Green Life Old Age Home & Child Care Center

Green Life Old Age Home & Child Care Center Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Green Life Old Age Home & Child Care Center, Nonprofit Organization, Office : R. S. Bhaban, 120/A Motijheel C/A. 3rd floor. Room : 405, Motijheel, Dhaka-1000, Dhaka.

মেথির উপকারিতা জেনে নিনমেথিকে সাধারণত মসলা হিসেবেই ব্যবহার করা হয় সবজিতে। কিন্তু, এই মেথি শুধুমাত্র মশলা নয়। মেথি খাবার ...
04/08/2016

মেথির উপকারিতা জেনে নিন

মেথিকে সাধারণত মসলা হিসেবেই ব্যবহার করা হয় সবজিতে। কিন্তু, এই মেথি শুধুমাত্র মশলা নয়। মেথি খাবার এবং পথ্যও। মেথির স্বাদ তিতা ধরনের। এতে রয়েছে রক্তের চিনির মাত্রা কমানোর বিস্ময়কর শক্তি। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে মেথি চিবিয়ে খেলে বা এক গ্লাস জলে মেথি ভিজিয়ে রেখে সেই জল খেলে শরীরের রোগ-জীবাণু মরে, বিশেষত কৃমি মরে, রক্তের চিনির মাত্রা কমে। রক্তে ক্ষতিকর কোলেস্টেরল বা চর্বির মাত্রা কমে যায়। বার্ধক্যকে দূরে ঠেলে দিয়ে তারুণ্যকে দীর্ঘস্থায়ী করতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে মেথি। গবেষণা করে দেখা গেছে, যে ডায়াবেটিক রোগীরা নিয়মিত মেথি খান, তাঁদের ডায়াবেটিসজনিত অসুখগুলো কম হয় এবং স্ট্রোক হওয়ার প্রবণতা তুলনামূলকভাবে কম।

ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য মেথি শ্রেষ্ঠ পথ্য। যাদের ডায়াবেটিস নেই মেথি তাদের জন্যও জরুরি। মাতৃদুগ্ধ বৃদ্ধির জন্য কালো জিরার মতো মেথি পিষে খাওয়াটাও যথেষ্ট উপকার। তবে খেয়াল রাখতে হবে, মেথি ভেজে পিষলে পুষ্টি সব নষ্ট হয়ে যাবে। রৌদ্রে শুকিয়ে নিয়ে ভাজলে খেতে মচমচে লাগবে। মেথি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, শরীরকে রাখে সতেজ। রক্তের উপাদানগুলোকে করে কর্মক্ষম। ফলে মানুষের কর্মোদ্দীপনাও বৃদ্ধি পায়। মৌসুমি রোগগুলোর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে। নানাবিধ গুণের জন্যই মেথি হোক আপনার পরিবারের সদস্য। তাই,মেথিকে শুধু রান্নার কাজেই নয়, আমাদের প্রাণ বা কর্মশক্তি বাড়াতে এর জুড়ি নেই।

আনুমানিক ৩০টি দেশের, ২৫ হাজার মানুষের ওপর (পুরুষ) এর পরীক্ষা চালানো হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব পুরুষ তাদের যৌনশক্তি নিয়ে উদ্বিগ্ন, তারা মেথির রস দিনে দু’বার পরিমাণ মতো সেবন করলে আশ্চর্য সুফল পেতে পারেন। এই পরিমিত সেবনে তাদের দাম্পত্য জীবন হয়ে উঠবে আরও সুখময়। হতাশা বা অবসাদ, অতিরিক্ত শারীরিক ওজন ও অ্যালকোহল পানে অসুস্থতা, ডায়াবেটিস ইত্যাদি বহু অসুখ ও শারীরিক সমস্যার জন্য মেথির রস এক মহৌষধ! মেথির রসে ‘সাপোনিস’ বা ‘ডাইওসজেনিন’ নামে এক ধরনের যৌগ পদার্থ আছে, যা মানবদেহের হরমোন স্তর বা এর পরিমাণ বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

গবেষণায় আরও বলা হয়, ছয় সপ্তাহে অন্তত দিনে দু’বার করে এর রস নিয়মিত পান না করলে তেমন উপকারিতা পাওয়া যাবে না। শুধু তাই নয়, আপনি যদি মেথি সরাসরি খেয়ে ফেলেন তবে এটি আপনার ডায়েটে সহায়তা করবে। আর যদি আপনি এটি আপনার চুলে প্রয়োগ করেন তাহলে আপনার চুলের বিভিন্ন সমস্যা দূর করবে। চুলে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা বলতে চুল পড়া, চুল রুক্ষ হয়ে যাওয়া ইত্যাদিকে বোঝায়। মেথির দানাকে কিছুটা গরম করে সারারাত নারিকেল তেলের মধ্যে ভিজিয়ে রেখে চুলে মেসেজ করলে বেশ কার্যকরী ভূমিকা পাওয়া যাবে। এভাবে নিয়মিত দিলে চুল পড়া রোধ করে, চুল ঘন হয়। এছাড়া এটি চুলের খুসকি দূর করে, উজ্জ্বলতা বাড়ায় এবং চুলের বিভিন্ন পুষ্টির যোগান দেয়।এছাড়াও, ত্বক পরিষ্কার করতে, বিভিন্ন ক্ষত এবং ব্যথা সারাতেও এটি অনেক কার্যকরী ভূমিকা রাখে। এছাড়া আপনার প্রতিদিনের ফেসপ্যাকে মেথি গাছের নির্যাস ব্যবহার করলে মুখের ব্রণ, কালো দাগ এবং ফুসকুড়ি নিরাময় হয়।

ইস! কৌশলটা আগে জানা থাকলে হয়তো বাবা স্ট্রোক করে মারা যেতেন না!  ২০১৬ জুন ০২ ২২:১৩:০৯চীনের অধ্যাপকরা বলছেন যে কারো স্ট্রো...
06/06/2016

ইস! কৌশলটা আগে জানা থাকলে হয়তো বাবা স্ট্রোক করে মারা যেতেন না! ২০১৬ জুন ০২ ২২:১৩:০৯

চীনের অধ্যাপকরা বলছেন যে কারো স্ট্রোক হচ্ছে যদি এমন দেখেন তাহলে আপনাকে নিম্নলিখিত পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে।
যখন কেউ স্ট্রোকে আক্রান্ত হয় তার মস্তিষ্ক কোষ ধীরে ধীরে প্রসারিত হয়।মানুষের ফার্স্ট এইড এবং বিশ্রামের প্রয়োজন হয়।
যদি দেখেন স্ট্রোকে আক্রান্ত ব্যক্তিকে সরানো যাবে না কারন মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ বিস্ফোরিত হতে পারে, এটা ভাল হবে যদি আপনার বাড়ীতে পিচকারি সুই থাকে, অথবা সেলাই সুই থাকলেও চলবে , আপনি
কয়েক সেকেন্ডের জন্য আগুনের শিখার উপরে সুচটিকে গরম করে নেবেন যাতে করে জীবাণুমুক্ত হয় এবং তারপর রোগীর হাতের ১০ আঙ্গুলের ডগার নরম অংশে ছোট ক্ষত করতে এটি ব্যবহার করুন।এমনভাবে করুন যাতে প্রতিটি আঙুল থেকে রক্তপাত হয়, কোন অভিজ্ঞতা বা পূর্ববর্তী জ্ঞানের প্রয়োজন হবে না ।
কেবলমাত্র নিশ্চিন্ত করুন যে আঙ্গুল থেকে যথেষ্ট পরিমাণে রক্তপাত হচ্ছে কি না।
এবার 10 আঙ্গুলের রক্তপাত চলাকালীন, কয়েক মিনিটের জন্য অপেক্ষা করুন দেখবেন ধীরে ধীরে রোগী সুস্থ হয়ে উঠছে।
যদি আক্রান্ত ব্যক্তির মুখ বিকৃত হয় তাহলে তার কানে ম্যাসেজ করুন। এমনভাবে তার কান ম্যাসেজ করুন যাতে ম্যাসেজের ফলে তার কান লাল হয়ে যায় এবং এর অর্থ হচ্ছে কানে রক্ত পৌঁছেছে।
তারপর প্রতিটি কান থেকে দুইফোঁটা রক্ত পড়ার জন্য প্রতিটি কানের নরম অংশে সুচ ফুটান।কয়েক মিনিট অপেক্ষা করুন দেখবেন মুখ আর বিকৃত হবে না।আরও অন্যান্য উপসর্গ দেখা যায়। যতক্ষণ না রোগী মোটামুটি স্বাভাবিক হচ্ছে অপেক্ষা করুন। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করেই যথাসম্ভব তাড়াতাড়ি হাসপাতালে ভর্তি করান।
জীবন বাঁচাতে রক্তক্ষয় পদ্ধতি চীনে প্রথাগত ভাবে চিকিৎসার অংশ হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছে। এবং এই পদ্ধতির ব্যবহারিক প্রয়োগ,100% কার্যকরী প্রমাণিত হয়েছে।

এই পোস্টটিকে লাইক করার চেয়ে শেয়ার করলে ব্যাপারটা সবাই জানতে পারবে।
দয়া করে এটিকে বেশি বেশি করে শেয়ার করুন।
যদি কেউ মনে করে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এর সাথে আলোচনা করতে পারেন।
মানুষ মানুষের জন্য জীবন জীবনের জন্য।
সুত্র :ইন্টারনেট
- See more at: http://www.binodon69.com/bn/article/35298/ .qhQC2w5V.dpuf

23/04/2016

যে ১৫ টি উপকারিতার জন্য খাবারের তালিকায় রাখবেন টমেটো

Health Benefits Of Tomato

আমাদের নিত্যদিনের খাদ্যতালিকায় সুস্বাদু একটি সবজি। রান্নায় এবং সালাদে টমেটো ছাড়া কল্পনাই করা যায় না । এই টমেটো (tomato) এর খুব গুরুত্বপূর্ণ কিছু উপকারিতা রয়েছে, যা আমাদের দেহকে নানা রকম রোগ-ব্যাধি থেকে মুক্ত রাখবে। তো চলুন দেখে নেয়া যাক এই ১৫ টি উপকারিতা, যার জন্য আমাদের টমেটো খেতে হবে।

১. ক্যানসার প্রতিরোধক: ক্যানসার (cancer) কোষ বিনষ্টকারী প্রাকৃতিক অ্যানটি-অক্সিডেনট এর প্রাকৃতিক উৎস হল টমেটো। তাই ক্যান্সারের ঝুঁকি রোধে খেতে পারেন টম্যাটো।

২. হৃৎপিণ্ডকে শক্তিশালী করা: টমেটোতে রয়েছে প্রচুর আঁশ (fiber) , পটাশিয়াম এবং ভিটামিন সি। হৃদযন্ত্র (heart) কে সুস্থ রাখতে টমেটো খাওয়ার বিকল্প নেই।

৩. দেহের হাড় মজবুত করে: টমেটো তে রয়েছে প্রচুর ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন কে , যা দেহের হাড় (bones) মজবুত করে এবং ভাঙ্গা হাড়কে জোড়া লাগায় দ্রুততার সাথে।

৪. রাতকানা রোগ নিরাময় করে : টমেটো একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের দৃষ্টিশক্তি (eyesight) বাড়ায়। এতে যে ভিটামিন এ রয়েছে, সেটা রাতকানা রোগ নিরাময় করে ।

৫. চুল পড়া কমায় : টমেটো তে যেই পরিমাণ ভিটামিন এ রয়েছে, সেটা আমাদের চুল পড়া (hair fall) কমায় এবং চুলকে মজবুত করে।

৬. কিডনিতে পাথর জমা রোধ করে : যাদের কিডনিতে (kidney) সমস্যা রয়েছে, তারা আজ থেকেই খাদ্যতালিকায় টমেটো রাখবেন। কারণ হলো, টমেটো কিডনিতে পাথর জমতে দেয় না।

৭. ওজন কমায় টমেটো : যাদের স্থুলতা নিয়ে চিন্তা, তারা এই প্রাকৃতিক খাদ্য গ্রহণ করতে পারেন। প্রতিদিনের প্রচুর পরিমাণে টমেটো আমাদের দেহের অতিরিক্ত চর্বি দূর করে এবং দেহে অতিরিক্ত মেদ জমতে দেয় না।

৮. বাতের ব্যথা দূর করে: যাদের বাতের ব্যথা (arthritis) প্রচণ্ড, তারা টমেটো খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করবেন, কারণ এটি বাতের ব্যথা অনেকাংশে দূর করতে সক্ষম।

৯. প্রোস্টেট ক্যানসার প্রতিরোধ: টমেটোতে প্রচুর পরিমানে বেটা-ক্যারোটিন উপাদান আছে, যা পুরুষদের প্রোস্টেট ক্যানসার (prostate cancer) প্রতিরোধে কার্যকরী সাহায্য করে। তাই যাদের প্রোস্টেট গ্রন্থি তে সমস্যা আছে, তারা টমেটোকে উপকারী উপাদান হিসেবে খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন।

১০. ত্বকের সুরক্ষায়: আমাদের দেহের ত্বককে ক্ষতিকর সূর্যরশ্মি, তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে রক্ষা করতে পারে এই টমেটো। আর আমরাও পেতে পারি সুন্দর ত্বক (skin) ।

১১.ফুসফুস এবং যকৃতের ক্যানসার প্রতিরোধক: টমেটো তে উচ্চমাত্রার আঁশ এবং প্রোটিন থাকে, যা ফুসফুস (lung) এবং যকৃতের (liver) ক্যানসার এর ঝুকি কমায়।

১২. উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্র্ণ করে: যাদের উচ্চরক্তচাপের (high blood pressure) সমস্যা আছে, তাদের জন্য টমেটো অনেক বেশি ফলদায়ক।

১৩. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে টমেটো: গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে, প্রতিদিন ২৫ গ্রাম টমেটো খেলে ডায়াবেটিস (diabetes) নিয়ন্ত্রণ করা টা অনেক বেশি সহজ হয়ে যায়। পুরুষদের জন্য ২৫ গ্রাম এবং নারী দের জন্য ৩৫ গ্রাম টমেটো ফলপ্রসূ। চমৎকার ভাবে দেহের ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখে এই টমেটো।

১৪. পানিশূন্যতা রোধে টমেটো: দেহের পানিশূন্যতা (dehydration) রোধের জন্য টমেটো হচ্ছে প্রাকৃতিক ওষুধের মত । দেহে শক্তি যোগায় এই টমেটো।

১৫.বিষণ্ণতা রোধে: শুনতে অবাক করলেও এটাই সত্যি। টমেটো আমাদের বিষণ্ণতা (depression) অনেকাংশে কমিয়ে দেয়। শুধু তাই নয়, আমাদের পরিপাকতন্ত্রের এবং ঘুমের সমস্যায় এই টমেটো অনেকটা কার্যকরী।

তাই খাবারের প্লেটে রাখুন টমেটো।

লেখাটি সম্পর্কে আপনার মতামত কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে অনুরোধ করছি। পরামর্শ.কম এর অন্যান্য প্রকাশনার আপডেট পেতে যোগ দিন ফেইসবুক, টুইটার, গুগল প্লাসে অথবা নিবন্ধন করুন ইমেইলে।

27/03/2016

পেয়ারার আশ্চর্যজনক কিছু উপকারিতা

পেয়ারা অনেক সাধারণ একটি ফল তাই অনেকে এটিকে অবহেলা করে থাকেন। কিন্তু এর মধ্যে থাকা পুষ্টি উপাদান ও গুণাবলী গুলো জানলে পেয়ারাকে যে আর কখনোই উপেক্ষা করবেন না এটা নিশ্চিত রূপে বলতে পারি। পেয়ারা একটি ভিটামিন-সি আর ময়েশ্চারসমৃদ্ধ ফল। এর উচ্চমাত্রার ভিটামিন-এ ও ‘সি’ ত্বক, চুল ও চোখের পুষ্টি জোগায়, ঠান্ডাজনিত অসুখ দূর করে।
পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতাগুলো নিচে তুলে ধরা হল:

১। ভিটামিন সি সমৃদ্ধ:
পেয়ারায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে এবং এটি কোষকে রক্ষা করে ও তাদের ক্যান্সারের ঝুঁকি থেকে করতে সাহায্য করে।

২। ডায়াবেটিকের ঝুঁকি হতে রক্ষা করে:
এর ফাইবার ব্লাড সুগার কমাতে সাহায্য করে। এবং শরীরের ডিজেস্টিভ সিস্টেমকেও ভালো রাখে। পেয়ারা শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে ৷ এছাড়াও এতে যে ফাইবার রয়েছে তা বেশ উপকারি৷ এই বিশেষ ফলটি টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে সক্ষম৷

৩। চোখের স্বাস্থ্যের উন্নতি করে:
ভিটামিন এ দৃষ্টি শক্তি বৃদ্ধি করতে চমৎকার কাজ করে। পেয়ারা Retinol সমৃদ্ধ ফল। তাই আপনি যদি গাঁজর খেতে অপছন্দ করেন তাহলে আপনার দৃষ্টি শক্তি বৃদ্ধি করতে পেয়ারা খেতে পারেন।

৪। রক্তচাপ কমায়:
পেয়ারাতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে৷ এটি শরীরের অতিরিক্ত রক্তপাচ কমাতে সাহায্য করে ও রক্তচাপকে স্বাভাবিক রাখে৷

৫। ট্রেস উপাদান কপার সমৃদ্ধ :
থাইরয়েড গ্রন্থি কার্যকরী বজায় রাখতে পেয়ারা খুব ভাল উপাদান, এতে ট্রেস উপাদান তামা থাকে। এটি থাইরয়েড গ্রন্থির স্বাস্থ্য সমস্যা দূর করে।

৬। ম্যাঙ্গানিজের ঐশ্বর্য:
পেয়ারা আমরা আমাদের খাদ্য থেকে গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি শোষণ করে শরীরের সকল খাবারের মধ্যে সমন্বয় সাধন করে। এটি ম্যাঙ্গানিজ সমৃদ্ধ । এটি পুষ্টির ভাণ্ডার।

৭। স্নায়বিক আরাম:
পেয়ারা একটি ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ ফল। এটা শরীরের পেশী এবং স্নায়ু শিথিল করতে সাহায্য করে। সুতরাং একটি কঠিন কাজ করার পরে, একটি পেয়ারা আপনি আপনার পেশী শিথিল এবং আপনার কর্ম সিস্টেমে একটি চমৎকার শক্তির সাহায্য দিতে সাহায্য করবে।

৮। রক্ত পরিষ্কার করে:
পেয়ারাতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন সি ও লাইকোপিন রয়েছে৷ এর ফলে রক্ত পরিষ্কার হয় ও ত্বক অনেক বেশি উজ্জ্বল হয়৷ এছাড়াও লাইকোপিনের সাহায্যে গালে গোলাপী আভা ফুটে ওঠে৷

৯। ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ প্রতিরোধ করে:
পেয়ারায় অবস্থিত ভিটামিন সি বিভিন্ন ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে পারে৷ এছাড়াও এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সক্ষম৷

১০। পাকস্থলীর স্বাস্থ্য ভালো রাখে:
যেকোন ব্যকটেরিয়া সংক্রমণ বা পেটের গোলযোগে সবচেয়ে কার্যকরী হল পেয়ারা৷ এই ফলটিতে অ্যাস্ট্রিজেন্ট ও অ্যান্টি-মাইক্রোবাল উপাদান থাকে ফলে এটি পাকস্থলীর স্বাস্থ্য বজায় রাখতে সাহায্য করে৷

১১। ওজন কমায়:
যাদের ওজন অতিরিক্ত হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে তারা পেয়ারা খেতে পারেন৷ পেয়ারা খেলে শরীরের অতিরিক্ত ওজন খুব সহজেই ঝড়ানো যেতে পারে৷

১২। ত্বক সুস্থু রাখে
ত্বককে ক্ষতিকর আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মি থেকে রক্ষা করে। ত্বক, চুল ও দাঁতের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে। পুষ্টির বিচারে পেয়ারা হোক সবার নিত্যসঙ্গী।

১৩। চুল ভালো রাখে:
পেয়ারায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন ও খনিজ যা চুলের স্বাস্থ্য রক্ষা করে ও চুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। পেয়ারা নতুন চুল গজাতেও সাহায্য করে।

১৪। রোগ প্রতিরোধ বৃদ্ধি করে:
পেয়ারায় রয়েছে ক্যারটিনয়েড, পলিফেনল, লিউকোসায়ানিডিন ও অ্যামরিটোসাইড নামক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। ক্ষতস্থান শুকানোর জন্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রাখে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। -সূত্র: স্টাইল কেয়ার।

ধনে পাতার কিছু মারাত্বক অপকারিতা! ধনেপাতা আমরা সাধারণত খাবারের  গন্ধ এবং স্বাদ পরিবর্তনের জন্য ব্যবহার করে থাকি। তবে ধনে...
21/01/2016

ধনে পাতার কিছু মারাত্বক অপকারিতা!

ধনেপাতা আমরা সাধারণত খাবারের গন্ধ এবং স্বাদ পরিবর্তনের জন্য ব্যবহার করে থাকি। তবে ধনে পাতা যে কত মারাত্বক ক্ষতিকর তা কি আমরা জানি। কখনও কি কল্পনাও করেছেন যে এই সুস্বাদু খাবারটির কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থাকতে পারে?

অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি, সুপরিচিত এই খাবারে অনেক ঔষধি গুণাগুণের পাশাপাশি অনেক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও বিদ্যমান। যা আমাদের শরীরকে দিনদিন অসুস্থ করে তুলছে। নিচে কিছু ধনে পাতার মারাত্বক ক্ষতিকারক অপকারিতা দেওয়া হল-

লিভারের ক্ষতিসাধন: অতিরিক্ত ধনেপাতা খেলে এটি লিভারের কার্যক্ষমতাকে খারাপভাবে প্রভাবিত করে থাকে। এতে থাকা একধরনের উদ্ভিজ তেল শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গকে আক্রান্ত করে ফেলে। এছাড়া এটাতে এক ধরনের শক্তিশালী অ্যান্টি অক্সিডেন্ট রয়েছে যেটা সাধারণত লিভারের বিভিন্ন সমস্যা দূর করে। কিন্তু দেহের মাঝে এর অতিরিক্ত মাত্রার উপস্থিতি লিভারের ক্ষতিসাধন করে।

ত্বকের সংবেদনশীলতা: সবুজ ধনেপাতাতে মোটামুটিভাবে কিছু ঔষধি অ্যাসিডিক উপাদান থাকে যেটি ত্বককে সূর্যরশ্মি থেকে বাঁচিয়ে সংবেদনশীল করে থাকে। কিন্তু অতিরিক্ত সেবনে সূর্যের রশ্মি একেবারেই ত্বকের ভেতরে প্রবেশ করতে পারে না। ফলেত্বক ভিটামিন থেকে বঞ্চিত হয়। এছাড়া ধনেপাতা ত্বকের ক্যান্সার প্রবণতাও তৈরি করে থাকে।

নিম্ন রক্তচাপ: অতিরিক্ত ধনেপাতা খাওয়ার ফলে দেহের হৃৎপিন্ডের স্বাস্থ্য নষ্ট করে ফেলে, যার ফলে নিম্ন রক্তচাপ সৃষ্টি করে। বিশেষজ্ঞরা উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে এই ধনেপাতা খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। তাই এটি অতিরিক্ত খাওয়ার ফলে নিম্ন রক্তচাপের উদ্ভব ঘটতে পারে। এছাড়া এটি হালকা মাথাব্যথারও উদ্রেক করতে পারে।

বুকে ব্যথা: অতিরিক্ত ধনেপাতা আহারে বুকে ব্যথার মতো জটিল সমস্যাও দেখা দিতে পারে। এটা শুধুমাত্র অস্বস্তিকর ব্যথাই সৃষ্টি করে না তা দীর্ঘস্থায়ীও হয়ে থাকে। এজন্য এই সমস্যা থেকে রেহাই পেতে দৈনন্দিন আহারে কম করে এই ধনেপাতাখেতে পারেন।

পেট খারাপ: স্বাভাবিকভাবে ধনেপাতা গ্যাস্ট্রোইনটেস্টিনাল বিষয়ক সমস্যা দূর করে থাকে। কিন্তু বেশি পরিমাণে ধনেপাতা সেবন পাকস্থলীতে হজমক্রিয়ায় সমস্যা তৈরি করে থাকে। একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে এক সপ্তাহে ২০০ এমএল ধনেপাতা আহারে গ্যাসের ব্যথা ওঠা, পেটে ব্যথা, পেট ফুলে ওঠা, বমি হওয়া এমনকি পাতলা পায়খানা হওয়ারও সম্ভাবনা দেখা যায়।

ডায়রিয়া: ধনেপাতা অল্প খেলে পেটের সমস্যা দূর হয়। কিন্তু এটি বেশি পরিমাণে খেলে ডায়রিয়া হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়। এছাড়া এর ফলেডিহাইড্রেশন হতে থাকে। ফলে ডায়রিয়ার সমস্যাটি হতেই থাকে। তাই এই ধরনের সমস্যা এড়াতে প্রতিদিনের খাবারে ধনেপাতা কম পরিমাণে ব্যবহার করুন।

নিঃশ্বাসের সমস্যা: আপনি যদি শ্বাসকষ্টের রোগী হয়ে থাকেন তাহলে এই ধনেপাতা আহার থেকে বিরত থাকুন। কেননা এটি আপনার শ্বাস প্রশ্বাসের সমস্যা করে। যার ফলে ফুসফুসে অ্যাজমার সমস্যা হতে পারে। এই ধনেপাতা খেলে মাঝে মাঝে ছোট ছোটনিশ্বাস নিতেও সমস্যা তৈরি হয়।

অ্যালার্জীর সমস্যা: ধনেপাতার প্রোটিন উপাদানটি শরীরে আইজিই নামক অ্যান্টিবডি তৈরি করে যা শরীরের বিভিন্ন রাসায়নিক উপাদানকে সমানভাবে বহন করে থাকে। কিন্তু এর অতিরিক্ত মাত্রা উপাদানগুলোর ভারসাম্য নষ্ট করে ফেলে। ফলে অ্যালার্জী তৈরি হয়। এই অ্যালার্জীর ফলে দেহে চুলকানি, ফুলে যাওয়া, জ্বালাপোড়া করা, র্যাশ ওঠা এই ধরনের নানা সমস্যা হয়ে থাকে।

প্রদাহ: অতিরিক্ত ধনেপাতা সেবনের আরেকটি বিশেষ পার্শ্ব প্রতক্রিয়া হলো মুখে প্রদাহ হওয়া। এই ঔষধিটির বিভিন্ন এসিডিক উপাদান যেটি আমাদের ত্বককে সংবেদনশীল করে থাকে। পাশাপাশি এটি মুখে প্রদাহেরও সৃষ্টি করে। বিশেষ করে এর ফলে ঠোঁট, মাড়ি এবং গলা ব্যথা হয়ে থাকে। এর ফলে সারামুখ লালও হয়ে যায়।

ভ্রূণের ক্ষতি: গর্ভকালীন সময়ে অতিরিক্ত ধনেপাতা খাওয়া ভ্রূণের বা বাচ্চার শরীরের জন্য বেশ ক্ষতিকারক। ধনেপাতাতে থাকা কিছু উপাদান মহিলাদের প্রজনন গ্রন্থির কার্যক্ষমতাকে নষ্ট করে ফেলে। যার ফলে মহিলাদের বাচ্চা ধারণ ক্ষমতা লোপ পায় এবং বাচ্চা ধারণ করলেও গর্ভকালীন ভ্রূণের মারাত্মক ক্ষতি করে থাকে।

Hello my friend, I am cordially invited to you like this link https://www.facebook.com/greenlifebangladesh?ref=bookmarks...
17/01/2016

Hello my friend, I am cordially invited to you like this link https://www.facebook.com/greenlifebangladesh?ref=bookmarks

থাকুনি পাতা:: যৌবন ধরে রাখে

অনেকেই অ্যালোপ্যাথির দ্বারস্থ হয়ে যাই। কষ্ট লাঘবে তখন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার বিষয়টা মাথায় থাকে না। বিশেষ করে টাইফয়েড জ্বর, ডায়রিয়া, কলেরার মতো পেটের রোগে অ্যান্টিবায়োটিকও চলে আকছার।
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াযুক্ত ওই সব ওষুধগুলির দামও অনেক সময় নিম্ন আয়ের মানুষের নাগালের বাইরে হয়ে যায়। অথচ আমাদের হাতের কাছেই কিছু ভেষজ গাছ রয়েছে, যেগুলি অত্যন্ত অল্প দামে বা একটু খুঁজলে বিনামূল্যেও পাওয়া যায়, আমরা জানি না। অনেক সময় জেনেও, বিশ্বাস হয় না। তেমনই একটি ভেষজ উদ্ভিদ হল থানকুনি।
থানকুনি আমাদের অতিপরিচিত পাতা। পুকুরপাড় বা জলাশয়ে হামেশাই দেখা মেলে। কথায় বলে, পেট ভালো থাকলে মনও ফুরফুরে থাকে। চিকিত্‍সকরাই বলছেন, থানকুনি পাতার এমন ভেষজ গুণ রয়েছে, মিয়মিত খেতে পারলে, পেটের অসুখে কোনও দিনও ভুগতে হবে না। শরীর-স্বাস্থ্য তো সতেজ থাকেই, ছোট থেকে খাওয়াতে পারলে বুদ্ধিরও বিকাশ হয়। দেখে নেওয়া যাক, যৌবন ধরে রাখতে ও সুস্থ থাকতে থানকুনি পাতার ভেষজ গুণগুলি।
১. পেটের রোগ নির্মূল করতে থানকুনির বিকল্প নেই। নিয়মিত খেলে যে কোনও পেটের রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। একই সঙ্গে পেট নিয়ে কোনও দিনও সমস্যায় ভুগতে হয় না।
২. শুধু পেটই নয়, আলসার, এগজিমা, হাঁপানি-সহ নানা চর্মরোগ সেরে যায় থানকুনি পাতা খেলে। ত্বকেও জেল্লা বাড়ে।
৩. থানকুনি পাতায় থাকে Bacoside A ও B। Bacoside B মস্তিষ্কের কোষ গঠনে সাহায্য করে ও রক্ত চলাচল বাড়ায়। থানকুনি পাতা নিয়মিত খেলে স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পায়।
৪. থানকুনি স্নায়ুতন্ত্রকে সক্রিয় রাখতে সাহায্য করে।
৫. মৃতকোষের ফলে চামড়ায় অনেক সময়ই শুষ্ক ছাল ওঠে। রুক্ষ হয়ে যায়। থানকুনি পাতার রস মৃতকোষগুলিকে পুনর্গঠন করে ত্বক মসৃণ করে দেয়।
৬. পুরনো ক্ষত কোনও ওষুধেই না সারলে, থানকুনি পাতা সিদ্ধ করে তার জল লাগালে সেরে যায়। সদ্য ক্ষতে থানকুনি পাতা বেটে লাগালে, ক্ষত নিরাময় হয়ে যায়।
৭. থানকুনি পাতা চুল পড়া আটকে দেয়। এমনকি নতুন চুল গজাতেও সাহায্য করে।
৮. বয়স বাড়লেও, যৌবন ধরে রেখে দেয় থানকুনি পাতার রস। প্রতিদিন একগ্লাস দুধে ৫-৬ চা চামচ থানকুনি পাতার রস মিশিয়ে খেলে, চেহারায় লাবণ্য চলে আসে। আত্মবিশ্বাসও বেড়ে যায়।
৯. দাঁতের রোগ সারাতেও থানকুনির জুড়ি মেলা ভার। মাড়ি থেকে রক্ত পড়লে বা দাঁতে ব্যথা করলে একটা বড় বাটিতে থানকুনি
পাতা সিদ্ধ করে, তারপর ছেঁকে নিয়ে সেই জল দিয়ে কুলকুচি করলে উপকার পাওয়া যায় চটজলদি।
তথ্য সূত্র : ইন্ডিয়া টাইমস।

Green Life Old age Home & Care centerManaging Committee.
09/01/2016

Green Life Old age Home & Care center
Managing Committee.

Address

Office : R. S. Bhaban, 120/A Motijheel C/A. 3rd Floor. Room : 405, Motijheel, Dhaka-1000
Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Green Life Old Age Home & Child Care Center posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Green Life Old Age Home & Child Care Center:

Share