19/10/2023
পেশা/কর্ম/চাকরি প্রত্যাশী যুবদের মানসিক স্বাস্থ্য!!!
শিক্ষাজীবন শেষ করে কর্মজীবনে প্রবেশ করার মধ্যবর্তী সময়টা তরুণ-যুবদের জন্য একটা কঠিন চ্যালেঞ্জিং পিরিয়ড (one kind of transitional period) বলা যায়। এই পিরিয়ডে কর্ম/চাকরি প্রত্যাশী তরুণ-তরুণীদের মনোজগতে ব্যাপক পরিবর্তন দেখা যায়। এ সময় বেশিরভাগ তরুণ-তরুণীরা পরিবার, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব ও পরিচিত পরিসর থেকে নিজেকে আড়ালে রাখেন। কেননা এ সময় মা-বাবাসহ পরিবারের সদস্যরা, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব ও পরিচিত জনদের থেকে "ছয় মাস তো হয়ে গেল চাকরি করছো না কেন? সবার চাকরি হয় তোমার হয় না কেন?....." ইত্যাদি বহু রকম প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়। ব্যক্তি নিজেও তাঁর ভবিষ্যতের জন্য চিন্তা ভাবনা করতে থাকে। একজন তরুণ যখন একাডেমিক শিক্ষা শেষ করে চাকরি, ব্যবসা, বা উদ্যোক্তা লাইনে প্রবেশ করতে চান বা চেষ্টা শুরু করেন তখনই তাঁর কাছে কেবল প্রত্যাশা করা ও চাপ দিতে থাকাটা স্বাভাবিক মনে হলেও আপাত বেকার যুবদের মনোজগতে এটার ব্যাপক প্রভাব লক্ষণীয়। বেশিরভাগ তরুণ-তরুণীরা এই সময়টাতে মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা, হীনমন্যতা, হতাশায় ডুবতে শুরু করেন। ধীরে ধীরে বাবাসহ পরিবারের সদস্য, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব ও পরিচিত জনদের থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে রাখেন। ধীরে ধীরে একাকিত্বের জগতে প্রবেশ করেন যা তিনি একেবারেই চান নি। এক আরোপিত বিচ্ছিন্নতা জীবনকে কঠিন থেকে কঠিনতর করে তোলে। পরবর্তীতে চাকরি ব্যবসা বা কর্মজীবনে প্রবেশ করলেও আগের মতো পরিবারের সদস্য, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব ও পরিচিত জনদের সাথে ভাব বিনিময়, চলাফেরা করতে পারেন না। অনেকের কাছেই নতুন সার্কেল স্বস্তিদায়ক লাগে।
মনোজগতের এই পরিবর্তন কেন হয়? এই পরিবর্তন কী ইতিবাচক, নাকি নেতিবাচক? এমন পরিস্থিতিতে করণীয় কী কী?
তবে সকলের ক্ষেত্রে এরকমটা ঘটে এমন নয়। অনেকের ক্ষেত্রে এই সময়ে চরম উচ্ছ্বাস উদ্দীপনা কনফিডেন্স দেখা যায়। কিছু কিছু তরুণ-তরুণী কাঙ্খিত পেশা বা কাজে সহজে প্রবেশ করেন।
পেশা/কর্ম/চাকরি প্রত্যাশী বেকার তরুণ-তরুণী ও যুবদের মানসিক স্বাস্থ্যের দিকে খেয়াল রাখাটা সকলের দায়িত্ব।
(-GM)