People for Animal Welfare Foundation, Bangladesh

People for Animal Welfare Foundation, Bangladesh PAW Foundation is a Non-Profit Organization to establish animal welfare standards in Bangladesh.
(1)

18/08/2026

ভেটেরিনারিয়ানদের জন্য মূল্যবান একটি বাস্তবতা তুলে ধরেছিলেন প্রখ্যাত ভেটেরিনারিয়ান ডা. শফিউল আহাদ সরদার স্যার।

ঢাকা, ১২ আগস্ট ২০২৬: বিশ্ব হাতি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে বাংলাদেশের বন্য হাতি সংরক্ষণ এবং বন্দী হাতিদের শেকলমুক্ত, নিরাপদ ও কল্...
13/08/2026

ঢাকা, ১২ আগস্ট ২০২৬: বিশ্ব হাতি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে বাংলাদেশের বন্য হাতি সংরক্ষণ এবং বন্দী হাতিদের শেকলমুক্ত, নিরাপদ ও কল্যাণভিত্তিক ভবিষ্যতের দাবিতে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়ে গেল বিশেষ আয়োজন।

আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ দ্য ঢাকা, বাংলাদেশ গাছ রক্ষা আন্দোলন, দুনিয়াদারি আর্কাইভ এবং পিপল ফর এনিমেল ওয়েলফেয়ার (PAW) ফাউন্ডেশন যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।

বুধবার, ১২ আগস্ট বিকেল ৪ টায় আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ দ্য ঢাকার ধানমন্ডি অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে আলোকচিত্র, তথ্যচিত্র, চলচ্চিত্র ও আলোচনার মাধ্যমে বাংলাদেশের বন্য ও বন্দী হাতিদের বর্তমান অবস্থা, সংকট এবং সম্ভাব্য সমাধান তুলে ধরা হয়।

অনুষ্ঠানে আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ দ্য ঢাকার পরিচালক ফ্রঁসোয়া শঁব্রো স্বাগত বক্তব্য দেবেন। আলোকচিত্রী কে এম আসাদ এর আলোকচিত্র নিয়ে No Way Home শীর্ষক একটি আলোকচিত্র ঘটনা প্রবাহ উপস্থাপন করেন আমিরুল রাজিব।

হাতি অধিকার কর্মী আমিরুল রাজিব ও রাকিবুল হক এমিল Elephants of Bangladesh শীর্ষক উপস্থাপনায় বাংলাদেশের বন্দী হাতিদের বর্তমান বাস্তবতা, সংরক্ষণ সংকট, বন্দী হাতিদের কল্যাণ এবং শেকলমুক্ত ব্যবস্থাপনার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।

হাতির নিরাপত্তা ও সুরক্ষায় বাংলাদেশের প্রচলিত আইন এবং খসড়া বিধিমালার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া। এছাড়াও বন্দী হাতির শারীরিক ও মানসিক বিপর্যয় সংক্রান্ত প্রাণী আচরণ ও অসুস্থতার নানা দিক তুলে ধরেন কেন্দ্রীয় ভেটেরিনারি হাসপাতালের সাবেক পরিচালক ভেটেরিনারিয়ান ডা. শফিউল আহাদ সরদার।

আয়োজনের শুরুতেই প্রদর্শিত হয় মার্শাল করউইন পরিচালিত তথ্যচিত্র Sanctuary: Elephant Nature Park। এর মাধ্যমে এশিয়ার প্রতিবেশী দেশ থাইল্যান্ডের ক্যাপটিভ হাতি উদ্ধার ও পুনর্বাসনের পথিকৃৎ প্রাণী অধিকারকর্মী সায়েংদুয়ান লেক চাইলার্ট এর কার্যক্রম তুলে ধরা হয়। যার মাধ্যমে বন্দী ও নির্যাতিত হাতি উদ্ধার, পুনর্বাসন এবং মানবিক ও শেকলমুক্ত ব্যবস্থাপনার বাস্তব উদাহরণ তুলে ধরা হয়।

উল্লেখ্য সায়েংদুয়ান লেক চাইলার্ট গত এপ্রিল মাসে বাংলাদেশে ভিজিট করে এক অনুষ্ঠানে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রীর নিকট বাংলাদেশের হাতিদের জন্য কাজ করার আগ্রহ দেখান।

আয়োজকদের মতে, বিশ্ব হাতি দিবসকে সামনে রেখে হাতি সংরক্ষণ ও অধিকার নিয়ে চলমান কার্যক্রমকে আরও বেগবান করা এবং বাংলাদেশের হাতিদের নিরাপত্তা, স্বাধীনতা ও কল্যাণ নিশ্চিত করার সম্মিলিত প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করাই এ আয়োজনের প্রধান লক্ষ্য।

12/08/2026

আজ বিশ্ব হাতি দিবস। তুলে ধরলাম বাংলাদেশের ক্যাপ্টিভ (বন্দি) হাতিদের অবস্থা। এই ছোট্ট তথ্যচিত্রে সরকারের ঘরে থাকা ও ব্যক্তি মালিকানায় থাকা বন্দি হাতিদের বাস্তব চিত্র দেখানো হয়েছে।

07/08/2026
প্রাণিকল্যাণ আইন, ২০১৯ এর যুগোপযোগী সংশোধন দরকার। সরকার সংশোধনের কাজ করছে যা তরুণদের কাছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর একটি কমি...
30/07/2026

প্রাণিকল্যাণ আইন, ২০১৯ এর যুগোপযোগী সংশোধন দরকার। সরকার সংশোধনের কাজ করছে যা তরুণদের কাছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর একটি কমিটমেন্ট ছিল। তিনি নির্বাচনের আগেও তরুণদের মাঝে নানান বক্তব্যে উল্লেখ করেছেন।

এই আইনটি প্রাণিপ্রেমীদের আদর-যত্নে বেড়ে ওঠা প্রাণীর জন্যই কেবল নয়, বরং খামার, বাজার, হাটে-মাঠে নির্যাতিত লক্ষ্য লক্ষ্য প্রাণীর আমৃত্যু কষ্ট লাঘব করার জন্য দরকার। বাংলাদেশের খামারগুলোতে এনিমেল ওয়েলফেয়ার কমপ্লায়েন্স (Five freedoms of animal welfare) প্রতিষ্ঠা করার মাধ্যমে গ্লোবাল মার্কেটে নিজেদের অবস্থান তৈরির জন্যেও দরকার।

সরকার এই আইন সংশোধনের সাথে অভিজ্ঞ আইনজীবী, ভেটেরিনারিয়ান ও গবেষকদের নিযুক্ত করেছেন এটাও প্রশংসনীয়। তবে কুকুর বা কোন প্রাণী হ/ত্যার বিষয়ে মাঠ পর্যায়ে কাজের অভিজ্ঞতা থেকে একটি কথা উল্লেখ করা দরকার-

বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কুকুর-বিড়াল হ/ত্যার ঘটনায় প্রত্যক্ষদর্শী থাকে না অথবা সাধারণত প্রত্যক্ষদর্শীরা "সামান্য" একটা প্রাণী হত্যায় আদালতে সাক্ষী হবার ঝামেলায় যেতে চায় না। ফলে গতানুগতিক ইনভেস্টিগেশন প্রসিডিউরে অপরাধ প্রমাণ করতে পারে না পুলিশ। অপরদিকে "অপসারণ" কাজটিকে যদি আইনের আওতায় অপরাধ হিসেবে না আনা হয়, তাহলে লাশ গু/ম করার ঘটনাই বেশি ঘটবে। অর্থাৎ বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কুকুর বা বিড়ালকে হ/ত্যা করে মৃতদেহ ফেলে দেয়া হয় বা লুকিয়ে ফেলা হয়। একইসাথে অন্যত্র সরিয়ে ফেলার মাধ্যমেও মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেয়া হয়।

নতুন সংশোধনে সরকার অত্যন্ত বিচক্ষণতা দেখাচ্ছে ও ভালো একটি প্রয়োগযোগ্য কঠিন আইন হচ্ছে। তবে যেহেতু "মালিকবিহীন কুকুর" বা পথকুকুরকে আইনি সুরক্ষা দিতে আমাদের অনেকেরই কুন্ঠাবোধ রয়েছে, তাই প্রাণিকল্যাণ আইন, ২০১৯ এর ৭ নং ধারার প্রত্যেকটি শব্দের ব্যাপারে সুক্ষ্ম নজর দিতে অনুরোধ করবো খসড়ায় ভূমিকা রাখা প্রত্যেককে।

মনে রাখা দরকার, কাগজের আইন সমাজে অপরাধ কমাতে পারে না যদি মামলা, তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়া পরিস্কারভাবে পরিচালনা করা না যায়। মালিকবিহীন প্রাণী অথবা মালিক রয়েছে এমন প্রাণীর জন্য বিচার চাইবার সময়েও বাদী হিসেবে কাউকে পাওয়া যায় না!

তাহলে প্রাণীর আইনি অধিকার দিতে কে হবে তার পক্ষের বাদী? আইনটা বাস্তব প্রয়োগযোগ্য হবে এই কামনা করছি।

28/07/2026

প্রতি সন্ধ্যায় এভাবেই আমাদের টিম পথের ক্ষুধার্ত প্রাণীদের জন্য খাবার নিয়ে বেরিয়ে পড়ে।

আয়োজনে পিপল ফর এনিমেল ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন ও হোপটিকেএফ।

ওয়ারির পথে পথে পথপ্রাণীর চিকিৎসা ও গণসচেতনতায় সবারভেট প্রোগ্রাম। আয়োজনে পিপল ফর এনিমেল ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন ও হোপটিকেএফ। ...
27/07/2026

ওয়ারির পথে পথে পথপ্রাণীর চিকিৎসা ও গণসচেতনতায় সবারভেট প্রোগ্রাম। আয়োজনে পিপল ফর এনিমেল ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন ও হোপটিকেএফ।

আমাদের প্রাণিচিকিৎসক ও তার টিম পথেই এলেন ভ্যাক্সিনেশন ও চিকিৎসা দিতে। আমরা বিশ্বাস করি, মানুষকে কেবল লিফলেট আর নীতিকথা দিয়ে ভালো কাজে সহযোগী করা যায় না। মানুষের সামনে ভালো কাজটা বার বার করে যেতে হয়। কুকুর নিয়ে সামাজিক যে নেতিবাচক মনোভাব রয়েছে তা ভাঙতে হয়। মানুষকে বুঝাতে হয়, রাস্তায় আশ্রয়হীন প্রাণীগুলোর জীবনের মূল্য রয়েছে। তাই এত আয়োজন করে ডাক্তার এসেছেন। একইসাথে মানুষ নিরাপদে, জনস্বাস্থ্যকে নিরাপদ রেখে এই শহরে বাঁচার অধিকার রাখে। আর সেজন্যই কুকুরেরা নিরাপদ হলে মানুষও নিরাপদ।

আশা করি, সরকার খুব শীঘ্রই কুকুরকে বৈজ্ঞানিক নিয়ম মেনে প্ল্যান মাফিক বন্ধ্যাত্বকরণ শুরু করবে। পাইলটিং অনেক হয়েছে, এবার সাস্টেইনেবল কাজের অপেক্ষা।

সবারভেট এমন এক ভেট, যে কেবল পোষাপ্রাণীর নন, পথের প্রাণীদেরও ভেটেরিনারি ডাক্তার!

বিশেষ কৃতজ্ঞতা Arafat Ashik ভাই।

24/07/2026

হাতি কি সত্যিই সালাম দেয়? অথবা সে কি চেনে কে বস আর কে বিগ বস?

বাংলাদেশের মহামান্য হাইকোর্ট এর পর এবার নেপালের হাইকোর্ট ক্যাপ্টিভ হাতিদের শেকলমুক্তির জন্য এক যুগান্তকারী রায় দিল! হাতি...
22/07/2026

বাংলাদেশের মহামান্য হাইকোর্ট এর পর এবার নেপালের হাইকোর্ট ক্যাপ্টিভ হাতিদের শেকলমুক্তির জন্য এক যুগান্তকারী রায় দিল!

হাতিরা যানবাহন নয়, বিনোদনের বস্তু নয়। ব্যক্তিমালিকানা ও সরকারের কাছে থাকা ক্যাপ্টিভ হাতিরা অত্যন্ত সংবেদনশীল ও পরিবারকেন্দ্রিক, আবেগ অনুভূতিপূর্ণ প্রাণী। হাতিদের সারাক্ষণ শেকল দিয়ে বেধে রাখা, পিঠে চড়া, সার্কাসসহ নানান বিনোদন ও টাকা আদায় করা যাবে না। সাফারি পার্ক এর মত পরিবেশ দিয়ে হাতিদের শেকলমুক্ত জীবন, পজিটিভ রিইনফোর্সমেন্ট, দুর থেকে দেখার ও বিরক্ত না করে হাতি দেখার কথাও বলেছে।

এই আদেশের মাধ্যমে বাংলাদেশের সাথে এশিয়ার আরেকটি দেশ ক্যাপ্টিভ হাতির ওয়েলফেয়ারে নতুন যুগে পা দিল। এর আগে নেপাল সরকার বিভিন্ন এক্সপার্টদের সহযোগিতা নিয়েছে তাদের হাতির জন্য চেইন ফ্রি কোরাল বানাতে। বর্তমানেও থাইল্যান্ডের সেইভ এলিফ্যান্ট ফাউন্ডেশনের মিস লেক চাইলার্ট এর টিমের সাথে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।

বাংলাদেশেও আমরা অনেকটা এগিয়েছি বলে মনে করি। তবে সরকারের ভিতর বসে থাকা কিছু নির্বিকার, দায়হীন কর্মচারী-কর্মকর্তার জন্য দুই পা এগুলে তিন পা পেছাতে হয়।

তবু আশা করি, দক্ষিণ এশিয়ার এই ঢেউটা হয়তো বাংলাদেশের জন্যেও মঙ্গল বয়ে আনবে। যারা কাজ করে তাদের পেছনে ব্যাক বাইটিং, পেছনে টানা, ল্যাং মারার মানুষগুলোর মূল্যবোধ কিছুটা জেগে উঠলেই হয়।

নেপালের হাতিরা মুক্তি পাক।

Address

80 Commercial Plot, Block/A, Zoo Road, Mirpur
Dhaka
1216

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when People for Animal Welfare Foundation, Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to People for Animal Welfare Foundation, Bangladesh:

Shortcuts

Share