25/04/2026
শোষণ মুক্ত বাংলাদেশ গড়তে জীবনকে সবার আগে আদর্শের আলোকে সাজাতে হবে : মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তর সভাপতি মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন বলেন, আমাদের মূল পরিচয় আমরা আল্লাহর খলিফা। মানবতার কল্যাণে আমাদের কাজ করতে হবে। তবে তার জন্য সবার আগে আমাদের নিজেদের গঠন করতে হবে। তারপর দাওয়াতী কাজ করতে। লেখালেখি,গান, নাটক রচনা ও পরিবেশনের সাথে সাথে ব্যক্তিগত চরিত্রে সেই সুন্দরের প্রতিফলন ঘটাতে পারলেই মানুষ আমাদের দাওয়াতে সাড়া দিয়ে আমাদের আদর্শ গ্রহণ করবে। ইসলাম প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে শোষণ মুক্ত বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন সফল হবে।
২৪ এপ্রিল শুক্রবার রাজধানীর শহীদ নিজামী মিলনায়তনে বিসিএর আয়োজনে সাংস্কৃতিক কর্মীদের মিলনমেলায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
বিসিএর সভাপতি আবেদুর রাহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মিলনমেলায় স্বাগতম বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সেক্রেটারি ইবরাহীম বাহারী।
দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদের সভাপতি সাইফুল্লাহ মানছুর বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বলেন, অনেক ত্যাগের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রকে ব্যর্থ করার জন্য চতুর্মুখী ষড়যন্ত্র ও তৎপরতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। সাংস্কৃতিক কর্মীদের এ বিষয়ে সচেতনতার পাশাপাশি সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে। বাংলাদেশ কালচারাল একাডেমির আজকের সুন্দর এই অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।
স্বাগত বক্তব্যে জনাব ইবরাহীম বাহারী বলেন, কবি মতিউর রহমান মল্লিকের ভাষায় আহ্বান জানাচ্ছি, ‘এখনো মানুষ মরে পথের পরে, এখনো আসেনি সুখ ঘরে ঘরে,
কি করে তাহলে তুমি নেবে বিশ্রাম, কি করে তাহলে ছেড়ে দেবে সংগ্রাম। ‘
অর্থাৎ ৫ আগস্ট ২০২৪এর পর আমাদের সংগ্রাম শেষ হয়নি। আমাদের কলমকে আরো শানিত করতে হবে, সত্য ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠাতার সংগ্রাম চালিয়ে যেতে হবে। কাংখিত লক্ষ অর্জন করার আগে বিশ্রামের সুযোগ নেই।
দরসুল কুরআন পেশ করেন অধ্যাপক ড. আব্দুস সামাদ। তিনি বলেন, আল্লাহর বিধান প্রতিষ্ঠা করলেই মানুষ দুনিয়া, আখেরাতে সুখে থাকবে। জান্নাতবাসী ও জাহান্নামবাসীরা কখনো সমান নয়, জান্নাতবাসীরাই প্রকৃত সফলকাম।
সভাপতির বক্তব্যে জনাব আবেদুর রহমান সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, সাহিত্য সংস্কৃতি কর্মীরা হলেন সমাজের সবচেয়ে সচেতন অংশ। তাঁরা সতর্ক পাহারাদারের ভূমিকা পালন করলেই রাজনীতি দুর্বৃত্তরায়নমুক্ত হবে।