18/08/2026
সিসামুক্ত বাংলাদেশ গড়ার যাত্রায় যুক্ত হল নতুন মাইলফলক!
🏛️‘সিসামুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে জাতীয় কৌশল ও বহু-বার্ষিক কর্মপরিকল্পনা (২০২৬–২০৩৫)’ আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন করেছে বাংলাদেশ সরকার। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রেস উইংয়ের তথ্য অনুযায়ী, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে গতকাল, ১৭ আগস্ট, এই কর্মপরিকল্পনাটি অনুমোদিত হয়।
🎯 আগামী ১০ বছরের এই রূপরেখায় ২০৩৫ সালের মধ্যে শিশুদের রক্তে সিসার মাত্রা ধাপে ধাপে কমিয়ে আনার সুস্পষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে, সিসার ব্যবহার ও দূষণ নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন আইন ও এর প্রয়োগ আরও জোরদার করা, সিসা দূষণের উৎস চিহ্নিত ও নজরদারির প্রক্রিয়া গঠন করা, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়ানো, নিরাপদ রিসাইক্লিং নিশ্চিত করা, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন খাতের মধ্যে সমন্বয় গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
🤝 পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় (Ministry of Environment, Forest and Climate Change, Bangladesh) কর্তৃক গঠিত মূল টেকনিক্যাল ওয়ার্কিং গ্রুপের সদস্য হিসেবে ইউনিসেফ, পিওর আর্থ বাংলাদেশ এবং এসডো-কারিগরি সহায়তা প্রদানে সম্মিলিতভাবে ভূমিকা রেখেছে যাতে এই কৌশল ও কর্মপরিকল্পনাটির জন্য বাস্তবায়নযোগ্য রূপরেখা নিশ্চিত করা যায়।
সিসা-দূষণ প্রতিরোধে এই গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক অর্জনে নেতৃত্ব ও অবদানের জন্য পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন মাল্টিসেক্টোরাল স্টিয়ারিং কমিটির সকল সদস্যের প্রতি আমরা আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ।
🌱 সিসার ক্ষতিকর প্রভাব থেকে শিশু, গর্ভবতী নারী, শ্রমজীবী মানুষ ও বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর সুরক্ষা নিশ্চিত করে, একটি সুস্থ ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তোলার পথে এই কর্মকৌশল ও পরিকল্পনাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি পদক্ষেপ। 🌱
👉 বিস্তারিত জানতে The Business Standard-এর প্রতিবেদনটি পড়ুন: https://www.tbsnews.net/bangladesh/govt-targets-95-reduction-childrens-blood-lead-levels-2035-1517906
📸 ছবি: এবছর মে মাসে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার পর তোলা ছবি। ছবিতে সিসামুক্ত বাংলাদেশ কৌশল ও কর্মপরিকল্পনার প্রায় চূড়ান্ত খসড়াসহ দেখা যাচ্ছে বাম থেকে:
সাবরিনা রহমান, সিনিয়র সহকারী সচিব ও লেড ফোকাল পয়েন্ট, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়; মিতালী দাশ, কান্ট্রি ডিরেক্টর, পিওর আর্থ বাংলাদেশ; মোহাম্মদ এনায়েত হোসেন, কনসালট্যান্ট, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়; এবং আহমদ শামীম আল রাজী, কনসালট্যান্ট, পিওর আর্থ বাংলাদেশ।