আত্মজ্ঞানই জীবের মুক্তি।

আত্মজ্ঞানই জীবের মুক্তি। হে আর্য সন্তান জেগে উঠো ব্রহ্মত্যাজো ? বাংলা পঞ্জিকা

09/06/2026

শরীয়তপুরের ডামুড্যা পাইলট বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুজিত কর্মকারের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। রোববা.....

09/06/2026

বগুড়া জেলার সান্তাহারে সুব্রতর শ*রী*রে কেন ১৭২টি সে*লা*ই? তার মুখেই শুনুন লো*ম*হ*র্ষ*ক ঘটনা শুনুন।

09/06/2026

মানিকগঞ্জ জেলার হরিরামপুর থানায় সংখালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের পৈতৃক ভিটায় জোর করে দখল করে ভেকো দিয়ে মাটি কাটছে স্থানীয় ইদ্রিস মেম্বার।

09/06/2026

নীলফামারীর ডোমার উপজেলার কেতকীবাড়ী ইউনিয়নের ভুজারীপাড়া এলাকায় ছাগল বাঁধাকে কেন্দ্র করে সংঘটিত মারপিটের ঘটনায় আহত এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। নিহত সুধীর চন্দ্র রায় (৫৪) ওই এলাকার মৃত সুবেন্দ্রনাথ রায়ের ছেলে।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৩১ মে দুপুরে পাশের একটি জমিতে প্রতিবেশী মশিউর রহমানের স্ত্রী ফাতেমা বেগম ছাগল বাঁধেন। এ নিয়ে সুধীর চন্দ্র রায়ের দ্বিতীয় স্ত্রী রাধিকা রানী আপত্তি জানালে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডার সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে সুধীর চন্দ্র রায় ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেন। এ সময় ফাতেমা বেগমের ছেলে ফাহিম তাকে আঘাত করলে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।

পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসেন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে পরিবারের সদস্যরা তাকে বোড়াগাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেন।

পরিবারের অভিযোগ, পথিমধ্যে গোমনাতি বাজারের আগে মশিউর রহমানের শ্বশুরবাড়ির এলাকার ২০ থেকে ২৫ জন ব্যক্তি তাদের বহনকারী গাড়ির গতিরোধ করেন। এ সময় মশিউরের শ্বশুর, শ্যালকসহ কয়েকজন স্বজন সুধীর চন্দ্র রায়কে পুনরায় মারধর করেন। হামলায় তার স্ত্রী রাধিকা রানীও আহত হন।
পরবর্তীতে সুধীর চন্দ্র রায়কে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
সেখানে তিনি তিন দিন চিকিৎসাধীন ছিলেন।

পরিবারের দাবি, মারধরের পর থেকেই তিনি তীব্র বুকের ব্যথায় ভুগছিলেন। হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফেরার পরও তার অবস্থার উন্নতি হয়নি। গত শনিবার রাত ১টার দিকে বুকের ব্যথা বেড়ে গেলে তাকে পুনরায় হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।

ঘটনার খবর পেয়ে ডোমার থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।

ডোমার থানার ওসি (তদন্ত) আজগর আলী বলেন, “প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি সাত দিন আগে প্রতিবেশীদের সঙ্গে সুধীর চন্দ্র রায়ের মারপিটের ঘটনা ঘটেছিল। শনিবার রাত ১টার দিকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।” ゚ Part 7

09/06/2026

নীলফামারীর ডোমার উপজেলার কেতকীবাড়ী ইউনিয়নের ভুজারীপাড়া এলাকায় ছাগল বাঁধাকে কেন্দ্র করে সংঘটিত মারপিটের ঘটনায় আহত এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। নিহত সুধীর চন্দ্র রায় (৫৪) ওই এলাকার মৃত সুবেন্দ্রনাথ রায়ের ছেলে।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৩১ মে দুপুরে পাশের একটি জমিতে প্রতিবেশী মশিউর রহমানের স্ত্রী ফাতেমা বেগম ছাগল বাঁধেন। এ নিয়ে সুধীর চন্দ্র রায়ের দ্বিতীয় স্ত্রী রাধিকা রানী আপত্তি জানালে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডার সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে সুধীর চন্দ্র রায় ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেন। এ সময় ফাতেমা বেগমের ছেলে ফাহিম তাকে আঘাত করলে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।

পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসেন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে পরিবারের সদস্যরা তাকে বোড়াগাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেন।

পরিবারের অভিযোগ, পথিমধ্যে গোমনাতি বাজারের আগে মশিউর রহমানের শ্বশুরবাড়ির এলাকার ২০ থেকে ২৫ জন ব্যক্তি তাদের বহনকারী গাড়ির গতিরোধ করেন। এ সময় মশিউরের শ্বশুর, শ্যালকসহ কয়েকজন স্বজন সুধীর চন্দ্র রায়কে পুনরায় মারধর করেন। হামলায় তার স্ত্রী রাধিকা রানীও আহত হন।
পরবর্তীতে সুধীর চন্দ্র রায়কে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
সেখানে তিনি তিন দিন চিকিৎসাধীন ছিলেন।

পরিবারের দাবি, মারধরের পর থেকেই তিনি তীব্র বুকের ব্যথায় ভুগছিলেন। হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফেরার পরও তার অবস্থার উন্নতি হয়নি। গত শনিবার রাত ১টার দিকে বুকের ব্যথা বেড়ে গেলে তাকে পুনরায় হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।

ঘটনার খবর পেয়ে ডোমার থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।

ডোমার থানার ওসি (তদন্ত) আজগর আলী বলেন, “প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি সাত দিন আগে প্রতিবেশীদের সঙ্গে সুধীর চন্দ্র রায়ের মারপিটের ঘটনা ঘটেছিল। শনিবার রাত ১টার দিকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।” ゚ Part 6

09/06/2026

নীলফামারীর ডোমার উপজেলার কেতকীবাড়ী ইউনিয়নের ভুজারীপাড়া এলাকায় ছাগল বাঁধাকে কেন্দ্র করে সংঘটিত মারপিটের ঘটনায় আহত এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। নিহত সুধীর চন্দ্র রায় (৫৪) ওই এলাকার মৃত সুবেন্দ্রনাথ রায়ের ছেলে।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৩১ মে দুপুরে পাশের একটি জমিতে প্রতিবেশী মশিউর রহমানের স্ত্রী ফাতেমা বেগম ছাগল বাঁধেন। এ নিয়ে সুধীর চন্দ্র রায়ের দ্বিতীয় স্ত্রী রাধিকা রানী আপত্তি জানালে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডার সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে সুধীর চন্দ্র রায় ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেন। এ সময় ফাতেমা বেগমের ছেলে ফাহিম তাকে আঘাত করলে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।

পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসেন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে পরিবারের সদস্যরা তাকে বোড়াগাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেন।

পরিবারের অভিযোগ, পথিমধ্যে গোমনাতি বাজারের আগে মশিউর রহমানের শ্বশুরবাড়ির এলাকার ২০ থেকে ২৫ জন ব্যক্তি তাদের বহনকারী গাড়ির গতিরোধ করেন। এ সময় মশিউরের শ্বশুর, শ্যালকসহ কয়েকজন স্বজন সুধীর চন্দ্র রায়কে পুনরায় মারধর করেন। হামলায় তার স্ত্রী রাধিকা রানীও আহত হন।
পরবর্তীতে সুধীর চন্দ্র রায়কে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
সেখানে তিনি তিন দিন চিকিৎসাধীন ছিলেন।

পরিবারের দাবি, মারধরের পর থেকেই তিনি তীব্র বুকের ব্যথায় ভুগছিলেন। হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফেরার পরও তার অবস্থার উন্নতি হয়নি। গত শনিবার রাত ১টার দিকে বুকের ব্যথা বেড়ে গেলে তাকে পুনরায় হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।

ঘটনার খবর পেয়ে ডোমার থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।

ডোমার থানার ওসি (তদন্ত) আজগর আলী বলেন, “প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি সাত দিন আগে প্রতিবেশীদের সঙ্গে সুধীর চন্দ্র রায়ের মারপিটের ঘটনা ঘটেছিল। শনিবার রাত ১টার দিকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।” ゚ Part 5

09/06/2026

নীলফামারীর ডোমার উপজেলার কেতকীবাড়ী ইউনিয়নের ভুজারীপাড়া এলাকায় ছাগল বাঁধাকে কেন্দ্র করে সংঘটিত মারপিটের ঘটনায় আহত এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। নিহত সুধীর চন্দ্র রায় (৫৪) ওই এলাকার মৃত সুবেন্দ্রনাথ রায়ের ছেলে।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৩১ মে দুপুরে পাশের একটি জমিতে প্রতিবেশী মশিউর রহমানের স্ত্রী ফাতেমা বেগম ছাগল বাঁধেন। এ নিয়ে সুধীর চন্দ্র রায়ের দ্বিতীয় স্ত্রী রাধিকা রানী আপত্তি জানালে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডার সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে সুধীর চন্দ্র রায় ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেন। এ সময় ফাতেমা বেগমের ছেলে ফাহিম তাকে আঘাত করলে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।

পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসেন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে পরিবারের সদস্যরা তাকে বোড়াগাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেন।

পরিবারের অভিযোগ, পথিমধ্যে গোমনাতি বাজারের আগে মশিউর রহমানের শ্বশুরবাড়ির এলাকার ২০ থেকে ২৫ জন ব্যক্তি তাদের বহনকারী গাড়ির গতিরোধ করেন। এ সময় মশিউরের শ্বশুর, শ্যালকসহ কয়েকজন স্বজন সুধীর চন্দ্র রায়কে পুনরায় মারধর করেন। হামলায় তার স্ত্রী রাধিকা রানীও আহত হন।
পরবর্তীতে সুধীর চন্দ্র রায়কে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
সেখানে তিনি তিন দিন চিকিৎসাধীন ছিলেন।

পরিবারের দাবি, মারধরের পর থেকেই তিনি তীব্র বুকের ব্যথায় ভুগছিলেন। হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফেরার পরও তার অবস্থার উন্নতি হয়নি। গত শনিবার রাত ১টার দিকে বুকের ব্যথা বেড়ে গেলে তাকে পুনরায় হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।

ঘটনার খবর পেয়ে ডোমার থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।

ডোমার থানার ওসি (তদন্ত) আজগর আলী বলেন, “প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি সাত দিন আগে প্রতিবেশীদের সঙ্গে সুধীর চন্দ্র রায়ের মারপিটের ঘটনা ঘটেছিল। শনিবার রাত ১টার দিকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।” ゚ Part 4

09/06/2026

নীলফামারীর ডোমার উপজেলার কেতকীবাড়ী ইউনিয়নের ভুজারীপাড়া এলাকায় ছাগল বাঁধাকে কেন্দ্র করে সংঘটিত মারপিটের ঘটনায় আহত এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। নিহত সুধীর চন্দ্র রায় (৫৪) ওই এলাকার মৃত সুবেন্দ্রনাথ রায়ের ছেলে।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৩১ মে দুপুরে পাশের একটি জমিতে প্রতিবেশী মশিউর রহমানের স্ত্রী ফাতেমা বেগম ছাগল বাঁধেন। এ নিয়ে সুধীর চন্দ্র রায়ের দ্বিতীয় স্ত্রী রাধিকা রানী আপত্তি জানালে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডার সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে সুধীর চন্দ্র রায় ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেন। এ সময় ফাতেমা বেগমের ছেলে ফাহিম তাকে আঘাত করলে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।

পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসেন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে পরিবারের সদস্যরা তাকে বোড়াগাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেন।

পরিবারের অভিযোগ, পথিমধ্যে গোমনাতি বাজারের আগে মশিউর রহমানের শ্বশুরবাড়ির এলাকার ২০ থেকে ২৫ জন ব্যক্তি তাদের বহনকারী গাড়ির গতিরোধ করেন। এ সময় মশিউরের শ্বশুর, শ্যালকসহ কয়েকজন স্বজন সুধীর চন্দ্র রায়কে পুনরায় মারধর করেন। হামলায় তার স্ত্রী রাধিকা রানীও আহত হন।
পরবর্তীতে সুধীর চন্দ্র রায়কে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
সেখানে তিনি তিন দিন চিকিৎসাধীন ছিলেন।

পরিবারের দাবি, মারধরের পর থেকেই তিনি তীব্র বুকের ব্যথায় ভুগছিলেন। হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফেরার পরও তার অবস্থার উন্নতি হয়নি। গত শনিবার রাত ১টার দিকে বুকের ব্যথা বেড়ে গেলে তাকে পুনরায় হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।

ঘটনার খবর পেয়ে ডোমার থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।

ডোমার থানার ওসি (তদন্ত) আজগর আলী বলেন, “প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি সাত দিন আগে প্রতিবেশীদের সঙ্গে সুধীর চন্দ্র রায়ের মারপিটের ঘটনা ঘটেছিল। শনিবার রাত ১টার দিকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।” ゚ Part 3

09/06/2026

নীলফামারীর ডোমার উপজেলার কেতকীবাড়ী ইউনিয়নের ভুজারীপাড়া এলাকায় ছাগল বাঁধাকে কেন্দ্র করে সংঘটিত মারপিটের ঘটনায় আহত এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। নিহত সুধীর চন্দ্র রায় (৫৪) ওই এলাকার মৃত সুবেন্দ্রনাথ রায়ের ছেলে।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৩১ মে দুপুরে পাশের একটি জমিতে প্রতিবেশী মশিউর রহমানের স্ত্রী ফাতেমা বেগম ছাগল বাঁধেন। এ নিয়ে সুধীর চন্দ্র রায়ের দ্বিতীয় স্ত্রী রাধিকা রানী আপত্তি জানালে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডার সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে সুধীর চন্দ্র রায় ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেন। এ সময় ফাতেমা বেগমের ছেলে ফাহিম তাকে আঘাত করলে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।

পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসেন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে পরিবারের সদস্যরা তাকে বোড়াগাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেন।

পরিবারের অভিযোগ, পথিমধ্যে গোমনাতি বাজারের আগে মশিউর রহমানের শ্বশুরবাড়ির এলাকার ২০ থেকে ২৫ জন ব্যক্তি তাদের বহনকারী গাড়ির গতিরোধ করেন। এ সময় মশিউরের শ্বশুর, শ্যালকসহ কয়েকজন স্বজন সুধীর চন্দ্র রায়কে পুনরায় মারধর করেন। হামলায় তার স্ত্রী রাধিকা রানীও আহত হন।
পরবর্তীতে সুধীর চন্দ্র রায়কে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
সেখানে তিনি তিন দিন চিকিৎসাধীন ছিলেন।

পরিবারের দাবি, মারধরের পর থেকেই তিনি তীব্র বুকের ব্যথায় ভুগছিলেন। হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফেরার পরও তার অবস্থার উন্নতি হয়নি। গত শনিবার রাত ১টার দিকে বুকের ব্যথা বেড়ে গেলে তাকে পুনরায় হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।

ঘটনার খবর পেয়ে ডোমার থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।

ডোমার থানার ওসি (তদন্ত) আজগর আলী বলেন, “প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি সাত দিন আগে প্রতিবেশীদের সঙ্গে সুধীর চন্দ্র রায়ের মারপিটের ঘটনা ঘটেছিল। শনিবার রাত ১টার দিকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।” ゚ Part 2

09/06/2026

নীলফামারীর ডোমার উপজেলার কেতকীবাড়ী ইউনিয়নের ভুজারীপাড়া এলাকায় ছাগল বাঁধাকে কেন্দ্র করে সংঘটিত মারপিটের ঘটনায় আহত এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। নিহত সুধীর চন্দ্র রায় (৫৪) ওই এলাকার মৃত সুবেন্দ্রনাথ রায়ের ছেলে।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৩১ মে দুপুরে পাশের একটি জমিতে প্রতিবেশী মশিউর রহমানের স্ত্রী ফাতেমা বেগম ছাগল বাঁধেন। এ নিয়ে সুধীর চন্দ্র রায়ের দ্বিতীয় স্ত্রী রাধিকা রানী আপত্তি জানালে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডার সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে সুধীর চন্দ্র রায় ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেন। এ সময় ফাতেমা বেগমের ছেলে ফাহিম তাকে আঘাত করলে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।

পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসেন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে পরিবারের সদস্যরা তাকে বোড়াগাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেন।

পরিবারের অভিযোগ, পথিমধ্যে গোমনাতি বাজারের আগে মশিউর রহমানের শ্বশুরবাড়ির এলাকার ২০ থেকে ২৫ জন ব্যক্তি তাদের বহনকারী গাড়ির গতিরোধ করেন। এ সময় মশিউরের শ্বশুর, শ্যালকসহ কয়েকজন স্বজন সুধীর চন্দ্র রায়কে পুনরায় মারধর করেন। হামলায় তার স্ত্রী রাধিকা রানীও আহত হন।
পরবর্তীতে সুধীর চন্দ্র রায়কে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
সেখানে তিনি তিন দিন চিকিৎসাধীন ছিলেন।

পরিবারের দাবি, মারধরের পর থেকেই তিনি তীব্র বুকের ব্যথায় ভুগছিলেন। হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফেরার পরও তার অবস্থার উন্নতি হয়নি। গত শনিবার রাত ১টার দিকে বুকের ব্যথা বেড়ে গেলে তাকে পুনরায় হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।

ঘটনার খবর পেয়ে ডোমার থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।

ডোমার থানার ওসি (তদন্ত) আজগর আলী বলেন, “প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি সাত দিন আগে প্রতিবেশীদের সঙ্গে সুধীর চন্দ্র রায়ের মারপিটের ঘটনা ঘটেছিল। শনিবার রাত ১টার দিকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।” ゚ Part 1

Address

Joy Sri Ram
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আত্মজ্ঞানই জীবের মুক্তি। posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share