Zidni Foundation

Directions

Zidni Foundation Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Zidni Foundation, Nonprofit Organization, Dhaka.

Zidni Foundation একটি স্বেচ্ছাসেবী ও মানবিক ট্রাস্ট যা সমাজের সব শ্রেণীর মানুষের পাশে দাঁড়ায়। আমরা বিশ্বাস করি, শিশু, পরিবার, বৃদ্ধ ও অসহায় কেউ একা নয়। আমাদের লক্ষ্য—খাদ্য, চিকিৎসা, শিক্ষা, এবং মানবিক সহায়তার মাধ্যমে প্রত্যেকের জীবনকে উন্নত করা।

🌙 ঈদ মোবারক 🌙মানবতার বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে,ভালোবাসা ও সহমর্মিতার আলো ছড়িয়ে—Zidni Foundation পরিবারের পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই আ...
20/03/2026

🌙 ঈদ মোবারক 🌙
মানবতার বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে,
ভালোবাসা ও সহমর্মিতার আলো ছড়িয়ে—
Zidni Foundation পরিবারের পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই আন্তরিক ঈদের শুভেচ্ছা।
এই পবিত্র ঈদ আমাদের জীবনে বয়ে আনুক শান্তি,
হৃদয়ে জাগুক দয়া, ভালোবাসা ও মানবতার চেতনা।
আসুন, আমরা একসাথে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াই,
ভাগ করে নেই সুখ—ছড়িয়ে দিই হাসি।
✨ “আপনার সামান্য সহানুভূতিই হতে পারে কারো জীবনের সবচেয়ে বড় আনন্দ” ✨
সবাইকে ঈদ মোবারক 🌙
— Zidni Foundation

মনে আছে সেই চাচার কথা?যিনি বলেছিলেন—“বাবা, প্রতিদিনই তো রোজা থাকি।”যে মানুষটা এক সময় রিকশা চালিয়ে নিজের জীবন চালাতেন। বয়...
13/03/2026

মনে আছে সেই চাচার কথা?
যিনি বলেছিলেন—
“বাবা, প্রতিদিনই তো রোজা থাকি।”
যে মানুষটা এক সময় রিকশা চালিয়ে নিজের জীবন চালাতেন। বয়সের ভারে শরীর আর সায় দেয় না। এখন আর রিকশার প্যাডেলে চাপ দেওয়ার শক্তিও নেই। দিন চলে কখনো মানুষের দয়ায়, কখনো না খেয়েই।
সেদিন তার ইফতার ছিল শুধু এক বোতল পানি। সেই দৃশ্যটা আজও ভুলতে পারিনি।
তাই আমরা সিদ্ধান্ত নিলাম—শুধু সহানুভূতি দেখিয়ে চলে যাব না, কিছু একটা করতেই হবে।
চাচার জন্য আমরা একটি ছোট উদ্যোগ শুরু করেছি।
আমরা চাচাকে কিছু পাঞ্জাবি কিনে দিয়েছি, যাতে তিনি সেগুলো বিক্রি করে নিজের মতো করে আয় করতে পারেন।
কারও দান নয়, বরং নিজের পরিশ্রমে আবার মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর একটা সুযোগ।
চাচার চোখে তখন যে আনন্দ আর কৃতজ্ঞতার জল দেখেছি, সেটা ভাষায় বোঝানো কঠিন।
মানুষকে একবেলা খাওয়ানো ভালো কাজ, কিন্তু তাকে নিজে উপার্জন করার পথ দেখিয়ে দেওয়া আরও বড় মানবিকতা।
আপনারাও চাইলে এই মানবিক উদ্যোগে পাশে থাকতে পারেন।
একসাথে আমরা অনেক মানুষের জীবনে নতুন আশার আলো জ্বালাতে পারি।
‎
‎ #জিদনী_ফাউন্ডেশন
‎
‎ #মানবিকতা
‎
‎ #মানুষের_পাশে
‎
‎
‎ #দান_করুন
‎ #সদকা
‎ #মানবতার_টানে
‎ #একটু_সহযোগিতা
‎ #আপনার_দান
‎
‎

আমরা বেশ কিছুদিন ধরেই একজন বয়স্ক নারীকে লক্ষ্য করছিলাম। তিনি প্রতিদিন রাস্তায় হেঁটে হেঁটে ৫ টাকার কলম বিক্রি করতেন। বি...
08/03/2026

আমরা বেশ কিছুদিন ধরেই একজন বয়স্ক নারীকে লক্ষ্য করছিলাম। তিনি প্রতিদিন রাস্তায় হেঁটে হেঁটে ৫ টাকার কলম বিক্রি করতেন। বিষয়টা আমাদের নজরে পড়ে। কৌতূহল থেকে একদিন তার সাথে কথা বললাম।
আমি তাকে জিজ্ঞাসা করলাম,
— আপনি দিনে কতগুলো কলম বিক্রি করেন?
তিনি বললেন,
— ৩০ থেকে ৫০টা… কখনো কখনো এর থেকেও একটু বেশি।
আমি আবার জানতে চাইলাম,
— এই কলমগুলো আপনি কত দামে কিনেন?
তিনি বললেন,
— ৩ টাকায় কিনি।
মনে মনে একটু হিসাব করলাম। তারপর জিজ্ঞাসা করলাম,
— এই আয়ে কি আপনার সংসার চলে?
তিনি একটু হেসে বললেন,
— কখনো কেউ একটু বেশি দাম দিয়েও কলম কিনে। সব মিলিয়ে দিনে একশ থেকে দেড়শ টাকা হয়। এই টাকা দিয়ে বাসায় অসুস্থ স্বামী আর দুই সন্তানকে নিয়ে কোনোভাবে সংসার চালাই।
তার কথা শুনে একটি বিষয় আমার খুব ভালো লাগল—
তিনি কারো কাছে সরাসরি সাহায্য চান না, বরং নিজের পরিশ্রম দিয়ে কিছু করার চেষ্টা করেন।
আমরা আরও কিছুদিন তাকে পর্যবেক্ষণ করলাম। তার কথাগুলো বাস্তব কি না, তা বোঝার চেষ্টা করলাম। দেখলাম, সত্যিই তিনি কঠোর পরিশ্রম করে জীবন চালাচ্ছেন।
তখন আমরা সিদ্ধান্ত নিলাম—
তাকে সরাসরি দান নয়, বরং একটি কাজের সুযোগ দেব।
একদিন তাকে বললাম,
— আমরা যদি আপনাকে কিছু টাকা ধার দিই, আপনি কি ব্যবসা করতে পারবেন?
তিনি বললেন,
— যদি এমন কিছু হয় যাতে আমাকে মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরতে না হয়, তাহলে অবশ্যই চেষ্টা করব।
তখন আমরা ভাবলাম, তার জন্য একটি ডিমের ছোট দোকান করা যায়। কারণ এতে বেশি সময় দিতে হবে না, পরিবার সামলিয়েও করা সম্ভব।
যেই চিন্তা, সেই কাজ।
আমরা তাকে নগদ টাকা দেইনি—বরং দোকানের জন্য প্রয়োজনীয় সব জিনিস কিনে দিয়েছি।
তারপর বললাম,
— এই টাকা কিন্তু একসময় ফেরত দিতে হবে।
তিনি সম্মত হলেন এবং খুব আন্তরিকভাবে ব্যবসা শুরু করলেন।
বিশ্বাস করবেন কি না জানি না—
মাত্র ২০ দিনের মধ্যেই তিনি সেই মূলধনের টাকা তুলে ফেললেন।
একদিন তিনি একটি পলিথিন ব্যাগ থেকে ধীরে ধীরে টাকা বের করে আমাদের হাতে দিতে শুরু করলেন। আমরা গুনে দেখলাম—
সেখানে পুরো মূলধনের টাকা রয়েছে।
মুহূর্তটা সত্যিই খুব ভালো লাগার ছিল।
আমরা আবার সেই টাকা তার হাতেই ফিরিয়ে দিলাম।
এখান থেকেই আমাদের মূল ভাবনা শুরু।
আমরা একটি বিষয় উপলব্ধি করেছি—
কাউকে যদি এক মাসের বাজার করে দেওয়া হয়, তাহলে সে এক মাস খুব ভালোভাবে চলতে পারবে। কিন্তু পরের মাসে তার কী হবে?
আবারও তাকে সাহায্যের জন্য কারো দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে।
আমরা মনে করি, এটি প্রকৃত সমাধান নয়।
আমাদের ফাউন্ডেশন শুধু সাময়িক সাহায্য দেওয়ার জন্য কাজ করছে না।
আমরা চাই স্থায়ী সমাধান।
আমরা চাই—যার পাশে আমরা দাঁড়াবো, সে যেন একসময় আত্মনির্ভরশীল হয়ে ওঠে এবং ভবিষ্যতে অন্য কাউকে সাহায্য করার সক্ষমতাও অর্জন করে।
হয়তো আমাদের সব প্রচেষ্টা সফল হবে না।
কিন্তু আমরা বিশ্বাস করি, চেষ্টা চালিয়ে গেলে সফলতার হার ধীরে ধীরে বাড়বে।
ধরুন, আমরা যদি ১০টি পরিবারকে এক মাসের খাবার দেই—তারা এক মাস ভালো থাকবে। কিন্তু এক মাস পর আবার একই সমস্যায় পড়বে।
কিন্তু আমরা যদি এমনভাবে সাহায্য করি, যেখান থেকে তারা নিজেরাই দাঁড়িয়ে যেতে পারে—তাহলে সেটিই হবে প্রকৃত পরিবর্তন।
এই বয়স্ক মহিলার ঘটনাটিই তার একটি ছোট উদাহরণ।
আমরা তাকে সামান্য একটি ব্যবসার সুযোগ করে দিয়েছিলাম।
মাত্র ২০ দিনের মধ্যেই তিনি সেই মূলধনের টাকা ফেরত দেওয়ার মতো অবস্থায় চলে এসেছেন।
আজ তার একটি ছোট ব্যবসা আছে, একটি অবস্থান আছে।
তিনি যদি এই ব্যবসাটি ধরে রাখতে পারেন, তাহলে ভবিষ্যতে আর কারো কাছে সাহায্যের জন্য হাত বাড়াতে হবে না।
বরং একসময় হয়তো তিনিই অন্য কাউকে সাহায্য করার মতো অবস্থায় পৌঁছে যাবেন।
ভাবুন তো—
একজন মানুষকে সঠিকভাবে দাঁড়াতে সাহায্য করা গেলে, সে ভবিষ্যতে আরও কয়েকজন মানুষের জীবনে পরিবর্তন আনতে পারে।
আমাদের লক্ষ্য ঠিক সেখানেই।
সাময়িক সহায়তা নয়, স্থায়ী পরিবর্তন।
আমরা ধীরে ধীরে আমাদের এই পরিকল্পনাটি আপনাদের সাথে শেয়ার করব।
অনেকের মনে হয়তো একটি প্রশ্ন জাগতে পারে—
ঘটনাটি বুঝলাম, উদ্যোগটাও বুঝলাম। কিন্তু বাস্তব ছবি কোথায়?
আমরা জানি, বর্তমানে মানুষ যেকোনো কার্যক্রম দেখলে স্বাভাবিকভাবেই তার বাস্তব প্রমাণ বা ছবি দেখতে চায়। এটি খুবই স্বাভাবিক একটি প্রশ্ন।
তবে এখানে একটি বিষয় স্পষ্ট করতে চাই।
এখন পর্যন্ত আমাদের এই কার্যক্রমে কোনো দাতা যুক্ত নেই। আমরা নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী এই কাজগুলো শুরু করেছি।
এই কারণেই আমরা একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছি—
আমাদের কার্যক্রম চলবে, মানুষকে সাহায্য করার চেষ্টা চলবে, কিন্তু এ মুহূর্তে আমরা কোনো বাস্তব ছবি বা ব্যক্তিগত মুহূর্ত প্রকাশ করব না।
কারণ আমরা বিশ্বাস করি, সাহায্যের মুহূর্তটি অনেক সময় ব্যক্তির সম্মান ও ব্যক্তিগত মর্যাদার সাথেও জড়িত।
যখন আমাদের সাথে দাতারা যুক্ত হবেন এবং কার্যক্রমে স্বচ্ছতা দেখানোর প্রয়োজন হবে, তখন অবশ্যই আমরা আমাদের সকল কার্যক্রম যথাযথভাবে আপনাদের সামনে তুলে ধরব।
আমাদের উদ্দেশ্য একটাই—
মানুষকে সাময়িক সহায়তা নয়, বরং স্থায়ীভাবে দাঁড়াতে সাহায্য করা।
‎
‎
‎ #জিদনী_ফাউন্ডেশন
‎
‎ #মানবিকতা
‎
‎ #মানুষের_পাশে
‎
‎
‎ #দান_করুন
‎ #সদকা
‎ #মানবতার_টানে
‎ #একটু_সহযোগিতা
‎ #আপনার_দান
‎
‎

রাস্তার ধারে ধুলোভরা পথ ধরে হাঁটছে এক মা ও তার দুই সন্তান।মায়ের ডান পাশে প্রায় সাত বছরের একটি ছেলে—চোখে ক্লান্তি, তবু ...
07/03/2026

রাস্তার ধারে ধুলোভরা পথ ধরে হাঁটছে এক মা ও তার দুই সন্তান।
মায়ের ডান পাশে প্রায় সাত বছরের একটি ছেলে—চোখে ক্লান্তি, তবু মায়ের হাত শক্ত করে ধরে আছে। আর বাম পাশে ছোট্ট একটি শিশু, যে কেবল হাঁটতে শিখেছে। টলমল পায়ে হাঁটছে, তবু মায়ের হাত ছাড়ছে না।

তাদের পোশাক ছেঁড়া, পায়ে জুতো নেই। শহরের ব্যস্ত রাস্তার ভিড়ে কেউ হয়তো তাদের দেখে, আবার অনেকেই না দেখার ভান করে পাশ কাটিয়ে চলে যায়।

ছোট্ট শিশুটি জানে না দুনিয়ার কঠিন বাস্তবতা। সে শুধু জানে—মায়ের হাত ধরে হাঁটতে হয়, আর মানুষের দরজায় দাঁড়ালে হয়তো কেউ একটু খাবার দেয়।
তার টলমল পা নিয়ে সে মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়ায়, কখনো হাসে, কখনো অবাক হয়ে মানুষের দিকে তাকিয়ে থাকে।

মা জানেন, এই পথ তার সন্তানের জন্য নয়।
তবুও অভাবের কঠিন বাস্তবতা তাকে এই পথেই হাঁটতে বাধ্য করেছে।
প্রতিটি দরজায় কড়া নাড়ার আগে তার বুক কেঁপে ওঠে—আজ কি কেউ একটু সহানুভূতি দেখাবে?

রাস্তার ভিড়ের মাঝে এই তিনটি মানুষ যেন একটি নীরব গল্প।
একটি গল্প অভাবের, একটি গল্প সংগ্রামের, আর একটি গল্প মানবতার অপেক্ষায় থাকা তিনটি প্রাণের।

হয়তো আমরা সবাই ব্যস্ত।
তবুও কখনো যদি এমন কোনো দৃশ্য চোখে পড়ে, একটু থামুন।
কারণ আমাদের সামান্য সহানুভূতিই কারো জীবনে বড় আশার আলো হয়ে উঠতে পারে।


‎ #জিদনী_ফাউন্ডেশন
‎
‎ #মানবিকতা
‎
‎ #মানুষের_পাশে
‎
‎
‎ #দান_করুন
‎ #সদকা
‎ #মানবতার_টানে
‎ #একটু_সহযোগিতা
‎ #আপনার_দান
‎
‎

03/03/2026

অনেকে হয়তো ভাবছেন—
আমাদের কার্যক্রম কি বন্ধ?
না, আলহামদুলিল্লাহ, আমাদের কাজ থেমে নেই।
শুধু সবকিছু অনলাইনে দেখানো সম্ভব হচ্ছে না।
কারণ আমরা শুধু পোস্ট করার জন্য কাজ করি না,
আমরা কাজ করি দায়িত্ববোধ থেকে।
আমরা প্রত্যেকে নিজের ব্যক্তিগত কাজ, জীবিকা এবং দায়িত্ব সামলে
এই মানবিক উদ্যোগটাকে এগিয়ে নিচ্ছি।
এই মুহূর্তে আমাদের কোনো স্বেচ্ছাসেবক নেই।
সবকিছুই সীমিত সামর্থ্য নিয়ে এগোচ্ছে।
তবে স্বপ্ন থেমে নেই।
ইচ্ছা কমেনি।
বিশ্বাসও নড়েনি।
আমরা জানি—
ভিত মজবুত হলে ভবন দেরিতে হলেও টিকে থাকে।
আজ ছোট পরিসরে,
কাল আরও সংগঠিতভাবে,
একদিন বড় পরিসরে—
ইনশাআল্লাহ।
আপনাদের দোয়া, পরামর্শ ও সহযোগিতাই আমাদের শক্তি।
জিদনী ফাউন্ডেশন
ধীরে, কিন্তু দৃঢ়ভাবে এগিয়ে চলছে।
‎
‎
‎ #জিদনী_ফাউন্ডেশন
‎
‎ #মানবিকতা
‎
‎ #মানুষের_পাশে
‎
‎
‎ #দান_করুন
‎ #সদকা
‎ #মানবতার_টানে
‎ #একটু_সহযোগিতা
‎ #আপনার_দান
‎
‎

“ও আগে খাবার চায়”ঢাকার ল্যান্ডফিল।চারদিকে আবর্জনার পাহাড়, দুর্গন্ধ, এক্সকাভেটরের শব্দ আর উড়তে থাকা পাখিরা। এই জায়গাটা শু...
02/03/2026

“ও আগে খাবার চায়”
ঢাকার ল্যান্ডফিল।
চারদিকে আবর্জনার পাহাড়, দুর্গন্ধ, এক্সকাভেটরের শব্দ আর উড়তে থাকা পাখিরা। এই জায়গাটা শুধু ময়লার স্তূপ নয়—এটা অনেক মানুষের জীবন।
সেদিন আমরা পরিদর্শনে গিয়েছিলাম।
আমি—কাওছার আহমেদ, প্রতিষ্ঠাতা ও ম্যানেজিং ট্রাস্টি
জিদনী ফাউন্ডেশন।
হঠাৎ চোখে পড়ল এক ছোট্ট শিশু। বয়স বড়জোর দশ কি এগারো। কাঁধে ময়লা ভর্তি বস্তা, শরীর জুড়ে ধুলো আর ঘাম। অথচ চোখে ছিল এক অদ্ভুত স্থিরতা—যেন এই কঠিন বাস্তবতাই তার পরিচিত পৃথিবী।
আমি তার পাশে বসে পড়লাম।
মাস্কের আড়াল থেকেও সে আমার চোখের দিকে তাকিয়ে রইল।
আমি তাকে জিজ্ঞেস করিনি—
“স্কুলে গিয়েছো?”
প্রশ্নটা একটু ঘুরিয়ে করেছিলাম,
— “তোমার কি পড়তে ইচ্ছা করে?”
ছেলেটা কিছুক্ষণ চুপ করে রইল।
তারপর খুব স্বাভাবিক গলায় বলল,
— “ইচ্ছা করে… কিন্তু তার আগে তিন বেলা খাবার খেতে ইচ্ছা করে।
একটা সুন্দর পরিবেশে ঘুমাতে ইচ্ছা করে।”
একটা শিশু।
তার স্বপ্নে স্কুল নেই, বই নেই, খাতা নেই।
তার স্বপ্ন—খাবার, নিরাপদ ঘুম, একটু শান্তি।
আমি মুহূর্তের জন্য কিছু বলতে পারিনি।
ল্যান্ডফিলের মাঝখানে দাঁড়িয়ে বুঝলাম—
শিক্ষার কথা বলার আগে প্রয়োজন পেট ভরা খাবার।
স্বপ্ন দেখার আগে প্রয়োজন নিরাপদ আশ্রয়।
আমি তাকে আবার জিজ্ঞেস করলাম,
— “কষ্ট হয় না?”
সে হালকা হাসল।
— “হয়… কিন্তু না করলে খাব কী?”
এই কথাটা শুনে মনে হলো, আমি আর ওর সঙ্গে কথা বলছি না—
আমি আমার বিবেকের সঙ্গে কথা বলছি।
সেদিন আমি এক চাচার কথাও মনে করলাম। ফুটপাতে বসে থাকা সেই মানুষটাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম,
— “চাচা, রোজা আছেন?”
তিনি হেসে বলেছিলেন,
— “বাবা, প্রতিদিনই তো রোজা থাকি।”
কারও কাছে রোজা এক মাসের ইবাদত,
আর কারও কাছে রোজা পুরো জীবনের নাম।
এই কথাগুলো শুনে নিজের দিকে তাকালে মনে হয়—
আমরা কতটা সৌভাগ্যবান।
মানুষের জীবনের এত কষ্টের গল্প শুনে নিজেকে অনেক সময় সুখের বাদশা মনে হয়।
কিন্তু আমি বিশ্বাস করি—
নিজের বিলাসিতায় সুখ খোঁজার চেয়ে
অন্যের জীবনকে একটু সুন্দর করে তোলার মধ্যেই আছে প্রকৃত সুখ আর শান্তি।
সেদিন ওই শিশুর চোখের দিকে তাকিয়ে আমি নিজের কাছে একটি প্রতিশ্রুতি করেছি।
আমরা এমন একটি প্রজেক্ট চালু করতে চাই—
যেখানে একটি শিশুর
খাদ্য, বাসস্থান, শিক্ষা, নিরাপত্তা—সবকিছুর নিশ্চয়তা থাকবে।
যেখানে সে শুধু বাঁচবে না,
সে বড় হবে,
নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার সুযোগ পাবে।
আমি জানি—স্বপ্নটা অনেক বড়।
কিন্তু আমি এই লক্ষ্য মাথায় তুলে নিয়েছি।
জীবনে আমি যা কিছু করব,
সবই এই ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে করব।
আল্লাহ যদি সামর্থ্য দেন—
প্রতিটি প্রজেক্টই বাস্তবায়িত হবে, ইনশাআল্লাহ।
এই লেখা শুধু একটি গল্প নয়।
এটা একটি অঙ্গীকার।
একটি দায়িত্ব।
আর একটি বিশ্বাস—
যে বিশ্বাস বলে, একটা শিশুর জীবন বদলানো মানেই পুরো একটা ভবিষ্যৎ বদলে দেওয়া।
‎
‎
‎ #জিদনী_ফাউন্ডেশন
‎
‎ #মানবিকতা
‎
‎ #মানুষের_পাশে
‎
‎
‎ #দান_করুন
‎ #সদকা
‎ #মানবতার_টানে
‎ #একটু_সহযোগিতা
‎ #আপনার_দান
‎
‎

“চাচা, রোজা আছেন?”চাচা হালকা হাসলেন। বললেন,— “বাবা, প্রতিদিনই তো রোজা থাকি।”আমি অবাক হয়ে তাকালাম। তিনি ধীরে ধীরে বলতে লা...
01/03/2026

“চাচা, রোজা আছেন?”
চাচা হালকা হাসলেন। বললেন,
— “বাবা, প্রতিদিনই তো রোজা থাকি।”
আমি অবাক হয়ে তাকালাম। তিনি ধীরে ধীরে বলতে লাগলেন,
— “খাবারের কষ্ট সারা বছর। এমনিতেই দিনে এক বেলা খাই। এই যে রোজার মাস—আমাদের জন্য তো প্রতিদিনই রোজার মতো।”
কথাটা শুনে বুকটা হঠাৎ কেমন ভারী হয়ে গেল। আবার জিজ্ঞেস করলাম,
— “চাচা, ইফতার কী দিয়ে করবেন?”
চাচা পাশের বোতলটা তুলে দেখালেন।
— “এই তো পানি আছে রাস্তায়। আর কী খাব? কোথায়ই বা পাব?”
আমি চুপ করে গেলাম। চারপাশে তখন ফলের দোকান, ছোলাবুট, পেঁয়াজু, জিলাপির গন্ধ। মানুষের হাতে ভর্তি বাজারের ব্যাগ। আর এই মানুষটার ইফতার—শুধু এক বোতল পানি!
নিজেকে সামলে আবার জিজ্ঞাসা করলাম,
— “চাচা, আপনি কী করেন?”
চাচা দীর্ঘশ্বাস ফেললেন।
— “আগে রিকশা চালাতাম। বয়স হয়েছে, শরীর আর সায় দেয় না। এখন কখনো কারও দোকানে বসে পাহারা দিই, কখনো কেউ কিছু দিলে খাই। না দিলে আল্লাহর নাম নিয়ে থাকি।”
‎
‎ #জিদনী_ফাউন্ডেশন
‎
‎ #মানবিকতা
‎
‎ #মানুষের_পাশে
‎
‎
‎ #দান_করুন
‎ #সদকা
‎ #মানবতার_টানে
‎ #একটু_সহযোগিতা
‎ #আপনার_দান
‎
‎

🍛 প্রজেক্টের নাম: আহারকেন এই প্রজেক্টআমরা মাঠে কাজ করতে গিয়ে দেখেছি—অনেক মানুষের সবচেয়ে বড় সমস্যা কাজ না পাওয়া নয়,পড়াশোন...
28/02/2026

🍛 প্রজেক্টের নাম: আহার
কেন এই প্রজেক্ট
আমরা মাঠে কাজ করতে গিয়ে দেখেছি—
অনেক মানুষের সবচেয়ে বড় সমস্যা কাজ না পাওয়া নয়,
পড়াশোনা না করা নয়,
বরং নিয়মিত খাবার না পাওয়া।
এই শহরে প্রতিদিন এমন মানুষ আছে
যারা এক বেলা খাবারের নিশ্চয়তা ছাড়া দিন কাটায়।
বিশেষ করে পথশিশু, শ্রমজীবী মানুষ,
এবং আশ্রয়হীন পরিবারগুলো
ক্ষুধার সাথে প্রতিদিন লড়াই করে।
ক্ষুধা শুধু পেটের কষ্ট নয়—
এটা মানুষের শক্তি, মনোযোগ
এবং বেঁচে থাকার ইচ্ছাকে ধীরে ধীরে ভেঙে দেয়।
এই প্রজেক্টের উদ্দেশ্য
আহার প্রজেক্টের মূল উদ্দেশ্য হলো—
ক্ষুধার্ত মানুষদের জন্য
এক বেলা নিরাপদ ও সম্মানজনক খাবারের ব্যবস্থা করা।
এই প্রজেক্টের মাধ্যমে আমরা চাই:
পথশিশু ও আশ্রয়হীন মানুষদের খাবার সহায়তা
ইফতার, দুপুর বা রাত—সময়ভেদে খাবার বিতরণ
খাবারের মাধ্যমে মানুষের তাৎক্ষণিক কষ্ট লাঘব
খাদ্য সহায়তার সময় মানুষের সম্মান ও নিরাপত্তা বজায় রাখা
কীভাবে কাজ করা হবে
ছোট পরিসরে খাবার প্রস্তুত বা সংগ্রহ
প্রয়োজন অনুযায়ী রান্না করা খাবার বা শুকনো খাবার বিতরণ
নির্দিষ্ট এলাকা ও সময় বেছে নিয়ে কাজ করা
প্রতিটি কার্যক্রম ডকুমেন্ট করা (তারিখ, স্থান, সংখ্যা)
আমাদের বিশ্বাস
আমরা বিশ্বাস করি—
ক্ষুধা কোনো অপরাধ নয়,
আর খাবার কোনো দয়া নয়।
আহার
শুরু হয় মানুষের প্রয়োজন থেকে,
শেষ হয় মানুষের মুখে খাবার তুলে দিয়ে।
‎
‎
‎ #জিদনী_ফাউন্ডেশন
‎
‎ #মানবিকতা
‎
‎ #মানুষের_পাশে
‎
‎
‎ #দান_করুন
‎ #সদকা
‎ #মানবতার_টানে
‎ #একটু_সহযোগিতা
‎ #আপনার_দান
‎
‎

প্রজেক্টের নামস্বপ্ন ছোঁয়া(Zidni Foundation – Education Support Project)✨ কেন নাম “স্বপ্ন ছোঁয়া”?সব শিশুরই স্বপ্ন থাকে...
26/02/2026

প্রজেক্টের নাম
স্বপ্ন ছোঁয়া
(Zidni Foundation – Education Support Project)
✨ কেন নাম “স্বপ্ন ছোঁয়া”?
সব শিশুরই স্বপ্ন থাকে।
কিন্তু সবার হাতে সেই স্বপ্ন ছোঁয়ার সুযোগ থাকে না।
কেউ বইয়ের অভাবে,
কেউ ব্যাগের অভাবে,
কেউ বা ধর্মীয় শিক্ষার উপকরণ না থাকায়
ধীরে ধীরে স্বপ্ন থেকে দূরে সরে যায়।
“স্বপ্ন ছোঁয়া” সেই প্রকল্প—
যেখানে আমরা শিশুদের স্বপ্ন গড়ে দিই না,
শুধু স্বপ্ন ছোঁয়ার সুযোগটা করে দিই।
একটা বই—
একটা ব্যাগ—
একটা কোরআন বা মাদ্রাসার প্রয়োজনীয় কিতাব—
এই ছোট সহায়তাগুলোই
একটি শিশুকে বলে দেয়—
“তোমার স্বপ্নটা গুরুত্বপূর্ণ।”
🎒 এই প্রজেক্টে কী করা হবে
স্কুলগামী শিশুদের জন্য বই, খাতা, ব্যাগ প্রদান
মাদ্রাসার শিশুদের জন্য কোরআন ও ধর্মীয় পাঠ্যপুস্তক
দরিদ্র ও অবহেলিত শিশুদের পড়াশোনায় সহায়তা
পড়াশোনার মাধ্যমে আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলা
🌱 প্রকল্পের দর্শন
আমরা বিশ্বাস করি—
সব শিশুকে এক জায়গায় নেওয়া সম্ভব না,
কিন্তু প্রতিটি শিশুকে
স্বপ্ন ছোঁয়ার ন্যূনতম সুযোগ দেওয়া সম্ভব।
স্বপ্ন ছোঁয়া
শুধু শিক্ষা প্রকল্প নয়—
এটা একটি আশার হাতছানি।

‎
‎ #জিদনী_ফাউন্ডেশন
‎
‎ #মানবিকতা
‎
‎ #মানুষের_পাশে
‎
‎
‎ #দান_করুন
‎ #সদকা
‎ #মানবতার_টানে
‎ #একটু_সহযোগিতা
‎ #আপনার_দান
‎
‎

ঘুম থেকে জাগো, হে নগরবাসী—আর কত ঘুমাবে? এবার তো ওঠো।এই শহরের আলো ঝলমলে রাতের নিচেকিছু মানুষ আজও অন্ধকারে জেগে আছে।ওদের চ...
25/02/2026

ঘুম থেকে জাগো, হে নগরবাসী—
আর কত ঘুমাবে? এবার তো ওঠো।
এই শহরের আলো ঝলমলে রাতের নিচে
কিছু মানুষ আজও অন্ধকারে জেগে আছে।
ওদের চোখে ঘুম নেই,
কারণ ক্ষুধা ঘুমাতে দেয় না।
যখন তোমার ঘর নিরাপদ,
তখন কারও রাত কাটে খোলা আকাশের নিচে।
যখন তুমি নিশ্চিন্তে নিঃশ্বাস নাও,
তখন কারও নিঃশ্বাসেই চাপা পড়ে দীর্ঘশ্বাস।
আমরা ঘুমাতে পারিনি।
না, আমরা পারিনি।
কারণ কারও না খাওয়ার যন্ত্রণা
বালিশের চেয়েও ভারী হয়ে থাকে।
জাগো।
সবাইকে নয়—
অন্তত একজনকে দেখো।
------কাওছার আহমেদ
প্রতিষ্ঠাতা-
জিদনী ফাউন্ডেশন

‎
‎ #জিদনী_ফাউন্ডেশন
‎
‎ #মানবিকতা
‎
‎ #মানুষের_পাশে
‎
‎
‎ #দান_করুন
‎ #সদকা
‎ #মানবতার_টানে
‎ #একটু_সহযোগিতা
‎ #আপনার_দান
‎
‎

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Zidni Foundation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share