সংগ্রামের নোটবুক

Directions Website Contact the organization

সংগ্রামের নোটবুক ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’ Joy Bangla. Joy Bangabandhu.
(1321)

‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’
এই পেইজে মুক্তিযুদ্ধ এবং তার পূর্বাপর সময়ের সঠিক ইতিহাস সহজভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করা হবে। তবে এটি একটি স্মৃতিচারণমূলক বা আর্কাইভধর্মী পেইজ নয়। বরং নতুন প্রজন্মের কাছে ইতিহাসকে সহজভাবে প্রকাশ করা এবং তাদেরকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত করাই মূল লক্ষ্য। এখান থেকে কোন কিছু রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহার করার আগে পুনঃনিরীক্ষণ করার অনুরোধ রইল। অনিচ্ছাকৃত কোন ভুলের ক্ষেত্রে উক্ত প্রকাশকে চিহ্নিত করে এসএমএস দিলে আমরা সেটা রিমুভ করব। সঠিক ইতিহাস সমহিমায় প্রকাশিত হোক। মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে উজ্জীবিত একটি নতুন প্রজন্ম গড়ে উঠুক। জয় বাংলা। জয় বঙ্গবন্ধু।

The aim of this page is to spread the brave history of the liberation war of the nation called Bangladesh. However, this is not a reminisce or archive based page, rather the ultimate goal is to make the history interesting and easy for the new generation so that they learn to respect the glorious achievements, feel the causes of the birth of this brave nation and work for the country as a patriot. Note: If you find any fickle information on any of the posts please do inform us at inbox so that we can delete or correct that point.

একাত্তর সালের মে মাসে স্টেটসম্যান পত্রিকায় মনোজিত মিত্র বাংলাদেশের শরণার্থীদের নিয়ে একটি রিপোর্ট লেখেন। বাংলাদেশের অভ্যা...
02/09/2026

একাত্তর সালের মে মাসে স্টেটসম্যান পত্রিকায় মনোজিত মিত্র বাংলাদেশের শরণার্থীদের নিয়ে একটি রিপোর্ট লেখেন। বাংলাদেশের অভ্যান্তরিন অবস্থা কতটা খারাপ ছিল এবং গণহত্যার মাত্রা কোন পর্যায়ের হলে এত বিপুল সংখ্যক মানুষ দেশ ছেড়ে পালাতে পারে তার একটা বাস্তব চিত্র আমরা এ রিপোর্ট থেকে ধারণা করতেপারিঃ
''ত্রিপুরার সীমান্তবর্তী শহর সাবরুম এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের মাঝে দিয়ে বয়ে চলেছে সংকীর্ণ ফেনী নদী। গত সপ্তাহে এপ্রিল মাসের এক সকালে স্থানীয় নৌকাতে করে নদী পার হচ্ছিলাম। আমি আমার পিছনে দেখতে পাচ্ছিলাম হাজারো বাংলাদেশী শরণার্থী। নদী পার হবার অপেক্ষায় আমার সামনেও ছিল আরও হাজারো মানুষ এবং অগণিত মানুষ অগভীর জল মাড়িয়ে জিনিসপত্র কাঁধে করে অপর পাড়ে যাচ্ছিল। ১৫ কিলোমিটার দূরেই তুমুল গোলাগুলি চলছিল এবং তাঁদের যাত্রা ছিল অব্যাহত।

এটা ছিল সেই দৃশ্যগুলোর মাঝে অন্যতম, যা এক মুহূর্তে সব পরিষ্কার করে দেয়। আপনাকে শুধু দেখতে হবে ভিড় ঠেলে হাজারো মানুষের ছুটে চলা, তাঁদের আতঙ্কগ্রস্থ মুখচ্ছবি এবং একটু নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য তাঁদের ব্যাকুলতা এমনকি রাস্তায় রাত কাটানো। পার্বত্য সীমান্তবর্তী শহর রামগড় তখনো মুক্তি ফৌজের দখলে ছিল। কিন্তু পাকিস্তানী আর্মি সামনে এগিয়ে আসছিল। তারা নির্মমভাবে শেলিং করে গ্রামগুলো জ্বালিয়ে দিয়েছে। এই গ্রামগুলো থেকেই হাজারো লোক পালিয়ে এসেছিলেন।

এপ্রিলের ৩য় এবং ৪র্থ সপ্তাহে সাবরুম ছিল ত্রিপুরার সব চেয়ে জনবহুল সীমান্ত। তখন প্রায় ২,০০,০০০ শরণার্থী মাত্র কয়েকদিনের মধ্যে এসে জড়ো হন। অন্যান্য সীমান্ত এলাকাতে শরণার্থীরা আগেই আসা শুরু করেছিলেন। হাজার হাজার মানুষ সিলেট, কুমিল্লা এবং নোয়াখালী জেলা থেকে সোনামুরা, কমলাসাগর, দবীপুর এবং অন্যান্য সীমান্ত দিয়ে এসেছিলেন। আগরতলা থেকে এই বিভিন্ন সীমান্তে পরিদর্শনের সময় আমি সবখানে দেখি শুধু শরণার্থী আর শরণার্থী; রাস্তার পাশে, তাবুতে, স্কুলে, কলেজে, ব্যাক্তিগত ঘরে, মাঠে, রাস্তায়।

সাবরুমেই আমি সবথেকে করুণ দৃশ্যটা দেখি। হাজার হাজার মানুষ রাস্তা আর থানার আঙিনায় বসবাস করছিল। সেখানে প্রকৃত শরণার্থীদের জন্য ইস্যু করা স্লিপ সংগ্রহের জন্য ছিল দীর্ঘ সারি। যখন আমি থানার ভিতরে গেলাম, তখন স্লিপ নেয়ার জন্য সাহায্য চাইতে কিছু বৃদ্ধা আমার কাছে ছুটে আসলেন। যখন পরিবারের একজন সদস্য স্লিপের জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে ছিল অন্যরা খাবারের সন্ধানে চলে যায়। নিজেদের বানানো তাবুতে মুরুব্বী লোকেরা ঘুমান। শিশুরা লুকোচুরি খেলছিল, তারা পরিষ্কার ভাবে বুঝতে পারে নি যে তাঁদের উপর কি দুর্যোগ এসে পড়েছে। অনেকেই খাবারের সন্ধান করছিল। কিন্তু তাঁদের সবার কেনার সামর্থ ছিলনা। কিছু পরিবার নদী পাড়ে তাঁদের বাসনপত্র বিক্রির চেষ্টা করছিল। এগুলো ছিল তাঁদের শেষ সম্বল।

খাবার পানির তীব্র সংকট ছিল। জেলা কর্মকর্তারা অস্থির হয়ে ওঠেন। তাদের কেউ কেউ বলেন কলেরার এক বা দুইটা রিপোর্ট ইতিমধ্যে পাওয়া গেছে। আর যদি ভিড় কমানো না যায়, তাহলে অচিরেই এটা মহামারীতে রুপ নিতে পারে। শরণার্থীদের ক্যাম্পে নিয়ে যাবার জন্য নির্দিষ্ট সময় পরপর ট্রাক আসে। যারা সাথে করে সাইকেল নিয়ে এসেছিল, তাঁরা তা ট্রাকের সাইডে বেঁধে ঝুলিয়ে নিয়ে যায়। নারী, শিশু এবং জরাগ্রস্ত বৃদ্ধেরা হামাগুড়ি দিয়ে ট্রাকে ওঠে। তরুণ ছেলেরা তাদের সাহায্য করে। ওরা এতকিছুর পরেও তাদের উদ্দীপনা ধরে রেখেছিল। কেউ কেউ এত ক্লান্ত ছিল যে কথাও বলতে পারতো না। মাঝেমাঝে এক বা দুজনকে চলন্ত ট্রাক থেকে গলা বাড়িয়ে বমি করে দিতে দেখতাম।

ক্যাম্প গুলো বিভিন্ন এলাকাতে গড়ে তোলা হয়েছিল। মে মাসের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত প্রশাসনের পক্ষে ভিড় সামলানো মুশকিল হয়ে পড়ে। তাদের অনেকেই বলেন ত্রিপুরার জনসংখ্যা প্রায় দ্বিগুন হবার পথে।...''
এদেশের নিরাপরাধ মানুষের সেই করুণ দিনগুলো আপনাদের হৃদয় স্পর্শ করুক। বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের কোন এক শরনার্থী শিবিরথেকে 'রঘু রায়' ছবিটি তুলেছেন।
''কারকাছে বলি ভাত রুটি কথা, কাকে বলি করো, করো করো ত্রাণ,
কাকে বলি,ওগো মৃত্যু থামাও, মরে যাওয়া বুকে এনে দাও প্রাণ।''

ক্ষমতাশালীদের চিঠি দিয়েই ক্ষান্ত হননি তিনি। ঘুরেছেন দেশে দেশে। কনফারেন্স করেছেন শহরে, বন্দরে, বিশ্ববিদ্যালয়ের জনাকীর্ণ গ...
01/09/2026

ক্ষমতাশালীদের চিঠি দিয়েই ক্ষান্ত হননি তিনি। ঘুরেছেন দেশে দেশে। কনফারেন্স করেছেন শহরে, বন্দরে, বিশ্ববিদ্যালয়ের জনাকীর্ণ গ্যালারিতে। শুধু বাংলার স্বাধীনতার জন্য। শরনার্থিদের সাহায্যে এগিয়ে আসার জন্য। সৃষ্ট সমস্যার সমাধানের জন্য।
হ্যাঁ, নাম তাঁর ইন্দিরা গান্ধী।

01/09/2026

ভারতের অমৃতবাজার পত্রিকায় সেই একাত্তর সালের এপ্রিল মাসে একটি দুঃখজনক রিপোর্ট ছাপা হয়েছিল। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্রের ৮ম খণ্ড থেকে সেই রিপোর্টটিতে চোখ বুলানো যাক:
"প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানাচ্ছে প্রায় ৯০০ লোক যারা ট্রেকিং( পায়ে হেটে দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়া) করে ইন্ডিয়ার দিকে যাচ্ছিল তাঁদের পাকিস্তানী আর্মি নির্মম ভাবে হত্যা করেছে।
ছয় জন রিফিউজি একাধিক বুলেটের ক্ষত নিয়ে বাংলাদেশের ডোমার পুলিস স্টেশন থেকে আজ হলদিবাড়ী এসে উপস্থিত হয়েছে এবং এখন হাসপাতালে আছেন। তারা বলেছেন যে তাঁরাও ঐ আক্রান্তদের মাঝে ছিলেন যাদের পাকিস্তানী আর্মি গুলি করেছে কিন্তু কোন মতে বেঁচে পালিয়ে আসতে পেরেছেন।
তারা বলেন– একই এলাকার প্রায় ৮ হাজার মানুষ যখন ইন্ডিয়ার দিকে আসছিল তারা পাকিস্তানী আর্মির বাঁধার মুখে পড়ে এবং আর্মিরা তাঁদেরকে ক্যাম্পে যেতে বাধ্য করে। পাকবাহিনী এরপর সবল দেহের পুরুষদের গ্রুপ থেকে আলাদা করে লাইনে দাঁড়াতে বাধ্য করে এবং তারপর ব্রাশ ফায়ার করে। ভীতসন্ত্রস্ত বাকিরা আতঙ্কগ্রস্থ হয়ে পড়িমরি করে ছুটতে থাকে।
আমাদের দিনহাটা প্রতিনিধি যোগ করেন– কুচবিহার রাজ্যের অন্তর্গত দিনহাটার বনশপচাই ছিটমহলের লুটতরাজসহ বিভিন্ন রিপোর্ট এখন পাওয়া যাচ্ছে। সেখানে দুই দিনের অনুপ্রবেশকালে পাকবাহিনীর এলোপাথাড়ি গুলি বর্ষণে প্রায় ১৫০ জন মানুষ মারা যায় এবং সব ঘরবাড়ী ধ্বংস হয়। এই ছিটমহলে প্রায় ৩০০ মানুষের বাস ছিল। বেঁচে যাওয়া বাকীরা দিনহাটা সীমান্ত হয়ে ইন্ডিয়াতে চলে আসে।
পাকবাহিনী আজ সকাল ১০টার সময় ইন্ডিয়ান ছিটমহলের পাশ্ববর্তী ধীরখাতা এবং শিবেরকুঠি গ্রামে প্রবেশ করে অনেক সাধারণ মানুষকে গুলি করে হত্যা করে। দিনহাটা হাসপাতালে বুলেটের ক্ষত নিয়ে আসা কিছু মানুষকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।"
আজ ২০২৬ সাল। সেদিনের মানুষের দুঃখ-দুর্দশা কি শুধু লেখা পড়ে অনুধাবন করা যায়? যায় না। তাই সেদিনের বাস্তব অবস্থা আপনাদের চোখে তুলে ধরার জন্য ফটোগ্রাফার ডন ম্যাককুলিনের তোলা একটি প্রতীকী ছবি প্রকাশ করা হলো।
শ্যামল বরণ মাগো আমার, শ্যামল বরণ মা
ঘুমিয়ে গেলে তোমার বুকে জাগিয়ে দিও না...

‘আমার ভাইয়ের রক্ত রাঙ্গানো একুশে ফ্রেরুয়ারী’ খ্যাত সুরকার আলতাফ মাহমুদ কে ২৯ আগস্ট  ১৯৭১ -এ ক্র্যাক প্লাটুনের আরো কয়েকজন...
01/09/2026

‘আমার ভাইয়ের রক্ত রাঙ্গানো একুশে ফ্রেরুয়ারী’ খ্যাত সুরকার আলতাফ মাহমুদ কে ২৯ আগস্ট ১৯৭১ -এ ক্র্যাক প্লাটুনের আরো কয়েকজন সদস্য সহ নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার হয়েছিলেন। গ্রেফতারের সময় তার বাড়ির পিছন থেকে মাটি খুঁড়ে এক ট্রাঙ্ক অস্ত্র পাওয়া যায়। শহীদ আলতাফ মাহমুদকে একাত্তরের ১ সেপ্টেম্বরে নাখালপাড়া, ড্রাম ফ্যাক্টরী এমপি হোস্টেলের টর্চার সেলে শেষ দেখা গিয়েছিল। তারপর কখন তাঁর মৃত্যু হয় তা কারো জানা নেই। তাঁর মৃতদেহও পাওয়া যায়নি কোথাও। তাঁকে এবং আবুল বারাক আলভী, তাঁর চারজন শ্যালকসহ গ্রেফতার করা হয়। তাঁদের সকলকে ১ সেপ্টেম্বর ছেড়ে দিলেও শহীদ আলতাফ মাহমুদকে রেখে দিয়েছিল।
মজার ব্যাপার হচ্ছে শহীদ আলতাফ মাহমুদের পাশের বাসায় বসবাস করতেন সাবেক অগ্রণী ব্যাংকের এমডি নাসের বখতিয়ার (ঘটি)। তিনি নিজেকে মুক্তিযোদ্ধা পরিচয় দিয়েই বিভিন্ন বই পুস্তকে নিজ চোখে দেখা শহীদ আলতাফ এর গ্রেফতার, নির্যাতন এবং নিহত হওয়ার বর্ণনা/সাক্ষাৎকার দিয়াছেন। উক্ত ঘটনায় নাসের এবং তার ভাই গ্রেফতার হলেও রহস্যজনক ভাবে উক্ত দুই ভাই অক্ষত অবস্থায় কিছুদিন পরেই ছাড়া পান। গ্রেফতারের সময় আলতাফ মাহমুদের ভগ্নিপতি তনু গ্রেফতার হয়েছিলেন। গাড়িতে যায়গা না হওয়ায় তাকে লাত্থি দিয়ে ছাড়িয়া দেয়া হয়। তারপর তাদের ক্যান্টনমেন্ট ও পরে নাখালপাড়া এমপি হোস্টেলে (সামরিক আইন দপ্তর) নেয়া হয়। সেখানে ছোট একটি কক্ষে আটক রেখে তাদেরকে আলাদা আলাদাভাবে টর্চার করা হত। আলতাফ মাহমুদকে সিলিং ফ্যানের সাথে রশি দিয়ে ঝুলিয়ে গরম পানিতে মুখ চুবিয়ে স্বীকারোক্তি আদায়ের চেষ্টা করা হয়েছিল বলে জানা যায়। অন্য সবাই জিজ্ঞাসাবাদে ভাঙ্গা উর্দু বললেও আলতাফ বাংলায় জবাব দিতেন। পরে তাদের রমনা থানায় নেয়া হয়। সেখান থেকে পর্যায়ক্রমে ধরে নিয়ে ক্যান্টনমেন্ট এ সকল কে হত্যা করা হয়।
নাসের বখতিয়ার এবং তার ভাইকে গ্রেফতারের ৪র্থ দিনে ছেড়ে দেয়া হয় এবং তাকে পরবর্তী ২ সপ্তাহ মুক্তিযোদ্ধাদের উপর নজর রাখার জন্য দায়িত্ব প্রদান করা হয়। নাসের এখন বিএনপি বুদ্ধিজীবী।
ঢাকার উপ সামরিক আইন প্রশাসক ছিলেন কর্নেল বশির আহমেদ এবং তার নির্দেশেই এই জঘন্য হত্যাকাণ্ড সংগঠিত হয়েছিল।

18/08/2026

ভারতীয় সৈন্যদের ফিরে যাওয়া
সৈন্যদের শেষ ব্যাচ ফিরে যাবার অফিসিয়াল তারিখটি ছিল ১৭ মার্চ ১৯৭২। তবে ফিরে যাবার প্রক্রিয়া শুরু হয় আত্মসমর্পনের দিন থেকেই। এই ভিডিওতে সব শেষে জগজিৎ সিং আরোরার স্ত্রীকেও দেখা যাচ্ছে। আত্মসমর্পন অনুষ্ঠানেও তিনি ছিলেন। এপ্রসঙ্গে জেনারেল জ্যাকব তার বইতে লিখেছেন -

"On the morning of 16 December, Manekshaw phoned me and said, 'Jake, go and get a surrender'. I asked him if I should negotiate the surrender on the basis of the draft sent to him some days earlier. He replied, 'You know what to do; just go'. I then mentioned that Niazi had invited me for lunch, and informed Aurora. I met Mrs Bhanti Aurora outside the office, and she told me that she was going to Dacca as her place was beside her husband. I returned to Aurora and asked him if he was taking his wife with him. He replied in the affirmative. I said it was risky taking her there, to which he replied that it would be my responsibility to ensure her safety!"
একই বইতে সগত সিং সম্পর্কে লিখেছেন -

"I briefed Lt Gen. Sagat Singh regarding the disarming of the Pakistanis and other modalities. We then returned to the airfield. Rear Admiral Shariff, whom I had given permission to meet our naval commander, met Vice Admiral Krishnan. Krishnan asked Shariff to hand over his pistol to him, which he did. We then took off for Agarthala and thence to Calcutta."

18/08/2026

মুজিব জীবিত যখন জানা গেল (ভিডিও)
সবাই বিজয়োল্লাস করছে, শুধু একজন ছাড়া। তিনি বেগম মুজিব। কারণ সারা জীবনে অনেকবার এমন খবর শুনেও তিনি মর্মাহত হয়েছেন। এমনও দিন গেছে যে মুক্ত হবার সাথে সাথে জেলের সামনে থেকে আবারও আটক হয়েছেন বঙ্গবন্ধু। কাজেই মানুষটাকে নিজের চোখে সামনে দেখার আগ পর্যন্ত তার উদ্বেগ যাবেনা।

What a cheerful moment that was! Mujib's country is a sovereign land now and yes - he is alive! Whatever the Pakistani's have in mind, they kept Mujib alive even after such a defet and grand public surrender - an unprecedented one. But Mujib's wife Fazilatunnesa still worried as she faced such moment lots of time when Mujib was arrested repeatedly imemdiately after getting released. So still she had been waiting not to hear any new story!

শেষ পর্যন্ত ইত্তেফাকও!!! বঙ্গবন্ধুর প্রিয় মানিক ভাইয়ের পত্রিকা ইত্তেফাকের অবস্থানসূত্র: ফ্যাক্টস্‌ এন্ড ডকুমেন্টস্‌ বঙ্গ...
18/08/2026

শেষ পর্যন্ত ইত্তেফাকও!!!
বঙ্গবন্ধুর প্রিয় মানিক ভাইয়ের পত্রিকা ইত্তেফাকের অবস্থান
সূত্র: ফ্যাক্টস্‌ এন্ড ডকুমেন্টস্‌ বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ড

11/08/2026

বাঙালির মুক্তির জন্য ৪৬৮২ দিন জেল খেটেছিলেন কে? তাকে হ*ত্যার পর কেন দেশের নাম পালটে রাখা হয়েছিল “ইসলামিক রিপাবলিক অব বাংলাদেশ”?
হ*ত্যার পরিকল্পনা ঠিক কতবার করা হয়েছিল? কারা ছিলেন সেই ষ*ড়যন্ত্রের অংশীদার? ষ*ড়যন্ত্রকারীরা হ*ত্যা করেও কি তাঁর নাম ইতিহাস থেকে মুছে দিতে পেরেছে?
ঘা*তকেরা ভেবেছিল কিছু বু*লেট দিয়েই 'বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান' নামটি মুছে দেয়া যায়। কিন্তু ওরা জানেনা বঙ্গবন্ধু একটি চেতনার নাম। যার মৃত্যু নেই। প্রতিটি দেশপ্রেমিক বাঙ্গালীর হৃদস্পন্দনে - বাংলার প্রতিটি অর্জনে - মিশে আছেন বঙ্গবন্ধু - মিশে আছে তাঁর আদর্শ - প্রেরণা - ভালোবাসা। এই স্বাধীন বাংলার নাম যতবার উচ্চারিত হবে ধ্বনিত হবে পিতার নাম।
জয় বাংলা!
জয় বঙ্গবন্ধু।
.
প্রিপেয়ার্ড বাইঃ
Razibul Bari Palash
Aparajita Neel
সংগ্রামের নোটবুক

“সো হোয়াট। প্রেসিডেন্ট নেই, ভাইস প্রেসিডেন্ট আছেন” – উপ-সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমান | বঙ্গবন্ধু হ ত্যাকাণ্ডআমার বাসা থেকে ...
11/08/2026

“সো হোয়াট। প্রেসিডেন্ট নেই, ভাইস প্রেসিডেন্ট আছেন” – উপ-সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমান | বঙ্গবন্ধু হ ত্যাকাণ্ড
আমার বাসা থেকে ডেপুটি চিফ জিয়াউর রহমান সাহেবের বাসা প্রায় ১০০ গজের দূরত্ব। আমি জিয়াউর রহমান সাহেবের বাসায় গেলাম। ডাকাডাকি করলাম। তিনি বেরিয়ে এলেন। অর্ধেক শেভ। শফিউল্লাহ সাহেবের কথা বললাম। বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়েছে। তিনি বললেন, সো হোয়াট। প্রেসিডেন্ট নেই, ভাইস প্রেসিডেন্টতো আছেন – ইউ এলার্ট ইয়োর ট্রুপস।
– শাফায়াৎ জামিল।


References:
[1] একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ, রক্তাক্ত মধ্য-আগস্ট ও ষড়যন্ত্রময় নভেম্বর – কর্ণেল শাফায়াত জামিল, Shahitya Prakash, 1998, 1st ed, p. 103
[2] Major Gen K M Safiullah BU PSC, 15th August: A national Tragedy, 1st ed. prothoma, 2014.
[3] ফ্যাক্টস্- এন্ড ডকুমেন্টস্–বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ড – অধ্যাপক আবু সাইয়িদ p. 290
সংগ্রামের নোটবুক
www.songramernotebook.com

08/08/2026

Address

Dhanmandi
Dhaka
1209

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when সংগ্রামের নোটবুক posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to সংগ্রামের নোটবুক:

Shortcuts

Share