14/03/2025
আলহামদুল্লিলাহ , আজ শুক্রবার আমাদের গ্রামের সম্মানিত গ্রামবাসি , গুরুজন সহ সকল সদস্যরা কাদেঁ কাঁদ মিলিয়ে ভাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে আমাদের কেশারখিল উত্তর মসজিদে ইফতার করছেন, আল্লাহর অশেষ রহমত I যারা এই ইফতার প্রস্তুতের সহযোগিতা করেছেন তাদের সকলকে আমাদের পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ I
এছাড়াও গ্রামের কিছু সংখ্যাক বৃদ্ব অসহায় নারীদের মেঝে ইফতার বন্টন করেছেন ,
এই কষ্ট সাধ্য দায়িত্ব পালন সম্ভব হয়েছে - মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক Hossan Ahmed Mannan , মাদ্রাসার কারী সাহেব ও অন্য দুই জন নারী শিক্ষকের অক্লান্ত পরিশ্রমে - KMUF পক্ষ থেকে আপনাদেরকে আন্তরিক শ্রদ্ধা জানাচ্ছি , আল্লাহ আপনাদের মঙ্গল করুন , আমীন I
“রমজানে রোজা ইসলামের পাঁচ স্তম্ভের অন্যতম। ঈমান, নামায ও যাকাতের পরই রোজার্ স্থান। রোজার্ আরবি শব্দ সওম, যার আভিধানিক অর্থ বিরত থাকা। পরিভাষায় সওম বলা হয়-প্রত্যেক সজ্ঞান, বালেগ মুসলমান নর-নারীর সুবহেসাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত রোযার নিয়তে পানাহার, স্ত্রীসহবাস ও রোযাভঙ্গকারী সকল কাজ থেকে বিরত থাকা। সুতরাং রমজান মাসের চাঁদ উদিত হলেই প্রত্যেক সুস্থ, মুকীমপ্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ এবং হায়েয-নেফাসমুক্ত প্রাপ্তবয়স্কা নারীরউপর পূর্ণ রমযান রোযা রাখা ফরয।
এ সম্পর্কে আল্লাহতাআলা ইরশাদ করেছেন-
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آَمَنُوا كُتِبَ عَلَيْكُمُ الصِّيَامُ كَمَا كُتِبَ عَلَى الَّذِينَ مِنْ قَبْلِكُمْ لَعَلَّكُمْ تَتَّقُونَ
(তরজমা) হে ঈমানদারগণ! তোমাদের উপর রোযা ফরযকরা হয়েছে, যেমন ফরয করা হয়েছিল তোমাদেরপূর্ববর্তীদের উপর, যেন তোমরা মুত্তাকী হতে পার।-সূরাবাকারা (২) : ১৮৩
অন্য আয়াতে ইরশাদ করেছেন-
فَمَنْ شَهِدَ مِنْكُمُ الشَّهْرَ فَلْيَصُمْهُ
(তরজমা) সুতরাং তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তিই এ মাস পাবে, সে যেন অবশ্যই রোযা রাখে।- সূরা বাকারা (২) : ১৮৫
রোযাদারের জন্য দুটি আনন্দের মুহূর্ত
হযরত আবু হুরায়রা রা. হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহুআলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন,
للصائم فرحتان يفرحهما اذا افطر فرح، واذا لقى ربه فرح بصومه، وفى رواية : اذا لقى الله فجزاه فرح،
রোযাদারের জন্য দুটি আনন্দের মুহূর্ত রয়েছে, যখন সে আনন্দিত হবে। এক. যখন সে ইফতার করে তখন ইফতারের কারণে আনন্দ পায়। দুই. যখন সে তার রবের সাথে মিলিতহবে তখন তার রোযার কারণে আনন্দিত হবে। অন্য বর্ণনায়রয়েছে, যখন সে আল্লাহর সাথে মিলিত হবে, আর তিনি তাকে পুরস্কার দিবেন, তখন সে আনন্দিত হবে।-সহীহবুখারী, হাদীস : ১৯০৪, ১৮৯৪; সহীহ মুসলিম, হাদীস : ১১৫১ (১৬৩, ১৬৪, ১৬৫); মুসনাদে আহমদ, হাদীস : ৯৪২৯, ৭১৭৪; সুনানে তিরমিযী, হাদীস : ৭৬৬
রোযাদারের সকল গুনাহ মাফ হয়ে যায়
হযরত আবু হুরায়রা রা. হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহুআলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন-
من صام رمضان ايمانا واحتسابا غفر له ما تقدم من ذنبه،
যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে সওয়াবের আশায় রমযান মাসেররোযা রাখবে, তার পূর্ববর্তী গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেওয়াহবে।- সহীহ বুখারী, হাদীস : ৩৮, ২০১৪; সহীহ মুসলিম৭৬০(১৬৫); মুসনাদে আহমদ, হাদীস : ৭১৭০; মুসান্নাফেইবনে আবী শাইবা, হাদীস : ৮৯৬৮
আল্লাহ সকলের ইফতার কবুল করুন এবং আমাদেরকে আমৃত্যু মানুষের সেবা করার তৌফিক দান করুন , আমীন !