DIU Muslim's Community

DIU Muslim's Community A dawah platform at Dhaka International University.Allah is only Creator & Muhammad sm. his mesenger.
(6)

12/05/2026

ভার্সিটিগুলোতে শিক্ষক কর্তৃক দ্বীনি লিবাসে চলা শিক্ষার্থীদের কটুক্তির স্বীকার হওয়ার বিষয়টি নতুন নয়। শুধুমাত্র লিবাসের কারণে কটুকথা সহ্য করতে হয়েছে অনেক মুসলিম শিক্ষার্থীকে, এমন ঘটনা আমাদের অজানা নয়।

আমাদের ইউনিভার্সিটির ইংরেজি ডিপার্টমেন্টের একজন ফ্যাকাল্টি, Ms. Sabeeha Saleque (SLQ), তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ক্রমাগত জোড়ালো হচ্ছে। জুব্বা পড়ার জন্য স্টুডেন্টকে তিনি বলেছেন, ❝এই ধরনের পোশাক পড়ে ক্যাম্পাসে আসবে না।❞

এমনকি রমজান মাসে এক শিক্ষার্থীকে উনি বলেছিলেন, ❝রোজা রাখতে চাইলে মসজিদে যাও অথবা বাসায় থাকো। ইউভার্সিটিতে আসার প্রয়োজন নেই।❞ প্রকাশ্যে এমন মন্তব্য ইসলামের একটি অতিব গুরুত্বপূর্ণ বিধান রোজাকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করার শামিল।

এছাড়াও ইতিপূর্বে নিকাব পড়ার কারনে এক বোনকে তিনি ক্লাসে হেনস্থা করেছেন এবং বলেছেন এই যুগে এসেও সে কিভাবে এই পোশাক পড়তে পারে?অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, এরপর সেই মুসলিম নারী শিক্ষার্থীর মুখ দেখাতে তিনি বাধ্য করান। এমনকি সব ছেলেদের ক্লাস থেকে বের করে তার নিকাব উঠিয়ে মুখ দেখাতে বাধ্য করান, যার ফলে সেই বোন ট্রমাটাইসড হয়ে কান্না করে ফেলেন।

এরপর তিনি এই মন্তব্য করেন - "কোন নর্দমা থেকে যে উঠে আসে এই গুলো! তোমার পরিবার কি তোমাকে কোন শিক্ষা দেয়নি? কোন ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে উঠে আসছো? যাও আমার চোখের সামনে থেকে সরো।"

পর্দা করার কারণে অন্য একজন নারী শিক্ষার্থীকে "BULLSH!T B***H" বলে গালি দিয়েছেন তিনি।

প্রসঙ্গত, পশ্চিমা মতাদর্শে বিশ্বাসী একজন নারী শিক্ষার্থীর অভিযোগের ফলে আমাদের সম্মানিত নূর মোহাম্মদ মল্লিক (nmmk) স্যারকে NSU কর্তৃপক্ষ সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। কিন্তু, তদন্তের রায়ে পুরো বিষয়টি ভিত্তিহীন বলার পরও এখনো পর্যন্ত স্যারকে ক্লাস নিতে দিচ্ছে না বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নিকট আলোচ্য ঘটনাসমুহের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত এবং এহেন ন্যাক্কারজনক আচরণের প্রেক্ষিতে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।





পাঠ ০৩ঃ আপনার মেয়েকে অবশ্যই শেখাবেন------------------------------মাটি থেকে কখনও কোনো কিছু উঠাতে গেলে অবশ্যই বুকের উপর এক...
12/05/2026

পাঠ ০৩ঃ আপনার মেয়েকে অবশ্যই শেখাবেন
------------------------------
মাটি থেকে কখনও কোনো কিছু উঠাতে গেলে অবশ্যই বুকের উপর এক হাত দিয়ে তারপর উঠাতে যাবে। সতর ঢাকার সতর্কতা স্বরুপ এটা করা উচিত।
পুরুষ মানুষের সামনে কখনও পায়ের উপর পা তুলে বসবে না, দুই পা'কে মিলিয়ে বা খুব কাছাকাছি রেখে বসবে।
সিঁড়িতে উপরের দিকে উঠার সময় যদি পেছনে কোনো পুরুষ মানুষ থাকে, তাহলে এক কোনায় গিয়ে কিছুক্ষণ স্থির হয়ে দাঁড়াবে, পুরুষ লোকটি চলে গেলে তারপর উঠবে।
লিফটে উঠার সময় যদি অপরিচিত পুরুষ মানুষ থাকে এবং মাত্র একজনই থাকে, তাহলে তার সাথে ওঠবে না, অপেক্ষা করবে, সেই অপরিচিত লোকটি বের হলে তারপর উঠবে।
সবসময় মুচকি হাসার অভ্যাস করবে, উঁচু আওয়াজে অট্টহাসি হাসবে না।
তোমার চাচাতো ভাই, খালাতো ভাই বা ফুফাতো ভাইদের সাথে মুসাফাহা করবে না, যদিও তোমার কাছে তাদের ছোট মনে হয়।
কোনো প্রয়োজনে পুরুষ মানুষের সাথে কথা বলতে হলে, অবশ্যই শারীরিকভাবে যথেষ্ট পরিমাণ দূরত্ব বজায় রেখে কথা বলবে।
নিকটাত্মীয় হলেও কাজকর্মে বা কথাবার্তায় অবশ্যই একটা সীমারেখা বজায় রাখবে। নিজের ভাবগাম্ভীর্য এমনভাবে বজায় রাখবে, যেন তোমার প্রতি তার ভিতরে খারাপ কল্পনা তৈরি না হয়।
রাস্তাঘাটে নিজ বান্ধবীদের সাথে হাসি ঠাট্টা করবে না, রাস্তার শিষ্টাচার বজায় রাখবেন।
মহান আল্লাহ নারীদেরকে এবং আমাদেরকে সংশোধন হবার তাওফিক দান করুন! আমীন।

পাঠ ০২ঃ পর্দা মে রাহনে দো------------------------------চট করে দ্বীন পালন শুরু করা বেশ কঠিন। ছোটবেলা থেকে দ্বীনদারি-চর্চা...
11/05/2026

পাঠ ০২ঃ পর্দা মে রাহনে দো
------------------------------
চট করে দ্বীন পালন শুরু করা বেশ কঠিন। ছোটবেলা থেকে দ্বীনদারি-চর্চায় অভ্যস্ত করে তুলতে না পারলে, বড় হলে রাগারাগি করে সন্তানকে দ্বীনদার বানানো প্রায় অসম্ভব কাজ! হাঁ সন্তান নিজ থেকে আগ্রহী হলে, ভিন্ন কথা! কন্যাকে পর্দায় অভ্যস্ত করে তুলতে হলেও সেই ছোট বেলা থেকেই মেহনত শুরু করা আবশ্যক। তিন থেকে পাঁচ বছর বয়েস থেকে শুরু হওয়াই যুক্তিযুক্ত! কারণ এই বয়েসেই সন্তান মা-বাবা ও আশেপাশের অনুকরণ করতে শুরু করে। আমরা একজন অভিজ্ঞ পর্দানশীন আরব মায়ের পরামর্শগুলো খতিয়ে দেখতে পারি। তিনি তার চারকন্যাকে যেভাবে গড়ে তুলেছেন, তার আলোকে কিছু পরামর্শ দিয়েছেনঃ

বাইরে কোথাও বেড়াতে যাওয়ার সময়, মেয়েকে দেখিয়ে দেখিয়ে বোরকা পরাঃ মেয়ের জন্যে বোরকাধর্মী পোশাক বানানো। যতটা সম্ভব ছোট্ট মামণিকেই নিজের বিশেষ পোষাক পরতে দেয়া। না পারলে আম্মু বা বড় আপু হাত লাগাবে!
মেয়েকে দায়িত্ব দেয়াঃ আম্মু! আমি বোরকা পরার পর, আমার চুল বাইরে থেকে দেখা যায় কি না, একটু ভাল করে দেখো তো! চারপাশ চক্কর দাও! আমি যখনই বোরকা পরবো, তুমি দেখবে, কোনও অংশ বোরকার বাইরে থেকে গেলো কি না!
মেয়েকে বলে দেয়াঃ ঘরে গাইরে মাহরাম কেউ এলে, যাদের সাথে বিয়ে বৈধ! ছোট্ট বয়েসে এতটা বুঝবে না, নাম ধরে বলে দেয়া অমুক এলে, তুমি আমাকে আগেই বলে দিবে, কে এসেছে! তাহলে আমি সতর্ক হতে পারবো!
যখন থেকে মেয়ে নিজে নিজে পোষক পড়তে অভ্যস্ত হবে, তখনই বলে দেয়াঃ তুমি যখন পোষাক পরবে, তার আগে রূমের দরজা বন্ধ করে দিবে! খোলা স্থানে কখনোই পোষাক পরিবর্তন করবে না।ছেলে বা মেয়ে কাউকে যদি এভাবে তোমার সামনে পোষাক বদলাতে দেখো, তুমি সেখানে থেকে উঠে চলে আসবে। সবাই লাজুক নয়, শালীন নয়। সে লজ্জা না পেলেও তুমি অবশ্যই লজ্জাবোধ করবে! শুধু নিজের শরীর দেখানো নয়, অন্যের শরীর দেখাও হারাম!
মায়ের দায়িত্ব হলো, মেয়েকে বলে দেয়া: আশেপাশের ছেলেদের সাথে প্রয়োজনের বেশি কথা না বলা। যা বলার আব্বু-আম্মু বা ভাইয়াকে বলা। পাশের বাসা বা প্রতিবেশির ছেলে ছোট হলেও মেয়েদের সাথে থাকতে অভ্যস্ত করে তোলা!
মেয়েকে ছোটবেলা থেকেই কুরআন কারীমের কিছু কিছু অংশ মুখস্থ করিয়ে দেয়া: বিশেষ করে পর্দার আয়াতগুলো পড়ে শোনানো। না বুঝলেও কুরআনের শব্দেরও অনিবর্চনীয় একটা শক্তি আছে। ক্রমে ক্রমে আয়াতগুলোর অর্থ বুঝিয়ে দেয়া। আল্লাহ তা‘আলা তার জন্যেই এই আয়াতগুলো নাযিল করেছেন! তিনি তার এই ছোট্টো বান্দীটির কাছে কী চাচ্ছেন! কুরআন কারীমের বরকতেই তার মধ্যে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে! পর্দা করা যে সরাসরি আল্লাহরই ইচ্ছা, সেটা বুঝতে শিখতে শুরু করবে! সবচেয়ে ভাল হয়, মেয়েকে নিয়মিত কুরআন হিফয করতে অভ্যস্ত করে তোলা। এবং তাকে এর গুরুত্ব বোঝাতে শুরু করা। গল্পের মতো করে! তার বয়েসের উপযোগী ঢঙে। বারবার বলা: যার মধ্যে কুরআন কারীম আছে, তাকে পর্দা করে চলতে হয়। না হলে কুরআনের অপমান হয়। আল্লাহ ও তার রাসূল নারাজ হন!
সময় করে করে, দ্বীনী পরিবারগুলোতে মেয়েকে নিয়ে যাওয়া: যারা দ্বীনকে তাকওয়ার মানদন্ডে মেনে চলার চেষ্টা করেন। এই দ্বীনদার পরিবারগুলোতে কিছু মুরুব্বী থাকেন। যারা দ্বীনকে মানতে মানতে স্বভাবে পরিণত করেছেন, তাদের সাথে নিজের কন্যাকে কিছু সময় কাটাতে দেয়া। তাদের সাথে গল্প করতে দেয়া। তাদের সাথে সুসম্পর্ক গড়ে তুলতে দেয়া।

তবে খেয়াল রাখা, এসব করতে গিয়ে, মা বা বাবা যেন কখনোই কঠোরতার আশ্রয় না নেন। তাহলে নিজের ভুলের কারণে মেয়েটা দ্বীন সম্পর্কে ভুল ধারনা নিয়ে বড় হতে পারে।

সেই ছোট্টবেলা থেকেই ,মেয়ের জন্যে আলাদা একটা কুরআন কারীমের ব্যবস্থা করা। কুরআন কারীমের আদব শিক্ষা দেয়া। পর্দার আয়াতগুলো চিহ্নিত করে দেয়া। মাঝেমধ্যে যেন নিজে নিজেই আয়াতগুলো পড়ে। অর্থ আর তাফসীরও কিনে দেয়া। এতে কুরআনের সাথে একটা সম্পর্ক গড়ে উঠবে। পাশাপাশি দ্বীনের বিধান সরাসরি কুরআন থেকে গ্রহণ করার একটা মানসিকতা গড়ে উঠবে।
মেয়ে যদি পুতুলখেলায় অভ্যস্ত হয়, সেই পুতুলকেও বোরকা পরিয়ে রাখা। কারণ বাজারে যেসব পুতুল পাওয়া যায়, প্রায় সবগুলোই পাশ্চাত্যের ঢঙে সংক্ষিপ্ত পোষাক পরানো থাকে। এগুলো দেখে দেখে মেয়ের মনে, পোষাক নিয়ে ছাড়াছাড়ির মনোভাব তৈরী হতে পারে। তাই তাকে বলে দেয়া: তোমার পুতুল বন্ধুকেও বোরকা পরিয়ে রাখো। প্রথম প্রথম মা-ই পুতুলকে শালীন পোষাক পরাবে! পরে মেয়েকে দায়িত্ব দিবে। তাহলে সে বুঝতে শিখবে, পুতুলের পোষাক বা চুলটা এভাবে রাখা ঠিক নয়। এমন পোষাক ও বেশভূষাকে অজান্তেই অপছন্দ করতে শিখবে!
কুরআন কারীমের পাশাপাশি হাদীস শরীফও পড়তে শেখানো। অর্থ বুঝিয়ে দেয়া। পর্দাবিষয়ক হাদীসগুলো। সামান্য ব্যখ্যাও সম্ভব হলে বলে দেয়া। তার বুঝের স্তরের দিকে লক্ষ্য রেখে! কারণ মায়ের কথার চেয়ে, নবীজি (সাঃ) এর কথার প্রভাব অনেক অনেক বেশি!

পাঠ ০১ঃ  বাচ্চাকে কীভাবে দ্বীন শিক্ষা দিবেন------------------------------আহা সন্তান যার আছে তার টেনশনের শেষ নেই। কিভাবে ...
10/05/2026

পাঠ ০১ঃ বাচ্চাকে কীভাবে দ্বীন শিক্ষা দিবেন
------------------------------
আহা সন্তান যার আছে তার টেনশনের শেষ নেই। কিভাবে মানুষ করবেন। সন্তানদের নিয়ে কত সপ্ন। ছোট একটা বিষয় আলোচনা করব সন্তান কে কিভাবে দ্বীন শিক্ষা দিবেন। মুসলিম বাবা-মা হিসেবে কখন থেকে বাচ্চাকে ইসলাম সম্পর্কে ধারনা দিবো? এজ আর্লি এজ পসিবল। মনে হতে পারে বাচ্চা বুঝবে না, কিন্তু ব্রেইন ঠিকই ক্যাচ করে নিবে।
একটা রাফ গাইডলাইন আছে এখানে বাচ্চার ১৮-৩৬ মাস বয়সী হলেই এই কাজ গুলি শুরু করে দিবেন ইনশাআল্লাহ।

আকিদাহঃ
আল্লাহ কোথায় আছেন? তোমার রব কে? কে তোমাকে বানিয়েছেন?
বাচ্চার সাথে কথা বলুন আল্লাহর সৃষ্টি নিয়ে (আকাশ, গাছ-পালা, ফুল প্রজাপতি কে বানিয়েছেন?)

আযকার/ডেইলি দু’আঃ
ঘুম থেকে উঠার দু’আ, ঘুমাতে যাওয়ার আগের দু’আ।
খাওয়ার আগের দু’আ, খাওয়ার পরের দু’আ।
হাঁচি দিলে কি বলতে বলতে হয়?আলহামদুলিল্লাহ
সালামের প্রচার শেখানো, ছোট-বড় সবাইকে সালাম দেয়া।
বাথরুমে যাওয়ার দু’আ, বের হওয়ার দু’আ।
বাসা থেকে বের হওয়ার দু’আ।
সব কাজ করার আগে বিসমিল্লাহ বলা।
যে কোন কাজ করবো বলার আগে ইনশা আল্লাহ বলা, সুন্দর কিছু দেখলে মাশা আল্লাহ বলা, কোন কিছু গিফট পেলে জাযাকাল্লাহু খায়ির বলা।

কুরআনঃ
রেগুলার কুরআন বাচ্চাকে সাথে নিয়ে পড়ুন।বাচ্চা পাশে বসে থাকতে পারে।
ঘুমানোর আগে আয়াতুল কুরসী, সূরা ফাতিহা, কূল যুক্ত সূরা বাচ্চাকে সাথে নিয়ে পড়েন।খুব দ্রুত দেখবেন বাচ্চা আপনার সাথে পড়ছে।

আখলাকঃ
খাবার এবং পানি ডান হাতে খাওয়া, বসে খাওয়া এবং বিসমিল্লাহ বলে খাওয়া।
যে কোন কাজ করার আগে বাবা-মায়ের পারমিশন নেয়া,“প্লিজ”বলতে শেখানো। ভুল হলে“সরি”। ( আরাবিক শুব্ধ সমূহ ও ব্যাবহার করতে পারেন )
যত ছোট বয়সই হোক, পোশাক বদলানোর সময় লজ্জ্বার ধারনা দেয়া। অন্যদের সামনে বাচ্চার ডায়াপার চেইঞ্জ করবেন না। আড়াল রাখুন।
শেয়ারিং শেখান। যে কোন কিছু অন্যদের সাথে শেয়ার করলে প্রশংসা করুন।ভালো কাজগুলোকে এপ্রিশিয়েট করুন এবং এভাবে রিলেট করুন, আল্লাহ এটা পছন্দ করেন, রসূল (সাঃ) এভাবে বলেছেন...

সিরাহ্ঃ
রসূল (সাঃ) এবং সাহাবীদের গল্প বলুন।
ছোট হাদীসগুলো গল্পের মতো করে বলুন।
কুরআনের ঘটনাগুলো নিজের ভাষায় গুছিয়ে বলুন।

ইবাদাহঃ
নামায বাচ্চাকে সাথে নিয়ে পড়ুন। না দাঁড়ালেও খেলার এরিয়া যাতে আশেপাশে থাকে।(সূত্র কৃতজ্ঞতাঃ কনফেশন অফ মুসলিম মামাহোলিক ডট কম)

বাবা-মায়েদের জন্য টিপসঃ
এই বয়সী বাচ্চাদের ধরে-বেঁধে শেখানোর কিছু নেই। নিজেদের লাইফে প্র্যাকটিস করলে, বাচ্চারা দেখেই শিখবে। নিজের লাইফে নাই কিন্তু আশা করি, বাচ্চাকে শেখাতে পারবো-এই চিন্তা থেকে বের হয়ে আসুন। আমি যদি চাই বাচ্চা ইসলামিক মাইন্ডের হবে, তাহলে আগে নিজেকেই সেই ছাঁচে গড়ে নিতে হবে।

বাড়িতে নামায পড়ার ক্ষেত্রে, সূরা জোরে পড়তে পারেন যাতে বাচ্চা শুনতে পায়। মাসনূন দু’আ গুলো বাচ্চাকে সাথে নিয়ে পড়ুন। বাচ্চারা শুনতে শুনতেই শেখে। আলাদা করে শেখানোর দরকার নেই।

বাচ্চাকে আগে আল্লাহকে ভালোবাসতে শেখান। যেমনঃ আল্লাহ রাগ করবেন, এটা বলার বদলে আল্লাহ এভাবে এভাবে করলে খুশি হবেন-এরকম বলতে পারেন।

তাকে জানান, আল্লাহই সবচাইতে বেশী ভালোবাসে তাকে, এমনকি বাবা-মায়ের চাইতেও!

রসূল (সাঃ) এর সুন্নাহর প্রতি ভালোবাসা গড়ে তুলুন। যে কোন ব্যাপারে উনাকেই রোল মডেল করুন ।

সুস্থতা-অসুস্থতা আল্লাহর কাছ থেকে আসে, ধারনা দিন। যে কোন ধরনের ব্যাথা পাওয়ায় বা অসুস্থতায় একমাত্রই আল্লাহই তাকে সুস্থ করবে এটা বোঝান।
জান্নাত সম্পর্কে ধারনা দিন। সেটা কত চমৎকার জায়গা সময়ে সময়ে বর্ননা করুন। যাতে এই জায়গায় যাওয়ার ব্যাপারে বাচ্চার আগ্রহ মাথায় গেঁথে যায়।

মসজিদের সাথে এটাচমেন্ট তৈরী করে দিন। সম্ভব হলে বাচ্চাকে জামাতে নামায পড়ার সময় সাথে রাখুন। সে কোন মসজিদ ভিত্তিক হালাকায় সাথে রাখুন।

বাচ্চাকে ভালো মুসলিম হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করুন, বাই প্রোডাক্ট হিসেবে ভালো মানুষ সে এমনিতেই হবে।
ইনশা আল্লাহ

11/04/2026

اِنَّ الَّذِیْنَ یُحِبُّوْنَ اَنْ تَشِیْعَ الْفَاحِشَةُ فِی الَّذِیْنَ اٰمَنُوْا لَهُمْ عَذَابٌ اَلِیْمٌ فِی الدُّنْیَا وَ الْاٰخِرَةِ وَ اللهُ یَعْلَمُ وَ اَنْتُمْ لَا تَعْلَمُوْنَ.

স্মরণ রেখ, যারা মুমিনদের মধ্যে অশ্লীল বিষয়ের প্রসার হোক- এটা কামনা করে, তাদের জন্য দুনিয়া ও আখেরাতে আছে যন্ত্রণাময় শাস্তি এবং আল্লাহ জানেন, তোমরা জান না। -সূরা নূর (২৪) : ১৯

10/04/2026

“তোমাদের মধ্যে এমন একটি দল থাকা উচিত যারা কল্যাণের দিকে আহ্বান করবে, সৎকাজের আদেশ দেবে এবং অসৎকাজ থেকে নিষেধ করবে...”

(সূরা আলে ইমরান: ১০৪)

আমাদের গন্তব্য তো এক সোনার তোরণের দিকে যা এই ভূ-পৃষ্ঠে নেই। আমরা আমাদের সঙ্গীদের চেহারার ভিন্নতাকে গ্রাহ্যের মধ্যে আনি ন...
24/03/2026

আমাদের গন্তব্য তো এক সোনার তোরণের দিকে যা এই ভূ-পৃষ্ঠে নেই। আমরা আমাদের সঙ্গীদের চেহারার ভিন্নতাকে গ্রাহ্যের মধ্যে আনি না, কারণ আমাদের আত্মার গুঞ্জন হু হু করে বলে আমরা এক আত্মা, এক প্রাণ। -আল মাহমুদ

┏━━━━ ﷽ ━━━━┓🕌        𝐄𝐢𝐝🤲𝐌𝐮𝐛𝐚𝐫𝐚𝐤     🕋┗━━━━ ﷽ ━━━━┛" তাক্বাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম "আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাত...
21/03/2026

┏━━━━ ﷽ ━━━━┓
🕌 𝐄𝐢𝐝🤲𝐌𝐮𝐛𝐚𝐫𝐚𝐤 🕋
┗━━━━ ﷽ ━━━━┛
" তাক্বাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম "

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।

আল্লাহ রব্বুল আলামীন আমাদের পবিত্র সিয়াম, কিয়াম এবং অন্যান্য নেক আমল সমূহ কবুল করে নিন।

পবিত্র রমাদান এর শিক্ষায় আলোকিত হোক মানব জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত এই প্রত্যাশা রাখছি।

12/03/2026

Productive Ramadan 2.0
Discussion on Zakat.

আমাদের ক্লাবগুলি থেকে এমন আয়োজন অবশ্যই আমাদের আনন্দিত করে। আপনারা সকলেই জয়েন করবেন । সকলের জন্য সকল বিভাগের জন্য উন্মুক্...
09/03/2026

আমাদের ক্লাবগুলি থেকে এমন আয়োজন অবশ্যই আমাদের আনন্দিত করে। আপনারা সকলেই জয়েন করবেন । সকলের জন্য সকল বিভাগের জন্য উন্মুক্ত।

📢 Deadline Extended! 🌙

সবার অনুরোধের ভিত্তিতে Inter-University Ramadan Special Contest 2026 এর Video Submission Deadline আরও 3 দিন বাড়ানো হয়েছে।

⏳ New Deadline: 11 March

যারা এখনো অংশগ্রহণ করোনি, দ্রুত তোমাদের Quran Tilawat বা Hamd / Naat এর ভিডিও জমা দাও।

📩 Submission Form:
https://forms.gle/tFRrGkrimo7PChTs6

এখনই অংশগ্রহণ করো এবং জিতে নাও আকর্ষণীয় পুরস্কার। 🌙✨




09/03/2026

productive ramadan 2.0

Address

Dhaka International University
Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when DIU Muslim's Community posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to DIU Muslim's Community:

Share