01/03/2022
স্পিরুলিনা কি কি রোগে উপকারী:
১) এতে শক্তিশালী এন্টিঅক্সিডেন্ট আছে, যা ক্যান্সার রোধ করতে খুবই সাহায়ক;
২) স্পিরুলিনা ওজন কমায়। মাসিকের সময়ের ব্যথা দূর করে।
৩) স্পিরুলিনা টোটাল কোলেস্টেরল, খারাপ কোলেস্টেরল (এলডিএল) ট্রাইগ্লিসারাইড এর মাত্রা কমায়, পাশাপাশি ভাল কোলেস্টরল (এইচডিএল) এর মাত্রা কমিয়ে দিয়ে হার্ট অ্যাটাকের শংকা থেকে রক্ষা করে।
৪) এটি সব ধরনের ভাইরাসের শক্তি খর্ব করে।
৫) স্পিরুলিনা উচ্চ রক্তচাপ কমায়, স্ট্রোকের ঝুকিঁও এটি কমায়।
৬) স্পিরুলিনা প্রধান একটা গুণ হল এটি অ্যালার্জির একটি মহৌষধ।
৭) স্পিরুলিনার আরও একটি চমৎকার গুণ হলো এটি এনিমিয়া (রক্তশূন্যতা)-র উপর খুবই এফেকটিভ। কারণ এতে প্রচুর পরিমানে আয়রণ থাকে।
৮) পেশী শক্তিশালী করে।
৯) স্পিরুলিনা উল্লেখযোগ্যভাবে রক্তে শর্করার মাত্রা কমিয়ে দিতে পারে। এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, এটি টাইপ ২ ডায়াবেটিস ৮%- ৯% কমিয়ে দিতে পারে।
১০) আমাদের খাবার বা ঔষধে অনেক রকম ভারি ধাতব প্রদার্থ থাকে যাতে কিডনির উপর ক্ষতিকর প্রভাব পরে। ম্যাকলিনা (স্পিরুলিনা) এ আছে প্রচুর পরিমানে ক্লোরোফিল যা রক্তকে পরিস্কার করে শরীরকে এসব ভারী ধাতব প্রদার্ত ও অপ্রয়োজনিয় বর্জ্যকে বের করে দেয় এবং কিডনিকে সুস্থ্য ও স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা করে ।
১১) প্রোটিনের প্রধান উৎস। গরুর গোস্তের সাথে তুলনা করলে, এতে ৬৫-৭১ ভাগ পূর্ণ মাত্রায় প্রোটিন আছে। যেখানে গরুর গোস্তে আছে ২২ ভাগ।
১২) স্পিরুলিনা লিভারের ক্ষতি এবং সিরোসিস এর বিরুদ্ধে কাজ করে শরীরকে রক্ষা করে। লিভারের ব্যথা হ্রাস করে এবং লিভারে ট্রাইগ্লিসেরাইড এর ক্ষতি এড়িয়ে যেতে সক্ষম।
১৩) ই.কোলাই এবং চান্দিদার মত ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি দমন করে । স্পিরুলিনা পাচনতন্ত্রএর মধ্যে lactobacillus এবং bifidobacteria মত ভাল ব্যাকটেরিয়া তৈরী করে। সুতরাং, এটা পুষ্টি শোষণ করে শরীরের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে হজম বাড়ায়।
১৪) স্পিরুলিনা আর্সেনিক নিরাময় করে। প্রতিদিন ১০ গ্রাম করে স্পিরুলিনা খাওয়ালে প্রায় ৪ মাস পর রোগী সম্পূর্ণরূপে সুস্থ্য হয়ে উঠে। যেহেতু এখন পর্যন্ত আর্সেনিক রোগের কোনো ওষুধ আবিষ্কৃত হয়নি সে ক্ষেত্রে স্পিরুলিনা সেবন করে আর্সেনিকমুক্ত থাকাটা সত্যিই আমাদের জন্য বিরল সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে।
১৫) দীর্ঘদিন সেবন করলে যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। দীর্ঘদিন সেবন করলে চোখের সৌন্দর্য বৃদ্ধি হয় এবং দৃষ্টিশক্তি সঠিক মাপে আনতে সাহায্য কর