Bangladesh Food Security Network - KHANI

Bangladesh Food Security Network - KHANI Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Bangladesh Food Security Network - KHANI, Non-Governmental Organization (NGO), House 2, Road A/1, Block B, Nobodoy Housing Ltd, Mohammadpur, Dhaka.

KHANI Bangladesh is a national network composed of a group of non-governmental organizations and activists advocating to ensure the right to food and nutrition for all.

অতিবৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল ও বাঁধ ভেঙে তৈরি হওয়া হঠাৎ বন্যার কারণে হাওরজুড়ে কৃষক সংকটে। হাজার হাজার কৃষক কষ্টের ফসল ঘরে তুলতে ...
04/05/2026

অতিবৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল ও বাঁধ ভেঙে তৈরি হওয়া হঠাৎ বন্যার কারণে হাওরজুড়ে কৃষক সংকটে। হাজার হাজার কৃষক কষ্টের ফসল ঘরে তুলতে পারছেন না। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) তথ্য বলছে, ৭টি জেলার হাওরগুলোয় ৪৬ হাজার ৭৩০ হেক্টর জমির ধান পানিতে ডুবে গেছে। এ ধান কাটতে না পারলে অন্তত ২ লাখ টন চালের উৎপাদন কম হওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে। শ্রমিক সংকট ও উচ্চ খরচ, কম্বাইন্ড হারভেস্টর ব্যবহার করতে না পারা এবং ধানের দাম পড়ে যাওয়ার কারণে হাওরের কৃষকের সংকট আরও বেড়েছে।

ডিএইএর ২৬ এপ্রিল থেকে ২ মে পর্যন্ত তৈরি করা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অধিকাংশ হাওর এখন নিমজ্জিত। ৭টি জেলার গড়ে ১০ দশমিক ২৭ শতাংশ ধান এখনো নিমজ্জিত অবস্থায় রয়েছে। পানিতে ডুবে থাকার কারণে পাকা ধান পচে যাওয়ারও খবর পাওয়া গেছে। শুধু হাওরগুলোতেই এ বছর ৪ লাখ ৫৫ হাজার ১৫৩ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছিল।
সরকারের প্রতিবেদন বলছে, হাওরগুলোতে প্রতি হেক্টরে গড়ে ৪ দশমিক ৪৭ টন চাল উৎপাদন হওয়ার কথা। এ হিসাবে ৪৬ হাজার ৭৩০ হেক্টর জমির ফসল ক্ষতির মুখে পড়লে কমপক্ষে ২ লাখ ৮ হাজার টন ধানের উৎপাদন কমে যেতে পারে।

এ অবস্থায় সরকার ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ৩ মাস সহযোগিতা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। সে অনুযায়ী কৃষি মন্ত্রণালয় কাজও শুরু করেছে বলে জানা গেছে। জানা গেছে, সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে সুনামগঞ্জের হাওরগুলোতে। সেখানে ১৪ হাজার ৩৭১ হেক্টর জমির ধান ডুবে গেছে, যা ওই অঞ্চলের হাওরগুলোতে মোট আবাদের ৮ দশমিক ৭০ শতাংশ। এরপরই রয়েছে নেত্রকোনা। সেখানে ১১ হাজার ৫২২ হেক্টর জমির ধান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা মোট আবাদের ২৮ দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ। বড় ক্ষতি হয়েছে কিশোরগঞ্জের হাওরেও। সেখানে ৯ হাজার ৪৫ হেক্টর জমির ধান তলিয়েছে। এ ছাড়া হবিগঞ্জে ৮ হাজার ৭৫০ হেক্টর, মৌলভীবাজারে ২ হাজার ১৬০ হেক্টর, সিলেটে ৫১০ হেক্টর এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৩৭২ হেক্টর জমির ধান পানিতে ডুবে গেছে। তবে সরকারি হিসাবের চেয়ে আরও বেশি পরিমাণে ধানের ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে।

বাংলাদেশ খাদ্য নিরাপত্তা নেটওয়ার্ক- খানি বাংলাদেশ আশঙ্কা প্রকাশ করছে, বর্তমান পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে কৃষক ধান চাষে নিরুৎসাহিত হতে পারেন। এতে উৎপাদন কমে যেতে পারে এবং খাদ্য সরবরাহে ঘাটতি তৈরি হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। একই সঙ্গে নিম্ন আয়ের মানুষের খাদ্যপ্রাপ্তি আরও কঠিন হয়ে পড়তে পারে এবং আয় বৈষম্য বৃদ্ধি পেতে পারে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় কৃষকের কাছ থেকে ধান ক্রয়ের পরিমাণ বাড়ানো, ভেজা ধান সংগ্রহের ব্যবস্থা চালু করা, বাজারে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং উৎপাদন খরচ বিবেচনায় মূল্য নির্ধারণে একটি স্বাধীন শস্য মূল্য কমিশন গঠনের সুপারিশ করেছি।

আপনি কি মোটরবাইক রাইড শেয়ারিং এর মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করছেন!? | এই জরিপে অংশ নিন! মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার প্রভাবে বৈশ্...
19/04/2026

আপনি কি মোটরবাইক রাইড শেয়ারিং এর মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করছেন!? | এই জরিপে অংশ নিন!

মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার প্রভাবে বৈশ্বিকভাবেই জ্বালানি বাজারে চাপ তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশে তেল সরবরাহে বিঘ্ন, দীর্ঘ লাইন ও পাম্প বন্ধ থাকার কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন রাইড শেয়ারিং মোটরবাইক চালকেরা।
কর্মঘন্টা কমছে, আয় কমছে, পরিবারে অর্থনৈতিক চাপ বাড়ছে, খাদ্য নিরাপত্তাও ঝুঁকিতে পড়ছে।

এই প্রেক্ষাপটে, রাইড শেয়ারিং চালকদের বর্তমান আর্থ-সামাজিক অবস্থা, আয়-ব্যয়ের পরিবর্তন, খাদ্য ব্যয়ের ধরণ, এবং সংকট মোকাবিলায় তাদের গৃহীত কৌশলসমূহ সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের উদ্দেশ্যে PRAAN - Participatory Research & Action Network এবং Bangladesh Food Security Network - KHANI এই ত্বরিত জরিপটি পরিচালনা করা হচ্ছে।

আপনি যদি রাইড শেয়ারিং মোটরবাইক চালক হন, আমরা আপনার কথা শুনতে চাই। গুগল ফর্মটি পূরণ করতে সর্বসাকুলয়ে ৫ মিনিট সময় লাগবে।

এই তথ্য শুধুমাত্র গবেষণা ও নীতিনির্ধারণে ব্যবহার করা হবে।

গুগল ফর্ম লিংক:
https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSfEzvDpMPKWkAPTE_ytz5feevTkqGYlgROIKCa5NLmEXPYRig/viewform?usp=preview

আপনার অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ। এবং আপনার পরিচিতদের মধ্যে শেয়ার করার অনুরোধ রইলো!!


শুভ নববর্ষ ১৪৩৩!নতুন বছরের খানি বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা। নতুন বছর আমাদের জীবনে বয়ে আনুক ...
14/04/2026

শুভ নববর্ষ ১৪৩৩!

নতুন বছরের খানি বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা। নতুন বছর আমাদের জীবনে বয়ে আনুক নতুন আশা, অসীম সম্ভাবনা এবং ইতিবাচক পরিবর্তনের আলো।

13/04/2026

খাদ্য অধিকার: শুধুমাত্র খাদ্যের প্রাপ্যতা নয়, ন্যায্য প্রবেশাধিকারের নিশ্চয়তা
খাদ্য অধিকার বলতে শুধু খাদ্যের উপস্থিতি বোঝায় না; বরং প্রত্যেক মানুষের জন্য পর্যাপ্ত, পুষ্টিকর এবং সম্মানজনকভাবে খাদ্য প্রাপ্তির নিশ্চয়তাকে বোঝায়।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে দেখা যায়, খাদ্য উৎপাদন সত্ত্বেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষ এখনও খাদ্য ও পুষ্টির নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। এর মূল কারণ উৎপাদনের ঘাটতি নয়, বরং মূল্যবৃদ্ধি, আয় বৈষম্য, দুর্বল বাজার ব্যবস্থা এবং বণ্টনগত সীমাবদ্ধতা।

তথ্য অনুযায়ী, দেশের বহু পরিবার তাদের আয়ের বড় অংশ খাদ্যের পেছনে ব্যয় করেও পুষ্টিকর খাদ্য নিশ্চিত করতে পারছে না
https://bonikbarta.com/bangladesh/srAzQyLo4OFKKukK

আমাদের জনদাবি:
খাদ্যকে দয়া বা সহায়তা হিসেবে নয়, একটি মৌলিক অধিকার হিসেবে নিশ্চিত করতে নিম্নলিখিত দাবিগুলো গুরুত্বপূর্ণ—

- খাদ্য অধিকার আইন প্রণয়ন ও কার্যকর বাস্তবায়ন
- খাদ্যদ্রব্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং বাজার ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ
- পর্যাপ্ত আয় ও টেকসই কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি
- কৃষকের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিতকরণ
- ঝুঁকিপূর্ণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য শক্তিশালী সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা

খাদ্য অধিকার নিশ্চিত করা কেবল ক্ষুধা নিরসনের বিষয় নয়; এটি মানব মর্যাদা, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং টেকসই উন্নয়নের একটি অপরিহার্য উপাদান।

We, Bangladesh Food Security Network - KHANI, are extending our heartfelt congratulations to Ms. Sofia Monsalve Suárez o...
04/04/2026

We, Bangladesh Food Security Network - KHANI, are extending our heartfelt congratulations to Ms. Sofia Monsalve Suárez on her newset role as the United Nations Special Rapporteur on the Right to Food.

Sofia's taking over the role is a significant and timely responsibility, particularly in a world where the realization of the right to food continues to face complex and interconnected challenges.

Her steadfast dedication to human rights and food justice, coupled with her deep engagement with communities and grassroots movements, serves as a powerful example for others. Her leadership comes at a critical moment, when transformative approaches are urgently needed to address hunger, inequality, and structural injustices within food systems.

We deeply appreciate her long-standing engagement since the initiation of KHANI Bangladesh and her continued support for our advocacy endeavours. Her solidarity and encouragement have been invaluable to our network and ee are confident that, under her mandate, the global right to food movement will gain renewed momentum, stronger advocacy, and greater accountability.

Once again, congratulations. KHANI Bangladesh wishes Ms. Sofia every success in this important role and looks forward to continued collaboration.


United Nations Human Rights

উপসাগরীয় অঞ্চলে চলমান যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্বজুড়ে খাদ্য ব্যবস্থায় এক ভয়াবহ সংকট তৈরি হয়েছে। কৃষি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যু...
28/03/2026

উপসাগরীয় অঞ্চলে চলমান যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্বজুড়ে খাদ্য ব্যবস্থায় এক ভয়াবহ সংকট তৈরি হয়েছে। কৃষি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যুদ্ধের কারণে সার উৎপাদন ব্যাহত হওয়া এবং জ্বালানি সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ায় বাংলাদেশ থেকে শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র পর্যন্ত সব দেশের কৃষকদের জীবনযাত্রা ও উৎপাদন হুমকির মুখে পড়েছে।

জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) সতর্ক করে জানিয়েছে, চলমান সংকটের কারণে আগামী জুনের মধ্যে আরো ৪ কোটি ৫০ লাখ মানুষ চরম খাদ্য অনিশ্চয়তার মুখে পড়তে পারে। এর আগে থেকেই বিশ্বে প্রায় ৩১ কোটি ৮০ লাখ মানুষ খাদ্য সংকটে ছিল।

আফ্রিকা ও এশিয়ার দরিদ্র দেশগুলোর জন্য এটি এখন অস্তিত্বের সংকট হয়ে দাঁড়িয়েছে। সামনে জুনে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে বর্ষা মৌসুমের চাষাবাদ শুরু হবে। বাংলাদেশ, ভারত ও শ্রীলঙ্কার মতো দেশগুলোয় এ সময় সারের চাহিদা তুঙ্গে থাকে। যদি কৃষকরা প্রয়োজনীয় সার না পান, তবে তাদের বিদেশ থেকে চড়া দামে খাদ্য আমদানিতে বাধ্য হতে হবে, যা দেশের অর্থনীতিতে বাড়তি চাপ সৃষ্টি করবে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারকে এখনই সারকে জ্বালানির মতো একটি কৌশলগত সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। জরুরি সময়ের জন্য সারের মজুত গড়ে তোলা এবং সরবরাহ ব্যবস্থা সচল রাখা এখন সময়ের দাবি।

****

The United Nations World Food Programme (WFP) warns that global hunger could reach record levels in 2026 if the Middle East conflict continues to disrupt the global economy. New analysis estimates that nearly 45 million additional people may fall into acute food insecurity, adding to the existing 318 million already affected. Rising oil prices, projected to exceed USD 100 per barrel are expected to drive up transportation and food costs, disproportionately impacting vulnerable populations. In Asia alone, 9.1 million people across 10 countries could face acute food insecurity, marking a 24 percent increase.

For poorer countries in Africa and Asia, this situation has become an existential crisis. With the monsoon cultivation season approaching in June, demand for fertilizer will peak in South Asian countries such as Bangladesh, India, and Sri Lanka. If farmers are unable to access the required fertilizers, they may be forced to rely on costly food imports, placing additional strain on national economies.

Analysts suggest that governments must now treat fertilizer as a strategic resource, similar to fuel. Building emergency reserves and ensuring uninterrupted supply systems are critical to mitigating the impact of this crisis.



ঈদ মোবারক! খাদ্য নিরাপত্তা নেটওয়ার্ক বাংলাদেশ- খানি'র পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা।
20/03/2026

ঈদ মোবারক!
খাদ্য নিরাপত্তা নেটওয়ার্ক বাংলাদেশ- খানি'র পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা।

✊🏻 অধিকার বঞ্চনা পেরিয়ে নারী কৃষক শারমিন আক্তারের লড়াই  ✊🏻কিশোরগঞ্জ জেলার মিঠামইন উপজেলার সুখতি গ্রামে জন্ম শারমিন আক্তা...
12/03/2026

✊🏻 অধিকার বঞ্চনা পেরিয়ে নারী কৃষক শারমিন আক্তারের লড়াই ✊🏻

কিশোরগঞ্জ জেলার মিঠামইন উপজেলার সুখতি গ্রামে জন্ম শারমিন আক্তারের। উচ্চ মাধ্যমিক শেষ করার পর বিয়ে হয় ময়মনসিংহ সদর উপজেলার কায়দাপাড়া গ্রামের হাসান সারোয়ারের সঙ্গে। স্বামী পেশায় ময়মনসিংহ কৃষি ইনস্টিটিউটের একজন শিক্ষক। বিয়ের পর পরিবারের সমর্থনে শারমিন কিশোরগঞ্জের সরকারি গুরুদয়াল কলেজে ভর্তি হন এবং সেখান থেকে অনার্স ও মাস্টার্স সম্পন্ন করেন।

পড়াশোনা শেষ করে শারমিন একটি বহুজাতিক কোম্পানিতে বিপণন কর্মকর্তা হিসেবে চাকরি শুরু করেন। শারমিনের প্রথম সন্তানের বয়স যখন সাত বছর, প্রতিদিন ভোরে কিশোরগঞ্জ থেকে ময়মনসিংহে এসে ছেলেকে কোচিং সেন্টারে রেখে আবার কর্মস্থলে ফিরতে হতো শারমিনকে। অফিস শেষে আবার ময়মনসিংহে এসে ছেলেকে নিয়ে রাতে কিশোরগঞ্জে ফিরতেন।

প্রতিদিনের এই শ্রমসাধ্য রুটিন মা ও সন্তানের জন্য ক্রমেই কষ্টকর হয়ে উঠতে থাকে। এক পর্যায়ে ছেলের পড়াশোনা ও পরিবারের প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দিয়ে তিনি চাকরি ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন এবং স্থায়ীভাবে শ্বশুরবাড়িতে চলে আসেন।

কিন্তু চাকরি ছাড়ার পর নতুন এক বাস্তবতার মুখোমুখি হন শারমিন। স্বামীর একার আয়ে সংসার চালানো কঠিন হয়ে উঠছিল। তিনি সিদ্ধান্ত নেন পরিবারের যেসব আবাদি জমিগুলো প্রতিবছর অন্য কৃষকদের কাছে লিজ দেওয়া হতো, সেগুলো নিজের তত্ত্বাবধানে এনে চাষাবাদ শুরু করার সিদ্ধান্ত নেন।

শারমিন প্রথমে প্রায় তিন একর জমি লিজ নিয়ে কৃষিকাজ শুরু করেন। বিষয়টি শুরুতে পরিবারের অন্য সদস্যদের কাছে অপ্রত্যাশিত ছিল। একদিন ভোরবেলা কোদাল হাতে তাকে মাঠে যেতে দেখে পরিবারের সবাই তার সিদ্ধান্তের কথা জানতে পারেন।
কৃষিকাজ শুরু করার পর শুধু পরিবার নয়, পুরো গ্রামেই নানা আলোচনা শুরু হয়। একজন নারী হয়ে এভাবে সরাসরি মাঠে কাজ করা তখনও গ্রামের মানুষের কাছে অস্বাভাবিক দৃশ্য ছিল। শারমিন বলেন, “গ্রামের মানুষ যহন দেখত আমি গোবর ভর্তি ঠেলাগাড়ি টানতেছি বা সারের বস্তা মাথায় নিয়ে খেতে যাইতেছি, তারা খুব অবাক হইত। আসলে গ্রামের মানুষ এটা আগে তেমন দেখেনাই।”

তবে শুরুতেই সাফল্য আসে তার পরিশ্রমে। প্রথম মৌসুমে তার আমন ধানের ফলন ভালো হয়। মৌসুমের শুরুতেই তিনি প্রতি মণ ধান ১,২০০ টাকা দরে বিক্রি করেন। সেই অর্থ দিয়ে তিনি আরও কিছু জমি লিজ নিয়ে সেখানে ভুট্টা ও কাঁচামরিচের চাষ শুরু করেন।

মাত্র ৩০ শতাংশ জমিতে প্রায় ২০ হাজার টাকা বিনিয়োগ করে কাঁচামরিচ চাষ করে তিনি আয় করেন প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা। এবারকার ভুট্টা চাষ থেকেও ভালো মুনাফা আসবে বলে তিনি আশাবাদী।

তবে কৃষিকাজে সফলতার পাশাপাশি নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখিও হতে হয়েছে তাকে। জলবায়ুর পরিবর্তনের প্রভাব এখন কৃষিতে স্পষ্ট। শারমিন জানান, কার্তিক মাসের পর থেকে এ বছর আর বৃষ্টি হয়নি। এতে ভুট্টা ও মরিচের আবাদে সমস্যা তৈরি হয়েছে।

মাঠে ব্যক্তিমালিকানাধীন অগভীর নলকূপ থাকলেও সেখান থেকে পানি নেওয়া সহজ নয়। অনেক সময় দিনে পানি না দিয়ে রাতে দেওয়া হয়। কিন্তু একজন নারী হিসেবে রাতে মাঠে গিয়ে সেচ তদারকি করা তার পক্ষে সম্ভব নয়। এই সমস্যার সমাধানে তিনি নিজেই একটি অগভীর নলকূপ স্থাপন করেছিলেন। কিন্তু কিছুদিন পরই তার সেচপাম্পটি চুরি হয়ে যায়। নিরাপত্তার অভাবে এরপর আর সেই উদ্যোগ নেওয়ার সাহস করেননি।

শারমিন আরও জানান, বর্তমানে গ্রামে কৃষিশ্রমিকের অভাব দিন দিন বাড়ছে। ফলে শ্রমিকের মজুরি বেড়ে গেছে, যা কৃষকদের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সামাজিক বাধাও তার পথচলায় কম ছিল না। এলাকার সামাজিক কাঠামো এখনও অনেকটাই পুরুষতান্ত্রিক। ফলে একজন নারী কৃষক হিসেবে পরিবার ও সমাজে তাকে নানা সমালোচনা ও উপহাসের মুখে পড়তে হয়েছে।

তবে এসব বাধা তাকে দমিয়ে রাখতে পারেনি। শারমিন দৃঢ়ভাবে বলেন, “আমি আমার কাজ করে যাই। কে কী বলল, তা নিয়ে আমার খুব একটা মাথাব্যথা নাই।”

কৃষিকাজের পাশাপাশি তিনি উদ্যোক্তা হিসেবেও নতুন উদ্যোগ শুরু করেছেন। বাড়ির আঙিনায় তিনি ২ হাজার ব্রয়লার মুরগির একটি শেড তৈরি করে মুরগি পালন শুরু করেছেন। ভবিষ্যতে সুযোগ পেলে একটি গরুর খামার গড়ে তোলারও পরিকল্পনা রয়েছে তার।
সরকারি সহায়তার ক্ষেত্রে শারমিনের অভিজ্ঞতা তেমন ইতিবাচক নয়। তিনি জানান, উপজেলা কৃষি অফিস থেকে এখন পর্যন্ত কোনো প্রশিক্ষণ বা ভর্তুকি পাননি।

আপাতত নিজেই এলাকার নারীদের নিয়ে গড়ে তুলেছেন একটি সঞ্চয় কার্যক্রম। আশপাশের ২২ জন স্বামী বিচ্ছিন্না, বিধবা ও গৃহিণীদের নিয়ে তিনি ‘মুষ্টির চাল’ নামে একটি উদ্যোগ গড়ে তুলেছেন। এসব নারী প্রতি সপ্তাহে ১০০ টাকা করে সঞ্চয় করেন। এভাবে জমা হওয়া অর্থ থেকে তারা প্রয়োজন অনুযায়ী ২ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত সুদবিহীন ঋণ নিতে পারেন।

তার মতে, কৃষকদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ফসলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা। পাশাপাশি সময়মতো ভর্তুকি মূল্যে সার, বীজ ও কীটনাশক সরবরাহ, কৃষি তথ্য সহজলভ্য করা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি করা জরুরি।

ভবিষ্যৎ নিয়ে শারমিনের স্বপ্ন আরও বড়। তার সঙ্গে যুক্ত ২২ জন নারীকে নিয়ে তিনি একটি টেকসই কৃষিভিত্তিক শিল্প উদ্যোগ গড়ে তুলতে চান। এতে শুধু এই নারীরাই নয়, আরও অনেক নারীর কর্মসংস্থান তৈরি হবে।

শারমিন আক্তারের মতো নারী কৃষকেরা যদি সামাজিক ও প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি, সরকারি সহায়তা এবং প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তিগত সহায়তা পান, তাহলে তাদের অর্জনের পরিসর আরও বিস্তৃত হতে পারে। যথাযথ নীতি সহায়তা, সহজ শর্তে ঋণ, কৃষি প্রশিক্ষণ, সেচ সুবিধা এবং বাজারে ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা গেলে শারমিন শুধু একজন সফল কৃষক হিসেবেই নয়, একজন উদ্ভাবনী কৃষি উদ্যোক্তা হিসেবেও প্রতিষ্ঠিত হতে পারেন। তার নেতৃত্বে গড়ে উঠতে পারে নারী পরিচালিত কৃষিভিত্তিক সমবায় বা উৎপাদন গোষ্ঠী, যেখানে স্থানীয় নারীরা প্রশিক্ষণ, কর্মসংস্থান এবং আয় বৃদ্ধির সুযোগ পাবেন। এতে স্থানীয় খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে, নারী কৃষকদের সামাজিক মর্যাদা বাড়বে এবং গ্রামীণ অর্থনীতিতেও ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

কেইস স্টোরি বাইঃ
অন্যচিত্র ফাউন্ডেশন
সদস্য, খাদ্য নিরাপত্তা নেটওয়ার্ক- খানি বাংলাদেশ
ময়মনসিংহ

আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে আজ সকাল ১০টায় বরিশাল সদর উপজেলার চর কাউয়া ইউনিয়নের নয়আনী গ্রামে “নারী কৃষক সম্...
08/03/2026

আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে আজ সকাল ১০টায় বরিশাল সদর উপজেলার চর কাউয়া ইউনিয়নের নয়আনী গ্রামে “নারী কৃষক সম্মিলন ও দাবি বৃক্ষ উপস্থাপন” শীর্ষক একটি বিশেষ কর্মসূচি যৌথভাবে আয়োজন করে প্রান্তজন ও খাদ্য নিরাপত্তা নেটওয়ার্ক – খানি বাংলাদেশ। অনুষ্ঠানে নারী কৃষক, স্থানীয় সমাজের প্রতিনিধি ও গণমাধ্যমকর্মীসহ প্রায় ১৫০ জন অংশগ্রহণ করেন। এ সময় নারী কৃষকেরা তাদের দৈনন্দিন কৃষিশ্রম, সংগ্রাম ও দীর্ঘদিনের বঞ্চনার অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।

নারী কৃষক মোসা. পারুল বেগম বলেন, কৃষিক্ষেত্রে নারীদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান থাকা সত্ত্বেও তারা এখনও রাষ্ট্রীয়ভাবে কৃষক হিসেবে স্বীকৃতি পান না। ফলে কৃষক পরিচয়পত্র, কৃষিঋণ, সরকারি ইনপুট, প্রশিক্ষণ, বাজারসংযোগ ও স্থানীয় কৃষি কমিটিতে অংশগ্রহণের মতো গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা থেকে তারা বঞ্চিত হন। ফসল উৎপাদন, গবাদিপশু পালন, বীজ সংরক্ষণ ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণে নারীদের অবদান থাকা সত্ত্বেও এসব কাজ এখনও অনেক ক্ষেত্রে শুধু ‘সহযোগিতা’ হিসেবে দেখা হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, নারী কৃষকের অধিকার, ভূমির মালিকানা এবং ন্যায্য স্বীকৃতি নিশ্চিত না হলে বাংলাদেশের কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা টেকসই হবে না। একই সঙ্গে তারা দেশের খাদ্যব্যবস্থাকে আরও ন্যায্য ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করতে “খাদ্য অধিকার আইন” প্রণয়নের দাবি জানান।

অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল নারী কৃষকদের প্রতীকী “দাবি বৃক্ষ” উপস্থাপন। সেখানে নারী কৃষকেরা তাদের বৃদ্ধাঙ্গুলের ছাপ দিয়ে একটি যৌথ ডকুমেন্টে স্বাক্ষর করে কৃষিতে নারীর অধিকার ও স্বীকৃতি নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০২৬-এর জাতীয় প্রতিপাদ্য “আজকের পদক্ষেপ, আগামীর ন্যায়বিচার; সুরক্ষিত হোক নারী ও কন্যার অধিকার” এই বার্তাকে সামনে রেখে বক্তারা নারী কৃষকদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় সকলের সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান জানান।

****

On the occasion of International Women’s Day 2026, a special program titled “Women Farmers’ Gathering and Presentation of Demand Tree” was jointly organized today at 10:00 AM in Noyani Village, Char Kauya Union, Barishal Sadar Upazila by Prantajan and Food Security Network – Khani Bangladesh.

Approximately 150 participants attended the event, including women farmers, representatives of the local community, and media personnel. During the program, women farmers shared their experiences of daily agricultural labor, struggles, and long-standing deprivation.

Women farmer Mst. Parul Begum said that despite women playing a significant role in agriculture, they still do not receive official recognition as farmers. As a result, they are deprived of important benefits such as farmer ID cards, agricultural loans, government inputs, training, market access, and participation in local agricultural committees. Although women contribute substantially to crop production, livestock rearing, seed preservation, and food processing, these efforts are still often regarded merely as “assistance.”

Speakers at the event emphasized that unless women farmers’ rights, land ownership, and proper recognition are ensured, agriculture and food security in Bangladesh cannot be sustainable. They also called for the enactment of a “Food Rights Act” to make the country’s food system more just and inclusive.

One of the highlights of the program was the symbolic “Demand Tree” presented by women farmers. Here, the women placed their thumbprints on a joint document, pledging to secure women’s rights and recognition in agriculture.

In line with the national theme of International Women’s Day 2026 “Actions Today, Justice Tomorrow: Protect Women’s and Girls’ Rights” the speakers called for collective efforts to ensure the rightful recognition and rights of women farmers.




**নারী কৃষকের ভূমিকা পল্লী জীবন এবং নারী কৃষক সমস্যার উত্তরণের পথ**----------------------------------------------------আ...
08/03/2026

**নারী কৃষকের ভূমিকা পল্লী জীবন এবং নারী কৃষক সমস্যার উত্তরণের পথ**
----------------------------------------------------
আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০২৬ উপলক্ষে অন্যচিত্র ফাউন্ডেশন রোববার (৮ মার্চ) ময়মনসিংহের ব্রহ্মপুত্র চর এলাকার জয়নুল উদ্যানে “নারী কৃষকের ভূমিকা পল্লী জীবন এবং নারী কৃষক সমস্যার উত্তরণের পথ” শীর্ষক আলোচনা সভা এবং নারী কৃষকদের পণ্য প্রদর্শনী ও সম্মাননা উৎসব আয়োজন করে।

খাদ্য নিরাপত্তা নেটওয়ার্ক – খানি বাংলাদেশের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে অংশ নেন নারী কৃষক, সরকারি প্রতিনিধি, কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা, স্থানীয় সমাজের প্রতিনিধিরা ও সাংবাদিকসহ প্রায় শতাধিক অংশগ্রহণকারী।

দিনব্যাপী আয়োজনে নারী কৃষকেরা শাকসবজি, ফল, ডাল, মসলা, ধান, ঘরে তৈরি খাদ্যপণ্য ও কারুশিল্পসহ নিজস্ব উৎপাদিত পণ্য প্রদর্শন ও বিক্রয়ের সুযোগ পান। স্থানীয় ক্রেতা ও প্রতিনিধিদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে তাদের পণ্যের পরিচিতি এবং বাজারসংযোগ বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি হয়। পণ্য বিক্রির পাশাপাশি তারা নিজেদের শ্রম, অভিজ্ঞতা ও উৎপাদন প্রক্রিয়া ভাগ করে নেন, যা উপস্থিত সবার কাছে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে ওঠে।

একই সঙ্গে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, এ বছরের নারী দিবসের প্রতিপাদ্য “আজকের পদক্ষেপ, আগামীর ন্যায়বিচার; সুরক্ষিত হোক নারী ও কন্যার অধিকার” এবং আন্তর্জাতিক থিম “Give to Gain”—দুটিই নারী কৃষকের বাস্তবতার সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে যুক্ত। দেশের কৃষি–অর্থনীতিতে নারী কৃষকের অবদান অপরিসীম হলেও তাদের শ্রমের স্বীকৃতি, ভূমির মালিকানা, কৃষিঋণ, প্রণোদনা প্রাপ্তি, বাজার সংযোগ এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে অংশগ্রহণ এখনো কাঠামোগত বৈষম্যের কারণে সীমাবদ্ধ। মাত্র চার থেকে পাঁচ শতাংশ নারী কৃষকের হাতে কার্যকর ভূমির মালিকানা রয়েছে। ফলে তারা কৃষিঋণ, ভর্তুকি, সরকারি ইনপুট বা প্রণোদনা সুবিধা গ্রহণে নিয়মিত বাধার মুখে পড়েন। ঘরে ও ক্ষেতে দ্বৈত শ্রম করা সত্ত্বেও তাদের কাজের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি নেই। এর ফলে মজুরি সমতা, সামাজিক মর্যাদা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে তাদের অবস্থান দুর্বল থাকে।

মেলায় অংশগ্রহণকারী নারী কৃষকেরা জানান, “আমাদের কাজের তো আর্থিক মূল্যও নাই, পারিবারিক স্বীকৃতিও নাই। তাই আমরা এসব আশা না করেই কাজ করতে শিখেছি। কিন্তু আজ এই অনুষ্ঠানে এসে মনে হলো আমাদের জন্যও ভাবনা শুরু হয়েছে। নিশ্চয়ই পরিবর্তন হবে আগামীতে। বদলাতে হবে চিন্তার ধরন, সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি।”

সমাবেশে বক্তারা আরও বলেন, দেশের খাদ্যব্যবস্থাকে ন্যায্য, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও নারী বান্ধব করতে হলে একটি “খাদ্য অধিকার আইন” প্রণয়ন এখন সময়ের দাবি। যদি প্রতিটি নাগরিকের খাদ্য অধিকার আইনগতভাবে সুরক্ষিত হয়, তাহলে কৃষির সঙ্গে যুক্ত নারীরাও উৎপাদনে, বাজারে এবং নীতিতে ন্যায্য অবস্থান ও সুযোগ পাবেন। বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা টেকসই করতে হলে খাদ্য অধিকার আইন প্রণয়নের মাধ্যমে কৃষি উৎপাদন, বণ্টন ও নীতি পরিকল্পনায় নারীর প্রয়োজন, অধিকার ও শ্রমের স্বীকৃতি নিশ্চিত করতে হবে।

অনুষ্ঠানের শেষে স্থানীয় কৃষিক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরে অবদান রাখা তিনজন নারী কৃষককে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়। আয়োজকদের মতে, এ ধরনের উদ্যোগ নারীদের দৃশ্যমানতা বাড়ায়, আত্মবিশ্বাস জোরদার করে এবং পল্লী অর্থনীতিতে তাদের কেন্দ্রীয় ভূমিকা আরও শক্তিশালী করে।

******
On the occasion of International Women’s Day 2026, Onnyochitro Foundation organized a discussion titled “The Role of Women Farmers in Rural Life and Pathways to Address the Challenges of Women Farmers”, along with a Women Farmers’ Product Exhibition and Recognition Ceremony, on Sunday (8 March) at Zainul Udyan in the Brahmaputra Char area of Mymensingh.

The program was held with the support of Food Security Network – Khani Bangladesh and was attended by women farmers, government representatives, officials from the Department of Agriculture, members of the local community, journalists, and around one hundred participants.

Throughout the day-long event, women farmers had the opportunity to display and sell their own agricultural and homemade products, including vegetables, fruits, pulses, spices, rice, homemade food items, and handicrafts. Through direct interaction with local buyers and representatives, they were able to increase the visibility of their products and strengthen market connections. Alongside product sales, the farmers also shared their labor, experiences, and production processes, which became highly meaningful for the participants present.

During the discussion session, speakers noted that this year’s national theme of Women’s Day, “Actions Today, Justice Tomorrow: Protect Women’s and Girls’ Rights,” and the international theme “Give to Gain” are closely connected to the realities of women farmers. Although women farmers make immense contributions to the country’s agricultural economy, their recognition, land ownership, access to agricultural credit, incentives, market connections, and participation in decision-making remain limited due to structural inequalities. Only four to five percent of women farmers have effective ownership of land, which regularly prevents them from accessing agricultural credit, subsidies, government inputs, or incentives. Despite performing dual labor at home and in the fields, their work still lacks formal recognition. As a result, their position in terms of wage equality, social status, and decision-making remains weak.

Women farmers participating in the fair shared their experiences, saying:
“Our work has neither financial value nor family recognition. So we have learned to work without expecting these things. But after coming to this event today, it feels like people have started thinking about us. Surely there will be change in the future. Mindsets and social attitudes must change.”

Speakers at the gathering further emphasized that in order to make the country’s food system fair, inclusive, and women-friendly, it is now time to enact a “Food Rights Act.” If every citizen’s right to food is legally protected, women involved in agriculture will also gain fair opportunities and positions in production, markets, and policymaking. To ensure sustainable food security in Bangladesh, recognition of women’s needs, rights, and labor must be incorporated into agricultural production, distribution, and policy planning through the enactment of a Food Rights Act.

At the end of the program, three women farmers who have long contributed to the local agricultural sector were honored with special recognition. According to the organizers, such initiatives increase women’s visibility, strengthen their confidence, and reinforce their central role in the rural economy.




Address

House 2, Road A/1, Block B, Nobodoy Housing Ltd, Mohammadpur
Dhaka
1207

Telephone

+8801919231722

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bangladesh Food Security Network - KHANI posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Bangladesh Food Security Network - KHANI:

Share