06/08/2024
অভ্যুত্থানকে রুখে দিতে সুযোগসন্ধানী একটি মহল অপতৎপরতায় লিপ্ত রয়েছে
--------------------------------------------------------------------------
বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী-জনতার বীরোচিত বুদ্ধিদীপ্ত আন্দোলনের মধ্য দিয়ে শত শত শহীদের আত্মাহুতির রক্তস্নাত বিজয়ের কালজয়ী ইতিহাস "স্বৈরাচার ও খুনি হাসিনার পদত্যাগ "। এ পদত্যাগকে বিজ্ঞ বিশ্লেষকগণ বাংলার ইতিহাসে " দ্বিতীয় স্বাধীনতা " অর্জন হিসেবে অভিহিত করেছে।সুতরাং এ অর্জন ধরে রাখতে হবে। এমন বিজয়ের সুফল কাজে লাগিয়ে শুধু কোটা সংস্কার নয় সামগ্রিক রাষ্ট্রীয় সংস্কারের একটি সুযোগ এসেছে। সে জন্য অত্যন্ত ধৈর্য্য ও বুদ্ধিমত্তার সহিত আগামীর দিনগুলো পাড়ি দিতে হবে।
মনে রাখতে হবে,সরকারি স্থাপনা আমাদের রাষ্ট্রীয় সম্পদ, সব স্থাপনা ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে নিরাপত্তা দিতে হবে ছাত্রজনতাকে। কারো বাড়িতে হামলা, লুটপাট রুখে দিতে হবে। পুলিশ জনগণের বন্ধু এ সত্য অস্বীকার করা যাবেনা, কতিপয় পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতা ও নিয়মশৃঙ্খলা বহির্ভূত কর্মকাণ্ডের জন্য পুরো পুলিশের প্রতি নিষ্ঠুরতম আচরণ প্রদর্শন করা ঠিক হবেনা। আইন-শৃঙ্খলার অবনতি দেখিয়ে অন্যকোন শক্তি ঐতিহাসিক এ বিজয়কে প্রশ্নবিদ্ধ করবে কিনা মাথায় রাখতে হবে। প্রতিহিংসা ও রক্তপাত অভ্যুত্থানকে ব্যর্থ করে দিতে পারে।
মসজিদ- মন্দির- শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমাজের অতি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। এসব ধ্বংস করা মানে নিজের অস্তিত্বকে ধ্বংস করে দেয়া। ভাবী দিনের কান্ডারী প্রিয় সন্তানদের নৈতিক বিকাশের এসব স্থাপনা রক্ষায় আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকি,তবেই কষ্টার্জিত বিজয় সার্থকতা পাবে।