তাওহীদের আহবান

তাওহীদের আহবান আসুন কোরআন ও সহীহ সুন্নাহ অনুসারে জীবন গড়ি

17/08/2026
05/08/2026

শয়তানকে আপনি যতটা ভয়ংকর ভাবেন, সে তার চেয়েও বেশি বুদ্ধিমান!

সবচেয়ে ভয়ংকর প্রতারক সে নয়, যার চেহারা দেখে মানুষ ভয় পায়। সবচেয়ে ভয়ংকর প্রতারক সে, যার কথা শুনে মানুষ তাকে নিজের শুভাকাঙ্ক্ষী মনে করে।

আজ অনেকের মনে শয়তানের যে ছবি আঁকা আছে, সেটা কুরআন-সুন্নাহর নয়; বরং শিশুদের কার্টুনের। লাল রঙের, শিংওয়ালা, বিকৃত চেহারার এক দানব-যে নাকি কানে কানে এসে বলবে, "যাও, গুনাহ করো!"

কিন্তু বাস্তবতা সম্পূর্ণ ভিন্ন।

এটাই ইবলিসের সবচেয়ে বড় সাফল্য। কারণ সে আপনাকে এমন এক কাল্পনিক শত্রুর খোঁজে ব্যস্ত রেখেছে, অথচ নিজের আসল কৌশল আপনার চোখের আড়ালে রেখে দিয়েছে।

ইবলিস কখনোই মানুষের সামনে এসে নিজেকে শয়তান পরিচয় দেয় না। সে নিজেকে উপস্থাপন করে একজন পরামর্শদাতা, শুভাকাঙ্ক্ষী, বাস্তববাদী কিংবা যুক্তিবাদী হিসেবে। সে জানে-মানুষকে জোর করে পথভ্রষ্ট করা যায় না; কিন্তু সুন্দর ভাষা, আকর্ষণীয় যুক্তি এবং আবেগের মোড়কে ভুলকে সাজিয়ে দিলে মানুষ নিজেই সেই পথে হাঁটতে শুরু করে।

কুরআনের প্রথম ঘটনাটাই তার প্রমাণ।

আল্লাহ তা'আলা যখন আদম (আলাইহিস সালাম)-কে সিজদা করার নির্দেশ দিলেন, ইবলিস তখন প্রকাশ্যে বিদ্রোহ ঘোষণা করেনি। সে নিজের অহংকারকে যুক্তির পোশাক পরিয়ে বলেছিল-

﴿قَالَ أَنَا خَيْرٌ مِّنْهُ خَلَقْتَنِي مِن نَّارٍ وَخَلَقْتَهُ مِن طِينٍ﴾

"আমি তো তার চেয়ে উত্তম। আপনি আমাকে আগুন থেকে সৃষ্টি করেছেন আর তাকে সৃষ্টি করেছেন মাটি থেকে।"

দেখুন, কী সূক্ষ্ম প্রতারণা! অবাধ্যতাকে সে এমনভাবে উপস্থাপন করল যেন মনে হয় সে ন্যায়সঙ্গত একটি যুক্তি দিচ্ছে।

এরপর জান্নাতে আদম (আলাইহিস সালাম)-এর কাছেও সে বলেনি, "আল্লাহর অবাধ্য হয়ে যান।" বরং মানুষের স্বাভাবিক দুর্বলতা-দীর্ঘ জীবন, উচ্চ মর্যাদা ও স্থায়ী সুখের আকাঙ্ক্ষাকে লক্ষ্য করে সে বলল-

﴿وَقَالَ مَا نَهَىٰكُمَا رَبُّكُمَا عَنْ هَٰذِهِ ٱلشَّجَرَةِ إِلَّآ أَن تَكُونَا مَلَكَيْنِ أَوْ تَكُونَا مِنَ ٱلْخَٰلِدِينَ﴾

তারপর সন্দেহ দূর করতে শপথও করল-

﴿وَقَاسَمَهُمَآ إِنِّي لَكُمَا لَمِنَ ٱلنَّاصِحِينَ﴾

"আমি তো তোমাদের সত্যিকারের কল্যাণকামী।"

এই কৌশল আজও বদলায়নি।

ইবলিস আজও কাউকে বলে না, "সুদ খাও।" সে বলে, "পরিবারের ভবিষ্যৎ তো নিশ্চিত করতে হবে!"

সে বলে না, "অশ্লীলতা ছড়াও।" সে বলে, "এটা ব্যক্তিস্বাধীনতা, আধুনিকতা, নিজের মতো বাঁচার অধিকার।"

“সত্য এসেছে, মিথ্যা বিলুপ্ত হয়েছে। নিশ্চয়ই মিথ্যা বিলুপ্ত হওয়ারই ছিল।”  [সূরা আল-ইসরা ১৭:৮১]
04/08/2026

“সত্য এসেছে, মিথ্যা বিলুপ্ত হয়েছে। নিশ্চয়ই মিথ্যা বিলুপ্ত হওয়ারই ছিল।” [সূরা আল-ইসরা ১৭:৮১]

মাটির নিচে কাঠবিড়ালি তৈরি করে এক সুপরিকল্পিত বহু-কক্ষবিশিষ্ট আবাসস্থল, যা প্রায় তিন থেকে নয় মিটার পর্যন্ত বিস্তৃত হতে...
04/08/2026

মাটির নিচে কাঠবিড়ালি তৈরি করে এক সুপরিকল্পিত বহু-কক্ষবিশিষ্ট আবাসস্থল, যা প্রায় তিন থেকে নয় মিটার পর্যন্ত বিস্তৃত হতে পারে। প্রতিটি প্রকোষ্ঠের আলাদা কাজ রয়েছে, ঘুমানোর জন্য শুকনো পাতায় ভরা আরামদায়ক কক্ষ, বাদাম ও বীজ সংরক্ষণের জন্য আলাদা ভাণ্ডার, এমনকি বর্জ্য জমা রাখার জন্যও নির্দিষ্ট স্থান। লুকানো প্রবেশপথ আর জরুরি পালানোর সুড়ঙ্গ একসঙ্গে কাজ করে শিকারীর হাত থেকে বাঁচার নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। এই জটিল স্থাপত্য দেখে বোঝা যায়, ছোট এই প্রাণীর মস্তিষ্কেও কতটা সুসংগঠিত পরিকল্পনার ক্ষমতা রয়েছে। শীতের আগে খাদ্য সঞ্চয়ের এই প্রবৃত্তি বিবর্তনের এক নিখুঁত বেঁচে থাকার কৌশল। ছোট্ট একটি প্রাণী কীভাবে এত জটিল প্রকৌশল রপ্ত করে ফেলল, তা কি বিস্ময়কর মনে হয় না।

জাদুর জিনিস বা তাবিজ নষ্ট করার নিয়মসন্দেহ কিছু বা তাবিজ যদি পাওয়া যায় তাহলে সেটা নষ্ট করার জন্য একটি পাত্রে পানি নিন। তা...
31/07/2026

জাদুর জিনিস বা তাবিজ নষ্ট করার নিয়ম

সন্দেহ কিছু বা তাবিজ যদি পাওয়া যায় তাহলে সেটা নষ্ট করার জন্য একটি পাত্রে পানি নিন। তারপর সেই পানিতে সিহরের আয়াত পড়ে ফুঁ দিন (অর্থাৎ সুরা আ’রাফ ১১৭-১২২, ইউনুস ৮১-৮২, সুরা ত্বহা ৬৯নং আয়াত), এরপর সূরা ফালাক্ব ৩বার, সূরা নাস ৩বার পড়ে ফুঁ দিন।

সুরা আরাফের আয়াতগুলো

وَ اَوْحَیْنَاۤ اِلٰی مُوْسٰۤی اَنْ اَلْقِ عَصَاكَ ۚفَاِذَا هِیَ تَلْقَفُ مَا یَاْفِكُوْن﴿۱۱۷﴾ فَوَقَعَ الْحَقُّ وَبَطَلَ مَا کَانُوْا یَعْمَلُوْنَ ﴿۱۱۸﴾ فَغُلِبُوْا هُنَالِكَ وَانْقَلَبُوْا صٰغِرِیْنَ ﴿۱۱۹﴾ وَ اُلْقِیَ السَّحَرَةُ سٰجِدِیْنَ ﴿۱۲۰﴾ قَالُوْۤا اٰمَنَّا بِرَبِّ الْعٰلَمِیْنَ ﴿۱۲۱﴾ رَبِّ مُوْسٰی وَهٰرُوْنَ ﴿۱۲۲﴾◌

সুরা ইউনুসের আয়াতগুলো

فَلَمَّاۤ اَلْقَوْا قَالَ مُوْسٰی مَا جِئْتُمْ بِهِ ۙالسِّحْرُ ؕ اِنَّ اللّٰهَ سَیُبْطِلُہٗ ؕ اِنَّ اللّٰهَ لَا یُصْلِحُ عَمَلَ الْمُفْسِدِیْنَ ﴿۸۱﴾ وَیُحِقُّ اللّٰهُ الْحَقَّ بِکَلِمٰتِہٖ وَلَوْ کَرِهَ الْمُجْرِمُوْنَ ﴿۸۲﴾◌

সুরা ত্বহার আয়াত

وَ اَلْقِ مَا فِیْ یَمِیْنِكَ تَلْقَفْ مَا صَنَعُوْا ؕ اِنَّمَا صَنَعُوْا کَیْدُ سٰحِرٍ ؕ وَ لَا یُفْلِحُ السَّاحِرُ حَیْثُ اَتٰی ﴿۶۹﴾◌

এর সাথে সুরা ফালাক (قُلۡ اَعُوۡذُ بِرَبِّ الۡفَلَقِۙ‏ ) এবং সুরা নাস (قُلۡ اَعُوۡذُ بِرَبِّ النَّاسِۙ‏) পুরোটা পড়ুন।

এরপর হাতে হ্যান্ড গ্লাভস অথবা পলিথিন পড়ে তাবিজ বা জাদুর জিনিসগুলো খুলে আলাদা আলাদা করে ভালভাবে পানিতে ভিজিয়ে রাখুন কিছুক্ষণ। ইনশাআল্লাহ তাহলে জাদু নষ্ট হয়ে যাবে। এরপর মানুষ চলাচল করেনা এমন যায়গায় ফেলে দিন।

লক্ষণীয়ঃ

১। তাবিজ,পুতুল,কাগজ,যাদুকরের দেয়া যেকোনকিছু উপরের আয়াতগুলো পড়া পানিতে ডুবিয়ে রাখবেন কিছুক্ষণ। কাগজে লেখা থাকলে পানিতে রেখেই সেটা ঘষে মুছে ফেলার চেষ্টা করবেন। লেখা মুছার পরে ছিড়ে অনেকগুলো টুকরো করবেন। তারপর শুকিয়ে বা কেরোসিন দিয়ে পুড়িয়ে ফেলবেন। পুড়ানোর সময়ে নিশ্বাসের সাথে সেটার ধোঁয়া নেয়া থেকে বিরত থাকবেন।

২। তাবিজ খালি হাতে না ধরে গ্লাভস ব্যবহার করা ভাল। গ্লাভস না পেলে হাতে পলিথিন মুড়িয়ে বা রুকইয়ার আয়াত পড়া তেল হাতে মেখে নিতে পারেন। তাবিজ ধরার পূর্বে এবং নষ্ট করার পুরোটা সময়ে বারবার সুরা ফালাক, নাস পড়বেন।

৩। তামা বা অন্য ধাতুর তাবিজ বা আংটিতে খোদাই করা তাবিজ লেখা থাকলে লেখাটা ঘষে ঘষে মুছে ফেলবেন। ঘষে মুছতে না পারলে পুড়িয়ে হলেও লেখাটা মুছে ফেলা জরুরী। নিজে করতে না পারলে কোন স্বর্ণকারের কাছে গিয়ে লেখাটা মুছে ফেলবেন।

৪। তাবিজে গিট দেয়া থাকলে সাবধানে প্রতিটা গিট খুলবেন। কোন পুতুল, মূর্তি, পাখি, মাছ ইত্যাদি পাওয়া গেলে সাবধানে খেয়াল করবেন এদের গায়ে কোন পিন আছে কিনা। থাকলে প্রতিটা পিন খুলবেন। পিনগুলোও পানিতে ডুবিয়ে রাখবেন।

৫। জীবন্ত কোনকিছু যেমন- পাখি পাওয়া গেলে তার ডানার নিচে এবং শরীরের প্রতিটা জায়গায় খুঁজে দেখবেন কোন তাবিজ,পিন বা সন্দেহজনক কিছু আছে কিনা। থাকলে এগুলো সাবধানে খুলে নিয়ে পাখিকে তাবিজ নষ্টের পানি দিয়ে ভিজিয়ে ছেড়ে দিবেন। তাবিজের ভেতরে কাগজ ছাড়াও অন্যকিছু থাকতে পারে। তাবিজ খুলতে গেলে অনেক সময় খোলস ভেঙ্গে বের করা লাগতে পারে। যাই থাকুক, ভাঙ্গা টুকরোসহ সবটুকুই পানিতে ঢালবেন। একইভাবে যাদুকরের দেয়া তেলপড়া, পানিপড়া ইত্যাদি জিনিসপত্র পানিতে ঢালবেন।

৬। কারো বাসার দেয়ালে, ফ্লোরে অথবা যেকোন স্থানে তাবিজ আঁকা অথবা খোদাই করা থাকলে লেখাটা ঘষে মুছতে হবে। তারপর তাবিজ নষ্টের পানিটা ওখানে ছিটিয়ে দিতে হবে। অনেক সময় বাসা বানানোর সময়ে প্রতি কোণায় তাবিজ রেখে দেয়া হয়। সেক্ষেত্রে তাবিজ না তুলতে পারলে এসব কোণায় আয়াতগুলো পড়া পানিটা ছিটিয়ে দিবেন পরপর তিনদিন। আর দোয়া করবেন যেন আল্লাহ তাবিজ নষ্ট করে দেন।

৭। জ্যোতিষীর দেয়া কোন বিশেষ আংটি থাকলে তাবিজ নষ্টের পানিতে ডুবিয়ে রাখবেন। কিছুক্ষণ রেখে পাথরটা ভেঙে তারপর ফেলে দিবেন। জ্যোতিষীরা বিশ্বাস করে পাথরের ক্ষমতা আছে। তাই কোনমতেই এই পাথর রেখে দেয়া যাবেনা।

৮। তাবিজ নষ্টে ব্যবহৃত পানি ফেলার জন্য এবং তাবিজ পুড়ানোর জন্য, সাধারনত মানুষের যাতায়াত হয়না এমন কোন জায়গা ঠিক করে নিন। জাদুর জিনিসপত্র নষ্ট করার পরেও নিজেদের খাবার, ব্যবহারের জিনিস বা দৈনন্দিনের ময়লার মাঝে এটা ফেলবেন না।

৯। কোন রাস্তায়, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে, বাড়ির আশেপাশে, ফুলের টবে বা অন্য কোনো সন্দেহজনক জায়গায় তাবিজ রাখা আছে মনে হলে সেখানে পরপর তিনদিন উল্লেখিত আয়াতগুলো পড়ে পানিতে ফু দিয়ে ছিটিয়ে দিন বা পানি ঢেলে দিন। যদি নির্দিষ্ট কোনো যায়গায় জাদুর জিনিস রাখার কথা স্বপ্নে দেখেন, কিন্তু সেখানে খুঁজে না পান, সেক্ষেত্রেও একই নিয়ম।

১০। আপনি আগে তাবিজ ব্যবহার করলে সেটাও উপরোক্ত নিয়ম অনুযায়ী তাবিজ নষ্ট করবেন। তারপর তাবিজ ব্যবহার করার জন্য খাস তাওবা করবেন।

29/07/2026

রাত তিনটা। চারদিক নিস্তব্ধ। পরিবার ঘুমিয়ে আছে।

আপনি একা জেগে আছেন — মাথায় হাজারটা চিন্তা, বুকে একটা অদ্ভুত ভার। ফোন তুললেন, কাউকে কল করার মতো মনে হলো না। সব বন্ধু ঘুমিয়ে। সব আত্মীয় দূরে। মনে হলো — এই মুহূর্তে পৃথিবীতে কেউ নেই যে বুঝবে।

কিন্তু একটু থামুন।

এই মুহূর্তে আল্লাহ আপনার গলার শিরার চেয়েও কাছে আছেন।

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা সূরা কাফে বলেছেন —

وَنَحْنُ أَقْرَبُ إِلَيْهِ مِنْ حَبْلِ الْوَرِيدِ

ওয়া নাহনু আকরাবু ইলাইহি মিন হাবলিল ওয়ারিদ।

অর্থ: আর আমি তার গলার শিরার চেয়েও তার কাছে আছি।
[সূরা কাফ: ১৬]

"হাবলুল ওয়ারিদ" — গলার শিরা। শরীরের এমন একটি অংশ যার কথা আমরা সাধারণত ভাবি না, কিন্তু সেটা সবসময় সক্রিয়, সবসময় কাছে, এক মুহূর্তের জন্যও বিচ্ছিন্ন নয়। আল্লাহ এই উপমাটা দিয়ে বোঝালেন — তিনি এত কাছে যে দূরত্বের কোনো প্রশ্নই নেই। তিনি আপনার শরীরের ভেতরে প্রবাহিত রক্তের চেয়েও কাছে।

তাহলে আমরা কেন তাঁকে দূরে মনে করি?

আল্লাহ দূরে সরে যান না — আমরা সরে যাই। গাফলতের পর্দা আমাদের চোখে পড়ে, তখন আমরা অনুভব করতে পারি না যে তিনি কাছে আছেন। ঠিক যেভাবে মেঘে ঢাকা দিনে সূর্য দেখা যায় না, কিন্তু সূর্য দূরে যায়নি। দূরত্বটা বাস্তব নয়, অনুভূতির সমস্যা।

আল্লাহ সূরা বাকারায় এর উত্তর নিজেই দিয়েছেন —

وَإِذَا سَأَلَكَ عِبَادِي عَنِّي فَإِنِّي قَرِيبٌ ۖ أُجِيبُ دَعْوَةَ الدَّاعِ إِذَا دَعَانِ

ওয়া ইযা সাআলাকা ইবাদি আন্নি ফাইন্নি কারিব। উজিবু দাওয়াতাদ্দাই ইযা দাআন।

অর্থ: আর আমার বান্দারা যখন আমার সম্পর্কে তোমাকে জিজ্ঞেস করে — আমি তো কাছেই আছি। যখন কোনো ডাকনেওয়ালা আমাকে ডাকে, আমি তার ডাকে সাড়া দিই।
[সূরা বাকারা: ১৮৬]

"ইযা দাআন" — যখন সে ডাকে। শর্তটা শুধু ডাকা। বড় আলেম হতে হবে না, পাপমুক্ত হতে হবে না, বিশেষ ভাষায় বলতে হবে না। শুধু ডাকতে হবে।

এই সত্যটা সবচেয়ে গভীরভাবে বুঝেছিলেন ইউনুস আলাইহিস সালাম। মাছের পেটে, সমুদ্রের অন্ধকারে, তিন স্তর অন্ধকারের ভেতরে — এর চেয়ে একাকী পরিস্থিতি আর কী হতে পারে? সেখানে বসে তিনি ডেকেছিলেন —

لَّا إِلَهَ إِلَّا أَنتَ سُبْحَانَكَ إِنِّي كُنتُ مِنَ الظَّالِمِينَ

লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নি কুনতু মিনাজ জোয়ালিমিন।

অর্থ: তুমি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই। তুমি পবিত্র। নিঃসন্দেহে আমি জালিমদের অন্তর্ভুক্ত ছিলাম।
[সূরা আম্বিয়া: ৮৭]

তিন স্তর অন্ধকারে এই দোয়া পৌঁছে গিয়েছিল। আল্লাহ উত্তর দিয়েছিলেন। কারণ আল-কারিব — যিনি সবচেয়ে কাছে — তিনি সেখানেও ছিলেন।

আজ রাতে যখন একা মনে হবে, ফোন রাখুন। দুই হাত তুলুন। বলুন — "ইয়া কারিব, তুমি কাছে আছ — আমি জানি। আমাকে অনুভব করতে দাও।" এই একটি মুহূর্তই রাতটাকে বদলে দিতে পারে।

এই অনুভূতি — আল-কারিবকে জানা, মুরাকাবার অভ্যাস তৈরি করা, যেকোনো পরিস্থিতিতে আল্লাহর কাছাকাছি থাকার পথ — এই পুরো আলোচনা বিস্তারিতভাবে আছে একটি বইয়ে। শায়খ উসামা আল-শুরাফা এই বইটি লিখেছেন আজকের সেই মানুষের জন্য যিনি দ্বীন চান কিন্তু পথ খুঁজে পাচ্ছেন না। যিনি রাতে একা জাগেন কিন্তু কাকে ডাকবেন জানেন না। এই বই সেই পথ দেখায়।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when তাওহীদের আহবান posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share