05/08/2025
চলচ্চিত্র সংস্কার রোডম্যাপের বিবৃতির প্রতি বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন ইন্সটিটিউট ফিল্ম ক্লাব সংহতি জানাচ্ছে।
আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই—বাংলাদেশের পবিত্র মাটি কখনোই পাকিস্তানি প্রেতাত্মাদের নামে হবে না।
চলচ্চিত্র সংস্কার রোডম্যাপের পক্ষ থেকে স্পষ্ট বিবৃতি
তারিখ: ০৫ আগষ্ট, ২০২৫
বিষয়: গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে অপমান এবং একাত্তরের শহীদদের প্রতি অবমাননা!
আজ যখন ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের এক বছর পূর্তিতে গোটা জাতি শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাচ্ছে, ঠিক তখনই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৭১-এর চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধীদের ছবি টাঙিয়ে তাদের তথাকথিত 'বীরত্বগাথা' প্রচার করা হচ্ছে। এই ঘটনা কেবল ধৃষ্টতা নয়, বরং আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সম্মানের প্রতি সরাসরি আঘাত।
যে তরুণ সমাজ স্বৈরাচারকে হটিয়ে গণতন্ত্র ফিরিয়ে এনেছে, তাদের সামনেই এই ধরনের ঔদ্ধত্য দেখানো হচ্ছে। এর মাধ্যমে আমাদের গৌরবময় ইতিহাসকে বিকৃত করার এক জঘন্য চেষ্টা চলছে। এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং এক সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের অংশ।
গণঅভ্যুত্থানের পর যখন জাতি নতুন করে স্বাধীনতার আদর্শকে ধারণ করছে, তখন এই ধরনের কার্যকলাপ অত্যন্ত ধৃষ্টতাপূর্ণ এবং মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে সুস্পষ্ট বিশ্বাসঘাতকতার শামিল। সংস্কৃতি হলো সমাজের দর্পণ, যা আমাদের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংগ্রামকে ধারণ করে। এই মাধ্যমকে ব্যবহার করে স্বাধীনতাবিরোধী শক্তিকে বৈধতা দেওয়ার যেকোনো প্রচেষ্টা আমরা তীব্রভাবে প্রত্যাখ্যান করছি।
আমরা দ্ব্যর্থহীন ভাষায় এই অপচেষ্টার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। গণঅভ্যুত্থানের চেতনা এবং মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ কখনো এই ধরনের অপশক্তির কাছে হার মানবে না।
স্বৈরাচার আর রাজাকার
মিলেমিশে একাকার
৭১ হারেনি
হেরে গেছে রাজাকার
২৪ হারেনি
হেরে গেছে রাজাকার
ধিক্কার! ধিক্কার! ধিক্কার!
#হোক_প্রতিবাদ
#গণঅভ্যুত্থান_ও_মুক্তিযুদ্ধ_একই_চেতনা
#যুদ্ধাপরাধীদের_বিরুদ্ধে_ধিক্কার
কমিউনিকেশন উইং
চলচ্চিত্র সংস্কার রোডম্যাপ
[email protected]