Pencil Foundation - পেন্সিল ফাউন্ডেশন

Pencil Foundation - পেন্সিল ফাউন্ডেশন Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Pencil Foundation - পেন্সিল ফাউন্ডেশন, Nonprofit Organization, House:1363, Road: 7, Avenue: 3, Mirpur DOHS, Dhaka.
(259)

Pencil Foundation is the organisational form of Pencil Facebook Group which works to develop a Platform for Young Author, Poet, Singer, Photographer, Reciter & Artists. শুদ্ধচর্চা, সাহিত্যের প্রতি অনুরাগ এবং নান্দনিক কিছু সৃষ্টির প্ল্যাটফর্ম তৈরীর স্বপ্ন নিয়ে ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে সৃষ্টি হয়েছিল ফেসবুকভিত্তিক সাহিত্যচর্চার গ্রুপ ‘পেন্সিল’। সৃষ্টির পর থেকেই 'পেন্সিল' চেয়েছে ফেসবুক তথা অন্তর্জ

াল থেকে বেরিয়ে বাস্তবে সাহিত্য-শিল্পানুরাগী নবীনদের জন্য কিছু করতে।
এরই ধারাবাহিকতায় অমর একুশে বইমেলায় ২০১৭'তে প্রকাশ করা হয়েছিল প্রথম পেন্সিল সংকলন। এরপর বৈশাখে পেন্সিল ইবুক। শুধু সাহিত্য চর্চাই থেমে থাকেনি পেন্সিল। প্রথম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে প্রকাশ করা হয়েছে পেন্সিলের প্রথম আবৃত্তির অ্যালবাম- 'তবু কবিতায় বলে দিয়েছি'। এখানে শুধু কবি বা আবৃত্তিশিল্পীরাই শুধু পেন্সিল পরিবারের সদস্য নন, একই সঙ্গে কলাকুশলী এবং পর্দার অন্তরালে যারা কাজ করেছেন তাদের প্রত্যেকেই পেন্সিলর। এটুকুতেই বর্ষপূর্তি আয়োজন সীমাবদ্ধ ছিল না! শতাধিক আলোকচিত্রশিল্পী এবং অংকনশিল্পীর ছবি এবং চিত্রকর্ম নিয়ে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি'তে আয়োজিত হয়েছিল ৫ দিনব্যাপি এগজিবিশন। ভালোবাসা ও দ্রোহের কবি হেলাল হাফিজ, বরেণ্য চিত্রশিল্পী হামিদুজ্জামান খান, প্রখ্যাত আলোকচিত্রশিল্পী নাসির আলী মামুন এর মতো প্রথিতযশা মানুষেরা বর্ষপূর্তি আয়োজনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসে পেন্সিলরদের সাহস যুগিয়েছেন।
শুধু শিল্প-সাহিত্য চর্চা বা প্ল্যাটফর্ম তৈরীর মধ্যে নিজেদের আটকে না রেখে পেন্সিল চেয়েছে দেশের মানুষের দুর্দশায় তাদের পাশে দাঁড়াতে। এরই ধারাবাহিকতায় ঠাকুরগাঁও জেলার, রাণীশংকৈল উপজেলার, জগদল গ্রামের বন্যাক্রান্ত কিছু প্রান্তিক মানুষকে তাদের আগের অবস্থায় ফিরিয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে পুনর্বাসন কর্মসূচীও পালন করা হয়েছে।
পেন্সিল এক নতুন জাগরণের নাম। এখানে যেমন নবীনরা নিজেদের শিল্প-সাহিত্যশৈলী জনসমক্ষে তুলে ধরার সুযাগ পাবে, তেমনি দুঃস্থদের পাশে দাঁড়নোর জন্য নবীন-প্রবীন নির্বিশেষে সকলে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়িয়ে যাবে। আর ওইসকল কর্মকান্ডের প্রাতিষ্ঠানিক রুপই- পেন্সিল ফাউন্ডেশন।

প্রিয় পেন্সিলর,"তবু আমি বেঁচে থাকি, বেঁচে আছি…" এই একটি বাক্যই যেন আমাদের সবার প্রিয় মোহাম্মদ আনোয়ারের জীবনদর্শন।বিনয়,...
12/09/2025

প্রিয় পেন্সিলর,

"তবু আমি বেঁচে থাকি, বেঁচে আছি…" এই একটি বাক্যই যেন আমাদের সবার প্রিয় মোহাম্মদ আনোয়ারের জীবনদর্শন।

বিনয়, ভালোবাসা আর স্বপ্নে বোনা এক মানুষ তিনি, যিনি পেন্সিলকে পরিণত করেছিলেন এক অনন্য সৃজনশীল পরিবারের মিলনস্থলে। তিনি ছিলেন পথপ্রদর্শক, যিনি আলো ছড়িয়েছেন অন্যদের জীবনে, স্বপ্ন দেখিয়েছেন নতুন প্রজন্মকে।

এই স্মারকগ্রন্থ শুধু তাঁকে স্মরণ নয়, বরং তাঁর রেখে যাওয়া স্বপ্নের পথে হাঁটার এক অনিঃশেষ অনুপ্রেরণা। তিনি আজ শারীরিকভাবে আমাদের মাঝে নেই, কিন্তু কর্মে, ভালোবাসায় আর সৃজনশীলতায় তিনি থেকে গেছেন আমাদের হৃদয়ে—চিরকাল।
আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই যাঁরা মোহাম্মদ আনোয়ারের স্মরণে লিখেছেন, স্মৃতিচারণ করেছেন মেমোরি লেনে, ছবি দিয়েছেন, গল্প-কবিতা পুনঃপাঠ করেছেন...
আপনাদের সবার অবদানেই এই গ্রন্থ সম্পূর্ণ হয়েছে।

বিশেষ কৃতজ্ঞতা শিল্পী সোমনাথ ঘোষকে, যিনি মোহাম্মদ আনোয়ারের স্মারকগ্রন্থের প্রচ্ছদ ক্যালিগ্রাফির মাধ্যমে সাজিয়েছেন তাঁর সাংগঠনিক দক্ষতা ও সৃজনশীলতাকে স্মরণ করে।
"তবু আমি বেঁচে থাকি, বেঁচে আছি..."এই কটি শব্দ নিছকই একটি স্মারকগ্রন্থের শিরোনাম না; এ এক অজেয় জীবনদর্শনের প্রতিধ্বনি,

এক ভালোবাসার চিরন্তন মন্ত্র, যা মোহাম্মদ আনোয়ার নামের এক স্বপ্নদ্রষ্টা মানুষের জীবন ও কর্মকে অবিস্মরণীয় করে তুলবে।

পেন্সিল পাবলিকেশনস কর্তৃক প্রকাশিত এই স্মারকগ্রন্থটি কেবল একজন ব্যক্তির প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি নয়, এটি তাঁর কর্মময় জীবনের প্রতিচ্ছবি, তাঁর ভালোবাসার পেন্সিল পরিবার এবং তিনি যে স্বপ্নগুলো বুনেছিলেন, সেগুলোর এক সম্মিলিত জয়গান।

বইয়ের শিরোনামটি মোহাম্মদ আনোয়ারের রচিত একটি গল্পের শিরোনাম থেকে সংগৃহীত। আমাদের বিশ্বাস এই শিরোনামটিই তাঁকে সবচেয়ে পূর্ণভাবে উপস্থাপন করতে পারবে পেন্সিলরদের মাঝে...

আসুন, এক নজরে দেখে নেই এবারের স্মারকগ্রন্থে কারা লিখেছেন…

#স্মারকগ্রন্থ #পেন্সিল #চিরন্তনঅনুপ্রেরণা

আজ আমাদের প্রিয় ভাই, বন্ধু, পেন্সিল গ্রুপ ও পেন্সিল পাবলিকেশনস-এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ আনোয়ারের জন্মদিন। জন্মদিনে...
20/12/2024

আজ আমাদের প্রিয় ভাই, বন্ধু, পেন্সিল গ্রুপ ও পেন্সিল পাবলিকেশনস-এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ আনোয়ারের জন্মদিন। জন্মদিনের অফুরন্ত শুভেচ্ছা নিন অপারলোক থেকে...
তার স্মৃতি আমাদের হৃদয়ে চিরকাল অমলিন হয়ে থাকবে। তার সঙ্গে কাটানো প্রতিটি মুহূর্ত আজও আমাদের মনে জীবন্ত। তার হাসি, তার কথা, তার সহযোগিতা—সব কিছুই আমাদের কাছে এক অমূল্য সম্পদ হয়ে থাকবে।
তিনি যে বন্ধু হয়ে পাশে ছিলেন, সে কথা আমরা কখনো ভুলব না। জীবনকে তিনি যে সহজ, সুন্দর এবং অর্থপূর্ণ ভাবে দেখেছিলেন, তা আমাদের জীবনের এক অসাধারণ অভিজ্ঞতা। তার শূন্যতা আমাদের মাঝে গভীরভাবে অনুভূত হয়। তবু আমরা জানি তিনি আমাদের মাঝে সবসময় বেঁচে থাকবেন ভালোবাসা, শিক্ষা এবং প্রেরণার মাধ্যমে।
তার জন্মদিনে, আমরা কেবল তার স্মৃতি উদযাপন করছি এবং আশা রাখি যে আমাদের জীবনে তার রেখে যাওয়া আদর্শ ও মূল্যবোধের আলো চিরকাল প্রজ্বলিত থাকবে। তিনি সবসময় আমাদের হৃদয়ে থাকবেন। থাকবেন অগণিত সৃজনশিল্পীর চিন্তা-চেতনায়... আপনি যে অপারে আছেন, সেখানেই শান্তিতে থাকুন, প্রিয়জন।
আপনার সাহিত্য, সুন্দর চিন্তা আমাদের পথচলায় বিশেষ পাথেয় হয়েই থাকবে...

প্রিয় পেন্সিলর,পেন্সিলের স্বপ্নদ্রষ্টা ও অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ আনোয়ারের অকাল প্রয়াণ আমাদের গভীরভাবে মর্মাহত করেছে।...
01/12/2024

প্রিয় পেন্সিলর,

পেন্সিলের স্বপ্নদ্রষ্টা ও অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ আনোয়ারের অকাল প্রয়াণ আমাদের গভীরভাবে মর্মাহত করেছে। তাঁর সৃষ্টি এবং স্বপ্নগুলোকে অমর করে রাখতে আমরা ‘অমর একুশে বইমেলা ২০২৫’-এ তাঁকে উৎসর্গ করে একটি স্মারকগ্রন্থ প্রকাশের উদ্যোগ নিয়েছি।

স্মারকগ্রন্থের শিরোনাম, তাঁর প্রিয় গল্প ‘এক জোড়া মোজা’ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে রাখা হয়েছে— ‘তবুও আমি বেঁচে থাকি, বেঁচে আছি..’। এই স্মারকগ্রন্থে আমরা তাঁর প্রতি আপনার স্মৃতি, অভিজ্ঞতা এবং শ্রদ্ধা প্রকাশের জন্য আপনার লেখা ও ছবি আহ্বান করছি।
উল্লেখ্য, সকল লেখা হতে হবে মোহাম্মদ আনোয়ার-কেন্দ্রিক। কোনো লেখায় মনগড়া কোনো তথ্য সংযুক্ত করা যাবে না। তাঁর ব্যক্তি জীবনের ক্ষেত্রে যে-কোনো তথ্য তাঁর পরিবারের অনুমতি সাপেক্ষে সংযুক্ত করার অনুরোধ করছি।

আপনার সেরা লেখা ও ছবিটি প্রেরণ করুন, এই ঠিকানায়-
[email protected]
লেখা পাঠানোর সময়সীমা -
২৫ ডিসেম্বর ২০২৪ পর্যন্ত।

লেখার ধরন (যে কোনো একটি):
ক. স্মৃতিচারণমূলক লেখা:
-তাঁর সঙ্গে স্মৃতি বা কাজের অভিজ্ঞতা নিয়ে লেখা।
খ. ভ্রমণকাহিনি:
-মোহাম্মদ আনোয়ারের সঙ্গে ভ্রমণের অভিজ্ঞতা।
গ. উৎসর্গীকৃত কবিতা:
-আনোয়ারকে নিয়ে লেখা কবিতা (২০ লাইনের মধ্যে)।
ঘ. গবেষণা বা প্রবন্ধ:
-তাঁর প্রকাশিত বা অপ্রকাশিত রচনার উপর আলোচনা।
ঙ. বইয়ের সমালোচনা:
-তাঁর লেখা বইয়ের সমালোচনা বা বিশ্লেষণ।
চ. গল্প:
-তাঁকে উৎসর্গ করে লেখা একটি ছোটগল্প।
ছ. চিঠি:
-মোহাম্মদ আনোয়ারের উদ্দেশ্যে চিঠি।
জ. দলীয় বা একক ছবি:
-ক্যামেরায় তোলা বা আঁকা ছবি (সর্বোচ্চ ৪টি, ক্যাপশনসহ)।
ঝ. মোহাম্মদ আনোয়ার লিখিত অপ্রকাশিত লেখা
-সংগ্রহকারীর নাম ও প্রমাণক-সহ।

বিস্তারিত নিয়মাবলি:
** কবি/লেখক/অংশগ্রহণকারীকে পেন্সিলর হতে হবে।
** স্মারকগ্রন্থের জন্য পাঠানো লেখাটি অন্য কোনো গ্রুপের বই, ম্যাগাজিন বা নিউজলেটারে প্রকাশের জন্য দেওয়া যাবে না। এবং আগের উল্লিখিত তিন মাধ্যমের কোনোটিতে ইতোমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে এমন লেখাও দেওয়া যাবে না।
** গল্প, প্রবন্ধ, ভ্রমণ কাহিনি, স্মৃতিচারণা, বইয়ের সমালোচনা এবং প্রবন্ধ অনূর্ধ্ব ১৫০০ শব্দের মধ্যে হতে হবে। এরচেয়ে অল্প কম বা বেশি শব্দ হলে সমস্যা নেই। তবে চেষ্টা করবেন এর মধ্যে রাখতে।
** কবিতার জন্য নির্দিষ্ট শব্দসংখ্যা নেই, তবে সর্বোচ্চ লাইন সংখ্যা হবে ২০টি।
** যে-কোনো একটি ক্যাটাগরিতে একটি লেখা দিতে হবে। একজন পেন্সিলর একই সঙ্গে গল্প, কবিতা, ভ্রমণকাহিনি, সমালোচনা, স্মৃতিচারণা ও ছবি দিতে পারবেন না। ভ্রমণের ক্ষেত্রে মোহাম্মদ আনোয়ারের সঙ্গে তোলা দলীয় ছবি অবশ্যই দিতে হবে।
** মোহাম্মদ আনোয়ারের একক বা দলীয় ছবির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৪টি ছবি দেওয়া যাবে। ছবির ক্ষেত্রে অবশ্যই ক্যাপশনে ছবি তোলার স্থান, উপলক্ষ্য, ছবি তোলার তারিখ এবং ফটোগ্রাফার বা চিত্রশিল্পীর নাম স্পষ্টাক্ষরে লিখে দিতে হবে।
** লেখা ই-মেইলে দেওয়ার সময় ওয়ার্ড ফাইলের প্রথমে লেখার শিরোনাম, পরে লেখকের নাম বাংলায় স্পষ্ট করে লিখে দিন। স্মারকগ্রন্থ প্রকাশের পর নামের বানান ভুল থাকলে কমিটি দায়ী থাকবে না।
** ই-মেইলের সাবজেক্ট-এ উল্লেখ করতে হবে সেটি গল্প, কবিতা, ভ্রমণকাহিনি, স্মৃতিচারণা, বইয়ের সমালোচনা নাকি প্রবন্ধ।
** ই-মেইলের বডিতে লেখা পাঠালে তা গ্রহণ করা হবে না। ওয়ার্ড ও পিডিএফ ফাইলে সংযুক্ত করে লেখা দিতে হবে। ফাইলের নামে লেখার শিরোনাম উল্লেখ করে দিতে হবে।
** লেখাটি ইউনিকোড কিংবা বিজয়ে জমা দিতে পারেন।
** একই লেখা বার বার এডিট করে একাধিক বার মেইল দেওয়া যাবে না। একবার মেইল আসলে সেটাই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে। তাই মেইল পাঠানোর আগে সব ধরনের এডিট সম্পন্ন করে দিবেন।
* লেখা নির্বাচনের ক্ষেত্রে পেন্সিলের অ্যাডমিনগণ কোনোভাবেই দায়বদ্ধ থাকবেন না। নিয়মাবলি এবং শর্তের ব্যাপারে স্মারকগ্রন্থের সম্পাদনা পর্ষদের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত এবং যে-কোনো সময় পর্ষদ নিয়মাবলি এবং শর্ত পরিবর্তনের অধিকার সংরক্ষণ করেন।
* যে-কোনো তথ্য জানতে এই পোস্টের নীচে মন্তব্য করুন। আপনার পরিচিত আগ্রহী পেন্সিলরদের এই পোস্টে প্রয়োজনে ট্যাগ করুন এখনই!
* লেখায় ৩০ শব্দে লেখক পরিচিতি দিতে হবে। লেখা যেখানে শেষ হবে, তার নীচেই লেখক পরিচিতি লিখে দিবেন।
উল্লেখ্য, লেখক পরিচিতি ছাড়া পাঠানো লেখা গ্রহণযোগ্য হবে না।
** এই স্মারকগ্রন্থটিতে পেন্সিলরদের সবাইকে লেখা পাঠানোর জন্য উৎসাহী করা যাচ্ছে। যে সকল গুণী লেখক/কবি/ফটোগ্রাফার/পেন্সিলর মোহাম্মদ আনোয়ার কর্তৃক অনুপ্রাণিত হয়েছেন, তাঁরা সেবিষয়ে লিখতে পারেন। প্রয়োজনে রেফারেন্সও ব্যবহার করতে পারেন।
** স্মারকগ্রন্থের সম্মানিত লেখকগণ সম্মানী পাবেন না। তবে যারা বাংলাদেশে বসবাস করছেন তাদের প্রতি আমাদের চেষ্টা থাকবে লেখক কপি পৌঁছে দেওয়ার।
** আপনার স্মৃতি, অভিজ্ঞতা বা ভালোবাসার লেখা দিয়ে স্মারকগ্রন্থটি সমৃদ্ধ করুন। মোহাম্মদ আনোয়ারের অবদানকে স্মরণীয় করতে এই উদ্যোগ আমাদের সবার। চলুন, তাঁর স্বপ্নগুলোকে বাঁচিয়ে রাখি।

শুভেচ্ছা
স্মারকগ্রন্থ প্রকাশনা পর্ষদ
#বইমেলা২০২৫
#টিম_পেন্সিল

17/09/2024

পেন্সিলের স্বপ্নদ্রষ্টা, প্রতিষ্ঠাতা এডমিন, আমাদের প্রিয় বন্ধু আনোয়ারের মৃত্যুর পর পেন্সিল পরিবারের অসংখ্য সদস্য, পেন্সিলের এডমিন থেকে শুরু করে পেন্সিল ফাউন্ডেশনের অসংখ্য মানুষ আনোয়ারকে নিয়ে ব্যক্তিগত স্মৃতিচারণ করেছেন, দুঃখ প্রকাশ করেছেন, বিক্ষুব্ধ হয়েছেন। আমাদের এই অতি প্রিয় মানুষের অকাল মৃত্যু আমাদের হতবিহবল করেছে, আমাদের স্তব্ধ করেছে। কষ্টকে, মনের অনুভূতিকে ভাষায় প্রকাশ কিংবা লিখে শোক প্রকাশের জায়গাটাতে আমরা তখন নির্বাক ছিলাম। পরিবারের প্রিয় মানুষের মৃত্যুতে আমরা দিশেহারা ছিলাম।

পেন্সিল এডমিন প্যানেল থেকে শুরু করে পেন্সিল ফাউন্ডেশন থেকে শুরু করে পেন্সিলের প্রতিটি জায়গায় যারা দায়িত্বে আছেন তারা প্রত্যেকেই আনোয়ারের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। এই পরিবারের প্রতিটি মানুষের সঙ্গে তার ছিলো আত্মার সম্পর্ক।

পেন্সিল পরিবার এই মৃত্যুর সঠিক তদন্তের জোর দাবী জানায়। এবং এই ব্যাপারে আনোয়ারের পরিবারকে সহযোগিতা করার জন্য যা যা করা প্রয়োজন পেন্সিল পরিবার তা তা করার জন্য বদ্ধ পরিকর। এই ঘটনার পর পরই গুলশান থানায় আনোয়ারের ভাই মাহমুদুল হাসান মিলন বাদী হয়ে মামলা রুজু করেন। এবং সেই মামলা এখন পুলিশের তদন্তাধীন রয়েছে। আমাদেরকে এবং আনোয়ারের পরিবারকে পুলিশ নিশ্চয়তা দিয়েছে যে তারা সততা এবং নিষ্ঠার সঙ্গে এই মামলার তদন্ত করবে এবং অবশ্যই তারা আমাদেরকে বিভিন্ন সময় তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে জানাবে। আমাদের পক্ষ থেকেও বিষয়টি মনিটর করা হচ্ছে। যেহেতু এই বিষয়টা তদন্তাধীন রয়েছে তাই এই ব্যাপারে আমরা আইনত এবং নীতিগতভাবে কোন মন্তব্য করতে পারছি না। কিন্তু আমরা আনোয়ারের পরিবারের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছি এবং যেকোনো প্রয়োজনে আমরা তাদেরকে সর্বোচ্চ সহযোগিতার নিশ্চয়তা দিয়েছি। আনোয়ারের ভগ্নীপতি প্রখ্যাত ব্যারিস্টার সোহান ভাই যিনি এই মামলায় উকিল হিসেবে কাজ করছেন পেন্সিল তার সঙ্গেও সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছে।

আনোয়ারের জন্য ইতিমধ্যে আমাদের চট্টগ্রাম পেন্সিল থেকে দোয়া মাহফিল, কোরআন খতম এবং এতিমখানার ছাত্রদের খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। কায়মনোবাক্যে আনোয়ারের জন্য প্রার্থনা করা হয়েছে। ঢাকায় আগামী শুক্রবার কোরআন খতম, দোয়া মাহফিল এবং এতিমখানায় এতিমদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এই দোয়া মাহফিলে আনোয়ারের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত থাকবেন বলে আমরা আশা করছি।

আমরা অল্প সময়ের মধ্যেই আনোয়ারকে নিয়ে একটি স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠান করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমরা আনোয়ারকে উৎসর্গ করে একটি স্মারক গ্রন্থ প্রকাশের উদ্যোগ নিচ্ছি।

আমরা বারবার মনে করিয়ে দিতে চাই যে পেন্সিল পরিবারের যারা দায়িত্বে রয়েছেন তাদের নিয়েই আনোয়ার আগামীর স্বপ্ন দেখতেন, তাদের নেতৃতেই দেশজুড়ে সাংস্কৃতিক বিপ্লবের চিন্তা করতেন।

আনোয়ার শুধুমাত্র একটি গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন না। তিনি একজন মেধাবী মানুষ ছিলেন, দীর্ঘদিন প্রবাসে কাজ করেছেন, তিনি একজন বাবা ছিলেন, সন্তান ছিলেন, ভাই ছিলেন, অনেকের বন্ধু ছিলেন, কারো প্রিয়জন ছিলেন। তার বিশাল একটি কর্মক্ষেত্র ছিলো। তাই তার মানসিক অবস্থা নিয়ে ধারনা করতে গেলে প্রতিটি বিষয় সম্পর্কে ওয়াকিবহাল হয়ে ধারনা করতে হবে যেটা একমাত্র তার পরিবারের সদস্যদের পক্ষেই সম্ভব। তাই সামগ্রিক ব্যাপারে তথ্য এবং ধারনা ছাড়া কল্পনাপ্রসূত মন্তব্য এবং পোষ্ট তার পরিবার এবং প্রিয়জনদের হৃদয়ে শুধু রক্তক্ষরণই ঘটাবে যা আমাদের কাম্য নয়।

পেন্সিল থেকে আনোয়ার তার ব্যক্তিগত কারণেই বিরতিতে ছিলেন। পেন্সিল পরিবার অধীর আগ্রহে তার ফিরে আসার অপেক্ষায় ছিলো। আনোয়ার পেন্সিলের একজন অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিলেন এবং এর মধ্যে কোন ধরনের প্রতিবন্ধকতা ছিল না।

পেন্সিল চার লক্ষের অধিক পরিবারের সদস্য। যার স্বপ্নদ্রষ্টা একজন আনোয়ার। কিন্তু এই টিমে সে অনেককে সংযুক্ত করেছে এই সাংস্কৃতিক আন্দোলনকে বহুমাত্রিক রূপ দেয়ার জন্য। পেন্সিল পরিবারকে সে একই ছাতার নীচে আনতে অক্লান্ত চেষ্টা করেছে যেন সমাজ গঠনে পেন্সিল উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে পারে। পেন্সিল বহু প্রিয় লেখক, লেখিকা, কবি, ফটোগ্রাফার, চিত্রশিল্পীর, নৃত্যশিল্পী, গায়ক, গায়িকা, বাচিক-শিল্পীর জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করেছে। শহর থেকে শুরু করে সেই প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর প্রতিভা প্রকাশের জন্য একটা নির্ভরযোগ্য স্থান হিসেবে কাজ করেছে পেন্সিল। আমরা বিশ্বাস করি যে স্বপ্ন আনোয়ার দেখে গিয়েছে যে স্বপ্ন আমাদের মাঝে সে ছড়িয়ে দিয়েছে, সেই স্বপ্নের মশাল আমরা আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের কাছে দিয়ে যেতে পারবো। এভাবেই মুক্ত বুদ্ধি এবং শুভ চেতনার চর্চা চলমান থাকবে।

আনোয়ার আমাদের মাঝে নেই, একসময় আমরাও থাকবো না কিন্তু রয়ে যাবে আমাদের কর্ম, আমাদের প্রতিশ্রুতি এবং আমাদের স্বপ্ন। আমরা সবাই এই স্বপ্ন পূরণে কাজ করে যাবো আজীবন এটাই আমাদের প্রতিশ্রুতি।

আনোয়ার এর স্মরনে আগামী ২০শে সেপ্টেম্বর শুক্রবার
মদিনাতুল উলুম ইসলামিয়া এতিমখানা কমপ্লেক্স
ঠিকানাঃ : প্লট-১০, রোড নং-৮, ব্লক-সি, ঢাকা উদ্যান, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭
এই ঠিকানায় কোরান খতম ও এতিম বাচ্চাদের দুপুরে খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
এবং বাদ আসর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সেন্ট্রাল মসজিদে দোয়ার আয়োজন করা হয়েছে।

সবাইকে এ দোয়া মাহফিলে উপস্থিত হয়ে আনোয়ার এর আত্মার মাগফেরাত কামনা করার জন্য বিশেষ ভাবে অনুরোধ করা হচ্ছে। এখানে মহিলাদের অংশগ্রহন করারও ব্যবস্থা রয়েছে।

সৃজনশীল প্ল্যাটফর্ম 'পেন্সিল' গ্রুপের অ্যাডমিন, 'পেন্সিল ফাউন্ডেশন' কার্যনির্বাহী পরিষদের সহ-সভাপতি এবং সমকালীন বাংলা সা...
05/07/2024

সৃজনশীল প্ল্যাটফর্ম 'পেন্সিল' গ্রুপের অ্যাডমিন, 'পেন্সিল ফাউন্ডেশন' কার্যনির্বাহী পরিষদের সহ-সভাপতি এবং সমকালীন বাংলা সাহিত্যের অন্যতম কথাশিল্পী আমাদের মাহরীন ফেরদৌস

লেখাপড়া করেছেন ব্যবসায় শিক্ষা ও চার্টাড অ্যাকাউন্টেন্সি বিষয়ে। সাহিত্যচর্চার সঙ্গে জড়িত আছেন ২০১০ সাল থেকে। প্রথমদিকে বেশ কয়েক বছর ‘একুয়া রেজিয়া' নামের আড়ালে থেকেই প্রকাশ করেছেন নিজের গল্প, উপন্যাস। পেয়েছেন পাঠক-প্রিয়তা। তাঁর লেখালেখির ক্ষেত্র: গল্প, উপন্যাস, অনুবাদ, ভ্রমণ ও শিশুসাহিত্য।

মাহরীনের লেখার বিষয়বস্তু একইসাথে আধুনিক ও বৈশ্বিক। তাঁর উল্লেখযোগ্য কাজগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘কাচবন্দি সিম্ফনি’, ‘সাদা পালকের নির্জনতা’, ‘অরিগামির গোলকধাঁধায়’ 'হয়তো বলে কিছু আছে' ইত্যাদি। মাহরীন পেন্সিলের সূচনালগ্ন থেকেই সাহিত্যচর্চা দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন পেন্সিলকে। প্রেরণা দিয়েছেন লেখালেখি করতে আগ্রহী সব পেন্সিলরদের।

২০১৯ সালে, বাংলালিংক টেলিকম তাঁকে বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রতিশ্রুতিশীল পাঁচ তরুণ লেখকের একজন হিসেবে সম্মানিত করে। মাহরীন বর্তমানে বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সাহিত্যচর্চা সংস্থার সাথে যুক্ত আছেন। এরই মধ্যে তাঁর লেখার ইংরেজি অনূবাদ প্রকাশিত হয়েছে কয়েকটি আন্তর্জাতিক সাহিত্য জার্নালে।

এ বছর তিনি পেলেন 'ব্র্যাক ব্যাংক সমকাল সাহিত্য পুরস্কার ২০২২'! ব্র্যাক ব্যাংক ও সমকালের এই অভিনব উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাই। মাহরীনের এই অর্জনে পেন্সিলও অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত।

আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা মাহরীন ফেরদৌস!

হ্যাপি পেন্সিলিং!

প্রিয় পেন্সিলর,পেন্সিল ঈদ আয়োজনের আজ সর্বশেষ এবং ডাবল আনন্দ। বাংলাদেশ ও প্রবাসী নানান জায়গায় বসবাসরত বাঙালি ক্ষুদে প...
22/06/2024

প্রিয় পেন্সিলর,
পেন্সিল ঈদ আয়োজনের আজ সর্বশেষ এবং ডাবল আনন্দ। বাংলাদেশ ও প্রবাসী নানান জায়গায় বসবাসরত বাঙালি ক্ষুদে পেনসিলরদের নিয়ে পেন্সিল ঈদ আয়োজন এর শেষ লাইভটি অনুষ্ঠিত হবে আজ রাত ঠিক ৯টায়।

ঈদ এর ছুটি শেষ হোক আনন্দের রেশ নিয়ে এই কামনায় সকলকে এই বিশেষ লাইভটি দেখার আমন্ত্রণ রইলো।

আজ ২০ জুন পেন্সিল ঈদ আনন্দ আয়োজন এর দুটি লাইভ অনুষ্ঠিত হবে।১. অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী ক্ষুদে পেন্সিলরদের নিয়ে ফাতিনা মাহম...
20/06/2024

আজ ২০ জুন পেন্সিল ঈদ আনন্দ আয়োজন এর দুটি লাইভ অনুষ্ঠিত হবে।

১. অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী ক্ষুদে পেন্সিলরদের নিয়ে ফাতিনা মাহমুদ এর উপস্থাপনায় অনুষ্ঠান "জাদুর কার্পেট" অনুষ্ঠিত হবে, বাংলাদেশ সময় ঠিক দুপুর ৩টায়।

২. "পাতা এন্ড পাপা" ব্যান্ড এর পরিবেশনা নিয়ে আসছেন কামরুল আহসান দেওয়ানজী এবং সবার প্রিয় ক্ষুদে পেন্সিলর পাতা, বাংলাদেশ সময় ঠিক রাত ৯টায়।

দেখার আমন্ত্রণ রইল সকলকে।

Address

House:1363, Road: 7, Avenue: 3, Mirpur DOHS
Dhaka
1216

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Pencil Foundation - পেন্সিল ফাউন্ডেশন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Pencil Foundation - পেন্সিল ফাউন্ডেশন:

Share