Abul Kalam Khan Foundation - AKF

Abul Kalam Khan Foundation - AKF Charity organization

28/06/2023
14/07/2022

▪️পুরো বাংলাদেশে এখন বাচ্চাদের সর্দি-জ্বর এ কাহিল অবস্থা।
জ্বর নিয়ে কিছু কমন বিষয়ে ধারনা রাখা প্রয়োজন। সাথে সুন্নাহ সম্মত একটি আমল করুন।

১. যেকোনো ভাইরাস জ্বর ৩ থেকে ৫দিন টানা* ১০২/১০৩°f আসতে পারে এবং কমলে, ১০১ এর নিচে নাও নামতে পারে। কাজেই জ্বর শুরু হওয়ার পরের বেলাতেই বা পরের দিন জ্বর কেনো কমছে না, অস্থির হওয়া যাবে না।

২. একদিনে জ্বর কমিয়ে দেয়ার কোনো মেডিসিন বা ম্যাজিক ডাক্তারদের জানা নাই। ভাইরাস জ্বরে এন্টিবায়োটিক কোনো কাজে লাগে না যদি না কোন ইনফেকশনের সোর্স পাওয়া যায় যা অনেক সময় প্রকাশ পেতে ৩দিনও লেগে যায়। জ্বর হলেই এন্টিবায়োটিক শুরু করে দিন, খবরদার ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া এটি করবেন না।

৩. জ্বর হলে বাচ্চা খাওয়াদাওয়া ছেড়ে দিবে, বড়রাও দেয়। এই অরুচির প্রাথমিক কোনো চিকিৎসা নাই। সবার মতো আপনাকেও বুঝিয়ে শুনিয়ে অল্প অল্প করে পানি তরল জাউ স্যুপ শরবত বা বাচ্চা যেটা খেতে চায় ( এমন কিছু দিবেন না যা আবার বমি, পাতলা পায়খানা ঘটায়) তাই খাওয়াবেন। পেশাব যেন অন্তত ৪ বার হয়। মুখে একদমই খেতে না পারলে, পেশাব কমে গেলে, বমি বন্ধ না হলে বা খিচুনি হলে বাচ্চাকে হাসপাতালে নিয়ে যাবেন*।

৪. হালকা জ্বরে ( ১০০ থেকে ১০২°) গা মুছে দিবেন, মুখে ঔষধ খাওয়াবেন। একবার ঔষধ খাওয়ানোর পর আবার সিরাপ দিতে অন্তত ৪/৬ ঘন্টা অপেক্ষা করতে হবে। আর সাপোজিটারী দিতে হলে অন্তত ৪ ঘন্টা অপেক্ষা করতে হবে।

৫. বেশী জ্বরে ( ১০২° F এর উপরে গেলে) তাড়াতাড়ি জ্বর কমানোর প্রয়োজন হলে সাপোসিটার ব্যবহার করতে পারেন, যদিও এটা বাচ্চাদের জন্য অস্বস্তিকর, কিন্তু মুখে খেতে না পারলে এর বিকল্প নেই। শিশুদের ডোজ বয়স ওজন জানিয়ে ডাক্তার থেকে জেনে নিবেন। এতে জ্বর সাময়িকভাবে হয়তো *১০২ এর নিচে নামতে পারে তবে পুরোপুরি যাওয়ার সম্ভাবনা কমই ১ম তিনদিনে। একটা সাপোজিটারী দেয়ার ৬/৮ ঘন্টার মধ্যে আরেকটা সাপোসিটারী দিতে পারবেন না। তবে ৪/৬ ঘন্টা পর সিরাপ দিতে পারেন।

৫. জ্বরের ঔষধ ডাবল ডোজে বা ঘন ঘন খাওয়ালে, এন্টিবায়োটিক দিলেই জ্বর ভালো হয়ে যাবে এমন না। ভাইরাসের পরিমানের উপর, কতদিন এরা এক্টিভ থাকে তার উপর জ্বরের স্থায়ীত্ব নির্ভর করে।

৬. জ্বরের ঔষধ খাওয়ানোর চেয়ে বাচ্চার যত্ন নিন, ভিজা গামছা বা সুতি কাপড় দিয়ে গা মুছে দিন, গরম ও নরম খাবার খাওয়ানোর চেষ্টা করুন, সবচেয়ে বড় কথা বাচ্চাকে বিশ্রাম নিতে দিন। ভালো ঘুমাতে দিন, ঘুমের মধ্যে জ্বর থাকলেও তাকে ঘুম ভাঙিয়ে জ্বরের ঔষধ খাওয়ানোর দরকার নাই।

৭. থার্মোমিটার দিয়ে মেপে জ্বর *১০০ বা বেশী পেলেই জ্বরের ঔষধ খাওয়াবেন। গায়ে হাত দিয়ে গরম লাগা, জ্বর ৯৮, ৯৯° ; জ্বরের আগে শীত শীতভাব, অস্থির করা জ্বরের ঔষধ খাওয়ানোর কোন কারণ হতে পারে না।

৮. বাচ্চাদের এসিডিটি কম হয়, তাই একদম সম্ভব না হলে, খালিপেটেও জ্বরের ঔষধ দিতে পারবেন।

৯. জ্বর হলে বাচ্চা এক আধটু বমি হতে পারে, কিছু জ্বরের ঔষধেও বাচ্চাদের বমি হয়। এসব ক্ষেত্রে বমির ঔষধ লাগে না, প্রয়োজনে জ্বরের ঔষধ পাল্টান। ঔষধ খাওয়ার ১০/১৫ মিনিটের মধ্যে বমি করলে ১৫/২০ মিনিট পর আবার ঔষধটটুকু খাওয়াতে হবে।

ডেঙ্গু সিজন এখন। পাশাপাশি করোনার প্রকোপ আবার বাড়ছে।কাজেই সন্দেহ হলেই আশেপাশে শিশু বিশেষজ্ঞ দেখিয়ে টেস্ট করে নিবেন।
▪️
নিজের বা অন্য কারও জ্বর হলে এ দোয়া পড়বেন।

‎بِسْمِ اللَّهِ الْكَبِيرِ أَعُوذُ بِاللَّهِ الْعَظِيمِ مِنْ شَرِّ عِرْقٍ نَعَّارٍ وَمِنْ شَرِّ حَرِّ النَّارِ
‘বিসমিল্লাহিল কাবির, আউজুবিল্লাহিল আজিমি মিন শাররি কুল্লি ইরকিন না’র ওয়া মিন শাররি হাররিন নার।’

অর্থ: মহান আল্লাহর নামে আমি আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করছি; প্রবল প্রবাহমান রগ থেকে এবং জাহান্নামের আগুনের অনিষ্ট থেকে।’ (নাসায়ি; মকবুল দোয়া : ১৬৩)

▪️ভেজা কাপড় দিয়ে গা মাথা মুছতে মুছতে এই দুয়া পড়ে ফুঁ দিবেন। সাথে সাতবার সূরা ফাতিহা পড়ে পানিতে দম করে পানি পান করাবেন, গা মুছে দিবেন।

আপনার শিশুকে সাবধানে রাখুন ,আল্লাহ সবাইকে সুস্থ রাখুন।

ডাক্তারি পরামর্শ দিয়েছেন-
Dr. Luna Labib

ﺗَﻘَﺒَّﻞَ ﺍﻟﻠﻪُ ﻣِﻨَّﺎ ﻭَﻣِﻨْﻜُﻢْ তাক্বাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম!আল্লাহ আমাদের এবং আপনাদের নেক আমলগুলো কবুল করুন, ...
02/05/2022

ﺗَﻘَﺒَّﻞَ ﺍﻟﻠﻪُ ﻣِﻨَّﺎ ﻭَﻣِﻨْﻜُﻢْ
তাক্বাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম!
আল্লাহ আমাদের এবং আপনাদের নেক আমলগুলো কবুল করুন, আমিন

🌙 ঈদ মোবারাক 🌙

Address

Dhaka
801

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Abul Kalam Khan Foundation - AKF posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share