July Uprising Council - JUC

July Uprising Council - JUC জুলাই ২০২৪-এর বিদ্রোহ থেকে জন্ম নেয় JUC। শহীদদের রক্তের ঋণ শোধ করতে ন্যায়বিচার, গণতন্ত্র ও মর্যাদার সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়া আমাদের অঙ্গীকার।

11/06/2026

এই জ **ঙ্গিরা কি চাইলেই ফিরতে পারবে?

কিন্তু দিল্লি স্টার এর মত কিছু ভারতীয় দালালারা এদের ফিরাতে মরিয়া।
সৌজন্যেঃ দেশ টিভি

প্রথম আলো, ডেইলিষ্টার ভারতীয় "র" এর প্রোডাক্ট........Hasnat Abdullah
09/06/2026

প্রথম আলো, ডেইলিষ্টার ভারতীয় "র" এর প্রোডাক্ট........
Hasnat Abdullah

04/06/2026

নেতা ঘুরে বেড়ায় হিন্দুস্থান, কর্মী পিটন খায় গুলিস্তান 😅

01/06/2026

মনে আছে সেদিন এর কথা?

26/05/2026

১-১১ এর আসল মাস্টারমাইন্ড মতি-মাহফুজ, জিয়া পরিবারকে গ্রেপ্তারের নেপথ্য কারিগর!অবশেষে দীর্ঘ দেড় দশক পর উন্মোচিত হতে শুরু ...
26/05/2026

১-১১ এর আসল মাস্টারমাইন্ড মতি-মাহফুজ, জিয়া পরিবারকে গ্রেপ্তারের নেপথ্য কারিগর!

অবশেষে দীর্ঘ দেড় দশক পর উন্মোচিত হতে শুরু করেছে বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম অন্ধকার অধ্যায় ‘এক-এগারো’র আসল রহস্য। আমরা এতদিন জানতাম ১-১১ ছিল সেনাবাহিনীর একটি অংশ বা মইন ইউ আহমেদের ক্ষমতা দখলের আকাঙ্ক্ষা। কিন্তু গোয়েন্দা জিজ্ঞাসাবাদে রিমান্ডে থাকা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর দেওয়া জবানবন্দি বলছে এক ভয়াবহ ও চাঞ্চল্যকর সত্য—১-১১ এর আসল চিত্রনাট্যকার বা ‘মাস্টারমাইন্ড’ ছিলেন প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান এবং ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম।

জিয়া পরিবারকে গ্রেপ্তারের মরীয়া চাপ:
জেনারেল মাসুদের জবানবন্দি অনুযায়ী, সেনাবাহিনী বেগম খালেদা জিয়া এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের গ্রেপ্তারের পক্ষপাতী ছিল না। সেনাসদস্যদের হৃদয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা থাকায় তারা এই গ্রেপ্তারের ঝুঁকি ও অসন্তোষ নিয়ে শঙ্কিত ছিল। কিন্তু সুশীল সমাজের এই দুই প্রতিনিধি—মতিউর রহমান ও মাহফুজ আনাম—জেনারেলদের ওপর রীতিমতো চাপ সৃষ্টি করেছিলেন। তাদের স্পষ্ট দাবি ছিল, বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে গ্রেপ্তার না করলে ‘রাজনৈতিক সংস্কার’ বা ‘বিরাজনীতিকরণ’ সম্ভব নয়। আজ এটা পরিষ্কার যে, জিয়া পরিবারকে ধ্বংস করতে সেনাবাহিনী নয়, বরং এই দুই ‘সুশীল মাফিয়া’ই ছিলেন প্রধান প্ররোচনাকারী।

ষড়যন্ত্রের গোপন রোডম্যাপ:
জেনারেল মাসুদ গোয়েন্দাদের জানিয়েছেন, ২০০৬ সালের অক্টোবরে গুলশানে এক প্রভাবশালী শিল্পপতির বাসায় গোপন নৈশভোজে এই ষড়যন্ত্রের গোড়াপত্তন হয়। সেখানেই মতি-মাহফুজ এবং কতিপয় বুদ্ধিজীবী জেনারেল মাসুদকে রাজনৈতিক সংকটে হস্তক্ষেপের প্ররোচনা দেন। মতিউর রহমানের স্বনামে লেখা বিতর্কিত নিবন্ধ "দুই নেত্রীকে সরে দাঁড়াতে হবে"—ছিল মূলত ১-১১ সরকারের অঘোষিত ইশতেহার। সাংবাদিকতার আড়ালে তারা আসলে দালালি আর ষড়যন্ত্রের বিষবৃক্ষ রোপণ করেছিলেন।
সরকার যখন মতি-মাহফুজের ‘প্রাইভেট লিমিটেড’:
এক-এগারোর ফখরুদ্দীন সরকারের ১৬ জন উপদেষ্টার মধ্যে ৯ জনই ছিলেন এই দুই সংবাদপত্রের নিয়মিত কলাম লেখক অথবা তাদের ঘনিষ্ঠ বৃত্তের মানুষ। এ বি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম, হোসেন জিল্লুর রহমান, ড. ইফতেখার আহমেদ চৌধুরীসহ ৯ জন উপদেষ্টাকে মূলত মতি-মাহফুজরাই নির্বাচন করেছিলেন। অর্থাৎ, পর্দার আড়ালে থেকে রাষ্ট্রক্ষমতা পরিচালনা করতো প্রথম আলো আর ডেইলি স্টার সিন্ডিকেট। তারা তথাকথিত ‘যোগ্য প্রার্থী’ বাছাইয়ের নামে এনজিও আর সুশীলদের নিয়ে সেমিনার করে রাজনীতিবিদদের প্রতি সাধারণ মানুষের ঘৃণা সৃষ্টি করেছিলেন।

কেন এই আক্রোশ?
বিগত ১৫ বছরের অসহনীয় ফ্যাসিবাদ, লুটপাট আর গুম-খুনের যে পিচ্ছিল পথ তৈরি হয়েছিল, তার মূল ভিত্তি ছিল ১-১১ এর বিরাজনীতিকরণ। জিয়া পরিবারকে রাজনীতি থেকে সরাতে না পারলে দিল্লির এজেন্ডা বাস্তবায়ন সম্ভব ছিল না আর সেই লক্ষ্যেই এই দুই সম্পাদক নিজেদের কলমকে ষড়যন্ত্রের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছিলেন। তারা শুধু সাংবাদিক নন, তারা ছিলেন গণতন্ত্রের পিঠে ছুরি মারা একেকজন ‘পলিটিক্যাল এজেন্ট’।

নিজেদের ‘বিবেকের কণ্ঠস্বর’ দাবি করা মতিউর রহমান আর মাহফুজ আনাম আসলে যে ১-১১ এর সেনাপ্রধান মইন ইউ আহমেদের ‘পলিটিক্যাল অ্যাডভাইজার’ ছিলেন, তা আজ গোয়েন্দা তথ্যে পরিষ্কার। জেনারেল মাসুদের জবানবন্দি বলছে—সেনাবাহিনী ভয় পেয়েছিল জিয়া পরিবারকে গ্রেপ্তার করতে, কিন্তু মতি-মাহফুজরা অভয় দিয়েছিলেন!
জিয়া পরিবারকে সরাতে না পারলে নাকি ‘রাজনৈতিক সংস্কার’ সম্ভব নয়—এই ছিল তাদের যুক্তি। আজ সেই সংস্কারের নমুনা সারা দেশ দেখছে। দীর্ঘ ১৫ বছরের ফ্যাসিবাদ ও লুটপাটের যে পথ তৈরি হয়েছিল, তার গোড়াপত্তন করেছিলেন এই দুই ‘সুশীল মাফিয়া’। সাংবাদিকতার নামে তারা আসলে দালালি আর ষড়যন্ত্রের বিষবৃক্ষ রোপণ করেছিলেন।
জিয়া পরিবারের প্রতি তাদের এই চিরস্থায়ী আক্রোশ আর ভারতীয় এজেন্ডা বাস্তবায়নের নেশা আজ জনগণের সামনে প্রমাণিত। তৌবা করার সময় শেষ, এখন বিচারের মুখোমুখি হওয়ার সময় শুরু।

জেনারেল মাসুদের জবানবন্দি এখন দলিল। ১-১১ এর ষড়যন্ত্রের আসল রহস্য উদ্ঘাটন করতে হলে মতিউর রহমান ও মাহফুজ আনামকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা সময়ের দাবি। সাংবাদিকতার আড়ালে যারা রাষ্ট্রদ্রোহী কর্মকাণ্ড করেছে, যারা একটি জনপ্রিয় রাজনৈতিক পরিবারকে ধ্বংস করতে সেনাপ্রধানদের প্ররোচিত করেছে, তাদের বিচার না হলে আগামীর বাংলাদেশ কখনোই নিরাপদ হবে না।
সুশীলতার চাদর সরিয়ে আজ এই ষড়যন্ত্রকারীদের আসল চেহারা চিনে নিন। গণতন্ত্র হরণকারী এই দুই দোসরের বিচার নিশ্চিত হোক!

© ইনসাইড স্টোরি

23/05/2026

প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান ও ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনামের নেতৃত্বে সুশীল সমাজের একটি অংশের চাপেই এক-এগারোর সময় বেগম খালেদা জিয়া, তাঁর ছেলে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও আরাফাত রহমান কোকোকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। এক-এগারোর দুই কুশীলব লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন এবং মেজর জেনারেল (অব.) মামুন খালেদ গোয়েন্দাদের কাছে এ তথ্য জানিয়েছেন বলে জানা গেছে।

19/05/2026

19/05/2026

ডেইলি স্টারের নাটক আবার শুরু। দেশের মানুষ যাদের বহু আগেই ডাস্টবিনে ফেলে দিছে, সেই জ ই মামুন, শাওনদের আবার “বিশেষজ্ঞ” বানায়ে টেনে আনা হচ্ছে। প্রশ্ন হলো, এত মরিয়া কেন? এই একই সার্কেলের মানুষদের ঘুরায়া ফিরায়া সামনে এনে কী প্রমাণ করতে চায় মাহফুজ আনাম গং?

ভাই, সমস্যা মতামত না। সমস্যা হইলো, এরা এখনো মনে করে মানুষ আগের মতোই বোকা আছে। সুশীল সেজে “আপা আসবে বাংলাদেশ হাসবে” লাইনের সফট প্রমোশন চালাইতেছে। কিন্তু ২৪-এ মানুষ ওদের স্বপ্নের কফিনে শেষ পেরেক মারছে। তারপরও শিক্ষা হয় নাই।

ডেইলি স্টার পোড়ানো তখনও সাপোর্ট করি নাই, এখনও করি না। কিন্তু ওদের এই ভণ্ডামি আর পুরান এজেন্ডা দেখলে বিরক্ত লাগে। একই স্ক্রিপ্ট, একই মুখ, একই কান্নাকাটি। পাবলিক এখন এসব খায় না।

18/05/2026

মোহাম্মদপুর জাপান গার্ডেন সিটিতে দাড়িয়ে থাকা জনতার দিকে গু** লি চালায় হাসিনার পুলিশ

Address

Dhaka
1216

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when July Uprising Council - JUC posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share