Bangladesh Zakat Foundation বাংলাদেশ যাকাত ফাউন্ডেশন

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • Bangladesh Zakat Foundation বাংলাদেশ যাকাত ফাউন্ডেশন

Bangladesh Zakat Foundation বাংলাদেশ যাকাত ফাউন্ডেশন Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Bangladesh Zakat Foundation বাংলাদেশ যাকাত ফাউন্ডেশন, Charitable organisation, Dhaka.

20/03/2026

ঈদ মুবারাক
🌙
তাক্বাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম!

📢 **আসন্ন পবিত্র রমজান উপলক্ষে বাংলাদেশ যাকাত ফাউন্ডেশনের যাকাত ফান্ডে দান করার বিনীত আহ্বান**আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমা...
25/02/2026

📢 **আসন্ন পবিত্র রমজান উপলক্ষে বাংলাদেশ যাকাত ফাউন্ডেশনের যাকাত ফান্ডে দান করার বিনীত আহ্বান**

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ 🤍
পবিত্র রমজান মাস—রহমত, বরকত ও মাগফিরাতের মাস—আমাদের দুয়ারে সমাগত। এই মাস আত্মশুদ্ধি ও তাকওয়া অর্জনের সুবর্ণ সুযোগ এনে দেয়, পাশাপাশি অসহায় ও দুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মহৎ বার্তা দেয়।
💎 **যাকাত** ইসলামের অন্যতম স্তম্ভ—যা সমাজে সম্পদের সুষম বণ্টন নিশ্চিত করে এবং দরিদ্রদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করে।

🏢 ** বাংলাদেশ যাকাত ফাউন্ডেশন** সুন্নাহর আলোকে মানবতার সেবায় দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছে। আমাদের কার্যক্রমসমূহের মধ্যে রয়েছে—
📚 শিক্ষা সহায়তা
🏥 চিকিৎসা সহায়তা
🍚 দারিদ্র্য বিমোচন কর্মসূচি
👶 এতিম ও অসহায়দের সহযোগিতা
📖 দাওয়াহ কার্যক্রম
আমরা প্রতিটি দানে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করি, যাতে আপনার আমানত সঠিক হকদারের কাছে পৌঁছে যায়, ইনশাআল্লাহ।

🤲 এই রমজানে আমাদের চারপাশে অনেক ভাই-বোন রয়েছেন, যারা মৌলিক চাহিদা পূরণেও হিমশিম খাচ্ছেন। আপনার যাকাত, ফিতরা ও সাদাকাহ তাদের জীবনে নতুন আশার আলো জ্বালাতে পারে ✨
🍽 খাদ্য
👕 বস্ত্র
💊 চিকিৎসা
🎓 শিক্ষা

আপনার সামান্য সহযোগিতাও হতে পারে কারো জীবনের বড় পরিবর্তনের কারণ।

পেমেন্ট পদ্ধতি জানতে কমেন্ট বক্স দেখুন।

#রমজান২০২৬ #যাকাত #সাদাকাহ #ফিতরা #দানকরুন #মানবতারসেবা

24/02/2026
আপনাদের সন্তানদেরকে এই প্রশ্নগুলো বারবার করে তাওহীদ শিক্ষা দিন:⭕ ১) প্রশ্ন: আল্লাহ কোথায়?✅ উত্তর: আসমানে (আরশের উপর)।⭕ ...
19/02/2026

আপনাদের সন্তানদেরকে এই প্রশ্নগুলো বারবার করে তাওহীদ শিক্ষা দিন:

⭕ ১) প্রশ্ন: আল্লাহ কোথায়?
✅ উত্তর: আসমানে (আরশের উপর)।

⭕ ২) প্রশ্ন: আল্লাহ আরশের উপর—এর কুরআনের দলিল কী?
✅ উত্তর: “আর-রহমান আলাল আরশিস্তাওয়া।”

⭕ ৩) প্রশ্ন: “ইস্তিওয়া” অর্থ কী?
✅ উত্তর: তিনি উপরে উঠেছেন (বাস্তব অর্থে, রূপক নয়)।

⭕ ৪) প্রশ্ন: আমরা আমাদের আকীদা কোথা থেকে গ্রহণ করি?
✅ উত্তর: কুরআন, সুন্নাহ ও আসার (সাহাবীদের বর্ণনা) থেকে।

⭕ ৫) প্রশ্ন: আল্লাহ জিন ও মানুষকে কেন সৃষ্টি করেছেন?
✅ উত্তর: শুধু তাঁরই ইবাদতের জন্য, তাঁর কোনো শরীক নেই।
⭕ ৬) প্রশ্ন: এ বিষয়ে কুরআনের দলিল কী?
✅ উত্তর: আল্লাহ বলেন, “আমি জিন ও মানুষকে শুধু আমার ইবাদতের জন্যই সৃষ্টি করেছি।”
⭕ ৭) প্রশ্ন: “ইবাদত করে” অর্থ কী?
✅ উত্তর: তারা তাওহীদ মানে ও আনুগত্য করে।
⭕ ৮) প্রশ্ন: “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ” অর্থ কী?
✅ উত্তর: আল্লাহ ছাড়া সত্য কোনো উপাস্য নেই।
⭕ ৯) প্রশ্ন: সবচেয়ে বড় ইবাদত কী?
✅ উত্তর: তাওহীদ।
⭕ ১০) প্রশ্ন: সবচেয়ে বড় গুনাহ কী?
✅ উত্তর: শির্ক।
⭕ ১১) প্রশ্ন: তাওহীদ কী?
✅ উত্তর: ইবাদতের ক্ষেত্রে আল্লাহকে একক করা।
⭕ ১২) প্রশ্ন: শিরক কী?
✅ উত্তর: আল্লাহর সাথে অন্যের ইবাদত করা।
⭕ ১৩) প্রশ্ন: তাওহীদের কয়টি অংশ?
✅ উত্তর: তিনটি।
⭕ ১৪) প্রশ্ন: তাওহীদের অংশগুলো কী?
✅ উত্তর: তাওহীদুর রুবুবিয়্যাহ, তাওহীদুল উলুহিয়্যাহ, তাওহীদুল আসমা ওয়াস সিফাত।
⭕ ১৫) প্রশ্ন: তাওহীদুর রুবুবিয়্যাহ কী?
✅ উত্তর: আল্লাহর কাজসমূহে তাঁকে একক করা; যেমন সৃষ্টি, মালিকানা ও পরিচালনা।
⭕ ১৬) প্রশ্ন: তাওহীদুল উলুহিয়্যাহ কী?
✅ উত্তর: বান্দাদের কাজসমূহে আল্লাহকে একক করা; যেমন দুআ, যবেহ, সিজদাহ ইত্যাদি।
⭕ ১৭) প্রশ্ন: আল্লাহর কি নাম ও গুণাবলি আছে?
✅ উত্তর: হ্যাঁ, তিনি নিজের জন্য যা সাব্যস্ত করেছেন এবং নবী ﷺ যা সাব্যস্ত করেছেন।
⭕ ১৮) প্রশ্ন: আল্লাহর নাম ও গুণাবলি কোথা থেকে গ্রহণ করি?
✅ উত্তর: কুরআন ও সুন্নাহ থেকে।
⭕ ১৯) প্রশ্ন: আল্লাহর গুণাবলি কি সৃষ্টির গুণাবলির মতো?
✅ উত্তর: না, তাঁর গুণাবলি সৃষ্টির গুণাবলির মতো নয়; যদিও কখনো কখনো নামের মিল থাকতে পারে।
⭕ ২০) প্রশ্ন: এর কুরআনের দলিল কী?
✅ উত্তর: আল্লাহর বাণী: “তাঁর মতো কিছুই নেই, তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বদ্রষ্টা।”
⭕ ২১) প্রশ্ন: কুরআন কী?
✅ উত্তর: কুরআন হলো আল্লাহর কালাম।
⭕ ২২) প্রশ্ন: কুরআন অবতীর্ণ না সৃষ্টি?
✅ উত্তর: অবতীর্ণ; এটি আল্লাহর কালাম, বাস্তব অর্থে (অক্ষর ও শব্দসহ)।
⭕ ২৩) প্রশ্ন: পুনরুত্থান (বাআছ) কী?
✅ উত্তর: মৃত্যুর পর মানুষকে পুনরুজ্জীবিত করা।
⭕ ২৪) প্রশ্ন: পুনরুত্থান অস্বীকারকারীর কুফরের দলিল কী?
✅ উত্তর: আল্লাহর বাণী: “কাফিররা ধারণা করে যে তারা কখনো পুনরুত্থিত হবে না।”
⭕ ২৫) প্রশ্ন: আল্লাহ আমাদের পুনরুত্থিত করবেন—এর দলিল কী?
✅ উত্তর: আল্লাহর বাণী: “বলুন, অবশ্যই! আমার রবের কসম, তোমরা অবশ্যই পুনরুত্থিত হবে।”
⭕ ২৬) প্রশ্ন: “ইসলাম” শব্দের অর্থ কী?
✅ উত্তর: তাওহীদের মাধ্যমে আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণ করা, তাঁর আনুগত্য করা এবং শিরক ও শিরকের অনুসারীদের থেকে সম্পর্কচ্ছেদ করা।

প্রফেসর ড. আবু বকর মুহাম্মাদ জাকারিয়া

প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে কিছু নির্দিষ্ট আমল করা রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নাহ এবং অত্যন্ত সওয়াবের কাজ। এই আমলগুলো করলে ই...
22/01/2026

প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে কিছু নির্দিষ্ট আমল করা রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নাহ এবং অত্যন্ত সওয়াবের কাজ। এই আমলগুলো করলে ইনশাআল্লাহ ঘুমের মধ্যে আল্লাহর নিরাপত্তা পাওয়া যায় এবং আখেরাতের পাথেয় অর্জিত হয়।

​নিচে কোরআন ও হাদিসের আলোকে ৬টি গুরুত্বপূর্ণ আমল তুলে ধরা হলো:

​১. অজু করে ঘুমানো

​ঘুমানোর আগে অজু করা সুন্নাহ। যদি কেউ অজু অবস্থায় ঘুমান, তবে একজন ফেরেশতা তার জন্য দোয়া করতে থাকেন।

​হাদিস: রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "যে ব্যক্তি পবিত্র (অজু) অবস্থায় রাত কাটায়, তার মাথার কাছে একজন ফেরেশতা রাত যাপন করেন। যখনই সে ব্যক্তি নড়াচড়া করে বা ঘুম থেকে জাগে, তখনই ফেরেশতা বলেন— 'হে আল্লাহ! আপনার এই বান্দাকে ক্ষমা করে দিন, কারণ সে পবিত্র অবস্থায় ঘুমিয়েছে'।" (সহিহ ইবনে হিব্বান)

​২. বিছানা ঝেড়ে নেওয়া

​বিছানায় কোনো পোকা-মাকড় বা ময়লা আছে কি না তা নিশ্চিত করতে বিছানা ঝেড়ে নেওয়া উচিত।

​হাদিস: রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "তোমাদের কেউ যখন বিছানায় ঘুমানোর জন্য যায়, সে যেন তার লুঙ্গির আঁচল দিয়ে বিছানাটা ঝেড়ে নেয়। কারণ সে জানে না যে তার অনুপস্থিতিতে বিছানায় কী এসেছে।" (সহিহ বুখারি)

​৩. সুরা ইখলাস, ফালাক ও নাস পড়ে ফুঁ দেওয়া

​এটি জাদুটোনা, কুদৃষ্টি এবং শয়তানের অনিষ্ট থেকে বাঁচার শ্রেষ্ঠ উপায়।

​আমল: দুই হাতের তালু একত্রে করে তাতে সুরা ইখলাস, সুরা ফালাক ও সুরা নাস পড়ে ফুঁ দেবেন। এরপর দুই হাত দিয়ে শরীরের যতটুকু অংশ সম্ভব (মাথা ও মুখমণ্ডল থেকে শুরু করে) মুছে নেবেন। এটি তিনবার করবেন।

​হাদিস: আম্মাজান আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) প্রতি রাতে ঘুমানোর আগে এই আমলটি করতেন। (সহিহ বুখারি)

​৪. আয়াতুল কুরসি তিলাওয়াত করা

​রাতে আয়াতুল কুরসি পড়লে আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে একজন পাহারাদার নিযুক্ত করা হয় এবং শয়তান কাছে আসতে পারে না।
​আয়াত: اللَّهُ لَا إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ الْحَيُّ الْقَيُّومُ... (সুরা বাকারা: ২৫৫)

​হাদিস: রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "যখন তুমি বিছানায় যাবে তখন আয়াতুল কুরসি পড়বে। তাহলে আল্লাহর পক্ষ থেকে তোমার জন্য একজন রক্ষক থাকবে এবং সকাল হওয়া পর্যন্ত শয়তান তোমার কাছে আসতে পারবে না।" (সহিহ বুখারি)

​৫. তাসবিহ পাঠ করা (তাসবিহে ফাতেমি)

​সারাদিনের ক্লান্তি দূর করতে এবং বরকত লাভ করতে এই তাসবিহ অত্যন্ত কার্যকর।

​আমল:
​সুবহানাল্লাহ (৩৩ বার)
​আলহামদুলিল্লাহ (৩৩ বার)
​আল্লাহু আকবার (৩৪ বার)

​হাদিস: রাসূলুল্লাহ (সা.) হযরত আলী (রা.) ও ফাতেমা (রা.)-কে এই আমলটি শিখিয়েছিলেন এবং বলেছিলেন এটি একটি সেবকের (কাজের লোক) চেয়েও উত্তম। (সহিহ মুসলিম)

​৬. ঘুমানোর দোয়া পড়া

​সর্বশেষ আল্লাহর নাম নিয়ে ঘুমানো।

​দোয়া: بِاسْمِكَ رَبِّي وَضَعْتُ جَنْبِي، وَبِكَ أَرْفَعُهُ (বিসমিকা রব্বি ওয়াদাতু জাম্বি, ওয়া বিকা আরফাউহু)।

​অর্থ: "হে আমার রব! আপনার নামেই আমি আমার পার্শ্বদেশ বিছানায় রাখলাম এবং আপনার সাহায্যেই আমি আবার উঠব।"

​অন্য একটি সহজ দোয়া: اللَّهُمَّ بِاسْمِكَ أَمُوتُ وَأَحْيَا (আল্লাহুম্মা বিসমিকা আমুতু ওয়া আহইয়া)। অর্থ: "হে আল্লাহ! আপনার নামেই আমি মৃত্যুবরণ করছি (ঘুমাচ্ছি) এবং আপনার নামেই জীবিত (জাগ্রত) হব।" (সহিহ বুখারি)

​৭. সুরা মুলক তিলাওয়াত করা

​রাসূলুল্লাহ (সা.) সুরা মুলক তিলাওয়াত না করে রাতে ঘুমাতে যেতেন না। এটি কবরের আজাব থেকে সুরক্ষা দান করে।

​হাদিস: রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "কোরআনে এমন একটি সুরা আছে যার মধ্যে ৩০টি আয়াত রয়েছে, যা পাঠকারীর জন্য সুপারিশ করবে যতক্ষণ না তাকে ক্ষমা করা হয়। আর সেটি হলো— তাবারকাল্লাযি বিয়াদিহিল মুলক (সুরা মুলক)।" (সুনানে তিরমিজি)

​৮. সুরা বাকারার শেষ দুই আয়াত (আমানার রাসূলু...) পাঠ করা

​রাতে এই দুটি আয়াত পড়লে তা ওই ব্যক্তির (বিপদ-আপদ ও শয়তান থেকে রক্ষার জন্য) যথেষ্ট হয়ে যায়।

​আয়াত: সুরা বাকারার ২৮৫ ও ২৮৬ নম্বর আয়াত।

​হাদিস: রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "যে ব্যক্তি রাতে সুরা বাকারার শেষ দুই আয়াত পাঠ করবে, তা তার জন্য যথেষ্ট হবে।" (সহিহ বুখারি)

​৯. সুরা কাফিরুন পাঠ করা

​এই সুরাটি পাঠ করা শিরক থেকে মুক্তির ঘোষণা।

​হাদিস: রাসূলুল্লাহ (সা.) নফাল আল-আশজায়ি (রা.)-কে বলেছিলেন, "তুমি ঘুমানোর আগে 'কুল ইয়া আইয়্যুহাল কাফিরুন' পড়ো, কারণ এটি শিরক থেকে মুক্তির সনদ।" (সুনানে আবু দাউদ)

​১০. তওবা ও ইস্তেগফার করা

​সারাদিন আমাদের অজান্তেই অনেক গুনাহ হয়ে যায়। ঘুমের আগে তওবা করলে আল্লাহ তায়ালা সব গুনাহ ক্ষমা করে দেন।

​হাদিস: রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "যে ব্যক্তি বিছানায় যাওয়ার সময় তিনবার এই দোয়াটি পড়বে— 'আস্তাগফিরুল্লাহাল লাজি লা ইলাহা ইল্লা হুয়াল হাইয়ুল কাইয়ুমু ওয়া আতুবু ইলাইহি', আল্লাহ তার গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেবেন, যদিও তা সমুদ্রের ফেনার মতো বিশাল হয়।" (সুনানে তিরমিজি)

​১১. ঘুমানোর সুন্নাহ পদ্ধতি অনুসরণ করা

​রাসূলুল্লাহ (সা.) যেভাবে ঘুমানোর পরামর্শ দিয়েছেন:
​ডান কাতে ঘুমানো: রাসূলুল্লাহ (সা.) ডান কাতে হয়ে ডান হাত গালের নিচে রেখে ঘুমাতেন।

​নিয়ত করা: এই নিয়তে ঘুমানো যে, আমি বিশ্রাম নিয়ে আবার তাহাজ্জুদ বা ফজরের সালাতের জন্য জাগ্রত হব। এতে আপনার ঘুমের সময়টুকুও ইবাদত হিসেবে গণ্য হবে।

​১২. মানুষের প্রতি ক্ষমা ও অন্তর পরিষ্কার করা

​ঘুমানোর আগে কারো প্রতি হিংসা বা বিদ্বেষ না রেখে সবাইকে ক্ষমা করে দিয়ে ঘুমানো একটি বিশেষ আমল।

​শিক্ষা: সালফে সালেহীনগণ ঘুমানোর আগে বলতেন, "হে আল্লাহ! যারা আমার ওপর জুলুম করেছে বা আমার হক নষ্ট করেছে, আমি আপনার সন্তুষ্টির জন্য তাদের সবাইকে ক্ষমা করে দিলাম।" এর ফলে অন্তরে এক অদ্ভুত প্রশান্তি আসে।

#হাদিস #حديث

১. ঈমান ও তাকওয়া।২. কুরআন কারীমকে ধারণ করা।৩. বিশেষ করে সূরাতুল বাকারা পাঠ।৪. বেশি বেশি দান সদাকা করা।৫. প্রত্যেক নিয়ামত...
21/01/2026

১. ঈমান ও তাকওয়া।

২. কুরআন কারীমকে ধারণ করা।

৩. বিশেষ করে সূরাতুল বাকারা পাঠ।

৪. বেশি বেশি দান সদাকা করা।

৫. প্রত্যেক নিয়ামতের ব্যাপারে আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞ হওয়া।

৬. রক্ত সম্পর্কের আত্মীয়ের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখা।

৭. প্রত্যেক কাজ বিসমিল্লাহ বলে শুরু করা, বিশেষ করে
খাবারের সময়।

৮. ঘরে প্রবেশের সময় সালাম দিয়ে প্রবেশ করা।

৯. ক্রয় বিক্রয় করার সময় সত্য কথা বলা।

১০. বেশি বেশি ইস্তিগফার করা।

১১. যে কোন কাজ ইস্তিখারা করে করা।

১২. অধীনস্থদের নামাজের আদেশ করা।

১৩. সকালের সময়ের মধ্যে বরকত। রসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই সময় বরকতের দুয়া করেছেন। এই সময় কাজ করার চেষ্টা করা।

১৪. অন্যের জন্য বরকতের দুয়া করা।

১৫. বরকত হাসিলের ঋণ পরিশোধ এর দুয়া বেশি বেশি পাঠ করা ( আল্লাহুম্মাকফিনি....)।

১৬. যাদের সামর্থ্য আছে বারবার হজ্জ ও উমরাহ করা।

১৭. অন্যকে সাধ্যমতো সহযোগিতা করা।

১৮. ইবাদতের জন্য সময় ব্যয় করা।

১৯. বিয়ে করা।

২০. ত্বলিবুল ইলম কে সাহায্য করা।

—Abdullah Al Monsur হাফিযাহুল্লাহ

#হাদিস #حديث

আপনি আশা করেন একজন উমরের, একজন সালাহুদ্দিন আইয়ুবীর মত কোনো বীরের। অথচ নিজের বাচ্চাদেরকে বিড়াল, ভুত-পেত্নী, কোনো কিছুর ছা...
26/11/2025

আপনি আশা করেন একজন উমরের, একজন সালাহুদ্দিন আইয়ুবীর মত কোনো বীরের। অথচ নিজের বাচ্চাদেরকে বিড়াল, ভুত-পেত্নী, কোনো কিছুর ছায়া বা পুলিশের ভয় দেখিয়ে তাদের থামিয়ে রাখেন। বীর পুরুষ তো আমাদের সন্তানরাই হবে! নাকি কোথাও থেকে টুপ করে পড়বে এই জমিনে?

শিশুমনে কখনই এসবের ভয় ঢুকিয়ে দিতে নেই। এসব খুবই তুচ্ছ। অথচ এই তুচ্ছ তুচ্ছ বিষয়গুলো নিয়ে বাচ্চারা বড় হতে থাকে। হয়ত এক সময় ভুলে যায়, কিন্তু মনে রাখবেন, মজবুত কিছু পেতে চাইলে তার শেকড়ের দিকে সবার আগে নজর দিতে হবে।

সহজ কিছু আয়াত আর হাদিস দেই। এগুলো মুখস্ত করে নেবেন। তাহলে যখনতখন বাচ্চাদের বলতে পারবেন। তাদেরকে আল্লাহর আজাবের ভয়ে চিন্তা ফিকিরে ফেলতে পারবেন। তারা শয়তানের বিরুদ্ধে ছোটোবেলা থেকেই মুকাবেলা করা শিখবে। কোনো একটা ভুল কাজ থেকে যেন সে কোনো মানুষ বা পুলিশের ভয়ে না ফেরে। বরং আল্লাহর ভয়ে নিজেকে ফিরিয়ে নেয়।

আয়াত-

إِنَّ ٱللَّهَ عَلِيمٌۢ بِذَاتِ ٱلصُّدُورِ
অর্থ: নিশ্চয়ই আল্লাহ অন্তরের সব কথা জানেন।

وَهُوَ مَعَكُمْ أَيْنَ مَا كُنتُمْۚ
অর্থ: তোমরা যেখানেই থাক না কেন তিনি তোমাদের সঙ্গে আছেন।

وَٱللَّهُ بِمَا تَعْمَلُونَ بَصِيرٌ
অর্থ: তোমরা যা কিছু কর আল্লাহ তা দেখেন।

اَلَمۡ یَعۡلَمۡ بِاَنَّ اللّٰہَ یَرٰی
অর্থ: সে কি জানে না যে, নিশ্চয় আল্লাহ্ দেখেন।

وَمَن يَعْمَلْ مِثْقَالَ ذَرَّةٍ شَرًّا يَرَهُۥ
অর্থ: এবং কেউ সামান্য পরিমাণ অসৎ কাজ করলে (কেয়ামতের দিন সে নিজে)তাও দেখতে পাবে।

হাদিস-

إِتَّقِ اللَّهَ حَيْثُمَا كُنْت

অর্থ- তুমি যেখানে যে অবস্থায় থাক না কেনো আল্লাহকে ভয় কর!

যদি মনে করেন বাচ্চা এখনো ছোটো এসব বুঝবেনা, তবে এটাও শয়তানের একটা ধোঁকা। বাচ্চা যদি সামান্য আওয়াজে ঘাবড়ে যায়, বা মিয়াউ মিয়াউ, পুলিশের ভয়ে জলদি লোকমাটা মুখে নেয়, কিংবা ঘুমের ভান ধরে তবে লা শাক্কা “আল্লাহ কিন্তু সব দেখছেন, তোমার ভুল কাজে উনি নারাজ হবেন” এমন কথাও বাচ্চা বুঝবে।

বাচ্চাদের নিয়ে বসে এই আয়াতগুলোর তাফসির আলোচনা করুন বিশেষ করে টিনেজ বাচ্চাদের সাথে। তাদের অন্তরে খোদাই করে দেন কথাগুলো। যে,

- তুমি কখন কী করো, কী ভাবো সবই কিন্তু আল্লাহ দেখছেন, একদিন সমস্ত গুনাহের কাজের জবাব দিতে হবে।
- কোনো একটা কাজ করার আগে, বা শুরু করে দিলেও মাঝপথে ভাবো কাজটা কি আল্লাহর নারাজ হওয়ার মত?
- কোনো গুনাহের চিন্তা মাথায় আসলে একবার মনে করে নেবে, কিয়ামতের দিন সবার সামনে কিন্তু তোমার হিসাব কষা হবে, আর সেদিন তোমার জবান বন্ধ থাকবে, কোনো অজুহাত শোনা হবে না। পারবা সবার সামনে নিজের বেইজ্জতি দেখতে?
- শয়তানকে খুশি করিও না। আল্লাহকে খুশি করাও
- আমাকে তুমি ফাঁকি দিয়ে অনেক কিছুই করতে পারবে। কিন্তু মনে রাখবে এতে তোমার নিজেরই ক্ষতি করছ। আল্লাহ কিন্তু সব জানেন। উনার থেকে কোনো কিছুই তুমি গোপন রাখতে পারবে না।

কথাগুলো বলার সময় কখনো বাচ্চাদের কাঁধে বা পিঠে হাত রেখে বলেন, কখনো তাদের হাত ধরে বলেন, কখনো তাদের এক কাঁধে মাথা রেখে অন্য কাঁধে হাত রেখে বলেন, কখনো এক আঙুল তাদের বুকে ঠেকিয়ে বলেন- ইত্তাকিল্লাহ। ইত্তাকিল্লাহ। ইত্তাকিল্লাহ।

হাত, পিঠ, কাঁধ এইসব স্পর্শ করে নাসিহা করার মর্মই আলাদা। এইভাবে করা নাসিহাগুলো দিলে ছাপ ফেলে। আল্লাহর ভয়ে লোম শিহরিত হয়। ছোটো বাচ্চাদের কোলে নিয়ে আদর করতে করতে বলুন, সুন্দর করে বলুন- আমার বাচ্চাটা কখন কী করে সব কিন্তু আল্লাহ দেখেন, আমার বাচ্চাটা কিন্তু শয়তানকে খুশি করবে না, ও আল্লাহকে খুশি করবে। আমার বাচ্চাটা খুব ভাল আর ও সব বুঝে আমি জানি!

প্লে উইথ দেয়ার মাইন্ড! শিশুমনকে বোঝান আপনি তাকে প্রচুর বিশ্বাস করেন, এবং তার উপর আপনার অগাধ আস্থা। বাচ্চারা গুনাহ, সোওয়াব, আজাব এসব না বুঝলেও মা-বাবা কষ্ট পাবেন, তাদের বিশ্বাস ভেংগে যাবে, তাদের চোখে হিরো থেকে জিরো হতে হবে এসব খুব ভাল বোঝে। তাই তাদের প্রতি আনলিমিটেড ভালবাসা, সম্মান, গুরুত্ব, আস্থা, বিশ্বাস এসব প্রকাশ করে তাদের নিজেদেরকেই গুনাহের বিরুদ্ধে, শয়তানের বিরুদ্ধে জিততে দিন।
সংগৃহিত
পরিমার্জন ও সংযোজন আইন উদ্দিন আইনী

সৌদি আরবের গ্র্যান্ড মুফতি ড. আবদুল আজিজ বিন আবদুল্লাহ আলে-শায়খ ইন্তেকাল করেছেন।আল্লাহ তার সকল খেদমত কবুল করুন, তার বিচ্...
23/09/2025

সৌদি আরবের গ্র্যান্ড মুফতি ড. আবদুল আজিজ বিন আবদুল্লাহ আলে-শায়খ ইন্তেকাল করেছেন।

আল্লাহ তার সকল খেদমত কবুল করুন, তার বিচ্যুতি মার্জনা করুন এবং তাকে জান্নাতুল ফিরদাউসে উচ্চ মাকাম দান করুন।

12/04/2025

◾তা//গু//ত জা-য়ো+(নি-স্ট) দের বিরুদ্ধে দোয়া।

🎙️শাইখ আব্দুর রহমান আস-সুদাইস হাফিয্বাহুল্লাহ্

20/03/2025

যাকাত বিষয়ে আপনার প্রশ্নের উত্তর জানতে এবং যাকাত হিসাব সহায়তা পেতে কল করুন : ০১৭৪২৩৪৪১০৭

আমাদের মাধ্যমে আপনি আপনার যাকাত প্রকৃত হক্বদারদের কাছে পৌঁছাতে পারেন৷ যাকাতের যে খাতগুলো আছে, প্রতিটি ক্ষেত্রেই আমরা যাক...
14/03/2025

আমাদের মাধ্যমে আপনি আপনার যাকাত প্রকৃত হক্বদারদের কাছে পৌঁছাতে পারেন৷

যাকাতের যে খাতগুলো আছে, প্রতিটি ক্ষেত্রেই আমরা যাকাতের অর্থ ব্যয় করে থাকি৷ বিশেষত ত্বালিবুল ইলমদের পড়ালেখা, দরিদ্রদের চিকিৎসা, অসহায় কোনো ব্যক্তিকে সাবলম্বী করা, ঋণগ্রস্ত ব্যক্তিকে ও ইসলাম প্রচারে সহায়তা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

১. ত্বালিবুল ইলমের জন্য যাকাতের অর্থ ব্যয়:
যাকাতের ওসীলায় এ দেশে লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থী দ্বীনি ইলম অর্জন করছে৷ ত্বালিবুল ইলমের জন্য যাকাত দিলে শুধু যাকাত আদায় হয় না, তা সাদকায়ে জারিয়া হয়ে যায়, দ্বীন প্রসারে পৃষ্ঠপোষকতাও হয়। এতে একজন শিক্ষার্থী আপনার অর্থে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর সক্ষমতা অর্জন করে৷

২. দরিদ্রদের চিকিৎসায় সহযোগিতা:
মানুষের সবচেয়ে বড় সম্পদ সুস্থতা৷ সুস্থতার প্রত্যাশায় এবং অসুস্থের চিকিৎসায় মানুষ সর্বস্ব বিলিয়ে দিতেও দ্বিধা করে না। অথচ সর্বস্ব বেচেও অনেকে চিকিৎসা করতে পারেন না। আমরা তাদের পাশে এগিয়ে আসি।

৩. সাবলম্বী করা:
অনেকে আছেন, কাজের দক্ষতা আছে৷ সামান্য পুঁজি হলেই সাবলম্বী হয়ে যেতে পারেন। আবার অনেকে আছেন, যাদেরকে বিশেষ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মক্ষম করা সম্ভব। এ সমস্ত মানুষদেরকে আমরা যাকাতের অর্থ থেকে সহায়তা করে থাকি৷

৪. অসহায় বিধবা ও বৃদ্ধদেরকে সহায়তা:
যাকাত প্রদানের ক্ষেত্রে আমরা বিধবা ও বৃদ্ধদেরকে প্রাধান্য দিয়ে থাকি৷ কাউকে ইনকামের ব্যবস্থা করে দিই আমরা। আর যারা কর্ম করতে অক্ষম তাদের জীবিকার ব্যবস্থা করে দিই৷

এ ছাড়াও শারয়ীভাবে যাকাতের একান্ত হক্বদারদেরকে আমরা গুরুত্ব দিয়ে থাকি। আমাদের অধীনে পরিচালিত বিভিন্ন যাকাতের খাতের অন্তর্ভুক্ত কার্যক্রম সমূহে যাকাতের অর্থ ব্যয় করে থাকি।

যাকাত প্রেরণের মাধ্যম:
বিকাশ - 01742344107 ( পার্সোনাল )

যাকাত সংক্রান্ত জিজ্ঞাসায়: 01703224048

আপনার উপর যাকাত ফরজ হয়েছে বুঝবেন কি ভাবে ? একজন ব্যক্তির নিত্যপ্রয়োজনীয় মৌলিকচাহিদা মেটানোর পর এক চন্দ্র বছরের জন্য কম...
13/03/2025

আপনার উপর যাকাত ফরজ হয়েছে বুঝবেন কি ভাবে ?

একজন ব্যক্তির নিত্যপ্রয়োজনীয় মৌলিকচাহিদা মেটানোর পর এক চন্দ্র বছরের জন্য কমপক্ষে ৮৫ গ্রাম সোনা বা ৫৯৫ গ্রাম রূপা অথবা এর কোনো একটির সমমূল্যের নগদ অর্থ কিংবা অন্যান্য সম্পদ কোনো ব্যক্তির মালিকানায় থাকলে প্রতি যাকাত অর্থবছরে সংশ্লিষ্ট সম্পদ থেকে ২.৫% হারে যাকাত আদায় করা তাঁর উপর ফরজ।

যাকাত প্রযোজ্য হয় এমন সম্পদ সমূহ হলোঃ

নগদ টাকা, সোনা, রূপা, সব ধরনের বাণিজ্যিক পণ্য, গবাদি পশু ও নির্দিষ্ট কৃষিপণ্য।
কোনো ব্যক্তির ওপর ইবাদাত ফরয হওয়ার জন্য কিছু শর্ত থাকে। যাকাত ফরয হওয়ার জন্যও কিছু শর্ত আছে। এগুলোর মধ্যে কিছু শর্ত ব্যক্তির সাথে সম্পর্কিত; আবার যাকাত আর্থিক ইবাদাত হওয়ায় সম্পদের সাথে সম্পর্কিত কিছু শর্তও আছে। নিন্মে উভয় প্রকারের শর্তগুলো উল্লেখ করা হলোঃ
(ক) ব্যক্তির ক্ষেত্রে শর্ত
(১) মুসলিম হওয়াঃ যাকাত ফরয হওয়ার জন্য প্রথম শর্ত হলো মুসলিম হওয়া।
(২) বালিগ বা প্রাপ্তবয়স্ক হওয়াঃ শাফি‘ঈ, মালিকী ও হাম্বলী মাযহাব মতে, সম্পদশালী শিশুর ওপর যাকাত ফরয হবে। তার সম্পদ হতে তার
ওয়ালী বা দায়িত্বপ্রাপ্ত অভিভাবক যাকাত আদায় করবেন। হানাফী মাযহাব মতে, যাকাত ফরয হওয়ার জন্য বালিগ বা প্রাপ্তবয়স্ক হওয়া শর্ত। অতএব, প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পূর্বে শিশুর সম্পদে যাকাত নেই। তবে শিশুর মালিকানাধীন জমিতে উৎপন্ন ফসলে উশর ফরয হবে (ইসলামী ফিকহ বিশ্বকোষ: মাওসূ‘আতুল ফিক্ইয়াহ ২৩:২৩২)।
(৩) বিবেক-বুদ্ধিসম্পন্ন হওয়াঃ হানাফী মাযহাব মতে, যাকাত ফরয হওয়ার জন্য বুদ্ধিসম্পন্ন হওয়ার শর্ত রয়েছে। তাই পাগলের ওপর যাকাত ফরয নয়। যুক্তি হিসেবে তাঁরা তিন প্রকারের ব্যক্তির ওপর হতে তাখলীফের কলম তুলে নেয়ার হাদীসটি উল্লেখ করেন। অন্যান্য মাযহাব মতে, পাগলের ওপর যাকাত ফরয হবে, তার পক্ষ হতে দায়িত্বপ্রাপ্ত অভিভাবক যাকাত আদায় করবেন।
(৪) স্বাধীন ব্যক্তি হওয়াঃ যাকাত ফরয হওয়ার জন্য সম্পদের মালিকের স্বাধীন হওয়া অন্যতম শর্ত।
(৫) নিসাব পরিমাণ সম্পদ থাকাঃ যাকাত ফরয হওয়ার অন্যতম শর্ত হলো নিসাব পরিমাণ সম্পদ থাকা। শরী‘আহ কর্তৃক নির্ধারিত একটি নির্দিষ্ট
পরিমাণ সম্পদকে নিসাব বলে, যে পরিমাণ সম্পদ থাকলে যাকাত ফরয হয়।
(৬) সম্পদের ওপর পূর্ণ মালিকানাঃ যাকাত ফরয হওয়ার জন্য সম্পদের ওপর মালিকানা ও পূর্ণাঙ্গ দখল থাকতে হবে এবং সম্পদ ব্যবহারের ক্ষমতার অধিকারী হতে হবে, অন্যথায় যাকাত ফরয হবে না।
(৭) যৌথ মালিকানাভুক্ত সম্পত্তির যাকাতঃ কোনো সম্পদের দুই বা ততোধিক মালিক থাকলে প্রত্যেকে নিজ নিজ অংশের যাকাত দেবেন।
(৮) হারাম সম্পদের যাকাতঃ হারাম সম্পদ বলতে বুঝায় অবৈধ উপায়ে অর্জিত সম্পদ। চুরি, ডাকাতি, সুদ, ঘুষ, ছিনতাই, রাহাজানি, অবৈধ ব্যবসা ইত্যাদি নানাবিধ অবৈধ উপায়ে অর্জিত সম্পদ হারাম সম্পদ বা অবৈধ সম্পদ বলে গণ্য। হারাম পন্থায় উপার্জনকারী ব্যক্তি ঐ সম্পদের
মালিক নয়। অতএব, তা খরচের অধিকারও তার নেই। যাকাত প্রদানও এক ধরনের খরচ। তাই ফকীহগণ বলেন, হারাম সম্পদ হতে যাকাত দেয়া যাবে না। অবৈধ পন্থায় উপার্জিত সমুদয় সম্পদ প্রকৃত মালিককে ফেরত দিতে হবে। যদি প্রকৃত মালিক চিহ্নিত করা সম্ভব না হয় তাহলে সাওয়াবের নিয়াত ব্যতিরেকে পুরো সম্পদ গরিবমিসকীনকে দিয়ে দিতে হবে।

(খ) ধন-সম্পদের ক্ষেত্রে শর্ত
(১) সম্পদ বর্ধনযোগ্য হওয়াঃ যাকাত ফরয হওয়ার জন্য সম্পদ বর্ধনযোগ্য হওয়া বা বর্ধনক্ষম হওয়া শর্ত। এটি বাস্তবেও হতে পারে, আবার ধারণাগতভাবেও হতে পারে। কিছু সম্পদে বর্ধনশীলতার বিষয়টি দৃশ্যমান; যেমন, প্রজননের মাধ্যমে চতুষ্পদ জন্তু বৃদ্ধি পায়। উৎপাদিত ফসল তো বর্ধন ছাড়া আর কিছুই নয়। ব্যবসা ও বিনিয়োগের মাধ্যমে নগদ অর্থ বেড়ে যায়। স্বর্ণ-রৌপ্য বাহ্যিকভাবে না বাড়লেও মূল্যবৃদ্ধির মাধ্যমে এগুলো বর্ধনশীলতা প্রকাশ পায় (মাওসূ‘আ, ২৩: ২৪১; কারযাভী)।
(২) সম্পদ এক বছর অধিকারে থাকাঃ যাকাত ফরয হওয়ার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হলো, মালিকের অধিকারে সম্পদ এক চান্দ্রবছর থাকা।
(৩) সম্পদ মৌলিক প্রয়োজনের অতিরিক্ত হওয়াঃ হানাফী মাযহাবের আলিমগণ যাকাত ফরয হওয়ার জন্য অতিরিক্ত একটি শর্তারোপ করেন, সেটি হলো যাকাতযোগ্য সম্পদ মৌলিক প্রয়োজনের অতিরিক্ত হওয়া। তাই নিত্যপ্রয়োজনীয় সম্পদের ওপর যাকাত ফরয হয় না।
(৪) ঋণমুক্ত হওয়াঃ যাকাত ফরয হওয়ার জন্য সম্পদ ঋণমুক্ত হওয়া শর্ত। ঋণের পরিমাণ বাদ দিয়ে কারো যদি নিসাব পরিমাণ সম্পদ না থাকে তাহলে তার ওপর যাকাত ফরয হবে না।

(গ) যাকাত ফরয হওয়ার শর্তের সাথে সম্পর্কিত আরো কিছু বিষয়
(১) মৃত ব্যক্তির যাকাতঃ বিষয়টি মালিকানার শর্তের সাথে সম্পর্কিত। কোনো ব্যক্তির ওপর যাকাত ফরয হয়েছে, কিন্তু তিনি তা আদায় না করে মৃত্যুবরণ করেছেন; তাহলে তার রেখে যাওয়া সম্পদ হতে ওয়ারিশগণ বা সম্পদের তত্বাবধায়ক যাকাত আদায় করবে।
(২) বিদেশে রক্ষিত সম্পদের যাকাতঃ কারো সম্পদ যদি বিদেশের ব্যাংকে থাকে কিংবা কেউ যদি বিদেশে ব্যবসা করেন এবং ঐ সম্পদের ওপর যাকাত ফরয হয়, তাহলে তাকে যাকাত আদায় করতে হবে।
(৩) কয়েদি বা সাজাপ্রাপ্ত আসামীর যাকাতঃ কারাদন্ড বা বন্দিদশা যাকাত রহিত করে না। কারাবন্দী সে হাজতি হোক বা সাজাপ্রাপ্ত হোক নিসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হলে তাকে যাকাত দিতে হবে।
(৪) মুসাফিরের যাকাতঃ সফরের কারণেও যাকাতের বিধান রহিত হয় না। মুসাফির ব্যক্তি যদি নিজ দেশে নিসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হন
তাহলে ঐ সম্পদের যাকাত দিতে হবে। ঐ ব্যক্তির দেশে প্রত্যাবর্তনের জন্য অপেক্ষা না করে তার পক্ষ থেকে তার আত্মীয় স্বজন বা সম্পদ-তত্বাবধায়ক যাকাত আদায় করবেন।

যাকাত সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে বাংলাদেশ যাকাত ফাউন্ডেশনে কল করতে পারেন ০১৭৪২৩৪৪১০৭ নম্বরে এর মাধ্যমে আপনার যাকাত, সদাকাহ, অনুদান প্রদান করতে পারেন।
বিকাশ বিকাশ, নগদ, রকেট, উপায় এর মোবাইল একাউন্ট: ০১৭৪২৩৪৪১০৭ (পার্সোনাল)

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bangladesh Zakat Foundation বাংলাদেশ যাকাত ফাউন্ডেশন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share