শৈলী-দেশের প্রথম সাহিত্য ব্লগ

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • শৈলী-দেশের প্রথম সাহিত্য ব্লগ

শৈলী-দেশের প্রথম সাহিত্য ব্লগ Shoily is BOBS Award (Germany based) Winner and First Literature based bengali writers blog platform.

সহধর্মিণীর ভাবার্থে লিখিত
30/08/2024

সহধর্মিণীর ভাবার্থে লিখিত

প্রথম দেখাতেই সন্দেহ হয়েছিল। তাই রিউমর স্ক্যানার কে সাথে সাথেই দিয়েছিলাম।≈ বন্যার বাস্তব দৃশ্য প্রকৃতপক্ষে আরো করুণ ≈ত...
23/08/2024

প্রথম দেখাতেই সন্দেহ হয়েছিল। তাই রিউমর স্ক্যানার কে সাথে সাথেই দিয়েছিলাম।

≈ বন্যার বাস্তব দৃশ্য প্রকৃতপক্ষে আরো করুণ ≈

তবে, রিউমর স্ক্যানার বিশ্লেষণে ভাইরাল ছবিটি এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি।

আলোর প্রতিফলন, শিশুটির চোখের অভিব্যক্তি, কপালের ভাঁজ ও ঠোঁটের অস্বাভাবিকতা ইত্যাদি অসংগতি অনুযায়ী আপাতদৃষ্টিতে ভাইরাল ছবিটিকে এআই জেনারেটেড বলেই ধারণা করেছেন। তাছাড়া, এআই ছবি যাচাইয়ের বিভিন্ন ওয়েবসাইটও ছবিটিকে ৬০% থেকে ৯১% পর্যন্ত এআই বলে ফলাফল দিয়েছে।

রিউমর স্ক্যানার টিম হতে MidJourney AI ব্যবহার করে এই একই ধরনের ছবি পুনরায় তৈরি করার চেষ্টায়ও প্রায় একই ফলাফল পেয়েছে।

পুনশ্চ, মানুষের বাস্তবতাকে অবলম্বন করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে মানুষের অন্তর্গত আবেগ অনুভূতিকে ভিন্ন উপায়ে ব্যবহার করতে থাকলে মানুষ এক সময় তার নিজস্বতা হারাবে। পরাবাস্তবতা এবং সত্য বাস্তবতার মধ্যে পার্থক্য নির্ণয় করা কঠিন হয়ে যাবে।
"সিক্রেট সোসাইটি" এর সদস্যদের কাছে সাধারণ মানুষের উপর নিয়ন্ত্রণ আরো সহজ হবে।

বন্যা দুর্গত এলাকাতে স্বেচ্ছাসেবকদের কাজের সুবিধার্থে নিচের লিংকটি ব্যবহার করুন: https://protirodh.net/floodএটি স্বেচ্ছা...
23/08/2024

বন্যা দুর্গত এলাকাতে স্বেচ্ছাসেবকদের কাজের সুবিধার্থে নিচের লিংকটি ব্যবহার করুন:

https://protirodh.net/flood

এটি স্বেচ্ছাসেবকদের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন, তাদের কাজের সমন্বয় এবং বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে যেতে সাহায্য করবে।

নিম্নোক্ত অনুক্রম গুলো অনুসরণ করে সংযুক্ত থাকুন:
১. লোকেশন অ্যাক্সেস অনুমতি দিন: এটি আপনাকে লাইভ ম্যাপে অন্তর্ভুক্ত করবে।
২. কোন ধরনের সাহায্য আপনি প্রদান করছেন তা উল্লেখ করুন।
৩. আপনি দেখতে পাবেন কোন এলাকায় যথেষ্ট স্বেচ্ছাসেবক রয়েছে এবং কোন এলাকায় আরও স্বেচ্ছাসেবকের প্রয়োজন।

সাহায্যের জন্য অনুদান প্রদান করার বর্তমানে সর্বোচ্চ বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান হচ্ছে শায়খ আহমাদুল্লাহ স্যারের "আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন"।
আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন একটি অরাজনৈতিক, অলাভজনক শিক্ষা, দাওয়াহ ও পূর্ণত মানবকল্যাণে নিবেদিত সেবামূলক প্রতিষ্ঠান।

ওয়েব অ্যাড্রেস: https://assunnahfoundation.org/donate/flood

আন্দোলনকারী ছাত্ররা চাইলে তাদের সাথে আলোচনায় বসতে চান, তাদের সাথে কথা বলতে চান, তাদের কথা শুনতে চান প্রধানমন্ত্রী শেখ হ...
03/08/2024

আন্দোলনকারী ছাত্ররা চাইলে তাদের সাথে আলোচনায় বসতে চান, তাদের সাথে কথা বলতে চান, তাদের কথা শুনতে চান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বলেছেন, তারা যখনই আসতে চায়, গণভবনের দরজা তাদের জন্য খোলা। তিনি আর কোনো সংঘাত চান না।

"দাম্ভিকতা" বাদ দিয়ে সহানুভূতি মন নিয়ে যদি শুরুতেই সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের সাথে কথা বলত বর্তমান সরকার, তাহলে রাস্তায় সেনাবাহিনী মোতায়েন করতে হত না, পুষা ছাত্রলীগ / পুলিশ/ র‍্যাব / বিজিবি দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়ার জন্য ময়দানে নামাতে হত না, কারফিউ জারি করতে হত না, সারাদেশে ইন্টারনেট বন্ধ করতে হত না, ফেসবুক বন্ধ করতে হত না, আইসিটি প্রতিমন্ত্রীকে বারবার নিজেরই বক্তব্য পরিবর্তন করতে হত না, এইচএসসি পরীক্ষার মত জাতীয় ১২টা পরীক্ষা স্থগিত করতে হত না! সব স্কুল / কলেজ / বিশ্ববিদ্যালয় / প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ রাখতে হত না, শত শত মিথ্যা মামলা জারি করতে হত না, প্রায় নয় হাজার মানুষকে গ্রেফতার করতে হত না, দেশের সম্পদের এতো বড় ক্ষয়ক্ষতি হত না, জীবন বড় না রাষ্ট্রীয় সম্পদ বড় সেই প্রশ্ন উঠত না, আন্দোলনকারীদের মধ্যে থেকে আবু সাঈদ, মুগ্ধ, ফাইয়াজ, নাহিদ, হাসনাত, আসিফ, সারজিসদের মত আরো অনেক জানা, অজানা অসম সাহসী বীরদের কে হত্যা করতে হত না, ভাইরাল সেই পুষা ছাত্রলীগ ছেলের নেতা প্রবল ক্ষমতাসীন ছাত্রলীগের সভাপতিকে অজ্ঞাতবাসে চলে যেতে হত না, জুনায়েদ আহমেদ পুলক সাহেবকে পাঠিয়ে ছাত্রদের সাথে সম্পর্ক পুনরস্পথাপন করাতে হত না, আমাদের কেও এই রক্তাক্ত বাংলাদেশ দেখতে হত না।

আগে কেন এই সমঝথা করা হয় নাই? কারণ, “দাম্ভিকথা”, আরেকটু ডিটেলে এ গেলে “ডিক্টেটরশিপ”। Autocracy অথবা ডিক্টেটরশিপ মনোভাবের পরিচয় দেওয়া। নিজের মতের সাথে না মিল্লে যে কাউকেই শত্রুজ্ঞান করে বসা, বিনয়ী না হওয়া, এক কথায় গণতন্ত্রকে গলা টিপে মেরে ফেলা!

এই গলাটিপা গণতন্ত্রকে বাচাতে হলে এখন দরকার “পরিবর্তনের”। যে পরিবর্তনের নিশান হাতে নিয়েছে নতুন প্রজন্ম। যে প্রজন্ম রিল বানাতে জানে,টিকটক ভিডিও বানাতে জানে, কিন্তু কখনো হারতে জানে না, মিথ্যা আশ্বাসে ময়দান ছেড়ে যেতে জানে না।

এখনো আমরা যে উত্তরগুলো পাইনিঃ
১। রাতারাতি কিভাবে কোর্ট এর রায় চলে এলো, একদিনের মাথায়, বিচার বিভাগ কি স্বাধীন?
২। জামায়াতে ইসলামিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে সরকার। আগে কেন নিষিদ্ধ করেনি? আগে দরকার পড়েনি। এতদিনে মনে হল জামাত কে নিষিদ্ধ করা দরকার?
৩। জামায়াতে ইসলামিকে নিষিদ্ধ করা হল, ছাত্র রাজনীতিকে এখনো জিইয়ে রাখতে হবে? তাদের কে ব্যাবহার করা যাবে নিজের দলের স্বার্থে, যে কোনও প্রয়োজনে, এই জন্য? এই কারণেই কি এখনও ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ করা হচ্ছে না?
৩। যখনই মনে হল, দেশের সাথে বহির্বিশ্বের সম্পক বিচ্ছিন্ন করে নিতে হবে?

ভারতীয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠি একটা দারুণ কথা বলেছিলো - 'বিকল্প নাই' ন্যারেটিভের প্রসঙ্গে। তিনি বলেছিলেন, ধরুন আপনি একটি বাসে চড়ে কোথাও যাচ্ছেন। বাসটায় আগুন লাগলো। তখন বিকল্প বাস আছে কিনা সেটা না খুঁজে আপনার প্রথম কাজ হবে সেই বাস থেকে নামা। কোনও দল যদি গণতন্ত্রকে ধ্বংস করার চেষ্টা করে, তাহলে সে যে দলই হউক, তাদের বিরুদ্ধেও সমানভাবে সোচ্চার হতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বার্থ হলে কি রাষ্ট্রপতি অথবা সেনাবাহিনী ক্ষমতা গ্রহণ করেন না?

সবচেয়ে বড় কথা, এখন পুরো দুই প্রজন্মের ভেতর এই যে নষ্ট রাজনীতি আর রাজনীতিকদের জন্য এক বুক ভর্তি ঘৃণা আর তাচ্ছিল্য তৈরী হয়ে গেছে যা থেকে নিষ্কৃতি পেতে, এর আমূল পরিবর্তন নতুনরাই করে নিবে, সময়ের প্রয়োজনেই তারা করে নিবে।

আমরা যদি সমাজে পুঞ্জীভূত ক্ষোভের উৎস বর্তমান ক্ষমতাবান শ্রেণিগুলোর (অসৎ ব্যবসায়ী, অসৎ রাজনীতিবিদ ও অসৎ আমলার ত্রিভুজ ক্ষমতাকাঠামো) দ্বারা গঠিত শাসকশ্রেণির দুই অংশের মধ্যে ক্ষমতায় থাকা এবং ক্ষমতা দখলের লড়াই থেকে সমাজকে বাঁচাতে চাই, তাহলে নতুন বিকল্প সামাজিক শক্তির উত্থান ঘটাতে হবে। এটি সমাজের ভেতর থেকেই এবং রাজনৈতিক গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই হতে হবে।

তাই সরকারকে এ মুহূর্তে সবার আগে উন্মুক্ত যুক্তি-তর্ক-আলোচনা-পর্যালোচনা-ভিন্নমত, সরকারপ্রধানের প্রশংসা-সমালোচনা ইত্যাদির সুযোগ দিতে হবে। এসবের মাধ্যমে সত্য উদ্‌ঘাটনের স্বাধীনতা দিতে হবে। সন্ত্রাস-সহিংসতা, বলপ্রয়োগ, জবাবদিহিহীন হস্তক্ষেপের সংস্কৃতি, তথ্য গোপন ও মিথ্যা প্রচার থেকে আমাদের সব পক্ষকেই বের হয়ে আসতে হবে।

কোটা আন্দোলন আমাদের দেখিয়েছে, কীভাবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেই সংগ্রামের মাধ্যমে সর্বজনের কর্তৃত্ব ফিরিয়ে আনতে হয় এবং কীভাবে মেধা ও যোগ্যতাবিহীন বলপ্রয়োগকে ঠেকাতে হয়। আর সেটা এবার ঘটেছে বেশির ভাগ অরাজনৈতিক সাধারণ ছাত্রদের ঐক্যবদ্ধ উত্থানের মাধ্যমে। এই পথ ধরেই আগামী দিনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোয় নতুন সৎ-যোগ্য-মেধাবীদের নেতৃত্ব ফিরে আসতে পারে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোয় এ রকমটা হলে পরে দেশের মধ্যেও সঠিক ও সুস্থ রাজনৈতিক একটি শক্তিকে ধীরে ধীরে গড়ে ওঠার সম্ভাবনা রয়েছে। এভাবে সর্বস্তরে গণতান্ত্রিক পরিবেশ টেকসই করার সুযোগ তৈরি হবে। লীগ/বিএনপি/জাপা/জামাত কোন দলই নিজেদের স্বার্থের বাইরে কাজ করতে দেখি না। এদেরকে এই স্বার্থান্বেষী মনোভাব কে প্রত্যাখ্যান করে বাংলাদেশে নতুন প্রজন্মের এক নতুন রাজনৈতিক শক্তি গড়ে তুলতে হবে।

আরেকটি কথা, শুধু জামায়াতে ইসলামিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করলে কি হবে? ধর্মভিত্তিক সকল রাজনীতি কি বাতিল করতে হবে না? রাষ্ট্রধর্মও কি বাতিল করতে হবে না? একটি আরেকটির সঙ্গে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত। যে সমস্যা থেকে বাঁচতে একটিকে বাতিল করা হচ্ছে, সেই সমস্যা তৈরি করতে আরেকটিকে পোষার তো কোনও যুক্তি নেই। রাষ্ট্রধর্মের কারণে সাম্প্রদায়িকতা, বৈষম্যমূলক ধর্মীয় আইন, রাজনীতিতে ধর্মের ব্যবহার ইত্যাদি কি বৈধ হয়ে ওঠে না?

রিপন দে
অগাস্ট ৪, ২০২৪

প্রযুক্তির ব্ল্যাক ম্যাজিক, আপনি নিঃশেষ হচ্ছেন নিজের অজান্তে।---| " কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উন্নয়নের নামে মানুষের অর্জিত হ...
28/06/2024

প্রযুক্তির ব্ল্যাক ম্যাজিক, আপনি নিঃশেষ হচ্ছেন নিজের অজান্তে।

---| " কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উন্নয়নের নামে মানুষের অর্জিত হাজার বছরের জ্ঞান প্রযুক্তির সেই জাদুকর একত্রীকরণ করে এক মহা শক্তিতে রূপান্তর হচ্ছে। ভবিষ্যতে যা আপনার বুদ্ধির বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হবে। "

মোবাইল স্ক্রিনে টাচ করলেন এবং সেই টাচ সাথে সাথেই আপনাকে নিয়ে বিশ্লেষণ করা শুরু করল। কীভাবে?
সহজ ভাষায় কোন যন্ত্রকে দিয়ে যখন কাজ করানোর উদ্দেশ্যে নির্দেশনা প্রদান করা হয় তখন তাকে প্রোগ্রাম বলে। এবং এই প্রোগ্রামগুলো নির্দিষ্ট অ্যালগরিদম এর উপর তৈরি করা হয়। অনেক বড় সমস্যাকে ছোট ছোট আকারে বিভক্ত করে সমাধান করায় হচ্ছে অ্যালগরিদম।
অ্যালগরিদম, অমানবিক এবং আবেগ বা অনুভূতিহীন ভাবে কাজ করে। এ এক চক্রাকার বিশ্লেষণধর্মী পদ্ধতি। যার নিজের সিদ্ধান্ত নেওয়ার কোন ক্ষমতা নেই। প্রোগ্রামার যেভাবে প্রোগ্রাম করবে তার বাইরে কোন কাজ করতে পারবে না।

ইউটিউব, ফেসবুক, গুগল এবং যত সোশ্যাল মিডিয়া আছে সেখানে আপনার টাচের উপর বিশ্লেষণ করে আপনার চিন্তা চেতনাকে এই প্রোগ্রাম তার নিজের আয়ত্তে নিয়ে নেয় এবং পূর্ব নির্ধারিত অ্যালগরিদম এর মধ্যে আপনাকে নিয়ে বিশ্লেষণ শুরু হয়।
এই প্রোগ্রামার হচ্ছে সেই জাদুকর যে প্রযুক্তির ব্ল্যাক ম্যাজিকের মাধ্যমে আপনাকে আচ্ছন্ন করে রেখেছে।

নীরব ঘাতক, ঘরের শত্রু বিভীষণের মতো প্রতিনিয়ত আপনার ক্ষতির কারণ হচ্ছে, কিন্তু আপনি বুঝতে পারছেন না।
মোবাইল অ্যাপসগুলো আপনাকে মোহগ্রস্ত করে রাখার মত করে ডিজাইন করা হয়, যেন আপনি একবার কোন অ্যাপস ইউজ করা শুরু করলে সেখান থেকে বের হতে না পারেন। যে জন্য মানুষ মোবাইল স্ক্রিনে নিজের ব্যক্তিগত সময় বেশি ব্যয় করে, যার ফলে আপনি আত্মকেন্দ্রিক হয়ে যাচ্ছেন, এই আত্মকেন্দ্রিকতা আপনাকে নিজের অজান্তেই একা করে দিচ্ছে। আপনি একা হয়ে যাচ্ছেন। এই বিষণ্ণতা আপনার মানসিক মনোবলকে দুর্বল করে দিচ্ছে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উন্নয়নের নামে মানুষের অর্জিত হাজার বছরের জ্ঞান প্রযুক্তির সেই জাদুকর একত্রীকরণ করে এক মহা শক্তিতে রূপান্তর হচ্ছে। ভবিষ্যতে যা আপনার বুদ্ধির বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হবে।

আপনার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আপনি কী ধরনের ডিসিশন গ্রহণ করবেন তা পূর্বেই আপনাকে সাজেস্ট করছে আপনার মোবাইল স্ক্রিন অথবা ডিজিটাল কোন মাধ্যম।
এক ভয়ংকর সত্য, মোবাইলটা পাশে রেখে কোন একটা বিষয়ে আপনি কারো সাথে আলোচনা করুন, কিছুক্ষণ পর ফেসবুক অথবা ইউটিউব এ আপনি স্ক্রল করতে থাকেন এবং সচেতনভাবে খেয়াল করুন, দেখবেন আপনার সেই আলাপচারিতার সাথে সেই ধরনের কনটেন্ট আপনার সামনে চলে আসছে।

কীভাবে সম্ভব! (?)
আপনার দেখা স্ক্রিনের ভেতর এক স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যার রোবট বসানো রয়েছে যে প্রতিনিয়ত আপনাকে নিয়েই বিশ্লেষণ করছে। আপনি আপনার সম্পর্কে যতটুকু না জানেন সেই রোবট আপনার সম্পর্কে তার চেয়েও বেশি জানে। সেই সাথে আরও ভয়ংকর সত্য হচ্ছে আপনি আপনার সম্পর্কে ভুলে যান কিন্তু সে ভুলেনা, সে আপনার পরবর্তী চিন্তা চেতনার উপর পূর্ববর্তী তথ্যের ভিত্তিতে আপনার ভবিষ্যৎ নিয়ে সে বিশ্লেষণধর্মী রিপোর্ট তৈরি করে রাখে।
নির্জীব এই সফটওয়্যার আপনাকে ব্যবহার করে আপনারই নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়। তখন আপনার অবচেতন মন সারাক্ষন প্রযুক্তির সেই ব্ল্যাক ম্যাজিক এর নিয়ন্ত্রনে কাজ করে। আপনার চিন্তা চেতনা ভিন্ন পথে ধাবিত হয়।

এই পর্যন্ত পড়ে থাকলে ইতোমধ্যেই আপনি আরেক ভিন্ন জগতে চলে রয়েছেন আপনার অবচেতন মনে।
এভাবেই প্রভাব ফেলছে আপনার ডিজিটাল মাধ্যমে গুলো।

জুকারবার্গ এর বায়োস্কোপ শুধু যোগাযোগের মাধ্যম। এর বেশি কিছু নয়। কিছু সময়ের জন্য এই যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যাওয়া, যেন সবার শ...
05/03/2024

জুকারবার্গ এর বায়োস্কোপ

শুধু যোগাযোগের মাধ্যম। এর বেশি কিছু নয়। কিছু সময়ের জন্য এই যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যাওয়া, যেন সবার শ্বাস চেপে ধরেছে। সত্যিই কি তাই?

বর্তমান প্রযুক্তির দুনিয়ায় মানুষের নিজস্ব জগৎ বলতে কিছু নেই। তার কল্পনা, সম্ভাবনা সবকিছুই বাস্তবতাহীন জাদু মন্ত্র। লোক দেখানো বাক্সে বন্দী বায়োস্কোপের চরিত্র এর মত, সমস্ত দুনিয়া আড়াল করে দৃষ্টি শুধু একটা বাক্সের চারকোনা কুঠুরিতে বন্দী।
ফেসবুক বন্ধ হয়ে যাওয়াতে সবাই বিচলিত!

আহ্ মানুষ! আগামীকাল যদি ঘুম থেকে উঠে আর কারো সাথে যোগাযোগ করতে না পারেন। যদি যাপিত জীবনের এই অ্যাকাউন্ট আইডি আর ফেরত না পান। তখন?

26/12/2023

Address

32 Shahbaag
Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when শৈলী-দেশের প্রথম সাহিত্য ব্লগ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to শৈলী-দেশের প্রথম সাহিত্য ব্লগ:

Share