্বনিম্ন স্তর হচ্ছেঃ টাকা, পয়সা, অর্থ এবং সম্পদ।

রিযিক এর সর্বোচ্চ স্তর হচ্ছেঃ শারীরিক এবং মানসিক সুস্থতা।

রিযিকের সর্বোত্তম স্তর হচ্ছেঃ পুণ্যবান স্ত্রী এবং পরিশুদ্ধ নেক সন্তান এবং

রিযিক এর পরিপূর্ণ স্তর হচ্ছেঃ মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি।

রিযিক খুব গভীর একটি বিষয়, যদি আমরা তা বুঝতে পারি।
আমি পুরো জীবনে কত টাকা আয় করবো সেটা লিখিত, কে আমার জীবনসঙ্গী হবে সেটা লিখিত, কবে কোথায় মারা যাবো সেটাও লিখিত এবং কতটা খাবার ও পানীয় গ্রহণ করবো তাও লিখিত বা নির্দিষ্ট।
আশ্চর্যের ব্যাপার হচ্ছে, আমি কতগুলো দানা বা ভাত দুনিয়াতে খেয়ে তারপর মারা যাবো সেটা লিখিত। একটি দানাও কম না এবং একটিও বেশি না।

ধরুন এটা লিখিত যে আমি সারাজীবনে এক কোটি টাকা আয় করবো, এই সিদ্ধান্ত আল্লাহ্‌ তা’আলা নিয়েছেন।

কিন্তু, আমি হালাল উপায়ে আয় করবো না হারাম উপায়ে আয় করবো সেই সিদ্ধান্ত একান্তই আমার।

যদি ধৈর্য ধারণ করি, আল্লাহ্‌ তা’আলার কাছে চাই,

তাহলে হালাল উপায়ে ওই এক কোটি টাকা আয় করেই আমি মারা যাবো। আর হারাম উপায়ে হলেও ওই এক কোটিই…।

আমি যেই ফলটি আজকে ব্রাক্ষণবাড়িয়া বসে খাচ্ছি, সেটা হয়ত ইতালি কিংবা থাইল্যান্ড থেকে ইমপোর্ট করা।

ওই গাছে যখন মুকুল ধরেছে তখনই নির্ধারিত হয়েছে যে, সেটি আমার কাছে পৌঁছাবে।

এর মধ্যে কত পাখি ওই ফলের উপর বসেছে, কত মানুষ এই ফলটি পাড়তে গেছে,

দোকানে অনেকে এই ফলটি নেড়েচেড়ে রেখে গেছে, পছন্দ হয় নি বা কিনেনি।

এই সব ঘটনার কারণ একটাই, ফলটি আমার রিযিকে লিখিত। যতক্ষণ না আমি কিনতে যাচ্ছি, ততক্ষণ সেটা ওখানেই থাকবে।

এর মধ্যে আমি মারা যেতে পারতাম, অন্য কোথাও চলে যেতে পারতাম,
কিন্তু না! রিযিকে যেহেতু লিখিত আমি এই ফলটি না খেয়ে মারা যাবো না।

রিযিক জিনিসটা এতোটাই শক্তিশালী!

কিংবা যেই আত্মীয় কিংবা বন্ধু-বান্ধব আমার বাসায় আসছে, সে আসলে আমার খাবার খাচ্ছে না।

এটা তারই রিযিক, শুধুমাত্র আল্লাহ্‌ তা’য়ালা আমার মাধ্যমে তার কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন।

হতে পারে এর মধ্যে আমাদের জন্য মঙ্গল রয়েছে আলহামদুলিল্লাহ!

কেউ কারওটা খাচ্ছে না, যে যার রিযিকের ভাগই খাচ্ছেন।

আমরা হালাল না হারাম উপায়ে খাচ্ছি, সেটা নির্ভর করছে আমি আল্লাহ্‌ তা’আলার উপর
কতটুকু তাওয়াক্কাল আছি, কতটুকু ভরসা করে আছি। কেননা,

আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ

“দুনিয়ায় বিচরণকারী এমন কোনো প্রাণী নেই, যার রিযিকের দায়িত্ব আল্লাহর ওপর নেই।”

16/01/2026

একজন সন্তান তার বাবার কাছে যখন কোন কিছু আবদার করে, তখন কত ধরনের অভিনয়ই না সে করে! কান্নাকাটি করে, মিথ্যা অভিমান করে, নানা ভাবে কনভিন্স করার চেষ্টা করে।

আমরা যখন আল্লাহর কাছে চাইবো তখন যেন এভাবেই চাই। তাঁর কাছে চাওয়ার জন্য ওযু থাকার প্রয়োজন হয় না। জায়নামাজের দরকার হয় না। এমনকি হাত উঠোনোরও প্রয়োজন পড়ে না। তার কাছে সবচেয়ে জরুরী আপনি কতটা আন্তরিকতা নিয়ে চাইছেন। নিজের অসহায়ত্ব কীভাবে প্রকাশ করছেন। যে মানুষ বিশ্বাস করে, তিনি ছাড়া দেয়ার মত কেউ নেই, প্রতিকুল পরিস্থিতিকে অনুকুলে আনা তিনি না চাইলে সম্ভব না কখনো, সে যখন চাইবে, সেরকম ব্যকুলতা নিয়েই চাইবে। আপনার রবের কাছেই এটিই পছন্দনীয়।

নিজে যখন চরম হতাশায় পরি, যখন এরকম পরিস্থিতিতে তার কাছে হাত উঠাই, মক্কার ইমামের একটি দুআর অংশ বারবার তখন আওড়াতে থাকি…

আল্লাহ! আমি ছাড়া তোমার আরও অনেক ইবাদতগুজার বান্দা আছে। কিন্তু আমার আরজি শোনার মত তুমি ছাড়া আমার দ্বিতীয় কেউ নেই….

Address

Dhaka
1203

Opening Hours

Monday 09:00 - 21:00
Tuesday 09:00 - 21:00
Wednesday 09:00 - 21:00
Thursday 09:00 - 09:00
Friday 15:00 - 21:00
Saturday 09:00 - 21:00
Sunday 09:00 - 21:00

Telephone

01816050237

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when One Tawheed posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to One Tawheed:

Share