Bangladesh CSO NGO Coordination Process

Bangladesh CSO NGO Coordination Process Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Bangladesh CSO NGO Coordination Process, Charitable organisation, Dhaka.

ঢাকায় অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা।ক্ষুদ্রঋণ খাতকে ধ্বংস করার প্রস্তাবিত ‘ক্ষুদ্রঋণ ব্যাংক অধ্যাদেশ...
07/04/2026

ঢাকায় অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা।

ক্ষুদ্রঋণ খাতকে ধ্বংস করার প্রস্তাবিত ‘ক্ষুদ্রঋণ ব্যাংক অধ্যাদেশ–২০২৫’ বাতিল করতে হবে।

ঢাকা, ৭ এপ্রিল ২০২৬: ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানগুলোকে ব্যাংকিং কাঠামোর আওতায় আনার নামে কোনো ধরনের কর্পোরেট আগ্রাসন মেনে নেওয়া হবে না। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রস্তাবিত ‘ক্ষুদ্রঋণ ব্যাংক অধ্যাদেশ–২০২৫’ অবিলম্বে বাতিল করতে হবে। এই অধ্যাদেশের মাধ্যমে ব্যাংকিং ব্যবস্থার আড়ালে ক্ষুদ্রঋণ খাতকে ধ্বংস করার সুস্পষ্ট নীলনকশা বাস্তবায়নের চেষ্টা চলছে। বক্তারা প্রশ্ন তোলেন, দেশে বিদ্যমান ৬৭টি ব্যাংক পরিচালনায় যেখানে বাংলাদেশ ব্যাংককেই নানা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হয়, সেখানে শত শত এনজিও ও ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানকে ব্যাংকিং ব্যবস্থার আওতায় আনা হলে তা কীভাবে কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করা সম্ভব হবে। এখানে উল্ল্যেখ্য যে বর্তমান সরকার অন্তবর্তীকালীন সরকারের প্রনীত যে ১৬টি অধ্যাদেশকে অধিকতরও শক্তিশালী করার জন্য স্থগিত রেখেছে তার মধ্যে ক্ষুদ্রঋণ ব্যাংক অধ্যাদেশ–২০২৫’ ও রয়েছে।

তারা আরও বলেন, অধ্যাদেশের মাধ্যমে ঝুঁকি সৃষ্টি না করে বরং সঞ্চয়ের সুযোগ সম্প্রসারণের মাধ্যমে ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও আর্থিকভাবে শক্তিশালী করার উদ্যোগ নিতে হবে। একইসঙ্গে, পাবলিক ডিমান্ড রিকভারি অ্যাক্ট-এর আওতায় সার্টিফিকেট মামলা দায়েরের সুযোগ প্রদান করতে হবে যাতে অর্থ আত্মসাৎ প্রতিরোধ করা যায়। ক্ষুদ্রঋণ খাতের তদারকির দায়িত্ব বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে না দিয়ে বরং মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (এমআরএ), পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) এবং এনজিও ব্যুরোর মতো বিদ্যমান প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও শক্তিশালী করতে হবে এবং তাদের নিজস্ব কাঠামোর মধ্যেই তাদের কাজ করতে দিতে হবে।

আজ ৭ এপ্রিল (মঙ্গলবার) ২০২৫ ঢাকার জাতীয় প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে কোস্ট ফাউন্ডেশন, ইক্যুইটিবিডি এবং বিডিসিএস্ও প্রসেস কর্তৃক আয়োজিত “ক্ষুদ্রঋণকে ব্যাংকিং কাঠামোয় রূপান্তরের ঝুঁকি” শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা এসকল দাবিসমূহ তুলে ধরেন। কোস্ট ফাউন্ডেশন-এর নির্বাহী পরিচালক ও ইক্যুইটিবিডি-এর প্রধান সঞ্চালক রেজাউল করিম চৌধুরীর সভাপতিত্বে উক্ত সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন কোস্ট ফাউন্ডেশন এর ক্ষুদ্রঋন এর পরিচালক- সৈয়দ আমিনুল হক, ইকুইটিবিডির সমন্বয়কারি, ওমর ফারুক ভুইয়া, বিডিসিএসও-প্রসেস এর এম. এ. হাসান সহ অন্যানরা বক্তব্য রাখেন। সংবাদ সম্মেলনে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিডিসিএসও প্রসেস-এর মোস্তফা কামাল আকন্দ।

রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, উন্নয়ন কেবল অবকাঠামো বা ব্যাংক ব্যালেন্স বৃদ্ধির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; প্রকৃত উন্নয়ন হলো মানুষের সক্ষমতা বৃদ্ধি, আত্মমর্যাদা প্রতিষ্ঠা এবং নিরাপদ জীবনের নিশ্চয়তা। তিনি বলেন, এনজিওগুলো স্বাস্থ্য, শিক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত দুর্যোগের জন্য বিদেশ থেকে যে ফান্ড আনার সুযোগ পায় ব্যাংকগুলো কি সুযোগ পাবে? তাছাড়া যেখানে বাণিজ্যিক ব্যাংক গুলোর এনপিএল প্রায় ৩৫% সেখানে ক্ষুদ্রঋণ এনপিএল গড়ে ৮-৯% উপরে নয়, ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানের টাকা বিদেশে পাচার হয়েছে এমন নজির বাংলাদেশে নেই। তাই ব্যাংক গুলোও এখন ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ কে সবচেয়ে নিরাপদ মনে করছে। ক্ষুদ্রঋণ সেক্টর লাখো মানুষের আত্মনির্ভরতা ও নারীর ক্ষমতায়ন জোরদার করেছে এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে গতিশীল করেছে, আমরা এই সেক্টরকে কর্পোরেট আগ্রাসনের ঝুঁকিতে ফেলতে দিতে পারিনা।

সৈয়দ আমিনুল হক বলেন, “বাংলাদেশে ইতিমধ্যেই ৬৭টি ব্যাংক রয়েছে, সেক্ষেত্রে ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানগুলোকে ব্যাংকিং কাঠামোর আওতায় আনার প্রয়োজন কেন—এটি এক বড় প্রশ্ন। ব্যাংকগুলো মূলত মুনাফা লক্ষ্য নিয়ে পরিচালিত হয় এবং পরিচালনা পর্ষদের রাজনৈতিক প্রভাবের অধীনে থাকে, যা ভবিষ্যতে বড় ধরনের ঝুঁকির সৃষ্টি করতে পারে। দেশে প্রায় ৭০০টির মতো এনজিও কার্যক্রম চালাচ্ছে, অথচ বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কারো সঙ্গে আলোচনা না করে, মতামত না নিয়ে মাত্র কয়েকটি বড় এনজিও ও কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের পরামর্শের ভিত্তিতে এই অধ্যাদেশ প্রণয়ন করেছে। এটি শুধু ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানগুলোরই নয়, দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্যও বড় ধরনের ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়াবে। আমরা দাবি করছি, এই অধ্যাদেশ অবিলম্বে বাতিল করা হোক।

মোস্তফা কামাল আকন্দ আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, প্রস্তাবিত ‘ক্ষুদ্রঋণ ব্যাংক অধ্যাদেশ ২০২৫’ নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। প্রথমত, ক্ষুদ্রঋণের মূল লক্ষ্য হলো দারিদ্র্য বিমোচন ও সামাজিক উন্নয়ন, যা ব্যাংকিং কাঠামোয় মুনাফা-চালিত হয়ে প্রান্তিক মানুষদের সেবার বাইরে ঠেলে দিতে পারে। দ্বিতীয়ত, ব্যাংকিং নিয়ম ও জটিলতা দ্রুত ও সহজলভ্য সেবাকে বাধাগ্রস্ত করবে। তৃতীয়ত, এনজিওদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলার কাজ ব্যাংকিং মডেলে গুরুত্ব হারাবে, যা গ্রামীণ উন্নয়নে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

ওমর ফারুক ভুইয়া বলেন, গত তিন দশক ধরে ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানগুলো মূলত বৈদেশিক তহবিল ছাড়াই স্বনির্ভরভাবে পরিচালিত হচ্ছে। দেশের মোট জিডিপিতে এই খাতের অবদান প্রায় ১৭ শতাংশ। প্রতিদিন প্রায় ৪৪ হাজার কোটি টাকার লেনদেন হয়, যার প্রায় ৪০ শতাংশই গ্রুপ সদস্যদের সঞ্চয় থেকে আসে। এ খাতে প্রায় ৫ লক্ষ কর্মী নিয়োজিত রয়েছে।তারা সতর্ক করে বলেন, এই বিশাল ও গুরুত্বপূর্ণ খাতকে গুটি কয়েক বড় এনজিও বা কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের হাতে তুলে দেয়া যাবেনা।

এম.এ. হাসান বলেন, এনজিওগুলোর মাধ্যমে পরিচালিত ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম শুধু ঋণ প্রদানে সীমাবদ্ধ নয়; বরং শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও জলবায়ুজনিত দুর্যোগ মোকাবিলাসহ নানা সামাজিক উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। ব্যাংকিং কাঠামোয় রূপান্তরিত হলে এসব মানবিক ও সামাজিক উদ্যোগ গুরুত্ব হারাতে পারে, যা গ্রামীণ জনপদের সামগ্রিক উন্নয়নে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

Civil Society demands at the press conference:Scrap ‘Microcredit Bank Ordinance–2025Dhaka, 7 April 2026: Bringing microf...
07/04/2026

Civil Society demands at the press conference:

Scrap ‘Microcredit Bank Ordinance–2025

Dhaka, 7 April 2026: Bringing microfinance institutions under a banking framework in the name of regulation would amount to corporate encroachment and cannot be accepted. The interim government’s proposed Microcredit Bank Ordinance–2025 must be withdrawn immediately. Speakers alleged that the ordinance represents a clear blueprint to dismantle the microfinance sector under the guise of banking reform. They further questioned the feasibility of such a move, noting that even managing the country’s existing 67 banks poses significant challenges for Bangladesh Bank. In that context, they asked how it would be possible to effectively regulate and oversee hundreds of NGOs and microfinance institutions if they were brought under the same banking system. It is noteworthy that among the 16 ordinances promulgated by the interim government, which the current government has kept in abeyance to further strengthen them, the Microcredit Bank Ordinance–2025 is among them.

They further stated that, instead of creating risks through the ordinance, initiatives should be taken to strengthen microfinance institutions financially by expanding opportunities for savings. At the same time, provisions should be made to allow the filing of certificate cases under the Public Demand Recovery Act-91 to prevent the misappropriation of funds. They also emphasized that regulatory oversight of the microfinance sector should not be transferred to the Bangladesh Bank. Rather, existing institutions such as the Microcredit Regulatory Authority (MRA), Palli Karma-Sahayak Foundation (PKSF), and the NGO Affairs Bureau should be further strengthened and allowed to operate within their respective mandates.

On Tuesday, 7 April 2025, the demands were raised at a press conference titled “Risks of Transforming Microcredit into a Banking Framework”, held at the VIP Lounge of the National Press Club in Dhaka. COAST Foundation, EquityBD, and the BDCSO Process organized the event. The press conference was chaired by Rezaul Karim Chowdhury, Executive Director of COAST Foundation and Chief Moderator of EquityBD. Among the speakers were Syed Aminul Haque, Director of Microfinance at COAST Foundation; Omar Faruk Bhuiyan, Coordinator of EquityBD; and M. A. Hasan of the BDCSO Process, along with others. The keynote paper was presented by Mostafa Kamal Akand of the BDCSO Process.

Rezaul Karim Chowdhury stated that development is not merely about infrastructure or increasing bank balances; true development lies in empowering people, establishing self-respect, and ensuring secure livelihoods. He questioned whether banks could access foreign funds the way NGOs do for health, education, or climate-related disaster programs. Moreover, while commercial banks in Bangladesh have an NPL of around 35%, microfinance institutions maintain an NPL of only 8–9% at most. There is no record of microfinance funds being siphoned abroad. In fact, banks now consider investing in microfinance institutions to be one of the safest options. He emphasized microfinance sector has strengthened the self-reliance of millions and empowered women, while energizing the rural economy.

Syed Aminul Haque said, Bangladesh already has 67 banks, so the question arises: why is there a need to bring microfinance institutions under the banking framework? Banks are primarily profit-driven and operate under the political influence of their boards, which could pose significant risks in the future. Around 700 NGOs are operating in the country, yet the previous interim government drafted this ordinance without consulting anyone or seeking broader opinions, relying instead on the advice of just a few large NGOs and corporate entities. We demand that this ordinance be repealed immediately.

Mostofa Kamal Akand noted that the core objective of microcredit—poverty alleviation and social development—could be compromised if it is transformed into a profit-driven banking model, potentially leaving marginalized communities underserved. He further warned that banking regulations and procedural complexities might hinder the timely and accessible delivery of services. Additionally, he emphasized that NGOs’ critical work in education, health, and climate risk mitigation could lose prominence under a banking framework, negatively affecting rural development.

Omour Faruq Bhuyian, Coordinator of EquityBD, noted that over the past three decades, microfinance institutions have largely operated self-sustainably without relying on foreign funding. The sector contributes approximately 17 percent to the country’s GDP. Daily transactions amount to around BDT 44,000 crore, of which nearly 40 percent comes from group members’ savings. Approximately 500,000 people are employed in this sector. He warned that such a large and vital sector must not be handed over to a small number of large NGOs or corporate entities.

M. A. Hasan stated microcredit programs run through NGOs are not limited to providing loans; they are deeply integrated with various social development initiatives, including education, health, and climate-related disaster management. He warned that if these programs are transformed into a banking framework, these humanitarian and social initiatives could lose their significance, which would negatively impact overall development in rural communities.

23/08/2025

বিশ্ব মানবিক দিবসে আন্তর্জাতিক সেমিনারে বক্তারা
মানবিক তহবিল সহায়তার স্থানীয়করণ দাবি
গত ১৯ আগস্ট ২০২৫ মানবিক কর্মকান্ডে নিয়োজিত সংগঠনগুলো গ্র্যান্ড ব্যার্গেন প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নের জন্য দেশিয় পর্যায়ে একটি কার্যকর পরিকল্পনা তৈরির দাবি জানিয়েছেন যেখানে মানবিক সহায়তা প্রদানের স্থানীয়করণ, গুণগত তহবিল প্রদান এবং দুর্যোগে আক্রান্ত মানুষের প্রতি জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠিত হবে।
শুনুন তাদের কথা-

23/08/2025

বিশ্ব মানবিক দিবসে আন্তর্জাতিক সেমিনারে বক্তারা
মানবিক তহবিল সহায়তার স্থানীয়করণ দাবি:
গত ১৯ আগস্ট ২০২৫ মানবিক কর্মকান্ডে নিয়োজিত সংগঠনগুলো গ্র্যান্ড ব্যার্গেন প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নের জন্য দেশিয় পর্যায়ে একটি কার্যকর পরিকল্পনা তৈরির দাবি জানিয়েছেন। কোস্ট ফাউন্ডেশন, বিডিসিএসও প্রসেস এবং কক্সবাজার সিএসও-এনজিও ফোরামের আয়োাজনে এই সেমিনারের আয়োজন করা হয়।
আলোচনায় বিশিষ্ট অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ছিলেন বাংলাদেশের সুইডেন দূতাবাসের প্রথম সচিব মাতিলদা সভেনসন; শুনুন স্থানীয়করণ এগিয়ে নিতে তিনি কি সুপারিশ করেছেন-

23/08/2025

বিশ্ব মানবিক দিবসে আন্তর্জাতিক সেমিনারে বক্তারা।
মানবিক তহবিল সহায়তার স্থানীয়করণ দাবি।

গত ১৯ আগস্ট ২০২৫ মানবিক কর্মকান্ডে নিয়োজিত সংগঠনগুলো গ্র্যান্ড ব্যার্গেন প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নের জন্য দেশিয় পর্যায়ে একটি কার্যকর পরিকল্পনা তৈরির দাবি জানিয়েছেন যেখানে মানবিক সহায়তা প্রদানের স্থানীয়করণ, গুণগত তহবিল প্রদান এবং দুর্যোগে আক্রান্ত মানুষের প্রতি জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠিত হবে।
দেশিয় পর্যায়ে গ্র্যান্ড ব্যার্গেইনের প্রতিশ্রুতিগুলো কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের জন্য জাতিসংঘ, আন্তর্জাতিক এনজিও এবং স্থানীয় সংগঠনগুলোর সমন্বয় করে একটি পরিকল্পনা প্রয়োজন। কোস্ট ফাউন্ডেশন, বিডিসিএসও প্রসেস এবং কক্সবাজার সিএসও-এনজিও ফোরামের আয়োাজনে এই সেমিনারের আয়োজন করা হয়। কোস্ট ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক রেজাউল করিম চৌধুরীর সঞ্চালনায় সেমিনারে মূল প্রবন্ধটি উপস্থাপন করেন কোস্ট ফাউন্ডেশনের মোঃ ইকবাল উদ্দিন।
আলোচনায় বিশিষ্ট অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ছিলেন বাংলাদেশের সুইডেন দূতাবাসের প্রথম সচিব মাতিলদা সভেনসন; মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনাম; সুইজারল্যান্ডের গ্র্যান্ড ব্যার্গেন সচিবালয়ের সিনিয়র উপদেষ্টা বিওন হফম্যান; ডিজাস্টার ফোরামের গওহের নঈম ওয়ারহা; ভারতের হিউম্যানিটেরিয়ান এইড ইন্টারন্যাশনাল থেকে সুধাংসু শেখর সিং; এনআরডিএস থেকে আব্দুল আউয়াল; ওয়াটার কিপারস্ বাংলাদেশ থেকে শরীফ জামিল; ক্রিশ্চিয়ান এইডের নুঝাত জেবিন; এডাবের জসিম উদ্দীন; ইসলামিক রিলিফ বাংলাদেশের নাসির উদ্দীন; আইএফআরসি থেকে মেহেদি হাসান শিশির এবং ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ থেকে দুলন যোশেফ গোমেজ।
অন্যান্যদের মধ্যে আরো বক্তব্য রাখেন ব্র্যাকের আব্দুল্লাহ আল নোমান; মুসলিম এইডের ড. ফাদিয়া সুলতানা; বিএনএনআরসির এ এইচ এম বজলুর রহমান; অগ্রযাত্রা বাংলাদেশ থেকে নিলীমা আক্তারচৌধুরী; সিদিপ থেকে মিফতা নাঈম হুদা; হিউম্যানিটারিয়ান এক্সপার্ট আব্দুল হালিম প্রমুখ।

International seminar marking the World Humanitarian Day.Humanitarian actors demand localization of aid in humanitarian ...
19/08/2025

International seminar marking the World Humanitarian Day.

Humanitarian actors demand localization of aid in humanitarian response.

Dhaka, 19 August 2025: Humanitarian actors have called for an effective implementation of the Grand Bargain commitments in Bangladesh that includes localization of aid, quality funding to local national actors and accountability to the affected population. The Grand Bargain commitment was adopted in Istanbul during May 2016 at the World Humanitarian Summit and signed by around 70 parties, including different donor countries, UN agencies, INGOs, etc., to advance humanitarian action. Effective implementation of the Grand Bargain agenda at the country level requires a coordinated plan of the UN, INGOs and local humanitarian actors.

However, the speakers questioned the process of some INGO branches taking local registration and claiming themselves as local NGO, which is against the spirit of promoting the Grand Bargain localization agenda. They said this during an international seminar titled “Accelerating Grand Bargain 3.0 for Advancing Humanitarian Action in Bangladesh” organized by COAST Foundation, BDCSO Process, and Cox’s Bazar CSO-NGO Forum today, moderated by Rezaul Karim Chowdhury, Executive Director of COAST Foundation. The keynote presentation was delivered by Md. Iqbal Uddin of COAST Foundation.

Distinguished speakers included Matilda Svensson, First Secretary, Embassy of Sweden in Bangladesh; Shaheen Aman from MJF; Bjorn Hofmann, Senior Advisor of the Grand Bargain Secretariat in Switzerland; Gawhar Nayeem Warha from Disaster Forum; Sudhansu S. Singh from Humanitarian Aid International in India; Abdul Awal from NRDS; Sharif Jamil from Waterkeepers; Nuzhat Jabin from Christian Aid; Jasim Uddin from ADAB; Nasir Uddin from IRB; Mehedi Hasan Shishir from IFRC and Dulon Joseph Gomes from World Vision.

In his keynote, Md. Iqbal Uddin said that while Grand Bargain 3.0 is set to conclude in 2026, progress remains limited. He urged donors and aid organizations to fulfill their commitments by ensuring at least 25% direct funding to local actors, providing multi-year and flexible funding, ensuring mutual accountability and support for local leadership. Matilda Svensson highlighted that Sweden and SIDA are already providing 25% direct funding to local and national actors, fulfilling the Grand Bargain commitment. She emphasized the need for signatories to build equitable partnerships and avoid subcontracting. Shaneen Anam stressed that accountability and transparency apply equally to both donors and implementing organizations, underscoring the importance of ensuring aid reaches the right beneficiaries. Bjoern Hofmann informed that the Grand Bargain Secretariat has circulated its Think Piece globally and that progress on commitments will be reviewed at the Annual General Meeting in October in Geneva. Gawher Nayeem Wahra reminded that localization is not only about funding but also about the localization of resources. Referring to the ALNAP study, Sudhanshu S. Singh noted that only 6% of funding currently reaches local actors directly, urging stronger support for them. Abdul Awal cautioned that aid cuts put local actors at greater risk, but stressed the importance of being prepared for unforeseen crises and negotiating better terms with donors.

Additional speakers included Mainul Islam from NRC Bangladesh; Alauddin Al Noman from BRAC; Fadia Sultana from Mulsim Aid; AHM Bazlur Rahman from BNNRCl; Nilima Akther Chowdhury from AGRAJATRA; Mifta Naim Huda from CDIP; and Abdul Halim as a humanitarian expert, who shared insights on advancing localization of aid efforts in Bangladesh.

বিশ্ব মানবিক দিবসে আন্তর্জাতিক সেমিনারে বক্তারা।মানবিক তহবিল সহায়তার স্থানীয়করণ দাবি।ঢাকা, ১৯ আগস্ট ২০২৫: মানবিক কর্মকান...
19/08/2025

বিশ্ব মানবিক দিবসে আন্তর্জাতিক সেমিনারে বক্তারা।
মানবিক তহবিল সহায়তার স্থানীয়করণ দাবি।
ঢাকা, ১৯ আগস্ট ২০২৫: মানবিক কর্মকান্ডে নিয়োজিত সংগঠনগুলো গ্র্যান্ড ব্যার্গেন প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নের জন্য দেশিয় পর্যায়ে একটি কার্যকর পরিকল্পনা তৈরির দাবি জানিয়েছেন যেখানে মানবিক সহায়তা প্রদানের স্থানীয়করণ, গুণগত তহবিল প্রদান এবং দুর্যোগে আক্রান্ত মানুষের প্রতি জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠিত হবে।। গ্রান্ড বার্গেইন প্রতিশ্রুতিগুলো ২০১৬ সালের মে মাসে ইস্তাম্বুলে বিশ্ব মানবিক সম্মেলনে গৃহীত হয়েছিল। বর্তমানে এর স্বাক্ষরকারী হলো ৭০ টি দাতা দেশ ও মানবিক তহবিল প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান।
দেশিয় পর্যায়ে গ্র্যান্ড ব্যার্গেইনের প্রতিশ্রুতিগুলো কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের জন্য জাতিসংঘ, আন্তর্জাতিক এনজিও এবং স্থানীয় সংগঠনগুলোর সমন্বয় করে একটি পরিকল্পনা প্রয়োজন। বক্তারা কিছু আইএনজিও শাখার দেশিয় পর্যায়ে নিবন্ধন গ্রহণ এবং তাদেরকে স্থানীয় এনজিও হিসাবে দাবি করার প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, যা গ্র্যান্ড ব্যার্গেন স্থানীয়করণ প্রতিশ্রুতির চেতনার পরিপন্থী বলে তারা মত দেন। কোস্ট ফাউন্ডেশন, বিডিসিএসও প্রসেস এবং কক্সবাজার সিএসও-এনজিও ফোরামের আয়োাজনে আজ এই আন্তর্জাতিক সেমিনারের আয়োজন করা হয়। কোস্ট ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক রেজাউল করিম চৌধুরীর সঞ্চালনায় এক্সেলেরেটিং গ্রান্ড বার্গেইন ৩.০ ফর এ্যাডভান্সিং হিউম্যানিটারিয়ান এ্যাকশন ইন বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন। মূল প্রবন্ধটি উপস্থাপন করেন কোস্ট ফাউন্ডেশনের মোঃ ইকবাল উদ্দিন।
আলোচনায় বিশিষ্ট অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ছিলেন বাংলাদেশের সুইডেন দূতাবাসের প্রথম সচিব মাতিলদা সভেনসন; মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনাম; সুইজারল্যান্ডের গ্র্যান্ড ব্যার্গেন সচিবালয়ের সিনিয়র উপদেষ্টা বিওন হফম্যান; ডিজাস্টার ফোরামের গওহের নঈম ওয়ারহা; ভারতের হিউম্যানিটেরিয়ান এইড ইন্টারন্যাশনাল থেকে সুধাংসু শেখর সিং; এনআরডিএস থেকে আব্দুল আউয়াল; ওয়াটার কিপারস্ বাংলাদেশ থেকে শরীফ জামিল; ক্রিশ্চিয়ান এইডের নুঝাত জেবিন; এডাবের জসিম উদ্দীন; ইসলামিক রিলিফ বাংলাদেশের নাসির উদ্দীন; আইএফআরসি থেকে মেহেদি হাসান শিশির এবং ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ থেকে দুলন যোশেফ গোমেজ।
মূল প্রবন্ধে মোঃ ইকবাল উদ্দিন বলেন গ্রান্ড বার্গেইন ৩.০ এর মেয়াদ আগামী ২০২৬ সালে শেষ হয়ে যাবে। কিন্তু সে তুলনায় অগ্রগতি সামান্যই। তাই দাতা দেশ ও সাহায্য সংস্থাগুলোর গ্রান্ড বার্গেইন প্রতিশ্রুতি পূরণের মাধ্যমে স্থানীয়করণ প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার জন্য স্থানীয় সংগঠনগুলোকে সরাসরি কমপক্ষে ২৫% তহবিল প্রদান, বহুবর্ষী তহবিল প্রদান, যৌথ জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা ও স্থানীয় নেতৃত্ব বিকাশের জন্য পরিকল্পনা তৈরি বাস্তবায়ন করতে হবে।
মাতিলদা এসভেনসন বলেন দাতা দেশ হিসেবে সুইডেন ও সিডা সরাসরি স্থানীয় সংগঠনগুলোকে গ্রান্ড বার্গেইন প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ২৫% তহবিল প্রদান নিশ্চিত করেছে। তিনি গ্রান্ড বার্গেইনের অন্যান্য স্বাক্ষরকারীদের কর্মসূচি বাস্তবায়নে সম-অংশীদারিত্বের উপর তিনি জোর দেন। শাহীন আনাম বলেন স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা দাতা ও অংশীদারি সংগঠন দটোর উপরও বর্তায়। তিনি স্বচ্ছতার সাথে দুর্যোগে আক্রান্ত মানুষের কাছে দ্রুত সহায়তা পৌছে দেবার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন। বিওন হফম্যান বলেন গ্রান্ড বার্গেইন সচিবালয় থেকে থিংক পিস প্রতিবেদনটি সারা দুনিয়ায় ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে। আগামী অক্টোবর মাসে জেনেভায় অনুষ্ঠিত বার্ষিক সম্মেলনে গ্রান্ড বার্গেইন প্র প্রতিশ্রুতিগুলোর অগ্রগতি সবাইকে জানানো হবে। গওহের নাঈম ওয়ারহা বলেন স্থানীয়করণ মানে শুধু তহবিল সহায়তার স্থানীয়করনকেই বোঝায় না, স্থানীয় সম্পদের স্থানীয়করণ বিষয়ে তিনি পদক্ষেপ নেবার কথা বলেন। সুধাংসু শেখর সিং আলনাপের গবেষণার কথা উল্লেখ করে বলেন স্থানীয় সংগঠনগুলোকে দাতারা সরাসবি মাত্র ০.৬ শতাংশ তহবিল প্রদান করে। এটি দুঃখজনক এবং স্থানীয় সংগঠনগুলোকে প্রতিশ্রুতি মোতাবেক তিনি আরো সহায়তা দেবার দাবি জানান। আব্দুল আউয়াল বলেন ইউএসএআইডির তহবিল কমে যাবার কারণে স্থানীয়সংগঠনগুলো সংকটের মধ্যে রয়েছে। সংকট আরো আসবে, সেজন্য এনজিওগুলোকে আগাম প্রস্তুতি গ্রহণের কথা উল্লেখ করেন।
অন্যান্যদের মধ্যে আরো বক্তব্য রাখেন ব্র্যাকের আব্দুল্লাহ আল নোমান; মুসলিম এইডের ড. ফাদিয়া সুলতানা; বিএনএনআরসির এ এইচ এম বজলুর রহমান; অগ্রযাত্রা বাংলাদেশ থেকে নিলীমা আক্তারচৌধুরী; সিদিপ থেকে মিফতা নাঈম হুদা; হিউম্যানিটারিয়ান এক্সপার্ট আব্দুল হালিম প্রমুখ।

10/08/2025
26/01/2025

GPEDC এর যাবত প্রকাশিত তিনটি মনিটরিং প্রতিবেদনের কান্ট্রি প্রোফাইল দেশের অভ্যন্তরে স্টেকহোল্ডারদের সাথে আলোচনা হয়নি। এবার প্রাপ্ত ফলাফল নিয়ে দেশব্যাপী ব্যাপক মত বিনিময় করা হবে যাতে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় আচরণগত পরিবর্তন করা সম্ভবপর হয়।

বাংলাদেশ এ যাবত প্রতিটি মনিটরিং রাউন্ডে অংশ নিয়েছে। ফলাফল হিসাবে ERD তে কিছু পরিকাঠামোগত পরিবর্তন হয়েছে। OECD এবং UNDP মনিটরিং প্রক্রিয়াটি পরিচালনা করছে। আমাদের দেশে ইউএন রেসিডেন্ট অফিস ইউএনডিপির সাথে প্রক্রিয়াটি সমন্বয় করছে। এই পর্যবেক্ষণ দরকারী প্রশ্নাবলী বাংলায় অনুবাদ করার জন্য কোস্ট ফাউন্ডেশনকে আমার বিশেষ ধন্যবাদ।

উন্নয়ন সহযোগি, সরকারি ও বেসরকারি খাত যৌথভাবে ‘বাংলাদেশ প্রাইভেট সেক্টর ওয়ার্কিং কমিটি’নামে একটি সংগঠন গঠন করেছে। আমি আশাবাদী, এই সংগঠনটি কার্যকরী উন্নয়ন সহায়তা মনিটরিং পরিচালনায় সহায়ক হবে।

CSO এর জন্য সক্রিয় পরিবেশ: আমলাতান্ত্রিক বাধা নিয়ে উদ্বেগ এবং স্বাধীনভাবে কাজের সুযোগের আহবান।ঢাকা, সিরডাপ, ১৮ জানুয়ারী ...
18/01/2025

CSO এর জন্য সক্রিয় পরিবেশ: আমলাতান্ত্রিক বাধা নিয়ে উদ্বেগ এবং স্বাধীনভাবে কাজের সুযোগের আহবান।

ঢাকা, সিরডাপ, ১৮ জানুয়ারী ২০২৫। Global Partnership for Effective Development Cooperation (GPEDC) এর ৪র্থ মনিটরিং রাউন্ডে সিভিল সোসাইটির ভ‚মিকা নিয়ে ১৮ জানুয়ারী ২০২৫ তারিখে সিরডাপ মিলনায়তনে বিডিসিএসও, সিডিপি, এবং কোস্ট ফাউন্ডেশন যৌথভাবে একটি জাতীয় কর্মশালার আয়োজন করে। কর্মশালায় দেশের ৮টি বিভাগ থেকে স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ের ৪০ টিরও বেশী সিভিল সোসাইটি সংগঠন (CSO) অংশগ্রহণ করে। সেমিনারে GPEDC এর ৪র্থ রাউন্ড মনিটরিং এর বাংলাদেশের জাতীয় সমন্বয়ক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব এ. এইচ. এম. জাহাঙ্গীর সভাপতিত্ব করেন এবং সঞ্চালনা করেন রেজাউল করিম চৌধুরী, কোস্ট ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ও দক্ষিণ এশিয়া সিভিল সোসাইটির ফোকাল পারসন। সর্বপ্রকার আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, কার্য সম্পাদনের জন্য অর্থ প্রদান ও গ্রহণ বিষয়ে CSO প্রতিনিধিগণ উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং স্বাধীনভাবে কাজ ও কথা বলার পরিবেশ তৈরীর জন্য আহবান জানান। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ড. সোহেল ইকবাল, কোস্ট ফাউন্ডেশন; মাসুম জাহাঙ্গীর, সিডিপি; জিয়াউল হক মুক্তা, সিএসআরএল। GPEDC এর কো-চেয়ার লুকা ফারজা বিশেষ অতিথি হিসাবে তার বক্তব্য পেশ করেন। ড. রেজাউল বাশার সিদ্দিক, অতিরিক্ত সচিব, ইআরডি; সরদার এম আসাদুজ্জামান, সহকারী আবাসিক প্রতিনিধি, ইউএনডিপি; বেন মরগ্যান, জাতিসংঘ আবাসিক সমন্বয়কের প্রতিনিধি; কে. এ. এম. মোর্শেদ, সিনিয়র পরিচালক, ব্রাক; গওহর নায়েম ওয়ারা, দুর্যোগ ফোরাম; ডোরা থেকে শরীফ জামিল, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবঃ) আবু নাইম, এফবিসিসিআই; নারী উদ্যোক্তা তাসলিমা মিজি গুরুত্বপূর্ণ অভিমত ব্যক্ত করেন যার আলোকে অংশীদারীত্ব বৃদ্বির মাধ্যমে উন্নয়ন সহায়তা কার্যকরী করা ও কাঠামো, প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে আচরণগত পরিবর্তন আনয়নে সহায়ক হবে।

জিয়াউল হক মুক্তা বলেন সিভিল সোসাইটির ইতিহাস বাংলাদেশের অনেক প্রাচীন এবং রাজনৈতিক সমালোচনায় অংশ গ্রহণ করে। লুকা ফারজা বলেন স্বাধীন এবং সক্রিয় সিভিল সোসাইটি এসডিজি বাস্তবায়নের জন্য জরুরী। মূল প্রবন্ধে ড. সোহেল ইকবাল GPEDC এবং মনিটরিং রাউন্ডের প্রেক্ষাপট সকলের জন্য ব্যাখা করেন। মনিটরিং রাউন্ডে সিভিল সোসাইটির জন্য নির্দিষ্ট প্রশ্নমালা ও উত্তর প্রদান প্রক্রিয়া নিয়ে ধারণা প্রদান করেন। কেএএম মোর্শেদ সংস্কার বিষয়ে গুরুত্ব দেয়ার উপর জোর দেন। সরদার এম আসাদুজ্জামান অংশীদারীত্বের মাধ্যমে উন্নয়ন কার্যক্রম গ্রহণ ও বাস্তায়নের জন্য ইউএনডিপির সহায়তা করার কথা বলেন। গরহর নাইম ওয়ারা উন্নয়ন কার্যক্রমে সরকার এবং সিভিল সোসাইটির সমালোচনা করে নানাবিধ প্রতিবন্ধকতা ও আচরণগত পরিবর্তনের কথা বলেন। সঞ্চালক রোজাউল করিম চৌধুরী সিভিল সোসাইটির কার্যক্রমের কিছু উদাহলন দেন যার মাধ্যমে সরকারের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে হয়। এ এইচ এম জাহাঙ্গীর সকল কাজে সিভিল সোসাইটির অংশগ্রহণকে স্বাগত জানান এবং এ বিষয়ে সরকারের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশস্ত করেন।

Address

Dhaka
1207

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bangladesh CSO NGO Coordination Process posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share