JNU Islamic Library - Female Zone

Directions

JNU Islamic Library - Female Zone Islamic Library Association (ILA) কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত অরাজনৈতিক লাইব্রেরি প্লাটফর্ম ✨
"বইয়ের আলোয় ঈমানের পথে"

23/09/2026

দান-সদকাহ্ এমন এক আমল, যে আমলের প্রতিদান আমলকারী দুনিয়াতেই পেয়ে যায়!

আপনি দান করবেন, আর ওই দানের উসিলায় হয় আপনার সম্পদ-রিজিক বৃদ্ধি পাবে, নয়তো রোগ-বালাই দূর হবে। নাহয় সম্মান বাড়বে, লাঞ্ছিত হওয়া থেকে আল্লাহ পানাহ দিবেন।
এমনকি দানের উসিলায় আপনার দুআও কবুল হবে। মোট কথা, দানের বেনিফিট আপনি পাবেনই পাবেন।

সবচেয়ে মারাত্মক উপকারী দান হলো গোপন দান! যত বেশি গোপন দান করবেন, তত বেশি জীবনে উন্নতি দেখতে পাবেন। কোথা থেকে, কীভাবে, কী হচ্ছে,ভেবেই পাবেন না যেন!

নিয়মিত আল্লাহর রাস্তায় দানকারী মানুষেরা দানের এমন সব ফায়দা পায় যে, দান-সদকাহ্-কে তারা নিজেদের 'অভ্যাস' বানিয়ে নেয়।

22/09/2026

দুইটা ❝গোল্ডেন টাইম❞ প্রতিদিন আসে,যে সময়গুলোতে দুআ কবুল হয়।

এক. ৫ ওয়াক্ত সালাতের আযান ও ইকামাতের মধ্যবর্তী সময়!

এই সময়টা দুআ কবুলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সহীহ্ হাদিসে স্পষ্টভাবে এসেছে,আযান ও ইকামাতের মধ্যবর্তী সময়ে করা দুআ ফেরত দেওয়া হয় না।

দুই. শেষ রাত!

এই সময়টার কথা তো সবাই জানেনই। দুনিয়ার সব উপায় ব্যর্থ হয়ে গেলেও, শেষ রাতের সালাতের দুআ ব্যর্থ হয় না। যে তালা পৃথিবীর কোনো চাবি দিয়েও খোলা যায় না, সেই তালাও খুলে যেতে পারে শেষ রাতের দুআয়!

যাদের জীবনে বড় বড় স্বপ্ন আছে, দুআ কবুল হওয়ার আশা রাখেন, বিপদে পড়েছেন কিংবা দুনিয়া ও আখিরাতে সম্মানিত,সফল হতে চান,এই সময়গুলোতে বেশি বেশি দুআ করুন।

আল্লাহর কাছে চাইতে থাকুন। বারবার চাইতে থাকুন। দুআ কবুল হবেই, ইনশাআল্লাহ।

#দুআটিপস

21/09/2026
20/09/2026

কোনো ব্যক্তির জীবনে যা কিছুই ঘটুক না কেন,
তা উপকারী হোক বা ক্ষতিকর, সবই তার জন্য পূর্বনির্ধারিত।

#সীরাহ

শিশুর মনে ইমানের বীজ বপন করবেন কীভাবেশিশুর অন্তরে বিশ্বাসের বীজ রোপণ করা একটি সংবেদনশীল, মনস্তাত্ত্বিক ও মমতাময় শিল্প। র...
20/09/2026

শিশুর মনে ইমানের বীজ বপন করবেন কীভাবে

শিশুর অন্তরে বিশ্বাসের বীজ রোপণ করা একটি সংবেদনশীল, মনস্তাত্ত্বিক ও মমতাময় শিল্প। রাসুল (সা.) মানবশিশুর এই সহজাত পবিত্রতার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে ঘোষণা করেছিলেন, “প্রত্যেক শিশুই ফিতরাত বা নিষ্কলুষ স্বভাবধর্মের ওপর জন্মগ্রহণ করে; অতঃপর তার মা-বাবাই তাকে ভুল জীবনাদর্শের দিকে পরিচালিত করে।” (সহিহ বুখারি, হাদিস: ১৩৫৮)

শিশুর মন উর্বর এক টুকরো নরম মাটির মতো; সেখানে বিশ্বাসের ফুল ফোটাতে হলে প্রয়োজন বয়সের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ এক সুষম ও প্রজ্ঞাপূর্ণ শিক্ষাপদ্ধতি।

মুখস্থ নয়, কৌতূহলের পাঠ

আমাদের প্রচলিত ধারায় ধর্মশিক্ষার অর্থই দাঁড়িয়ে গেছে কিছু আরবি শব্দ তোতাপাখির মতো মুখস্থ করানো। এতে হয়তো স্মৃতিশক্তির কসরত হয়, কিন্তু শিশুর অন্তরে আল্লাহর প্রতি কোনো আত্মিক টান বা ভালোবাসার অনুরণন তৈরি হয় না।

বিশ্বাসের ভিত্তিটি গড়ে তুলতে হবে কৌতূহলোদ্দীপক পর্যবেক্ষণ পদ্ধতির মাধ্যমে।

শিশুরা স্বভাবজাতভাবেই কৌতূহলী। তারা প্রতিনিয়ত চারপাশের জগতকে দেখে বিস্মিত হয়। একজন সচেতন অভিভাবক প্রকৃতির এই বিস্ময়কে স্রষ্টার পরিচয়ের সাথে যুক্ত করে দিতে পারেন।

বাগানে ফোটা একটি রঙিন ফুল দেখিয়ে, আকাশের তারার মেলা দেখিয়ে কিংবা পাখির নীড় বানানোর নিখুঁত কারুকাজ দেখিয়ে শিশুকে জিজ্ঞাসা করা যায়, ‘কে এই সূর্যটাকে প্রতিদিন সঠিক সময়ে আকাশে নিয়ে আসেন?’ কিংবা ‘ছোট্ট চড়ুইটি কোনো স্কুলে না গিয়েও কীভাবে এত সুন্দর করে নিজের বাসা তৈরি করতে শিখল?’

শিশুর চিন্তাশক্তিকে যখন এভাবে জাগিয়ে তোলা হয়, তখন সে নিজের ভেতর গভীরভাবে অনুভব করে যে এই সবকিছুর পেছনে এক দয়ালু ও নিখুঁত কারিগর আছেন।

কোরআনে আছে লোকমান হাকিম তাঁর পুত্রকে অমূল্য উপদেশ দিয়েছিলেন, “হে আমার বৎস, কোনো কিছু যদি সরিষার দানা পরিমাণও ক্ষুদ্র হয়, অতঃপর তা যদি থাকে কোনো পাথরের গর্ভে কিংবা আকাশে বা মাটির গভীরে—আল্লাহ তাও উপস্থিত করবেন; নিশ্চয়ই আল্লাহ অতি সূক্ষ্মদর্শী, সর্বজ্ঞ।” (সুরা লোকমান, আয়াত: ১৬)

কোনো মা-বাবা যদি সন্তানকে দিনভর সত্য কথা বলার উপদেশ দেন, অথচ নিজেরা কথায় কথায় মিথ্যা বলেন কিংবা পরনিন্দা করেন—তবে শিশুর চোখে সেই উপদেশের কোনো মূল্য থাকে না।

উপদেশের চেয়ে আচরণ বড়

শিশুরা কান দিয়ে যা শোনে, তার চেয়ে চোখ দিয়ে যা দেখে তা অনেক বেশি বিশ্বাস করে এবং অনুকরণ করে। কোনো মা-বাবা যদি সন্তানকে দিনভর সত্য কথা বলার উপদেশ দেন, অথচ নিজেরা কথায় কথায় মিথ্যা বলেন কিংবা পরনিন্দা করেন—তবে শিশুর চোখে সেই উপদেশের কোনো মূল্য থাকে না।

পরিবারের আবহ যদি হয় শ্রদ্ধাপূর্ণ ও শান্তিময়, তবে শিশুর মনের গভীরে ধর্মের সৌন্দর্য এমনিতেই জায়গা করে নেয়। বাবা যখন ঘরের কোণে পরম বিনয়ে জায়নামাজে দাঁড়ান, মা যখন ভোরের আলোয় প্রশান্ত মনে কোরআন পাঠ করেন কিংবা খাবার টেবিলে বসে আল্লাহর শোকরিয়া আদায় করেন—তখন সেই দৃশ্য শিশুর স্মৃতিপটে এক পবিত্র ছাপ ফেলে যায়।

একইভাবে রমজান কিংবা ঈদের মতো ধর্মীয় উৎসবগুলো শুধু আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব হিসেবে না দেখে আনন্দঘন পারিবারিক অভিজ্ঞতায় রূপ দেওয়া যায়।

পরিবারের সবাই মিলে খোলামনে হাসিমুখে কথা বলা এবং অভাবী প্রতিবেশীর ঘরে মিষ্টি পৌঁছে দেওয়ার শিক্ষা শিশুর কাছে ধর্মকে পরম ভালোবাসার এক আশ্রয় হিসেবে উপস্থাপন করে।

মানসিক বিকাশের চার ধাপ

একটি শিশুর চিন্তাশক্তি ও আবেগ সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বদলায়। শিশুর মনস্তত্ত্ব অনুযায়ী বিশ্বাসের এই পাঠকে চারটি ধাপে সাজানো যায়:

জন্ম থেকে দুই বছর: এই বয়সটিকে বলা যায় মানসিক প্রস্তুতির পর্ব। শিশুর মনে যখন মা-বাবার ভালোবাসা ও নিরাপত্তার অনুভূতি সুদৃঢ় হয়, তখনই সে অন্যের ওপর আস্থা রাখতে শেখে। এই সময়ে শিশুকে কোলে নিয়ে ‘আল্লাহ তোমাকে অনেক ভালোবাসেন’—এমন ইতিবাচক কথা শোনানো তার অবচেতনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।

তিন থেকে ছয় বছর: এ বয়সে শিশুরা বড়দের হুবহু নকল করতে ভালোবাসে। এ সময় তাদের নবীদের জীবনের আকর্ষণীয় ও মানবিক গল্পগুলো শোনানো উচিত—যেখানে দয়া, সাহসিকতা ও ন্যায়বিচারের উদাহরণ রয়েছে।

সাত থেকে বারো বছর: এ সময় তাকে দৈনন্দিন ইবাদতের নিয়মানুবর্তিতার সাথে পরিচয় করিয়ে দিতে হয়। রাসুল (সা.) নির্দেশ দিয়েছেন, “তোমরা তোমাদের সন্তানদের সাত বছর বয়সে নামাজের নির্দেশ দাও এবং দশ বছর বয়সে (প্রয়োজনে শাসনের মাধ্যমে) অভ্যস্ত করো।” (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ৪৯৫)

তেরো থেকে আঠারো বছর: বয়ঃসন্ধিকালে তরুণ মনে নানা ধরনের দার্শনিক ও যৌক্তিক প্রশ্নের জন্ম নেয়। এ সময় তাদের কোনো কৌতূহল বা সংশয়কে ‘পাপ’ বা ‘বেয়াদবি’ বলে থামিয়ে দেওয়া চরম ভুল।

বরং বন্ধুর মতো তাদের দ্বিধাগুলো শুনতে হবে, খোলামেলা যুক্তি দিয়ে কথা বলতে হবে এবং তাদের আত্মমর্যাদাকে সম্মান জানাতে হবে।

তিনি রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে তাকে বিছানায় শুয়ে মনে মনে তিনটি বাক্য তিনবার উচ্চারণ করার অভ্যাস করিয়েছিলেন, “আল্লাহ আমার সঙ্গে আছেন, আল্লাহ আমাকে দেখছেন, আল্লাহ আমার সাক্ষী।”
ইমাম গাজ্জালির তিন স্তরের শিক্ষা

ইমাম গাজ্জালি চমৎকার তিন ধাপের রূপরেখা তুলে ধরেছেন এবং দেখিয়েছেন কীভাবে একটি কোমল হৃদয় পূর্ণাঙ্গ বিশ্বাসে উপনীত হয়:

১. মুখস্থ: শৈশবে সহজ কিছু বাণী ও পবিত্র কোরআনের আয়াত শিশুর স্মৃতিতে বুনে দেওয়া।

২. বোধ: বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেই মুখস্থ করা শব্দগুলোর পেছনের মানবিক ও দার্শনিক মর্মার্থ পরম মমতায় বুঝিয়ে দেওয়া।

৩. অবিচল বিশ্বাস: বাস্তব জীবনের অভিজ্ঞতা ও নৈতিক আচরণের মধ্য দিয়ে সেই উপলব্ধিকে অন্তরের এমন এক অটুট বিশ্বাসে রূপান্তর করা, যা কোনো ঝড়েই টলে যায় না। (আল-গাজ্জালি, ইহইয়াউ উলুমিদ্দিন, ১/৯৪, দারুল মারিফাহ, বৈরুত, ১৯৮২)

তিন শব্দের দীক্ষা

সুফি সাধক সাহল ইবনে আবদুল্লাহ আত-তুসতারি যখন মাত্র তিন বছরের ছোট্ট বালক, তখন তাঁর মামা মুহাম্মদ ইবনে সুওয়ার তাঁকে একটি শিক্ষা দিয়েছিলেন।

তিনি রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে তাকে বিছানায় শুয়ে মনে মনে তিনটি বাক্য তিনবার উচ্চারণ করার অভ্যাস করিয়েছিলেন, “আল্লাহ আমার সঙ্গে আছেন, আল্লাহ আমাকে দেখছেন, আল্লাহ আমার সাক্ষী।”

মামা কোনো তাড়াহুড়ো করেননি। শিশু সাহল যখন এই তিন বাক্যে অভ্যস্ত হয়ে উঠলেন, তখন মামা এর সংখ্যা ধীরে ধীরে বাড়িয়ে দিলেন। কয়েক বছরের ব্যবধানে এই সহজ পাঠটি সাহলের অন্তরে বিশ্বাসের উপস্থিতি ও ভালোবাসার অনুভূতি স্থায়ী করে দিয়েছিল।

পরবর্তী জীবনে সাহল যখন বড় হলেন, তখন তিনি আর কোনো নির্জনতায় বা সংকটে একা বোধ করেননি; তিনি পরিণত হয়েছিলেন সমকালীন বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রজ্ঞাবান ব্যক্তিতে। (আল-গাজ্জালি, ইহইয়াউ উলুমিদ্দিন, ৩/৭৩, দারুল মারিফাহ, বৈরুত, ১৯৮২)

অভিভাবকের আন্তরিক প্রার্থনা

সাহল আত-তুসতারির এই অভিজ্ঞতা থেকে বর্তমানের যেকোনো শিক্ষক ও অভিভাবক কয়েকটি মৌলিক শিক্ষা গ্রহণ করতে পারেন:

ধৈর্য ও ধারাবাহিকতা: শিশুদের কোনো ভালো অভ্যাস এক দিনে গড়ে ওঠে না। তাড়াহুড়ো করে দ্রুত ফল পাওয়ার আশা না করে বছরের পর বছর ধরে স্নেহমাখা অনুশাসনে কাজ করে যেতে হয়।

ইতিবাচক উদ্দীপনা: সন্তানের ভালো কাজের মুক্তকণ্ঠে প্রশংসা করতে হবে। ‘শাবাশ’, ‘আল্লাহ তোমার মঙ্গল করুন’ কিংবা ‘আমি তোমাকে নিয়ে গর্বিত’—এই ছোট ছোট বাক্যগুলো শিশুর আত্মবিশ্বাসকে বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।

দোয়া ও সমর্পণ: নিজের চেষ্টার পাশাপাশি সন্তানের কল্যাণ ও শুদ্ধতার জন্য নিয়মিত আল্লাহর দরবারে কায়মনোবাক্যে প্রার্থনা করা একজন অভিভাবকের চিরন্তন আশ্রয়।

পবিত্র কোরআনে বিশ্বাসীদের প্রার্থনা এভাবেই শিখিয়ে দেওয়া হয়েছে, “হে আমাদের প্রতিপালক, আমাদের জীবনসঙ্গী ও সন্তানদের আমাদের জন্য চোখের শীতলতা বানিয়ে দিন এবং আমাদের খোদাভীরুদের জন্য আদর্শ স্বরূপ করুন।” (সুরা ফুরকান, আয়াত: ৭৪)

©
18/09/2026

©

13/09/2026

আল্লাহ তাআলা বলেন, “যে ব্যক্তি কোরআন তেলাওয়াত এবং আমার যিকরে ব্যস্ত থাকার কারণে আমার কাছে কিছু চাওয়া থেকে বিরত থাকে, আমি তাকে সওয়ালকারী বা প্রার্থনাকারীদের দেওয়া সেরার চেয়েও উত্তম দান করি। আর অন্যান্য কথার ওপর আল্লাহর কালামের বাণীর মর্যাদা যেমন আল্লাহর মর্যাদা তাঁর সৃষ্টির ওপর, তেমনি।” (সুনান আত-তিরমিজি: ২৯২৬) [1]

আব্দুল্লাহ ইবনু আমর ইবনুল আস [রা.] বলেছেন, একবার আমরা রাসূলুল্লাহর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পাশে ছিলাম, তিনি তখন ...
13/09/2026

আব্দুল্লাহ ইবনু আমর ইবনুল আস [রা.] বলেছেন, একবার আমরা রাসূলুল্লাহর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পাশে ছিলাম, তিনি তখন ফিতনার ব্যাপারে আলোচনা করছিলেন। তিনি বললেন,
«إِذَا رَأَيْتُمُ النَّاسَ قَدْ مَرِجَتْ عُهُودُهُمْ، وَخَفَّتْ أَمَانَاتُهُمْ، وَكَانُوا هَكَذَا»
"তোমরা যখন দেখবে, মানুষের ওয়াদা নষ্ট হয়ে গেছে, তাদের আমানতদারী কমে গেছে এবং তারা এরূপ হয়ে গেছে।"
- এ বলে তিনি তাঁর হাতের আঙ্গুলসমূহ পরস্পরের মধ্যে মিলালেন।
আব্দুল্লাহ [রা.] বলেন,
একথা শুনে আমি দাঁড়িয়ে তাঁকে বললাম, আল্লাহ আমাকে আপনার জন্যে উৎসর্গিত করুন! আমি তখন কি করবো?
জবাবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন,
«الْزَمْ بَيْتَكَ، وَامْلِكْ عَلَيْكَ لِسَانَكَ، وَخُذْ بِمَا تَعْرِفُ، وَدَعْ مَا تُنْكِرُ، وَعَلَيْكَ بِأَمْرِ خَاصَّةِ نَفْسِكَ، وَدَعْ عَنْكَ أَمْرَ الْعَامَّةِ»
"তুমি অত্যন্ত দৃঢ়ভাবে তোমার ঘরে অবস্থান করো, তোমার জবান সংযত রাখো, যা চেন তাই গ্রহণ করো এবং অজানাকে পরিত্যাগ করো। আর তোমার নিজের ব্যাপারে বিশেষভাবে সতর্ক হও এবং জনসাধারণের বিষয়গুলো ছেড়ে দাও"। [১]
c

আগস্ট মাসের বই বিলি আপডেট আলহামদুলিল্লাহ্ 🍂
06/09/2026

আগস্ট মাসের বই বিলি আপডেট আলহামদুলিল্লাহ্ 🍂

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when JNU Islamic Library - Female Zone posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share