আগন্তুক কর্জে হাসানাহ প্রোজেক্ট

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • আগন্তুক কর্জে হাসানাহ প্রোজেক্ট

আগন্তুক কর্জে হাসানাহ প্রোজেক্ট Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from আগন্তুক কর্জে হাসানাহ প্রোজেক্ট, Nonprofit Organization, Dhaka.

27/04/2026

আপনার দেনা পরিশোধ করুন এবং দেরি করবেন না।

শাইখ ইবনে উসাইমিন ( রাহিমাহুল্লাহ্ ) বলেন: এটা অদ্ভুত যে, কিছু লোকের ঋণ থাকা সত্ত্বেও তারা ধনীদের মতোই মানুষকে সম্মান করে ও দাওয়াত দেয়। এটা অন্যায়! এবং এর জন্য সে পাপী, কারণ ঋণ পরিশোধ করা ফরজ।

আনন্দদায়ক ব্যাখ্যা ২৭৯/৯

ইবনে উমার (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বলেন: হে হুমরান, আল্লাহকে ভয় করো এবং ঋণগ্রস্ত অবস্থায় মৃত্যুবরণ করো না, যাতে তোমার নেক আমলগুলো কেড়ে নেওয়া হয় এবং তোমার কাছে কোনো দিনার বা দিরহাম অবশিষ্ট না থাকে।
মুসান্নাফ আবদ আল-রাজ্জাক ৩/৫৭

06/04/2026

আলহামদুলিল্লাহ, প্রায় চার বছর পর এক ভাই আমাদের কর্জে প্রজেক্টের টাকা পরিশোধ করলেন।

10/03/2026

আপনি কি চান আপনার টাকা একবার না , বারবার মানুষের কাজে আসুক?

তাহলে আপনাদের দানের টাকা কর্জে হাসানাহ আমাদের ফান্ডে দিতে পারেন।

আমরা মূলত প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য ক্ষুদ্র ঋণ হিসেবে এই ফান্ড অফলাইনে কাজ করে থাকি।

প্রতিষ্ঠানের নাম - " আগন্তুক কর্জে হাসানাহ প্রজেক্ট "

কারণ এখানে সব তথ্য উন্মুক্ত রেখে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হয়।

যোগাযোগ নাম্বার- 01712362369

07/01/2026

"'কর্জে হাসানাহ' প্রদান ও পরিশোধের গুরুত্ব:প্রেক্ষিত মানবিক সমাজ বিনির্মাণ"
একটি স্বচ্ছল ও মানবিক সমাজ বিনির্মানে সর্বত্র চালু হোক সুদের বিকল্প কর্জে হাসানাহ প্রকল্প। মহা অভিশপ্ত,চরম জুলুম সদৃশ্য,সর্বাধিক নিকৃষ্ট,'সুদ' নামক জঘন্যতম কবিরা গুনাহের নৈতিক ও আর্থিক অধঃপতনের হাত থেকে সমাজকে রক্ষা করতে 'কর্জে হাসানাহ' প্রকল্পের বিকল্প নাই।
কুরআন ও সন্নাহর দৃষ্টিতে 'কর্জে হাসানাহ' প্রদান নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়,মর্যাদাসম্পন্ন ও অধিক সওয়াবের কাজ। মূলতঃ এটি সর্বোত্তম মানবিক ও কল্যানময় আমলগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি আমল।
তাই পবিত্র কুরআনের ৫ টি সূরায় ৬ টি আয়াতে মোট ১২ বার কর্জে হাসানাহর কথা বর্ণিত হয়েছে। এ থেকেই বুঝা যায় কর্জে হাসানাহর গুরুত্ব ও তাৎপর্য কত!
আল্লাহ পাক বলেন-
مَنۡ ذَا الَّذِیۡ یُقۡرِضُ اللّٰهَ قَرۡضًا حَسَنًا فَیُضٰعِفَهٗ لَهٗۤ اَضۡعَافًا كَثِیۡرَۃً
"কে আছে,যে আল্লাহকে উত্তম ঋণ দেবে,ফলে তিনি তার জন্য বহু গুণে বাড়িয়ে দেবেন?"
সূরা তাগাবুন-এ আল্লাহ পাক ঘোষণা করেন-
اِنۡ تُقۡرِضُوا اللّٰهَ قَرۡضًا حَسَنًا یُّضٰعِفۡهُ لَكُمۡ وَ یَغۡفِرۡ لَكُمۡ
"যদি তোমরা আল্লাহকে উত্তম ঋণ দাও,তিনি তা তোমাদের জন্য দ্বিগুন করে দিবেন এবং তোমাদের ক্ষমা করে দিবেন।"
উপরোক্ত আয়াতদ্বয়ে قرضا حسنا-এর قرض শব্দের শাব্দিক অর্থ-ঋণ,ধার বা কর্জ আর حسنة শব্দের অর্থ- অন্যের প্রতি দয়া করা,উত্তম কাজ করা,স্বেচ্ছায় অন্যের উপকার করা।
আয়াতে উল্লেখিত قرض حسنة-এর অন্তর্নিহিত মর্মার্থ হলো-
প্রথমত: "একনিষ্ঠভাবে আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে সম্পদ দান করা।" (তাফসীরে কুরতুবি)
অর্থাৎ আল্লাহকে কর্জে হাসানাহ দেওয়া বলতে আল্লাহর রাস্তায় আল্লাহর সন্তুষ্টির নিমিত্তে দান-সাদকাহ করা।
দ্বিতীয়ত:ইসলামি অর্থনীতির একটি পরিভাষা হলো 'কর্জে হাসানাহ'।আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য বিনা শর্তে মানুষকে ঋণ দিয়ে সহযোগিতা করাই কর্জে হাসানাহ।
অর্থাৎ যে ব্যক্তি প্রফুল্লচিত্তে মানুষকে অর্থ ধার দিয়ে দয়া প্রদর্শন করে,খোঁটা বা কষ্ট দেয় না এমনকি দ্রুত ঋণ পরিশোধের জন্য বিনা কারণে চাপ প্রয়োগ বা হয়রানিও করে না প্রকৃতপক্ষে সে যেন আল্লাহকে ঋণ দিয়েছে।
★★মানবিক সমাজ বিনির্মানে কর্জে হাসানাহর গুরুত্বঃ
১. মূলত: সমাজের মানুষকে ঋণ দেওয়া মানে আল্লাহকে ঋণ দেওয়া আর মানুষকে ঋণ না দেওয়া মানে আল্লাহকে ঋণ না দেওয়া। যেমন হাদীসে কুদসিতে এসেছে- "আমি আমার বান্দার কাছে ঋণ চেয়েছিলাম কিন্তু সে আমাকে ঋণ দেয়নি।"
২.কর্জে হাসানাহ মূলত দান সাদকাহর মতোই অতি উত্তম মানবিক কাজ।কেননা,রাসূল (সাঃ) বলেছেন- كل قرض صدقة অর্থাৎ প্রত্যেক কর্জই সদক্বাহ।
৩.দানের অর্থ ফেরত পাওয়া যায় না বরং প্রতিদান হিসেবে আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ ও পরকালীন সওয়াব পাওয়া যায় অথচ 'কর্জে হাসানাহ'র অর্থ ফেরত পাওয়া যায়,সওয়াব অর্জন হয় এবং আল্লাহর সন্তুষ্টিও লাভ করা যায়।সেই দৃষ্টিকোণ থেকে 'কর্জে হাসানাহ' দানের চেয়েও উত্তম।
৪.হযরত আবু দারদা (রা.)বলেন-
‘কাউকে দুই দিনার ঋণ দেওয়া আমার কাছে এই দুইটি দিনার কাউকে সদকা হিসেবে দিয়ে দেওয়ার চেয়ে বেশি প্রিয়।’ (ইবনে আবি শায়বা,হাদিস:২২৬৮২)
৫.কুরআন ও হাদিসের আলোকে 'কর্জে হাসানাহ' সাধারণ দান-সাদক্বাহর চেয়ে অধিক গুরুত্বপূর্ণ আমল।যেমন হাদিসে প্রিয় নবীজি ﷺ বলেছেন-
'আমি বললাম, হে জিবরীল,কর্জ দান-সাদকার চেয়ে উত্তম হওয়ার কারণ কী?' তিনি বললেন, ‘ভিক্ষুক নিজের কাছে (সম্পদ) থাকতেও ভিক্ষা চায়,কিন্তু কর্জ চাওয়া ব্যক্তি প্রয়োজন ছাড়া কর্জ চায় না।’ (সুনান ইবনু মাজাহ;২৪৩১)
★★কর্জে হাসানাহ আমলের দিক থেকেই কেবল উত্তম এমন নয় বরং সওয়াবের ক্যালকুলেশনেও অধিক সওয়াবের কাজঃ
১.হাদীসের ভাষ্যমতে 'কর্জে হাসানা' প্রদানে দান-খয়রাতের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ সওয়াব।
হযরত আনাস ইবনে মালেক (রা.) বর্নিত হাদিসে নবীজি ﷺ বলেছেন-
‘মিরাজের রাতে আমি জান্নাতের একটি দরজায় লেখা দেখলাম,দান-সাদকায় দশ গুণ সওয়াব এবং 'কর্জে হাসানাহ' আঠারো গুণ সওয়াব।
২.সমাজের মানুষের বিপদ-আপদ ও অভাবে কর্জ দিয়ে সহযোগিতা করার প্রতিদান হিসেবে আল্লাহ তায়ালা পরকালের কঠিন মূহুর্তে বান্দাকে বিপদমুক্ত করার প্রতিশ্রু দিয়েছেন।যেমন রাসূল সাঃ বলেছেন-
مَنْ نَفَّسَ عَنْ مُؤْمِنٍ كُرْبَةً مِنْ كُرَبِ الدُّنْيَا نَفَّسَ اللَّهُ عَنْهُ كُرْبَةً
مِنْ كُرَبِ يَوْمِ الْقِيَامَةِ
"যে ব্যক্তি কোন মুমিনের দুনিয়ার বিপদ সমূহ থেকে একটি বিপদ দূরভীত করবে আল্লাহ তাআলা কিয়ামত দিবসের বিপদ সমূহ থেকে তার একটি বিপদ দূরভীত করবেন।"
★★মানবিক সমাজে অমানবিক কার্যক্রমের চিত্রঃ
১.কুরআন ও হাদিসে 'কর্জে হাসানাহ'র গুরুত্ব ও ফজিলত দান সাদকাহর চেয়ে বেশি হওয়া সত্বেও আমাদের মুসলিম সমাজে দানশীল লোকের তুলনায় কর্জ দেওয়ার লোকের বড্ড অভাব।
২.সমাজে দুই ঈদ সহ বিভিন্ন সময়ে ঘটা করে দান সাদক্বাহ করার প্রচলন থাকলেও 'কর্জে হাসানাহ' প্রদানে সমাজ একেবারেই পিছিয়ে আছে।
৩.কেউ কেউ তো একেবারেই কর্জ দিতে নারাজ এই অজুহাতে যে কর্জ বা ধার দিলে সময়মতো ফেরত পাওয়া যায় না।
৪.আবার এমনও বলতে শুনা যায়,ধার দেওয়ার সময় যেমন সম্পর্ক থাকে ধারের টাকা ফেরত চাওয়ার সময় আর সেই সম্পর্ক অটুট থাকে না।
৫.এরকম নানাবিধ যৌক্তিক কারণেই 'কর্জে হাসানাহ'র আমলগত প্র্যাক্টিস বিলীন।
৬.এছাড়াও আমাদের কর্জ প্রদানের মাহাত্ম্য ও ঋণ পরিশোধের গুরুত্ব সম্পর্কে ইসলামের মৌলিক ও যথার্থ জ্ঞানের যথেষ্ট অভাব রয়েছে।
৭.সেই সাথে উত্তম আমলের ক্ষেত্রে ভারসাম্য শরীয়াহর অজ্ঞতাও এর অন্যতম কারণ।
★★হাদীসে নবী করিম সাঃ শুধুমাত্র কর্জ প্রদানের গুরুত্ব ও ফজিলতই বর্ণনা করেন নি বরং কর্জ বা ঋণ পরিশোধে যথেষ্ট নিম্নরূপ তাগিদও দিয়েছেনঃ
১.শরীয়াহ আইন অনুযায়ী কর্জ গ্রহণ বৈধ কিন্তু পরিশোধ করা ওয়াজিব।
২.কর্জ নেওয়ার পর তা উত্তমরূপে পরিশোধে করতে হবে।সহীহ্ বোখারীর হাদিসে বর্ণিত হয়েছে-فَإِنَّ خَيْرَكُمْ أَحْسَنُكُمْ قَضَاءً
"তোমাদের মধ্যে উত্তম লোক সেই,যে উত্তমরূপে ঋণ পরিশোধ করে।"
৩.ঋণ পরিশোধ করাকে প্রিয় নবী সাঃ সওয়াবের কাজ বলে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি বলেছেন-
"যে ব্যক্তি ঋণ দাতার নিকট পাওনা পরিশোধ করার নিমিত্তে গমন করবে তখন জমিনের চতুষ্পদ জন্তু ও পানির মাছ তার জন্য দোয়া করতে থাকবে।আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তার প্রতিটি পদক্ষেপের জন্য জান্নাতে একটি করে গাছ রোপণ করবেন এবং একটি করে গুনাহ মাফ করে দিবেন।" (বায়হাকি)
★★ঋণ পরিশোধ অবহেলা বা গড়িমসির ভয়াবহ পরিণতিঃ
১.ঋণ আদায়ে গড়িমসি করা জুলুম বলে আখ্যায়িত করে নবী সাঃ বলেন-مَطْلُ الْغَنِيِّ ظُلْمٌ অর্থাৎ সামর্থ্যবান ব্যক্তির (ঋণ আদায়ে)গড়িমসি করা জুলুম।
২.শুধু তাই নয় বরং সামর্থ্য থাকা সত্বেও যে ঋণ পরিশোধ করে না তাকে রাসূল সাঃ চোর বলে ঘোষণা করেছেন।যেমন ইবনে মাজাহ র হাদিসে এসেছে-
"যে ব্যক্তি ঋণ গ্রহণ করলো এই নিয়তে যে সে তা ঋণদাতাকে পরিশোধ করবে না,তবে কিয়ামতের দিন সে চোর হিসেবে আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করবে।"
৩.এমনকি "মুমিন ব্যক্তির রুহ তাঁর ঋণের কারণে ঝুলন্ত অবস্থায় থাকে,যতক্ষণ না তাঁর পক্ষ থেকে তা পরিশোধ করা হয়।" (ইবনে মাজাহ:২৪১৩)
৪.ঋণ পরিশোধ করা এতটাই গুরুত্বপূর্ণ যে শহীদের সব গুনাহ ক্ষমা করা হলেও ঋণ পরিশোধ না করার গুনাহ ক্ষমা করা হবে না। তাই রাসূল সাঃ বলেছেন-
"ঋণ ব্যতীত শহীদের সব গুনাহই ক্ষমা করে দেওয়া হবে।" (মুসলিম: ৪৭৭৭)
★★ঋণখেলপীর বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণঃ
সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও যদি কেউ সময়মতো ঋণ পরিশোধে না করে অবহেলা করে তবে তার বিরুদ্ধে রাসূল সাঃ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।তাই তিনি বলেছেন-
"যে সচ্ছল ব্যক্তি কোনো দেনা পরিশোধ করতে গড়িমসি করে,তাকে অপমান(তার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা) এবং শাস্তি দেওয়া(জেলখানায় বন্দী করা) আমার জন্য হালাল।"(ইবনে মাজাহ ২৪২৭)
★★পরকালে ঋণের বিপকল্প হিসেবে সওয়াব ও গুণাহ ট্রান্সফার সিস্টেমঃ
ঠিক একইভাবে ঋণখেলাপী ব্যক্তি ঋণ পরিশোধ না করে মারা গেলে পরকালে তাকে সওয়াব দিয়ে ঋণ পরিশোধ করতে হবে কর্জদাতা দাবী করলে এমনকি তার আমলনামার সব সওয়াব যদি শেষ হয়ে যায় তারপরও পাওনা থেকে যায় তবে পাওনাদারের গুনাহ লোকটির আমলনামায় যোগ করে দিয়ে হলেও আল্লাহ পাক ঋণ পরিশোধ করে দিবেন।
★★অভাবী ঋণগ্রস্তকে অবকাশ দেওয়ার মাহাত্ম্যঃ
১.কর্জে হাসানাহ যেহেতু একটি মানবিক ও সামাজিক কল্যানমূলক অতি উত্তম আমল তাই রাসূল সাঃ ঋণগ্রহীতার ওপর জুলুম বা কষ্টদায়ক আচরণ না করে বরং অবকাশ দিতেই নসিহত প্রদান করেছেন।
২.অবকাশ দেওয়ার বিনিময়ে অনেক অনেক সওয়াব লাভের সুখবর দিয়েছেন।
৩.অভাবী ঋণগ্রস্ত ব্যক্তির প্রতি সদ্ব্যবহার করা ও তাকে অবকাশ দেওয়ার কারণে আল্লাহ পাক আখেরাতের কঠিন মূহুর্তে কর্জদাতার হিসেবেও সহজ করে দিবেন।যেমন রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন-
‘যে ব্যক্তি অস্বচ্ছল (ঋণগ্রস্ত) ব্যক্তিকে অবকাশ দিবে,আল্লাহ দুনিয়া ও আখেরাতে তার সাথে সহজ ব্যবহার করবেন। (সূনান ইবনে মাজাহ:২৪১৭)
৪.আবার অভাবী ঋণগ্রস্তকে ঋণ পরিশোধে অবকাশ দিলে প্রতিদিন ঐ পরিমাণ অর্থ দান করার সওয়াব পাওয়া যায়।হযরত বুরায়দা আল-আসলামী (রা.) থেকে বর্ণিত একটি হাদিসে নবী সাঃ বলেন-
"যে ব্যক্তি (ঋণগ্রস্ত) অভাবী ব্যক্তিকে অবকাশ দিবে, সে দান-খয়রাত করার সওযাব পাবে।"( ইবনে মাজাহ)
৫."আর যে ব্যক্তি ঋণ শোধের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও সময় বাড়িয়ে দিবে সেও প্রতিদিন দান-খয়রাত করার সওয়াব পাবে।" (ইবনে মাজাহ: ২৪১৮)।
৬.এমনকি ঋণের মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগ পর্যন্ত যা সওয়াব মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার পরে আরও অবকাশ দিলে তার চেয়ে ডাবল সওয়াব লাভের সুযোগ রয়েছে।যেমন- হযরত বুরায়দা রাঃ থেকে মুসনাদ আহমদে একটি গুরুত্বপূর্ণ হাদিস বর্ণিত হয়েছে।সেখানে রাসূল সাঃ বলেছেন-
" بِكُلِّ يَوْمٍ صَدَقَةٌ قَبْلَ أَنْ يَحِلَّ الدَّيْنُ"
"ঋণের মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগ পর্যন্ত প্রতিদিন ঋণের সমপরিমাণ দানের সাওয়াব হবে।
فَإِذَا حَلَّ الدَّيْنُ فَأَنْظَرَهُ فَلَهُ بِكُلِّ يَوْمٍ مِثْلَيْهِ صَدَقَةٌ
অতঃপর যখন মেয়াদ পূর্ণ হয়ে যাবে—কিন্তু ঋণ আদায়ে অক্ষমতা প্রকাশ করবে—তখন যদি আবার সময় বাড়িয়ে দেওয়া হয়,তাহলে প্রতিদিন দ্বিগুণ দানের সাওয়াব হবে।" (সোবহান আল্লাহ)
৭.অভাবী ঋণগ্রস্তকে ক্ষমা করার বদৌলতে আল্লাহ পাক তাকে অনুগ্রহের ছায়ায় আশ্রয় দান করেন।রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন-
"যে লোক অভাবী ঋণগ্রস্তকে সুযোগ প্রদান করে অথবা ঋণ মাফ করে দেয়,কিয়ামতের দিবসে আল্লাহ্‌ তায়ালা তাকে নিজ আরশের ছায়ায় আশ্রয় প্রদান করবেন, যেদিন তার আরশের ছায়া ছাড়া আর কোন ছায়া থাকবে না।" (সূনান আত তিরমিযী: ১৩০৬)
৮.অভাবী ঋণগ্রস্তকে ক্ষমা করার মতো মানবিকতার পরিচয় দিলে আল্লাহ পাকও তাকে পরকালে ক্ষমা করবেন। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন-
"এক ব্যক্তির লোকদের কর্জ দিত;যখন সে কোন গরীবকে দেখতো,তখন সে তার চাকরকে বলতোঃ তাকে ক্ষমা করে দাও,হয়তো আল্লাহ্‌ তাআলা এর বিনিময়ে আমাদেরকে ক্ষমা করবেন।এরপর লোকটির মৃত্যুর পর আল্লাহ্‌ তাআলার দরবারে উপস্থিত হলে, আল্লাহ্‌ তাআলা তাকে ক্ষমা করে দিলেন।"

[সুনানে আন-নাসায়ী, হাদিস নং ৪৬৯৫]

আনিছুর রহমান
প্রভাষক,
আলহেরা ফাজিল মাদরাসা,
টাউন নওয়াপাড়া,ফকিরহাট,বাগেরহাট।

আলহামদুলিল্লাহ, গত ডিসেম্বর মাসে এক ছোট ভাই সৌদি যাবার জন্য তার সব কিছু হবার পর তার টিকেট কাটার জন্য টাকার ক্রাইসিসে আমা...
03/01/2026

আলহামদুলিল্লাহ, গত ডিসেম্বর মাসে এক ছোট ভাই সৌদি যাবার জন্য তার সব কিছু হবার পর তার টিকেট কাটার জন্য টাকার ক্রাইসিসে আমাদের কাছে সমস্ত কিছু পরিস্কারভাবে উপস্থাপন করার পর আমাদের টিমের সর্বসম্মতিক্রমে নগত ২০০০০(বিশ হাজার টাকা) সহায়তা করা হয়েছে।

সে এইটাকা আগামী দুই মাসের মধ্যে আমাদের হস্তান্তর করতে সর্ব লিখিত সদয় সম্মতি দিয়েছেন।

আমাদের টিম সাধ্যের মধ্যে যখনই কারো দরকারে আমাদের কাছে আসেন আমরা চেস্টা করি তাদের পাশে দাঁড়াতে।

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা আমাদের ছোট ছোট প্রচেষ্টা গুলো দুনিয়া ও পরকালের জন্য নাজাতের অসিলা করে দেন। আমিন।

27/12/2025

আসসালামু আলাইকুম ওয়া
রাহমাতুল্লাহ,
আলহামদুলিল্লাহ,
আমাদের কার্যক্রম সীমিত পরিসরে চলমান আছে।

Address

Dhaka
1212

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আগন্তুক কর্জে হাসানাহ প্রোজেক্ট posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share