15/06/2026
হেলভেটাস বাংলাদেশ -এর কনসোর্টিয়াম অংশীদার হতে পেরে গর্বিত এবং বাংলাদেশের পাঁচ বছরব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের জাতীয় কর্মসূচিতে অবদান রাখতে পেরে আনন্দিত।
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং পরিবেশ পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে গৃহীত এই জাতীয় উদ্যোগ একটি সবুজ ও টেকসই বাংলাদেশ গঠনের পথে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
Embassy of Switzerland in Bangladesh-এর সহায়তায় পরিচালিত দেশের ১৮টি কর্ম এলাকায় ২.২০ লক্ষ বনজ, ফলজ, ঔষধি ও ম্যানগ্রোভ গাছ রোপণ করবে। এই উদ্যোগ পরিবেশ পুনরুদ্ধার, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
🌍 আমরা বিশ্বাস করি, আজকের প্রতিটি চারা আগামী প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ, সবুজ ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ গড়ে তুলবে।
Helvetas Bangladesh is proud to be a consortium partner of the and to contribute to Bangladesh’s five-year national campaign to plant 250 million trees.
This national initiative is a significant step towards building a greener and more sustainable Bangladesh by addressing the impacts of climate change, conserving biodiversity, and restoring ecosystems.
Supported by the Embassy of Switzerland in Bangladesh, the will plant 220,000 timber, fruit-bearing, medicinal, and mangrove trees across its 18 working areas. This initiative will play an important role in ecosystem restoration, biodiversity conservation, and strengthening climate resilience.
🌍 We believe that every sapling planted today is an investment in a safer, greener, and more prosperous future for generations to come.
🌱 প্রতিটি চারা তাই শুধু একটি গাছ নয়—এটি একটি সবুজ ভবিষ্যতের প্রতিশ্রুতি, একটি সহনশীল জলবায়ুর ভিত্তি !
🙌 জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং প্রকৃতি পুনরুদ্ধার এর লক্ষ্য নিয়ে সরকার পাঁচ বছরব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের জাতীয় কর্মসূচি শুরু করেছে।
🌳🤝এই কর্মসূচি সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে Embassy of Switzerland in Bangladesh-supported তার ১৮টি কর্ম এলাকায় ২.২০ লক্ষ বনজ, ফলজ, ঔষধি ও ম্যানগ্রোভ গাছ রোপণে করবে। এটি শুধু বৃক্ষরোপণ নয়; বরং পরিবেশ পুনরুদ্ধার, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জলবায়ু সহনশীলতা গড়ে তোলার একটি দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ।
💚 সময়ের সাথে সাথে এসব গাছ পরিপক্বতায় পৌঁছালে প্রতিবছর আনুমানিক ৬,৭০০ মেট্রিক টন কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করবে এবং ৪,৮০০ মেট্রিক টন অক্সিজেন নিঃসরণ করবে। ফলশ্রুতিতে, এই সবুজ উদ্যোগ বাতাসের মান উন্নয়নে সহায়তা করবে, জলবায়ুজনিত দুর্যোগের বিরুদ্ধে প্রাকৃতিক সুরক্ষা বলয় শক্তিশালী করবে এবং বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি জলবায়ু অভিযোজন ও টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।