Vision Smile

Vision Smile Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Vision Smile, Dhaka.

     8 jun Friday 2018 (23 Ramadan 1439)
27/05/2018






8 jun Friday 2018 (23 Ramadan 1439)

30/10/2017
আমার তো ডানা নেই 🦋          যমদুত সাথে নিয়ে হেঁটে চলছি সূর্যাস্ত থেকে সূর্যোদয়,নিজ হৃদপিন্ডের উৎকট গন্ধে আবিস্কার করিএক ...
20/09/2017

আমার তো ডানা নেই 🦋

যমদুত সাথে নিয়ে হেঁটে চলছি সূর্যাস্ত থেকে সূর্যোদয়,
নিজ হৃদপিন্ডের উৎকট গন্ধে আবিস্কার করি
এক নির্বোধ বিশ্বাস...বেঁচে থাকবো।
মাথা নীচু, ঘাড় নীচু , উদ্ধাস্তু অসহায়
কোন এক টুকরো মাটিতে এক আত্মিয় অনাত্মিয় আলিঙ্গনে বেঁচে থাকবো।
কত মাইল হাঁটছি!!!
নাফ নদীর জলে লেখা আছে কি আমার
বংশধরের নামধাম!!!!
নিঃশ্বব্দে বিছিয়ে রেখে যাচ্ছি পথে পথে নিঃশ্বাস।
যত গেছি তত ছেড়ে গেছে চেনা অলিগলি
লেবু পাতার ঘ্রাণ, কচুরি পাতার ক্রন্দন।
পৃথিবীর বুকে একজোড়া মূল্যহীন চোখ আমার
সচকিতে অন্তিম লণ্ঠন হাতে দাঁড়িয়ে দেখছে
লাল লাল স্রোত মৃত্যু আর্তনাদ।
রক্তজবা চাঁদ পচা মাংসের গন্ধে উদভ্রান্ত।
আশ্রয়...আশ্বাস...স্বপ্নের সুরঙ্গপথে মৃত্যূগামী অপেক্ষা....
অস্তিত্ত্বে কেবল ই জন্মবৃত্তান্ত।
বিক্ষিপ্ত এই বিশ্বলোকে
সারে তিন হাত মাটি না থাকুক
অন্তত দাঁড়াতে পারি এতটুকু ভূমি দিও,
আমার তো ডানা নেই যে
নীল রঙা আকাশে 🌌 উড়ে বেড়াবো....
Courtesy by

26/08/2017

রায়েরবাজার বস্তি ও একজন ইমনের গল্প

ঢাকা, যে নামটা মনে হলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে বিশাল সব দালানকোঠা আর সুযোগ সুবিধায় পরিপূর্ণ এক নগরীর চিত্র। কিন্তু বিশাল এই নগরীতেও অনেক বাচ্চা বেড়ে উঠে ঐসব দালানের বাইরে কোনো একটা বস্তির ঝুপরি ঘরে। সুযোগ সুবিধার এতো কাছে ওরা থাকে তবুও সুযোগ সুবিধা ওদের কাছে চাঁদের মতই অধরা।

JAAGO Foundation ও SHOUT এর সহযোগিতায় Save the Children in Bangladesh-এর ‘Bridging the Gap’ নামক কার্যক্রম হচ্ছে ‘Every Last Child’ বিশ্বব্যাপী ক্যাম্পেইনের অংশ। এই কাজের সাথে যুক্ত হয়ে আমি দল বেঁধে রায়েরবাজারের একটি বস্তি পরিদর্শনে যাই। সেখানেই ইমন এর সাথে আমার পরিচয়।

ইমন ঐসব বাচ্চাদেরই একজন। তার পুরো নাম মো. ইমন, সে একটু একটু করে বেড়ে উঠছে রায়ের বাজার বস্তিতে। ওর বয়স মাত্র দশ বছর হলেও তিন ভাই বোনের মাঝে ইমনই সবার বড়। বাবা মাটি কাটার কাজ করেন আর মা কাগজ কুড়ান।

ইমনদের থাকার জায়গা বলতে শুধু ছোট একটা ঘর। ঘরটা এতোটাই ছোট যে ঐ ঘরের প্রায় দুই তৃতীয়াংশ জায়গা জুড়ে আছে একটি বিছানা। যেখানে ওদের পাঁচজনের একসাথে গাদাগাদি করে ঘুমাতে হয়।

ইমন জানে না বাবা মায়ের সাথে একসাথে বসে খাবার খেতে কেমন লাগে। টাকার অভাবে তার প্রায়ই দুপুর বেলা না খেয়ে থাকতে হয়। ইমন এটাও জানে না স্কুলের ইউনিফর্ম পরে বাবার হাত ধরে স্কুলে যেতে কেমন লাগে। এইতো কিছুদিন আগে টানা একমাস স্কুলে যেতে পারেনি বলে স্কুল থেকে নাম কেটে দিয়েছিলো ওর। এখন সে আবার দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্র হিসেবে নিয়মিত স্কুলে যায়।

ইমনের বাবা মা নিজেরা স্কুলে যেতে না পারলেও ইমনকে কখনও স্কুলে যেতে বাধা দেননি। ও আগে স্কুলে না গিয়ে কাগজ কুড়াতো। কিন্তু ওর বাবা মা ওকে জোর করে স্কুলে পাঠান। এমনও হয় যে মাঝে মাঝে ও যখন স্কুলে যেতে চায় না তখন বাবা মারেন।

ইমন বড় হয়ে শিক্ষক হতে চায়। কেউ ওকে শিক্ষক হতে বলেনি। ও নিজে থেকেই হতে চায়। ও এমন শিক্ষক হতে চায় যে শিক্ষক তার ছাত্রদের গায়ে হাত তুলেন না।

ইমনের প্রিয় খাবার ওর মায়ের হাতের রান্না করা সুরমা মাছ। ইমন এখনো স্কুল থেকে ফিরে মাঝে মাঝে কাগজ কুড়ায়। ও গুলো বিক্রি করে যে টাকা পায় তার পুরোটাই ওর মাকে দিয়ে দেয়। ওর মা তখন ২০-৩০ টাকা দেন। ঐটাকা দিয়ে ও মাঝে মাঝে স্যুপ বা বার্গার কিনে খায়।

ইমন সুযোগ পেলেই মারবেল খেলতে চলে যায়। তবে ওর প্রিয় খেলা ফুটবল। কিন্তু বল কিনতে পারে না বলে ফুটবল খেলতে পারে না। ফুটবলে সে নেইমারের ভক্ত। আর ক্রিকেটে সাকিব আল হাসান।

ইমনের আব্বু আম্মু জানেন না অসুস্থ হলে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যেতে হয়। অসুস্থ হলে ওনারা ফার্মেসি তে অসুখের কথা বলে ওষুধ নিয়ে আসেন।

ইমন এমন একটা পরিবেশে বেড়ে উঠছে যেখানে সবাই স্বাভাবিকভাবে কথা বললেও বাজে শব্দ ব্যবহার করে। ওর সাথে বেড়ে উঠছে এমন কেউ বা ওর চাইতে বড় কারো সাথে ছোটোখাটো কোনো বিষয় নিয়ে ঝামেলা হলেই ওরা বাজে ভাষায় কথা বলে। মাঝে মাঝে গায়েও হাত তোলে। ওর বড় হওয়ার পরিবেশটা স্বাভাবিক না। কিন্তু বিশাল এই পৃথিবীতে সুন্দর একটা পরিবেশে বেড়ে ওঠা ওর অধিকার।

আমরা সবাই ইমনদের ঝরে পড়তে দেখি। সবাই দেখি ওরা কি করে একটু একটু করে হারিয়ে যায়। আমরা ওদের গালি দেই টোকাই বলে। ওদের আমরা বলি রাস্তার ছেলে। কিন্তু আমরা ওদের পেছনের গল্পটা কখনই জানি না। আমরা জানতে চাই না ওরা কেনো ঝরে পরে, কেনই বা ওরা টোকাই হয়।

ইমনরা তো হারিয়ে যেতে জন্মায় নি। ওরাও তো স্বপ্ন দেখে বড় হওয়ার। কিন্তু ওরা আমাদের সমাজের পিছিয়ে পড়া শিশু।

এতো দুঃখ কষ্ট, এতো অভাবের মাঝেও ইমনের বাবা মা ইমনকে স্কুলে যেতে বাঁধা দেন নি। তারা নিজেরা কষ্ট করে হলেও ছেলেকে পড়ালেখা করাতে চান। এভাবে ইমন ঠিক কতদূর যেতে পারবে তা ইমন নিজেও জানে না।

সব ইমনদের বাবা মা এমন হোন না। আর যাদের বাবা মা এমন হোন তাদেরও ছেলে মেয়দের বেশীদূর এগিয়ে নিজে যাওয়ার ইচ্ছা থাকলেও সামর্থ্য থাকে না। তাই সমাজের সবার এগিয়ে এসে সুবিধা বঞ্চিত সব শিশুদের পাশে দাঁড়ানো উচিত।

২০১১ সালের তথ্যসুনারে ৫-১৪ বছরের শিশুর সংখ্যা মোট জনসংখ্যার প্রায় ২৪.১৮ ভাগ। গত কয়েক বছরে এই সংখ্যাটা আরো বেড়েছে। আগামী ১৫ বছর পরে মোট জনসংখ্যার এই বিশাল অংশটা টা সব চাইতে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী হবে। তাই তাদের সবার একটা সুন্দর পরিবেশে বেড়ে ওঠা খুব বেশী জরুরী।

সবাই যার যার অবস্থান থেকে এগিয়ে আসলেই শুধুমাত্র ওদের বেড়ে ওঠার জন্য সুন্দর একটা পরিবেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

লেখা ও ছবি: সৌরভ দাস পার্থ
লেখক জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর ও অঞ্ছল পরিকল্পনা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র।

26/08/2017
26/08/2017

শামীম শেখ : বদলপুর ইউনিয়‌নের ছোট এক‌টি গ্রাম ঝিলনহাটী ।প্রায় সম্পূর্ন অাধু‌নিকতার ছোয়া থে‌কে ব‌ঞ্চিত। সেই গ্রা‌মে রুপালী রানী তালুকদ‌ার না‌মে জীবন যু‌দ্ধে অাপসহীন এক‌টি শিশুর জন্ম। বয়স স‌তের বছর ।রুপালী সহ চার সদস্যের এক‌টি প‌রিবার ।‌যেখা‌নে সে তার পিতা ও ভাই বো‌নের সা‌থে বসবাস ক‌রে।‌ছোট‌বেলাই ম...

নবজাতকের কাছে এ আমাদের  দৃঢ় অঙ্গীকার।এসেছে নতুন শিশু, তাকে ছেড়ে দিতে হবে স্থান;    জীর্ণ পৃথিবীতে ব্যর্থ, মৃত আর ধ্বংস্ত...
03/08/2017

নবজাতকের কাছে এ আমাদের দৃঢ় অঙ্গীকার।

এসেছে নতুন শিশু, তাকে ছেড়ে দিতে হবে স্থান;
জীর্ণ পৃথিবীতে ব্যর্থ, মৃত আর ধ্বংস্তুপ-পিঠে
চলে যেতে হবে আমাদের।
চলে যাব-তবু
আজ যতক্ষণ দেহে আছে প্রাণ
প্রাণপণে পৃথিবীর সরাব জঞ্জাল,
এ বিশ্বকে এ-শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমরা---
নবজাতকের কাছে এ আমাদের দৃঢ় অঙ্গীকার।

11/07/2017

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Vision Smile posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share