Anirban Survivor Voice Foundation

Anirban Survivor Voice Foundation Our Vision: To build a world where no survivor of trafficking and exploitation is left behind.

A world where every survivor’s voice, rights and leadership are honored, respected and recognized with dignity.

৩০ জুলাই। বিশ্ব মানবপাচার প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে দেশের ১২টি জেলায় "১০ দাবিতে" স্মারকলিপি।
29/07/2026

৩০ জুলাই। বিশ্ব মানবপাচার প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে দেশের ১২টি জেলায় "১০ দাবিতে" স্মারকলিপি।

বিশ্ব মানবপাচার প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সচেতনতামূলক কর্মসূচির অংশ হিসেবে সাধারণ মানুষের মাঝে মানবপাচারের ঝুঁকি, প্র...
28/07/2026

বিশ্ব মানবপাচার প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সচেতনতামূলক কর্মসূচির অংশ হিসেবে সাধারণ মানুষের মাঝে মানবপাচারের ঝুঁকি, প্রতিরোধ এবং নিরাপদ অভিবাসন বিষয়ে সচেতনতামূলক আলোচনা পরিচালনা করেন অনির্বাণ সারভাইভার ভয়েস ফাউন্ডেশন, যশোর শাখার সভাপতি মো: রেজাউল ইসলাম।

এই আলোচনা মানুষের মধ্যে মানবপাচার সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি, প্রতারণামূলক নিয়োগ ও সাইবার স্ক্যামভিত্তিক পাচারের কৌশল সম্পর্কে সতর্কতা তৈরি এবং মানবপাচারমুক্ত সমাজ গঠনে সম্মিলিত সামাজিক দায়িত্ববোধ জাগ্রত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

সচেতনতা-ই মানবপাচার প্রতিরোধের প্রথম পদক্ষেপ। আসুন, সবাই মিলে মানবপাচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হই এবং নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলি।

৩০ জুলাই। "বিশ্ব মানবপাচার প্রতিরোধ দিবস" উপলক্ষে অনির্বাণ সারভাইভার ভয়েস ফাউন্ডেশন এর পক্ষ থেকে ১০ দফা দাবিতে কুড়িগ্রাম...
28/07/2026

৩০ জুলাই। "বিশ্ব মানবপাচার প্রতিরোধ দিবস" উপলক্ষে অনির্বাণ সারভাইভার ভয়েস ফাউন্ডেশন এর পক্ষ থেকে ১০ দফা দাবিতে কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ি উপজেলার নির্বাহী অফিসার বরাবর স্মারকলিপি প্রদান।

৩০ জুলাই | বিশ্ব মানবপাচার প্রতিরোধ দিবস ২০২৬প্রতিপাদ্য: "Trapped Behind the Scam" (প্রতারণার আড়ালে বন্দি)মানবপাচারের শি...
27/07/2026

৩০ জুলাই | বিশ্ব মানবপাচার প্রতিরোধ দিবস ২০২৬
প্রতিপাদ্য: "Trapped Behind the Scam" (প্রতারণার আড়ালে বন্দি)

মানবপাচারের শিকার ব্যক্তিদের কণ্ঠস্বর, অধিকার, ন্যায়বিচার এবং নিরাপদ পুনঃএকীভূতকরণ নিশ্চিত করার দাবিতে অনির্বাণ সারভাইভার ভয়েস ফাউন্ডেশন দেশের ১৩টি জেলায় জেলা প্রশাসক বরাবর "Policy Memorandum & Survivor Declaration (স্মারকলিপি ও সারভাইভার ঘোষণা)" দাখিল করবে।

এই স্মারকলিপিতে তুলে ধরা হয়েছে—
✅ সাইবার স্ক্যামভিত্তিক মানবপাচার প্রতিরোধ
✅ সারভাইভারদের অধিকার ও ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণ
✅ মামলার বাদী ও সাক্ষীর সুরক্ষা
✅ নিরাপদ পুনঃএকীভূতকরণ ও মানসিক স্বাস্থ্যসেবা
✅ পাচারকারী চক্রের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা
✅ সারভাইভার-কেন্দ্রিক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নীতিগত উদ্যোগ

এটি শুধু একটি স্মারকলিপি নয়, এটি মানবপাচারের শিকার সারভাইভারদের সম্মিলিত কণ্ঠস্বর এবং ন্যায়বিচারের আহ্বান।

আয়োজনে:
অনির্বাণ সারভাইভার ভয়েস ফাউন্ডেশন

15/07/2026
৩০ জুলাই বিশ্ব মানবপাচার প্রতিরোধ দিবস। ৩০ দিন, ৩০ ভয়েস।পর্ব–১১: আমাকে বিক্রি করার আগে তারা আমার ইন্টারভিউ নিয়েছিল।"আমি ...
11/07/2026

৩০ জুলাই বিশ্ব মানবপাচার প্রতিরোধ দিবস।
৩০ দিন, ৩০ ভয়েস।
পর্ব–১১: আমাকে বিক্রি করার আগে তারা আমার ইন্টারভিউ নিয়েছিল।

"আমি ভেবেছিলাম অবশেষে আমার নতুন কর্মস্থলে পৌঁছেছি। কিন্তু পরে বুঝলাম, সেই ইন্টারভিউটাই ছিল আমাকে একটি সাইবার স্কাম কম্পাউন্ডে আটকে ফেলার শেষ ধাপ।"

আমি বাংলাদেশ থেকে বিদেশে গিয়েছিলাম এই বিশ্বাস নিয়ে যে, আমি একটি বৈধ চাকরি পেয়েছি। কম্বোডিয়ার সিহানুকভিলে পৌঁছানোর পর আমার দালাল আমাকে বলেছিল, আগে একটি কোম্পানিতে ইন্টারভিউ দিতে হবে। তখন আমার মনে হয়েছিল, সবকিছুই সত্যি এবং বৈধ।

কোম্পানির গেটের সামনে দাঁড়িয়ে দালাল আমার একটি ছবি তুলে একজন চীনা নাগরিকের কাছে পাঠায়। কয়েক মিনিট পর একটি কালো প্রাইভেট কারে কয়েকজন চীনা নাগরিক এসে পৌঁছায়।

তাদের একজন তার মোবাইল ফোনে আমার সেই ছবিটি দেখিয়ে আমাকে জিজ্ঞেস করল,

"এটা কি তোমার ছবি?"
আমি মাথা নেড়ে বুঝালাম এটা আমার ছবি।
তারপর তারা গেট খুলে আমাকে ভেতরে নিয়ে গেল।
ইন্টারভিউটি একেবারেই বাস্তব মনে হয়েছিল।
তারা আমার টাইপিং স্পিড পরীক্ষা করল।

বাংলাদেশে আমি কী কাজ করতাম, কত ঘণ্টা কাজ করতাম এবং আমার পূর্ব অভিজ্ঞতা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চাইল।
ইন্টারভিউ শেষে তারা আমার পাসপোর্ট নিয়ে নিল এবং বলল, "আগামীকাল থেকে তুমি কাজ শুরু করবে। তোমার মাসিক বেতন হবে ৮০০ মার্কিন ডলার।"

আমি বিশ্বাস করেছিলাম, বিদেশে আসার যে স্বপ্ন নিয়ে দেশ ছেড়েছিলাম, তা হয়তো সত্যি হতে চলেছে।

পরদিন সকালে কয়েকজন বাংলাদেশি কর্মী আমাকে কাজ শেখাতে শুরু করলেন। ঠিক তখনই আমি বুঝতে পারলাম, আমাকে কোনো ডাটা এন্ট্রির চাকরির জন্য নিয়োগ দেওয়া হয়নি।

আমি মানবপাচারের শিকার হয়ে একটি সাইবার স্কাম কম্পাউন্ডে এসে পড়েছি।

সেখানে আমাকে অনলাইনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও ইউরোপের নাগরিকদের টার্গেট করে প্রতারণা করার কাজ করতে বাধ্য করা হচ্ছিল।

আমি যখন বললাম, আমি এই কাজ করতে পারব না, তখন তারা এমন একটি কথা বলেছিল, যা আজও আমি ভুলতে পারিনি।

"এই কোম্পানি থেকে বের হতে চাইলে তোমাকে ২,০০০ মার্কিন ডলার দিতে হবে। আর যদি বাঁচতে চাও, তাহলে ঠিকমতো কাজ করো।"

সেই মুহূর্তেই আমি বুঝে গেলাম, আমি আর স্বাধীন নই।
সেই ইন্টারভিউ কখনোই আমাকে চাকরি দেওয়ার জন্য ছিল না।

মানবপাচারকারী চক্রগুলো এখন অনেক বেশি কৌশলী হয়ে উঠেছে। তারা শুধু নিয়োগের সময় প্রতারণা করে না; তারা বৈধ কর্মসংস্থানের পুরো প্রক্রিয়াটিকেই নকল করে ইন্টারভিউ, দক্ষতা যাচাই, কোম্পানির অফিস এবং চাকরির প্রতিশ্রুতি সবকিছু ব্যবহার করে একটি বৈধ চাকরির ভ্রম সৃষ্টি করে।

এটি কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে নিয়ে আসে।
বিদেশে যে কোম্পানিগুলো চাকরির প্রস্তাব দেয়, সেগুলোর সত্যতা কে যাচাই করে?

বিদেশে যাওয়ার আগে নিয়োগকর্তা ও কর্মস্থল কতটা স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়?

আর কতজন অভিবাসী কর্মী এমন একটি নিয়োগ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাবেন, যা বাইরে থেকে সম্পূর্ণ বৈধ মনে হয়, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাদের একটি সাইবার স্কাম কম্পাউন্ডে পৌঁছে দেবে?

আজকের মানবপাচার অনেক সময় শিকল দিয়ে নয় বরং একটি বৈধ চাকরির ইন্টারভিউ দিয়েই শুরু হয়।

26/03/2026

তারা হার মানেনি বলেই
স্বাধীনতা
প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Anirban Survivor Voice Foundation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share