Alokito Poth - আলোকিত পথ

Call Directions Website Contact the organization

Alokito Poth - আলোকিত পথ Tongi Branch
Routing No: 225331633


Keep an eye on our web site or YouTube channel or page for daily up-to-date news.

অতিদরিদ্র এবং অসহায় অটিস্টিক শিশুরা সুস্থ সুন্দর জীবন চায়। আপনার যাকাতের শক্তিতে বদলে যাবে অতি দরিদ্র অটিস্টিক শিশুদের জীবন। তা না হলে তারা ভিক্ষা করতে বাধ্য হবে। ২০১৮ সালের জানুয়ারি মাসের ঘটনা। ঢাকার উত্তরা ১২ নম্বর সেক্টর সংলগ্ন এক বস্তির পাশ দিয়ে যাচ্ছিলাম আমরা। দেখলাম ১১ বছরের একটা বাচ্চাকে কারা যেন বৈদ্যুতিক খুঁটিতে বেঁধে রেখেছে। আর অন্য কয়েকজন বাচ্চা জট পাকিয়ে এই ছোট বাচ্চাটি কে গালাগালি করছে। এমনকি থুতুও দিচ্ছে গায়ে। চমকে উঠলাম আমরা! কেন এমন হবে?

বাচ্চাটির হাতের বাঁধন খুলতে খুলতে জানতে পারলাম যে সে একজন অটিস্টিক শিশু বা বিশেষ শিশু। তার অপরাধ সে অন্য দশটা বাচ্চার মত সহজ স্বাভাবিকভাবে সবার সাথে মিশতে পারে না। তার মা রাস্তার একটি ভাতের হোটেলে রান্নাবান্নার কাজ করে। ছেলেটির বাবা রোড এক্সিডেন্টে মারা গেছেন। সে বিরক্ত করে বলেই তাকে বৈদ্যুতিক খুঁটিতে বেঁধে রাখা হয়েছে।

এই বিশেষ শিশুদেরকে নতুন সুস্থ জীবন দেওয়ার মানবিক তাগাদা থেকে আলোকিত পথ চ্যারিটি প্রতিষ্ঠান এর সৃষ্টি। বাংলাদেশে একমাত্র আমরাই সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ২০১৮ সালের জানুয়ারি মাস থেকে অতি দরিদ্র অটিস্টিক এবং প্রতিবন্ধী শিশুদের চিকিৎসা, খাদ্য সামগ্রী এবং শিক্ষা দিয়ে আসছি। ওদেরকে নিয়ে কাজ করা অনেক বেশী কষ্টসাধ্য এবং চ্যালেঞ্জিং।

আমদের এখানে বর্তমানে চিকিৎসাসেবা নিচ্ছে ৫২ জন শিশু এবং অপেক্ষমান আছে ১২৮ জন। আমাদের স্কুলে লেখাপড়া করছে ৩২ জন বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশু। সেই সাথে প্রতিমাসে আমরা অটিজমে আক্রান্ত ৭১ জন শিশুর পরিবারকে খাদ্য সামগ্রী প্রদান করছি। তা না হলে, হয় এই ছোট্ট ছোট্ট শিশুরা ভিক্ষা করতো নতু্বা বাসায় বন্দী থাকতো। এই শিশুদের পরিবারের কারো বাবা রিকশা চালান, কারো মা বাসা বাড়িতে কাজ করেন।

সমাজসেবা অধিদপ্তরে আমরা নিবন্ধিত হই ২০১৯ সালের জানুয়ারি মাসে। যার নিবন্ধন নাম্বার ঢ-০৯৭৫৬। চিকিৎসা দেওয়ার পাশাপাশি বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের বাবা মায়েদেরও প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। যাতে এই শিশুরা অতি দ্রুত সুস্থ স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারে। সেইসাথে প্রতিবন্ধী শিশুদের চলাফেরা করার জন্য বিভিন্ন ধরনের সহায়ক ডিভাইস প্রদান করছি আমরা।

বিনীত অনুরোধ, এই মহৎ কাজে আপনি আমাদের পাশে থাকুন। আপনি অথবা আপনার প্রতিষ্ঠান প্রতিমাসে বা বার্ষিকভাবে, যাকাত কিংবা এককালীন অনুদানের মাধ্যমে এই অসহায় ও দরিদ্র অটিস্টিক শিশুদেরকে সুস্থ করে তুলতে পারেন। আপনার মহৎ হৃদয়ের মাধ্যমেই বদলে যাবে তাদের জীবন।

পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তা'আলা ঘোষণা করেছেন, “তোমরা যে ব্যয়ই কর কিংবা যে কোন মানত কর, আল্লাহ নিশ্চয়ই তা জানেন” (সুরা আল-বাকারা, আয়াত: ২৭০)

যোগাযোগঃ

সহযোগী অধ্যাপক নুরুন নেছা
সাধারন সম্পাদক
আলোকিত পথ
মোবাইল- 01833342244

ঠিকানাঃ বাড়ী ২৭, রোডঃ ৫, সেক্টর ১৩, উত্তরা, ঢাকা।

অনুদান দিতেঃ

বিকাশ/ নগদ মার্চেন্ট (পেমেন্ট অপশন) 01833342244

ব্যাংক একাউন্টঃ

Alokito Poth
Current Deposit Account:
140-2851-887001
City Bank Ltd. Web: https://alokitopoth.com
Facebook: https://www.facebook.com/AlokitoPothCharity
YouTube: https://www.youtube.com/c/AlokitoPothBD
LinkedIn: https://www.linkedin.com/company/alokito-poth-charity-organisation

💔 একটা শিশুর প্রয়োজন আছে… কিন্তু পরিবারের সামর্থ্য নেই।”একটি শিশুর হাতে খাবারের বাটি, চোখে জল—আর ঘরে অপেক্ষা করছে অসুস্থ...
22/09/2026

💔 একটা শিশুর প্রয়োজন আছে… কিন্তু পরিবারের সামর্থ্য নেই।”একটি শিশুর হাতে খাবারের বাটি, চোখে জল—আর ঘরে অপেক্ষা করছে অসুস্থ মা।”


মেয়েটির নাম রুমি। “রুমি অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশু তার না বলা কথাগুলো তাই অনেক সময় বুঝতে হয় তার চোঁখ আর আচরণের ভাষায়।”“চুপচাপ ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে থাকে।ও কিছু বলতে পারে না… শুধুই ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে থাকে।” 💔
ক্ষুধা লাগলেও বলতে পারে না—
“মা, আমার ক্ষুধা লেগেছে।”
ব্যথা পেলেও বলতে পারে না—
“মা, আমার খুব কষ্ট হচ্ছে।”
কী চাই, কী ভালো লাগে, কী ভয় পায়—
অনেক সময় সেটাও মুখে প্রকাশ করতে পারে না।

আমার বাড়ি থেকে তার বাড়িটা খুব একটা বেশি দুরে না। না! ঠিক বাড়ি না, ওদেরটা বস্তি বাড়ি। জীর্ণ, ভাঙাচোরা একটা ছোপড়ি, বৃষ্টি হলেই চাল গড়িয়ে টিপটিপ করে পানি পড়ে। আর সেই ছোপড়িটাতেই ভিজে ভিজে রুমি আর তার অসহায় মা থাকে। ওর বাবা নাকি বিয়ে করে ওদের ফেলে চলে গেছে বহুবছর আগে। মা অসুস্থ! সুস্থ হলেই বা কি! আমাদের সমাজে মহিলারা আবার সন্তানদের খাবার জোগান দিতে শান্তিতে কাজ করতে পারে নাকি শকুনদের নজর এড়িয়ে! ওর মা ও শকুনের চোখ এড়ায়নি। যাক সে অন্য ঘটনা! সেসবে না যাই। আজকের কথা বলি।

রুমি সেই থেকে একাই ওর পরিবারের আর্নিং মেম্বার! আর্নিং মেম্বার বলতে ওই হাত পেতে দুটো যদি কোনরকমে পায়। সোজা কথা ভিক্ষুক ! আমি সেদিন গাড়ি করে বাড়ি ফিরছিলাম। বাড়ির কাছাকাছি আসতেই দেখলাম রুমি আমার প্রতিবেশী রহমান মিয়ার দরজায় হাত পেতে দাড়িয়ে!চোঁখ বেয়ে জল পড়ছে। খুব সম্ভবত রহমান মিয়ার কাছ থেকে খাবার চাইতে এসেছিলো। লোকটাকে আমি চিনি! যথেষ্ট নির্দয়,নিষ্ঠুর! রুমিকে মেরেছে বেশ বোঝা যাচ্ছে। রুমি তখন বাটি হাতে লোকটার পায়ে পড়ে কাঁদছে একটু খাবারের জন্য

চাচা! একটু খাবার দিন না চাচা! আমার মা খুব অসুস্থ চাচা!

কিন্তু না, রহমান চাচার মন গলেনি। রুমি জানেনা! এ শহর,এ শহরের মানুষ ঠিক কতটা নির্দয়। কিন্তু রহমান চাচার মন না গললে ও আমি আর থেমে থাকতে পারিনি। সেখানেই রহমান চাচাকে কথা শুনিয়ে আসি আর রুমিকে একটা দোকানে নিয়ে তৎক্ষণাৎ ওদের এক মাসের খাবারের ব্যবস্খা করে দেই। পরবর্তী মাসের খাবারের ব্যবস্থাও আমি করবো এ আশ্বাস নিয়ে রুমিকে সেই ছোপড়িঘরে রেখে চলে আসি। পেছন ফিরে তাকাতেই দেখি রুমির চোখে মুখে এক অন্যরকম প্রশান্তি! খুশির হাসি! আমার চোখ বেয়ে জল পড়ে। এক শিশুর খাবারের জোগান দেওয়ার খুশিতে। তার চোখে প্রশান্তির হাসি দেখে!

এ তো গেল এক রুমির কথা! এমন শত শত রুমি আমাদের চারপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। কেউ ছোপড়িতে, কেউ পথে, কেউ বা থালা হাতে দাড়িয়ে এক মুঠো খাবারের আশায় কোন রহমান চাচার দুয়ার দাড়িয়ে!

এ ছোট ছোট বাচ্চাগুলোর চোঁখে কষ্টের গভীরতা হয়ত বা আমার আপনার মত খুব কম মানুষের নজরে পড়ে! কিন্তু সবার চোখেই কি পড়ে! সবার ই কি তাদের জন্য হৃদয় কাঁদে?বুকে হাত দিয়ে বলুন তো ! পথে হাটতে হাটতে আপনি ও কি কখনো তাদের ক্ষুধার কষ্টে কাঁদতে দেখে থমকে দাড়িয়েছেন! আলতো করে ওদের ছোট হাত দুটি ধরে, " কেদো না, আমি আছি" বলে ওদের স্বান্তনা দিয়েছেন! কিংবা এক মুঠো খাবার দিয়ে ওদের মুখে হাসি ফোটানোর চেষ্টা করেছেন!

একবার ভেবে দেখুন তো !ওদের বয়সী আপনার আমার ও তো সন্তান আছে। আজ যদি কোন কারনে তাদের এ অবস্থায় পড়তে হতো! ক্ষুধার জ্বালায় পথে দাড়িয়ে কাদতো! কিংবা এক মুঠো খাবারের আশায় চুরি করতে গিয়ে গণপিটুনি খেয়ে মারা পড়তো! এমন কাহিনি তো আমরা হরহামেশাই পএিকাগুলোতে পড়ে থাকি!

আমরা প্রতিদিন কত কত খাবার নষ্ট করি! বাড়িতে,অফিসে কিংবা রেস্টুরেন্টে! অথচ এই শিশুগুলো কিংবা তাদের অসহায় মা তখনো একটু খাবারের আশায় আমাদের দিকে তাকিয়ে! বাচ্চাগুলোর সেই কষ্ট কেবল একজন মা ই জানে, অসহায় বাবাই বোঝে। যারা চাইলেও তাদের খাবার দিতে পারেনা। আর যাদের বাবা মা নেই তাদের কষ্টের কথা আর নাই বলি।

এই ছোট ছোট শিশুগুলোর মুখে হাসি ফোঁটাতে আর খাবারের জোগান দিতে বহুবছর ধরে আলোকিত পথ চেষ্টা করে এসেছে তাদের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে।


বাংলাদেশে একমাত্র আমরাই যারা অসহায় দরিদ্র পরিবারে জন্ম নেওয়া অটিজমে আক্রান্ত বাচ্চাদের জন্য কাজ করে আসছি বিগত ৮ বছর ধরে। নিয়মিত থেরাপি বিশেষ শিক্ষা ও ৭১ জন শিশুর খাদ্যের ব্যবস্থা করছে আলোকিত পথ।কিন্তু একা এত খাবার আলোকিত পথের পক্ষে জোগান দেওয়া সম্ভব হয়ে ওঠে না। আমাদের কাছে আরো ১২৮ জন অপেক্ষমান বাচ্চা রয়েছে যারা তাঁদের ন্যায্য টুকু পায়না আপনার একটু সহযোগিতার মাধ্যমেই আমরা তাদের পৌছে দিতে পারি প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী।

কিছুদিনের খাবারের ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়তো আমার আপনার জন্য খুব একটা কষ্টের কিছু না, কিন্তু ওই শিশুগুলোর কাছে তা সোনার হরিনের মত।

আমাদের এই পথচলায় আপনার সাহায্য একান্ত কাম্য। আপনার এই মানবিক কাজ ওদের একটু ভালোভাবে বাঁচার সুযোগ তৈরী করতে পারে

আসুন না, আমরা সবাই মিলে চেষ্টা করি এই ছোট ছোট পুতুলগুলোর চোখের জল মুছে দিতে! তাদের মুখে এক টুকরো হাসি ফোটাতে! আমাদের সন্তানগুলোর ক্ষুধার কষ্ট লাঘব করতে।

কারন কারো ক্ষুধার কষ্ট লাঘব করা মানে
আল্লাহর রহমতের দরজা খুলে যাওয়া।
জানেন তো !
জীবে প্রেম করে যেই জন, সেজন সেবিছে ইশ্বর।

রুমির গল্প এখানেই শেষ নয়। কারণ রুমির মতো আরও অনেক অটিজম শিশু আজও অপেক্ষা করছে একটু যত্ন, একটু খাবার আর একটি নিরাপদ ভবিষ্যতের।”

“গল্পের চরিত্রটিতে ব্যবহার করা রুমি নামটি কাল্পনিক। ”

আপনাদের সহযোগিতায় একটি পরিবারের ঘরে পৌঁছে যায় স্বস্তি। ❤️প্রতিমাসের মতো আজও আলোকিত পথ অতি দরিদ্র পরিবারে জন্ম নেওয়া বি...
15/09/2026

আপনাদের সহযোগিতায় একটি পরিবারের ঘরে পৌঁছে যায় স্বস্তি। ❤️

প্রতিমাসের মতো আজও আলোকিত পথ অতি দরিদ্র পরিবারে জন্ম নেওয়া বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের পরিবারগুলোর হাতে খাদ্য সহায়তা তুলে দেওয়া হয়েছে।

এই পরিবারগুলোর অনেকেই একদিকে সন্তানের চিকিৎসা, থেরাপি ও শিক্ষার চিন্তায় থাকেন, অন্যদিকে প্রতিদিনের খাবারের ব্যবস্থাও তাদের জন্য হয়ে ওঠে বড় চ্যালেঞ্জ। তাই নিয়মিত খাদ্য সহায়তার মাধ্যমে আমরা চেষ্টা করি অন্তত এই একটি দুশ্চিন্তা তাদের কিছুটা হলেও কমিয়ে দিতে।

আলোকিত পথের এই খাদ্য সহায়তা কার্যক্রম শুধু কিছু খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেওয়া নয়—এটি একটি পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর ছোট্ট একটি প্রচেষ্টা। আমরা চাই এই পরিবারগুলোর পাশে এভাবেই থাকতে।

আপনারা যারা ভালোবাসা ও সামর্থ্য দিয়ে আমাদের এই মানবিক উদ্যোগের পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাঁদের প্রতি রইল আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা। আপনাদের সহযোগিতাতেই বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশু ও তাঁদের পরিবারের মুখে ফুটে ওঠে স্বস্তির হাসি। ❤️

🌿 বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবস ২০২৬ 🌿শিশুদের সুস্থতা, স্বাভাবিক চলাফেরা ও আত্মনির্ভরতার পথে ফিজিওথেরাপির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্...
08/09/2026

🌿 বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবস ২০২৬ 🌿

শিশুদের সুস্থতা, স্বাভাবিক চলাফেরা ও আত্মনির্ভরতার পথে ফিজিওথেরাপির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। 💙

বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবস উপলক্ষে আলোকিত পথ-এর বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের নিয়ে আয়োজিত হলো আনন্দঘন এক বিশেষ আয়োজন। 🎉

আমাদের শিশুদের হাসি, আনন্দ ও অংশগ্রহণে দিনটি হয়ে উঠেছিল আরও সুন্দর ও প্রাণবন্ত। 🌸

ফিজিওথেরাপি হোক প্রতিটি বিশেষ শিশুর এগিয়ে চলার শক্তি। 🤍

আজ বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবস।মেহেদীর বয়স তখন পাঁচ বছর। যেদিন ওর মা প্রথম আলোকিত পথের দরজায় এসে দাঁড়ালেন, চোখে ছিল একরাশ ...
08/09/2026

আজ বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবস।
মেহেদীর বয়স তখন পাঁচ বছর। যেদিন ওর মা প্রথম আলোকিত পথের দরজায় এসে দাঁড়ালেন, চোখে ছিল একরাশ ক্লান্তি আর ভয়। ছেলেটা তখন চোখে চোখ রাখতে পারতো না, একটুতেই ভারসাম্য হারিয়ে পড়ে যেত, এক মুহূর্তও স্থির থাকতে পারতো না। বহু জায়গায় গিয়েছিলেন তিনি, কিন্তু দরিদ্র পরিবারের পক্ষে নিয়মিত চিকিৎসার খরচ চালানো ছিল স্বপ্নের মতো।
সেদিন আলোকিত পথ মেহেদীকে ফিরিয়ে দেয়নি। সপ্তাহের পর সপ্তাহ, মাসের পর মাস- আমাদের ফিজিওথেরাপিস্টরা ওর হাত ধরে হাঁটতে শিখিয়েছেন, ধৈর্য ধরে বসে থেকেছেন যখন মেহেদী কেঁদেছে, আবার হাসিমুখে এগিয়ে গেছেন, যখন ও একটু একটু করে এগিয়েছে। আজ মেহেদী হাঁটে, খেলে, আগের চেয়ে অনেক বেশি মনোযোগী হয়ে তাকায় তার মায়ের দিকে।
মেহেদীর মায়ের চোখে আজ আর ভয় নেই- আছে এক চিলতে আশা আর কৃতজ্ঞতা।
এই গল্প শুধু একটি বিশেষ শিশুর নয়। বিগত আট বছর ধরে আলোকিত পথ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দরিদ্র পরিবারের অটিস্টিক শিশুদের পাশে দাঁড়িয়েছে ফিজিওথেরাপি, স্পিচ থেরাপি সেবা, বিশেষ শিক্ষা ও রেশন দিয়ে। এমন হাজারো মেহেদী আছে, যাদের পরিবারের সামর্থ্য নেই বলেই আলোকিত পথ দাঁড়িয়ে আছে তাদের পাশে, একদম বিনামূল্যে, নিঃশর্ত ভালোবাসা নিয়ে।
বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবসে আমরা মাথা নত করে কৃতজ্ঞতা জানাই আমাদের সেই ফিজিওথেরাপিস্টদের, যাঁরা নিজেদের হাতের স্পর্শে প্রতিদিন একটু একটু করে অন্ধকার সরিয়ে আলো জ্বালান। আলোকিত করেন একটি জীবন।
শুভ বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবস।
#সুস্থতারযাত্রা #মানবিকবাংলাদেশ #ভালোবাসারসেবা

একজন মানুষের স্বপ্ন, ত্যাগ ও নিরলস সংগ্রাম—আজ শতাধিক অতিদরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মুখের হাসির কারণ।কিছু মানুষ শুধু স...
06/09/2026

একজন মানুষের স্বপ্ন, ত্যাগ ও নিরলস সংগ্রাম—আজ শতাধিক অতিদরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মুখের হাসির কারণ।

কিছু মানুষ শুধু স্বপ্ন দেখেন না, বরং সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে নিজের মূল্যবান সময়, শ্রম, মেধা ও সামর্থ্য মানবতার কল্যাণে নিবেদিত করেন।

আলোকিত পথের সম্মানিত জেনারেল সেক্রেটারি ম্যাম অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর নুরুন নেছা ফেন্সী ঠিক তেমনই একজন নিবেদিতপ্রাণ মানুষ।

আলোকিত পথের পথচলা কখনোই সহজ ছিল না।প্রতিষ্ঠানের শুরুর দিনগুলোতে নানা প্রতিকূলতা, সীমাবদ্ধতা, অনিশ্চয়তা ও অসংখ্য চ্যালেঞ্জের মধ্যেও দৃঢ় প্রত্যয়, সাহস ও মানবিক দায়বদ্ধতা নিয়ে সামনে এগিয়ে এসেছিলেন আমাদের শ্রদ্ধেয় জেনারেল সেক্রেটারি ম্যাম।

অতি দরিদ্র, সুবিধাবঞ্চিত ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করার প্রত্যয় থেকেই আলোকিত পথের পথচলা শুরু। তাঁর দৃঢ় নেতৃত্ব, নিষ্ঠা ও নিরলস প্রচেষ্টায় আজ সেই পথচলার ৮ বছর পূর্ণ হয়েছে।

এই ৮ বছরে আলোকিত পথ অতি দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য সম্পূর্ণ বিনামূল্যে শিক্ষা, চিকিৎসা ও থেরাপির ব্যবস্থা করে আসছে। যেসব শিশু অর্থনৈতিক অসচ্ছলতার কারণে প্রয়োজনীয় সেবা থেকে বঞ্চিত ছিল, আজ তারা বিনামূল্যে সেই সেবা গ্রহণের সুযোগ পাচ্ছে।

বর্তমানে ৮৪টি অতি দরিদ্র পরিবারের জন্য প্রতি মাসে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে।

আজ আলোকিত পথের অগ্রযাত্রা এবং সুবিধাবঞ্চিত শিশু ও অসহায় পরিবারগুলোর জীবনে যে ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে, তার সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত রয়েছে ম্যামের দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টা, নেতৃত্ব ও অবদান।

আজ আমাদের শ্রদ্ধেয় জেনারেল সেক্রেটারি ম্যামের জন্মদিন। 🎂

এই বিশেষ দিনে আলোকিত পথ পরিবারের পক্ষ থেকে জানাই জন্মদিনের আন্তরিক শুভেচ্ছা, গভীর শ্রদ্ধা ও অফুরন্ত ভালোবাসা।

আল্লাহ যেন ম্যামকে সুস্থতা, দীর্ঘায়ু, শান্তি ও অফুরন্ত শক্তি দান করেন। তাঁর প্রতিটি মহৎ উদ্যোগ কবুল করুন এবং অতিদরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের কল্যাণে কাজ করার শক্তি ও সামর্থ্য আরও বৃদ্ধি করে দিন।

আপনার সংগ্রামই আলোকিত পথের শক্তি। আপনার ত্যাগই এই পথচলার অনুপ্রেরণা। আপনার স্বপ্নই অসংখ্য সুবিধাবঞ্চিত শিশুর ভবিষ্যতের আলো।

শুভ জন্মদিন, শ্রদ্ধেয় জেনারেল সেক্রেটারি ম্যাম। ❤️🎂 আপনার নেতৃত্ব ও প্রেরণায় আলোকিত পথ এগিয়ে যাক আরও বহুদূর—মানবতার জন্য, সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য।

#আলোকিতপথ, #শুভজন্মদিন, #মানবতারসেবা, #সুবিধাবঞ্চিতশিশু, #বিশেষচাহিদাসম্পন্নশিশু, #শিক্ষা, #চিকিৎসা, #থেরাপি

27/08/2026

শিশুর কথা বলা শুরুর ক্ষেত্রে কিছু বিষয় সময়মতো খেয়াল করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
কারণ শিশুর বিকাশের প্রতিটি ধাপ আলাদা। তবে বয়স অনুযায়ী ভাষা ও যোগাযোগের কিছু সাধারণ মাইলস্টোন থাকে, যেগুলো বাবা-মা ও কাছের অভিভাবকরা লক্ষ্য করতে পারেন।
➡️ ১ বছর বয়সের দিকে শিশু সাধারণত কিছু সহজ শব্দ বলা শুরু করতে পারে এবং পরিচিত মানুষ বা জিনিসের দিকে ইশারা করে নিজের প্রয়োজন বোঝাতে পারে।
➡️ ২ বছর বয়সের দিকে শিশুর শব্দভাণ্ডার বাড়তে থাকে এবং দুই বা ততোধিক শব্দ একসঙ্গে ব্যবহার করে ছোট বাক্য বলার চেষ্টা করতে পারে।
➡️ ৩ বছর বয়সের দিকে শিশু আরও বেশি শব্দ ব্যবহার করে কথা বলতে এবং নিজের প্রয়োজন, অনুভূতি বা অভিজ্ঞতা সহজভাবে প্রকাশ করতে পারে।

তবে মনে রাখতে হবে, সব শিশু একই সময়ে একইভাবে কথা বলা শুরু করবে না। প্রতিটি শিশুই স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য নিয়ে বেড়ে ওঠে। তাই শুধু একটি মাইলস্টোন অর্জিত না হওয়ার ভিত্তিতে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো উচিত নয়।
বয়স অনুযায়ী শিশুর যোগাযোগ বা ভাষা বিকাশ নিয়ে কোনো উদ্বেগ থাকলে Early Identification গুরুত্বপূর্ণ। যত তাড়াতাড়ি বিষয়টি খেয়াল করা যায়, প্রয়োজন অনুযায়ী সঠিক দিকনির্দেশনা ও প্রতিরোধের সুযোগ তত দ্রুত পাওয়া যায়। তাই আপনার শিশুর প্রতিটি শব্দ, ইশারা এবং যোগাযোগের চেষ্টাকে গুরুত্ব দিন। কারণ সময়মতো শিশুর প্রতি লক্ষ্য রাখা, শিশুর বিকাশের পথকে মসৃণ করে তুলতে পারে।
গত আট বছর ধরে আলোকিত পথ অতি দরিদ্র ঘরের অটিজম আক্রান্ত শিশুদের বিনামূল্যে থেরাপি, শিক্ষা ও রেশন সহায়তা দিয়ে আসছে। শিশুর বিকাশ, শিক্ষা ও সম্ভাবনাকে ঘিরে সচেতনতা তৈরির এই পথচলায় আপনিও আমাদের সঙ্গে থাকুন। আপনার একটি সচেতনতা, একটি সঠিক সময়ে নেওয়া পদক্ষেপ—একটি শিশুর জীবনকে আরও সুন্দর ও সম্ভাবনাময় করে তুলতে পারে।

#আলোকিতপথ #শিশুরবিকাশ #ভাষাবিকাশ #শিশুরশিক্ষা #শিশুরযত্ন #সচেতনঅভিভাবক #শিশুরকথা

আগামীর মানবিক চিকিৎসকদের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা১৮ ও ১৯ আগস্ট ডক্টর সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজের একদল মেধাবী শ...
19/08/2026

আগামীর মানবিক চিকিৎসকদের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা

১৮ ও ১৯ আগস্ট ডক্টর সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজের একদল মেধাবী শিক্ষার্থী শিক্ষাসফরের অংশ হিসেবে আলোকিত পথে ভিজিট করেন।

বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের খুব কাছ থেকে দেখে তাদের আনন্দ, মুগ্ধতা ও আবেগ আমাদের হৃদয় ছুঁয়ে গেছে। আজ তারা চিকিৎসাবিজ্ঞানের শিক্ষার্থী, আগামী দিনে তারাই হয়ে উঠবেন মানুষের সেবায় নিয়োজিত চিকিৎসক।

এই ছোট্ট শিশুদের হাসি, ভালোবাসা আর নির্মল অনুভূতিগুলো যেন তাদের আগামীর চিকিৎসাসেবায় মানবিকতার এক অনুপ্রেরণা হয়ে থাকে।

তারা যেন চিকিৎসার পাশাপাশি মানুষের কষ্ট অনুভব করেন, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ান এবং মমতা ও ভালোবাসা দিয়ে সেবা করার মানসিকতা ধারণ করেন—এটাই আমাদের আন্তরিক প্রত্যাশা।

আলোকিত পথ পরিবারের পক্ষ থেকে আগামীর মানবিক চিকিৎসকদের জন্য রইল আন্তরিক শুভেচ্ছা, ভালোবাসা ও অফুরন্ত শুভকামনা। ❤️

13/08/2026

প্রতিটি শিশুর কথা শেখার, বলার পথ ভিন্ন। তবে যে কোনো শিশুর কথা বলতে দেরি হলে সচেতন হওয়া জরুরি। সঠিক সময়ে Speech Therapy শিশুর যোগাযোগ দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাস বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

গত ৮ বছর ধরে আলোকিত পথ বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের থেরাপি, শিক্ষা ও খাদ্য সহায়তার মাধ্যমে তাদের সুন্দর ভবিষ্যতের পথে এগিয়ে নিতে ও আলোকিত জীবন গড়ার পথে কাজ করে যাচ্ছে। আলোকিত পথের বিশেষ শিশুদের সাথে থাকবেন।

ধন্যবাদ।

#আলোকিত_পথ

'আলোকিত পথ' পরিবারে স্বাগতম  আব্দুল ইয়াসিন কে! 🌸মাত্র ৫ বছর বয়সী আব্দুল ইয়াসিন আমাদের পরিবারের নতুন সদস্য। তার মূল সম...
13/08/2026

'আলোকিত পথ' পরিবারে স্বাগতম আব্দুল ইয়াসিন কে! 🌸

মাত্র ৫ বছর বয়সী আব্দুল ইয়াসিন আমাদের পরিবারের নতুন সদস্য। তার মূল সমস্যা হলো **'স্পিচ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজ ডিলে' (Speech and Language Delay)**, অর্থাৎ বয়সের সাথে সাথে কথা বলা এবং নিজের ভাব প্রকাশ করার ক্ষেত্রে সে কিছুটা পিছিয়ে রয়েছে।

আব্দুল ইয়াসিনকে ভাষার সুন্দর জগতে ফিরিয়ে আনতে এবং তার মনের কথাগুলো ফুটিয়ে তুলতে আমাদের অভিজ্ঞ টিম ইতিমধ্যেই বিশেষ থেরাপি ও সার্বিক যত্ন প্রদান শুরু করেছে।

আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, সঠিক চিকিৎসা ও সময়োপযোগী থেরাপির পাশাপাশি সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন আমাদের সবার ভালোবাসা। আপনাদের আন্তরিক দোয়া, সহমর্মিতা ও সহযোগিতায় আব্দুল ইয়াসিনের মতো বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুরা ধীরে ধীরে সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে সক্ষম হবে।

ইয়াসিন যেন খুব দ্রুত তার আদো আদো মিষ্টি কণ্ঠে আমাদের সাথে গল্প করতে পারে—এই নতুন পথচলায় আপনাদের সবার মূল্যবান দোয়া ও ভালোবাসা কামনা করছি। ❤️

11/08/2026

আমার ছেলে এখনও কথা বলে না, সবাই বলে সময় হলে ঠিক হয়ে যাবে..
বর্তমান সময়ে প্রায়ই এমন কথা আমরা অভিভাবকদের মুখ থেকে শুনি। কেউ বলেন, "ছেলেরা একটু দেরিতে কথা বলে।" আবার কেউ বলেন, "এত চিন্তার কিছু নেই সময় হলে বাচ্চা কথা বলবেই..
কিন্তু সব দেরিই স্বাভাবিক নয়। আবার সব বাচ্চার বেড়ে ওঠার গতি এক হবে—এমনটাও স্বাভাবিক নয়। তবে বাচ্চাদের ক্ষেত্রে কিছু বিকাশগত লক্ষণ রয়েছে, যেগুলো অভিভাবকদের শুরু থেকেই খেয়াল রাখা খুবই জরুরি।
যেমন—
🔹 ৬ মাস বয়সেও যদি শিশুর চোখে চোখ রেখে হাসি বা সাড়া দেওয়া খুব কম হয়।
🔹 ৯–১২ মাসে নিজের নাম ধরে ডাকলেও যদি বারবার সাড়া না দেয়।
🔹 ১২–১৮ মাসেও যদি কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ বলতে না শুরু করে বা ইশারা করে নিজের চাওয়া-পাওয়া বোঝাতে না চায়।
🔹 সমবয়সী শিশুদের সঙ্গে খেলা করতে বা যোগাযোগ করতে আগ্রহ না দেখায়।
🔹 একই কাজ বা আচরণ বারবার করে, রুটিন পরিবর্তন হলে অতিরিক্ত অস্থির হয়ে পড়ে।

এই লক্ষণগুলোর একটি বা একাধিক থাকলেই যে আপনার শিশু অটিজম বা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো আসলে যাবে না। তবে এই বিষয়গুলোকে অবহেলা করাও উচিত নয়। যত দ্রুত একজন শিশু বিশেষজ্ঞ বা ডেভেলপমেন্টাল বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া যায়, তত দ্রুত প্রয়োজনীয় মূল্যায়ন ও সহায়তা শুরু করা সম্ভব।
আমরা অনেক সময় শুনি, "আরও একটু বড় হলে ঠিক হয়ে যাবে।" কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে এই অপেক্ষাই জীবনের মূল্যবান সময় নষ্ট করে দেয়। মনে রাখবেন, Early Identification এবং Early Intervention একটি শিশুর শেখা, যোগাযোগ এবং দৈনন্দিন দক্ষতার উন্নতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

"আলোকিত পথ" বিগত আট বছর ধরে এমন পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ায়, যারা আর্থিক অসচ্ছলতা ও দারিদ্র্যতার কারণে সন্তানের প্রয়োজনীয় সেবা গ্রহণ থেকে বঞ্চিত হয়। বাংলাদেশে শুধুমাত্র আলোকিত পথই বিনামূল্যে বিশেষায়িত চিকিৎসা ও থেরাপি, শিক্ষা বা স্কুলিং , অভিভাবক কাউন্সেলিং এবং খাদ্য সহায়তার মাধ্যমে চেষ্টা করে যেন কোনো শিশুর সম্ভাবনা শুধু দারিদ্র্যের কারণে থেমে না যায়। কারণ এই শিশুদের বেশিরভাগ এমন পরিবারগুলো থেকে এসেছে যাদের ঠিক মত তিন বেলা খাবারও জোটে না। আলোকিত পথ পাশে না দাঁড়ালে এদের অনেককেই, পরিবার থেকে একটু উপার্জনের আশায় ভিক্ষাবৃত্তিতে নামিয়ে দেয়া হতো। আমরা বিশ্বাস করি একটু সচেতনতা, একটি সঠিক সিদ্ধান্ত এবং সময়মতো সহায়তা—একটি শিশুর পুরো জীবন বদলে দিতে পারে। কারণ
"বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুরা আমাদের বোঝা নয়, তারা আমাদের জন্য কল্যাণ"।

Address

House No-27 (1st Floor), Road-5, Sector-13, Uttara
Dhaka
1230

Opening Hours

Monday 10:00 - 17:00
Tuesday 10:00 - 17:00
Wednesday 10:00 - 17:00
Thursday 10:00 - 17:00
Sunday 10:00 - 17:00

Telephone

+8801833342244

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Alokito Poth - আলোকিত পথ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Alokito Poth - আলোকিত পথ:

Shortcuts

Share